Loading...

Loading...
বইসমূহ
২৬৬ হাদিসসমূহ
। জুনদুব ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে ছিলাম। আমরা ছিলাম শক্তিশালী এবং সক্ষম যুবক। আমরা কুরআন শেখার পূর্বে ঈমান শিখেছি, অতঃপর কুরআন শিখেছি এবং তার দ্বারা আমাদের ঈমান বেড়ে যায়।
حدثنا علي بن محمد، حدثنا وكيع، حدثنا حماد بن نجيح، - وكان ثقة - عن ابي عمران الجوني، عن جندب بن عبد الله، قال كنا مع النبي صلى الله عليه وسلم ونحن فتيان حزاورة فتعلمنا الايمان قبل ان نتعلم القران ثم تعلمنا القران فازددنا به ايمانا
। ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ এ উম্মাতের দুটি শ্রেণীর জন্য ইসলামে কোন অংশ নেই- মুরজিয়া ও কাদারিয়া সম্প্রদায়।
حدثنا علي بن محمد، حدثنا محمد بن فضيل، حدثنا علي بن نزار، عن ابيه، عن عكرمة، عن ابن عباس، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " صنفان من هذه الامة ليس لهما في الاسلام نصيب المرجية والقدرية
। উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর কাছে উপবিষ্ট থাকা অবস্থায় ধবধবে সাদা পোশাক পরিহিত ও মাথায় গাঢ়ো কালো চুলবিশিষ্ট এক ব্যাক্তি এসে হাযির হন। তার চেহারায় সফরের কোন ছাপ দেখা যাচ্ছিল না এবং আমাদের কেউই তাকে চিনে না। রাবী বলেন, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সামনে বসলেন, তার হাঁটুদ্বয় মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর হাঁটুদ্বয়ের সাথে লাগিয়ে এবং তার দু হাত তাঁর দু উরুর উপর রেখে, তারপর জিজ্ঞেস করেন, হে মুহাম্মাদ! ইসলাম কী? তিনি বলেনঃ এই সাক্ষ্য দেয়া যে, আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নেই, আমি আল্লাহ্র রাসূল, সালাত কায়িম করা, যাকাত দেয়া, রমাযানের সাওম (রোযা/রোজা/সিয়াম/ছিয়াম) পালন করা এবং আল্লাহ্র ঘরের হাজ্জ (হজ্জ) করা। তিনি (আগন্তুক) বলেন, আপনি সত্য কথা বলেছেন। আমরা তার এ কথায় অবাক হলাম যে, তিনই জিজ্ঞেস করলেন এবং তিনই তা সত্যায়ন করলেন। অতঃপর তিনি জিজ্ঞেস করেন, হে মুহাম্মাদ! ঈমান কী? তিনি বলেনঃ তুমি ঈমান আনবে আল্লাহ্র উপর, তাঁর মালায়িকার, তাঁর রাসূলগণের, তাঁর কিতাবসমূহে, আখিরাতের দিনে এবং তাকদীরে ও তার ভালো-মন্দে। আগন্তুক বলেন, আপনি সত্য কথা বলেছেন। আমরা এবারও তার কথায় অবাক হলাম যে, তিনই প্রশ্ন করছেন এবং তিনই তা সত্যায়ন করছেন। তিনি পুনরায় জিজ্ঞেস করেন, হে মুহাম্মাদ! ইহসান কী? তিনি বলেনঃ তুমি এমনভাবে আল্লাহ্র ইবাদাত করো যেন তুমি তাঁকে দেখছো, যদি তুমি তাঁকে না দেখো তবে নিশ্চয় তিনি তোমাকে দেখছেন। তিনি বলেন, মুহূর্তটি (ক্বিয়ামাত (কিয়ামত)) কখন আসবে? তিনি বলেনঃ এ সম্পর্কে উত্তরদাতা প্রশ্নকর্তার চেয়ে অধিক কিছু জানে না। তিনি বলেন, তাহলে এর আলামত কী? তিনি বলেনঃ ক্রীতদাসী তার মনিবকে প্রসব করবে। ওয়াকী (রহঃ) বলেন, অর্থাৎ অনারবদের ঔরসে আরবরা জন্মগ্রহণ করবে। তুমি দেখতে পাবে নগ্নদেহ, নগ্নপদ ও অভাবগ্রস্ত মেষ চারকরা সুউচ্চ ইমারতের মালিক হয়ে অহংকারে ফেটে পড়বে। উমার বলেন, এ ঘটনার তিন দিন পর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার সাথে সাক্ষাৎ করে বলেনঃ লোকটি কে, তুমি কি তা জানো? আমি বললাম, আল্লাহ ও তাঁর রাসূলই অধিক জ্ঞাত। তিনি বলেনঃ ইনি হলেন জিবরীল (আঃ), দ্বীনের বিষয়াদি শিক্ষা দেয়ার জন্য তোমাদের নিকট এসেছেন।
