Loading...

Loading...
বইসমূহ
১১৪ হাদিসসমূহ
রেওয়ায়ত ৬১. উরওয়াহ ইবন যুবায়র (রহঃ) বলতেনঃ যে স্বীয় জননেন্দ্রিয় স্পর্শ করিয়াছে তাহার ওপর ওযু ওয়াজিব হইয়াছে।
وحدثني عن مالك، عن هشام بن عروة، عن ابيه، انه كان يقول من مس ذكره فقد وجب عليه الوضوء
রেওয়ায়ত ৬২. সালিম ইবন আবদুল্লাহ্ (রহঃ) বলিয়াছেনঃ আমি আমার পিতা আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ)-কে দেখিয়াছি, তিনি গোসল করিতেন, তারপর ওযু করিতেন। আমি বলিলামঃ আব্বাজান! গোসল আপনার ওযুর জন্য কি যথেষ্ট হয় না? (অর্থাৎ গোসল দ্বারা ওযুর কাজ হইয়া যায় না?) তিনি বলিলেনঃ হ্যাঁ, যথেষ্ট হয়। কিন্তু আমি কোন কোন সময় জননেন্দ্রিয় স্পর্শ করি। তাই আমি ওযু করি।
وحدثني عن مالك، عن ابن شهاب، عن سالم بن عبد الله، انه قال رايت ابي عبد الله بن عمر يغتسل ثم يتوضا فقلت له يا ابت اما يجزيك الغسل من الوضوء قال بلى ولكني احيانا امس ذكري فاتوضا
রেওয়ায়ত ৬৩. সালিম ইবন আবদুল্লাহ্ (রহঃ) বলেনঃ আমি এক সফরে আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ)-এর সঙ্গে ছিলাম। আমি তাহাকে দেখিলাম সূর্য উদয়ের পর ওযু করিলেন, তারপর নামায পড়িলেন। আমি তাহাকে বলিলামঃ (আজকের দিন ব্যতীত) আপনি এই নামায কখনও এই সময়ে পড়েন না। তখন তিনি বলিলেনঃ আমি ফজরের নামাযের জন্য ওযু করার পর আমার লজ্জাস্থান স্পর্শ করিয়াছি। অতঃপর আমি ওযু করিতে ভুলিয়া গিয়াছি। তাই আমি ওযু করিলাম এবং পুনরায় নামায পড়িলাম।
وحدثني عن مالك، عن نافع، عن سالم بن عبد الله، انه قال كنت مع عبد الله بن عمر في سفر فرايته بعد ان طلعت الشمس توضا ثم صلى قال فقلت له ان هذه لصلاة ما كنت تصليها . قال اني بعد ان توضات لصلاة الصبح مسست فرجي ثم نسيت ان اتوضا فتوضات وعدت لصلاتي
রেওয়ায়ত ৬৪. আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) বলিতেনঃ স্বামী কর্তৃক আপন স্ত্রীকে চুম্বন এবং উহাকে হাতে ছোঁয়া মুলামাসত (ملامست)-এর অন্তর্ভুক্ত। যে নিজের স্ত্রীকে চুম্বন করে অথবা তাহাকে হাতে ছোঁয় তাহার ওপর ওযু ওয়াজিব হইবে।
حدثني يحيى، عن مالك، عن ابن شهاب، عن سالم بن عبد الله، عن ابيه عبد الله بن عمر، انه كان يقول قبلة الرجل امراته وجسها بيده من الملامسة فمن قبل امراته او جسها بيده فعليه الوضوء
রেওয়ায়ত ৬৫. মালিক (রহঃ) বলেনঃ তাহার নিকট খবর পৌছিয়াছে যে, আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাঃ) বলিতেনঃ পুরুষ নিজের স্ত্রীকে চুমা খাইলে তাহার ওযু ওয়াজিব হইবে।
وحدثني عن مالك، انه بلغه ان عبد الله بن مسعود، كان يقول من قبلة الرجل امراته الوضوء
রেওয়ায়ত ৬৬. মালিক (রহঃ) বলেনঃ ইবন শিহাব (রহঃ) বললেন, পুরুষ কর্তৃক নিজের স্ত্রীকে চুম্বনের দরুন ওযু করিতে হইবে।
وحدثني عن مالك، عن ابن شهاب، انه كان يقول من قبلة الرجل امراته الوضوء . قال { ابن } نافع قال مالك وذلك احب ما سمعت الى
রেওয়ায়ত ৬৭. উম্মুল মুমিনীন আয়েশা (রাঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন জানাবত-এর গোসল করিতেন, সর্বপ্রথম উভয় হাত ধৌত করিতেন। অতঃপর নামাযের ওযুর মত ওযু করিতেন। তারপর আঙুলসমূহ পানিতে দাখিল করিতেন, আঙুল দ্বারা চুলের গোড়ায় খিলাল করিতেন। অতঃপর উভয় হাত দিয়া তিন আঁজলা পানি তাহার শিরে ঢালিতেন। অতঃপর সর্বশরীরে পানি ঢালিতেন।
