Loading...

Loading...
বইসমূহ
৯৬ হাদিসসমূহ
রেওয়ায়ত ১. আমর ইবন শু'আইব তাহার পিতা হইতে, তিনি তাহার[1], দাদা হইতে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লাম উরবান (বায়না) বিক্রয় হইতে নিষেধ করিয়াছেন। মালিক (রহঃ) বলেনঃ আমাদের মতে (আল্লাহ সর্বজ্ঞাত) ইহা (বায়না) এই কোন ব্যক্তি ক্রীতদাস অথবা ক্রীতদাসী ক্রয় করিল অথবা কোন পশু কেরায়া লইল। অতঃপর ক্রেতা অথবা যাহার নিকট হইতে কেরায়া লইল তাহাকে বলিল, আমি আপনাকে এক দীনার অথবা এক দিরহাম কিংবা উহার চাইতে কম বা বেশি, এই শর্তে দিলাম যে, যদি আমি (ক্রীত) দ্রব্য গ্রহণ করি, কিংবা আপনার নিকট হইতে কেরায়া নেওয়া পশুর উপর আরোহণ করি, তবে যাহা আমি আপনাকে দিলাম, তাহা দ্রব্যের মূল্য অথবা পশুর কেরায়া হইতে কর্তন করা হইবে। আর যদি আমি দ্রব্য ক্রয় না করি কিংবা কেরায়ায়ত লওয়া পশুটি ব্যবহার না করিয়া ফিরাইয়া দেই অর্থাৎ কেরায়া না লই, তবে যাহা আমি আপনাকে দিয়াছি তাহা কোন বিনিময় ছাড়া আপনার হইবে। মালিক (রহঃ) বলেনঃ আমাদের নিকট হুকুম এই, ব্যবসায়ী ও শুদ্ধভাষী গোলামকে হাবশী কয়েকজন গোলাম অথবা বিভিন্নজাত হইতে অন্য কোন জাতের গোলামের বিনিময়ে যাহারা বাকপটুতায় ব্যবসায় কার্য সম্পাদনে এবং অভিজ্ঞতায় ইহার তুল্য নহে এইরূপ গোলামের বিনিময়ে বিক্রয় করাতে কোন দোষ নাই। একজন গোলামকে দুইজনের অথবা কয়েকজন গোলামের বিনিময়ে নির্ধারিত সময় পর্যন্ত (বাকী) ক্রয় করাতে কোন দোষ নাই। যদি উভয় প্রকার গোলামের মধ্যে পার্থক্য থাকে এবং সেই পার্থক্য হয় স্পষ্ট, আর যদি উহাদের মধ্যে এক গোলাম অপর গোলামের সদৃশ হয় (এমন কি একে অপরের) কাছাকাছি হয় তবে উহা হইতে এক গোলামের বিনিময়ে দুই গোলাম বাকী গ্রহণ করিবে না, যদিও বা উহাদের জাত ভিন্ন ভিন্ন হয়। মালিক (রহঃ) বলেনঃ তুমি উহা হইতে যাহা ক্রয় করিয়াছ তাহা কজা করার পূর্বে বিক্রয় করাতে কোন বাধা নাই যদি মূল্য নগদ আদায় কর এবং যাহার নিকট হইতে উহাকে ক্রয় করিয়াছ তাহাকে ছাড়া ভিন্ন লোকের নিকট বিক্রয় কর। মালিক (রহঃ) বলেনঃ [অন্তঃসত্ত্বা ক্রীতদাসীর] পেটের বাচ্চাকে বাদ দিয়া[2] মাকে বিক্রয় করা বৈধ নহে, ইহা ধোঁকা হইবে, কারণ জানা নাই বাচ্চা ছেলে না মেয়ে, সুশ্রী না কুশ্রী, সম্পূর্ণ না অসম্পূর্ণ, জীবিত না মৃত। উপরিউক্ত গুণাবলির পার্থক্যের দ্বারা মূল্যের তারতম্য হইয়া থাকে। মালিক (রহঃ) বলেনঃ এক ব্যক্তি দাসী অথবা দাসকে বিক্রয় করিল একশত দীনারে নির্ধারিত সময়ে আদায় করার বিনিময়ে, অতঃপর বিক্রেতা লজ্জিত হইল এবং ক্রেতাকে অনুরোধ করিল দশ দীনার গ্রহণ করিয়া, যাহা বিক্রেতা ক্রেতাকে দিবে নগদ অথবা নির্ধারিত সময়ে বিক্রিত বস্তু ফেরত দিতে। তাহার নিকট বিক্রেতা (গোলামের মূল্য বাবদ) যে একশত দীনার পাইবে উহা সে আর গ্রহণ করিল না। মালিক (রহঃ) বলেন, এইরূপ করিতে কোন দোষ নাই। যদি ক্রেতা লজ্জিত হয় এবং সে দাস-দাসীকে ফেরত নেওয়ার জন্য বিক্রেতার নিকট অনুরোধ করে এবং যেই নির্ধারিত সময়ে সে মূল্য পরিশোধ করিবে বলিয়া ধার্য করিয়া গোলাম বা বাঁদী ক্রয় করিয়াছিল সেই সময়ের অধিক সময়ে পরিশোধ করিবে বলিয়া সময় নির্ধারিত করিয়া অথবা নগদ দশ দীনার বিক্রেতাকে বর্ধিত করিয়া দেয়; তবে ইহা বৈধ নহে। ইহা এইজন্য মাকরূহ যে, বিক্রেতা যেন ক্রেতার নিকট এক বৎসর মেয়াদে একশত দীনার বিক্রয় করিল ক্রীতদাসী ফেরত লওয়ার পূর্বে এবং দশ দীনার নগদ অথবা বাকী এক বৎসর হইতে দূরবর্তী মেয়াদে লাভ করিবে এই শর্তে। এইভাবে ইহা স্বর্ণের বিনিময়ে স্বর্ণ [নির্ধারিত সময়ে আদায় করার বিনিময়ে] ধারে বিক্রয় করার মতো হইল। [যাহা বৈধ নহে, কাজেই ইহাও বৈধ হইবে না।] মালিক (রহঃ) বলেনঃ এক ব্যক্তি নির্দিষ্ট মেয়াদে একশত দীনার আদায়ের বিনিময়ে অন্য ব্যক্তির নিকট নিজ ক্রীতদাসী বিক্রয় করিল, অতঃপর যে মেয়াদে বিক্রয় করিয়াছিল তার চাইতে দূরবতী মেয়াদে এবং উহার নিকট যেই মূল্যে বিক্রয় করিয়াছিল সেই মূল্য হইতে অধিক মূল্যে সেই ক্রীতদাসীকে উহা হইতে খরিদ করিল।ইহা বৈধ নহে, ইহা মাকরূহ হওয়ার ব্যাখ্যা হইতেছে এই, এক ব্যক্তি নিজের দাসীকে বিক্রয় করিল নির্দিষ্ট মেয়াদে [অর্থ আদায় করিবে বলিয়া ধার্য করিয়া] অতঃপর উহাকে এই মেয়াদ হইতে লম্বা মেয়াদে খরিদ করিল। বিক্রয় করিয়াছিল এক মাস মেয়াদে ত্রিশ দীনারের বিনিময়ে, অতঃপর ক্রয় করিল এক বৎসর মেয়াদে অথবা অর্ধ বৎসর মেয়াদে ষাট দীনার মূল্যে। ইহা এইরূপ হইল যেন তাহার পণ্যদ্রব্য অবিকল তাহার দিকে প্রত্যাবর্তন করিল এবং সে (ক্রেতা) বিক্রেতাকে দিল ত্রিশ দীনার এক মাসের মেয়াদে। অতঃপর ষাট দীনারের বিনিময়ে ক্রেতা উহাকে পুনরায় গ্রহণ করিল এক বৎসরে অথবা অর্ধ বৎসর মেয়াদে। ইহা বৈধ নহে।
