Loading...

Loading...
বইসমূহ
৭৩ হাদিসসমূহ
। আলী (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রসুন রান্না না করে (কাঁচা) খেতে নিষেধ করা হয়েছে। সহীহ, ইরওয়া
حدثنا محمد بن مدويه، حدثنا مسدد، حدثنا الجراح بن مليح، والد، وكيع، عن ابي اسحاق، عن شريك بن حنبل، عن علي، انه قال نهي عن اكل الثوم، الا مطبوخا
। আলী (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেনঃ রান্না করা ব্যতীত রসুন খাওয়া ঠিক নয়। যঈফ, প্রাগুক্ত আবূ ঈসা বলেছেন, এ হাদীসের সনদ খুব একটা মজবুত নয়। আলী (রাঃ)-এর বিবৃতি হিসেবেও হাদীসটি বর্ণিত হয়েছে। শারীকের এ হাদীসটি মুরসাল হিসেবেও বর্ণিত হয়েছে। মুহাম্মাদ বলেছেন, আল-জাররাহ ইবনু মালীহ সত্যবাদী এবং আল-জাররাহ ইবনুয যাহহাক হাদীস শাস্ত্রে গ্রহণযোগ্য ব্যক্তি।
حدثنا هناد، حدثنا وكيع، عن ابيه، عن ابي اسحاق، عن شريك بن حنبل، عن علي، قال لا يصلح اكل الثوم الا مطبوخا . قال ابو عيسى هذا الحديث ليس اسناده بذلك القوي وقد روي هذا عن علي قوله وروي عن شريك بن حنبل عن النبي صلى الله عليه وسلم مرسلا . قال محمد الجراح بن مليح صدوق والجراح بن الضحاك مقارب الحديث
। উম্মু আইয়ূব (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের মেহমান হলেন। তারা তার জন্য সুস্বাদু খাবার রান্না করেন। তার মধ্যে এই (পিয়াজ-রসুনের) সবজীরও কিছু অংশ ছিল। তিনি তা খেতে অপছন্দ করলেন। তিনি তার সাহাবীদের বললেনঃ তোমরা এটা খাও। আমি তোমাদের কারো মতো নই। আমার আশংকা হচ্ছে (এটা খাওয়ার কারণে) আমার সার্থীকে (ফেরেশতার) কষ্টে ফেলতে পারি। হাসান, ইবনু মা-জাহ (৩৩৬৪) এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ গারীব বলেছেন। উম্মু আইয়ূব (রাঃ) হলেন আবূ আইয়ুব আনসারী (রাঃ)-এর স্ত্রী।
حدثنا الحسن بن الصباح البزار، حدثنا سفيان بن عيينة، عن عبيد الله بن ابي يزيد، عن ابيه، ان ام ايوب، اخبرته ان النبي صلى الله عليه وسلم نزل عليهم فتكلفوا له طعاما فيه من بعض هذه البقول فكره اكله فقال لاصحابه " كلوه فاني لست كاحدكم اني اخاف ان اوذي صاحبي " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح غريب . وام ايوب هي امراة ابي ايوب الانصاري
। আবূল আলিয়া হতে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ রসুন হালাল খাদ্যের অন্তর্ভুক্ত। সনদ দুর্বল ও বিচ্ছিন্ন। আবূ খালদার নাম খালিদ ইবনু দীনার। হাদীস বিশারদদের নিকট তিনি বিশ্বস্থ রাবী। তিনি আনাস ইবনু মালিকের দেখা পেয়েছেন এবং তার নিকট হতে হাদীস বর্ণনা করেছেন। আবূল আলিয়ার নাম রুফাঈ আর-রিযাহী। আব্দুর রহমান ইবনু মাহদী বলেন, আবূ খালদাহ একজন উত্তম মুসলিম ছিলেন।
حدثنا محمد بن حميد، حدثنا زيد بن الحباب، عن ابي خلدة، عن ابي العالية، قال الثوم من طيبات الرزق . وابو خلدة اسمه خالد بن دينار وهو ثقة عند اهل الحديث وقد ادرك انس بن مالك وسمع منه وابو العالية اسمه رفيع هو الرياحي قال عبد الرحمن بن مهدي كان ابو خلدة خيارا مسلما
। জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা (শোয়ার আগে) ঘরের দরজা বন্ধ করে দিও, পানির পাত্রের মুখ ঢেকে বা বেঁধে দিও, থালাগুলো উপুর করে রেখ অথবা ঢেকে দিও এবং আলো নিভিয়ে দিও। কেননা শাইতান বন্ধ দরজা খুলতে পারে না। মশকের বন্ধ মুখ উদম করতে পারে না এবং পাত্রের মুখ খুলতে পারে না। (আলো না নিভালে) মানুষের ঘরে দুষ্টু ইদুর আগুন লাগিয়ে দেয়। সহীহ, ইবনু মা-জাহ (৩৪১), মুসলিম ইবনু উমার, আবূ হুরাইরা ও ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন। এ হাদীসটি জাবির (রাঃ) হতে অপরাপর সূত্রেও বর্ণিত হয়েছে।
