Loading...

Loading...
বইসমূহ
২৭৩ হাদিসসমূহ
আবূ হুরাইরাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যখন তোমাদের কেউ (সালাতে) ‘আমীন’ বলে, আর আসমানে মালাইকাহ্ ‘আমীন’ বলেন এবং উভয়ের ‘আমীন’ একই সময় হলে, তার পূর্ববর্তী সমস্ত পাপ ক্ষমা করে দেয়া হয়।* (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৭৩৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبد الله بن يوسف، اخبرنا مالك، عن ابي الزناد، عن الاعرج، عن ابي هريرة رضى الله عنه ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " اذا قال احدكم امين. وقالت الملايكة في السماء امين. فوافقت احداهما الاخرى، غفر له ما تقدم من ذنبه
আবু হুরাইরাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ইমাম غَيْرِ الْمَغْضُوبِ عَلَيْهِمْ وَلاَ الضَّالِّينَ পড়লে তোমরা ‘আমীন’ বলো। কেননা, যার এ (আমীন) বলা মালাকগণের (আমীন) বলার সাথে একই সময় হয়, তার পূর্বের সব গুনাহ মাফ করে দেয়া হয়। মুহাম্মাদ ইবনু ‘আমর (রহ.) আবূ সালামাহ (রহ.) সূত্রে আবূ হুরাইরাহ্ (রাযি.)-এর মাধ্যমে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে এবং নু‘আইম- মুজমির (রহ.) আবূ হুরাইরাহ্ (রাযি.) হতে হাদীস বর্ণনায় সুমাই (রহ.)-এর অনুসরণ করেছেন। (৪৪৭৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৭৩৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبد الله بن مسلمة، عن مالك، عن سمى، مولى ابي بكر عن ابي صالح، عن ابي هريرة، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " اذا قال الامام {غير المغضوب عليهم ولا الضالين} فقولوا امين. فانه من وافق قوله قول الملايكة غفر له ما تقدم من ذنبه ". تابعه محمد بن عمرو عن ابي سلمة عن ابي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم ونعيم المجمر عن ابي هريرة رضى الله عنه
আবূ বাকরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট এমন অবস্থায় পৌঁছলেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন রুকূ‘তে ছিলেন। তখন কাতার পর্যন্ত পৌঁছার পূর্বেই তিনি রুকূ‘তে চলে যান। এ ঘটনা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট ব্যক্ত করা হলে, তিনি বললেন, আল্লাহ্ তা‘আলা তোমার আগ্রহকে আরও বাড়িয়ে দিন। তবে এ রকম আর করবে না। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৭৩৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا موسى بن اسماعيل، قال حدثنا همام، عن الاعلم وهو زياد عن الحسن، عن ابي بكرة، انه انتهى الى النبي صلى الله عليه وسلم وهو راكع، فركع قبل ان يصل الى الصف، فذكر ذلك للنبي صلى الله عليه وسلم فقال " زادك الله حرصا ولا تعد
قَالَهُ ابْنُ عَبَّاسٍ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فِيهِ مَالِكُ بْنُ الْحُوَيْرِثِ. এ ব্যাপারে ইবনু ‘আব্বাস (রাযি.) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করেছেন। এ বিষয়ে মালিক ইবনু হুওয়ারিস (রাযি.) হতেও রিওয়ায়াত বর্ণিত আছে। ৭৮৪. ‘ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বসরায় ‘আলী (রাযি.)