حدثني يحيى، عن مالك، عن الثقة، عنده عن عمرو بن شعيب، عن ابيه، عن جده، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن بيع العربان . قال مالك: وذلك فيما نرى - والله اعلم - ان يشتري الرجل العبد، او الوليدة. او يتكارى الدابة. ثم يقول للذي اشترى منه، او تكارى منه: اعطيك دينارا، او درهما، او اكثر من ذلك، او اقل. على اني ان اخذت السلعة، او ركبت ما تكاريت منك، فالذي اعطيتك هو من ثمن السلعة. او من كراء الدابة، وان تركت ابتياع السلعة، او كراء الدابة، فما اعطيتك لك باطل بغير شيء. قال مالك: والامر عندنا، انه لا باس بان يبتاع العبد التاجر الفصيح، بالاعبد من الحبشة، او من جنس من الاجناس، ليسوا مثله في الفصاحة، ولا في التجارة، والنفاذ، والمعرفة. لا باس بهذا، ان يشتري منه العبد بالعبدين، او بالاعبد الى اجل معلوم. اذا اختلف، فبان اختلافه .فان اشبه بعض ذلك بعضا، حتى يتقارب، فلا تاخذن منه اثنين بواحد، الى اجل. وان اختلفت اجناسهم. قال مالك: ولا باس بان تبيع ما اشتريت من ذلك، قبل ان تستوفيه. اذا انتقدت ثمنه من غير صاحبه الذي اشتريته منه. قال مالك: لا ينبغي ان يستثنى جنين في بطن امه، اذا بيعت. لان ذلك غرر. لا يدرى اذكر هو ام (1) انثى او حسن (2) او قبيح، او ناقص، او تام، او حي او ميت؟. وذلك يضع من ثمنها. قال مالك، في الرجل يبتاع العبد، او الوليدة، بماية دينار الى اجل. ثم يندم البايع. فيسال المبتاع ان يقيله بعشرة دنانير، يدفعها اليه نقدا. او الى اجل. ويمحو عنه الماية دينار التي له. قال مالك: لا باس بذلك. وان ندم المبتاع، فسال البايع ان يقيله في الجارية، او العبد، ويزيده عشرة دنانير نقدا، او الى اجل ابعد من الاجل الذي اشترى اليه العبد، او الوليدة. فان ذلك لا ينبغي. وانما كره ذلك؛ لان البايع كانه باع منه ماية دينار له، الى سنة قبل ان تحل، بجارية، وبعشرة دنانير نقدا. او الى اجل ابعد من السنة. فدخل في ذلك بيع الذهب بالذهب الى اجل. قال مالك، في الرجل يبيع من الرجل الجارية بماية دينار الى اجل، ثم يشتريها باكثر من ذلك الثمن الذي باعها به الى ابعد من ذلك الاجل، الذي باعها اليه: ان ذلك لا يصلح. وتفسير ما كره من ذلك، ان يبيع الرجل الجارية الى اجل. ثم يبتاعها الى اجل ابعد منه. يبيعها بثلاثين دينارا الى شهر، ثم يبتاعها بستين دينارا، الى سنة، او الى نصف سنة. فصار، ان رجعت اليه سلعته بعينها، واعطاه صاحبه ثلاثين دينارا، الى شهر؛ بستين دينارا، الى سنة، او الى نصف سنة. فهذا لا ينبغي
রেওয়ারত ২. 'আবদুল্লাহ্ ইবন উমর (রাঃ) হইতে বর্ণিত, উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ) বলিয়াছেনঃ যে ব্যক্তি দাসকে বিক্রয় করিয়াছে, আর দাসের রহিয়াছে সম্পদ, তবে উহার সম্পদ বিক্রেতার জন্য হইবে। কিন্তু যদি ক্রেতা উহা শর্ত করিয়া থাকে [তবে স্বতন্ত্র কথা-মাল ক্রেতা পাইবে।] মালিক (রহঃ) বলেনঃ আমাদের সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত এই, ক্রেতা যদি গোলামের মালের (নিজের জন্য) শর্ত করিয়া থাকে তবে মাল তাহার হইবে, মাল নগদ অর্থ হউক বা ঋণ হউক কিংবা সামগ্ৰী হউক, জ্ঞাত হউক বা অজ্ঞাত, যদি তাহাকে যে মূল্যে খরিদ করিয়াছে উহার চাইতে বেশি মালও হয়, তাহার মূল্য নগদ আদায় করা হউক বা ধারে বিক্রয় অথবা আসবাবপত্রের বিনিময়ে। সর্বাবস্থায় একই প্রকার হুকুম অর্থাৎ শর্ত করিলে মাল ক্রেতা পাইবে। ইহা এইজন্য যে, দাসের মালের জন্য কর্তার উপর যাকাত ওয়াজিব হয় না। আর যদি গোলামের কোন ক্রীতদাসী থাকে যাহার সহিত সঙ্গম করিয়াছে, উহার মালিক হওয়ার দরুন। আর যদি দাস কর্তৃক কোন গোলাম আযাদ করা হইয়া থাকে অথবা কোন গোলামকে মুকাতব করা হইয়া থাকে তবে উহার মাল তাহার জন্য থাকিবে। আর যদি গোলাম কাঙ্গাল হইয়া যায় তবে ঋণদাতাগণ তাহার মাল কজা করিবে, তাহার ঋণের জন্য কর্তাকে দায়ী করিবে না।
حدثني يحيى، عن مالك، عن نافع، عن عبد الله بن عمر، ان عمر بن الخطاب، قال من باع عبدا وله مال فماله للبايع الا ان يشترطه المبتاع
