Loading...

Loading...
বইসমূহ
১১৭ হাদিসসমূহ
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমাযান ব্যতীত কোন মাসে পুরা মাসের সওম পালন করেননি। তিনি এমনভাবে (নফল) সওম পালন করতেন যে, কেউ বলতে চাইলে বলতে পারতো, আল্লাহর কসম! তিনি আর সওম পালন পরিত্যাগ করবেন না। আবার এমনভাবে (নফল) সওম ছেড়ে দিতেন যে, কেউ বলতে চাইলে বলতে পারতো আল্লাহর কসম! তিনি আর সওম পালন করবেন না। (মুসলিম ১৩/৩৩, হাঃ ১১৫৭, আহমাদ ২১৫১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৮৩২ ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا موسى بن اسماعيل، حدثنا ابو عوانة، عن ابي بشر، عن سعيد، عن ابن عباس رضى الله عنهما قال ما صام النبي صلى الله عليه وسلم شهرا كاملا قط غير رمضان، ويصوم حتى يقول القايل لا والله لا يفطر، ويفطر حتى يقول القايل لا والله لا يصوم
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোন মাসে এভাবে সওম ছেড়ে দিতেন যে, আমরা মনে করতাম, তিনি এ মাসে আর সওম পালন করবেন না। আবার কোন মাসে এভাবে সওম পালন করতেন যে, আমরা মনে করতাম তিনি এ মাসে আর সওম ছাড়বেন না। আর তুমি যদি তাঁকে রাতে সালাত আদায়রত অবস্থায় দেখতে চাইতে তবে তা দেখতে পেতে, আবার যদি তুমি তাঁকে ঘুমন্ত দেখতে চাইতে তবে তাও দেখতে পেতে। সুলায়মান (রহ.) হুমাইদ (রহ.) সূত্রে বলেন যে, তিনি আনাস (রাঃ)-কে সওম সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেছেন। (১১৪১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৮৩৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثني عبد العزيز بن عبد الله، قال حدثني محمد بن جعفر، عن حميد، انه سمع انسا رضى الله عنه يقول كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يفطر من الشهر، حتى نظن ان لا يصوم منه، ويصوم حتى نظن ان لا يفطر منه شييا، وكان لا تشاء تراه من الليل مصليا الا رايته، ولا نايما الا رايته. وقال سليمان عن حميد انه سال انسا في الصوم
হুমাইদ (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আনাস (রাঃ)-কে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর (নফল) সওমের ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন, যে কোন মাসে আমি তাঁকে সওম পালনরত অবস্থায় দেখতে চেয়েছি, তাঁকে সে অবস্থায় দেখেছি, আবার তাঁকে সওম পালন না করা অবস্থায় দেখতে চাইলে তাও দেখতে পেয়েছি। রাতে যদি তাঁকে সালাত আদায়রত অবস্থায় দেখতে চেয়েছি, তা প্রত্যক্ষ করেছি। আবার ঘুমন্ত দেখতে চাইলে তাও দেখতে পেয়েছি। আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর হাত মুবারক হতে নরম কোন পশমী বা রেশমী কাপড় স্পর্শ করি নাই। আর আমি তাঁর (শরীরের) ঘ্রাণ হতে অধিক সুগন্ধযুক্ত কোন মিশক বা আম্বর পাইনি। (১১৪১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৮৩৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثني محمد، اخبرنا ابو خالد الاحمر، اخبرنا حميد، قال سالت انسا رضى الله عنه عن صيام النبي صلى الله عليه وسلم فقال ما كنت احب ان اراه من الشهر صايما الا رايته ولا مفطرا الا رايته، ولا من الليل قايما الا رايته، ولا نايما الا رايته، ولا مسست خزة ولا حريرة الين من كف رسول الله صلى الله عليه وسلم، ولا شممت مسكة ولا عبيرة اطيب رايحة من رايحة رسول الله صلى الله عليه وسلم
