Loading...

Loading...
বইসমূহ
১৫ হাদিসসমূহ
রেওয়ায়ত ৩. মালিক (রহঃ) বলেনঃ তাহার নিকট রেওয়ায়ত পৌছিয়াছে যে, সাঈদ ইবন মুসায়্যাব (রহঃ) বন্য প্রাণীর মতো গৃহপালিত প্রাণীকে তীর ইত্যাদি দ্বারা হত্যা করা মাকরূহ বলিয়া মনে করিতেন। মালিক (রহঃ) বলেনঃ কোন লাঠির অগ্রভাগে ছুঁচালো কোন জিনিস লাগান থাকিলে, আর ইহা শিকারকৃত প্রাণীকে যখমী করিয়া দিলে উহা আহার করাতে আমি কোন দোষ মনে করি না। মালিক (রহঃ) বলেন, আল্লাহ্ তা'আলা ইরশাদ করেনঃ يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَيَبْلُوَنَّكُمُ اللَّهُ بِشَىْءٍ مِنَ الصَّيْدِ تَنَالُهُ أَيْدِيكُمْ وَرِمَاحُكُمْ হে মু’মিনগণ! তোমাদের হাত ও বর্শা, যাহা শিকার করে সে বিষয়ে আল্লাহ অবশ্য তোমাদিগকে পরীক্ষা করিবেন। (মায়িদাঃ ৯৪) মালিক (রহঃ) বলেনঃ 'মানুষ তাহার বর্শা, হাত অথবা অন্ত্র দ্বারা বিদ্ধ করায় যাহা আহত হয় তাহাই শিকার, যেইরূপ উক্ত আয়াতে আল্লাহ তা'আলা ইরশাদ করিয়াছেন।
حدثني يحيى، عن مالك، عن نافع، انه قال رميت طايرين بحجر وانا بالجرف، فاصبتهما فاما احدهما فمات فطرحه عبد الله بن عمر واما الاخر فذهب عبد الله بن عمر يذكيه بقدوم فمات قبل ان يذكيه فطرحه عبد الله ايضا
রেওয়ায়ত ৪. মালিক (রহঃ) বলেনঃ বিজ্ঞ আলিমগণকে বলিতে শুনিয়াছি, কেহ কোন বন্য প্রাণী তীর ইত্যাদি দ্বারা আহত করিবার পর উহা অন্য একভাবে যখমী হইল, যেমন পানিতে পড়িয়া গেল বা শিকারের উদ্দেশ্যে প্রশিক্ষণ পায় নাই এমন কোন কুকুর উহার উপর আক্রমণ চালাইল, তবে ঐ ব্যক্তির আঘাতেই উহা মরিয়াছে বলিয়া নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত ঐ প্রাণীর গোশত খাওয়া জায়েয হইবে না। মালিক (রহঃ) বলেনঃ শিকারের প্রাণী আহত হইয়া ভাগিয়া যাওয়ার পর উহা পাওয়া গেলে, উহাতে যদি প্রশিক্ষণপ্রপ্ত কুকুরের আঘাতের চিহ্ন বা তীর আটকানো পাওয়া যায় তবে উহা খাওয়া জায়েয হইবে। এক রাত্রি অতিবাহিত হওয়ার পর যদি পাওয়া যায় তবে উহা মাকরূহ হইবে।
وحدثني عن مالك، انه بلغه ان القاسم بن محمد، كان يكره ما قتل المعراض والبندقة
রেওয়ায়ত ৭. মালিক (রহঃ) বলেনঃ তাহার নিকট রেওয়ায়ত পৌছিয়াছে যে, সা'দ ইবন আবী ওয়াক্কাস (রাঃ)-কে জিজ্ঞাসা করা হইয়াছিল, প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কুকুর যদি কোন প্রাণী শিকার করিয়া কিছু ভক্ষণ করিয়া ফেলে তবে কি হইবে? তিনি বলিলেনঃ একটি টুকরাও যদি রাখে তবুও তাহা খাইয়া নিও।
وحدثني يحيى، عن مالك، عن نافع، عن عبد الله بن عمر، انه كان يقول في الكلب المعلم كل ما امسك عليك ان قتل وان لم يقتل
