Loading...

Loading...
বইসমূহ
১৮৪ হাদিসসমূহ
মুহাম্মাদ ইবন মুছান্না (রহঃ) ... আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন যে, বাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তিন ব্যক্তির সাথে আল্লাহ্ তাআলা কিয়ামতের দিন কথা বলবেন না। বৃদ্ধ ব্যভিচারী, অহংকারী ফকীর এবং মিথ্যাবাদী নেতা।
اخبرنا محمد بن المثنى، قال حدثنا يحيى، عن ابن عجلان، قال سمعت ابي يحدث، عن ابي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ثلاثة لا يكلمهم الله عز وجل يوم القيامة الشيخ الزاني والعايل المزهو والامام الكذاب
আবু দাউদ (রহঃ) ... আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, চার ব্যক্তিকে আল্লাহ্ তাআলা অপছন্দ করেন - শপথকাৱী বিক্রেতা, অহংকারী ফকীর, বৃদ্ধ ব্যভিচারী এবং অত্যাচারী শাসক।
اخبرنا ابو داود، قال حدثنا عارم، قال حدثنا حماد، قال حدثنا عبيد الله بن عمر، عن سعيد المقبري، عن ابي هريرة، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " اربعة يبغضهم الله عز وجل البياع الحلاف والفقير المختال والشيخ الزاني والامام الجاير
আমর ইবন মানসূর (রহঃ)... আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বৰ্ণিত। তিনি বলেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, বিধবা এবং মিসকীনদের জন্য উপার্জনকারী ব্যক্তি আল্লাহর রাস্তায় জিহাদকারী ব্যক্তির ন্যায়।
اخبرنا عمرو بن منصور، قال حدثنا عبد الله بن مسلمة، قال حدثنا مالك، عن ثور بن زيد الديلي، عن ابي الغيث، عن ابي هريرة، قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " الساعي على الارملة والمسكين كالمجاهد في سبيل الله عز وجل
হান্নাদ ইবনুস সারি (রহঃ) ... আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন যে, আলী (রাঃ) ইয়ামেনে অবস্থানকালীন মাটি মিশ্ৰিত কিছু স্বর্ণ রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে পাঠালেন। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেগুলো চারজন ব্যক্তির মধ্যে বন্টন করে দিলেন, আকরা' ইবন হাবিস হানযালী, উওয়ায়না ইবন বদর ফাযারী, আলকামা ইবন উলাছা আমিরী পরবর্তীতে কিলাবী, এবং যায়ীদ ত্বায়ী (রাঃ) পরবর্তীতে নারহানী। তখন কুরায়শ বংশের লোকজন ব্লাগান্বিত হয়ে গেলেন। রাবী অন্যত্র বলেছেন, কুরায়শের সর্দারগণ রাগান্বিত হলেন। তারা বললেন যে, আপনি নাজদের সর্দারদেরকে দিচ্ছেন আর আমাদেরকে বাদ দিচ্ছেন? তিনি (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন যে, আমি এরকম করেছি তাদের হৃদয় আকৃষ্ট করার জন্য। এমন সময় ঘন শ্মাশ্রু, উন্নত চোয়াল, কোটেরাগত চক্ষু, উঁচু ললাট এবং মুণ্ডিত মাথা বিশিষ্ট এক ব্যক্তি এসে বলল যে, হে মুহাম্মাদ। আপনি আল্লাহ্ তা'আলাকে ভয় করেন। তিনি বললেন যে, যদি আমিই আল্লাহ তা'আলার অবাধ্য হই, তাহলে আর কে আল্লাহ্ তা'আলার বাধ্য হবে? আল্লাহ আঁআলা আমাকে পৃথিবীতে বিশ্বস্ত করে পাঠিয়েছেন আর তোমরা আমাকে বিশ্বস্ত মনে করছ না? অতঃপর সে ব্যক্তি চলে গেল এবং উপস্থিত লোকদের থেকে একজন তাকে হত্যা করার জন্য অনুমতি চাইলেন। লোকের ধারণা যে, অনুমতি প্রার্থনাকারী ছিলেন খালিদ ইবন ওয়ালীদ (রাঃ)। