Loading...

Loading...
বইসমূহ
১০২ হাদিসসমূহ
। উম্মু মুবাশশির (রাঃ) বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট প্রবেশ করলাম। অতঃপর তিনি মাখলাদ ইবনু খালিদের হাদীসের অর্থানুরূপ বর্ণনা করেন জাবির (রাঃ)-এর হাদীসের মতই। বর্ণনাকারী বলেন, বিশর ইবনুল বারাআ ইবনু মা‘রূর (রাঃ) মারা গেলে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইয়াহুদী মহিলাকে ডেকে এনে প্রশ্ন করেনঃ তুমি যা করেছো তা করতে কিসে তোমাকে প্ররোচিত করেছে? অতঃপর জাবির (রাঃ) বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার সম্পর্কে নির্দেশ দিলে পরে তাকে হত্যা করা হয়। বর্ণনাকারী এখানে রক্তমোক্ষণের কথা উল্লেখ করেননি।[1] সনদ সহীহ।
حدثنا احمد بن حنبل، حدثنا ابراهيم بن خالد، حدثنا رباح، عن معمر، عن الزهري، عن عبد الرحمن بن عبد الله بن كعب بن مالك، عن امه، ان ام مبشر، - قال ابو سعيد بن الاعرابي كذا قال عن امه، والصواب، عن ابيه، عن ام مبشر، - دخلت على النبي صلى الله عليه وسلم فذكر معنى حديث مخلد بن خالد نحو حديث جابر قال فمات بشر بن البراء بن معرور فارسل الى اليهودية فقال " ما حملك على الذي صنعت " . فذكر نحو حديث جابر فامر بها رسول الله صلى الله عليه وسلم فقتلت ولم يذكر الحجامة
। সামুরাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যে ব্যক্তি তার দাসকে হত্যা করবে আমরা তাকে হত্যা করবো এবং যে তার দাসের অঙ্গহানি করবে আমরাও তার মতই অঙ্গহানি করবো।[1] দুর্বলঃ যঈফাহ হা/ ৩৪৭৩।
حدثنا علي بن الجعد، حدثنا شعبة، ح وحدثنا موسى بن اسماعيل، حدثنا حماد، عن قتادة، عن الحسن، عن سمرة، ان النبي صلى الله عليه وسلم قال " من قتل عبده قتلناه ومن جدع عبده جدعناه
। কাতাদাহ (রহঃ) সূত্রে অনুরূপ হাদীস বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি তার গোলামকে নিবীর্য করবে (অন্ডকোষ কাটবে) আমরাও তাকে নিবীর্য করবো। অতঃপর হাদীসের বাকি অংশ শু‘বাহ ও হাম্মাদের হাদীসের মতই।[1] দুর্বল।
حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا معاذ بن هشام، حدثني ابي، عن قتادة، باسناده مثله قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من خصى عبده خصيناه " . ثم ذكر مثل حديث شعبة وحماد . قال ابو داود ورواه ابو داود الطيالسي عن هشام مثل حديث معاذ
। কাতাদাহ (রহঃ) থেকে শু‘বাহ (রহঃ) সূত্রে পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত। এতে আরো রয়েছেঃ পরবর্তীতে আল-হাসান (রহঃ) হাদীসটি ভুলে যান। তাই তিনি বলতেন, গোলাম হত্যার অপরাধে স্বাধীন ব্যক্তিকে হত্যা করা যাবে না।[1] সহীহ মাকতু।
حدثنا الحسن بن علي، حدثنا سعيد بن عامر، عن ابن ابي عروبة، عن قتادة، باسناد شعبة مثله زاد ثم ان الحسن نسي هذا الحديث فكان يقول " لا يقتل حر بعبد
। আর হাসান (রহঃ) বলেন, দাস হত্যার অপরাধে স্বাধীন ব্যক্তিকে হত্যা করা যাবে না।[1] সহীহ মাকতু।
حدثنا مسلم بن ابراهيم، حدثنا هشام، عن قتادة، عن الحسن، قال لا يقاد الحر بالعبد
