Loading...

Loading...
বইসমূহ
৭৭০ হাদিসসমূহ
। জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক জুমু‘আহর দিনে খুত্ববাহ দেয়ার উদ্দেশে মিম্বারে উঠে বললেন, সবাই বসে পড়ো। ‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘উদ (রাঃ) একথা শুনে তাৎক্ষণিক মসজিদের দরজাতেই বসে পড়েন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে দেখে বললেনঃ ওহে ‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘উদ! তুমি এগিয়ে এসো।[1] সহীহ। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, এটি মুরসাল হাদীস হিসাবে পরিচিত। বণনাকারীরা এটি ‘আত্বা (রহঃ) হতে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সূত্রে বর্ণনা করেছেন। আর বর্ণনাকারী মাখলাদ একজন শায়খ।
حدثنا يعقوب بن كعب الانطاكي، حدثنا مخلد بن يزيد، حدثنا ابن جريج، عن عطاء، عن جابر، قال لما استوى رسول الله صلى الله عليه وسلم يوم الجمعة قال " اجلسوا " . فسمع ذلك ابن مسعود فجلس على باب المسجد فراه رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال " تعال يا عبد الله بن مسعود " . قال ابو داود هذا يعرف مرسلا انما رواه الناس عن عطاء عن النبي صلى الله عليه وسلم ومخلد هو شيخ
। ইবনু ‘উমার (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জুমু‘আহতে দু‘টি খুত্ববাহ প্রদান করতেন। প্রথমে তিনি মিম্বারে উঠে মুয়াযযিন আযান শেষ না করা পর্যন্ত বসে থাকতেন, অতঃপর উঠে দাঁড়িয়ে (প্রথম) খুত্ববাহ দিতেন, তারপর বসতেন এবং কোন কথা না বলে আবার দাঁড়াতেন এবং (দ্বিতীয়) খুত্ববাহ দিতেন।[1] সহীহ : বুখারী ও মুসলিম সংক্ষেপে।
حدثنا محمد بن سليمان الانباري، حدثنا عبد الوهاب، - يعني ابن عطاء - عن العمري، عن نافع، عن ابن عمر، قال كان النبي صلى الله عليه وسلم يخطب خطبتين كان يجلس اذا صعد المنبر حتى يفرغ - اراه قال الموذن - ثم يقوم فيخطب ثم يجلس فلا يتكلم ثم يقوم فيخطب
। জাবির ইবনু সামুরাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাঁড়িয়ে (প্রথম) খুত্ববাহ দিতেন, অতঃপর বসতেন এবং আবার উঠে দাঁড়িয়ে (দ্বিতীয়) খুত্ববাহ দিতেন। কেউ যদি তোমাকে বলে তিনি বসে খুত্ববাহ দিতেন, সে মিথ্যা বলেছে। জাবির বলেন, আল্লাহর শপথ! আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে দুই হাজারের অধিক সংখ্যক ওয়াক্তের সালাত আদায় করেছি।[1] হাসান : মুসলিম।
حدثنا النفيلي عبد الله بن محمد، حدثنا زهير، عن سماك، عن جابر بن سمرة، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يخطب قايما ثم يجلس ثم يقوم فيخطب قايما فمن حدثك انه كان يخطب جالسا فقد كذب فقال فقد والله صليت معه اكثر من الفى صلاة
। জাবির ইবনু সামুরাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জুমু‘আহর সালাতে দু‘টি খুত্ববাহ দিতেন এবং দু’ খুত্ববাহর মাঝখানে বসতেন। তিনি খুত্ববাহয় কুরআন পড়তেন এবং লোকদের উপদেশ দিতেন।[1] হাসান : মুসলিম।
حدثنا ابراهيم بن موسى، وعثمان بن ابي شيبة، - المعنى - عن ابي الاحوص، حدثنا سماك، عن جابر بن سمرة، قال كان لرسول الله صلى الله عليه وسلم خطبتان كان يجلس بينهما يقرا القران ويذكر الناس
। জাবির ইবনু সামুরাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে দাঁড়িয়ে খুত্ববাহ দিতে দেখেছি। তিন (দু’ খুত্ববাহর মাঝে) কিছুক্ষণ বসতেন কিন্তু কোন কথা বলতেন না। অতঃপর উপরোক্ত হাদীসের অনুরূপ।[1] হাসান।