حدثنا قتيبة، عن مالك بن انس، عن ابي الزبير، عن جابر، قال قال النبي صلى الله عليه وسلم " اغلقوا الباب واوكيوا السقاء واكفيوا الاناء او خمروا الاناء واطفيوا المصباح فان الشيطان لا يفتح غلقا ولا يحل وكاء ولا يكشف انية وان الفويسقة تضرم على الناس بيتهم " . قال وفي الباب عن ابن عمر وابي هريرة وابن عباس . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح وقد روي من غير وجه عن جابر
। সালিম (রহঃ) হতে তার বাবার সূত্রে বর্ণিত আছে, তিনি (আবদুল্লাহ) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ শোয়ার সময় তোমরা তোমাদের ঘরে আগুন জ্বলিয়ে রেখ না। সহীহ, সহীহুল আদাব (৯৩৮), নাসা-ঈ এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন।
حدثنا ابن ابي عمر، وغير، واحد، قالوا حدثنا سفيان، عن الزهري، عن سالم، عن ابيه، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لا تتركوا النار في بيوتكم حين تنامون " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح
। ইবনু উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, (একই থালায় একসাথে খেতে বসলে) সাখীর সম্মতি ছাড়া একসাথে দুটি খেজুর খেতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিষেধ করেছেন। সহীহ, ইবনু মা-জাহ (৩৩৩১), সহীহা (২৩২৩), নাসা-ঈ আবূ বাকর (রাঃ)-এর আযাদকৃত দাস সা'দ (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন।
حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا ابو احمد الزبيري، وعبيد الله، عن الثوري، عن جبلة بن سحيم، عن ابن عمر، قال نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم ان يقرن بين التمرتين حتى يستاذن صاحبه . قال وفي الباب عن سعد مولى ابي بكر . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح
। আইশা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ খেজুরহীন ঘরের মানুষেরা যেন অনাহারী। সহীহ, সহীহা (১৭৭৬), মুসলিম আবূ রাফির স্ত্রী সালমা (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা উল্লেখিত সনদসূত্রে হাসান গারীব বলেছেন। আমরা এ হাদীসটি শুধুমাত্র এই সূত্রে হিশাম ইবনু উরওয়ার রিওয়ায়াত হিসাবে জেনেছি। আমি (তিরমিয়ী) বুখারী (রাহঃ)-কে এ ব্যতীত অন্য কেউ এ হাদীস বর্ণনা করেছে বলে আমার জানা নেই।
حدثنا محمد بن سهل بن عسكر البغدادي، وعبد الله بن عبد الرحمن، قالا حدثنا يحيى بن حسان، حدثنا سليمان بن بلال، عن هشام بن عروة، عن ابيه، عن عايشة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " بيت لا تمر فيه جياع اهله " . قال وفي الباب عن سلمى امراة ابي رافع . قال ابو عيسى هذا حديث حسن غريب لا نعرفه من حديث هشام بن عروة الا من هذا الوجه . قال وسالت البخاري عن هذا الحديث فقال لا اعلم احدا رواه غير يحيى بن حسان
। আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোন কিছু খেয়ে অথবা কিছু পান করে বান্দাহ আল্লাহ্ তা'আলার প্রশংসা করলে অবশ্যই তিনি তার উপর সন্তুষ্ট হন। সহীহ, ইবনু মা-জাহ (১৬৫১), মুসলিম উকবা ইবনু আমির, আবূ সাঈদ, আইশা, আবূ আইয়ূব ও আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান বলেছেন। এ হাদীসটি বিভিন্ন সূত্রে যাকারিয়্যা ইবনু আবী যাইদা হতে বর্ণিত হয়েছে। আমরা এ হাদীসটি শুধু যাকারিয়্যা ইবনু আবী যাইদার রিওয়ায়াত হিসাবে জেনেছি।
