Loading...

Loading...
বইসমূহ
১১৪ হাদিসসমূহ
রেওয়ায়ত ৪২. সা'দ ইবন ওয়াক্কাস (রাঃ) যখন কূফার আমীর ছিলেন তখন আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) কূফায় সা’দ ইবন আবি ওয়াক্কাস (রাঃ)-এর নিকট আসিলেন এবং তাহাকে মোজার উপর মসেহ করিতে দেখিলেন। ইবন উমর (রাঃ) তাহার এই মসেহ-এর প্রতি অস্বীকৃতি জানাইলেন। সা'দ (রাঃ) তাঁহাকে বলিলেনঃ আপনার পিতার নিকট গেলে ইহা তাহাকে জিজ্ঞাসা করিবেন। আবদুল্লাহ্ (রাঃ) (মদীনায়) আগমন করিলেন; কিন্তু তাহার পিতাকে এই বিষয়ে জিজ্ঞাসা করিতে ভুলিয়া গেলেন। সা'দ পরে (মদীনায়) আসিলেন এবং ইবন উমর (রাঃ)-কে জিজ্ঞাসা করিলেনঃ আপনার পিতার নিকট সেই বিষয়ে জিজ্ঞাসা করিয়াছেন কি? তিনি বলিলেনঃ না। অতঃপর আবদুল্লাহ (রাঃ) তাহার পিতাকে এই বিষয়ে প্রশ্ন করিলেন। উমর (রাঃ) উত্তরে বলিলেন; যদি মোজাদ্বয়ের মধ্যে তোমার উভয় পা পবিত্র অবস্থায় (ওযুর পরে) ঢুকাও তবে (পুনরায় ওযুর সময়) তুমি মোজার উপর মসেহ কর। আবদুল্লাহ (রাঃ) বলিলেনঃ আমাদের এক ব্যক্তি পায়খানা-প্রস্রাব হইতে আসিলে তাহার জন্যও কি এই হুকুম? উমর (রাঃ) বললেনঃ হ্যাঁ, তোমাদের কেউ মলমূত্র ত্যাগ করিয়া আসিলে তাহার জন্যও এই হুকুম।
وحدثني عن مالك، عن نافع، وعبد الله بن دينار، انهما اخبراه ان عبد الله بن عمر قدم الكوفة على سعد بن ابي وقاص وهو اميرها فراه عبد الله بن عمر يمسح على الخفين فانكر ذلك عليه فقال له سعد سل اباك اذا قدمت عليه فقدم عبد الله فنسي ان يسال عمر عن ذلك حتى قدم سعد فقال اسالت اباك فقال لا . فساله عبد الله فقال عمر اذا ادخلت رجليك في الخفين وهما طاهرتان فامسح عليهما . قال عبد الله وان جاء احدنا من الغايط فقال عمر نعم وان جاء احدكم من الغايط
রেওয়ায়ত ৪৩. নাফি’ হইতে বর্ণিত, আবদুল্লাহ্ ইবন উমর (রাঃ) বাজারে (প্রস্রাবের জন্য নির্দিষ্ট স্থানে) প্রস্রাব করিলেন। তারপর অযু করিলেন এবং তাহার মুখমণ্ডল ও উভয় হাত ধুইলেন এবং মাথা মসেহ করিলেন। তারপর তিনি মসজিদে প্রবেশ করার পর তাহাকে জানাযার নামায পড়াইবার জন্য আহ্বান করা হইল, তিনি মোজার উপর মসেহ করিলেন, তারপর জানাযার নামায পড়িলেন।
وحدثني عن مالك، عن نافع، ان عبد الله بن عمر، بال في السوق ثم توضا فغسل وجهه ويديه ومسح راسه ثم دعي لجنازة ليصلي عليها حين دخل المسجد فمسح على خفيه ثم صلى عليها
