Loading...

Loading...
বইসমূহ
২৩৮ হাদিসসমূহ
। আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে ইহরাম বাঁধার আগে সুগন্ধি লাগিয়ে দিয়েছি এবং যখন তিনি ইহরাম খুলেছেন তখনও।
حدثنا علي بن محمد، حدثنا خالي، محمد وابو معاوية وابو اسامة عن عبيد الله، عن القاسم بن محمد، عن عايشة، قالت طيبت رسول الله صلى الله عليه وسلم لاحرامه حين احرم ولاحلاله حين احل
। আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ হে আল্লাহ! যারা মাথা মুন্ডন করিয়েছে তাদের ক্ষমা করুন। সাহাবীগণ বলেন, হে আল্লাহর রাসূল! যারা নিজেদের মাথার চুল ছঁটিয়েছে? তিনি বলেনঃ হে আল্লাহ! যারা নিজেদের মাথা মুন্ডন করিয়েছে তাদের ক্ষমা করুন। এ কথা তিনি তিনবার বলেন। সাহাবীগণ বলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! যারা নিজেদের মাথার চুল ছাঁটিয়েছে তাদের জন্যও। তিনি বলেনঃ যারা চুল ছাঁটিয়েছে তাদের জন্যও।
حدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، وعلي بن محمد، قالا حدثنا محمد بن فضيل، حدثنا عمارة بن القعقاع، عن ابي زرعة، عن ابي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اللهم اغفر للمحلقين " . قالوا يا رسول الله والمقصرين قال " اللهم اغفر للمحلقين " . ثلاثا قالوا يا رسول الله والمقصرين قال " والمقصرين
। ইবনে উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যারা মাথা মুন্ডন করিয়েছে আল্লাহ তা‘আলা তাদের প্রতি দয়া করুন। সাহাবীগণ বলেন, হে আল্লাহর রাসূল! যারা চুল ছঁটিয়েছে তাদের প্রতিও। তিনি বলেনঃ যারা মাথা মুন্ডণ করিয়েছে আল্লাহ তা‘আলা তাদের প্রতি দয়া করুন। তারা বলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! যারা চুল ছাঁটিয়েছে তাদের জন্যও (অনুরূপ দোয়া করুন)। তিনি বলেনঃ যারা মাথা মুন্ডন করিয়েছে তাদের প্রতি আল্লাহ দয়া করুন। তারা বলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! যারা চুল ছাঁটিয়েছ তাদের প্রতিও। তিনি বলেনঃ যারা চুল ছাঁটিয়েছে তাদের প্রতিও।
حدثنا علي بن محمد، واحمد بن ابي الحواري الدمشقي، قالا حدثنا عبد الله بن نمير، عن عبيد الله، عن نافع، عن ابن عمر، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " رحم الله المحلقين " . قالوا والمقصرين يا رسول الله قال " رحم الله المحلقين " . قالوا والمقصرين يا رسول الله قال " رحم الله المحلقين " . قالوا والمقصرين يا رسول الله قال " والمقصرين
। ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, জিজ্ঞেস করা হলো, ইয়া রাসূলাল্লাহ! যারা মাথা মুন্ডন করিয়েছে আপনি তাদের জন্য তিনবার, আর যারা চুল ছাঁটিয়েছে তাদের জন্য একবার মাত্র দোয়া করেছেন, এর কারণ কী? তিনি বলেনঃ যারা মাথা মুন্ডন করিয়েছে তারা সন্দেহ করেনি (অর্থাৎ উত্তম কাজ সন্দেহমুক্তভাবে সমাধা করেছে)।
حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا يونس بن بكير، حدثنا ابن اسحاق، حدثنا ابن ابي نجيح، عن مجاهد، عن ابن عباس، قال قيل يا رسول الله لم ظاهرت للمحلقين ثلاثا وللمقصرين واحدة قال " انهم لم يشكوا
। ইবনে উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম স্ত্রী হাফসা (রাঃ) বলেন, আমি বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ! লোকেরা ইহরামমুক্ত হয়েছে, আর আপনি এখনও উমরার ইহরাম থেকে মুক্ত হননি, এর কারণ কী? তিনি বলেনঃ আমি আমার মাথার চুল জমাটবদ্ধ করে নিয়েছি এবং সাথে কোরবানীর পশু এনেছি। তাই কোরবানী না করা পর্যন্ত আমি ইহরামমুক্ত হতে পারি না।
حدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا ابو اسامة، عن عبيد الله بن عمر، عن نافع، عن ابن عمر، ان حفصة، زوج النبي صلى الله عليه وسلم قالت قلت يا رسول الله ما شان الناس حلوا ولم تحل انت من عمرتك قال " اني لبدت راسي وقلدت هديي فلا احل حتى انحر
। সালিম (রহঃ) থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি শুনেছি যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর মাথার চুল একত্রে জমাটবদ্ধ অবস্থায় লাব্বাইক ধ্বনি করেছেন।
حدثنا احمد بن عمرو بن السرح المصري، انبانا عبد الله بن وهب، انبانا يونس، عن ابن شهاب، عن سالم، عن ابيه، سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يهل ملبدا
। জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন মিনার সমস্ত এলাকাই কোরবানীর স্থান, মক্কার প্রতিটি প্রশস্ত সড়কই রাস্তা এবং কোরবানীর স্থান, আরাফাতের গোটা এলাকাই অবস্থানস্থল এবং মুযদালিফার সমস্ত এলাকাও অবস্থানস্থল।
حدثنا علي بن محمد، وعمرو بن عبد الله، قالا حدثنا وكيع، حدثنا اسامة بن زيد، عن عطاء، عن جابر، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " منى كلها منحر وكل فجاج مكة طريق ومنحر وكل عرفة موقف وكل المزدلفة موقف
। ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, হজ্জের অনুষ্ঠানাদিতে অগ্র-পশ্চাত হয়ে যাওয়ার ব্যাপারে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি দু’ হাতের ইশারায় বলেনঃ কোন ক্ষতি নেই।
حدثنا علي بن محمد، حدثنا سفيان بن عيينة، عن ايوب، عن عكرمة، عن ابن عباس، قال ما سيل رسول الله صلى الله عليه وسلم عمن قدم شييا قبل شىء الا يلقي بيديه كلتيهما " لا حرج
। ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মিনার দিবসে লোকেরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট জিজ্ঞেস করলে তিনি বলতেনঃ কোন দোষ নেই, কোন ক্ষতি নেই। অতএব এক ব্যক্তি তাঁর নিকট এসে বললো, কোরবানীর পূর্বে আমি মাথা মুন্ডন করিয়েছি। তিনি বলেনঃ কোন দোষ নেই। আরেকজন বললো, আমি সন্ধ্যায় কাঁকর নিক্ষেপ করেছি। তিনি বলেনঃ কোন ক্ষতি নেই।
حدثنا ابو بشر، بكر بن خلف حدثنا يزيد بن زريع، عن خالد الحذاء، عن عكرمة، عن ابن عباس، قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يسال يوم منى فيقول " لا حرج لا حرج " . فاتاه رجل فقال حلقت قبل ان اذبح قال " لا حرج " . قال رميت بعد ما امسيت قال " لا حرج
। আবদুল্লাহ ইবনে ‘আমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট মাসআলা জানতে চাওয়া হলো যে, কোন ব্যক্তি মাথা মুন্ডনের পূর্বে কোরবানী করেছে অথবা কোন ব্যক্তি কোরবানীর পূর্বে মাথা কামিয়েছে। তিনি বলেনঃ তাতে কোন দোষ নেই।
حدثنا علي بن محمد، حدثنا سفيان بن عيينة، عن الزهري، عن عيسى بن طلحة، عن عبد الله بن عمرو، ان النبي صلى الله عليه وسلم سيل عمن ذبح قبل ان يحلق او حلق قبل ان يذبح قال " لا حرج
। জাবির ইবনে আবদুল্লাহ (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোরবানীর দিন লোকেদের উদ্দেশে মিনায় বসলেন। এক ব্যক্তি তাঁর নিকট এসে বললো, হে আল্লাহর রাসূল! আমি কোরবানী করার পূর্বে মাথা মুন্ডন করেয়েছি। তিনি বলেনঃ কোন দোষ নেই। অপর এক ব্যক্তি তাঁর নিকট এসে বলো, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি কঙ্কর নিক্ষেপের পূর্বে কোরবানী করেছি। তিনি বলেনঃ কোন দোষ নেই। সেদিন কোন অনুষ্ঠান কোন অনুষ্ঠানের আগে বা পরে সম্পন্ন করার ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেনঃ কোন দোষ নেই।