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর ইবনুল ‘আস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার কাছে এলেন। এরপর তিনি [‘আবদুল্লাহ (রাঃ)] হাদীসটি বর্ণনা করেন অর্থাৎ ‘‘তোমার উপর মেহমানের হাক্ব আছে, তোমার উপর তোমার স্ত্রীর হাক্ব আছে।’’ আমি জিজ্ঞেস করলাম, সওমে দাঊদ (‘আ) কি? তিনি বললেন, ‘‘অর্ধেক বছর’’ (-এর সওম পালন করা)। (১১৩১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৮৩৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا اسحاق، اخبرنا هارون بن اسماعيل، حدثنا علي، حدثنا يحيى، قال حدثني ابو سلمة، قال حدثني عبد الله بن عمرو بن العاص رضى الله عنهما قال دخل على رسول الله صلى الله عليه وسلم فذكر الحديث يعني " ان لزورك عليك حقا، وان لزوجك عليك حقا ". فقلت وما صوم داود قال " نصف الدهر
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর ইবনুল ‘আস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বললেনঃ হে ‘আবদুল্লাহ! আমি এ সংবাদ পেয়েছি যে, তুমি প্রতিদিন সওম পালন কর এবং সারা রাত সালাত আদায় করে থাক। আমি বললাম, ঠিক (শুনেছেন) হে আল্লাহর রাসূল! তিনি বললেনঃ এরূপ করবে না (বরং মাঝে মাঝে) সওম পালন কর আবার ছেড়েও দাও। (রাতে) সালাত আদায় কর আবার ঘুমাও। কেননা তোমার উপর তোমার শরীরের হাক্ব রয়েছে, তোমার চোখের হাক্ব রয়েছে, তোমার উপর তোমার স্ত্রীর হাক্ব আছে, তোমার মেহমানের হাক্ব আছে। তোমার জন্য যথেষ্ট যে, তুমি প্রত্যেক মাসে তিন দিন সওম পালন কর। কেননা নেক ‘আমলের বদলে তোমার জন্য রয়েছে দশগুণ নেকী। এভাবে সারা বছরের সওম হয়ে যায়। আমি (বললাম) আমি এর চেয়েও কঠোর ‘আমল করতে সক্ষম। তখন আমাকে আরও কঠিন ‘আমলের অনুমতি দেয়া হল। আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমি আরো বেশি শক্তি রাখি। তিনি বললেনঃ তবে আল্লাহর নবী দাঊদ (আঃ)-এর সওম পালন কর, এর হতে বেশি করতে যেয়ো না। আমি জিজ্ঞেস করলাম, আল্লাহর নবী দাঊদ (আঃ)-এর সওম কেমন? তিনি বললেনঃ অর্ধেক বছর। রাবী বলেন, ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) বৃদ্ধ বয়সে বলতেন, আহা! আমি যদি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রদত্ত রুখসত (সহজতর বিধান) কবূল করে নিতাম! (১১৩১, মুসলিম ১৩/৩৩৫, হাঃ ১১৫৯, আহমাদ ৬৭৭৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৮৩৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ابن مقاتل، اخبرنا عبد الله، اخبرنا الاوزاعي، قال حدثني يحيى بن ابي كثير، قال حدثني ابو سلمة بن عبد الرحمن، قال حدثني عبد الله بن عمرو بن العاص رضى الله عنهما قال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم " يا عبد الله الم اخبر انك تصوم النهار وتقوم الليل ". فقلت بلى يا رسول الله. قال " فلا تفعل، صم وافطر، وقم ونم، فان لجسدك عليك حقا، وان لعينك عليك حقا، وان لزوجك عليك حقا، وان لزورك عليك حقا، وان بحسبك ان تصوم كل شهر ثلاثة ايام، فان لك بكل حسنة عشر امثالها، فان ذلك صيام الدهر كله ". فشددت، فشدد على، قلت يا رسول الله، اني اجد قوة. قال " فصم صيام نبي الله داود عليه السلام ولا تزد عليه ". قلت وما كان صيام نبي الله داود عليه السلام قال " نصف الدهر ". فكان عبد الله يقول بعد ما كبر يا ليتني قبلت رخصة النبي صلى الله عليه وسلم