حدثنا علي بن محمد، حدثنا وكيع، عن كهمس بن الحسن، عن عبد الله بن بريدة، عن يحيى بن يعمر، عن ابن عمر، عن عمر، قال كنا جلوسا عند النبي صلى الله عليه وسلم فجاء رجل شديد بياض الثياب شديد سواد شعر الراس لا يرى عليه اثر السفر ولا يعرفه منا احد . قال فجلس الى النبي صلى الله عليه وسلم فاسند ركبته الى ركبته ووضع يديه على فخذيه . ثم قال يا محمد ما الاسلام قال " شهادة ان لا اله الا الله واني رسول الله واقام الصلاة وايتاء الزكاة وصوم رمضان وحج البيت " . قال صدقت . فعجبنا منه يساله ويصدقه . ثم قال يا محمد ما الايمان قال " ان تومن بالله وملايكته ورسله وكتبه واليوم الاخر والقدر خيره وشره " . قال صدقت . فعجبنا منه يساله ويصدقه . ثم قال يا محمد ما الاحسان قال " ان تعبد الله كانك تراه فانك ان لا تراه فانه يراك " . قال فمتى الساعة قال " ما المسيول عنها باعلم من السايل " . قال فما امارتها قال " ان تلد الامة ربتها " . قال وكيع يعني تلد العجم العرب " وان ترى الحفاة العراة العالة رعاء الشاء يتطاولون في البناء " . قال ثم قال فلقيني النبي صلى الله عليه وسلم بعد ثلاث فقال " اتدري من الرجل " . قلت الله ورسوله اعلم . قال " ذاك جبريل اتاكم يعلمكم معالم دينكم
। আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লোকবেষ্টিত থাকা অবস্থায় এক ব্যাক্তি তার নিকট এসে বলললো, হে আল্লাহ্র রাসূল! ঈমান কী? তিনি বলেনঃ তুমি ঈমান আনবে আল্লাহ্র প্রতি, তাঁর মালায়িকার, তাঁর কিতাবসমূহে, তাঁর রাসূলগণের, তার সাথে সাক্ষাতে এবং তুমি আরো ঈমান আনবে পুনরুত্থান দিবসে। সে বললো, হে আল্লাহ্র রাসূল! ইসলাম কী? তিনি বলেনঃ তুমি আল্লাহ্র ইবাদাত করবে, তাঁর সাথে কোন কিছু শারীক করবে না, ফরজ সালাত কায়িম করবে, ফরজ যাকাত প্রদান করবে এবং রমাযানের সাওম (রোযা/রোজা/সিয়াম/ছিয়াম) পালন করবে। সে বললো, হে আল্লাহ্র রাসূল! ইহসান কী? তিনি বলেনঃ তুমি এমনভাবে আল্লাহ্র ইবাদাত করো যেন তুমি তাকে দেখছো। যদি তুমি তাকে দেখতে সক্ষম না হও, তবে তিনি নিশ্চয় তোমাকে দেখছেন। সে বললো, হে আল্লাহ্র রাসূল! মুহূর্তটি (ক্বিয়ামাত (কিয়ামত)) কখন আসবে? তিনি বলেনঃ এ বিষয়ে উত্তরদাতা প্রশ্নকারীর চাইতে অধিক কিছু জানে না। তবে আমি তোমাকে তার কতিপয় শর্ত (আলামত) সম্পর্কে বলছি। ক্রীতদাসী যখন তার মনিবকে প্রসব করবে, সেটা কিয়ামতের শর্তাবলীর অন্তর্ভুক্ত। যখন মেষ চারকরা সুউচ্চ দালান-কোঠার (মালিক হয়ে) অহংকারে ফেটে পড়বে, এটাও তার শর্তাবলীর অন্তর্ভুক্ত। পাঁচটি বিষয় সম্পর্কে আল্লাহ ব্যতীত কেউ জানে না। তারপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিলাওয়াত করেন (অনুবাদ) কিয়ামতের জ্ঞান কেবল আল্লাহ্র নিকট রয়েছে, তিনি বৃষ্টি বর্ষণ করেন এবং তিনি জানেন যা জরায়ুতে আছে। কেউ জানে না আগামীকাল (বা ভবিষ্যতে) সে কী উপার্জন করবে এবং কেউ জানে না কোন্ স্থানে সে মরবে। নিশ্চয় আল্লাহ সর্বজ্ঞ, সর্ববিষয়ে অবহিত- (সূরাহ লোকমান: ৩৪)।
حدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا اسماعيل ابن علية، عن ابي حيان، عن ابي زرعة، عن ابي هريرة، قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يوما بارزا للناس . فاتاه رجل فقال يا رسول الله ما الايمان قال " ان تومن بالله وملايكته وكتبه ورسله ولقايه وتومن بالبعث الاخر " . قال يا رسول الله ما الاسلام قال " ان تعبد الله ولا تشرك به شييا وتقيم الصلاة المكتوبة وتوتي الزكاة المفروضة وتصوم رمضان " . قال يا رسول الله ما الاحسان قال " ان تعبد الله كانك تراه فانك ان لا تراه فانه يراك " . قال يا رسول الله متى الساعة قال " ما المسيول عنها باعلم من السايل ولكن ساحدثك عن اشراطها اذا ولدت الامة ربتها فذلك من اشراطها واذا تطاول رعاء الغنم في البنيان فذلك من اشراطها في خمس لا يعلمهن الا الله " . فتلا رسول الله صلى الله عليه وسلم {ان الله عنده علم الساعة وينزل الغيث ويعلم ما في الارحام وما تدري نفس ماذا تكسب غدا وما تدري نفس باى ارض تموت ان الله عليم خبير}
। আলী ইবনু আবূ তালিব (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ঈমান হল অন্তরের বিশ্বাস, মৌখিক স্বীকারোক্তি এবং দ্বীনের রোকনসমূহের (অপরহার্য বিধানসমূহ) বাস্তবায়ন। আবূস সালত (রহঃ) বলেন, এ সানাদ কোন পাগলের নিকট পাঠ করা হলে সেও নিরাময় লাভ করবে।
حدثنا سهل بن ابي سهل، ومحمد بن اسماعيل، قالا حدثنا عبد السلام بن صالح ابو الصلت الهروي، حدثنا علي بن موسى الرضا، عن ابيه، عن جعفر بن محمد، عن ابيه، عن علي بن الحسين، عن ابيه، عن علي بن ابي طالب، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " الايمان معرفة بالقلب وقول باللسان وعمل بالاركان " . قال ابو الصلت لو قري هذا الاسناد على مجنون لبرا
। আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন: তোমাদের কেউ (পূর্ণ) মুমিন হবে না, যাবৎ না সে তার ভাইয়ের জন্য (বা তার প্রতিবেশির জন্য) তাই পছন্দ করবে, যা সে তার নিজের জন্য পছন্দ করে।
حدثنا محمد بن بشار، ومحمد بن المثنى، قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، قال سمعت قتادة، يحدث عن انس بن مالك، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " لا يومن احدكم حتى يحب لاخيه - او قال لجاره - ما يحب لنفسه
। আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমি তোমাদের কারো কাছে তার সন্তান-সন্ততি, তার পিতা-মাতা ও সকল মানুষের চেয়ে অধিক প্রিয় না হওয়া পর্যন্ত সে (পূর্ণ) মুমিন হতে পারবে না।
حدثنا محمد بن بشار، ومحمد بن المثنى، قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، قال سمعت قتادة، عن انس بن مالك، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لا يومن احدكم حتى اكون احب اليه من ولده ووالده والناس اجمعين
। আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ সেই সত্তার শপথ, যাঁর হাতে আমার প্রাণ! তোমরা ঈমানদার না হওয়া পর্যন্ত জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না এবং তোমরা পরস্পরকে মহব্বত না করা পর্যন্ত ঈমানদার হতে পারবে না। আমি কি তোমাদের এমন একটি বিষয় নির্দেশ করবো না, যা করলে তোমরা পরস্পরকে মহব্বত করবে? তোমাদের মধ্যে সালামের প্রসার ঘটাও।
حدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا وكيع، وابو معاوية عن الاعمش، عن ابي صالح، عن ابي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " والذي نفسي بيده لا تدخلوا الجنة حتى تومنوا ولا تومنوا حتى تحابوا اولا ادلكم على شىء اذا فعلتموه تحاببتم افشوا السلام بينكم
। আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মুসলিমকে গালি দেয়া গর্হিত কাজ এবং তার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা কুফরী।
حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا عفان، حدثنا شعبة، عن الاعمش، ح وحدثنا هشام بن عمار، حدثنا عيسى بن يونس، حدثنا الاعمش، عن ابي وايل، عن عبد الله، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " سباب المسلم فسوق وقتاله كفر
। আনাস ইবনু মালিক থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলূল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যাক্তি এক আল্লাহ্র প্রতি নিষ্ঠাবান অবস্থায়, তাঁর ইবাদাতরত অবস্থায় যাঁর কোন শারীক নাই, সালাত কায়িম করে এবং যাকাত প্রদান করে দুনিয়া থেকে বিচ্ছিন্ন হল, সে এমন অবস্থায় মারা গেল যে, আল্লাহ তার প্রতি সন্তুষ্ট। আনাস বলেন, এটা হল আল্লাহ্র সেই দ্বীন, যা নিয়ে রাসূলগণ এসেছেন এবং তাদের প্রভুর পক্ষ থেকে তা মানুষের নিকট পৌঁছিয়েছেন ফিতনা-ফাসা’দ এবং মনগড়া মতবিরোধ সৃষ্টির পূর্বেই। এর সমর্থন রয়েছে কুরআনের শেষের দিকে অবতীর্ণ আয়াতে। মহান আল্লাহ তাআলা বলেনঃ যদি তারা তওবা করে, সালাত কায়িম করে এবং যাকাত দেয়- (সূরাহ তওবা ৯ঃ ৫)। আনাস বলেন, তারা তওবা করার পর মূর্তিগুলো ও সেগুলোর পূজা ত্যাগ করে। অন্য আয়াতে আল্লাহ বলেনঃ যদি তারা তওবা করে, সালাত কায়িম করে এবং যাকাত দেয় তবে তারা তোমাদের দ্বীনী ভাই- (সূরাহ তওবা ৯ঃ ১১)। ১৩/৭০। (১)। আবূ হাতিম-‘উবাইদুল্লাহ ইবনু মূসা ‘আবসী-আবূ জা‘ফার রাযী-রাবী‘ ইবনু আনাস (রাঃ) থেকে এ সূত্রে উপরোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে।
حدثنا نصر بن علي الجهضمي، حدثنا ابو احمد، حدثنا ابو جعفر الرازي، عن الربيع بن انس، عن انس بن مالك، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من فارق الدنيا على الاخلاص لله وحده وعبادته لا شريك له واقام الصلاة وايتاء الزكاة مات والله عنه راض " . قال انس وهو دين الله الذي جاءت به الرسل وبلغوه عن ربهم قبل هرج الاحاديث واختلاف الاهواء وتصديق ذلك في كتاب الله في اخر ما نزل يقول الله {فان تابوا} قال خلعوا الاوثان وعبادتها {واقاموا الصلاة واتوا الزكاة} وقال في اية اخرى {فان تابوا واقاموا الصلاة واتوا الزكاة فاخوانكم في الدين} حدثنا ابو حاتم، حدثنا عبيد الله بن موسى العبسي، حدثنا ابو جعفر الرازي، عن الربيع بن انس، مثله
। আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলূল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমি লোকেদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে আদিষ্ট হয়েছি যতক্ষণ না তারা সাক্ষ্য প্রদান করে যে, আল্লাহ ব্যতীত আর কোন ইলাহ নাই, নিশ্চয়ই আমি আল্লাহ্র রাসূল এবং তারা সালাত কায়িম করে এবং যাকাত দেয়।