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন যে, এই ব্যক্তির ঔরসে এমন কিছু লোক জন্মগ্রহণ করতে পারে যারা কুরআন তিলাওয়াত করবে কিন্তু কুরআন তাদের কণ্ঠ অতিক্রম করবে না। তারা মুসলিমদেরকে হত্যা করবে এবং প্রতিমা পূজারীদেরকে ছেড়ে দেবে। তারা ইসলাম থেকে এরকমভাবে দূরে সরে যাবে, যে রকম তীর কামান থেকে দূরে সরে যায়। আমি যদি তাদেরকে পেতাম তাহলে তাদেরকে এমনভাবে হত্যা করতাম, যে রকমভাবে 'আদ গোত্রের লোকদেরকে হত্যা করা হয়েছিল।
اخبرنا هناد بن السري، عن ابي الاحوص، عن سعيد بن مسروق، عن عبد الرحمن بن ابي نعم، عن ابي سعيد الخدري، قال بعث علي وهو باليمن بذهيبة بتربتها الى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقسمها رسول الله صلى الله عليه وسلم بين اربعة نفر الاقرع بن حابس الحنظلي وعيينة بن بدر الفزاري وعلقمة بن علاثة العامري ثم احد بني كلاب وزيد الطايي ثم احد بني نبهان فغضبت قريش وقال مرة اخرى صناديد قريش فقالوا تعطي صناديد نجد وتدعنا . قال " انما فعلت ذلك لاتالفهم " . فجاء رجل كث اللحية مشرف الوجنتين غاير العينين ناتي الجبين محلوق الراس فقال اتق الله يا محمد . قال " فمن يطع الله عز وجل ان عصيته ايامنني على اهل الارض ولا تامنوني " . ثم ادبر الرجل فاستاذن رجل من القوم في قتله يرون انه خالد بن الوليد فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ان من ضيضي هذا قوما يقرءون القران لا يجاوز حناجرهم يقتلون اهل الاسلام ويدعون اهل الاوثان يمرقون من الاسلام كما يمرق السهم من الرمية لين ادركتهم لاقتلنهم قتل عاد
ইয়াহইয়া ইবন হাবীব (রহঃ) এবং আলী ইবন হুজার (রহঃ) ... কবীসা ইবন মুখারিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন যে, আমি একজনের পাওনা আদায় করে দেয়ার যামিন হয়েছিলাম। তখন আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে আসলাম এবং এ ব্যাপারে তার সাহায্য চাইলাম। তিনি বললেন, তিন ব্যক্তি ব্যতীত সাহায্য চাওয়া বৈধ নয়। এক ব্যক্তি হল, যে সমাজের কারো পাওনা আদায় করে দেওয়ার যামিন হয়েছে এবং এ ব্যাপারে অন্য কারো সাহায্য চায়, এবং ঐ সাহায্য দ্বারা উহা আদায় করে দেয়। এরপর সে সাহায্য চাওয়া থেকে বিরত থাকে ।
اخبرنا يحيى بن حبيب بن عربي، عن حماد، عن هارون بن رياب، قال حدثني كنانة بن نعيم، ح واخبرنا علي بن حجر، - واللفظ له - قال حدثنا اسماعيل، عن ايوب، عن هارون، عن كنانة بن نعيم، عن قبيصة بن مخارق، قال تحملت حمالة فاتيت النبي صلى الله عليه وسلم فسالته فيها فقال " ان المسالة لا تحل الا لثلاثة رجل تحمل بحمالة بين قوم فسال فيها حتى يوديها ثم يمسك