রেওয়ায়ত ৪৪. সাঈদ ইবন আবদুর রহমান ইবন রুকাইশ আশআরী (রহঃ) বলেন, আমি আনাস ইবন মালিক (রাঃ)-কে দেখিয়াছি, তিনি কোবা আসিলেন, তারপর প্রস্রাব করিলেন। অতঃপর তাহার নিকট পানি আনা হইলে তিনি ওযু করিলেন, মুখমণ্ডল ধুইলেন, হস্তদ্বয় ধুইলেন কনুই পর্যন্ত, মাথা মসেহ করিলেন, আর মোজার উপর মসেহ করিলেন, তারপর মসজিদে আসিলেন এবং নামায পড়িলেন। ইয়াহইয়া (রহঃ) বলেনঃ মালিক (রহঃ)-কে প্রশ্ন করা হইল এক ব্যক্তি সম্পর্কে যে ব্যক্তি ওযু করিয়াছে নামাযের ওযুর মত, অতঃপর তাহার মোজা পরিধান করিয়াছে। তারপর সে প্রস্রাব করিয়াছে। তারপর মোজা বাহির করিয়া লইয়াছে। অতঃপর মোজা উভয় পায়ে পরিধান করিয়াছে। সেই ব্যক্তি ওযু পুনরায় করিবে কি? তিনি বলিলেনঃ সে মোজা বাহির করিয়া লইবে। তারপর ওযু করিবে এবং উভয় পা ধুইবে। যে লোক উভয় পা মোজায় ওযুর মত পবিত্রাবস্থায় দাখিল করিয়াছে, সেই লোক মোজায় মসেহ করিতে পারবে। আর যে ওযুর মত পবিত্রাবস্থায় উভয় পা মোজায় দাখিল করে নাই সে মোজা মসেহ করিবে না। মালিক (রহঃ)-কে প্রশ্ন করা হইল এমন এক লোক সম্পর্কে, যে ব্যক্তি ওযু করিয়াছে তাহার পরিধানে মোজা থাকা অবস্থায়, কিন্তু সে মোজায় মসেহ করিতে তুলিয়া গিয়াছে। (এই অবস্থায়) তাহার ওযু (ওয়ূর অঙ্গসমূহ) শুকাইয়া গিয়াছে এবং সে নামায পড়িয়াছে। (তাহার হুকুম কি ) তিনি বলিলেনঃ সেই ব্যক্তি মোজার উপর মসেহ করিবে এবং নামায পুনরায় পড়িবে, ওযু পুনরায় করিতে হইবে না। মালিক (রহঃ)-কে প্রশ্ন করা হইল এমন এক লোক সম্পর্কে, যে তাহার দুই পা (প্রথমে) ধুইয়াছে, তারপর মোজা পরিধান করিয়াছে, অতঃপর ওযু শুরু করিয়াছে। তিনি বলিলেনঃ সে মোজা খুলিয়া ফেলিবে, তারপর ওযু করিবে এবং (যথারীতি) উভয় পা ধুইবে।
وحدثني عن مالك، عن سعيد بن عبد الرحمن بن رقيش، انه قال رايت انس بن مالك اتى قبا فبال ثم اتي بوضوء فتوضا فغسل وجهه ويديه الى المرفقين ومسح براسه ومسح على الخفين ثم جاء المسجد فصلى . قال يحيى وسيل مالك عن رجل توضا وضوء الصلاة ثم لبس خفيه ثم بال ثم نزعهما ثم ردهما في رجليه ايستانف الوضوء فقال لينزع خفيه وليغسل رجليه وانما يمسح على الخفين من ادخل رجليه في الخفين وهما طاهرتان بطهر الوضوء واما من ادخل رجليه في الخفين وهما غير طاهرتين بطهر الوضوء فلا يمسح على الخفين . قال وسيل مالك عن رجل توضا وعليه خفاه فسها عن المسح على الخفين حتى جف وضوءه وصلى قال ليمسح على خفيه وليعد الصلاة ولا يعيد الوضوء . وسيل مالك عن رجل غسل قدميه ثم لبس خفيه ثم استانف الوضوء فقال لينزع خفيه ثم ليتوضا وليغسل رجليه
حدثني يحيى، عن مالك، عن هشام بن عروة، انه راى اباه يمسح على الخفين قال وكان لا يزيد اذا مسح على الخفين على ان يمسح ظهورهما ولا يمسح بطونهما
حدثني يحيى، عن مالك، عن هشام بن عروة، انه راى اباه يمسح على الخفين قال وكان لا يزيد اذا مسح على الخفين على ان يمسح ظهورهما ولا يمسح بطونهما