حدثني يحيى، عن مالك، عن هشام بن عروة، عن ابيه، عن عايشة ام المومنين، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم كان اذا اغتسل من الجنابة بدا بغسل يديه ثم توضا كما يتوضا للصلاة ثم يدخل اصابعه في الماء فيخلل بها اصول شعره ثم يصب على راسه ثلاث غرفات بيديه ثم يفيض الماء على جلده كله
রেওয়ায়ত ৬৮. উম্মুল মুমিনীন আয়েশা (রাঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এমন একটি পাত্র হইতে, যাহাতে দুই অথবা তিন সা' (প্রায় চার অথবা ছয় সের পরিমাণ) পানি ধরিত, জানাবতের গোসল করিতেন।
وحدثني عن مالك، عن ابن شهاب، عن عروة بن الزبير، عن عايشة ام المومنين، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يغتسل من اناء - هو الفرق - من الجنابة
রেওয়ায়ত ৬৯. নাফি (রহঃ) হইতে বর্ণিত, আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) যখন জানাবতের গোসল করিতেন, তিনি সর্বপ্রথম ডান হাতে পানি ঢালিতেন এবং উহাকে ধৌত করিতেন, অতঃপর লজ্জাস্থান ধুইতেন। তারপর কুলি করিতেন এবং নাক পরিষ্কার করিতেন। তারপর মুখমণ্ডল ধুইতেন এবং উভয় চক্ষুতে পানি ছিটা দিতেন। অতঃপর পুনরায় ডান হাত, তারপর বাম হাত ও মাথা ধুইতেন। তারপর (পূর্ণাঙ্গ) গোসল করিতেন এবং তাহার (দেহের) উপর পানি ঢালিয়া দিতেন।
وحدثني عن مالك، عن نافع، ان عبد الله بن عمر، كان اذا اغتسل من الجنابة بدا فافرغ على يده اليمنى فغسلها ثم غسل فرجه ثم مضمض واستنثر ثم غسل وجهه ونضح في عينيه ثم غسل يده اليمنى ثم اليسرى ثم غسل راسه ثم اغتسل وافاض عليه الماء
রেওয়ায়ত ৭০. মালিক (রহঃ) বলেনঃ তাহার নিকট রেওয়ায়ত পৌছিয়াছে যে, উম্মুল মুমিনীন আয়েশা (রাঃ)-কে মেয়েদের জানাবতের গোসল সম্পর্কে প্রশ্ন করা হইল। তিনি বলিলেনঃ স্ত্রীলোক তাহার মাথায় তিন চুল্লু পানি ঢালিবে এবং উভয় হাত দ্বারা মাথা (মাথার চুল) কচলাইবে।
وحدثني عن مالك، انه بلغه ان عايشة، سيلت عن غسل المراة، من الجنابة فقالت لتحفن على راسها ثلاث حفنات من الماء ولتضغث راسها بيديها
রেওয়ায়ত ৭১. সাঈদ ইবন মুসায়্যাব (রহঃ) হইতে বর্ণিত, উমর ইবন খাত্তাব, উসমান ইবন আফফান (রাঃ) ও নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহধর্মিণী আয়েশা (রাঃ) বলতেনঃ যখন (পুরুষের) লজ্জাস্থান (স্ত্রীর) লজ্জাস্থান স্পর্শ করিল তখন অবশ্য গোসল ওয়াজিব হইয়া গেল।
حدثني يحيى، عن مالك، عن ابن شهاب، عن سعيد بن المسيب، ان عمر بن الخطاب، وعثمان بن عفان، وعايشة، زوج النبي صلى الله عليه وسلم كانوا يقولون اذا مس الختان الختان فقد وجب الغسل
রেওয়ায়ত ৭২. আবু সালমা ইবন আবদুর রহমান ইবন আউফ (রহঃ) বলেনঃ আমি নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর পত্নী আয়েশা (রাঃ)-কে প্রশ্ন করিলাম, কোন কাজ গোসলকে ওয়াজিব করে? তিনি বলিলেনঃ হে আবু সালমা! তুমি জান, তোমার দৃষ্টান্ত কি? তোমার দৃষ্টান্ত হইতেছে মুরগীর বাচ্চার মত,[1] যে মোরগকে যখন ডাক দিতে শোনে, তখন সেও মোরগের সহিত ডাক দেয়। শোন, (পুরুষের) লজ্জাস্থান (স্ত্রীর) লজ্জাস্থান অতিক্রম করিলে গোসল ওয়াজিব হইবে।