। আমর ইবনু শু‘আইব থেকে পর্যায়ক্রমে তার পিতা এবং তার দাদার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা একটি লোক চিৎকার করতে করতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এসে বললো, হে আল্লাহর রাসূল! অমুকের দাসী! তিনি বললেন, দুর্ভাগা! তোমার কি হয়েছে বলো। সে বললো, আমার অনিষ্ট হয়েছে। সে তার মালিকের দাসীর প্রতি তাকানোর কারণে সে তার প্রতি ঈর্ষান্বিত হয়ে তার লিঙ্গ কেটে দিয়েছে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ লোকটিকে আমার নিকট নিয়ে আসো। তাকে খুঁজে না পাওয়া গেলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তুমি দাসমুক্ত; তুমি চলে যাও। লোকটি বললো, হে আল্লাহর রাসূল! কে আমাকে সাহায্য করবে? তিনি বললেন, (তোমায় সাহায্য করা) প্রত্যেক মুসলিম বা মু‘মিনের দায়িত্ব। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, দাসমুক্ত ব্যক্তির নাম ছিলো রাওহ ইবনু দীনার। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, তার লিঙ্গ কর্তনকারীর নাম ছিলো যিনবা। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, এই যিনবা আবূ রাওহ ছিল দাসটির মনিব।[1] হাসান।
حدثنا محمد بن الحسن بن تسنيم العتكي، حدثنا محمد بن بكر، اخبرنا سوار ابو حمزة، حدثنا عمرو بن شعيب، عن ابيه، عن جده، قال جاء رجل مستصرخ الى النبي صلى الله عليه وسلم فقال جارية له يا رسول الله . فقال " ويحك ما لك " . قال شرا ابصر لسيده جارية له فغار فجب مذاكيره . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " على بالرجل " . فطلب فلم يقدر عليه فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اذهب فانت حر " . فقال يا رسول الله على من نصرتي قال " على كل مومن " . او قال " كل مسلم " . قال ابو داود الذي عتق كان اسمه روح بن دينار . قال ابو داود الذي جبه زنباع . قال ابو داود هذا زنباع ابو روح كان مولى العبد
। আবূ সাহল ইবনু আবূ হাসমাহ ও রাফী ইবনু খাদিজ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। মুহাইয়াসা ইবনু মাস্ঊদ ও আব্দুল্লাহ ইবনু সাহল (রাঃ) দু’জনেই খায়বারে উপনীত হয়ে খেজুর বাগানের মধ্যে পৃথক হয়ে গেলেন। আব্দুল্লাহ ইবনু সাহল নিহত হলে তারা এজন্য ইয়াহুদী গোত্রকে দায়ী করলো। অতঃপর তার ভাই আব্দুর রাহমান ইবনু সাহল ও তার দু’ জন চাচাতো ভাই হুয়াইয়াসা ও মুহাইয়াসা একত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট উপস্থিত হলেন এবং ভাইয়ের ব্যাপারে আলাপ শুরু করলো। বস্তুত সে তাদের মধ্যে বয়সে ছোট ছিল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, যে বড়, অর্থাৎ যে বয়সে বড় তাকে আগে কথা বলতে দাও। অথবা তিনি বললেন, তোমাদের মধ্যে যে বয়সে বড় তারই শুরু করা উচিত। অতঃপর তারা দু’ জনে তাদের সাথীর (নিহতের) বিষয়ে আলাপ করলো। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তাদের মধ্য থেকে কোন ব্যক্তি দায়ী হওয়ার ব্যাপারে তোমাদের মধ্য থেকে পঞ্চাশজনকে কসম করতে হবে; অতঃপর কিসাস নেয়ার জন্য আসামীকে সোর্পদ করা হবে। তারা বললো, আমরা কি করে কসম করবো, আমরা তো উপস্থিত ছিলাম না! তিনি বললেন, তাহলে তাদের মধ্য থেকে পঞ্চাশ ব্যক্তির কসম গ্রহণের মাধ্যমে ইয়াহুদীরা তোমাদের থেকে অভিযোগ মুক্ত হবে। তারা বললো, হে আল্লাহর রাসূল! এরা তো কাফির সম্প্রদায়ের। বর্ণনাকারী বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজের পক্ষ থেকে দিয়াত পরিশোধ করলেন। সাহল (রাঃ) বলেন, আমি একদিন তাদের উটের বাগানে গিয়েছিলাম, ঐ উটগুলোর মধ্যকার একটা মাদী উট আমাকে পা দিয়ে স্বজোরে লাথি মেরেছিল। হাম্মাদ (রহঃ)-ও একইরূপ বর্ণনা করেন। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, এ হাদীস বিশর ইবনু মুফাদ্দাল ও মালিক ইবনু ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ থেকে বর্ণনা করেন। সেখানে রয়েছেঃ তোমরা কি পঞ্চাশটি কসম খেয়ে তোমাদের হত্যাকারীর রক্তের অধিকারী হবে? কিন্তু বিশর (রহঃ) তার বর্ণনায় রক্ত শব্দটি বলেননি।[1] সহীহ।
حدثنا عبيد الله بن عمر بن ميسرة، ومحمد بن عبيد، - المعنى - قالا حدثنا حماد بن زيد، عن يحيى بن سعيد، عن بشير بن يسار، عن سهل بن ابي حثمة، ورافع بن خديج، ان محيصة بن مسعود، وعبد الله بن سهل، انطلقا قبل خيبر فتفرقا في النخل فقتل عبد الله بن سهل فاتهموا اليهود فجاء اخوه عبد الرحمن بن سهل وابنا عمه حويصة ومحيصة فاتوا النبي صلى الله عليه وسلم فتكلم عبد الرحمن في امر اخيه وهو اصغرهم فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " الكبر الكبر " . او قال " ليبدا الاكبر " . فتكلما في امر صاحبهما فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " يقسم خمسون منكم على رجل منهم فيدفع برمته " . قالوا امر لم نشهده كيف نحلف قال " فتبريكم يهود بايمان خمسين منهم " . قالوا يا رسول الله قوم كفار . قال فوداه رسول الله صلى الله عليه وسلم من قبله . قال قال سهل دخلت مربدا لهم يوما فركضتني ناقة من تلك الابل ركضة برجلها . قال حماد هذا او نحوه . قال ابو داود رواه بشر بن المفضل ومالك عن يحيى بن سعيد قال فيه " اتحلفون خمسين يمينا وتستحقون دم صاحبكم او قاتلكم " ولم يذكر بشر دما وقال عبدة عن يحيى كما قال حماد ورواه ابن عيينة عن يحيى فبدا بقوله " تبريكم يهود بخمسين يمينا يحلفون " . ولم يذكر الاستحقاق قال ابو داود وهذا وهم من ابن عيينة
। আবূ লায়লা ইবনু আব্দুল্লাহ ইবনু আব্দুর রাহমান (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। আবূ হাসমার পুত্র সাহল (রাঃ) বর্ণনা করেন, সে (সাহল) ও তার গোত্রের কতিপয় গণ্যমান্য লোক তাকে সংবাদ দিয়েছে যে, আব্দুল্লাহ ইবনু সাহল ও মুহাইয়াসা উভয়ে দুর্ভিক্ষে খায়বারে যায়। মুহাইয়াসা তাদের নিকট ফিরে এসে সংবাদ দিলো যে, আব্দুল্লাহ ইবনু সাহল (রাঃ)-কে হত্যা করে গর্তে বা কুপে নিক্ষেপ করা হয়েছে। তিনি ইয়াহুদীদের নিকট গিয়ে বললেন, আল্লাহর কসম! তোমরাই তাকে মেরেছো। তারা বললো, আল্লাহর কসম! আমরা তাকে হত্যা করিনি। অতঃপর সে ফিরে এসে গোত্রের লোকজনকে ঘটনা জানালো। অতঃপর সে, তার ভাই হুয়াইয়াসা এবং আব্দুর রাহমান ইবনু সাহল এগিয়ে এলেন। মুহাইয়াসা