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট আমার সম্পর্কে এ কথা পৌঁছে যায় যে, আমি বলেছি, আল্লাহর কসম, আমি যতদিন বেঁচে থাকব ততদিন সওম পালন করব এবং রাতভর সালাত আদায় করব। তিনি আমাকে জিজ্ঞেস করায় আমি বললাম, আপনার উপর আমার পিতা-মাতা কুরবান হোন! আমি এ কথা বলেছি। তিনি বললেনঃ তুমি তো এরূপ করতে সক্ষম হবে না। বরং তুমি সওম পালন কর ও ছেড়েও দাও, (রাতে) সালাত আদায় কর ও নিদ্রাও যাও। তুমি মাসে তিন দিন করে সওম পালন কর, কারণ নেক কাজের ফল তার দশগুণ; এভাবেই সারা বছরের সওম পালন হয়ে যাবে। আমি বললাম, আমি এর হতে বেশি করার সামর্থ্য রাখি। তিনি বললেনঃ তাহলে একদিন সওম পালন কর এবং দু’দিন ছেড়ে দাও। আমি বললাম, আমি এর হতে বেশি করার শক্তি রাখি। তিনি বললেনঃ তাহলে একদিন সওম পালন কর আর একদিন ছেড়ে দাও। এ হল দাঊদ (আঃ)-এর সওম এবং এ হল সর্বোত্তম (সওম)। আমি বললাম, আমি এর চেয়ে বেশি করার সামর্থ্য রাখি। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ এর চেয়ে উত্তম সওম (রাখার পদ্ধতি) আর নেই। (১১৩১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৮৩৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ابو اليمان، اخبرنا شعيب، عن الزهري، قال اخبرني سعيد بن المسيب، وابو سلمة بن عبد الرحمن ان عبد الله بن عمرو، قال اخبر رسول الله صلى الله عليه وسلم اني اقول والله لاصومن النهار، ولاقومن الليل، ما عشت. فقلت له قد قلته بابي انت وامي. قال " فانك لا تستطيع ذلك، فصم وافطر، وقم ونم، وصم من الشهر ثلاثة ايام، فان الحسنة بعشر امثالها، وذلك مثل صيام الدهر ". قلت اني اطيق افضل من ذلك. قال " فصم يوما وافطر يومين ". قلت اني اطيق افضل من ذلك. قال " فصم يوما وافطر يوما، فذلك صيام داود عليه السلام وهو افضل الصيام ". فقلت اني اطيق افضل من ذلك. فقال النبي صلى الله عليه وسلم " لا افضل من ذلك
رَوَاهُ أَبُو جُحَيْفَةَ عَنْ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم আবূ জুহায়ফাহ (রাঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে এরূপ বর্ণনা করেছেন। ১৯৭৭. ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট এ সংবাদ পৌঁছে যে, আমি একটানা সওম পালন করি এবং রাতভর সালাত আদায় করি। এরপর হয়ত তিনি আমার কাছে লোক পাঠালেন অথবা আমি তাঁর সঙ্গে সাক্ষাত করলাম। তিনি বললেনঃ আমি কি এ কথা ঠিক শুনিনি যে, তুমি সওম পালন করতে থাক আর ছাড় না এবং তুমি (রাতভর) সালাত আদায় করতে থাক আর ঘুমাও না? (আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন)ঃ তুমি সওম পালন কর এবং মাঝে মাঝে তা ছেড়েও দাও। রাতে সালাত আদায় কর এবং নিদ্রাও যাও। কেননা তোমার উপর তোমার চোখের হক রয়েছে এবং তোমার নিজের শরীরের ও তোমার পরিবারের হক তোমার উপর আছে। ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) বললেন, আমি এর চেয়ে বেশি শক্তি রাখি। তিনি [আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ] বললেনঃ তাহলে তুমি দাঊদ (আঃ)-এর সিয়াম পালন কর। রাবী বলেন, ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) বললেন, তা কিভাবে? তিনি বললেনঃ দাঊদ (আঃ) একদিন সওম পালন করতেন, একদিন ছেড়ে দিতেন এবং তিনি (শত্রুর) সম্মুখীন হলে পলায়ন করতেন না। ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর নবী! আমাকে এ শক্তি কে যোগাবে? বর্ণনাকারী ‘আত্বা (রহ.) বলেন, (এ হাদীসে) কিভাবে সব সময়ের সিয়ামের প্রসঙ্গ আসে সে কথাটুকু আমার মনে নেই (অবশ্য) এতটুকু মনে আছে যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দু’বার এ কথাটি বলেছেন, সব সময়ের সওম কোন সওম নয়। (১১৩১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৮৩৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عمرو بن علي، اخبرنا ابو عاصم، عن ابن جريج، سمعت عطاء، ان ابا العباس الشاعر، اخبره انه، سمع عبد الله بن عمرو رضى الله عنهما بلغ النبي صلى الله عليه وسلم اني اسرد الصوم واصلي الليل، فاما ارسل الى، واما لقيته، فقال " الم اخبر انك تصوم ولا تفطر، وتصلي ولا تنام، فصم وافطر، وقم ونم، فان لعينك عليك حظا، وان لنفسك واهلك عليك حظا ". قال اني لاقوى لذلك. قال " فصم صيام داود عليه السلام ". قال وكيف قال " كان يصوم يوما ويفطر يوما، ولا يفر اذا لاقى ". قال من لي بهذه يا نبي الله قال عطاء لا ادري كيف ذكر صيام الابد، قال النبي صلى الله عليه وسلم " لا صام من صام الابد ". مرتين
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তুমি প্রতি মাসে তিন দিন সওম পালন কর। ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) বললেন, আমি এর চেয়ে বেশি করার শক্তি রাখি। এভাবে তিনি বৃদ্ধির আবেদন করতে লাগলেন, অবশেষে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ একদিন সওম পালন কর আর একদিন ছেড়ে দাও এবং আরো বললেনঃ প্রতি মাসে (এক খতম) কুরআন পাঠ কর। তিনি বললেন, আমি এর চেয়ে বেশি শক্তি রাখি। এভাবে বলতে লাগলেন, অবশেষে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তাহলে তিন দিনে (পাঠ কর)। (১১৩১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৮৩৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا غندر، حدثنا شعبة، عن مغيرة، قال سمعت مجاهدا، عن عبد الله بن عمرو رضى الله عنهما عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " صم من الشهر ثلاثة ايام ". قال اطيق اكثر من ذلك. فما زال حتى قال " صم يوما وافطر يوما " فقال " اقرا القران في شهر ". قال اني اطيق اكثر. فما زال حتى قال في ثلاث
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর ইবনুল ‘আস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে জিজ্ঞেস করলেনঃ তুমি কি সব সময় সওম পালন কর এবং রাতভর সালাত আদায় করে থাক? আমি বললাম, জী হাঁ। তিনি বললেনঃ তুমি এরূপ করলে চোখ বসে যাবে এবং শরীর দুর্বল হয়ে পড়বে। যে সারা বছর সওম পালন করে সে যেন সওম পালন করে না। মাসে তিন দিন করে সওম পালন করা সারা বছর সওম পালনের সমতুল্য। আমি বললাম, আমি এর চেয়ে বেশি করার সামর্থ্য রাখি। তিনি বললেনঃ তাহলে তুমি দাঊদী সওম পালন কর, তিনি একদিন সওম পালন করতেন আর একদিন ছেড়ে দিতেন এবং যখন শত্রুর সম্মুখীন হতেন তখন পলায়ন করতেন না। (১১৩১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৮৪০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ادم، حدثنا شعبة، حدثنا حبيب بن ابي ثابت، قال سمعت ابا العباس المكي وكان شاعرا وكان لا يتهم في حديثه قال سمعت عبد الله بن عمرو بن العاص رضى الله عنهما قال قال لي النبي صلى الله عليه وسلم " انك لتصوم الدهر، وتقوم الليل ". فقلت نعم. قال " انك اذا فعلت ذلك هجمت له العين ونفهت له النفس، لا صام من صام الدهر، صوم ثلاثة ايام صوم الدهر كله ". قلت فاني اطيق اكثر من ذلك. قال " فصم صوم داود عليه السلام كان يصوم يوما ويفطر يوما، ولا يفر اذا لاقى