মুহাম্মদ ইবন নাদর (রহঃ) ... কাবীসা ইবন মুখারিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি একজনের পাওনা আদায় করে যামিন হয়েছিলাম এবং রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে এসে এ ব্যাপারে তাঁর সাহায্য চাইলাম। তিনি বললেন যে, হে কবীসা! তুমি আমার কাছে সাদাকার কোন মাল আসা পর্যন্ত অপেক্ষা কর; আসলেই আমি তােমাকে দিয়ে দেব। অতঃপর রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, হে কবীসা! সাদাকা তিন ব্যক্তি ছাড়া আর কারো জন্য বৈধ নয়; যে কারো পাওনা আদায় করে দেওয়ার যামিন হয়, তার জন্য সাহায্য চাওয়া বৈধ। যাতে সে নিজের আবশ্যকীয় প্রয়োজন মিটাতে পারে। যার উপর কোন বিপদ নিপতিত হয় এবং তার ধন-সম্পত্তি ধ্বংস হয়ে যায়। তার জন্য সাহায্য চাওয়া বৈধ, যাতে তার বিপদ দূর হয়ে যায়। অতঃপর সে সাহায্য চাওয়া থেকে বিরত হয়ে যায় এবং এমন অভাব্যগ্রস্থ ব্যক্তি যার সম্পর্কে তার গোত্রের তিনজন জ্ঞানী ব্যক্তি সাক্ষ্য দেয় যে, সে অভাবগ্ৰস্ত, তাহলে তার জন্যও সাহায্য চাওয়া বৈধ, যাতে সে নিজের আবশ্যকীয় প্রয়োজন মিটাতে পারে। হে কবীসা! এ তিন প্রকার ব্যক্তি ব্যতীত আর কারো জন্য সাহায্য চাওয়া বৈধ নয়। অন্য কেউ যদি সাহায্য নিয়ে খায় তাহলে সে হারাম খায়।
اخبرنا محمد بن النضر بن مساور، قال حدثنا حماد، عن هارون بن رياب، قال حدثني كنانة بن نعيم، عن قبيصة بن مخارق، قال تحملت حمالة فاتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم اساله فيها فقال " اقم يا قبيصة حتى تاتينا الصدقة فنامر لك " . قال ثم قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " يا قبيصة ان الصدقة لا تحل الا لاحد ثلاثة رجل تحمل حمالة فحلت له المسالة حتى يصيب قواما من عيش او سدادا من عيش ورجل اصابته جايحة فاجتاحت ماله فحلت له المسالة حتى يصيبها ثم يمسك ورجل اصابته فاقة حتى يشهد ثلاثة من ذوي الحجا من قومه قد اصابت فلانا فاقة فحلت له المسالة حتى يصيب قواما من عيش او سدادا من عيش فما سوى هذا من المسالة يا قبيصة سحت ياكلها صاحبها سحتا
যিয়াদ ইবন আইয়ূব (রহঃ) ... আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মিম্বারের উপর বসলেন, আমরাও তাঁর চারপাশে বসে গেলাম। তিনি বললেন, আমার পরবর্তীকালে তোমাদের অর্জিত পার্থিব ধন-দৌলতের আধিক্যে আমি আশংকিত। এক ব্যক্তি জিজ্ঞাসা করল যে, সে বিপর্যয়ের পরে কি আবার শান্তি আসবে? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কিছুক্ষণ চুপ করে রইলেন। তাকে (প্ৰশ্নকারীকে) বলা হল যে, তোমার কি হল তুমি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে কথা বলতে চাইলে আর তোমার সাথে কথা বললেন না। রাবী বলেন, আমরা দেখলাম যে, তখন তাঁর উপর ওহী অবতীর্ণ হচ্ছে। যখন ওহী অবতীর্ণ হয়ে গেল। তিনি ঘাম মুছতে মুছতে বললেন, প্রশ্নকারী কি উপস্থিত আছে? নিশ্চয়ই সে বিপর্যয়ের পর শান্তি আসবে না। কেননা দেখ, বসন্ত ঋতুতে ঘাস জন্মায় এবং তা মরেও যায় অথবা মরার পর্যয়ে এসে যায় অথচ ঘাস একটি উত্তম বস্তু কিন্তু কোন চতুষ্পদ জন্তু যখন তা অপরিমিত ভক্ষণ করে তখন বদহজমীর দরুন মৃত্যুমুখে পতিত হওয়ার উপক্রম হয় বা মরেই যায় কিন্তু কোন তৃণভোজি জন্তু যখন তা ভক্ষণ করে তখন তার পেট ভরে যায়। আর সে সূর্যের আলোতে বসে পড়ে, অতঃপর প্রশ্রাব করে এবং চড়ে বেড়ায়। অনুরূপভাবে এ সমস্ত মাল মুসলিমদের জন্য কত উত্তম উৎকৃষ্ট এবং উপকারী সাথী যদি তার থেকে ইয়াতীম মিসকীন এবং মুসাফিরকে দান করা হয়। আর যে ব্যক্তি অন্যায়ভাবে ধন-সম্পদ সঞ্চয় করে সে যেন আহার করল কিন্তু পরিতৃপ্ত হতে পারল না। আর এ ধন-সম্পদ কিয়ামতের দিন তার বিরুদ্ধে সাক্ষী হিসেবে দাঁড়াবে।