রেওয়ায়ত ৮. মালিক (রহঃ) হইতে বর্ণিত, তিনি কোন কোন আহলে ইলমকে বলিতে শুনিয়াছেন, বাজ, গৃধ্র, ঈগল ইত্যাদি শিকারী পাখি যদি প্রশিক্ষণ পায় এবং প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কুকুরের মতো বুঝিতে পারে তবে বিসমিল্লাহ বলিয়া ছাড়িয়া থাকিলে ঐগুলির শিকার জায়েয বলিয়া গণ্য হইবে। মালিক (রহঃ) বলেনঃ আমি এই বিষয়ে উত্তম যাহা শুনিয়াছি তাহা হইল, বাজপাখির পাঞ্জা বা কুকুরের মুখ হইতে যদি শিকার ছুটিয়া যায় এবং পরে মারা যায় তবে উহা খাওয়া হালাল হইবে না। মালিক (রহঃ) বলেনঃ অনুরূপ বাজপাখির পাঞ্জায় বা কুকুরের মুখে যদি শিকারকৃত প্রাণীটি জীবিত পাওয়া যায় এবং শিকারী উহাকে যবেহ করিবার পূর্বে উহা মারা যায় তবে উহা খাওয়া হালাল হইবে না। মালিক (রহঃ) বলেনঃ তদ্রুপ শিকার যদি কোন প্রাণী শিকার করে, উহাকে জীবিত অবস্থায় পাইয়াও যবেহ করিতে বিলম্ব করে এবং শিকারটি মারা গেলে উহা খাওয়া হালাল হইবে না। মালিক (রহঃ) বলেনঃ কোন মুসলিম ব্যক্তি যদি মজুসী (অমুসলিম) দ্বারা প্রশিক্ষণপ্রপ্ত কুকুর শিকারের উদ্দেশ্যে ছাড়ে এবং উহা শিকার করে অথবা শিকারকৃত প্রাণীটিকে মারিয়া ফেলে তবুও উহা খাওয়া হালাল হইবে। ইহাতে কোন দোষ নাই, যদিও মুসলিম উহাকে যবেহ না করিয়া থাকে। ইহার উদাহরণ হইল কোন মুসলিম ব্যক্তি কোন মজুসীর নিকট হইতে ছুরি লইয়া কোন প্রাণী যবেহ করিল, কিম্বা তীর-ধনুক লইয়া কোন প্রাণী শিকার করিল। ইহা খাওয়া যেমন হালাল উহাও তেমন হালাল হইবে। ইহা আমাদের নিকট সর্বসম্মত। মালিক (রহঃ) কোন মজুসী (অমুসলিম) যদি কোন মুসলিম কর্তৃক প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কুকুর শিকারের উদ্দেশ্যে ছাড়ে এবং শিকার করে তবে উহা খাওয়া হালাল হইবে না। কিন্তু যদি মুসলিম উহাকে জীবিত অবস্থায় পায় এবং নিজে যবেহ করে তবে হালাল হইবে। ইহার উদাহরণ হইল-কোন মজুসী ব্যক্তি কোন মুসলিম হইতে বর্শা ও তীর লইয়া কোন প্রাণী শিকার করিল এবং প্রাণীটি মারা গেল কিংবা মুসলিমের নিকট হইতে ছুরি লইয়া কোন মজুসি প্রাণীটি যবেহ করিল, উভয় অবস্থায় কোনটিই হালাল হইবে না।
وحدثني عن مالك، عمن سمع نافعا، يقول قال عبد الله بن عمر وان اكل وان لم ياكل
রেওয়ায়ত ৯. সমুদ্র (পানির স্রোত বা ঢেউ) কর্তৃক নিক্ষিপ্ত জলজ প্রাণী সম্পর্কে আবদুর রহমান ইবন আবু হুরায়রা আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ)-এর নিকট জিজ্ঞাসা করিলে তিনি উহা খাইতে নিষেধ করেন। নাফি (রহঃ) বলেনঃ অতঃপর আবদুল্লাহ বাড়ি গিয়া কুরআন আনিয়া নিম্নোক্ত আয়াতটি পড়িয়া শোনানঃ (أُحِلَّ لَكُمْ صَيْدُ الْبَحْرِ وَطَعَامُهُ) অর্থাৎ, তোমাদের জন্য সমুদ্রের শিকার ও উহা আহার করা হালাল করা হইয়াছে। (মায়িদাঃ ৯৬) নাফি' (রহঃ) বলেনঃ অতঃপর আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) আমাকে আবদুর রহমান ইবন আবূ হুরায়রা (রাঃ)-এর নিকট এই কথা বলার জন্য পাঠান যে, তাহার প্রশ্নোল্লিখিত প্রাণী আহার করিতে কোন অসুবিধা নাই।
وحدثني يحيى، عن مالك، عن نافع، ان عبد الرحمن بن ابي هريرة، سال عبد الله بن عمر عما لفظ البحر فنهاه عن اكله، . قال نافع ثم انقلب عبد الله فدعا بالمصحف فقرا {احل لكم صيد البحر وطعامه} قال نافع فارسلني عبد الله بن عمر الى عبد الرحمن بن ابي هريرة انه لا باس باكله