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট আমার সওমের (সওম পালনের পদ্ধতি সম্পর্কে) আলোচনা করায় তিনি আমার এখানে আগমন করেন। আমি তাঁর জন্য খেজুরের গাছের ছালে পরিপূর্ণ চামড়ার বালিশ (হেলান দিয়ে বসার জন্য) উপস্থিত করলাম। তিনি মাটিতে বসে পড়লেন। বালিশটি তাঁর ও আমার মাঝে পড়ে থাকল। তিনি বললেনঃ প্রতি মাসে তুমি তিন দিন সওম পালন করলে হয় না? ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! (আরো করতে সক্ষম)। তিনি বললেনঃ সাত দিন। আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! (আরো করতে সক্ষম)। তিনি বললেনঃ নয় দিন। আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! (আরো করতে সক্ষম)। তিনি বললেনঃ এগারো দিন। এরপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, দাঊদ (‘আ)-এর সওমের চেয়ে উত্তম সওম আর হয় না- (তা হচ্ছে) অর্ধেক বছর, একদিন সওম পালন কর ও একদিন ছেড়ে দাও। (১১৩১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৮৪১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا اسحاق الواسطي، حدثنا خالد، عن خالد، عن ابي قلابة، قال اخبرني ابو المليح، قال دخلت مع ابيك على عبد الله بن عمرو فحدثنا ان رسول الله صلى الله عليه وسلم ذكر له صومي فدخل على، فالقيت له وسادة من ادم، حشوها ليف، فجلس على الارض، وصارت الوسادة بيني وبينه. فقال " اما يكفيك من كل شهر ثلاثة ايام ". قال قلت يا رسول الله. قال " خمسا ". قلت يا رسول الله. قال " سبعا ". قلت يا رسول الله. قال " تسعا ". قلت يا رسول الله. قال " احدى عشرة ". ثم قال النبي صلى الله عليه وسلم " لا صوم فوق صوم داود عليه السلام شطر الدهر، صم يوما، وافطر يوما
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমার বন্ধু সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে তিনটি বিষয়ে নির্দেশ দিয়েছেন, প্রতি মাসে তিন দিন করে সওম পালন করা এবং দু‘রাক‘আত সালাতুয-যুহা এবং ঘুমানোর পূর্বে বিতর সালাত আদায় করা। (১১৭৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৮৪২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ابو معمر، حدثنا عبد الوارث، حدثنا ابو التياح، قال حدثني ابو عثمان، عن ابي هريرة رضى الله عنه قال اوصاني خليلي صلى الله عليه وسلم بثلاث صيام ثلاثة ايام من كل شهر، وركعتى الضحى، وان اوتر قبل ان انام
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (আমার মাতা) উম্মু সুলাইম (রাযি.)-এর ঘরে আগমন করলেন। তিনি তাঁর সামনে খেজুর ও ঘি পেশ করলেন। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তোমাদের ঘি মশকে এবং খেজুর তার বরতনে রেখে দাও। কারণ আমি সায়িম। এরপর তিনি ঘরের এক পাশে গিয়ে নফল সালাত আদায় করলেন এবং উম্মু সুলাইম (রাযি.) ও তাঁর পরিজনের জন্য দু‘আ করলেন। উম্মু সুলাইম (রাযি.) আরয করলেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমার একটি ছোট ছেলে আছে। তিনি বললেনঃ কে সে? উম্মু সুলাইম (রাযি.) বললেন, আপনার খাদেম আনাস। তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার জন্য দুনিয়া ও আখিরাতের যাবতীয় কল্যাণের দু‘আ করলেন। তিনি বললেনঃ হে আল্লাহ! তুমি তাকে মাল ও সন্তান-সন্ততি দান কর এবং তাকে বরকত দাও। আনাস (রাঃ) বলেন, আমি আনসারগণের মধ্যে অধিক সম্পদশালীদের একজন। এবং আমার কন্যা উমায়না আমাকে জানিয়েছে যে, হাজ্জাজ (ইবনু ইউসুফ) বসরায় আগমনের পূর্ব পর্যন্ত একশত বিশের অধিক আমার নিজের সন্তান মারা গেছে। হুমায়দ (রহ.) আনাস (রাঃ)-কে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে হাদীস বর্ণনা করতে শুনেছেন। (৬৩৩৪, ৬৩৪৪, ৬৩৭৮, ৬৩৮০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৮৪৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৮৫৫ ও)
حدثنا محمد بن المثنى، قال حدثني خالد هو ابن الحارث حدثنا حميد، عن انس رضى الله عنه دخل النبي صلى الله عليه وسلم على ام سليم، فاتته بتمر وسمن، قال " اعيدوا سمنكم في سقايه، وتمركم في وعايه، فاني صايم ". ثم قام الى ناحية من البيت، فصلى غير المكتوبة، فدعا لام سليم، واهل بيتها، فقالت ام سليم يا رسول الله، ان لي خويصة، قال " ما هي ". قالت خادمك انس. فما ترك خير اخرة ولا دنيا الا دعا لي به قال " اللهم ارزقه مالا وولدا وبارك له ". فاني لمن اكثر الانصار مالا. وحدثتني ابنتي امينة انه دفن لصلبي مقدم حجاج البصرة بضع وعشرون وماية. حدثنا ابن ابي مريم، اخبرنا يحيى، قال حدثني حميد، سمع انسا رضى الله عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم
. ‘ইমরান ইবনু হুইায়ন (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে অথবা (রাবী বলেন) অন্য এক ব্যক্তিকে জিজ্ঞেস করেন এবং ‘ইমরান (রাঃ) তা শুনছিলেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ হে অমুকের পিতা!! তুমি কি এ মাসের শেষভাগে সওম পালন করনি? (রাবী) বলেন, আমার মনে হয় (আমার ওস্তাদ) বলেছেন, অর্থাৎ রমাযান। লোকটি উত্তর দিল, হে আল্লাহর রাসূল! না। তিনি বললেনঃ যখন সওম পালন শেষ করবে তখন দু’দিন সওম পালন করে নিবে। আমার মনে হয় সালত (রহ.) রমাযান শব্দটি বর্ণনা করেননি। সাবিত (রহ.) ‘ইমরান সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে مِنْ سَرَرِ شَعْبَانَ শা‘বানের শেষভাগে বলে উল্লেখ করেছেন। আবূ ‘আবদুল্লাহ বুখারী (রহ.) বলেন, শা‘বান শব্দটি অধিকতর সহীহ। (মুসলিম ১৩/৩৬, হাঃ ১১৬১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৮৪৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا الصلت بن محمد، حدثنا مهدي، عن غيلان،. وحدثنا ابو النعمان، حدثنا مهدي بن ميمون، حدثنا غيلان بن جرير، عن مطرف، عن عمران بن حصين رضى الله عنهما عن النبي صلى الله عليه وسلم. انه ساله او سال رجلا وعمران يسمع فقال " يا ابا فلان اما صمت سرر هذا الشهر ". قال اظنه قال يعني رمضان. قال الرجل لا يا رسول الله. قال " فاذا افطرت فصم يومين ". لم يقل الصلت اظنه يعني رمضان. قال ابو عبد الله وقال ثابث عن مطرف عن عمران عن النبي صلى الله عليه وسلم " من سرر شعبان