-এর সঙ্গে সালাত আদায় করলেন। অতঃপর বললেন, ইনি [‘আলী (রাযি.)] আমাকে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সঙ্গে আদায়কৃত সালাতের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন। আর তিনি উল্লেখ করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রতিবার (মাথা) উঠাতে ও নামাতে তাকবীর বলতেন। (৭৮৬, ৮২৬; মুসলিম ৪/১০, হাঃ ৩৯৩, আহমাদ ১৯৯৭২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৭৪০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا اسحاق الواسطي، قال حدثنا خالد، عن الجريري، عن ابي العلاء، عن مطرف، عن عمران بن حصين، قال صلى مع علي رضى الله عنه بالبصرة فقال ذكرنا هذا الرجل صلاة كنا نصليها مع رسول الله صلى الله عليه وسلم. فذكر انه كان يكبر كلما رفع وكلما وضع
আবূ সালামাহ ... আবূ হুরাইরাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত যে, তিনি তাদের সঙ্গে সালাত আদায় করতেন এবং প্রতিবার উঠা বসার সময় তাকবীর বলতেন। সালাত শেষ করে তিনি বললেন, তোমাদের মধ্যে আমার সালাতই আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সালাতের সাথে অধিক সাদৃশ্যপূর্ণ। (৭৮৯, ৭৯৫, ৮০৩ মুসলিম ৪/১০, হাঃ ৩৯২ আহমাদ ৮২২৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৭৪১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبد الله بن يوسف، قال اخبرنا مالك، عن ابن شهاب، عن ابي سلمة، عن ابي هريرة، انه كان يصلي بهم، فيكبر كلما خفض ورفع، فاذا انصرف قال اني لاشبهكم صلاة برسول الله صلى الله عليه وسلم
মুতাররিফ ইবনু ‘আবদুল্লাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি এবং ‘ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাযি.) ‘আলী ইবনু তালিব (রাযি.)-এর পিছনে সালাত আদায় করলাম। তিনি যখন সিজদা্য় গেলেন তখন তাকবীর বললেন, সিজদা্ হতে যখন মাথা উঠালেন তখনও তাকবীর বললেন, আবার দু’ রাক‘আতের পর যখন দাঁড়ালেন তখনও তাকবীর বললেন। তিনি যখন সালাত শেষ করলেন তখন ‘ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাযি.) আমার হাত ধরে বললেন, ইনি [‘আলী (রাযি.)] আমাকে মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সালাত স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন বা তিনি বলেছিলেন, আমাদের নিয়ে মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সালাতের ন্যায় সালাত আদায় করেছেন। (৭৮৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ৭৪২ , ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ابو النعمان، قال حدثنا حماد، عن غيلان بن جرير، عن مطرف بن عبد الله، قال صليت خلف علي بن ابي طالب رضى الله عنه انا وعمران بن حصين،، فكان اذا سجد كبر، واذا رفع راسه كبر، واذا نهض من الركعتين كبر، فلما قضى الصلاة اخذ بيدي عمران بن حصين فقال قد ذكرني هذا صلاة محمد صلى الله عليه وسلم. او قال لقد صلى بنا صلاة محمد صلى الله عليه وسلم
‘ইকরিমাহ (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি মাকামে (ইব্রাহীমের নিকট) এক ব্যক্তিকে দেখলাম যে, প্রতিবার উঠা ও ঝুঁকার সময় এবং দাঁড়ানো ও বসার সময় তাকবীর বলছেন। আমি ইবনু ‘আব্বাস (রাযি.)-কে এ কথা জানালে তিনি বললেন, তুমি মাতৃহীন হও,* একি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সালাত নয়? (৭৮৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৭৪৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عمرو بن عون، قال حدثنا هشيم، عن ابي بشر، عن عكرمة، قال رايت رجلا عند المقام يكبر في كل خفض ورفع واذا قام واذا وضع، فاخبرت ابن عباس رضى الله عنه قال اوليس تلك صلاة النبي صلى الله عليه وسلم لا ام لك