রেওয়ায়ত ৪৫. হিশাম ইবন উরওয়াহ (রহঃ) হইতে বর্ণিত, তিনি তাহার পিতাকে মোজার উপর মসেহ করিতে দেখিয়াছেন। তিনি মোজা মসেহ করার সময় ইহার অতিরিক্ত কিছু করিতেন না; মোজার উপরের অংশে মসেহ করিতেন, তলদেশ মসেহ করিতেন না। মালিক (রহঃ) ইবন শিহাব (রহঃ)-কে প্রশ্ন করিলেনঃ মোজা মসেহ কিরূপে সম্পাদন করিতে হয়? ইবন শিহাব তাহার এক হাত মোজার নিচে দাখিল করিলেন এবং অপর হাত মোজার উপর স্থাপন করিলেন। অতঃপর উভয় হাত মসেহ-এর জন্য চালিত করিলেন। মালিক (রহঃ) বলিয়াছেনঃ মোজা মসেহ-এর ব্যাপারে আমি যাহা শুনিয়াছি তন্মধ্যে ইবন শিহাবের মতামত আমার নিকট সর্বাপেক্ষা পছন্দনীয়।
وحدثني عن مالك، انه سال ابن شهاب عن المسح، على الخفين كيف هو فادخل ابن شهاب احدى يديه تحت الخف والاخرى فوقه ثم امرهما . قال يحيى قال مالك وقول ابن شهاب احب ما سمعت الى في ذلك
রেওয়ায়ত ৪৬. নাফি’ (রহঃ) হইতে বর্ণিত, যখন আবদুল্লাহ্ ইবন উমর (রাঃ)-এর নাক দিয়া রক্ত বাহির হইত, তখন নামায হইতে তিনি ফিরিয়া যাইতেন। অতঃপর ওযু করিতেন এবং পুনরায় আসিয়া অবশিষ্ট নামায পড়িতেন, আর তিনি (এই অবস্থায়) কথা বলিতেন না।
حدثني يحيى، عن مالك، عن نافع، ان عبد الله بن عمر، كان اذا رعف انصرف فتوضا ثم رجع فبنى ولم يتكلم
রেওয়ায়ত ৪৭. মালিক (রহঃ) বলেনঃ তাহার নিকট রেওয়ায়ত পৌছিয়াছে যে, আবদুল্লাহ ইবন আব্বাস (রাঃ)-এর নাক দিয়া রক্ত নির্গত হইলে তিনি বাহির হইতেন এবং রক্ত পরিষ্কার করিতেন, তারপর প্রত্যাবর্তন করিয়া নামায যতটুকু পড়িয়াছেন উহার (উপর ভিত্তি করিয়া) অবশিষ্ট নামায পড়িতেন।
وحدثني عن مالك، انه بلغه ان عبد الله بن عباس، كان يرعف فيخرج فيغسل الدم عنه ثم يرجع فيبني على ما قد صلى
রেওয়ায়ত ৪৮. ইয়াযিদ ইবন আবদুল্লাহ ইবন কুসাইত লাইসী (রহঃ) বলেনঃ তিনি সাঈদ ইবন মুসায়্যাব (রহঃ)-কে দেখিয়াছেন, তিনি যখন নামায পড়িতেছিলেন তখন তাহার নাক দিয়া রক্ত বাহির হইল তিনি নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর পত্নী উম্মু সালমার হুজরায় আসিলেন। তাহার জন্য পানি আনা হইল, তিনি ওযু করিলেন, তারপর প্রত্যাবর্তন করিলেন এবং নামায যতটুকু বাকি ছিল তাহা আদায় করিলেন।
وحدثني عن مالك، عن يزيد بن عبد الله بن قسيط الليثي، انه راى سعيد بن المسيب رعف وهو يصلي فاتى حجرة ام سلمة زوج النبي صلى الله عليه وسلم فاتي بوضوء فتوضا ثم رجع فبنى على ما قد صلى
حدثني يحيى، عن مالك، عن عبد الرحمن بن حرملة الاسلمي، انه قال رايت سعيد
حدثني يحيى، عن مالك، عن عبد الرحمن بن حرملة الاسلمي، انه قال رايت سعيد
