Loading...
Loading...
বইসমূহ
65 হাদিসসমূহ
। আবূ দারদা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমার বন্ধু (নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাকে উপদেশ দিয়েছেনঃ শরাব পান করো না, কারণ তা সমস্ত পাপাচারের প্রসূতি।
। খাব্বাব ইবনুল আরাত্তি (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ সাবধান! শরাব পরিহার করো। কারণ শরাবের পাপ অন্যান্য পাপাচারকে আওতাভুক্ত করে নেয়, যেমন তার গাছ (আংগুর গাছ) অন্যান্য গাছের উপর বিস্ত...
। ইবনে উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যে ব্যক্তি দুনিয়াতে শরাব পান করলো, সে তা থেকে তওবা না করলে, আখেরাতে তা পান করতে পারবে না।
। আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যে ব্যক্তি দুনিয়াতে শরাব পান করে, সে আখেরাতে তা পান করতে পারবে না।
। আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ শরাবখোর (পাপের ক্ষেত্রে) মূর্তিপূজকের সমতুল্য।
। আবূ দারদা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ শরাব পানে অভ্যস্ত ব্যক্তি জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না।
। ‘আবদুল্লাহ ইবনে ‘আমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি শরাব পান করে এবং মাতাল হয়, চল্লিশ দিন পর্যন্ত তার নামায কবুল হয় না। সে মারা গেলে জাহান্নামে প্রবেশ করবে।...
। আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ শরাব এই দু’টি গাছ থেকে তৈরি হয়ঃ খেজুর গাছ ও আংগুর গাছ।
। নু'মান ইবনে বাশীর (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ গম থেকে শরাব হয়, বার্লি থেকে শরাব হয়, আংগুর থেকে শরাব হয়, খেজুর থেকে শরাব হয় এবং মধু থেকে শরাব হয়।
। ইবনে উমার (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ শরাবের উপর দশভাবে অভিসম্পাত করা হয়েছেঃ স্বয়ং শরাব (অভিশপ্ত), শরাব উৎপাদক, যে তা উৎপাদন করায়, তার বিক্রেতা, তার ক্রেতা, তার বহনকারী, তা যার জন্য ব...
। আনাস ইবনে মালেক (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দশভাবে শরাবের উপর অভিসম্পাত করেছেনঃ শরাব প্রস্তুতকারী, তা উৎপাদনকারী, যে তা উৎপাদন করায়, তা যার জন্য উৎপাদন করা হয়, তা বহনকারী, যার জন্য তা বহন করা...
। আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, যখন সুদ সম্পর্কিত সূরা বাকারার শেষ আয়াতগুলো নাযিল হয়, তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বাইরে বের হয়ে আসেন এবং শরাবের ব্যবসাও নিষিদ্ধ (হারাম) ঘোষণা করেন।
। ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, সামুরা (রাঃ) শরাব বিক্রয় করেন এ কথা উমার (রাঃ) জানতে পেরে বললেন, আল্লাহ সামুরাকে ধ্বংস করুনঃ সে কি জানে না যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ‘‘আল্লাহ তা‘আল...
। আবূ উমামা আল-বাহিলী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ এমন কোন রাত এবং দিন অতিবাহিত হবে না, যখন আমার উম্মাতের কতক লোক শরাবের ভিন্ন নামকরণ করে তা পান করবে না।
। উবাদা ইবনুস সামিত (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমার উম্মাতের কতক লোক শরাবের ভিন্নতর নাম রেখে তা পান করবে।
। আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ নেশা উদ্রেককর প্রতিটি পানীয় হারাম।
। আবদুল্লাহ ইবনে উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ প্রতিটি নেশা উদ্রেককর জিনিস হারাম।
। ইবনে মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ প্রতিটি নেশা উদ্রেককর জিনিস হারাম।
। মু‘আবিয়া (রাঃ) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছিঃ প্রতিটি নেশা উদ্রেককর জিনিস প্রত্যেক মুমিন ব্যক্তির জন্য হারাম।
। উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ প্রতিটি নেশা উদ্রেককর জিনিস শরাবের অন্তর্ভুক্ত এবং যে কোন শরাবই হারাম।