اخبرني زياد بن ايوب، قال حدثنا اسماعيل ابن علية، قال اخبرني هشام، قال حدثني يحيى بن ابي كثير، قال حدثني هلال، عن عطاء بن يسار، عن ابي سعيد الخدري، قال جلس رسول الله صلى الله عليه وسلم على المنبر وجلسنا حوله فقال " انما اخاف عليكم من بعدي ما يفتح لكم من زهرة " . وذكر الدنيا وزينتها فقال رجل اوياتي الخير بالشر فسكت عنه رسول الله صلى الله عليه وسلم فقيل له ما شانك تكلم رسول الله صلى الله عليه وسلم ولا يكلمك . قال وراينا انه ينزل عليه فافاق يمسح الرحضاء وقال " اشاهد السايل انه لا ياتي الخير بالشر وان مما ينبت الربيع يقتل او يلم الا اكلة الخضر فانها اكلت حتى اذا امتدت خاصرتاها استقبلت عين الشمس فثلطت ثم بالت ثم رتعت وان هذا المال خضرة حلوة ونعم صاحب المسلم هو ان اعطى منه اليتيم والمسكين وابن السبيل وان الذي ياخذه بغير حقه كالذي ياكل ولا يشبع ويكون عليه شهيدا يوم القيامة
মুহাম্মদ ইবন আব্দুল আ'লা (রহঃ) ... সালমান ইবন আমির (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মিসকীনকে দান করার মধ্যে শুধু সাদাকার সওয়াব রয়েছে আর আত্মীয়-স্বজনকে দান করার মধ্যে দুটি সওয়াব রয়েছে, দান করার সওয়াব এবং আত্মীয়াত্রার সম্পর্ক বজায় রাখার সওয়াব।
اخبرنا محمد بن عبد الاعلى، قال حدثنا خالد، قال حدثنا ابن عون، عن حفصة، عن ام الرايح، عن سلمان بن عامر، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " ان الصدقة على المسكين صدقة وعلى ذي الرحم اثنتان صدقة وصلة
বিশর ইবন খালিদ (রহঃ) ... আব্দুল্লাহ (রাঃ)-এর স্ত্রী যয়নাব (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মহিলাদের উদ্দেশ্য করে বলেছেনঃ তোমরা সাদাকা কর যদিও তা অলংকারই হােক না কেন। রাবী বলেন, আব্দুল্লাহ দরিদ্র ছিলেন, আমি তাঁকে বললাম, আমার সাদাকা। আপনাকে এবং আমার ইয়াতীম ভ্রাতুষ্পপুত্রদেরকে দেওয়ার অবকাশ আমার আছে কি? আব্দুল্লাহ (রাঃ) বললেনঃ তুমি এ সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞাসা কর। রাবী বলেন, তখন আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে আসলাম, এসে দেখলাম তাঁর দরজার সামনে যায়নব নাম্নী একজন আনসারী মহিলা দণ্ডায়মান। আমি যে ব্যাপারে প্রশ্ন করতে এসেছি তিনি সে ব্যাপারেই প্রশ্ন করছেন। আমাদের কাছে বিলাল (রাঃ) আসলেন, আমরা তাঁকে বললাম যে, আপনি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে গিয়ে এ ব্যাপারে তাঁকে জিজ্ঞাসা করুন। আর আমরা কারা তা তাঁকে বলবে না। তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে গেলেন। তিনি জিজ্ঞাসা করলেন যে, তারা কারা? বিলাল (রাঃ) বললেন, যয়নন। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ কোন যয়নব? তিনি বললেন, আব্দুল্লাহ (রাঃ)-এর স্ত্রী যযয়নব এবং আনসারী যায়নব। বললেন, হ্যাঁ; তাদের জন্য দু'টি সওয়াব রয়েছে, আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখার সওয়ার এবং দান করার সওয়াব।