حدثنا ابو كامل، حدثنا ابو عوانة، عن سماك بن حرب، عن جابر بن سمرة، قال رايت النبي صلى الله عليه وسلم يخطب قايما ثم يقعد قعدة لا يتكلم . وساق الحديث
। শু‘আইব ইবনু রুযাইক্ব আত-ত্বায়িফী (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর এক সাহাবীর নিকট বসা ছিলাম, যার নাম আল-হাকাম ইবনু হাযন আল-কুলাফী। তিনি আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করতে গিয়ে বলেন, আমি সাত বা আট সদস্যবিশিষ্ট প্রতিনিধি দলের সপ্তম বা অষ্টমজন হিসেবে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট যাই এবং তাঁর সামনে উপস্থিত হয়ে বলি, হে আল্লাহর রসূল! আমরা আপনার সাক্ষাত পেয়েছি। আপনি মহান আল্লাহর নিকট আমাদের কল্যাণের জন্য দু‘আ করুন। তখন তিনি কিছু খেজুর দ্বারা আমাদের মেহমানদারী করতে আদেশ করলেন। সে সময় (মুসলিমদের) অবস্থা ছিল অত্যন্ত করুণ। আমরা বেশ কয়েকদিন (মাদীনাতে) অবস্থান করলাম। এ সময় আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে জুমু‘আহর সালাতও আদায় করেছি। জুমু‘আহর খুত্ববাহয় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি লাঠি অথবা ধনুকের উপর ভর দিয়ে পবিত্র ও বরকতপূর্ণ কথার দ্বারা আল্লাহর প্রশংসা করেন এবং তাঁর কতক হালকা, উত্তম ও পবিত্র গুণাবলী বর্ণনা করেন। অতঃপর বলেনঃ হে জনগণ! তোমাদেরকে যা কিছুর আদেশ দেয়া হয়েছে সে সবের প্রতিটি নির্দেশই তোমরা অক্ষরে অক্ষরে পালন করতে সক্ষম হবে না। কাজেই তোমরা নিজেদের ‘আমলের উপর অটল থাকো এবং সুসংবাদ প্রদান করো।[1] হাসান। আবূ ‘আলী (রহঃ) বলেন, আমি ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ)-কে বলতে শুনেছি, আমার কতিপয় বন্ধু এ হাদীসের অংশ বিশেষ আমাকে স্মরণ করিয়ে দেন।
حدثنا سعيد بن منصور، حدثنا شهاب بن خراش، حدثني شعيب بن رزيق الطايفي، قال جلست الى رجل له صحبة من رسول الله صلى الله عليه وسلم يقال له الحكم بن حزن الكلفي فانشا يحدثنا قال وفدت الى رسول الله صلى الله عليه وسلم سابع سبعة او تاسع تسعة فدخلنا عليه فقلنا يا رسول الله زرناك فادع الله لنا بخير فامر بنا او امر لنا بشىء من التمر والشان اذ ذاك دون فاقمنا بها اياما شهدنا فيها الجمعة مع رسول الله صلى الله عليه وسلم فقام متوكيا على عصا او قوس فحمد الله واثنى عليه كلمات خفيفات طيبات مباركات ثم قال " ايها الناس انكم لن تطيقوا او لن تفعلوا كل ما امرتم به ولكن سددوا وابشروا " . قال ابو علي سمعت ابا داود قال ثبتني في شىء منه بعض اصحابنا وقد كان انقطع من القرطاس
। ‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খুত্ববাহ দেয়ার সময় বলতেন, ‘‘আলহামদু লিল্লা-হি নাস্তাঈনুহু, ওয়া নাসতাগফিরুহু ওয়া না‘ঊযু বিল্লা-হি মিন শুরূরি আনফুসিনা মাঁই ইয়াহদিহিল্লাহু ফালা মুদিল্লা লাহু ওয়া মাই ইউদলিল ফালা হা-দিয়া লাহু। ওয়া আশহাদু আল-লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান ‘আবদুহু ওয়া রসূলুহ। আরসালাহু বিলহাক্বক্বি বাশিরাও ওয়া নাযীরা বাইনা ইয়াদাইস্ সা‘আহ। মাঁই ইউত্বি‘ইল্লা-হা ওয়া রসূলুহু ফাক্বাদ্ রাশাদা ওয়া মাঁই ইয়া‘সিহিমা ফাইন্নাহু লা ইয়াদুররু ইল্লা নাফসাহু ওয়ালা ইয়াদুররুল্লা-হা শাইয়া’’। (সকল প্রশংসা আল্লাহর। আমরা তাঁর কাছে সাহায্য ও ক্ষমা চাই। আমরা আমাদের নিজেদের নাফসের ক্ষতি হতে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাই। আল্লাহ যাকে হিদায়াত দেন কেউ তাকে পথভ্রষ্ট করতে পারে না। আর আল্লাহ যাকে পথভ্রষ্ট করেন তাকে কেউ হিদায়াত করতে পারে না। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া অন্য কোন ইলাহ নাই। আমি আরো সাক্ষ্য দিচিছ যে, মুহাম্মাদ তাঁর বান্দা ও রসূল। মহান আল্লাহ তাঁকে কিয়ামতের পূর্বে সত্য দ্বীনসহ সুসংবাদ দাতা ও ভীতি প্রদর্শনকারী হিসেবে পাঠিয়েছেন। যে ব্যক্তি আল্লাহ ও তাঁর রসূলের আনুগত্য করে সে সঠিক পথে রয়েছে। আর যে ব্যক্তি আল্লাহ ও তাঁর রসূলের অবাধ্য হয় সে তো নিজেরই ক্ষতি সাধন করে, সে আল্লাহর কোন ক্ষতি করতে পারে না)।[1] দুর্বল।
