Loading...
Loading...
বইসমূহ
273 হাদিসসমূহ
(وَقَوْلُهُ عَزَّ وَجَلَّ) وَإِذَا نَادَيْتُمْ إِلَى الصَّلاَةِ اتَّخَذُوهَا هُزُؤًا وَلَعِبًا ذَلِكَ بِأَنَّهُمْ قَوْمٌ لاَ يَعْقِلُونَ( وَقَوْلُهُ )إِذَا نُودِيَ لِلصَّلاَةِ مِنْ يَوْمِ الْجُمُعَةِ) আল্লাহ্ তা‘আলার বাণ...
নাফি‘ (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ইবনু ‘উমার (রাযি.) বলতেন যে, মুসলিমগণ যখন মদিনা্য় আগমন করেন, তখন তাঁরা সালাতের সময় অনুমান করে সমবেত হতেন। এর জন্য কোন ঘোষণা দেয়া হতো না। একদা তাঁরা এ বিষয়ে আলোচনা করলেন। কয়েকজন সাহাবী ব...
আনাস (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, বিলাল (রাযি.)-কে আযানের শব্দ দু’ দু’বার এবং قَدْقَامَتِ الصَّلاَةُ ব্যতীত ইক্বামাত(ইকামত/একামত)ের শব্দগুলো বেজোড় করে বলার নির্দেশ দেয়া হয়েছিল। (৬০৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৫৭০, ইসলামিক ফাউন...
আনাস ইবনু মালিক (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন; মুসলিমগণের সংখ্যা বৃদ্ধি পেলে তাঁরা সালাতের সময়ের জন্য এমন কোন সংকেত নির্ধারণ করার প্রস্তাব দিলেন, যার সাহায্যে সালাতের সময় উপস্থিত এ কথা বুঝা যায়। কেউ কেউ বললেন, আগুন জ্বাল...
আনাস (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, বিলাল (রাযি.)-কে আযানের বাক্যগুলো দু’ দু’বার এবং ইক্বামাত(ইকামত/একামত)ের বাক্যগুলো বেজোড় করে বলার নির্দেশ দেয়া হয়। ইসমাঈল (রহ.) বলেন, আমি এ হাদীস আইয়ূবের নিকট বর্ণনা করলে তিনি বলেন, তব...
আবূ হুরাইরাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যখন সালাতের জন্য আযান দেয়া হয়, তখন শয়তান হাওয়া ছেড়ে পলায়ন করে, যাতে সে আযানের শব্দ না শোনে। যখন আযান শেষ হয়ে যায়, তখন সে আ...
وَقَالَ عُمَرُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ أَذِّنْ أَذَانًا سَمْحًا وَإِلاَّ فَاعْتَزِلْنَا. ‘উমার ইবনু ‘আবদুল ‘আযীয (রহ.) (মুআযযিনকে) বলতেন, স্বাভাবিক কন্ঠে সাদাসিধাভাবে আযান দাও, নতুবা এ পদ ছেড়ে দাও। ৬০৯. ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘...
আনাস (রাযি.) হতে বর্ণিত। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখনই আমাদের নিয়ে কোনো গোত্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে যেতেন, ভোর না হওয়া পর্যন্ত অভিযান পরিচালনা করতেন না বরং লক্ষ্য রাখতেন, যদি তিনি আযান শুনতে পেতেন, তা...
আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাযি.) হতে বর্ণিত আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যখন তোমরা আযান শুনতে পাও তখন মুআয্যিন যা বলে তোমরাও তাই বলবে। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৫৭৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
‘ঈসা ইবনু তালহা (রাযি.) হতে বর্ণিত। একদা তিনি মু‘আবিয়া (রাযি.)-কে (আযানের জবাব দিতে) শুনেছেন যে, তিনি ‘আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসূলুল্লাহ’ পর্যন্ত মুআযযিনের মতই বলেছেন। (৬১৩, ৯১৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৫৭৭, ইসলামিক ফাউন্ডে...
ইয়াহ্ইয়া (রহ.) হতে এমনই বর্ণিত আছে। ইয়াহ্ইয়া (রহ.) বলেছেন, আমার কোনো ভাই আমার নিকট বর্ণনা করেছেন যে, মুআয্যিন যখন حَيَّ عَلَى الصَّلاَةِ বলল, তখন তিনি (মু‘আবিয়াহ (রাযি.) لاَحَوْلَ وَلاَ قُوَّةَ إِلاَّ بِاللهِবললেন। অতঃপর...
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আযান শুনে দু‘আ করেঃ ‘হে আল্লাহ্-এ পরিপূর্ণ আহবান ও প্রতিষ্ঠিত সালাতের মালিক, মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল...
وَيُذْكَرُ أَنَّ أَقْوَامًا اخْتَلَفُوا فِي الْأَذَانِ فَأَقْرَعَ بَيْنَهُمْ سَعْدٌ. উল্লেখ করা হয়েছে যে, একদল লোক আযান দেয়ার ব্যাপারে প্রতিযোগিতা করল। সা‘দ (রাযি.) তাঁদের মধ্যে কুরআহর (লটারী) মাধ্যমে নির্বাচন করলেন। ৬১৫...
وَتَكَلَّمَ سُلَيْمَانُ بْنُ صُرَدٍ فِي أَذَانِهِ وَقَالَ الْحَسَنُ لاَ بَأْسَ أَنْ يَضْحَكَ وَهُوَ يُؤَذِّنُ أَوْ يُقِيمُ. সুলাইমান ইব্নু সুরাদ (রহ.) আযানের মধ্যে কথা বলেছেন। হাসান বসরী (রহ.) বলেন, আযান বা ইক্বামাত(ইকা...
‘আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘উমার (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ বিলাল (রাযি.) রাত থাকতেই আযান দেন। কাজেই ইবনু উম্মে মাকতূম (রাযি.) আযান না দেওয়া পর্যন্ত তোমরা (সাহরীর) পানাহার ক...
হাফসাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, যখন মুআযযিন সুবহে সাদিকের প্রতীক্ষায় থাকত (ও আযান দিত) এবং ভোর স্পষ্ট হত- জামা‘আত দাঁড়ানোর পূর্বে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সংক্ষেপে দু’রাক‘আত সালাত আদায় করে নিতেন...
‘আয়িশাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফজরের আযান ও ইক্বামাত(ইকামত/একামত)ের মাঝে দু’ রাক‘আত সালাত সংক্ষেপে আদায় করতেন। (১১৫৯; মুসলিম ৬/১৪, হাঃ ৭২৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৫৮৪, ইসল...
‘আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘উমার (রাযি.) হতে বর্ণিত। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ বিলাল (রাযি.) রাত থাকতে আযান দিয়ে থাকেন। কাজেই তোমরা (সাহরী) পানাহার করতে থাক; যতক্ষণ না ইবনু উম্মে মাক্তূম (রাযি.) আযান দেন...
‘আবদুল্লাহ্ ইবনু মাস‘ঊদ (রাযি.) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেনঃ বিলালের আযান যেন তোমাদের কাউকে সাহরী খাওয়া হতে বিরত না রাখে। কেননা, সে রাত থাকতে আযান দেয়- যেন তোমাদের মধ্যে যারা তাহাজ্জুদের স...
‘আয়িশাহ্ (রাযি.) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, বিলাল (রাযি.) রাত থাকতে আযান দিয়ে থাকেন। কাজেই, ইবনু উম্মু মাকতূম (রাযি.) যতক্ষণ আযান না দেয়, ততক্ষণ তোমরা (সাহারী) পানাহার করতে পার। (৬২২...