Loading...
Loading...
বইসমূহ
238 হাদিসসমূহ
। জাবির ইবনে আবদুল্লাহ (রাঃ) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছিঃ যমযমের পানি যে উপকার লাভের আশায় পান করা হবে, তা অর্জিত হবে।
। ইবনে উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মক্কা বিজয়ের দিন কাবা ঘরে প্রবেশ করেন। তাঁর সাথে ছিলেন বিলাল ও উসমান ইবনে শাইবা (রাঃ)। তাঁরা ভিতর থেকে দরজা বন্ধ করে দিলেন। তাঁরা বেরিয়...
। আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার নিকট থেকে আনন্দিত চোখে ও উৎফুল্ল চিত্তে বেরিয়ে গেলেন, কিন্তু বিষণ্ণ অবস্থায় ফিরে এলেন। আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি আমার নিকট থেকে চক্ষু...
। ইবনে উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আব্বাস ইবনে আবদুল মুত্তালিব (রাঃ) মিনার দিনগুলোর রাত মক্কায় কাটানোর জন্য রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট অনুমতি প্রার্থনা করেন। কারণ হাজ্জীদের পানি পান করানোর...
। ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আব্বাস (রাঃ) ব্যতীত আর কাউকে মিনার রাতগুলোতে মক্কায় অবস্থানের অনুমতি দেননি। কারণ তার উপর পানি সরবরাহের দায়িত্ব অর্পিত ছিল।
। আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল-আবতাহ্ নামক স্থানে যাত্রাবিরতি সুন্নাত নয়। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেখানে এজন্য যাত্রাবিরতি করেন যাতে (মদীনার উদ্দেশ্যে তাঁর রওয়ানা করা সহজ হয়।)
। আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাতের বেলা বাতহা নামক স্থান থেকে মদীনার উদ্দেশে রওনা হন।
। ইবনে উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবূ বাকর, উমার ও উষমান (রাঃ) বাতহা নামক স্থানে যাত্রাবিরতি করতেন।
। ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, লোকেরা বিক্ষিপ্তভাবে সব দিকে যাচ্ছিল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ শেষবারের মত বাইতুল্লাহ তাওয়াফ না করা পর্যন্ত কেউ যেন প্রস্থান না করে।
। ইবনে উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, শেষবারের মত বাইতুল্লাহ তাওয়াফ না করা পর্যন্ত কোন ব্যক্তিকে (মক্কা থেকে) প্রস্থান করতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিষেধ করেছেন।
। আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, তাওয়াফে ইফাযা করার পর সাফিয়্যা বিনতে হুয়ায়্যি (রাঃ) ঋতুবতী হলেন। আয়েশা (রাঃ) বলেন, আমি তা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে জানালাম। তিনি বলেন, সে কি আমাদের আটকে রাখব? আম...
। আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাফিয়্যা (রাঃ) সম্পর্কে জানতে চাইলে আমরা বললাম, সে ঋতুবতী হয়েছে। তিনি বলেনঃ বন্ধ্যা, ন্যাড়া, সে তো আমাদের আটকে ফেলেছে। আমি বললাম, ইয়া রাসূল...
। জাফর সাদেক ইবনে মুহাম্মাদ আল-বাকের (রহঃ) থেকে তার পিতার সুত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা জাবির ইবনে আবদুল্লাহ (রাঃ) এর নিকট গেলাম। আমরা তার নিকট উপস্থিত হলে তিনি সাক্ষাতপ্রার্থীদের পরিচয় জানতে চান। আমার পরিচয় জিজ্ঞেস করল...
। আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে তিন পর্যায়ে বিভক্ত হয়ে হজ্জের উদ্দেশ্যে রওনা হলাম। আমাদের কতক একসাথে হজ্জ ও উমরার ইহরাম বাঁধে, কতক শুধু হজ্জের ইহরাম, বাঁধে এব...
। সুফিয়ান (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিনবার হজ্জ করেছেনঃ হিজরতের পূর্বে দু’ বার এবং হিজরতের পর মদীনা থেকে একবার (যা বিদায় হজ্জ নামে প্রসিদ্ধ)। শেষোক্তটি তিনি কিরান হজ্জ করেছেন অর্থাৎ একত্রে হজ...
। আল-হাজ্জাজ ইবনে আমর আল-আনসারী (রাঃ) বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছিঃ যার হাড় ভেঙ্গে গেলো অথবা যে লেংড়া হয়ে গেলো (ইহরাম বাঁধার পর), সে ইহরামমুক্ত হয়ে গেলো। সে পুনর্বার হজ্জ করবে। (ইকরিমা বলেন...
। উম্মু সালামা (রাঃ) এর মুক্তদাস আবদুল্লাহ ইবনে রাফে (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আল-হাজ্জাজ ইবনে আমর (রাঃ) এর নিকট ইহরামধারী ব্যক্তির বাধাগ্রস্ত হওয়া সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাই...
। আবদুল্লাহ ইবনে মা‘কিল (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি মসজিদের মধ্যে কা‘ব ইবনে উজরা (রাঃ) এর নিকট বসা ছিলাম। আমি তার নিকট নিম্নোক্ত আয়াত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম (অনুবাদঃ) ‘‘তবে রোযা অথবা সদাকা অথবা কোরবানীর মাধ্যমে ফি...
। কা‘ব ইবনে উজরা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, উকুন আমাকে কষ্ট দিতে থাকলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে মাথা কামানোর নির্দেশ দেন এবং তিন দিন রোযা রাখতে অথবা ছয়জন মিসকীনকে আহার করাতে বলেন। তিনি জানতেন য...
। ইবনে ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইহরাম অবস্থায় ও রোযা অবস্থায় রক্তমোক্ষণ করিয়েছেন।