وحدثني عن مالك، عن ابي النضر، مولى عمر بن عبيد الله عن ابي سلمة بن عبد الرحمن بن عوف، انه قال سالت عايشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم ما يوجب الغسل فقالت هل تدري ما مثلك يا ابا سلمة مثل الفروج يسمع الديكة تصرخ فيصرخ معها اذا جاوز الختان الختان فقد وجب الغسل
রেওয়ায়ত ৭৩. সাঈদ ইবন মুসায়্যাব (রহঃ) হইতে বর্ণিত, আবু মূসা আশ'আরী (রাঃ) নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহধর্মিণী আয়েশা (রাঃ)-এর নিকট উপস্থিত হইলেন। তিনি বলিলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাহাবাদের মতানৈক্য আমার নিকট খুব ভারী ও কষ্টদায়ক হইয়াছে এবং তাহা এমন একটি বিষয়ে যাহা আপনার সমীপে উল্লেখ করা আমি মহাব্যাপার মনে করি। আয়েশা সিদীকা (রাঃ) বললেনঃ কি বিষয় উহা? তুমি যে বিষয় তোমার মাতার নিকট প্রশ্ন করিতে পার, সেই বিষয়ে আমার নিকটও প্রশ্ন করিতে পার। তারপর আবু মূসা (রাঃ) বলিলেনঃ কোন লোক তাহার স্ত্রীর সহিত সহবাস করার পর সে ক্লান্ত হইয়াছে এবং বীর্য নির্গত হয় নাই। সে কি করিবে? তিনি বলিলেনঃ (পুরুষের) লজ্জাস্থান (স্ত্রীলোকের) লজ্জাস্থান অতিক্রম করিলে গোসল ওয়াজিব হইবে। আবু মূসা (রাঃ) বলিলেনঃ আপনাকে জিজ্ঞাসা করার পর আমি এই বিষয় অন্য কাহারও নিকট আর কখনও জিজ্ঞাসা করিব না।
وحدثني عن مالك، عن يحيى بن سعيد، عن سعيد بن المسيب، ان ابا موسى الاشعري، اتى عايشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم فقال لها لقد شق على اختلاف اصحاب النبي صلى الله عليه وسلم في امر اني لاعظم ان استقبلك به . فقالت ما هو ما كنت سايلا عنه امك فسلني عنه . فقال الرجل يصيب اهله ثم يكسل ولا ينزل فقالت اذا جاوز الختان الختان فقد وجب الغسل . فقال ابو موسى الاشعري لا اسال عن هذا احدا بعدك ابدا
রেওয়ায়ত ৭৪. মাহমুদ ইবন লবীদ আনসারী (রাঃ) যায়দ ইবন সাবিত আনসারী (রাঃ)-এর নিকট প্রশ্ন করিলেন, সেই লোক সম্পর্কে যে লোক নিজের স্ত্রীর সহিত সহবাস করিয়াছে, তারপর ক্লান্ত হইয়া পড়িয়াছে, বীর্য বাহির হয় নাই। তিনি বলিলেনঃ সে গোসল করবে। মাহমুদ (রাঃ) বলিলেনঃ উবাই ইবন কা'ব (রাঃ) গোসল (এই অবস্থায়) জরুরী মনে করিতেন না। যায়দ (রাঃ) বললেন, মৃত্যুর পূর্বে উবাই ইবন কা'ব (রাঃ) এই মত প্রত্যাহার করিয়াছিলেন।
وحدثني عن مالك، عن يحيى بن سعيد، عن عبد الله بن كعب، مولى عثمان بن عفان ان محمود بن لبيد الانصاري، سال زيد بن ثابت عن الرجل، يصيب اهله ثم يكسل ولا ينزل فقال زيد يغتسل . فقال له محمود ان ابى بن كعب كان لا يرى الغسل . فقال له زيد بن ثابت ان ابى بن كعب نزع عن ذلك قبل ان يموت
রেওয়ায়ত ৭৫. নাফি' (রহঃ) হইতে বর্ণিত, আবদুল্লাহ্ ইবন উমর (রাঃ) বলিলেনঃ (পুরুষের) লজ্জাস্থান স্ত্রীলোকের লজ্জাস্থান অতিক্রম করিলে গোসল ওয়াজিব হইবে।
وحدثني عن مالك، عن نافع، ان عبد الله بن عمر، كان يقول اذا جاوز الختان الختان فقد وجب الغسل