রেওয়ায়ত ৩. আবান ইবন উসমান (রহঃ) ও হিশাম ইবন ইসমাঈল (রহঃ) তাহারা উভয়ে খুতবাতে উল্লেখ করিতেন দাস বা দাসীকে ক্রয় করার সময় হইতে তিন দিনের দায়িত্বের কথা। তাহারা স্মরণ করাইয়া দিতেন এক বৎসরের দায়িত্বের কথা।[1] মালিক (রহঃ) বলেনঃ দাস বা দাসীকে ক্রয় করার সময় হইতে তিন দিনের ভিতরে দাস বা দাসীর মধ্যে কোন দোষ পাওয়া গেলে উহা বিক্রেতার দায়িত্বের মধ্যে গণ্য হইবে। আর এক বৎসর কালের দায়িত্ব (যেমন) উন্মাদনা, কুষ্ঠরোগ, ধবলকুষ্ঠ, ইত্যাদি জটিল রোগ-এর ব্যাপারে এক বৎসর অতিবাহিত হইয়া গেলে পর বিক্রেতা সম্পূর্ণ দায়িত্বমুক্ত হইয়া যাইবে।মালিক (রহঃ) বলেনঃ যে ব্যক্তি কোন দাস বা দাসীকে বিক্রয় করিল, বিক্রেতা উত্তরাধিকারী হউক বা অন্য কেউ। বিক্রয়ের সময় দাস-দাসীর দোষের ব্যাপারে দায়িত্বমুক্ত হওয়ার কথা বিক্রেতা কর্তৃক উল্লেখ করিলে তবে বিক্রেতা দাস-দাসীর যাবতীয় দোষের দায়িত্ব হইতে মুক্ত থাকিবে। পক্ষান্তরে বিক্রেতা কর্তৃক বিক্রয়ের সময় যদি দাস-দাসীর কোন দোষের কথা জ্ঞাত থাকা সত্ত্বেও গোপন করে তবে বিক্রয়ের সময় দায়িত্বমুক্ত হওয়ার শর্ত করিলেও এই শর্ত তাহার উপকারে আসিবে না। এই বিক্রয় বাতিল হইয়া যাইবে। আর আমাদের নিকট একমাত্র দাস-দাসীর মধ্যেই বিক্রেতার দায়িত্ব থাকিবে।
حدثني يحيى، عن مالك، عن عبد الله بن ابي بكر بن محمد بن عمرو بن حزم، ان ابان بن عثمان، وهشام بن اسماعيل، كانا يذكران في خطبتهما عهدة الرقيق في الايام الثلاثة من حين يشترى العبد او الوليدة وعهدة السنة . قال مالك ما اصاب العبد او الوليدة في الايام الثلاثة من حين يشتريان حتى تنقضي الايام الثلاثة فهو من البايع وان عهدة السنة من الجنون والجذام والبرص فاذا مضت السنة فقد بري البايع من العهدة كلها . قال مالك ومن باع عبدا او وليدة من اهل الميراث او غيرهم بالبراءة فقد بري من كل عيب ولا عهدة عليه الا ان يكون علم عيبا فكتمه فان كان علم عيبا فكتمه لم تنفعه البراءة وكان ذلك البيع مردودا ولا عهدة عندنا الا في الرقيق
রেওয়ায়ত ৪. আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) তাহার এক দাস বিক্রয় করিলেন বারাআত এর শর্তে আটশত দিরহাম মূল্যে। অতঃপর ক্রেতা বলিলেন, আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ)-এর গোলামের মধ্যে একটি রোগ রহিয়াছে, আপনি আমার নিকট উহা চিহ্নিত করেন নাই। তারপর তাহারা উভয়ের বিবাদ লইয়া উপস্থিত হইলেন উসমান ইবন আফফান (রাঃ)-এর নিকট। ক্রেতা ব্যক্তি বলিলেন, তিনি আমার নিকট গোলাম বিক্রয় করিলেন অথচ উহার রহিয়াছে একটি রোগ যাহার কথা তিনি আমার নিকট বলেন নাই। আবদুল্লাহু বলিলেনঃ আমি গোলাম বিক্রয় করিয়াছি বারাআত (দায়িত্বমুক্ত থাকা)-এর শর্তে। উসমান (রাঃ) ফয়সালা দিলেন, আবদুল্লাহ্ ইবন উমর (রাঃ) শপথ করিয়া বলিবে-ক্রেতার নিকট তিনি যে গোলাম বিক্রয় করিয়াছেন উহার মধ্যে কোন রোগ আছে বলিয়া তিনি জানিতেন না। আবদুল্লাহ্ (রাঃ) এইরূপ শপথ করিতে অস্বীকৃতি জানাইলেন এবং গোলাম তিনি ফেরত গ্রহণ করিলেন। অতঃপর উক্ত গোলাম সুস্থ হইয়া গেল। তারপর আবদুল্লাহ্ (রাঃ) উহাকে দেড় হাজার দিরহাম মূল্যে বিক্রয় করিলেন। মালিক (রহঃ) বলেনঃ আমাদের নিকট সর্বসম্মত ফয়সালা হইল এই, যে ব্যক্তি কোন দাসী ক্রয় করিল এবং তাহার দ্বারা উহা অন্তঃসত্ত্বা হইল, অথবা দাস ক্রয় কলিয়া উহাকে আযাদ করিল এবং এই জাতীয় যে কোন প্রকার ক্ষমতা পরিচালনা বা কার্য সম্পাদন করে যাহাতে সেই দাসী বা দাসকে আর ফেরত দেওয়া চলে না। অতঃপর (এই মর্মে) প্রমাণ উপস্থিত হইয়াছে যে, বিক্রেতার কাছে থাকা কালে উহার মধ্যে খুঁত ছিল অথবা খুঁত প্রকাশিত হইয়াছে বিক্রেতার স্বীকারোক্তির দ্বারা কিংবা অন্য কোন উপায়ে, [এইরূপ হইয়া থাকিলে] তবে খুঁতসহ বিক্রয়ের দিন সেই দাস অথবা দাসীর কত মূল্য হইতে পারে তাহা নির্ণয় করা হইবে, তারপর ক্রটি মুক্তাবস্থায় উহার যাহা মূল্য হইবে এবং খুঁত অবস্থায় যাহা উহার মূল্য হইতে পারে এভদুভয়ের মধ্যবর্তী ব্যবধানিক মূল্যের অর্থটি ক্রেতাকে ফেরত দিবে। মালিক (রহঃ) বলেনঃ আমাদের কাছে সর্বসম্মত ফয়সালা এই, সেই ব্যক্তি সম্বন্ধে যে ব্যক্তি কোন ক্রীতদাস ক্রয় করিয়াছে। অতঃপর উহা হইতে এমন কোন খুঁত প্রকাশ পাইয়াছে, যে খুঁত প্রকাশ পাওয়ার দরুন যাহাতে উহাকে বিক্রেতার নিকট ফেরত দেওয়া যাইতে পারে। কিন্তু ক্রেতার নিকট (থাকাবস্থায়) অন্য নূতন খুঁত সৃষ্টি হইয়াছে। যদি নব্যসৃষ্ট খুঁত যাহা ক্রেতার নিকট পয়দা হইয়াছে উহা নষ্টকারী হয় যেমন (কোন অংশ) কর্তন করা কিংবা কানা হওয়া অথবা এই জাতীয় নষ্টকারক খুঁতসমূহ হইতে অন্য কোন খুঁত। তবে দুই বিষয়ের যে কোন উত্তম বিষয়কে গ্রহণ করার ইখতিয়ার ক্রেতার থাকিবে। যদি দাসের ক্রটিসহ যেই দিন উহাকে ক্রয় করিয়াছে সেই দিন যাহা মূল্য হইতে পারে এবং নিখুঁতাবস্থায় উহার যাহা মূল্য হয় উভয়ের মধ্যবর্তী ব্যবধানিক মূল্য তাহা হইতে বাদ দেওয়াকে তিনি পছন্দ করেন তবে (যেই পরিমাণ) অর্থ উহা হইতে বাদ দেওয়া হইবে অথবা সে যদি পছন্দ করে তবে ক্রীতদাসের যেই পরিমাণ ক্ষতি তাহার কাছে থাকিতে হইয়াছে