রেওয়ায়ত ১০. উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ)-এর আযাদকৃত গোলাম সা’দুলজার বর্ণনা করেন-যে সমস্ত মাছ পরস্পরকে হত্য করিয়া ফেলে বা শীতে মারা যায় সে ধরনের মাছ সম্পর্কে আমি আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ)-কে জিজ্ঞাসা করিয়াছিলাম। তিনি তখন বলিলেনঃ উহা খাওয়াতে কোন দোষ নাই। পরে আবদুল্লাহ ইবন আমর ইবন আস (রাঃ)-কে এই সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করিলে তিনিও অনুরূপ জবাব প্রদান করিয়াছিলেন।
وحدثني عن مالك، عن زيد بن اسلم، عن سعد الجاري، مولى عمر بن الخطاب انه قال سالت عبد الله بن عمر عن الحيتان، يقتل بعضها بعضا او تموت صردا فقال ليس بها باس . قال سعد ثم سالت عبد الله بن عمرو بن العاص فقال مثل ذلك
রেওয়ায়ত ১১. সমুদ্র (ঢেউ ও স্রোত) নিক্ষিপ্ত জলজ প্রাণী আহার করা আবু হুরায়রা (রাঃ) ও যাইদ ইবন সাবিত (রাঃ) জায়েয বলিয়া মনে করিতেন।
وحدثني عن مالك، عن ابي الزناد، عن ابي سلمة بن عبد الرحمن، عن ابي هريرة، وزيد بن ثابت، انهما كانا لا يريان بما لفظ البحر باسا
রেওয়ায়ত ১২. আবু সালমা ইবন আবদুর রহমান (রহঃ) বলেনঃ মদীনার দিকে সমুদ্র তীরবর্তী গ্রাম জারের বাসিন্দাগণ মারওয়ান ইবন হাকাম-এর নিকট আসিয়া সমুদ্র-নিক্ষিপ্ত প্রাণী সম্পর্কে প্রশ্ন করিল। মারওয়ান বলিলেনঃ উহা আহার করায় কোন দোষ নাই। যাইদ ইবন সাবিত ও আবু হুরায়রা (রাঃ)-কেও এই সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করিতে পার। তাহারা কি বলিলেন আমাকে তাহা জানাইয়া যাইও। তাহারা দুইজনের নিকট আসিয়া এতদসম্পর্কে জিজ্ঞাসা করিলে তাহারাও বলিলেনঃ ইহাতে কোন দোষ নাই। মারওয়ানের নিকট তাহাদের এই জবাব শুনাইলে তিনি বলিলেনঃ আমি তো পূর্বেই তোমাদের এই কথা বলিয়া দিয়াছিলাম। মালিক (রহঃ) বলেনঃ মজুসী (অমুসলিম) ব্যক্তি কর্তৃক শিকারকৃত মাছ আহার করা জায়েয। কারণ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিয়াছেনঃ সমুদ্রের পানি পাক এবং উহার মৃত প্রাণীও হালাল। মালিক (রহঃ) বলেনঃ মৃত প্রাণীও যখন হালাল, তখন উহা শিকার করিয়া যে-ই আনুক না কেন উহাতে ক্ষতি নাই।
وحدثني عن مالك، عن ابي الزناد، عن ابي سلمة بن عبد الرحمن، ان ناسا، من اهل الجار قدموا فسالوا مروان بن الحكم عما لفظ البحر فقال ليس به باس وقال اذهبوا الى زيد بن ثابت وابي هريرة فاسالوهما عن ذلك ثم ايتوني فاخبروني ماذا يقولان فاتوهما فسالوهما فقالا لا باس به . فاتوا مروان فاخبروه . فقال مروان قد قلت لكم . قال مالك لا باس باكل الحيتان يصيدها المجوسي لان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال في البحر " هو الطهور ماوه الحل ميتته " . قال مالك واذا اكل ذلك ميتا فلا يضره من صاده
রেওয়ায়ত ১৩. আবু সা’লাবা খোশানী (রাঃ) বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিয়াছেনঃ দন্তবিশিষ্ট সকল হিংস্র প্রাণী আহার করা হারাম।
حدثني يحيى، عن مالك، عن ابن شهاب، عن ابي ادريس الخولاني، عن ابي ثعلبة الخشني، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " اكل كل ذي ناب من السباع حرام