কথা বলতে উদ্যোগী হলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেন, যে বয়সে বড় তাকে সম্মান করো এবং কথা বলার জন্য প্রাধান্য দাও। অতঃপর পর্যায়ক্রমে হুয়াইয়াসা ও মুহাইয়াসা আলাপ করলেন। তারপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ হয় তারা তোমাদের সাথীর দিয়াত দিবে, না হয় তাদেরকে যুদ্ধের ঘোষণা শুনাবে। এরপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ কথা তাদেরকে লিখে জানালেন এবং তারা উত্তর লিখলো, আল্লাহর কসম! আমরা তাকে হত্যা করিনি। এবাররাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হুয়াইয়াসা, মুহায়াসা ও আব্দুর রাহমানকে প্রশ্ন করলেন, তোমরা কি কসম করে তোমাদের সাথীর দিয়াত নিতে পারবে? তারা বললেন, না। তিনি বললেন, তাহলে ইয়াহুদীরা তোমাদের জন্য কসম করবে? তারা বললেন, ওরা তো মুসলিম নয়। শেষ পর্যন্ত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজের পক্ষ থেকে তার দিয়াত পরিশোধ করলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের বাড়িতে একশো উট পাঠিয়ে দিলেন। সাহল (রাঃ) বলেন, ঐ উটগুলোর মধ্যকার একটি লাল রঙের মাদী উট আমাকে লাথি মেরেছিল।[1] সহীহ।
حدثنا احمد بن عمرو بن السرح، اخبرنا ابن وهب، اخبرني مالك، عن ابي ليلى بن عبد الله بن عبد الرحمن بن سهل، عن سهل بن ابي حثمة، انه اخبره هو، ورجال، من كبراء قومه ان عبد الله بن سهل ومحيصة خرجا الى خيبر من جهد اصابهم فاتي محيصة فاخبر ان عبد الله بن سهل قد قتل وطرح في فقير او عين فاتى يهود فقال انتم والله قتلتموه . قالوا والله ما قتلناه . فاقبل حتى قدم على قومه فذكر لهم ذلك ثم اقبل هو واخوه حويصة - وهو اكبر منه - وعبد الرحمن بن سهل فذهب محيصة ليتكلم وهو الذي كان بخيبر فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم " كبر كبر " . يريد السن فتكلم حويصة ثم تكلم محيصة فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اما ان يدوا صاحبكم واما ان يوذنوا بحرب " . فكتب اليهم رسول الله صلى الله عليه وسلم بذلك فكتبوا انا والله ما قتلناه . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم لحويصة ومحيصة وعبد الرحمن " اتحلفون وتستحقون دم صاحبكم " . قالوا لا . قال " فتحلف لكم يهود " . قالوا ليسوا مسلمين فوداه رسول الله صلى الله عليه وسلم من عنده فبعث اليهم ماية ناقة حتى ادخلت عليهم الدار . قال سهل لقد ركضتني منها ناقة حمراء
। আমর ইবনু শু‘আইব (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কতিপয় ব্যক্তির সম্মিলিত শপথের ভিত্তিতে বাহুরাতুল রুগাত নামক স্থানের বনী নাসর ইবনু মালিক গোত্রের এক ব্যক্তিকে বাহরার শহর থেকে কিছুদূর অবস্থিত লিয়া উপত্যকায় মৃত্যুদন্ড প্রদান করেছিলেন। বর্ণনাকারী বলেন, হত্যাকারী ও নিহত ব্যক্তি উভয়ে তাদের (নাসর গোত্রের) লোক ছিলো।[1] যঈফ মু'দাল।