‘ইকরিমাহ (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি মক্কা্য় এক বৃদ্ধের পিছনে সালাত আদায় করলাম। তিনি বাইশবার তাকবীর বললেন। আমি ইবনু ‘আব্বাস (রাযি.)-কে বললাম, লোকটি তো আহাম্মক। তিনি বললেন, তোমার মা তোমাকে হারিয়ে ফেলুক। এ যে আবুল কাসিম-এর সুন্নাত। মূসা (রহ.) বলেন, আবান (রহ.) ক্বাতাদাহ্ (রহ.) সূত্রেও ‘ইকরিমাহ (রাযি.) হতে এ হাদীসটি সরাসরি বর্ণনা করেছেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৭৪৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا موسى بن اسماعيل، قال اخبرنا همام، عن قتادة، عن عكرمة، قال صليت خلف شيخ بمكة فكبر ثنتين وعشرين تكبيرة، فقلت لابن عباس انه احمق. فقال ثكلتك امك، سنة ابي القاسم صلى الله عليه وسلم. وقال موسى حدثنا ابان حدثنا قتادة حدثنا عكرمة
আবূ হুরাইরাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাত আরম্ভ করার সময় দাঁড়িয়ে তাকবীর বলতেন। অতঃপর রুকূ‘তে যাওয়ার সময় তাকবীর বলতেন, আবার যখন রুকূ‘ হতে পিঠ সোজা করে উঠতেন তখন سَمِعَ اللهُ لِمَنْ حَمِدَهُ বলতেন, অতঃপর দাঁড়িয়ে قَائِمٌ رَبَّنَا لَكَ الْحَمْدُ বলতেন। অতঃপর সিজদা্য় যাওয়ার সময় তাকবীর বলতেন। এবং যখন মাথা উঠাতেন তখনও তাকবীর বলতেন। আবার (দ্বিতীয়) সিজদা্য় যেতে তাকবীর বলতেন এবং পুনরায় মাথা উঠাতেন তখনও তাকবীর বলতেন। এভাবেই তিনি পুরো সালাত শেষ করতেন। আর দ্বিতীয় রাক‘আতের বৈঠক শেষে যখন (তৃতীয় রাক‘আতের জন্য) দাঁড়াতেন তখনও তাকবীর বলতেন। ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু সালিহ্ (রহ.) লাইস (রহ.) সূত্রে হাদীসটি বর্ণনা করতে وَلَكَ الْحَمْدُ উল্লেখ করেছেন। (৭৮৫; মুসলিম ৪/১০, হাঃ ৩৯২, আহমাদ ৮২৬০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৭৪৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا يحيى بن بكير، قال حدثنا الليث، عن عقيل، عن ابن شهاب، قال اخبرني ابو بكر بن عبد الرحمن بن الحارث، انه سمع ابا هريرة، يقول كان رسول الله صلى الله عليه وسلم اذا قام الى الصلاة يكبر حين يقوم، ثم يكبر حين يركع، ثم يقول سمع الله لمن حمده. حين يرفع صلبه من الركعة، ثم يقول وهو قايم ربنا لك الحمد قال عبد الله {بن صالح عن الليث} ولك الحمد ثم يكبر حين يهوي، ثم يكبر حين يرفع راسه، ثم يكبر حين يسجد، ثم يكبر حين يرفع راسه، ثم يفعل ذلك في الصلاة كلها حتى يقضيها، ويكبر حين يقوم من الثنتين بعد الجلوس
وَقَالَ أَبُو حُمَيْدٍ فِي أَصْحَابِهِ أَمْكَنَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم يَدَيْهِ مِنْ رُكْبَتَيْهِ. আবূ হুমায়দ (রাযি.) তাঁর সঙ্গীদের সামনে বলেছেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (রুকূ‘র সময়) দু’ হাত দিয়ে উভয় হাঁটুতে ভর দিতেন। ৭৯০. মুস‘আব ইবনু সা‘দ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একবার আমি আমার পিতার পাশে দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করলাম। এবং (রুকু‘র সময়) দু’ হাত জোড় করে উভয় উরুর মাঝে রাখলাম। আমার পিতা আমাকে এমন করতে নিষেধ করলেন এবং বললেন, আগে আমরা এমন করতাম; পরে আমাদেরকে এ হতে নিষেধ করা হয়েছে এবং হাত হাঁটুর উপর রাখার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। (মুসলিম ৫/৫, হাঃ ৫৩৫, আহমাদ ১৫৭০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৭৪৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ابو الوليد، قال حدثنا شعبة، عن ابي يعفور، قال سمعت مصعب بن سعد، يقول صليت الى جنب ابي فطبقت بين كفى ثم وضعتهما بين فخذى، فنهاني ابي وقال كنا نفعله فنهينا عنه، وامرنا ان نضع ايدينا على الركب