حدثنا احمد بن الازهر، حدثنا ابو النضر، حدثنا ابو جعفر، عن يونس، عن الحسن، عن ابي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " امرت ان اقاتل الناس حتى يشهدوا ان لا اله الا الله واني رسول الله ويقيموا الصلاة ويوتوا الزكاة
। মুআয ইবনু জাবাল (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমাকে মানুষের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে, যতক্ষণ না তারা এ সাক্ষ্য দেয় যে, আল্লাহ ব্যতীত কোন ইলাহ নেই, নিশ্চয়ই আমি আল্লাহ্র রাসূল এবং তারা সালাত কায়িম করে ও যাকাত দেয়।
حدثنا احمد بن الازهر، حدثنا محمد بن يوسف، حدثنا عبد الحميد بن بهرام، عن شهر بن حوشب، عن عبد الرحمن بن غنم، عن معاذ بن جبل، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " امرت ان اقاتل الناس حتى يشهدوا ان لا اله الا الله واني رسول الله ويقيموا الصلاة ويوتوا الزكاة
ইবনু আব্বাস ও জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তারা বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমার উম্মাতের দু শ্রেণীর লোকের ইসলামে কোন অংশ নেই- মুরজিয়া সম্প্রদায় ও কাদারিয়া সম্প্রদায়।
حدثنا محمد بن اسماعيل الرازي، انبانا يونس بن محمد، حدثنا عبد الله بن محمد الليثي، حدثنا نزار بن حيان، عن عكرمة، عن ابن عباس، وعن جابر بن عبد الله، قالا قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " صنفان من امتي ليس لهما في الاسلام نصيب اهل الارجاء واهل القدر
। আবূ হুরায়রা ও ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তারা বলেন, ঈমান বাড়ে ও কমে।
حدثنا ابو عثمان البخاري، سعيد بن سعد قال حدثنا الهيثم بن خارجة، حدثنا اسماعيل، - يعني ابن عياش - عن عبد الوهاب بن مجاهد، عن مجاهد، عن ابي هريرة، وابن، عباس قالا الايمان يزيد وينقص
। আবূ দারদা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, ঈমান বাড়ে ও কমে।
حدثنا ابو عثمان البخاري، حدثنا الهيثم، حدثنا اسماعيل، عن جرير بن عثمان، عن الحارث، - اظنه - عن مجاهد، عن ابي الدرداء، قال الايمان يزداد وينقص
। আবদুল্লাহ ইবনু মাসঊদ (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, আর তিনি ছিলেন সত্যবাদী ও সত্যবাদী বলে সমর্থিতঃ তোমাদের প্রত্যেকের সৃষ্টি কার্যক্রম এভাবে অগ্রসর হয় যে, তার মাতৃগর্ভে চল্লিশ দিন পর্যন্ত (শুক্ররূপে) জমা রাখা হয়, তারপর অনুরূপ সময়ে তা জমাট রক্ত পিন্ডের রূপ ধারণ করে, তারপর অনুরূপ সময়ে তা গোশতপিন্ডের রূপ ধারণ করে, তারপর আল্লাহ তাআলা তার নিকট একজন ফেরেশতা পাঠান। তাকে চারটি বিষয় লিপিবদ্ধ করার নির্দেশ দেয়া হয়। অতএব তিনি (আল্লাহ) বলেন, তার কার্যকলাপ, তার আয়ুষ্কাল, তার রিয্ক এবং সে দুর্ভাগা না ভাগ্যবান তা লিখে দাও। সেই সত্তার শপথ যাঁর হাতে আমার প্রাণ! নিশ্চয় তোমাদের কেউ অবশ্যই জান্নাতীদের কাজ করতে থাকে, এমনকি তার ও জান্নাতের মাঝে মাত্র এক হাত পরিমাণ দূরত্ব থাকে, তখন তার দিকে তার তাকদীরের লেখা অগ্রসর হয় এবং সে জাহান্নামীদের কাজ করে, ফলে সে জাহান্নামে প্রবেশ করে। আবার তোমাদের কেউ অবশ্যই জাহান্নামীদের কাজ করতে থাকে, এমনকি তার ও জাহান্নামের মাঝে মাত্র এক হাত দূরত্ব থাকে, তখন তার দিকে তার তাকদীরের লেখা অগ্রসর হয় এবং সে জান্নাতীদের কাজ করে, ফলে সে জান্নাতে প্রবেশ করে।