حدثنا هناد، ومحمود بن غيلان، قالا حدثنا ابو اسامة، عن زكريا بن ابي زايدة، عن سعيد بن ابي بردة، عن انس بن مالك، ان النبي صلى الله عليه وسلم قال " ان الله ليرضى عن العبد ان ياكل الاكلة او يشرب الشربة فيحمده عليها " . قال وفي الباب عن عقبة بن عامر وابي سعيد وعايشة وابي ايوب وابي هريرة . قال ابو عيسى هذا حديث حسن . وقد رواه غير واحد عن زكريا بن ابي زايدة نحوه ولا نعرفه الا من حديث زكريا بن ابي زايدة
। জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক কুষ্ঠ রোগীর হাত ধরে তাকে নিজের সাথে একই পাত্রে খাওয়াতে বসান। অতঃপর তিনি বললেনঃ আল্লাহ্ তা'আলার নামে আল্লাহ্ তা'আলার উপর আস্থা রেখে এবং (প্রতিটি ব্যাপারে) তার উপর ভরসা করে খাও। যঈফ, ইবনু মাজাহ (৩৫৪২) আবূ ঈসা বলেছেন, এ হাদীসটি গারীব। আমরা শুধু ইউনুস ইবনু মুহাম্মাদ-আল-মুফাযযাল ইবনু ফাযালার সূত্রে বর্ণিত হাদীসের মাধ্যমেই এ প্রসঙ্গে জেনেছি। মুফাযযাল ইবনু ফাযালা (রাহঃ) বসরার একজন শাইখ (হাদীসের উস্তাদ)। আর অপর একজন আল-মুফাযযাল ইবনু ফাযালা আছেন তিনিও বসরার শাইখ এবং তিনি বসরার এই শাইখের চেয়ে বেশী নির্ভরযোগ্য ও প্রসিদ্ধ। শুবাও এ হাদীসটি হাবীব ইবনুশ শহীদ-ইবনু বুরাইদার সূত্রে বর্ণনা করেছেন এবং তাতে আছে, উমার (রাঃ) জনৈক কুষ্ঠ রোগীর হাত ধরলেন.....। আমার মতে শুবার হাদীসটিই অনেক বেশী সুপ্রমাণিত ও সহীহ।
حدثنا احمد بن سعيد الاشقر، وابراهيم بن يعقوب، قالا حدثنا يونس بن محمد، حدثنا المفضل بن فضالة، عن حبيب بن الشهيد، عن محمد بن المنكدر، عن جابر بن عبد الله، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم اخذ بيد مجذوم فادخله معه في القصعة ثم قال " كل بسم الله ثقة بالله وتوكلا عليه " . قال ابو عيسى هذا حديث غريب لا نعرفه الا من حديث يونس بن محمد عن المفضل بن فضالة . والمفضل بن فضالة هذا شيخ بصري والمفضل بن فضالة شيخ اخر مصري اوثق من هذا واشهر . وقد روى شعبة هذا الحديث عن حبيب بن الشهيد عن ابن بريدة ان ابن عمر اخذ بيد مجذوم وحديث شعبة اثبت عندي واصح
। ইবনু উমর (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ সাত পাকস্থলী ভর্তি করে কাফির খাদ্যদ্রব্য গ্রহণ করে, আর একটিমাত্র পাকস্থলী ভর্তি করে মুমিন খাদ্যদ্রব্য গ্রহণ করে। সহীহ, ইবনু মা-জাহ (৩২৫৭), নাসা-ঈ এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন। আবূ হুরাইরা, আবূ সাঈদ, আবূ বাসরাহ আল-গিফারী, আবূ মূসা, জাহজাহ আল-গিফারী, মাইমূনা ও আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীসটি বর্ণিত আছে।
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا يحيى بن سعيد، حدثنا عبيد الله، عن نافع، عن ابن عمر، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " الكافر ياكل في سبعة امعاء والمومن ياكل في معى واحد " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح . قال وفي الباب عن ابي هريرة وابي سعيد وابي بصرة الغفاري وابي موسى وجهجاه الغفاري وميمونة وعبد الله بن عمرو
। আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, একবার একজন কাফির রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বাসায় মেহমান হন। তার জন্য একটি ছাগল দোহন করাতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হুকুম করেন। ছাগল দোহনের পর সে সবটুকু দুধ পান করে। আরেকটি ছাগল দোহন করলে সে তার দুধও পান করে। তৃতীয় ছাগল দোহন করলে সে তার দুধও পান করে। এরকমভাবে সে একটানা সাতটি ছাগলের দুধ পান করে শেষ করে ফেলে। পরের দিন সকালে সে ইসলাম কুবুল করে। তার জন্য একটি ছাগল দোহন করতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হুকুম দেন। ছাগল দোহনের পর সে তা পান করে। তার জন্য তিনি আরো একটি ছাগলের দোহন করতে হুকুম দেন। কিন্তু সে তা পান করে আর শেষ করতে পারল না। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ মু'মিন লোক একটি পাকস্থলী ভর্তি করে খাদ্য গ্রহণ করে, আর কাফির লোক সাতটি পাকস্থলী ভর্তি করে খাদ্য গ্রহণ করে। সহীহ, ইবনু মা-জাহ (৩২৫৬), নাসা-ঈ এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা সুহাইলের হাদীস হিসেবে হাসান সহীহ গারীব বলেছেন।
حدثنا اسحاق بن موسى الانصاري، حدثنا معن، حدثنا مالك، عن سهيل بن ابي صالح، عن ابيه، عن ابي هريرة، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم ضافه ضيف كافر فامر له رسول الله صلى الله عليه وسلم بشاة فحلبت فشرب ثم اخرى فشربه ثم اخرى فشربه حتى شرب حلاب سبع شياه ثم اصبح من الغد فاسلم فامر له رسول الله صلى الله عليه وسلم بشاة فحلبت فشرب حلابها ثم امر له باخرى فلم يستتمها فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " المومن يشرب في معى واحد والكافر يشرب في سبعة امعاء " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح غريب من حديث سهيل
। আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ দু'জন ব্যক্তির খাদ্য তিনজনের জন্য পর্যাপ্ত এবং তিনজন ব্যক্তির খাদ্য চারজনের জন্য পর্যাপ্ত হতে পারে। সহীহ, সহীহা (১৬৮৬), নাসা-ঈ জাবির ও ইবনু উমর (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন। জাবির ও ইবনু উমর (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ একজন ব্যক্তির খাদ্য দু'জনের জন্য পর্যাপ্ত, দু’জন ব্যক্তির খাদ্য চারজনের জন্য পর্যাপ্ত এবং চারজন ব্যক্তির খাদ্য আটজনের জন্য পর্যাপ্ত হতে পারে। মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার আব্দুর রাহমান ইবনু মাহদী হতে, তিনি সুফিয়ান হতে, তিনি আমাশ হতে, তিনি আবূ সুফিয়ান হতে, তিনি জাবির হতে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে এটি বর্ণনা করেছেন। সহীহ, প্রাগুক্ত, মুসলিম
। আবদুল্লাহ ইবনু আবী আওফা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, ফরিং (খাওয়া) প্রসঙ্গে তাকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, আমি ছয়টি যুদ্ধে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে অংশগ্রহণ করেছি। আমরা ফরিং খেয়েছি। সহীহ, নাসা-ঈ আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি আবূ ইয়াফুর (রহঃ)-এর সূত্রে সুফিয়ান ইবনু উয়াইনা (রহঃ) একইরকম বর্ণনা করেছেন এবং ছয়টি যুদ্ধের কথা সেখানে উল্লেখ করেছেন। এই হাদীসটি আবূ ইয়াফুর (রহঃ)-এর সূত্রে সুফিয়ান সাওরী প্রমুখ বর্ণনা করেছেন এবং সেখানে সাতটি যুদ্ধের কথা উল্লেখ করেছেন।
حدثنا احمد بن منيع، حدثنا سفيان، عن ابي يعفور العبدي، عن عبد الله بن ابي اوفى، انه سيل عن الجراد، فقال غزوت مع النبي صلى الله عليه وسلم ست غزوات ناكل الجراد . قال ابو عيسى هكذا روى سفيان بن عيينة عن ابي يعفور هذا الحديث وقال ست غزوات وروى سفيان الثوري وغير واحد هذا الحديث عن ابي يعفور فقال سبع غزوات . قال وفي الباب عن ابن عمر وجابر . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح . وابو يعفور اسمه واقد ويقال وقدان ايضا وابو يعفور الاخر اسمه عبد الرحمن بن عبيد بن نسطاس