حدثنا محمود بن خالد، وكثير بن عبيد، قالا حدثنا ح، وحدثنا محمد بن الصباح بن سفيان، اخبرنا الوليد، عن ابي عمرو، عن عمرو بن شعيب، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم انه قتل بالقسامة رجلا من بني نصر بن مالك ببحرة الرغاء على شط لية البحرة قال القاتل والمقتول منهم . وهذا لفظ محمود ببحرة اقامه محمود وحده على شط لية البحرة
। বাশির ইবনু ইয়াসার (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তার মতে, সাহল ইবনু আবূ হাসমা (রাঃ) নামক জনৈক আনসারী তাকে জানান যে, এই ক্ষুদ্র দল খায়বারের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে সেখানে পৌঁছে তারা পরস্পর পৃথক হয়ে যান। অতঃপর তারা তাদের একজনকে নিহত অবস্থায় পান। তখন তারা যাদের নিকট তাকে পেলেন, তাদেরকে অভিযুক্ত করে বললেন, তোমরা আমাদের সাথীকে হত্যা করেছো। তারা বললো, আমরা তাকে হত্যা করিনি এবং কে হত্যা করেছে তাও অবহিত নই। অতঃপর আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট গেলাম। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাদেরকে বললেন, হত্যাকারীর বিপক্ষে তোমরা প্রমাণ দাও। তারা বললেন, আমাদের নিকট কোনো প্রমাণ নেই। তিনি বললেন, তাহলে ওরা তোমাদের জন্য কসম করবে। তারা বললেন, আমরা ইয়াহুদী জাতির শপথে সন্তুষ্ট নই। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার দিয়াতের দাবী বাতিল করাকে সমীচীন মনে না করে তার জন্য সাদাকাহর একশো উট দিয়াত হিসেবে দান করলেন।[1] সহীহ।
حدثنا الحسن بن محمد بن الصباح الزعفراني، حدثنا ابو نعيم، حدثنا سعيد بن عبيد الطايي، عن بشير بن يسار، زعم ان رجلا، من الانصار يقال له سهل بن ابي حثمة اخبره ان نفرا من قومه انطلقوا الى خيبر فتفرقوا فيها فوجدوا احدهم قتيلا فقالوا للذين وجدوه عندهم قتلتم صاحبنا فقالوا ما قتلناه ولا علمنا قاتلا . فانطلقنا الى نبي الله صلى الله عليه وسلم قال فقال لهم " تاتوني بالبينة على من قتل هذا " . قالوا ما لنا بينة . قال " فيحلفون لكم " . قالوا لا نرضى بايمان اليهود . فكره نبي الله صلى الله عليه وسلم ان يبطل دمه فوداه ماية من ابل الصدقة
। রাফি‘ ইবনু খাদিজ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আনসারদের এক ব্যক্তি খায়বারে নিহত হলে তার অভিভাবকগণ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট গিয়ে এ ঘটনা জানালেন। তিনি বললেন, তোমাদের কি এমন দু’ জন সাক্ষী আছে, যারা তোমাদের সাথীর হত্যার বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিবে? তারা বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! সেখানে কোনো মুসলিম নেই। আর এরা হলো সেই ইয়াহুদী জাতি, যারা এর চেয়েও আরো জঘন্য অপকর্মের জন্য কুখ্যাত। তিনি বললেন, তাহলে তোমরা তাদের পঞ্চাশজন লোককে বাছাই করে নিয়ে তাদের থেকে কসম নাও। তারা এতে রাজী না হওয়ায় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজের পক্ষ থেকে তার দিয়াত দিয়ে দিলেন।[1] সহীহ।