اخبرنا بشر بن خالد، قال حدثنا غندر، عن شعبة، عن سليمان، عن ابي وايل، عن عمرو بن الحارث، عن زينب، امراة عبد الله قالت قال رسول الله صلى الله عليه وسلم للنساء " تصدقن ولو من حليكن " . قالت وكان عبد الله خفيف ذات اليد فقالت له ايسعني ان اضع صدقتي فيك وفي بني اخ لي يتامى فقال عبد الله سلي عن ذلك رسول الله صلى الله عليه وسلم . قالت فاتيت النبي صلى الله عليه وسلم فاذا على بابه امراة من الانصار يقال لها زينب تسال عما اسال عنه فخرج الينا بلال فقلنا له انطلق الى رسول الله صلى الله عليه وسلم فسله عن ذلك ولا تخبره من نحن . فانطلق الى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال " من هما " . قال زينب . قال " اى الزيانب " . قال زينب امراة عبد الله وزينب الانصارية قال " نعم لهما اجران اجر القرابة واجر الصدقة
আবু দাউদ (রহঃ) ... আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেছেনঃ তোমাদের কারো এক বোঝা কাষ্ঠ নিজ পিঠে বহন করে আনা এবং বিক্রি করা কারো কাছে ভিক্ষে চাওয়ার চেয়ে উত্তম। চাই সে ভিক্ষা দিক বা না দিক।
اخبرنا ابو داود، قال حدثنا يعقوب بن ابراهيم، قال حدثنا ابي، عن صالح، عن ابن شهاب، ان ابا عبيد، مولى عبد الرحمن بن ازهر اخبره انه، سمع ابا هريرة، يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لان يحتزم احدكم حزمة حطب على ظهره فيبيعها خير من ان يسال رجلا فيعطيه او يمنعه
মুহাম্মদ ইবন আব্দুল্লাহ (রহঃ) ... আব্দুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ যে ব্যক্তি সর্বদা ভিক্ষা করে বেড়ায় কিয়ামতের দিন তাকে এমন অবস্থায় উত্থিত করা হবে যে, তার চেহারায় গোশতের কোন টুকরাই থাকবে না।
اخبرنا محمد بن عبد الله بن عبد الحكم، عن شعيب، عن الليث بن سعد، عن عبيد الله بن ابي جعفر، قال سمعت حمزة بن عبد الله، يقول سمعت عبد الله بن عمر، يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ما يزال الرجل يسال حتى ياتي يوم القيامة ليس في وجهه مزعة من لحم
মুহাম্মদ ইবন উছমান (রহঃ) ... আয়িয ইবন আমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এসে ভিক্ষা চাইলে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে ভিক্ষা দিলেন। যখন সে দরজার চৌকাটে পা রেখে প্রস্থান করছিল রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, যদি তোমরা ভিক্ষার অপকারিতা সম্পর্কে জানতে তাহলে তোমাদের কেউ কারো কাছে কখনো কোন কিছু ভিক্ষা চাওয়ার জন্য যেতে না।
اخبرنا محمد بن عثمان بن ابي صفوان الثقفي، قال حدثنا امية بن خالد، قال حدثنا شعبة، عن بسطام بن مسلم، عن عبد الله بن خليفة، عن عايذ بن عمرو، ان رجلا، اتى النبي صلى الله عليه وسلم فساله فاعطاه فلما وضع رجله على اسكفة الباب قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لو تعلمون ما في المسالة ما مشى احد الى احد يساله شييا
কুতায়বা (রহঃ) ... ইবন ফিরাসী (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, ফিরাসী (রাঃ) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞাসা করলেনঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ্! আমি কি ভিক্ষা চাইব? তিনি বললেন, না। অগত্যা যদি চাইতেই হয় তবে নেককার লোকদের কাছে চাইবে।