حدثنا علي بن محمد، حدثنا وكيع، ومحمد بن فضيل، وابو معاوية ح وحدثنا علي بن ميمون الرقي، حدثنا ابو معاوية، ومحمد بن عبيد، عن الاعمش، عن زيد بن وهب، قال قال عبد الله بن مسعود حدثنا رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو الصادق المصدوق قال " يجمع خلق احدكم في بطن امه اربعين يوما ثم يكون علقة مثل ذلك ثم يكون مضغة مثل ذلك ثم يبعث الله اليه الملك فيومر باربع كلمات فيقول اكتب عمله واجله ورزقه وشقي ام سعيد . فوالذي نفسي بيده ان احدكم ليعمل بعمل اهل الجنة حتى ما يكون بينه وبينها الا ذراع فيسبق عليه الكتاب فيعمل بعمل اهل النار فيدخلها وان احدكم ليعمل بعمل اهل النار حتى ما يكون بينه وبينها الا ذراع فيسبق عليه الكتاب فيعمل بعمل اهل الجنة فيدخلها
। ইবনুুদ দাইলামী (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমার মনে এই তাকদীর সম্পর্কে কিছুটা সন্দেহ দানা বাঁধে। তাই আমি এই ভেবে শংকিত হই যে, তা আমার দ্বীন ও অন্যান্য কার্যক্রম নষ্ট করে দেয় কিনা। তাই আমি উবাই ইবনু কাব (রাঃ) এর নিকট উপস্থিত হয়ে বললাম, হে আবূল মুনযির! আমার মনে এই তাকদীর সম্পর্কে কিছুটা সন্দেহ দানা বেঁধেছে, তাই আমি এই ভেবে শংকিত হই যে, তা আমার দ্বীন ও অন্যান্য কার্যক্রমকে নষ্ট করে দেয় কিনা। অতএব এ সম্পর্কে আমাকে কিছু বলুন। আশা করি আল্লাহ তার দ্বারা আমার উপকার করবেন। তিনি বলেন, আল্লাহ তাআলা ঊর্ধলোকের ও ইহলকের সকলকে শাস্তি দিতে চাইলে তিনি অবশ্যই তাদের শাস্তি দিতে পারেন। তথাপি তিনি তাদের প্রতি জুলুমকারী নন। আর তিনি তাদেরকে দয়া করতে চাইলে তাঁর দয়া তাদের জন্য তাদের কাজকর্মের চেয়ে কল্যাণময়। যদি তোমাদের নিকট উহূদ পাহাড় পরিমাণ বা উহূদ পাহাড়ের মত সোনা থাকতো এবং তুমি তা আল্লাহ্র রাস্তায় খরচ করতে থাকো, তবে তোমার সেই দান কবূল করা হবে না, যাবৎ না তুমি তাকদীরের উপর ঈমান আনো। অতএব তুমি জেনে রেখো! যা কিছু তোমার উপর আপতিত হয়েছে, তা তোমার উপর আপতিত হতে কখনো ভুল হতো না এবং যা তোমার উপর আপতিত হওয়ার ছিল না তা ভুলেও কখনো তোমার উপর আপতিত হবে না। তুমি যদি এর বিপরীত বিশ্বাস নিয়ে মারা যাও, তাহলে তুমি জাহান্নামে যাবে। আমি মনে করি, তুমি আমার ভাই আবদুল্লাহ ইবনু মাসঊদ (রাঃ) এর নিকট গিয়ে তাকে জিজ্ঞেস করলে তোমার কোন ক্ষতি হবে না। (ইবনুুদ দাইলামী বলেন), অতঃপর আমি আবদুল্লাহ ইবনু মাসঊদ -এর নিকট এসে তাকে জিজ্ঞেস করলাম। তিনিও উবাই (রাঃ) এর অনুরূপ বললেন। তিনি আরো বললেন, তুমি হুযাইফাহ (রাঃ) এর নিকট গিয়ে জিজ্ঞেস করলে তোমার ক্ষতি নেই। অতঃপর আমি হুযাইফাহ (রাঃ) এর কাছে গিয়ে তাকে জিজ্ঞেস করলাম। তিনিও তাদের দুজনের অনুরূপ বলেন। তিনি আরও বলেন, তুমি যায়দ ইবনু সাবিত (রাঃ) এর নিকট গিয়ে তাকেও জিজ্ঞেস করো। অতএব আমি যায়দ ইবনু সাবিত (রাঃ) এর নিকট এসে তাকে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে বলতে শুনেছিঃ আল্লাহ তাআলা ঊর্ধলোক ও ইহলকের সকল অধিবাসীকে শাস্তি দিতে চাইলে অবশ্যই তাদের শাস্তি দিতে পারবেন এবং তিনি তাদের প্রতি