حدثنا الحسن بن علي بن راشد، اخبرنا هشيم، عن ابي حيان التيمي، حدثنا عباية بن رفاعة، عن رافع بن خديج، قال اصبح رجل من الانصار مقتولا بخيبر فانطلق اولياوه الى النبي صلى الله عليه وسلم فذكروا ذلك له فقال " لكم شاهدان يشهدان على قتل صاحبكم " . قالوا يا رسول الله لم يكن ثم احد من المسلمين وانما هم يهود وقد يجتريون على اعظم من هذا . قال " فاختاروا منهم خمسين فاستحلفوهم " . فابوا فوداه النبي صلى الله عليه وسلم من عنده
। আব্দুর রাহমান ইবনু বুজাইদ (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর কসম! নিশ্চয়ই সাহল (রহঃ) এই হাদীসটি সন্দেহযুক্ত করেছেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইয়াহুদী গোত্রের নিকট এই মর্মে পত্রটি লিখেন যে, যেহেতু তোমাদের এলাকায় নিহত ব্যক্তির লাশ পাওয়া গেছে, কাজেই তোমরা তার দিয়াত আদায় করো। তারা আল্লাহর নামে পঞ্চাশবার কসম করে উত্তরে লিখে, আমরা তাকে হত্যা করিনি এবং কে হত্যা করেছে তাও অবহিত নই। বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর নিজের পক্ষ থেকে একশোটি উট তাঁর দিয়াত হিসেবে পরিশোধ করলেন।[1] মুনকার।
حدثنا عبد العزيز بن يحيى الحراني، حدثني محمد، - يعني ابن سلمة - عن محمد بن اسحاق، عن محمد بن ابراهيم بن الحارث، عن عبد الرحمن بن بجيد، قال ان سهلا والله اوهم الحديث ان رسول الله صلى الله عليه وسلم كتب الى يهود " انه قد وجد بين اظهركم قتيل فدوه " . فكتبوا يحلفون بالله خمسين يمينا ما قتلناه ولا علمنا قاتلا . قال فوداه رسول الله صلى الله عليه وسلم من عنده ماية ناقة
। কতিপয় আনসারী সাহাবী (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রথমে ইয়াহুদীদেরকে বললেন, তোমাদের মধ্য থেকে পঞ্চাশজন কসম করবে। তারা এতে সম্মত না হওয়ায় তিনি আনসারদের উদ্দেশ্য করে বললেন, তোমরা (কসমের দ্বারা) দিয়াতের অধিকারী হও। তারা বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমরা কি অদৃশ্য বিষয়ে কসম করবো? এরপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইয়াহুদীদের উপর দিয়াত আরোপ করলেন। কেননা নিহতকে তাদের এলাকায় পাওয়া গেছে।[1] শায।
حدثنا الحسن بن علي، حدثنا عبد الرزاق، اخبرنا معمر، عن الزهري، عن ابي سلمة بن عبد الرحمن، وسليمان بن يسار، عن رجال، من الانصار ان النبي صلى الله عليه وسلم قال لليهود وبدا بهم " يحلف منكم خمسون رجلا " . فابوا فقال للانصار " استحقوا " . قالوا نحلف على الغيب يا رسول الله فجعلها رسول الله صلى الله عليه وسلم دية على يهود لانه وجد بين اظهرهم
। আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। একদা একটি বালিকাকে দু’টি পাথরের মাঝখানে মাথা থেতলিয়ে দেয়া অবস্থায় পাওয়া গেলো। তাকে প্রশ্ন করা হলো, তোমার সঙ্গে এরূপ ব্যবহার কে করেছে; অমুকে না অমুকে? শেষে এক ইযাহুদীর নাম লিখে সে মাথা নাড়িয়ে হ্যাঁ সূচক ইঙ্গিত করলো। তখন ঐ ইয়াহুদীকে গ্রেফতার করে আনা হলে সে অপরাধ স্বীকার করলো। অতঃপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পাথর দিয়ে তার মাথা থেতলিয়ে দেয়া নির্দেশ দেন।[1] সহীহ।
حدثنا محمد بن كثير، اخبرنا همام، عن قتادة، عن انس، ان جارية، وجدت، قد رض راسها بين حجرين فقيل لها من فعل بك هذا افلان افلان حتى سمي اليهودي فاومت براسها فاخذ اليهودي فاعترف فامر رسول الله صلى الله عليه وسلم ان يرض راسه بالحجارة