উহার খেসারত প্রদান করিবে, অতঃপর গোলাম ফেরত দেওয়া হইবে (তিনি ইচ্ছা করিলে এইরূপ করা যাইবে)। আর যদি ক্রীতদাস ক্রেতার নিকট মারা যায় তবে ক্রয়ের দিন দোষ মুক্তাবস্থায় উহার মূল্য একশত দীনার থাকে, আর দোষসহ উহার মূল্য ক্রয়ের দিন আশি দীনার হয়, তবে ক্রেতার উপর হইতে উভয় মূল্যের মধ্যে ব্যবধানিক মূল্য বাদ দেওয়া হইবে। মূল্য ধার্য করা হইবে ক্রয়ের দিনেরই। মালিক (রহঃ) বলেনঃ যে ব্যক্তি কোন দাসীকে উহাতে খুঁত পাওয়ার কারণে ফেরত দেয় (অথচ) সে উহার সহিত সহবাস করিয়াছে। তবে দাসী যদি কুমারী হয় তবে (সহবাস করাতে) যতটুকু উহার মূল্য হইতে কমিয়াছে ততটুকু মূল্য তাহাকে আদায় করিতে হইবে আর যদি দাসী কুমারী না হয়, তবে উহার সহিত সঙ্গম করাতে ক্রেতাকে কিছু দিতে হইবে না, কারণ সে উহার জামিনস্বরূপ ছিল। মালিক (রহঃ) বলেনঃ আমাদের নিকট ইহা সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত যে, যে ব্যক্তি কোন দাস বা দাসীকে অথবা কোন প্রাণীকে বিক্রয় করিয়াছে বারাআতের শর্তে সে আহলে-মীরাস হউক বা আহিলে-মীরাস স্ব্যতীত অন্য কেহ হউক, তবে সে বিক্রীত বস্তুতে যেকোন প্রকার দোষ পাওয়া যায় উহার দায়-দায়িত্ব হইতে মুক্ত হইয়া গিয়াছে। কিন্তু যদি কোন দোষ জ্ঞাত থাকা সত্ত্বেও গোপন করিয়া থাকে তবে তাহার দায়িত্ব মুক্তির শর্ত করা কোন কাজে লাগিবে না এবং তাহার বিক্রীত বস্তু তাহার দিকে ফিরাইয়া দেওয়া হইবে। মালিক (রহঃ) বলেনঃ যেই দাসীকে দুইজন দাসীর বিনিময়ে বিক্রয় করা হইয়াছে, অতঃপর দাসীদ্বয়ের একজনের মধ্যে এমন দোষ পাওয়া গিয়াছে যাহাসহ মালিকের নিকট ফেরত দেওয়া চলে। তবে সেই দাসীর মূল্য নির্ণয় করা হইবে যেই ক্রীতদাসীকে দুই দাসীর বিনিময়ে বিক্রয় করা হইয়াছিল। তারপর দেখিতে হইবে উহার মূল্য কত। অতঃপর দাসীদ্বয়ের মূল্য নির্ণয় করিতে হইবে যাহাদের একজনের মধ্যে দোষ পাওয়া গিয়াছে। উভয়ে সুস্থ ও নিখুঁত থাকিলে কি মূল্য দাসীদ্বয়ের হইতে পারে তাহা নির্ণন করিবে। অতঃপর যেই দাসীকে এতদুভয়ের বিনিময়ে বিক্রি করা হইয়াছিল উহার মূল্যকে উভয দাসীর মধ্যে উহাদের মূল্য অনুযায়ী বন্টন করিয়া দিবে, যেন দাসীদ্বয়ের প্রত্যেকের উপর স্ব স্ব হিসসা বর্তিত হয়। নিখুঁত ও উত্তমার অংশে উহার মূল্য এবং অপর ক্রটিযুক্ত অংশে তাহার মূল্য বর্তিত হইবে। তারপর লক্ষ্য করা হইবে ক্রটিযুক্ত দাসীর দিকে এবং যেই পরিমাণ মূল্য উহার অংশে নির্ধারিত হইল তাহা বিক্রেতা কর্তৃক ক্রেতাকে ফেরত দিতে হইবে। যেই দিন ক্রেতা দাসীদ্বয়কে নিজ দখলে আনিয়াছে উভয়ের সেই দিনের মূল্য নির্ণয় করিবে। মালিক (রহঃ) বলেনঃ যে ব্যক্তি দাস ক্রয় করিল অতঃপর উহাকে ইজারাতে কাজে লাগাইল, বড় ইজারাতে কিংবা কর মারফতে। তারপর সেই দাসে খুঁত পাওয়া গেল, যে খুঁতের কারণে উহাকে বিক্রেতার নিকট ফেরত দেওয়া যায়। (এইরূপ অবস্থা হইলে) তবে সেই দাসকে খুঁতসহ ফেরত দিবে, ইজারা (লব্ধ অর্থ) ও কর (মারফত আদায়কৃত বস্তু) তাহার (ক্রেতার) প্রাপ্য হইবে। অনুরূপ মতই পোষণ করিতেন আমাদের (পবিত্র) শহরের (মদীনার) উলামা সম্প্রদায়। ইহা এইজন্য যে, (যেমন) এক ব্যক্তি একটি দাস খরিদ করিল। সে দাস তাহার (ক্রেতার) উদ্দেশ্যে একটি গৃহ নিৰ্মাণ করিল। যে গৃহের নির্মাণ খরচ গোলামের মূল্য অপেক্ষা কয়েক গুণ বেশি হইবে, অতঃপর সেই দাসের কোন দোষ পাওয়া গেল যে দোষের কারণে উহাকে বিক্রেতার নিকট ফেরত দেওয়া চলে। (এইরূপ পরিস্থিতির উদ্ভব হইলে) তবে উহাকে (বিক্রেতার নিকট) ফেরত দিবে এবং গোলামের শ্রমের কারণে ক্রেতার উপর কোন মজুরী হিসাব করা হইবে না। অনুরূপ দাসের ইজারালব্ধ অর্থ ক্রেতা পাইবে যদি অন্যের নিকট উহাকে ইজারা দিয়া থাকে কারণ ক্রেতাই উহার জামিন। মালিক (রহঃ) বলেন, ইহাই আমাদের সিদ্ধান্ত। মালিক (রহঃ) বলেনঃ আমাদের নিকট মাসআলা এই, এক ব্যক্তি এক দফাতে একসঙ্গে কয়েক জন দাসকে বিক্রয় করিয়াছে। অতঃপর সেইসব দাসের মধ্যে একজন পাওয়া গিয়াছে চোরাইকৃত দাস কিংবা উহাদের এক জনের মধ্যে খুঁত পাওয়া গিয়াছে। মালিক (রহঃ) বলেন, এমতাবস্থায় দেখিতে হইবে- চোরাইকৃত দাস কিংবা যাহার মধ্যে খুঁত পাওয়া গিয়াছে সেই দাস যদি বিক্রীত দাসের মধ্যে শ্রেষ্ঠ হয় অথবা অধিক মূল্যের হয় এবং ক্রেতা উহার প্রতি আকৃষ্ট হইয়া সবাইকে ক্রয় করিয়াছে, উহাতে রহিয়াছে শ্রেষ্ঠত্ব ও গুণ, সাধারণ লোকের ধারণায়, তবে এইরূপ বিক্রয় সম্পূর্ণ রদ করিয়া দেওয়া হইবে। মালিক (রহঃ) বলেন, চোরাইকৃত গোলাম কিংবা যাহার মধ্যে দোষ পাওয়া গিয়াছে মামুলী ধরনের (বড় রকমের কোন দোষ নহে), আর দাসত্বের মধ্যে সেই গোলাম অতি শ্ৰেষ্ঠও নহে এবং উহার উদ্দেশ্যে সবাইকে ক্রয়ও করা হয় নাই। আর লোক-দৃষ্টিতে উহার বিশেষ কোন গুণও নাই। তবে ক্ৰটিযুক্ত কিংবা চোরাইকৃত সেই ক্রীতদাসকেই বিক্রেতার নিকট ফেরত দেওয়া হইবে; ক্রীতদাসদিগকে যেই মূল্যে খরিদ করা হইয়াছে, হারাহারিভাবে এই দাসের যাহা মূল্য হইবে সেই মূল্য অনুপাতে (অর্থ বাদ দিয়া)।