যায়দ ইবনু ওয়াহব (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, হুযাইফা (রাযি.) এক ব্যক্তিকে দেখলেন যে, সে রুকূ‘ ও সিজদা্ ঠিকমত আদায় করছে না। তিনি তাকে বললেন, তোমার সালাত হয়নি। যদি তুমি (এই অবস্থায়) মারা যাও, তাহলে আল্লাহ্ মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে যে আদর্শ দিয়েছেন সে আদর্শ হতে বিচ্যুত অবস্থায় তুমি মারা যাবে। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৭৪৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا حفص بن عمر، قال حدثنا شعبة، عن سليمان، قال سمعت زيد بن وهب، قال راى حذيفة رجلا لا يتم الركوع والسجود قال ما صليت، ولو مت مت على غير الفطرة التي فطر الله محمدا صلى الله عليه وسلم
بَاب اسْتِوَاءِ الظَّهْرِ فِي الرُّكُوعِ ১০/১২০. অধ্যায়: রুকূ‘তে পিঠ সোজা রাখা। আবূ হুমাইদ (রাযি.) তাঁর সাথীদের সামনে বলেছেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রুকূ‘ করতেন এবং রুকূ‘তে পিঠ সোজা রাখতেন। ৭৯২. বারাআ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, সালাতে দাঁড়ানো ও বসা অবস্থা ছাড়া নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর রুকূ‘, সিজদা্ এবং দু’ সিজদার মধ্যবর্তী সময় এবং রুকূ‘ হতে উঠে দাঁড়ানো, এগুলো প্রায় সমপরিমাণ ছিল। (৮০১, ৮২০; মুসলিম ৪/৩৮ হাঃ ৪৭১, আহমাদ ১৮৬২১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৭৪৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا بدل بن المحبر، قال حدثنا شعبة، قال اخبرني الحكم، عن ابن ابي ليلى، عن البراء، قال كان ركوع النبي صلى الله عليه وسلم وسجوده وبين السجدتين واذا رفع من الركوع، ما خلا القيام والقعود، قريبا من السواء
আবূ হুরাইরাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। একসময়ে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মসজিদে তাশরীফ আনলেন, তখন এক ব্যক্তি মসজিদে প্রবেশ করে সালাত আদায় করলো। অতঃপর সে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে সালাম করলো। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার সালামের জবাব দিয়ে বললেনঃ তুমি ফিরে গিয়ে সালাত আদায় কর, কেননা, তুমি সালাত আদায় করনি। লোকটি আবার সালাত আদায় করল এবং আবার এসে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে সালাম দিল। তিনি বললেনঃ আবার গিয়ে সালাত আদায় কর, কেননা, তুমি সালাত আদায় করনি। এভাবে তিনবার ঘটনার পুনরাবৃত্তি হল। অতঃপর লোকটি বলল, সে মহান সত্তার শপথ! যিনি আপনাকে সত্যসহ প্রেরণ করেছেন, আমি এর চেয়ে সুন্দর সালাত আদায় করতে জানি না। কাজেই, আপনি আমাকে শিখিয়ে দিন। তখন তিনি বললেনঃ যখন তুমি সালাতে দাঁড়াবে, তখন তাকবীর বলবে। অতঃপর কুরআন হতে যতটুকু তোমার পক্ষে সহজ ততটুকু পড়বে। অতঃপর রুকূ‘তে যাবে এবং ধীরস্থিরভাবে রুকূ‘ আদায় করবে। অতঃপর রুকূ‘ হতে উঠে সোজা হয়ে দাঁড়াবে। ধীরস্থিরভাবে সিজদা্ করবে। অতঃপর সিজদা্ হতে উঠে স্থিরভাবে বসবে এবং পুনরায় সিজদা্য় গিয়ে স্থিরভাবে সিজদা্ করবে। অতঃপর পুরো সালাত এভাবে