রেওয়ায়ত ৫০. আবদুর রহমান ইবন মুজাব্বার (রহঃ) হইতে বর্ণিত, তিনি সালিম ইবন আবদুল্লাহ (রহঃ)-কে দেখিয়াছেন, তাহার নাক হইতে রক্ত প্রবাহিত হইতেছে, এমনকি (সেই রক্তে) তাহার আঙুলসমূহ রঞ্জিত হইয়া গিয়াছে। অতঃপর তিনি নাক মোচড়াইলেন, তারপর নামায পড়িলেন, অথচ ওযু করিলেন না।
وحدثني عن مالك، عن عبد الرحمن بن المجبر، انه راى سالم بن عبد الله يخرج من انفه الدم حتى تختضب اصابعه ثم يفتله ثم يصلي ولا يتوضا
রেওয়ায়ত ৫১. মিসওয়ার ইবন মাখরামা (রহঃ) হইতে বর্ণিত, যে রাত্রে উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ)-কে ছুরিকাঘাত করা হয়, সেই রাত্রে জনৈক ব্যক্তি[1] উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ)-এর নিকট প্রবেশ করিল। উমর (রাঃ)-কে ফজরের নামাযের জন্য জাগানো হইল। উমর (রাঃ) বলিলেনঃ হ্যাঁ, আমি এই অবস্থায়ও নামায পড়িব। যে ব্যক্তি নামায ছাড়িয়া দেয়, ইসলামে তাহার কোন অংশ নাই। অতঃপর উমর (রাঃ) নামায পড়িলেন অথচ তাহার জখম হইতে তখন রক্ত প্রবাহিত হইতেছিল।
حدثني يحيى، عن مالك، عن هشام بن عروة، عن ابيه، ان المسور بن مخرمة، اخبره انه، دخل على عمر بن الخطاب من الليلة التي طعن فيها فايقظ عمر لصلاة الصبح فقال عمر نعم ولا حظ في الاسلام لمن ترك الصلاة . فصلى عمر وجرحه يثعب دما
রেওয়ায়ত ৫২. ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ (রহঃ) হইতে বর্ণিত, সাঈদ ইবন মুসায়্যাব (রহঃ) বলিয়াছেনঃ নকসীরের কারণে যে ব্যক্তির রক্ত প্রবল হইয়াছে এবং তাহার রক্ত পড়া বন্ধ হয় নাই সেই ব্যক্তি সম্পর্কে তোমাদের মতামত কি? ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ (রহঃ) বলেনঃ অতঃপর সাঈদ ইবন মুসায়্যাব (রহঃ) বলিলেনঃ আমার মতে সে মাথার দ্বারা কেবল ইশারা করিবে। মালিক (রহঃ) বলেনঃ এই বিষয়ে আমি যাহা কিছু শুনিয়াছি তন্মধ্যে ইহাই আমার নিকট উত্তম।
وحدثني عن مالك، عن يحيى بن سعيد، ان سعيد بن المسيب، قال ما ترون فيمن غلبه الدم من رعاف فلم ينقطع عنه قال مالك قال يحيى بن سعيد ثم قال سعيد بن المسيب ارى ان يومي براسه ايماء . قال يحيى قال مالك وذلك احب ما سمعت الى في ذلك