রেওয়ায়ত ৫. ইবন শিহাব (রহঃ) হইতে বর্ণিত, উবায়দুল্লাহ ইবন আবদুল্লাহ ইবন উতবা ইবন মাসউদ (রহঃ) তাহার নিকট বর্ণনা করিয়াছেন যে, আবদুল্লাহ ইবন মাসউদ (রাঃ) তদীয় স্ত্রী যয়নাব সকাফিয়ার নিকট হইতে একটি দাসী ক্রয় করিলেন এবং সে (যয়নাব) তাহার উপর শর্তারোপ করিয়াছে যে, যদি তিনি উহাকে বিক্রয় করেন, তবে যেই মূল্যে বিক্রয় করা হইবে সেই মূল্যে উহা তাহার (যয়নাবের) প্রাপ্য হইবে। আবদুল্লাহ ইবন মাসউদ (রাঃ) এই বিষয়ে উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ)-এর নিকট প্রশ্ন করিলেন। তিনি (উত্তর) বলিলন, তুমি উহার নিকটে যাইও না (অর্থাৎ উহার সহিত সঙ্গম করিও না) যাহাতে কাহারো পথে শর্তারোপ করা হইয়াছে।
حدثني يحيى، عن مالك، عن ابن شهاب، ان عبيد الله بن عبد الله بن عتبة بن مسعود، اخبره ان عبد الله بن مسعود ابتاع جارية من امراته زينب الثقفية واشترطت عليه انك ان بعتها فهي لي بالثمن الذي تبيعها به فسال عبد الله بن مسعود عن ذلك عمر بن الخطاب فقال عمر بن الخطاب لا تقربها وفيها شرط لاحد
রেওয়ায়ত ৬. নাফি' (রহঃ) হইতে বর্ণিত, আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) বলিতেন, যেই দাসীকে ইচ্ছা করিলে বিক্রয় করিতে পারে কিংবা ইচ্ছা করিলে দান করা যায় অথবা ইচ্ছা হইলে নিজের কাছে রাখা যায় এবং উহার সহিত যাহা ইচ্ছা তাহা করা যায় সেইরূপ দাসী ব্যতীত অন্য কোন দাসীর সহিত কোন ব্যক্তি সঙ্গম করিবে না। মালিক (রহঃ) বলেনঃ যে ব্যক্তি কোন দাসীকে এই শর্তে ক্রয় করিয়াছে যে, উহাকে বিক্রয় করিবে না এবং উহাকে দান করিবে না কিংবা এই রকম অন্য কোন শর্তে, তবে সেই ক্রেতার জন্য উহার সহিত সঙ্গম করা জায়েয হইবে না। কারণ তাহার জন্য উহাকে বিক্রয় করা এবং দান করা জায়েয নহে। যখন সে ইহা বিক্রয় ও দান-এর মালিক নহে তবে সে উহার পূর্ণ কতৃত্ব লাভ করে নাই। কেননা (শর্তারোপ করিয়া) ক্রেতার নিকট হইতে উহার কর্তৃত্বকে বাদ দেওয়া হইয়াছে, যে কর্তৃত্ব রহিয়াছে অন্যের হস্তে। যখন (ক্ষমতা খর্ব করার) এই শর্তারোপ করা হইল তবে ইহার বিক্রয় জায়েয হইবে না। এই ধরনের বিক্রয় মাকরুহ হইবে।
وحدثني عن مالك، عن نافع، عن عبد الله بن عمر، انه كان يقول لا يطا الرجل وليدة الا وليدة ان شاء باعها وان شاء وهبها وان شاء امسكها وان شاء صنع بها ما شاء . قال مالك فيمن اشترى جارية على شرط ان لا يبيعها او لا يهبها او ما اشبه ذلك من الشروط فانه لا ينبغي للمشتري ان يطاها وذلك انه لا يجوز له ان يبيعها ولا يهبها فاذا كان لا يملك ذلك منها فلم يملكها ملكا تاما لانه قد استثني عليه فيها ما ملكه بيد غيره فاذا دخل هذا الشرط لم يصلح وكان بيعا مكروها
রেওয়ায়ত ৭. ইবন শিহাব (রহঃ) হইতে বর্ণিত, আবদুল্লাহ ইবন আমির (রাঃ) একটি দাসী হাদিয়া স্বরূপ উসমান ইবন আফফান (রাঃ)-এর উদ্দেশ্যে প্রেরণ করিলেন; সেই দাসীর স্বামী (বর্তমান) ছিল, তিনি উহাকে বসরাতে ক্রয় করিয়াছিলেন। উসমান (রাঃ) বলিলেনঃ উহার স্বামী উহাকে ত্যাগ না করা পর্যন্ত আমি ইহার কাছে সঙ্গম উদ্দেশ্যে গমন করিব না। অতঃপর ইবন আমির তাহার স্বামীকে সম্মত করাইলেন, তাহার স্বামী তাহাকে ত্যাগ করিল।
حدثني يحيى، عن مالك، عن ابن شهاب، ان عبد الله بن عامر، اهدى لعثمان بن عفان جارية ولها زوج ابتاعها بالبصرة فقال عثمان لا اقربها حتى يفارقها زوجها . فارضى ابن عامر زوجها ففارقها
রেওয়ায়ত ৮. আবদুর রহমান ইবন আওফ (রাঃ) জনৈক ক্রীতদাসীকে খরিদ করিলেন, পরে জানা গেল যে, উহার স্বামী রহিয়াছে। তাই তিনি উহাকে ফেরত দিলেন।
وحدثني عن مالك، عن ابن شهاب، عن ابي سلمة بن عبد الرحمن بن عوف، ان عبد الرحمن بن عوف، ابتاع وليدة فوجدها ذات زوج فردها
রেওয়ায়ত ৯. আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলয়হি ওয়া সাল্লাম বলিয়াছেনঃ যে ব্যক্তি তা'বীর[1] করা খেজুরের গাছ বিক্রয় করিয়াছে, উহার ফল বিক্রেতা পাইবে, কিন্তু ক্রেতা যদি শর্ত করিয়া থাকে (তবে ফল ক্রেতার জন্য হইবে)।
حدثني يحيى، عن مالك، عن نافع، عن عبد الله بن عمر، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " من باع نخلا قد ابرت فثمرها للبايع الا ان يشترط المبتاع
রেওয়ায়ত ১০. ইবন উমর (রাঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিক্রেতা, ক্রেতা উভয়কে পরিপুষ্ট হওয়ার পূর্বে ফল বিক্রয় করিতে নিষেধ করিয়াছেন।