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا ابو عاصم، حدثنا عمران، عن قتادة، عن عبد ربه، عن ابي عياض، عن ابن مسعود، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم كان اذا تشهد قال " الحمد لله نستعينه ونستغفره ونعوذ بالله من شرور انفسنا من يهده الله فلا مضل له ومن يضلل فلا هادي له واشهد ان لا اله الا الله واشهد ان محمدا عبده ورسوله ارسله بالحق بشيرا ونذيرا بين يدى الساعة من يطع الله ورسوله فقد رشد ومن يعصهما فانه لا يضر الا نفسه ولا يضر الله شييا
। ইউনূস (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি ইবনু শিহাব (রহঃ)-কে জুমু‘আহর দিনে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর -এর খুত্ববাহ প্রদান সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি উপরোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন। তিনি অতিরিক্তভাবে বর্ণনা করেনঃ ‘‘ওয়া মাঁই ইয়া‘সিহিমা ফাক্বাদ গাওয়া ওয়া নাসআলুল্লা-হা রব্বানা আঁই ইয়াজ‘আলানা মিম্মাই ইউতিয়ুহু ওয়া ইউতিয়ু রসূলুহু ওয়া ইয়াত্তাবিঈ রিদওয়ানাহু ওয়া ইয়াজতানিবু সাখাতাহু ফাইন্নামা নাহনু বিহি ওয়া লাহু’’। (অর্থঃ এবং যে আল্লাহ ও তাঁর রসুলের অবাধ্য হয় সে পথভ্রষ্ট। আর আমরা আমাদের রব আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি তিনি যেন আমাদেরকে তাদের অনুর্ভুক্ত করেন যারা আল্লাহ ও তাঁর রসূলের আনুগত্য করে, তাঁর সন্তুষ্টি অন্বেষন করে এবং অসন্তুষ্টির পথ পরিহার করে। কারণ আমরা তারই সাথে এবং তারই জন্য (বা আমরা তাঁরই জন্য সৃষ্টি হয়েছি এবং তাঁরই এখতিয়ারভুক্ত)।’’[1] দুর্বল।
حدثنا محمد بن سلمة المرادي، اخبرنا ابن وهب، عن يونس، انه سال ابن شهاب عن تشهد، رسول الله صلى الله عليه وسلم يوم الجمعة فذكر نحوه قال " ومن يعصهما فقد غوى " . ونسال الله ربنا ان يجعلنا ممن يطيعه ويطيع رسوله ويتبع رضوانه ويجتنب سخطه فانما نحن به وله
। ‘আদী ইবনু হাতিম (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। জনৈক বক্তা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সামনে বক্তব্য পেশ করতে গিয়ে বললোঃ মাঁই ইউতিয়িল্লাহা ওয়া রসূলুহু ফাক্বাদ রাশাদা ওয়া মাঁই ইয়া‘সিহিমা’’। ‘‘যে আল্লাহ ও তাঁর রসূলের আনুগত্য করলো সে সঠিক পথ পেলো। আর যে তাঁদের নাফরমানী করলো’’। একথা শুনে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তুমি চলে যাও। তুমি অতিশয় নিকৃষ্ট বক্তা।[1] সহীহ : মুসলিম।
حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، عن سفيان بن سعيد، حدثني عبد العزيز بن رفيع، عن تميم الطايي، عن عدي بن حاتم، ان خطيبا، خطب عند النبي صلى الله عليه وسلم فقال من يطع الله ورسوله ومن يعصهما فقال " قم - او اذهب - بيس الخطيب انت