রেওয়ায়ত ১৫. মালিক (রহঃ) বলেনঃ ঘোড়া, খচ্চর এবং গাধার গোশত আহার করা সম্পর্কে উত্তর যাহা শুনিয়াছি তাহা এই-উহা আহার করা যাইবে না। কারণ আল্লাহ্ তা'আলা ইরশাদ করিয়াছেনঃ অশ্ব, অশ্বতর ও গর্দভ আমি আরোহণ এবং শোভার জন্য সৃষ্টি করিয়াছি। (আন নাহলঃ ৮) আল্লাহ্ তা'আলা আন’আম সম্বন্ধে ইরশাদ করেন, যাহাতে তোমরা এইগুলির উপর আরোহণ কর এবং এইগুলি আহার কর। আল্লাহ্ তা'আলা আরো ইরশাদ করেনঃ আল্লাহ্ তাহাদিগকে জীবনোপকরণস্বরূপ যেসব চতুষ্পদ আন’আম দান করিয়াছেন সেই সব প্রাণী যবেহ কালে আল্লাহর নাম নেয়। তখন এইগুলি হইতে তোমরা আহার কর এবং প্রার্থীকে আহার করাও।[1] মালিক (রহঃ) বলেন, আমি আহলে ইলমের নিকট শুনিয়াছি-উপরিউক্ত আয়াতে উল্লিখিত ‘বা-ইস’ শব্দের অর্থ ফকির এবং মুতার শব্দের অর্থ আগন্তুক। মালিক (রহঃ) বলেনঃ (এ আয়াতগুলি দ্বারা বোঝা গেল) আল্লাহ্ তা'আলা ঘোড়া, খচ্চর ও গাধা আরোহণ করার জন্য সৃষ্টি করিয়াছেন। আর আন’আম জন্তুসমূহ আহার এবং আরোহণ উভয় কাজের জন্যই সৃষ্টি করিয়াছেন।মালিক (রহঃ) বলেনঃ কানি ভিক্ষুককেও বলা হয়।
وحدثني عن مالك، عن اسماعيل بن ابي حكيم، عن عبيدة بن سفيان الحضرمي، عن ابي هريرة، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " اكل كل ذي ناب من السباع حرام
রেওয়ায়ত ১৬. আবদুল্লাহ ইবন আব্বাস (রাঃ) বলেনঃ একবার রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি মৃত বকরীর পাশ দিয়া যাইতেছিলেন। উম্মুল মু'মিনীন মায়মুনা (রাঃ)-এর জনৈক গোলামকে তিনি ইহা দিয়াছিলেন। তিনি তখন বলিলেনঃ তোমরা ইহার চামড়া কোন কাজে লাগাইলে না কেন? তাহারা বলিল, হে আল্লাহর রাসূল! ইহা তো মৃত। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ হ্যাঁ, ইহা খাওয়া হারাম (কিন্তু চামড়া দ্বারা অন্য কোন উপকার লাভ করা জায়েয)।
حدثني يحيى، عن مالك، عن ابن شهاب، عن عبيد الله بن عبد الله بن عتبة بن مسعود، عن عبد الله بن عباس، انه قال مر رسول الله صلى الله عليه وسلم بشاة ميتة كان اعطاها مولاة لميمونة زوج النبي صلى الله عليه وسلم فقال " افلا انتفعتم بجلدها " . فقالوا يا رسول الله انها ميتة . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " انما حرم اكلها
রেওয়ায়ত ১৭. আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাঃ) বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিয়াছেনঃ দাবাগত করার পর চামড়া পাক হইয়া যায়।
وحدثني مالك، عن زيد بن اسلم، عن ابن وعلة المصري، عن عبد الله بن عباس، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " اذا دبغ الاهاب فقد طهر
রেওয়ায়ত ১৮.নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহধর্মিণী আয়েশা (রাঃ) হইতে বর্ণিত, দাবাগত করার পর মৃত জন্তুর চামড়া ব্যবহার করতে রাসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নির্দেশ দিয়াছেন।
وحدثني عن مالك، عن يزيد بن عبد الله بن قسيط، عن محمد بن عبد الرحمن بن ثوبان، عن امه، عن عايشة، زوج النبي صلى الله عليه وسلم ان رسول الله صلى الله عليه وسلم امر ان يستمتع بجلود الميتة اذا دبغت