حدثني يحيى، عن مالك، عن نافع، عن ابن عمر، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن بيع الثمار حتى يبدو صلاحها نهى البايع والمشتري
রেওয়ায়ত ১১. আনাস ইবন মালিক (রাঃ) হইতে বর্ণিত, রঙীন হওয়ার পূর্বে ফল বিক্রয় করিতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলায়হি ওয়া সাল্লাম নিষেধ করিয়াছেন। সাহাবীগণ (রাঃ) প্রশ্ন করিলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! রঙীন হওয়ার অর্থ কি? (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলায়হি ওয়া সাল্লাম) বলিলেন, লাল কিংবা হলুদ রং-এর হওয়া। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিলেন, লক্ষ্য করুন। যদি আল্লাহ (গাছে) ফল পয়দা না করেন, তবে তোমাদের কেহ আপন ভাইয়ের মাল কিসের বিনিময়ে গ্রহণ করিবে?
وحدثني عن مالك، عن حميد الطويل، عن انس بن مالك، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن بيع الثمار حتى تزهي . فقيل له يا رسول الله وما تزهي فقال " حين تحمر " . وقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ارايت اذا منع الله الثمرة فبم ياخذ احدكم مال اخيه
রেওয়ায়ত ১২. আমর বিনত আবদির রহমান (রাঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলয়হি ওয়া সাল্লাম বিপদমুক্ত হওয়ার পূর্বে ফল বিক্রয় করিতে নিষেধ করিয়াছেন। মালিক (রহঃ) বলিয়াছেন, বিপদমুক্তির পূর্বে ফল বিক্রয় করা ধোকার বিক্রয়ের অন্তর্ভুক্ত।
وحدثني عن مالك، عن ابي الرجال، محمد بن عبد الرحمن بن حارثة عن امه، عمرة بنت عبد الرحمن ان رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن بيع الثمار حتى تنجو من العاهة . قال مالك وبيع الثمار قبل ان يبدو صلاحها من بيع الغرر
রেওয়ায়ত ১৩ যায়দ ইবন সাবিত (রাঃ) হইতে বর্ণিত, তিনি সপ্তর্ষীমণ্ডলস্থ নক্ষত্র (সুরাইয়া) উদিত হওয়ার পূর্বে ফল বিক্রয় করিতেন না।[1] মালিক (রহঃ) বলেন, তরবুজ, ক্ষিরাই, খরবুজ এবং গাজর বিক্রয়ের বিষয়ে আমাদের নিকট মাসআলা এইঃ পরিপুষ্ট হওয়ার পর এই সবের বিক্রয় হালাল ও বৈধ, তারপর যাহা উৎপাদিত হইবে (উৎপাদনকাল হইতে ফসল তোলা) শেষ হওয়া পর্যন্ত উহা ক্রেতার জন্য হইবে। ইহার জন্য কোন নির্ধারিত সময় নাই। কারণ উহার সময় লোকের নিকট পরিচিত। (তাহারা জানেন) কোন সময় এই সবের মধ্যে আপদ প্রবেশ করে। তাই সেই সময়ের পূর্বে উহার ফল কাটিয়া ফেলা হয়। যদি দুর্যোগের কারণে এইসবের মধ্যে কোন আপদ উপস্থিত হয় যাহার পরিমাণ পৌছে এক-তৃতীয়াংশ পর্যন্ত কিংবা উহার অধিক তবে বিক্রেতার নিকট হইতে সেই পরিমাণ কমান হইবে তারপর উহা ক্রেতাকে দেওয়া হইবে।
وحدثني عن مالك، عن ابي الزناد، عن خارجة بن زيد بن ثابت، عن زيد بن ثابت، انه كان لا يبيع ثماره حتى تطلع الثريا
حدثني يحيى، عن مالك، عن نافع، عن عبد الله بن عمر، عن زيد بن ثابت، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم ارخص لصاحب العرية ان يبيعها بخرصها
حدثني يحيى، عن مالك، عن نافع، عن عبد الله بن عمر، عن زيد بن ثابت، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم ارخص لصاحب العرية ان يبيعها بخرصها
রেওয়ায়ত ১৪. যায়দ ইবন সাবিত (রাঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরিয়্যা[1] করিয়াছেন এমন ব্যক্তির জন্য উহাকে অনুমান করিয়া বিক্রয় করার অনুমতি দিয়াছেন। আবু হুরায়রা (রাঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরিয়্যা স্বরূপ দেওয়া হইয়াছে এরূপ বৃক্ষের খেজুর অনুমান করিয়া বিক্রয়ের অনুমতি দিয়াছেন পাঁচ ওয়াসকের[2] কম কিংবা (পূর্ণ) পাঁচ ওয়াসকের মধ্যে। দাউদ (রাবী) সন্দেহ প্রকাশ করিয়াছেন; (তাহার শায়খ আবু সুফিয়ান) পাঁচ ওয়াসক বলিয়াছেন না পাঁচ ওয়াসকের কম বলিয়াছেন।মালিক (রহঃ) বলেনঃ আরিয়্যা পন্থায় প্রদত্ত বৃক্ষসমূহের ফল খেজুরের বিনিময়ে আন্দাজ করিয়া বিক্রয় করা যায়। চিন্তা-ভাবনা করিয়া উহার পরিমাণ নির্ধারণ করা হইবে এবং গাছে থাকিতে উহার আন্দাজ করা হইবে। উহার জন্য ওজন করার প্রয়োজন নাই। এইরূপ করার অনুমতি এই জন্য দেওয়া হইয়াছে যে, ইহা খরিদ দামে বিক্রয়, খরিদ বাতিলকরণ এবং খরিদকৃত বস্তুতে অন্যকে শরীক নেওয়ার মতো। ইহা যদি অন্যান্য বিক্রয়ের মতো হইত তবে খাদ্যদ্রব্যে অধিকার প্রাপ্ত হওয়ার পূর্বে কাহাকেও শরীক করা জায়েয হইত না এবং অধিকার প্রাপ্ত হওয়ার পূর্বে খরিদ বাতিলকরণও জায়েয হইত না এবং অধিকারে আসার পূর্বে খরিদমূল্যে ক্রয় করাও জায়েয হইত না।