। হারিস ইবনুন নু‘মান (রাঃ) এর মেয়ের সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর মুখ হতে শুনে সূরাহ ‘ক্বাফ’ মুখস্ত করেছি। সূরাহটি তিনি প্রতি জুমু‘আহর খুত্ববাহতে পাঠ করতেন। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহর চুলা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং আমাদের চুলা এক জায়গাতে ছিলো।[1] সহীহ : মুসলিম।
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن خبيب، عن عبد الله بن محمد بن معن، عن بنت الحارث بن النعمان، قالت ما حفظت ق الا من في رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يخطب بها كل جمعة قالت وكان تنور رسول الله صلى الله عليه وسلم وتنورنا واحدا قال ابو داود قال روح بن عبادة عن شعبة قال بنت حارثة بن النعمان وقال ابن اسحاق ام هشام بنت حارثة بن النعمان
। জাবির ইবনু সামুরাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সালাত ছিলো নাতিদীর্ঘ এবং তাঁর খুত্ববাহও ছিল নাতিদীর্ঘ। তিনি খুত্ববাহর মধ্যে কুরআনের কিছু আয়াত পাঠ করতেন এবং লোকদের উপদেশ দিতেন।[1] হাসান : মুসলিম।
حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، عن سفيان، قال حدثني سماك، عن جابر بن سمرة، قال كانت صلاة رسول الله صلى الله عليه وسلم قصدا وخطبته قصدا يقرا ايات من القران ويذكر الناس
। ‘আমরাহ্ বিনতু ‘আবদুর রহমান (রহঃ) হতে তার বোনের সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর মুখ থেকে শুনে শুনে সূরাহ ‘কাফ’ মুখস্থ করেছি। তিনি প্রত্যেক জুমু‘আহর খুত্ববাহয় সূরাহ ক্বাফ তিলাওয়াত করতেন।[1] সহীহ : মুসলিম। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, অনুরূপ বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবনু আইয়ূব এবং ইবনু আবুর রিজাল, ইয়াহইয়া ইবনু সা‘ঈদ হতে, তিনি ‘আমরাহ উম্মু হিশাম বিনতু হারিসাহ ইবনুন নু‘মান হতে।
حدثنا محمود بن خالد، حدثنا مروان، حدثنا سليمان بن بلال، عن يحيى بن سعيد، عن عمرة، عن اختها، قالت ما اخذت ق الا من في رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يقروها في كل جمعة . قال ابو داود كذا رواه يحيى بن ايوب وابن ابي الرجال عن يحيى بن سعيد عن عمرة عن ام هشام بنت حارثة بن النعمان
। ‘আমরাহ্ বিনতু ‘আবদুর রহমান (রহঃ) তার এক -বোন যিনি তার বয়োজ্যেষ্ঠ ছিলেন- সূত্রে পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণণা করেছেন।
حدثنا ابن السرح، حدثنا ابن وهب، اخبرني يحيى بن ايوب، عن يحيى بن سعيد، عن عمرة، عن اخت، لعمرة بنت عبد الرحمن كانت اكبر منها بمعناه
। হুসাইন ইবনু ‘আবদুর রহমান (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, ‘উমারাহ ইবনু রুওয়াইবাহ (রাঃ) দেখেন যে, বিশর ইবনু মারওয়ান (জুমু‘আহর দিন খুত্ববাহকালে) দু‘আ করছেন। তখন ‘উমারাহ ইবনু রুওয়াইবাহ (রাঃ) বললেন, আল্লাহ তোমার এ হাত দু‘টিকে কুৎসিত করুন। যায়িদাহ বলেন, হুসাইন ইবনু ‘আবদুর রহমান বলেছেন, ‘উমারাহ ইবনু রুওয়াইবাহ (রাঃ) আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে মিম্বারের উপর এর চাইতে অধিক কিছু করতে দেখিনি অর্থাৎ তিনি বৃদ্ধাঙ্গুলির পাশের শাহাদাত অঙ্গুল দ্বারা ইশারা করা ব্যতীত অন্য কিছুই করতেন না।[1] সহীহ : মুসলিম।
حدثنا احمد بن يونس، حدثنا زايدة، عن حصين بن عبد الرحمن، قال راى عمارة بن رويبة بشر بن مروان وهو يدعو في يوم جمعة فقال عمارة قبح الله هاتين اليدين . قال زايدة قال حصين حدثني عمارة قال لقد رايت رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو على المنبر ما يزيد على هذه يعني السبابة التي تلي الابهام