حدثنا هارون بن سعيد المصري، حدثنا عبد الله بن وهب، اخبرني اسامة بن زيد، حدثني عطاء بن ابي رباح، انه سمع جابر بن عبد الله، يقول قعد رسول الله صلى الله عليه وسلم بمنى يوم النحر للناس فجاءه رجل فقال يا رسول الله اني حلقت قبل ان اذبح قال " لا حرج " . ثم جاءه اخر فقال يا رسول الله اني نحرت قبل ان ارمي قال " لا حرج " . فما سيل يوميذ عن شىء قدم قبل شىء الا قال " لا حرج
। জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে জামরাতুল আকাবায় পূর্বাহ্নে পাথর নিক্ষেপ করতে দেখেছি। তিনি এরপরের (দিনগুলোতে) পাথর নিক্ষেপ করেন অপরাহ্নে।
حدثنا حرملة بن يحيى المصري، حدثنا عبد الله بن وهب، حدثنا ابن جريج، عن ابي الزبير، عن جابر، قال رايت رسول الله صلى الله عليه وسلم رمى جمرة العقبة ضحى واما بعد ذلك فبعد زوال الشمس
। ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (অপরাহ্নে) সূর্য ঢলে যাওয়ার পর জামরায় কাঁকর নিক্ষেপ করতেন, কাঁকর নিক্ষেপের পর তাঁর নামায পড়ার সময় হয়ে যেতো।
حدثنا جبارة بن المغلس، حدثنا ابراهيم بن عثمان بن ابي شيبة ابو شيبة، عن الحكم، عن مقسم، عن ابن عباس، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يرمي الجمار اذا زالت الشمس قدر ما اذا فرغ من رميه صلى الظهر
। সুলায়মান ইবনে ‘আমর ইবনুল আহ্ওয়াস (রহঃ) থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলে, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বিদায় হজ্জে বলতে শুনেছিঃ হে লোকসকল! কোন্ দিনটি সর্বাধিক সম্মানিত? তিনি তিনবার এ কথা বলেন। তারা বলেন, হজ্জের বড় দিন। তিনি বলেনঃ তোমাদের রক্ত (জীবন), তোমাদের সম্পদ, তোমাদের মান-সম্ভ্রম তোমাদের পরস্পরের জন্য (তাতে হস্তক্ষেপ করা) হারাম, যেভাবে তোমাদের এ দিনে, এই মাসে এবং এই শহরে হারাম। সাবধান! কেউ অপরাধ করলে সেজন্য তাকেই গ্রেপ্তার করা হবে। পিতার অপরাধের জন্য পুত্রকে দায়ী করা যাবে না এবং পুত্রের অপরাধের জন্য পিতাকে দায়ী করা যাবে না। জেনে রাখো! তোমাদের এই শহরে শয়তান নিজের জন্য ইবাদত পাওয়া থেকে চিরকালের জন্য নিরাশ হয়ে গেছে। কিন্তু কতগুলো কাজ যা তোমরা তুচ্ছজ্ঞানে করতে গিয়ে শয়তানের আনুগত্য করো এবং তাতে সে খুশি হয়ে যায়। সাবধান! জাহিলী যুগের সকল রক্তের (হত্যার) দাবি রহিত হলো। এসব দাবির মধ্যে আমি সর্ব প্রথম আল-হারিস ইবনে আবদুল মুত্তালিবের রক্তের দাবি রহিত করছি, সে লাইস গোত্রে প্রতিপালিত হওয়াকালে হুযাইল গোত্রের লোকেরা তাকে হত্যা করে। সাবধান! জাহিলী যুগের সমস্ত সূদের দাবি রহিত হলো। তবে তোমার মূলধন ফেরত পাবে, তোমরাও জুলুম করবে না এবং জুলুমের শিকারও হবে না। শোনো হে আমার উম্মাত! আমি কি পৌঁছে দিয়েছি? একথা তিনি তিনবার জিজ্ঞেস করেন। তারা বলেন, হাঁ। তিনি বলেনঃ হে আল্লাহ! আপনি সাক্ষী থাকুন। একথাও তিনি তিনবার বলেন।
حدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، وهناد بن السري، قالا حدثنا ابو الاحوص، عن شبيب بن غرقدة، عن سليمان بن عمرو بن الاحوص، عن ابيه، قال سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول في حجة الوداع " يا ايها الناس الا اى يوم احرم " . ثلاث مرات قالوا يوم الحج الاكبر . قال " فان دماءكم واموالكم واعراضكم بينكم حرام كحرمة يومكم هذا في شهركم هذا في بلدكم هذا الا لا يجني جان الا على نفسه ولا يجني والد على ولده ولا مولود على والده . الا ان الشيطان قد ايس ان يعبد في بلدكم هذا ابدا ولكن سيكون له طاعة في بعض ما تحتقرون من اعمالكم فيرضى بها الا وكل دم من دماء الجاهلية موضوع واول ما اضع منها دم الحارث بن عبد المطلب - كان مسترضعا في بني ليث فقتلته هذيل - الا وان كل ربا من ربا الجاهلية موضوع لكم رءوس اموالكم لا تظلمون ولا تظلمون الا يا امتاه هل بلغت " . ثلاث مرات قالوا نعم . قال " اللهم اشهد " . ثلاث مرات
। মুহাম্মাদ ইবনে জুবায়ের ইবনে মুতইম (রহঃ) থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মিনার মসজিদুল খায়ফ-এ দাঁড়িয়ে বলেনঃ আল্লাহ তা‘আলা সেই ব্যক্তিকে সজীব ও আলোকোজ্জ্বল করে রাখুন যে আমার কথা শোনে, অতঃপর তা (অন্যদের নিকট) পৌঁছে দেয়। জ্ঞানের অনেক বাহক মূলত জ্ঞানী নয়। কোন কোন জ্ঞানের বাহক যার নিকট জ্ঞান বয়ে নিয়ে যায়, সে তার চেয়ে অধিক জ্ঞানী। তিনটি বিষয় মুমিন ব্যক্তির অন্তর প্রতারণা করতে পারে না: (১) একনিষ্ঠভাবে আল্লাহর (সন্তোষ লাভের) জন্য ‘আমল (কাজ) করা, (২) মুসলিম শাসকবর্গকে সদুপদেশ প্রদানে এবং (৩) মুসলিম জামা‘আতের (সমাজের) সাথে সংঘবদ্ধ থাকার ব্যাপারে। কারণ মুসলিমদের দোয়া তাদেরকে পেছন দিক থেকে পরিবেষ্টন করে রাখে।
حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا ابي، عن محمد بن اسحاق، عن عبد السلام، عن الزهري، عن محمد بن جبير بن مطعم، عن ابيه، قال قام رسول الله صلى الله عليه وسلم بالخيف من منى فقال " نضر الله امرا سمع مقالتي فبلغها فرب حامل فقه غير فقيه ورب حامل فقه الى من هو افقه منه ثلاث لا يغل عليهن قلب مومن اخلاص العمل لله والنصيحة لولاة المسلمين ولزوم جماعتهم فان دعوتهم تحيط من ورايهم
। আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরাফাতের ময়দানে তাঁর কানকাটা উষ্ট্রীতে আরোহিত অবস্থায় বলেনঃ তোমরা কি জানো আজ কোন দিন, এটা কোন মাস এবং এটা কোন শহর? তারা বলেন, এটা (মক্কা) সম্মানিত শহর, সম্মানিত মাস ও সম্মানিত দিন। তিনি আরো বলেনঃ সাবধান! তোমাদের সম্পদ ও তোমাদের রক্ত তোমাদের পরস্পরের প্রতি তেমনি হারাম যেমনি তোমাদের এই মাসের সম্মান রয়েছে তোমাদের এই শহরে তোমাদের এই দিনে। শুনে রাখো! আমি তোমাদের আগেই হাওযে কাওসারে উপস্থিত থাকবো। অন্যান্য উম্মাতের তুলনায় তোমাদের সংখ্যাধিক্য নিয়ে আমি গৌরব করবো। তোমরা যেন আমার চেহারা কালিমালিপ্ত না করো। সাবধান! কিছু লোককে আমি মুক্ত করতে পারবো, আর কিছু লোককে আমার নিকট থেকে ছিনিয়ে নেয়া হবে। তখম আমি বলবো, হে আল্লাহ! এরা তো আমার সাহাবী! তিনি বলবেনঃ তোমার পরে এরা কী বিদআতী কাজ করেছে, তা তুমি জানো না।
حدثنا اسماعيل بن توبة، حدثنا زافر بن سليمان، عن ابي سنان، عن عمرو بن مرة، عن مرة، عن عبد الله بن مسعود، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو على ناقته المخضرمة بعرفات فقال " اتدرون اى يوم هذا واى شهر هذا واى بلد هذا " . قالوا هذا بلد حرام وشهر حرام ويوم حرام . قال " الا وان اموالكم ودماءكم عليكم حرام كحرمة شهركم هذا في بلدكم هذا في يومكم هذا الا واني فرطكم على الحوض واكاثر بكم الامم فلا تسودوا وجهي الا واني مستنقذ اناسا ومستنقذ مني اناس فاقول يا رب اصيحابي . فيقول انك لا تدري ما احدثوا بعدك