। আনাস (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। একদা আনসার গোত্রের এক বালিকার অলংকার ছিনতাই করার জন্য এক ইয়াহুদী তাকে হত্যা করে একটি কূপে নিক্ষেপ করে। সে তার মাথা পাথর দিয়ে থেতলিয়ে দিয়েছিল। তাকে গ্রেফতার করে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট আনা হলে তিনি তাকে পাথর মেরে হত্যার নির্দেশ দিলেন। অতঃপর তাকে পাথর মেরে হত্যা করা হলো।[1] সহীহ।
حدثنا احمد بن صالح، حدثنا عبد الرزاق، عن معمر، عن ايوب، عن ابي قلابة، عن انس، ان يهوديا، قتل جارية من الانصار على حلي لها ثم القاها في قليب ورضخ راسها بالحجارة فاخذ فاتي به النبي صلى الله عليه وسلم فامر به ان يرجم حتى يموت فرجم حتى مات . قال ابو داود رواه ابن جريج عن ايوب نحوه
। আনাস (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। এক বালিকার অলংকার ছিনতাই করার জন্য এক ইয়াহুদী তার মাথা পাথর দিয়ে থেতলিয়ে দিলো। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন সেখানে পৌঁছলেন তখনও তার প্রাণস্পন্দন অবশিষ্ট ছিলো। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাকে বললেন, তোমাকে কে হত্যা করেছে? অমুক ব্যক্তি তোমাকে হত্যা করেছে? সে মাথা নেড়ে ইঙ্গিত করলো, না। তিনি বললেন, তোমাকে কে হত্যা করেছে? তোমাকে অমুক ব্যক্তি হত্যা করেছে? সে মাথা ইঙ্গিতে বললো, না। তিনি বললেন, অমুক ব্যক্তি কি তোমাকে হত্যা করেছে? সে মাথা নাড়িয়ে ইঙ্গিতে বললো, হ্যাঁ। অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নির্দেশ দিলে তাকে দু’টি পাথরের মাঝে রেখে হত্যা করা হলো।[1] সহীহ।
حدثنا عثمان بن ابي شيبة، حدثنا ابن ادريس، عن شعبة، عن هشام بن زيد، عن جده، انس ان جارية، كان عليها اوضاح لها فرضخ راسها يهودي بحجر فدخل عليها رسول الله صلى الله عليه وسلم وبها رمق فقال لها " من قتلك فلان قتلك " . فقالت لا . براسها . قال " من قتلك فلان قتلك " . قالت لا . براسها . قال " فلان قتلك " . قالت نعم . براسها فامر به رسول الله صلى الله عليه وسلم فقتل بين حجرين
। কাইস ইবনু আব্বাদ (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমি ও আল-আশতার আলী (রাঃ)-এর নিকট গিয়ে বলি, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কি আপনাকে বিশেষ কোনো উপদেশ দিয়েছেন যা সাধারণভাবে মানুষকে দেননি? তিনি বললেন, না; তবে শুধু এতটুকু যা আমার এ চিঠিতে আছে। অতঃপর তিনি তার তরবারির খাপ থেকে একখানা পত্র বের করলেন। তাতে লেখা ছিলোঃ সকল মুসলিমের জীবন সমমানের। অন্যদের বিরুদ্ধে তারা একটি ঐক্যবদ্ধ শক্তি। তাদের একজন সাধারণ ব্যক্তি কর্তৃক প্রদত্ত নিরাপত্তাই সকলের জন্য পালনীয়। সাবধান! কোনো মু‘মিনকে কোনো কাফির হত্যার অপরাধে হত্যা করা যাবে না। চুক্তিবদ্ধ অমুসলিম নাগরিককেও চুক্তি বলবৎ থাকাকালে হত্যা করা যাবে না। কেউ বিদ‘আত চালু করলে তার দায় তার উপর বর্তাবে। কোনো ব্যক্তি বিদ‘আত চালু করলে বা বিদ‘আতিকে মুক্তি দিলে তার উপর আল্লাহর অভিশাপ এবং ফিরিশতা ও মানবকূলের অভিশাপ।[1] সহীহ।