মুহাম্মাদ ইবনু ‘আব্বাদ (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কি জুমু‘আর দিনে (নফল) সওম পালন করতে নিষেধ করেছেন? উত্তরে তিনি বললেন, হাঁ। আবূ ‘আসিম (রহ.) ব্যতীত অন্যেরা অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন যে, পৃথকভাবে জুমু‘আর দিনের সওম পালন (-কে নিষেধ করেছেন)। (মুসলিম ১৩/২৩, হাঃ ১১৪৩, আহমাদ ১৪১৫৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৮৪৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ابو عاصم، عن ابن جريج، عن عبد الحميد بن جبير، عن محمد بن عباد، قال سالت جابرا رضى الله عنه نهى النبي صلى الله عليه وسلم عن صوم يوم الجمعة قال نعم. زاد غير ابي عاصم ان ينفرد بصوم
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে বলতে শুনেছি যে, তোমাদের কেউ যেন শুধু জুম‘আর দিনে সওম পালন না করে কিন্তু তার পূর্বে একদিন অথবা পরের দিন (যদি পালন করে তবে জুমু‘আর দিনে সওম পালন করা যায়)। (মুসলিম ১৩/২৪, হাঃ ১১৪৪, আহমাদ ১০৮০৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৮৪৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عمر بن حفص بن غياث، حدثنا ابي، حدثنا الاعمش، حدثنا ابو صالح، عن ابي هريرة رضى الله عنه قال سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول " لا يصومن احدكم يوم الجمعة، الا يوما قبله او بعده
জুয়াইরিয়া বিনতে হারিস (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জুমু‘আর দিনে তাঁর নিকট প্রবেশ করেন তখন তিনি (জুয়াইরিয়া) সওম পালনরত ছিলেন। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে জিজ্ঞেস করলেনঃ তুমি কি গতকাল সওম পালন করেছিলে? তিনি বললেন, না। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জিজ্ঞেস করলেনঃ তুমি কি আগামীকাল সওম পালনের ইচ্ছা রাখ? তিনি বললেন, না। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তাহলে সওম ভেঙ্গে ফেল। হাম্মাদ ইবনুল জা‘দ (রহ.) স্বীয় সূত্রে জুয়াইরিয়া (রাযি.) হতে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে আদেশ দেন এবং তিনি সওম ভঙ্গ করেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৮৪৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، عن شعبة، ح. وحدثني محمد، حدثنا غندر، حدثنا شعبة، عن قتادة، عن ابي ايوب، عن جويرية بنت الحارث رضى الله عنها ان النبي صلى الله عليه وسلم دخل عليها يوم الجمعة وهى صايمة فقال " اصمت امس ". قالت لا. قال " تريدين ان تصومي غدا ". قالت لا. قال " فافطري ". وقال حماد بن الجعد سمع قتادة حدثني ابو ايوب ان جويرية حدثته فامرها فافطرت
‘আলকামা (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ‘আয়িশাহ্ (রাযি.)-কে জিজ্ঞাসা করলাম যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কি কোন দিন কোন কাজের জন্য নির্দিষ্ট করে নিতেন? উত্তরে তিনি বললেন, না, বরং তাঁর ‘আমল স্থায়ী হতো এবং আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে সব ‘আমল করার শক্তি-সামর্থ্য রাখতেন তোমাদের মধ্যে কে আছে যে সে সবের সামর্থ্য রাখে? (৬৪৬৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৮৪৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، عن سفيان، عن منصور، عن ابراهيم، عن علقمة، قلت لعايشة رضى الله عنها هل كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يختص من الايام شييا قالت لا، كان عمله ديمة، وايكم يطيق ما كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يطيق