اخبرنا قتيبة، قال حدثنا الليث، عن جعفر بن ربيعة، عن بكر بن سوادة، عن مسلم بن مخشي، عن ابن الفراسي، ان الفراسي، قال لرسول الله صلى الله عليه وسلم اسال يا رسول الله قال " لا وان كنت سايلا لا بد فاسال الصالحين
কুতায়াবা (রহঃ) ... আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, কিছুসংখ্যক আনসারী রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে ভিক্ষা চাইলে তিনি তাদেরকে ভিক্ষা দিলেন। অতঃপর আবার চাইলে আবারও দিলেন এমনিভাবে তাঁর কাছে যা ছিল সব শেষ হয়ে গেলে তিনি বললেন, আমার কাছে কোন কিছু থেকে থাকলে তোমাদেরকে নিশ্চয় দিতাম। এখন আমার কাছে আর দেওয়ার মত কিছুই নেই। যে ব্যক্তি ভিক্ষা থেকে দূরে থাকতে চায় আল্লাহ্ তা'আলা তাকে দূরেই রাখেন। আর যে ব্যক্তি ধৈৰ্যধারণ করে আল্লাহ্ তা'আলা তাকে ধৈর্যধারণ করার তৌফিক দেন। কাউকে ধৈর্য থেকে উত্তম কোন জিনিস দান করা হয়নি।
اخبرنا قتيبة، عن مالك، عن ابن شهاب، عن عطاء بن يزيد، عن ابي سعيد الخدري، ان ناسا، من الانصار سالوا رسول الله صلى الله عليه وسلم فاعطاهم ثم سالوه فاعطاهم حتى اذا نفد ما عنده قال " ما يكون عندي من خير فلن ادخره عنكم ومن يستعفف يعفه الله عز وجل ومن يصبر يصبره الله وما اعطي احد عطاء هو خير واوسع من الصبر
আলী ইবন শুআয়ব (রহঃ) ... আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ঐ সত্তার কসম যার হাতে আমার জীবন, তোমাদের কারো স্বীয় রশি দ্বারা কাঠ কেটে পিঠে বহন করে আনা তার জন্য এর চেয়ে উত্তম, যে আল্লাহর দেওয়া ধন-সম্পত্তির অধিকারী কোন ব্যক্তির কাছে এসে তার কাছে ভিক্ষা চাইবে, সে হয়তো ভিক্ষা দেবে নয়তো দেবে না।
اخبرنا علي بن شعيب، قال انبانا معن، قال انبانا مالك، عن ابي الزناد، عن الاعرج، عن ابي هريرة، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " والذي نفسي بيده لان ياخذ احدكم حبله فيحتطب على ظهره خير له من ان ياتي رجلا اعطاه الله عز وجل من فضله فيساله اعطاه او منعه
আমর ইবন আলী (রহঃ) ... সাওবান (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আমাকে একটি কথার প্রতিশ্রুতি দেবে তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব হয়ে যাবে, ইয়াহইয়া (রহঃ) বলেন, এখানে এমন এক বাক্য রয়েছে যার অর্থ মানুষের কাছে কোন কিছু না চাওয়া।
اخبرنا عمرو بن علي، قال حدثنا يحيى، قال حدثنا ابن ابي ذيب، حدثني محمد بن قيس، عن عبد الرحمن بن يزيد بن معاوية، عن ثوبان، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من يضمن لي واحدة وله الجنة " . قال يحيى ها هنا كلمة معناها ان لا يسال الناس شييا