حدثنا احمد بن حنبل، ومسدد، قالا حدثنا يحيى بن سعيد، اخبرنا سعيد بن ابي عروبة، عن قتادة، عن الحسن، عن قيس بن عباد، قال انطلقت انا والاشتر، الى علي عليه السلام فقلنا هل عهد اليك رسول الله صلى الله عليه وسلم شييا لم يعهده الى الناس عامة قال لا الا ما في كتابي هذا - قال مسدد قال - فاخرج كتابا - وقال احمد كتابا من قراب سيفه - فاذا فيه " المومنون تكافا دماوهم وهم يد على من سواهم ويسعى بذمتهم ادناهم الا لا يقتل مومن بكافر ولا ذو عهد في عهده من احدث حدثا فعلى نفسه ومن احدث حدثا او اوى محدثا فعليه لعنة الله والملايكة والناس اجمعين " . قال مسدد عن ابن ابي عروبة فاخرج كتابا
। আমর ইবনু শু‘আইব (রহঃ) থেকে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও তার দাদার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ অতঃপর আলী (রাঃ) বর্ণিত হাদীদের অনুরূপ। তবে এতে রয়েছেঃ তাদের দূরবর্তীরাও তাদের পক্ষে নিরাপত্তা দিতে পারবে, উত্তম ও দুর্বল পশুর মালিকরা এবং পিছনে অবস্থানরত ও সম্মুখ সমরে অবতীর্ণ সৈন্যগণও গানীমাতে সমান অংশ লাভ করবে।[1] হাসান সহীহ।
حدثنا عبيد الله بن عمر، حدثنا هشيم، عن يحيى بن سعيد، عن عمرو بن شعيب، عن ابيه، عن جده، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ذكر نحو حديث علي زاد فيه " ويجير عليهم اقصاهم ويرد مشدهم على مضعفهم ومتسريهم على قاعدهم
। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। সা‘দ ইবনু ‘উবাদাহ (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! যদি কেউ স্বীয় স্ত্রীর সঙ্গে কোনো পুরুষকে দেখতে পায় তাহলে কি সে তাকে হত্যা করবে? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ না। সা‘দ (রাঃ) বললেন, সেই আল্লাহর কসম যিনি আপনাকে সত্য দ্বীন দিয়ে মর্যাদাবান করেছেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তোমাদের নেতা সা‘দ কি বলে তা শোনো![1] সহীহ।
حدثنا قتيبة بن سعيد، وعبد الوهاب بن نجدة الحوطي، - المعنى واحد - قالا حدثنا عبد العزيز بن محمد، عن سهيل، عن ابيه، عن ابي هريرة، ان سعد بن عبادة، قال يا رسول الله الرجل يجد مع امراته رجلا ايقتله قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لا " . قال سعد بلى والذي اكرمك بالحق . قال النبي صلى الله عليه وسلم " اسمعوا الى ما يقول سيدكم " . قال عبد الوهاب " الى ما يقول سعد
। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। সা‘দ ইবনু উবাদাহ (রাঃ) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বললেন, যদি আমি আমার স্ত্রীর সঙ্গে কোনো পুরুষকে দেখতে পাই তবে চারজন সাক্ষী উপস্থিত করা পর্যন্ত কি তাকে অবকাশ দিবো? তিনি বললেন, হ্যাঁ।[1] সহীহ।
حدثنا عبد الله بن مسلمة، عن مالك، عن سهيل بن ابي صالح، عن ابيه، عن ابي هريرة، ان سعد بن عبادة، قال لرسول الله صلى الله عليه وسلم ارايت لو وجدت مع امراتي رجلا امهله حتى اتي باربعة شهداء قال " نعم