وحدثني عن مالك، عن داود بن الحصين، عن ابي سفيان، مولى ابن ابي احمد عن ابي هريرة، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم ارخص في بيع العرايا بخرصها فيما دون خمسة اوسق او في خمسة اوسق . يشك داود قال خمسة اوسق او دون خمسة اوسق
রেওয়ায়ত ১৫. মুহাম্মদ ইবন আবদির রহমান (রহঃ) তাহার মাতা আ’মরা বিনত 'আবদির রহমান (রহঃ)-কে বলিতে শুনিয়াছেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লামের যুগে এক ব্যক্তি এক বাগানের ফল ক্রয় করিলেন, তিনি উহাতে মেহনত করিলেন এবং বাগানের সংস্কার সাধনে ব্ৰতী হইলেন। (ইহাতে) তাহার লোকসান প্রকাশ পাইল, তারপর তিনি বাগান মালিকের নিকট বাগানের দাম কমাইবার অথবা বিক্রয় বাতিল করিবার আবেদন জানাইলেন। কিন্তু বাগানের মালিক এইরূপ না করার শপথ করিলেন। তারপর ক্রেতার মাতা উপস্থিত হইলেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লামের খেদমতে। অতঃপর তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লামের নিকট ঘটনা বর্ণনা করিলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করিলেন, সে পুণ্য কাজ না করার কসম খাইয়াছে কি? বাগানের মালিক ইহা শুনিলেন, তারপর তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লামের নিকট হাজির হইয়া বলিলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! (ক্রেতা যাহা চাহিয়াছেন) তাহার জন্য উহা।
حدثني يحيى، عن مالك، عن ابي الرجال، محمد بن عبد الرحمن عن امه، عمرة بنت عبد الرحمن انه سمعها تقول، ابتاع رجل ثمر حايط في زمان رسول الله صلى الله عليه وسلم فعالجه وقام فيه حتى تبين له النقصان فسال رب الحايط ان يضع له او ان يقيله فحلف ان لا يفعل فذهبت ام المشتري الى رسول الله صلى الله عليه وسلم فذكرت ذلك له فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " تالى ان لا يفعل خيرا " . فسمع بذلك رب الحايط فاتى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله هو له
রেওয়ায়ত ১৬. মালিক (রহঃ) বলেনঃ উমর ইবন আবদিল আযীয (রহঃ) দুর্যোগ ঘটিলে মূল্য লাঘব করার ফয়সালা দিয়াছেন। মালিক (রহঃ) বলেনঃ আমাদের নিকটও মাসআলা অনুরূপ। মালিক (রহঃ) বলেনঃ দুর্যোগঘটিত কারণে, এক-তৃতীয়াংশ কিংবা ততোধিক ফসলের লোকসান হইলেই, তবে ক্রেতা হইতে মূল্য লাঘব করা হয়। ইহার কম হইলে লোকসান হইয়াছে বলিয়া গণ্য করা হয় না।
وحدثني عن مالك، انه بلغه ان عمر بن عبد العزيز، قضى بوضع الجايحة . قال مالك وعلى ذلك الامر عندنا . قال مالك والجايحة التي توضع عن المشتري الثلث فصاعدا ولا يكون ما دون ذلك جايحة
রেওয়ায়ত ১৭. কাসিম ইবন মুহাম্মদ (রহঃ) তাহার বাগানের ফল বিক্রয় করিতেন এবং উহা হইতে কিছু বৃক্ষ শাখা বাদ রাখিয়া দিতেন।
حدثني يحيى، عن مالك، عن ربيعة بن ابي عبد الرحمن، ان القاسم بن محمد، كان يبيع ثمر حايطه ويستثني منه
রেওয়ায়ত ১৮. আবদুল্লাহ্ ইবন আবি বকর (রহঃ) হইতে বর্ণিত, তাহার দাদা মুহাম্মদ ইবন আমর হাযম (রহঃ) আফবাক নামক তাহার এক বাগানের ফল চারি হাজার দিরহাম মূল্যে বিক্রয় করিলেন এবং উহা হইতে আট শত দিরহাম মূল্যের ফলের কিছু শাখা রাখিয়া দিলেন (নিজের জন্য)।
وحدثني عن مالك، عن عبد الله بن ابي بكر، ان جده، محمد بن عمرو بن حزم باع ثمر حايط له يقال له الافراق باربعة الاف درهم واستثنى منه بثمانماية درهم تمرا
মালিক (রহঃ) বলেনঃ যদি কোন বাগান নির্দিষ্ট তারিখ পর্যন্ত রেহেন রাখে তবে ঐ বাগানের ফল যাহা রেহেন রাখার পূর্বে হইয়াছে তাহা গাছের সাথে রেহেন ধরা যাইবে না। কিন্তু যদি রেহেনের সময় রেহেন রক্ষক শর্ত করিয়া দিয়া থাকে তবে জায়েয হইবে। আর যদি কোন ব্যক্তি একটি গর্ভবতী বাদী রেহেন রাখিল অথবা রেহেন রাখার পরে সে গর্ভবতী হয় তবে বাচ্চাও সাথে রেহেন ধরা যাইবে। গাছের ফল আর সন্তানের মধ্যে এই ব্যবধান। কারণ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিয়াছেন যে, যদি খেজুর গাছ এই অবস্থায় বিক্রয় করে যে, সেই খেজুর গাছকে তানবীর করিয়াছিল তবে এই খেজুর বিক্রেতারই হইবে। কিন্তু যদি শর্ত করিয়া থাকে তবে ভিন্ন কথা। মালিক (রহঃ) বলেন যে, আমাদের কাছে ইহা একটি মতভেদহীন মাসআলা। তাহা হইল, যদি কেহ কোন ক্রীতদাসী অথবা জানোয়ার বিক্রয় করে এবং ঐ দাসী কিংবা জানোয়ার গর্ভবতী হয় তবে ঐ বাচ্চা খরিদ্দারের হইবে। খরিদ্দার শর্ত করুক চাই না করুক। সুতরাং জানা গেল যে, খেজুর গাছের হুকুম জানোয়ারের হুকুমের মতো নহে আর ফলের হুকুমও গর্ভাধারের বাচ্চার হুকুমের মতো নহে। মালিক (রহঃ) বলেন যে, এই ব্যাপারে সুস্পষ্ট কথা এই যে মানুষ গাছ ছাড়াও খেজুরকে রেহেন রাখিতে পারে। কিন্তু দাসী বা পশুর বাচ্চা যাহা মাতৃগর্ভে রহিয়াছে তাহাকে কোন মানুষ রেহেন রাখিতে পারে না।