রেওয়ায়ত ৫৩. মিকদাদ ইবন আসওয়াদ (রাঃ) হইতে বর্ণিত, আলী ইবন আবি তালিব (রাঃ) মিকদাদকে নির্দেশ দিলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট তাহার পক্ষে প্রশ্ন করার জন্য। প্রশ্নটি হলো এই-এক ব্যক্তি তাহার স্ত্রীর নিকট যাওয়ায় তাহার লিঙ্গাগ্রে মযী (তরল পদার্থ, শুক্র নহে) বাহির হইয়াছে, সে ব্যক্তির প্রতি কি ওযু ওয়াজিব হইবে। আলী (রাঃ) বলিলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কন্যা যেহেতু আমার স্ত্রী সেহেতু তাহাকে এই ধরনের প্রশ্ন করিতে আমি লজ্জাবোধ করি। মিকদাদ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে উপরিউক্ত প্রশ্ন করিলে তিনি বলিলেন, তোমাদের কেউ অনুরূপ অবস্থার সম্মুখীন হইলে সে নিজের লজ্জাস্থান পানি দ্বারা ধৌত করিবে, তারপর নামাযের ওযুর ন্যায় ওযু করিবে।
حدثني يحيى، عن مالك، عن ابي النضر، مولى عمر بن عبيد الله عن سليمان بن يسار، عن المقداد بن الاسود، ان علي بن ابي طالب، امره ان يسال، له رسول الله صلى الله عليه وسلم عن الرجل اذا دنا من اهله فخرج منه المذى ماذا عليه قال علي فان عندي ابنة رسول الله صلى الله عليه وسلم وانا استحي ان اساله . قال المقداد فسالت رسول الله صلى الله عليه وسلم عن ذلك فقال " اذا وجد ذلك احدكم فلينضح فرجه بالماء وليتوضا وضوءه للصلاة
রেওয়ায়ত ৫৪. আসলাম (রহঃ) হইতে বর্ণিত, উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ) বলিয়াছেনঃ আমার ভিতর হইতে উহা মুক্তাদানার মত নির্গত হইতে আমি অনুভব করি। তোমাদের কেউ এই অবস্থা প্রাপ্ত হইলে সে তাহার লজ্জাস্থান ধুইয়া লইবে এবং নামাযের ওযুর মত ওযু করিবে। তিনি (উমর) ইহা দ্বারা মযীর বিষয় বলিতে চাহিয়াছেন।
وحدثني عن مالك، عن زيد بن اسلم، عن ابيه، ان عمر بن الخطاب، قال اني لاجده ينحدر مني مثل الخريزة فاذا وجد ذلك احدكم فليغسل ذكره وليتوضا وضوءه للصلاة يعني المذى
রেওয়ায়ত ৫৫. জুনদাব (রহঃ) হইতে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমি আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ)-কে মযী সম্পর্কে প্রশ্ন করিলাম। তিনি বলিলেনঃ তুমি উহা প্রাপ্ত হইলে তোমার লজ্জাস্থানকে ধুইয়া লও এবং নামাযের ওযুর মত ওযু কর।
وحدثني عن مالك، عن زيد بن اسلم، عن جندب، مولى عبد الله بن عياش انه قال سالت عبد الله بن عمر عن المذى، فقال اذا وجدته فاغسل فرجك وتوضا وضوءك للصلاة
রেওয়ায়ত ৫৬. ইয়াহইয়াহ ইবস সাঈদ (রহঃ) শুনিয়াছেন- সাঈদ ইবন মুসায়াব (রহঃ)-কে এক ব্যক্তি প্রশ্ন করতে সে বলিলঃ আমি নামায পড়িতেছি এই অবস্থায় আর্দ্রতা অনুভব করি। তবে আমি কি (নামায ছাড়িয়া) ফিরিয়া যাইব? সাঈদ বলিলেনঃ আমার রানের উপর দিয়া ভাসিয়া পড়িলেও আমি আমার নামায সমাপ্ত না করিয়া ফিরিব না।
حدثني يحيى، عن مالك، عن يحيى بن سعيد، عن سعيد بن المسيب، انه سمعه ورجل، يساله فقال اني لاجد البلل وانا اصلي، افانصرف فقال له سعيد لو سال على فخذي ما انصرفت حتى اقضي صلاتي