জুলুমকারী নন। আর তিনি তাদের প্রতি দয়া করতে চাইলে তাঁর দয়া তাদের সমস্ত সৎ কাজের চাইতেও তাদের জন্য অধিক কল্যাণকর। তোমার নিকট উহূদ পাহাড় পরিমাণ সোনা থাকলেও এবং তুমি তা আল্লাহ্র পথে ব্যয় করলেও তিনি তা কবূল করবেন না, যাবৎ না তুমি সম্পূর্ণরূপে তাকদীরের উপর ঈমান আনো। অতএব তুমি জেনে রাখো! তোমার উপর যা কিছু আপতিত হওয়ার আছে তা তোমার উপর আপতিত হয়েছে, তা কখনো ভুলেও এড়িয়ে যেত না এবং যা তোমার উপর আপতিত হওয়ার ছিল না, তা তোমার উপর ভুলেও কখনো আপতিত হত না। তুমি যদি এর বিপরীত বিশ্বাস নিয়ে মারা যাও তাহলে তুমি জাহান্নামে যাবে।
حدثنا علي بن محمد، حدثنا اسحاق بن سليمان، قال سمعت ابا سنان، عن وهب بن خالد الحمصي، عن ابن الديلمي، قال وقع في نفسي شىء من هذا القدر خشيت ان يفسد على ديني وامري فاتيت ابى بن كعب فقلت ابا المنذر انه قد وقع في قلبي شىء من هذا القدر فخشيت على ديني وامري فحدثني من ذلك بشىء لعل الله ان ينفعني به . فقال لو ان الله عذب اهل سمواته واهل ارضه لعذبهم وهو غير ظالم لهم ولو رحمهم لكانت رحمته خيرا لهم من اعمالهم . ولو كان لك مثل جبل احد ذهبا او مثل جبل احد تنفقه في سبيل الله ما قبل منك حتى تومن بالقدر . فتعلم ان ما اصابك لم يكن ليخطيك وان ما اخطاك لم يكن ليصيبك . وانك ان مت على غير هذا دخلت النار ولا عليك ان تاتي اخي عبد الله بن مسعود فتساله . فاتيت عبد الله فسالته فذكر مثل ما قال ابى وقال لي ولا عليك ان تاتي حذيفة . فاتيت حذيفة فسالته فقال مثل ما قالا وقال ايت زيد بن ثابت فاساله . فاتيت زيد بن ثابت فسالته فقال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " لو ان الله عذب اهل سمواته واهل ارضه لعذبهم وهو غير ظالم لهم ولو رحمهم لكانت رحمته خيرا لهم من اعمالهم ولو كان لك مثل احد ذهبا او مثل جبل احد ذهبا تنفقه في سبيل الله ما قبله منك حتى تومن بالقدر كله فتعلم ان ما اصابك لم يكن ليخطيك وما اخطاك لم يكن ليصيبك وانك ان مت على غير هذا دخلت النار
। আলী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট বসা ছিলাম। তাঁর হাতে ছিল এক টুকরা কাঠ। তা দিয়ে তিনি মাটির উপর রেখা টানলেন, অতঃপর মাথা তুলে বলেনঃ তোমাদের মধ্যে এমন কেউ নেই যার জন্য জান্নাতে তার একটি আসন অথবা জাহান্নামে তার নিকট আসন নির্ধারিত করা হয়নি। বলা হল, হে আল্লাহ্র রাসূল! তাহলে আমরা কি ভরসা করব না? তিনি বলেনঃ না, তোমরা সৎ কাজ করতে থাকো এবং (এর উপর) ভরসা করো না। কারণ যাকে যার জন্য সৃষ্টি করা হয়েছে তা তার জন্য সহজসাধ্য করা হয়েছে। অতঃপর তিনি তিলাওয়াত করেন (অনুবাদ) সুতরাং কেউ দান করলে, মুত্তাকী হলে এবং যা উত্তম তা গ্রহণ করলে, আমি তার জন্য সুগম করে দিব সহজ পথ। আর কেউ কার্পণ্য করলে, নিজেকে অমুখাপেক্ষী মনে করলে, আমি তার জন্য সুগম করে দিব কঠোর পথ। (সূরাহ লায়ল ৯২ঃ)
حدثنا عثمان بن ابي شيبة، حدثنا وكيع، ح وحدثنا علي بن محمد، حدثنا ابو معاوية، ووكيع، عن الاعمش، عن سعد بن عبيدة، عن ابي عبد الرحمن السلمي، عن علي، قال كنا جلوسا عند النبي صلى الله عليه وسلم وبيده عود فنكت في الارض ثم رفع راسه فقال " ما منكم من احد الا وقد كتب مقعده من الجنة ومقعده من النار " . قيل يا رسول الله افلا نتكل قال " لا اعملوا ولا تتكلوا فكل ميسر لما خلق له " . ثم قرا {فاما من اعطى واتقى * وصدق بالحسنى * فسنيسره لليسرى * واما من بخل واستغنى * وكذب بالحسنى * فسنيسره للعسرى}
। আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ শক্তিশালী মুমিন দুর্বল মুমিনের চাইতে উত্তম এবং আল্লাহ্র নিকট অধিক প্রিয়। অবশ্য উভয়ের মধ্যেই কল্যাণ রয়েছে। তুমি তোমার জন্য উপকারী জিনিসের আকাঙ্ক্ষা করো এবং আল্লাহ্র সাহায্য চাও এবং কখনও অক্ষমতা প্রকাশ করো না। তোমার কোন ক্ষতি হলে বলো না, যদি আমি এভাবে করতাম, বরং তুমি বল, আল্লাহ যা নির্ধারণ করেছেন এবং তিনি যা চান তাই করেন। কেননা লাও (যদি) শব্দটি শয়তানের তৎপরতার দ্বার খুলে দেয়।
حدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، وعلي بن محمد الطنافسي، قالا حدثنا عبد الله بن ادريس، عن ربيعة بن عثمان، عن محمد بن يحيى بن حبان، عن الاعرج، عن ابي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " المومن القوي خير واحب الى الله من المومن الضعيف وفي كل خير احرص على ما ينفعك واستعن بالله ولا تعجز فان اصابك شىء فلا تقل لو اني فعلت كذا وكذا . ولكن قل قدر الله وما شاء فعل فان " لو " تفتح عمل الشيطان
। আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ আদম (আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মূসা (আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাথে (আত্নার জগতে) বিতর্ক করেন। মূসা (আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁকে বলেনঃ হে আদম! আপনি আমাদের পিতা। আপনি আমাদের হতাশ করেছেন এবং আপনার ভুলের মাশুল স্বরূপ আমাদেরকে জান্নাত থেকে বহিস্কার করেছেন। আদম (আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁকে বলেনঃ হে মূসা! আল্লাহ তোমাকে তাঁর প্রত্যক্ষ কালামের জন্য মনোনীত করেছেন এবং তিনি স্বহস্তে তোমাকে তাওরাত কিতাব লিখে দিয়েছেন। তুমি কি আমাকে এমন একটি ব্যাপারে দোষারোপ করছো, যা আল্লাহ তাআলা আমাকে সৃষ্টি করার চল্লিশ বছর পূর্বে আমার জন্য নির্ধারিত করেন? অতএব আদম (আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বিতর্কে মূসা (আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর উপর বিজয়ী হন, আদম (আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মূসা (আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাথে বিতর্কে বিজয়ী হন, আদম (আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মূসা (আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাথে বিতর্কে বিজয়ী হন। কথাটি তিনি তিনবার বলেন।
حدثنا هشام بن عمار، ويعقوب بن حميد بن كاسب، قالا حدثنا سفيان بن عيينة، عن عمرو بن دينار، سمع طاوسا، يقول سمعت ابا هريرة، يخبر عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " احتج ادم وموسى فقال له موسى يا ادم انت ابونا خيبتنا واخرجتنا من الجنة بذنبك . فقال له ادم يا موسى اصطفاك الله بكلامه وخط لك التوراة بيده اتلومني على امر قدره الله على قبل ان يخلقني باربعين سنة فحج ادم موسى فحج ادم موسى فحج ادم موسى " . ثلاثا