উম্মুল ফাযল বিনত হারিস (রাযি.) সূত্রে বর্ণনা করেন যে, কিছু সংখ্যক লোক ‘আরাফাতের দিনে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সওম পালন সম্পর্কে তাঁর কাছে সন্দেহ প্রকাশ করে। তাদের কেউ বলল, তিনি সওম পালন করেছেন। আর কেউ বলল, না, তিনি করেননি। এতে উম্মুল ফাযল (রাযি.) এক পেয়ালা দুধ আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট পাঠিয়ে দিলেন এবং তিনি তা পান করে নিলেন। এ সময় তিনি উটের পিঠে (‘আরাফাতে) উকূফ অবস্থায় ছিলেন। (১৬৫৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৮৪৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، عن مالك، قال حدثني سالم، قال حدثني عمير، مولى ام الفضل ان ام، الفضل حدثته ح وحدثنا عبد الله بن يوسف اخبرنا مالك عن ابي النضر مولى عمر بن عبيد الله عن عمير مولى عبد الله بن العباس عن ام الفضل بنت الحارث ان ناسا تماروا عندها يوم عرفة في صوم النبي صلى الله عليه وسلم فقال بعضهم هو صايم. وقال بعضهم ليس بصايم. فارسلت اليه بقدح لبن وهو واقف على بعيره فشربه
মায়মূনাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত যে, কিছু সংখ্যক লোক ‘আরাফাতের দিনে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সওম পালন সম্পর্কে সন্দেহ প্রকাশ করলে তিনি স্বল্প পরিমাণ দুধ আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট পাঠিয়ে দিলে তিনি তা পান করলেন ও লোকেরা তা প্রত্যক্ষ করছিল। তখন তিনি (‘আরাফাতে) অবস্থান স্থলে ওকূফ করছিলেন। (মুসলিম ১৩/১৮, হাঃ ১১২৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৮৫০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا يحيى بن سليمان، حدثنا ابن وهب او قري عليه قال اخبرني عمرو، عن بكير، عن كريب، عن ميمونة رضى الله عنها ان الناس، شكوا في صيام النبي صلى الله عليه وسلم يوم عرفة، فارسلت اليه بحلاب وهو واقف في الموقف، فشرب منه، والناس ينظرون
বনূ আযহারের আযাদকৃত গোলাম আবূ ‘উবাইদ (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি একদা ঈদে ‘উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ)-এর সাথে ছিলাম, তখন তিনি বললেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই দুই দিনে সওম পালন করতে নিষেধ করেছেন। (ঈদুল ফিত্রের দিন) যে দিন তোমরা তোমাদের সওম ছেড়ে দাও। আরেক দিন, যেদিন তোমরা তোমাদের কুরবানীর গোশত্ খাও। আবূ ‘আবদুল্লাহ (রহ.) বলেন, ইবনু ‘উয়ায়নাহ (রহ.) বলেন, যিনি ইবনু আযহারের মাওলা বলে উল্লেখ করেছেন, তিনি ঠিক বর্ণনা করেছেন; আর যিনি ‘আবদুর রহমান ইবনু ‘আওফ (রাঃ)-এর মাওলা বলেছেন, তিনিও ঠিক বর্ণনা করেছেন। (৫৫৭১, মুসলিম ১৩/২২, হাঃ ১১৩৭, আহমাদ ২২৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৮৫১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبد الله بن يوسف، اخبرنا مالك، عن ابن شهاب، عن ابي عبيد، مولى ابن ازهر قال شهدت العيد مع عمر بن الخطاب رضى الله عنه فقال هذان يومان نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن صيامهما يوم فطركم من صيامكم، واليوم الاخر تاكلون فيه من نسككم. قال ابو عبد الله قال ابن عيينة من قال مولى ابن ازهر فقد اصاب ومن قال مولى عبد الرحمن بن عوف فقد اصاب