। ইবনু আবী আওফা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমরা সাতটি যুদ্ধে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে অংশগ্রহণ করেছি। এ সময় আমরা ফড়িং খেয়েছি। সহীহ, নাসা-ঈ আবূ ঈসা বলেন, এই হাদীসটি শুবা আবূ ইয়াফুর হতে, তিনি ইবনু আবী আওফা (রাঃ) হতে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, আমরা সাতটি যুদ্ধে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে অংশগ্রহণ করি। এ সময় আমরা ফড়িং খেয়েছি। ইবনু উমার ও জাবির (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। আবূ ঈসা এ হাদীসটিকে হাসান সহীহ বলেছেন। আবূ ইয়াফুরের নাম ওয়াকিদ মতান্তরে ওয়াকদান। অপর এক আবূ ইয়াফুরের নাম আবদুর রাহমান, বাবা উবাইদ, দাদা বিসতাস।
حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا ابو احمد، والمومل، قالا حدثنا سفيان، عن ابي يعفور، عن ابن ابي اوفى، قال غزونا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم سبع غزوات ناكل الجراد . قال ابو عيسى وروى شعبة، هذا الحديث عن ابي يعفور، عن ابن ابي اوفى، قال غزوت مع رسول الله صلى الله عليه وسلم غزوات ناكل الجراد . حدثنا بذلك محمد بن بشار حدثنا محمد بن جعفر حدثنا شعبة بهذا
। জাবির ইবনু আবদুল্লাহ ও আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তাড়া উভয়ে বলেছেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পঙ্গপালকে বদদু'আ করলে এভাবে বলতেনঃ “হে আল্লাহ! পঙ্গপালকে ধ্বংস করুন, এদের বড়গুলোকে হত্যা করুন, ছোটগুলোকে ধ্বংস করুন, এর ডিমগুলো বিনষ্ট করুন এবং তা সমূলে নিশ্চিহ্ন করুন, আমাদের জীবনযাত্রার উপকরণ ও রিযিক হতে সেগুলোর মুখ ফিরিয়ে রাখুন। অবশ্যই আপনি দু'আ শ্রবণকারী”। তখন এক ব্যক্তি বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি কিভাবে আল্লাহ্ তা'আলার সৈন্যবাহিনীর অন্তর্ভুক্ত একটি দলের মূলোচ্ছেদের জন্য দু'আ করতে পারেন? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ ওগুলো হচ্ছে সমুদ্রের মাছের ঝাকের ন্যায়। আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি গারীব। আমরা শুধু উপরোক্ত সূত্রেই এই হাদীস প্রসঙ্গে জেনেছি। মূসা ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু ইবরাহীম আত-তাইনীর সমালোচনা করা হয়েছে। তিনি বহু গারীব ও মুনকার হাদীস বর্ণনাকারী। তার পিতা মুহাম্মাদ ইবনু ইবরাহীম নির্ভরযোগ্য রাবী এবং তিনি মাদীনার অধিবাসী।
حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا ابو النضر، هاشم بن القاسم قال حدثنا زياد بن عبد الله بن علاثة، عن موسى بن محمد بن ابراهيم التيمي، عن ابيه، عن جابر بن عبد الله، وانس بن مالك، قالا كان رسول الله صلى الله عليه وسلم اذا دعا على الجراد قال " اللهم اهلك الجراد اقتل كباره واهلك صغاره وافسد بيضه واقطع دابره وخذ بافواههم عن معاشنا وارزاقنا انك سميع الدعاء " . قال فقال رجل يا رسول الله كيف تدعو على جند من اجناد الله بقطع دابره قال فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " انها نثرة حوت في البحر " . قال ابو عيسى هذا حديث غريب لا نعرفه الا من هذا الوجه . وموسى بن محمد بن ابراهيم التيمي قد تكلم فيه وهو كثير الغرايب والمناكير وابوه محمد بن ابراهيم ثقة وهو مدني