وحدثني عن مالك، عن ابي الرجال، محمد بن عبد الرحمن بن حارثة ان امه، عمرة بنت عبد الرحمن كانت تبيع ثمارها وتستثني منها . قال مالك الامر المجتمع عليه عندنا ان الرجل اذا باع ثمر حايطه ان له ان يستثني من ثمر حايطه ما بينه وبين ثلث الثمر لا يجاوز ذلك وما كان دون الثلث فلا باس بذلك . قال مالك فاما الرجل يبيع ثمر حايطه ويستثني من ثمر حايطه ثمر نخلة او نخلات يختارها ويسمي عددها فلا ارى بذلك باسا لان رب الحايط انما استثنى شييا من ثمر حايط نفسه وانما ذلك شىء احتبسه من حايطه وامسكه لم يبعه وباع من حايطه ما سوى ذلك
حدثني يحيى، عن مالك، عن يحيى بن سعيد، عن سالم بن عبد الله، ان عبد الله بن عمر، باع غلاما له بثمانماية درهم وباعه بالبراءة فقال الذي ابتاعه لعبد الله بن عمر بالغلام داء لم تسمه لي . فاختصما الى عثمان بن عفان . فقال الرجل باعني عبدا وبه داء لم يسمه . وقال عبد الله بعته بالبراءة . فقضى عثمان بن عفان على عبد الله بن عمر ان يحلف له لقد باعه العبد وما به داء يعلمه فابى عبد الله ان يحلف وارتجع العبد فصح عنده فباعه عبد الله بعد ذلك بالف وخمسماية درهم . قال مالك الامر المجتمع عليه عندنا ان كل من ابتاع وليدة فحملت او عبدا فاعتقه وكل امر دخله الفوت حتى لا يستطاع رده فقامت البينة انه قد كان به عيب عند الذي باعه او علم ذلك باعتراف من البايع او غيره فان العبد او الوليدة يقوم وبه العيب الذي كان به يوم اشتراه فيرد من الثمن قدر ما بين قيمته صحيحا وقيمته وبه ذلك العيب . قال مالك الامر المجتمع عليه عندنا في الرجل يشتري العبد ثم يظهر منه على عيب يرده منه وقد حدث به عند المشتري عيب اخر انه اذا كان العيب الذي حدث به مفسدا مثل القطع او العور او ما اشبه ذلك من العيوب المفسدة فان الذي اشترى العبد بخير النظرين ان احب ان يوضع عنه من ثمن العبد بقدر العيب الذي كان بالعبد يوم اشتراه وضع عنه وان احب ان يغرم قدر ما اصاب العبد من العيب عنده ثم يرد العبد فذلك له وان مات العبد عند الذي اشتراه اقيم العبد وبه العيب الذي كان به يوم اشتراه فينظر كم ثمنه فان كانت قيمة العبد يوم اشتراه بغير عيب ماية دينار وقيمته يوم اشتراه وبه العيب ثمانون دينارا وضع عن المشتري ما بين القيمتين وانما تكون القيمة يوم اشتري العبد . قال مالك الامر المجتمع عليه عندنا ان من رد وليدة من عيب وجده بها وكان قد اصابها انها ان كانت بكرا فعليه ما نقص من ثمنها وان كانت ثيبا فليس عليه في اصابته اياها شىء لانه كان ضامنا لها . قال مالك الامر المجتمع عليه عندنا فيمن باع عبدا او وليدة او حيوانا بالبراءة من اهل الميراث او غيرهم فقد بري من كل عيب فيما باع الا ان يكون علم في ذلك عيبا فكتمه فان كان علم عيبا فكتمه لم تنفعه تبريته وكان ما باع مردودا عليه . قال مالك في الجارية تباع بالجاريتين ثم يوجد باحدى الجاريتين عيب ترد منه قال تقام الجارية التي كانت قيمة الجاريتين فينظر كم ثمنها ثم تقام الجاريتان بغير العيب الذي وجد باحداهما تقامان صحيحتين سالمتين ثم يقسم ثمن الجارية التي بيعت بالجاريتين عليهما بقدر ثمنهما حتى يقع على كل واحدة منهما حصتها من ذلك على المرتفعة بقدر ارتفاعها وعلى الاخرى بقدرها ثم ينظر الى التي بها العيب فيرد بقدر الذي وقع عليها من تلك الحصة ان كانت كثيرة او قليلة وانما تكون قيمة الجاريتين عليه يوم قبضهما . قال مالك في الرجل يشتري العبد فيواجره بالاجارة العظيمة او الغلة القليلة ثم يجد به عيبا يرد منه انه يرده بذلك العيب وتكون له اجارته وغلته وهذا الامر الذي كانت عليه الجماعة ببلدنا وذلك لو ان رجلا ابتاع عبدا فبنى له دارا قيمة بنايها ثمن العبد اضعافا ثم وجد به عيبا يرد منه رده ولا يحسب للعبد عليه اجارة فيما عمل له فكذلك تكون له اجارته اذا اجره من غيره لانه ضامن له وهذا الامر عندنا . قال مالك الامر عندنا فيمن ابتاع رقيقا في صفقة واحدة فوجد في ذلك الرقيق عبدا مسروقا او وجد بعبد منهم عيبا انه ينظر فيما وجد مسروقا او وجد به عيبا فان كان هو وجه ذلك الرقيق او اكثره ثمنا او من اجله اشترى وهو الذي فيه الفضل فيما يرى الناس كان ذلك البيع مردودا كله وان كان الذي وجد مسروقا او وجد به العيب من ذلك الرقيق في الشىء اليسير منه ليس هو وجه ذلك الرقيق ولا من اجله اشتري ولا فيه الفضل فيما يرى الناس رد ذلك الذي وجد به العيب او وجد مسروقا بعينه بقدر قيمته من الثمن الذي اشترى به اوليك الرقيق