আদায় করবে। (৭৫৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৭৪৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا مسدد، قال اخبرني يحيى بن سعيد، عن عبيد الله، قال حدثنا سعيد المقبري، عن ابيه، عن ابي هريرة، ان النبي صلى الله عليه وسلم دخل المسجد فدخل رجل فصلى ثم جاء فسلم على النبي صلى الله عليه وسلم فرد النبي صلى الله عليه وسلم عليه السلام فقال " ارجع فصل فانك لم تصل " فصلى، ثم جاء فسلم على النبي صلى الله عليه وسلم فقال " ارجع فصل فانك لم تصل ". ثلاثا. فقال والذي بعثك بالحق فما احسن غيره فعلمني. قال " اذا قمت الى الصلاة فكبر، ثم اقرا ما تيسر معك من القران، ثم اركع حتى تطمين راكعا، ثم ارفع حتى تعتدل قايما، ثم اسجد حتى تطمين ساجدا، ثم ارفع حتى تطمين جالسا، ثم اسجد حتى تطمين ساجدا، ثم افعل ذلك في صلاتك كلها
‘আয়িশাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রুকূ‘ ও সিজদা্য় এ দু‘আ পড়তেন-سُبْحَانَكَ اللَّهُمَّ رَبَّنَا وَبِحَمْدِكَ اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي ‘‘হে আমাদের রব আল্লাহ্! আপনার পবিত্রতা বর্ণনা করছি এবং আপনার প্রশংসা করছি। হে আল্লাহ্! আপনি আমাকে ক্ষমা করে দিন’’।* (৮১৭, ৪২৯৩, ৪৯৬৭, ৪৯৬৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৭৫০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا حفص بن عمر، قال حدثنا شعبة، عن منصور، عن ابي الضحى، عن مسروق، عن عايشة رضى الله عنها قالت كان النبي صلى الله عليه وسلم يقول في ركوعه وسجوده " سبحانك اللهم ربنا وبحمدك، اللهم اغفر لي
আবূ হুরাইরাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন سَمِعَ اللهُ لِمَنْ حَمِدَهُ বলে (রুকূ‘ হতে উঠতেন) তখন اللَّهُمَّ رَبَّنَا وَلَكَ الْحَمْدُ বলতেন, আর তিনি যখন রুকূ‘তে যেতেন এবং রুকূ‘ হতে মাথা উঠাতেন, তখন তাকবীর বলতেন এবং উভয় সিজদা্ হতে যখন দাঁড়াতেন, তখন اللهُ أَكْبَرُ বলতেন। (৭৮৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৭৫১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ادم، قال حدثنا ابن ابي ذيب، عن سعيد المقبري، عن ابي هريرة، قال كان النبي صلى الله عليه وسلم اذا قال " سمع الله لمن حمده ". قال " اللهم ربنا ولك الحمد ". وكان النبي صلى الله عليه وسلم اذا ركع واذا رفع راسه يكبر، واذا قام من السجدتين قال " الله اكبر
আবূ হুরাইরাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ইমাম যখন سَمِعَ اللهُ لِمَنْ حَمِدَهُ বলেন, তখন তোমরা اللَّهُمَّ رَبَّنَا لَكَ الْحَمْدُ বলবে। কেননা, যার এ উক্তি মালাইকাহর উক্তির সঙ্গে একই সময়ে উচ্চারিত হয়, তার পূর্ববর্তী সকল গুনাহ মাফ করে দেয়া হয়। (৩২২৮; মুসলিম ৪/১৮, হাঃ ৪০৯, আহমাদ ৯৯৩০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৭৫২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبد الله بن يوسف، قال اخبرنا مالك، عن سمى، عن ابي صالح، عن ابي هريرة رضى الله عنه ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " اذا قال الامام سمع الله لمن حمده. فقولوا اللهم ربنا لك الحمد. فانه من وافق قوله قول الملايكة غفر له ما تقدم من ذنبه