রেওয়ায়ত ৭৬. আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সমীপে উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ) উল্লেখ করিলেন, রাত্রিতে তাহার জানাবত অর্থাৎ অপবিত্রতা হয় (স্বপ্লদোষ বা স্ত্রী সহবাসের দরুন)। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাহাকে বলিলেনঃ তুমি ওযু কর এবং জননেন্দ্রিয় ধুইয়া ফেল, তারপর ঘুমাও।
حدثني يحيى، عن مالك، عن عبد الله بن دينار، عن عبد الله بن عمر، انه قال ذكر عمر بن الخطاب لرسول الله صلى الله عليه وسلم انه يصيبه جنابة من الليل فقال له رسول الله " توضا واغسل ذكرك ثم نم
রেওয়ায়ত ৭৭. নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহধর্মিণী আয়েশা (রাঃ) বলিতেনঃ তোমাদের কেউ স্ত্রী সহবাস করিলে, অতঃপর গোসলের পূর্বে ঘুমাইতে ইচ্ছা করিলে সে নামাযের ওযুর মত ওযু না করিয়া ঘুমাইবে না।
وحدثني عن مالك، عن هشام بن عروة، عن ابيه، عن عايشة، زوج النبي صلى الله عليه وسلم انها كانت تقول اذا اصاب احدكم المراة ثم اراد ان ينام قبل ان يغتسل فلا ينم حتى يتوضا وضوءه للصلاة
রেওয়ায়ত ৭৮. নাফি’ (রহঃ) হইতে বর্ণিত, আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) জানাবত হালতে ঘুমাইতে অথবা আহার করিতে ইচ্ছা করিলে তিনি মুখমণ্ডল ও উভয় হাত কনুই পর্যন্ত ধুইতেন এবং মাথা মসেহ করিতেন। তারপর আহার করিতেন অথবা ঘুমাইতেন।
وحدثني عن مالك، عن نافع، ان عبد الله بن عمر، كان اذا اراد ان ينام، او يطعم وهو جنب غسل وجهه ويديه الى المرفقين ومسح براسه ثم طعم او نام
রেওয়ায়ত ৭৯. ইসমাঈল ইবন আবি হাকীম (রহঃ) হইতে বর্ণিত, 'আতা ইবন ইয়াসার (রহঃ) তাহাকে বলিয়াছেনঃ কোন এক নামাযে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তকবীর বললেন। অতঃপর হাত দিয়া তাহদের (নামাযে শরীক উপস্থিত সাহাবীদের) দিকে ইশারা করিলেনঃ তোমরা নিজ নিজ স্থানে অবস্থান কর। তারপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রস্থান করিলেন। অতঃপর প্রত্যাবর্তন করিলেন (এমন অবস্থায় যে), তাহার (পবিত্র) দেহের উপর পানির আলামত বিদ্যমান ছিল।
حدثني يحيى، عن مالك، عن اسماعيل بن ابي حكيم، ان عطاء بن يسار، اخبره ان رسول الله صلى الله عليه وسلم كبر في صلاة من الصلوات ثم اشار اليهم بيده ان امكثوا فذهب ثم رجع وعلى جلده اثر الماء
রেওয়ায়ত ৮০. যুয়ায়দ ইবন সালত (রহঃ) বলেনঃ আমি উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ)-এর সহিত বাহির হইলাম জুরুফ-এর (মদীনা হইতে তিন মাইল দূরের একটি পল্লী) দিকে। তাহার স্বপ্লদোষ হইল এবং তিনি গোসল না করিয়া (ভুলে) নামায পড়িলেন। অতঃপর তিনি বলিলেনঃ কসম আল্লাহর! আমার মনে হয়, আমার অবশ্য ইহতিলাম (স্বপ্লদোষ) হইয়াছে অথচ আমি খবর রাখি না এবং আমি গোসল না করিয়া নামায পড়িয়াছি। তারপর তিনি গোসল করিলেন এবং কাপড়ে যা চিহ্ন দেখিলেন উহা ধুইলেন, যেখানে চিহ্ন নাই সেইখানে পানি ছিটাইয়া দিলেন। তারপর আযান ও ইকামত বলিলেন। অতঃপর দিবসের প্রথমাংশ সূর্য উচ্চতায় পৌছার পর নামায পড়িলেন।
وحدثني عن مالك، عن هشام بن عروة، عن زييد بن الصلت، انه قال خرجت مع عمر بن الخطاب الى الجرف فنظر فاذا هو قد احتلم وصلى ولم يغتسل فقال والله ما اراني الا احتلمت وما شعرت وصليت وما اغتسلت قال فاغتسل وغسل ما راى في ثوبه ونضح ما لم ير واذن او اقام ثم صلى بعد ارتفاع الضحى متمكنا