। ইবনু উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, জাল্লালার (পায়খানা খেতে অভ্যস্ত গৃহপালিত প্রাণী) গোশত খেতে ও তার দুধ পান করতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিষেধ করেছেন। সহীহ, ইবনু মা-জাহ (৩১৮৯) ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান গারীব বলেছেন। এ হাদীসটি সুফিয়ান সাওরী-ইবনু আবী নাজীহ হতে, তিনি মুজাহিদ হতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সূত্রে মুরসাল হিসাবে বর্ণনা করেছেন।
حدثنا هناد، حدثنا عبدة، عن محمد بن اسحاق، عن ابن ابي نجيح، عن مجاهد، عن ابن عمر، قال نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن اكل الجلالة والبانها . قال وفي الباب عن عبد الله بن عباس . قال ابو عيسى هذا حديث حسن غريب . وروى الثوري عن ابن ابي نجيح عن مجاهد عن النبي صلى الله عليه وسلم مرسلا
। ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিষিদ্ধ করেছেনঃ চাদমারির (নিশানার) লক্ষ্যবস্তু বানিয়ে তীর মেরে হত্যা করা প্রাণী খেতে, জাল্লালার (পায়খানা খেতে অভ্যস্ত হয়ে পড়া পশু) দুধ পান করতে এবং কলসের মুখে মুখ লাগিয়ে পানি পান করতে। সহীহ, ইরওয়া (২৫০৩), সহীহা (২৩৯১) মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনু আদী, তিনি সাঈদ ইবনু আবী আরুরা হতে, তিনি কাতাদা হতে, তিনি ইকরিমা হতে, তিনি ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সূত্রেও অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন। আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে।
। যাহদাম আল-জারমী (রহঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমি আবূ মূসা (রাঃ)-এর সামনে গেলাম। তিনি তখন মুরগীর গোশত খাচ্ছিলেন। তিনি বললেন, আমার সামনে এগিয়ে এসো এবং খাবারে অংশগ্রহণ কর। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে আমি মুরগীর গোশত খেতে দেখেছি। সহীহ, ইরওয়া (২৪৯৯), নাসা-ঈ এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান বলেছেন। যাহদাম হতে একাধিক সূত্রে এ হাদীসটি বর্ণিত হয়েছে। আমরা শুধু যাহদামের সূত্রেই উক্ত হাদীসটি বর্ণিত পেয়েছি। আবূল আওয়্যামের নাম ইমরান আল-কাত্তান।
حدثنا زيد بن اخزم الطايي، حدثنا ابو قتيبة، عن ابي العوام، عن قتادة، عن زهدم الجرمي، قال دخلت على ابي موسى وهو ياكل دجاجا فقال ادن فكل فاني رايت رسول الله صلى الله عليه وسلم ياكله . قال ابو عيسى هذا حديث حسن . وقد روي هذا الحديث من غير وجه عن زهدم ولا نعرفه الا من حديث زهدم . وابو العوام هو عمران القطان
। আবূ মূসা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে আমি মোরগের গোশত ভক্ষণ করতে দেখেছি। সহীহ, দেখুন পূর্বের হাদীস আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটিতে আরো লম্বা বক্তব্য আছে। এ হাদীসটি হাসান সহীহ। এ হাদীসটি আল-কাসিম আত-তামীমী হতে, তিনি আবূ কিলাবা হতে, তিনি যাহদাম (রাহঃ) হতে এ সূত্রেও আইয়ূব আস-সাখতিয়ানী বর্ণনা করেছেন।
حدثنا هناد، حدثنا وكيع، عن سفيان، عن ايوب، عن ابي قلابة، عن زهدم، عن ابي موسى، قال رايت رسول الله صلى الله عليه وسلم ياكل لحم دجاج . قال وفي الحديث كلام اكثر من هذا . وهذا حديث حسن صحيح . وقد روى ايوب السختياني هذا الحديث ايضا عن القاسم التميمي وعن ابي قلابة عن زهدم (الجرمي)