আবূ হুরায়রাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি অবশ্যই নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সালাতের ন্যায় সালাত আদায় করব। আবূ হুরাইরাহ্ (রাযি.) যুহর, ‘ইশা ও ফজরের সালাতের শেষ রাক‘আতেঃسَمِعَ اللهُ لِمَنْ حَمِدَهُ ’ বলার পর কুনূত পড়তেন। এতে তিনি মু’মিনগণের জন্য দু‘আ করতেন এবং কাফিরদের প্রতি অভিসম্পাত করতেন। (৮০৪, ১০০৬,২৯৩২, ৩৩৮৬, ৪৫৬০, ৪৫৯৮, ৬২০০, ৬৩৯৩, ৬৯৪০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ৭৫৩ , ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا معاذ بن فضالة، قال حدثنا هشام، عن يحيى، عن ابي سلمة، عن ابي هريرة، قال لاقربن صلاة النبي صلى الله عليه وسلم. فكان ابو هريرة رضى الله عنه يقنت في الركعة الاخرة من صلاة الظهر وصلاة العشاء، وصلاة الصبح، بعد ما يقول سمع الله لمن حمده. فيدعو للمومنين ويلعن الكفار
আনাস (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, (রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সময়ে) কুনূত ফজর ও মাগরিবের সালাতে পড়া হত। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৭৫৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبد الله بن ابي الاسود، قال حدثنا اسماعيل، عن خالد الحذاء، عن ابي قلابة، عن انس رضى الله عنه قال كان القنوت في المغرب والفجر
রিফা‘আহ ইবনু রাফি’ যুরাকী (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একবার আমরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর পিছনে সালাত আদায় করলাম। তিনি যখন রুকূ‘ হতে মাথা উঠিয়ে سَمِعَ اللهُ لِمَنْ حَمِدَهُ বললেন, তখন পিছন হতে এক সহাবা رَبَّنَا وَلَكَ الْحَمْدُ حَمْدًا كَثِيرًا طَيِّبًا مُبَارَكًا فِيهِ বললেন। সালাত শেষ করে তিনি জিজ্ঞেস করলেন, কে এরূপ বলেছিল? সে সাহাবী বললেন, আমি। তখন তিনি বললেনঃ আমি দেখলাম ত্রিশ জনের অধিক মালাইকাহ এর সওয়াব কে পূর্বে লিখবেন তা নিয়ে নিজেদের মধ্যে প্রতিযোগিতা করছেন।* (আধুনিক প্রকাশনীঃ৭৫৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبد الله بن مسلمة، عن مالك، عن نعيم بن عبد الله المجمر، عن علي بن يحيى بن خلاد الزرقي، عن ابيه، عن رفاعة بن رافع الزرقي، قال كنا يوما نصلي وراء النبي صلى الله عليه وسلم فلما رفع راسه من الركعة قال " سمع الله لمن حمده ". قال رجل وراءه ربنا ولك الحمد، حمدا كثيرا طيبا مباركا فيه، فلما انصرف قال " من المتكلم ". قال انا. قال " رايت بضعة وثلاثين ملكا يبتدرونها، ايهم يكتبها اول
وَقَالَ أَبُو حُمَيْدٍ رَفَعَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم وَاسْتَوَى جَالِسًا حَتَّى يَعُودَ كُلُّ فَقَارٍ مَكَانَهُ. আবূ হুমায়দ (রহ.) বর্ণনা করেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উঠে এমনভাবে সোজা হয়ে দাঁড়াতেন যে, মেরুদন্ডের হাড় যথাস্থানে ফিরে আসতো। ৮০০. সাবিত (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আনাস ইবনু মালিক (রাযি.) আমাদেরকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সালাতের বর্ণনা দিলেন। অতঃপর তিনি সালাত আদায় করে দেখালেন। তিনি যখন রুকূ‘ হতে মাথা উঠালেন, তখন (এতক্ষণ) দাঁড়িয়ে রইলেন যে, আমরা মনে করলাম, তিনি (সিজদার কথা) ভুলে গেছেন। (৮২১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৭৫৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ابو الوليد، قال حدثنا شعبة، عن ثابت، قال كان انس ينعت لنا صلاة النبي صلى الله عليه وسلم فكان يصلي واذا رفع راسه من الركوع قام حتى نقول قد نسي