। ইবনে উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে বছর হজ্জ করেন, সেই বছর কোরবানীর দিন জামরাসমূহের মধ্যস্থলে দাঁড়ালেন এবং জিজ্ঞাসা করলেনঃ আজ কোন্ দিন? সাহাবীগণ বললেন, কোরবানীর দিন। তিনি জিজ্ঞেস করলেনঃ এটি কোন্ শহর? তারা বললেন, এটা আল্লাহর সম্মানিত শহর। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, এটি কোন্ মাস? তারা বললেন, আল্লাহর সম্মানিত মাস। তিনি বলেনঃ এটি হজ্জের বড় দিন। তোমাদের রক্ত, তোমাদের সম্পদ ও তোমাদের মান-সম্ভ্রম (প্রভৃতির উপর হস্তক্ষেপ) তোমাদের জন্য হারাম, যেমন এই শহরের হুরমাত (সম্মান) এই মাসে এবং এই দিনে। তিনি পুনরায় বলেনঃ আমি কি পৌঁছে দিয়েছি? তারা বলেন, হাঁ। তখন তিনি বলতে শুরু করলেনঃ হে আল্লাহ! সাক্ষী থাকুন। অতঃপর তিনি লোকেদের বিদায় দেন। তখন তারা বলেন, এটা বিদায় হজ্জ।
حدثنا هشام بن عمار، حدثنا صدقة بن خالد، حدثنا هشام بن الغاز، قال سمعت نافعا، يحدث عن ابن عمر، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم وقف يوم النحر بين الجمرات في الحجة التي حج فيها فقال النبي صلى الله عليه وسلم " اى يوم هذا " . قالوا يوم النحر . قال " فاى بلد هذا " . قالوا هذا بلد الله الحرام . قال " فاى شهر هذا " . قالوا شهر الله الحرام . قال " هذا يوم الحج الاكبر ودماوكم واموالكم واعراضكم عليكم حرام كحرمة هذا البلد في هذا الشهر في هذا اليوم " . ثم قال " هل بلغت " . قالوا نعم . فطفق النبي صلى الله عليه وسلم يقول " اللهم اشهد " . ثم ودع الناس فقالوا هذه حجة الوداع
। আয়েশা (রাঃ) ও ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাত পর্যন্ত তাওয়াফে যিয়ারা বিলম্ব করেন।
حدثنا بكر بن خلف ابو بشر، حدثنا يحيى بن سعيد، حدثنا سفيان، حدثني محمد بن طارق، عن طاوس، وابو الزبير، عن عايشة، وابن، عباس ان النبي صلى الله عليه وسلم اخر طواف الزيارة الى الليل
। আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাওয়াফে যিয়ারার সাত চক্করে রমল (বাহু দুলিয়ে বীরত্বপূর্ণ পদক্ষেপ) করেননি। আতা (রহঃ) বলেন, তাওয়াফে যিয়ারাতে রমল করতে হয় না।
حدثنا حرملة بن يحيى، حدثنا ابن وهب، انبانا ابن جريج، عن عطاء، عن عبد الله بن عباس، ان النبي صلى الله عليه وسلم لم يرمل في السبع الذي افاض فيه . قال عطاء ولا رمل فيه
। মুহাম্মাদ ইবনে আবদুর রহমান ইবনে আবূ বাকর (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ইবনে আব্বাস (রাঃ) এর নিকট বসা ছিলাম। এক ব্যক্তি তার নিকট এলে তিনি জিজ্ঞেস করেন, তুমি কোথা থেকে এসেছো? সে বললো, যমযমের নিকট থেকে। তিনি জিজ্ঞেস করেন, তুমি কি তা থেকে প্রয়োজনমত পান করেছো? সে বললো, তা কিরূপে? তিনি বলে, তুমি তা থেকে পান করার সময় কিবলামুখী হবে, আল্লাহর নাম স্মরণ করবে, তিনবার নিঃশ্বাস নিবে এবং তৃপ্তি সহকারে পান করবে। পানি পানশেষে তুমি মহামহিম আল্লাহর প্রশংসা করবে। কারণ, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমাদের ও মুনাফিকদের মধ্যে নিদর্শন এই যে, তারা তৃপ্তি সহকারে যমযমের পানি পান করে না।
حدثنا علي بن محمد، حدثنا عبيد الله بن موسى، عن عثمان بن الاسود، عن محمد بن عبد الرحمن بن ابي بكر، قال كنت عند ابن عباس جالسا فجاءه رجل فقال من اين جيت قال من زمزم . قال فشربت منها كما ينبغي قال وكيف قال اذا شربت منها فاستقبل الكعبة واذكر اسم الله وتنفس ثلاثا وتضلع منها فاذا فرغت فاحمد الله عز وجل فان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " ان اية ما بيننا وبين المنافقين انهم لا يتضلعون من زمزم