। সাহল ইবনু সা‘দ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে মিম্বারে অবস্থানকালে অথবা অন্যত্র কখনো হাত উঠাতে দেখিনি। তবে আমি দেখেছি যে, তিনি মধ্যমা ও বৃদ্ধাঙ্গুলি মিলিয়ে বৃত্ত বানিয়ে শাহাদাত অঙ্গুলি দিয়ে ইশারা (করে দু‘আ) করতেন।[1] দুর্বল।
حدثنا مسدد، حدثنا بشر، - يعني ابن المفضل - حدثنا عبد الرحمن، - يعني ابن اسحاق - عن عبد الرحمن بن معاوية، عن ابن ابي ذباب، عن سهل بن سعد، قال ما رايت رسول الله صلى الله عليه وسلم شاهرا يديه قط يدعو على منبره ولا على غيره ولكن رايته يقول هكذا واشار بالسبابة وعقد الوسطى بالابهام
। ‘আম্মার ইবনু ইয়াসির (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে খুত্ববাহ সংক্ষিপ্ত করার আদেশ দিয়েছেন।[1] সহীহ।
حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا ابي، حدثنا العلاء بن صالح، عن عدي بن ثابت، عن ابي راشد، عن عمار بن ياسر، قال امرنا رسول الله صلى الله عليه وسلم باقصار الخطب
। জাবির ইবনু সামুরাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জুমু‘আহর দিনে উপদেশ (ওয়াজ) দীর্ঘ করতেন না, বরং তা কয়েকটি সংক্ষিপ্ত বাক্য হতো মাত্র।[1] হাসান।
حدثنا محمود بن خالد، حدثنا الوليد، اخبرني شيبان ابو معاوية، عن سماك بن حرب، عن جابر بن سمرة السوايي، قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم لا يطيل الموعظة يوم الجمعة انما هن كلمات يسيرات
। সামুরাহ ইবনু জুনদুব (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা নসীহতের সময় উপস্থিত থাকবে এবং ইমামের নিকটবর্তী হবে। কারণ যে ব্যক্তি সর্বদা (উপদেশ হতে) দূরে থাকে সে জান্নাতবাসী হলে জান্নাতেও বিলম্বে যাবে।[1] হাসান।
حدثنا علي بن عبد الله، حدثنا معاذ بن هشام، قال وجدت في كتاب ابي بخط يده ولم اسمعه منه قال قتادة عن يحيى بن مالك عن سمرة بن جندب ان نبي الله صلى الله عليه وسلم قال " احضروا الذكر وادنوا من الامام فان الرجل لا يزال يتباعد حتى يوخر في الجنة وان دخلها
। ‘আবদুল্লাহ ইবনু বুরাইদাহ (রহঃ) হতে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের সামনে খুত্ববাহ দিচ্ছিলেন। এমন সময় শিশু হাসান ও হুসাইন লাল রংয়ের জামা পরিহিত অবস্থায় আছাড় খেতে খেতে এগিয়ে এলে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খুত্ববাহ বন্ধ করে মিম্বার হতে নেমে তাদেরকে নিয়ে এসে মিম্বারে উঠে বললেনঃ আল্লাহ সত্যই বলেছেন, ‘‘তোমাদের ধন-সম্পদ ও সন্তানাদী ফিতনাহ স্বরূপ’’ (সূরাহ তাগাবুনঃ আয়াত ১৫)। আমি এ দু‘জনকে দেখে ধৈর্য্য ধারণ করতে পারিনি। অতঃপর তিনি খুত্ববাহ দিতে লাগলেন।[1] সহীহ।
حدثنا محمد بن العلاء، ان زيد بن حباب، حدثهم حدثنا حسين بن واقد، حدثني عبد الله بن بريدة، عن ابيه، قال خطبنا رسول الله صلى الله عليه وسلم فاقبل الحسن والحسين - رضى الله عنهما - عليهما قميصان احمران يعثران ويقومان فنزل فاخذهما فصعد بهما المنبر ثم قال " صدق الله { انما اموالكم واولادكم فتنة } رايت هذين فلم اصبر " . ثم اخذ في الخطبة
। সাহল ইবনু মু‘আয ইবনু আনাস (রাঃ) হতে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জুমু‘আহর দিন ইমামের খুত্ববাহ চলাকালে কাউকে হাঁটু উপরে উঠিয়ে কাপড় জড়িয়ে বসতে নিষেধ করেছেন।[1] হাসান।
حدثنا محمد بن عوف، حدثنا المقري، حدثنا سعيد بن ابي ايوب، عن ابي مرحوم، عن سهل بن معاذ بن انس، عن ابيه، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن الحبوة يوم الجمعة والامام يخطب