হিশাম ইন আম্মার (রহঃ) ... কাবীসা ইবন মুখারিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন যে, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছিঃ তিন ব্যক্তি ছাড়া আর কারাে জন্য সাহায্য চাওয়া বৈধ নয়। যে বিপদগ্রস্ত হয়ে পড়েছে। সে সাহায্য চেয়ে স্বীয় প্রয়ােজন মিটাতে পারবে, অতঃপর সাহায্য চাওয়া থেকে বিরত থাকবে। যে কারাে পাওনার যামিন হয়েছে। সে সাহায্য চেয়ে সে পাওনা আদায় করে দেবে, পাওনা আদায় করে দেওয়ার পর আর সাহায্য চাওয়া থেকে বিরত থাকবে। আর ঐ ব্যক্তি যার সম্পর্কে তার সমাজের তিনজন জ্ঞানী ব্যক্তি আল্লাহর নামে কসম করে বলে যে, অমুকের জন্য সাহায্য চাওয়া বৈধ হবে, তাহলে সে সাহায্য চেয়ে স্বীয় প্রয়ােজন মিটাবে। অতঃপর সাহায্য চাওয়া থেকে বিরত থাকবে। এরা ছাড়া অন্য কেউ যদি সাহায্য চায় তাহলে তা তার জন্য হারাম হবে।
اخبرنا هشام بن عمار، قال حدثنا يحيى، - وهو ابن حمزة - قال حدثني الاوزاعي، عن هارون بن رياب، انه حدثه عن ابي بكر، عن قبيصة بن مخارق، قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " لا تصلح المسالة الا لثلاثة رجل اصابت ماله جايحة فيسال حتى يصيب سدادا من عيش ثم يمسك ورجل تحمل حمالة فيسال حتى يودي اليهم حمالتهم ثم يمسك عن المسالة ورجل يحلف ثلاثة نفر من قومه من ذوي الحجا بالله لقد حلت المسالة لفلان فيسال حتى يصيب قواما من معيشة ثم يمسك عن المسالة فما سوى ذلك سحت
আহমদ ইবন সুলায়মান (রহঃ) ... আব্দুল্লাহ ইবন মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি সাহায্য চায় অথচ তার কাছে এই পরিমাণ মাল আছে যাতে তার প্রয়োজন মিটে যায়, তাহলে কিয়ামতের দিন সে মুখে ক্ষত অবস্থায় উত্থিত হবে। প্রশ্ন করা হল যে, কতটুকু মাল দ্বারা প্রয়োজন মিটে যায়? তিনি বললেন, পঞ্চাশ দিরহামে বা তার সমপরিমাণ স্বর্ণ।
اخبرنا احمد بن سليمان، قال حدثنا يحيى بن ادم، قال حدثنا سفيان الثوري، عن حكيم بن جبير، عن محمد بن عبد الرحمن بن يزيد، عن ابيه، عن عبد الله بن مسعود، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من سال وله ما يغنيه جاءت خموشا او كدوحا في وجهه يوم القيامة " . قيل يا رسول الله وماذا يغنيه او ماذا اغناه قال " خمسون درهما او حسابها من الذهب " . قال يحيى قال سفيان وسمعت زبيدا يحدث عن محمد بن عبد الرحمن بن يزيد
হুসায়ন ইবন হুরায়াছ (রহঃ) ... মুআবিয়া (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা সাহায্য চাইতে গিয়ে পীড়াপীড়ি করবে না। আর তোমাদের কেউ আমার কাছে এমন জিনিস চাইবে না যা আমি অপছন্দনীয় মনে করি, তাহলে আমি তাকে যা দেব আল্লাহ তা’আলা তাতে বরকত দেবেন।
اخبرنا الحسين بن حريث، قال انبانا سفيان، عن عمرو، عن وهب بن منبه، عن اخيه، عن معاوية، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " لا تلحفوا في المسالة ولا يسالني احد منكم شييا وانا له كاره فيبارك له فيما اعطيته
আহমদ ইবন সুলায়মান (রহঃ) ... আমর ইবন শুআয়ব (রহঃ)-তার পিতার মাধ্যমে তার দাদা থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন যে, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি সাহায্য চায় অথচ তার চল্লিশটি দিরহাম রয়েছে সেই পীড়াপীড়িকারী।
اخبرنا احمد بن سليمان، قال انبانا يحيى بن ادم، عن سفيان بن عيينة، عن داود بن شابور، عن عمرو بن شعيب، عن ابيه، عن جده، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من سال وله اربعون درهما فهو الملحف