রেওয়ায়ত ৫৭. সালত ইবন যুয়ায়দ (রহঃ) বলেনঃ আমি সুলায়মান ইবন ইয়াসার (রহঃ)-কে আর্দ্রতা সম্পর্কে প্রশ্ন করিলাম; যা আমি অনুভব করি অর্থাৎ মনে সন্দেহ জাগে হয়তো আদ্ৰতা আছে। তিনি বলিলেনঃ তোমার কাপড়ের (লুঙ্গি অথবা পায়জামা) নিচে পানি ছিটাইয়া দাও। তারপর উহার ফিকির (চিন্তা) ছাড়।
وحدثني عن مالك، عن الصلت بن زييد، انه قال سالت سليمان بن يسار عن البلل، اجده فقال انضح ما تحت ثوبك بالماء واله عنه
রেওয়ায়ত ৫৮. আবদুল্লাহ ইবন আবু বকর ইবন মুহাম্মদ ইবন আমর ইবন হাযম (রহঃ) হইতে বর্ণিত, তিনি উরওয়াহ ইবন যুবায়র (রহঃ)-কে বলিতে শুনিয়াছেনঃ আমি মারওয়ান ইবন হাকাম (রহঃ)-এর নিকট গেলাম, আমরা উভয়ে ওযূ কিসে ওয়াজিব হয় সেই বিষয়ে আলোচনা করিলাম। মারওয়ান বলিলেনঃ জননেন্দ্রিয় স্পর্শ করিলে ওযু করিতে হইবে। উরওয়াহ বলিলেনঃ আমি তো ইহা জানি না। মারওয়ান বলিলেনঃ বুসরা বিনত সফওয়ান (রাঃ) আমাকে খবর দিয়াছেন যে, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলিতে শুনিয়াছেনঃ তোমাদের কোন ব্যক্তি জননেন্দ্রিয় স্পর্শ করিলে ওযু করিবে।
حدثني يحيى، عن مالك، عن عبد الله بن ابي بكر بن محمد بن عمرو بن حزم، انه سمع عروة بن الزبير، يقول دخلت على مروان بن الحكم فتذاكرنا ما يكون منه الوضوء فقال مروان ومن مس الذكر الوضوء . فقال عروة ما علمت هذا . فقال مروان بن الحكم اخبرتني بسرة بنت صفوان انها سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " اذا مس احدكم ذكره فليتوضا
রেওয়ায়ত ৫৯. মুসআব ইবন সা’দ ইবন আবি ওয়াক্কাস (রহঃ) বলেনঃ আমি সা'দ ইবন আবি ওয়াক্কাস (রাঃ)-এর জন্য কুরআন হস্তে ধারণ করিতেছিলাম (যেন তিনি তিলাওয়াত করিতে পারেন), আমি নিজের শরীর চুলকাইলাম (বা ঘর্ষণ করিলাম)। সা'দ বলিলেনঃ সম্ভবত তুমি তোমার জননেন্দ্রিয় স্পর্শ করিয়াছ। আমি বলিলামঃ হ্যাঁ। তিনি বলিলেনঃ তুমি ওঠ এবং ওযু কর; অতঃপর আমি উঠিলাম এবং ওযু করিয়া আবার প্রত্যাবর্তন করিলাম।
وحدثني عن مالك، عن اسماعيل بن محمد بن سعد بن ابي وقاص، عن مصعب بن سعد بن ابي وقاص، انه قال كنت امسك المصحف على سعد بن ابي وقاص فاحتككت فقال سعد لعلك مسست ذكرك قال فقلت نعم . فقال قم فتوضا فقمت فتوضات ثم رجعت
রেওয়ায়ত ৬০. নাফি' (রহঃ) হইতে বর্ণিত, আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) বলিতেনঃ তোমাদের কেউ যদি স্বীয় জননেন্দ্রিয় স্পর্শ করে, তবে সে ওযু করিবে, কারণ তাহার ওপর ওযু ওয়াজিব হইয়াছে।
وحدثني عن مالك، عن نافع، ان عبد الله بن عمر، كان يقول اذا مس احدكم ذكره فقد وجب عليه الوضوء