Loading...
Loading...
বইসমূহ
770 হাদিসসমূহ
। ‘আত্বা ইবনু আবূ রাবাহ (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা ‘আবদুল্লাহ ইবনুয যুবায়ির (রাঃ) জুমু‘আহর দিনে আমাদেরকে নিয়ে ঈদের সালাত আদায় করেন। অতঃপর সূর্য পশ্চিশাকাশে একটু হেলে যাওয়ার পর আমরা জুমু‘আহর সালাতের জন্য গেলাম,...
। ‘আত্বা (রহঃ) বলেন, একদা ‘আবদুল্লাহ ইবনুয যুবায়ির (রাঃ) এর যুগে জুমু‘আহ ও ঈদুল ফিত্বর একই দিনে হওয়ায় তিনি বলেন, একই দিনে দুই ঈদ একত্র হয়েছে। তিনি দুই সালাত (জুমু‘আহ ও ‘ঈদের সালাত) একত্র করেন এবং প্রত্যুষে মাত্র দু’ রাক‘...
। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আজ তোমাদের এ দিনে দু‘টি ‘ঈদের সমাগম হয়েছে। তোমাদের কারোর ইচ্ছা হলে (জুমু‘আহ ত্যাগ করবে), তার জন্য ‘ঈদের সালাতই যথেষ্ট। তবে আমরা দুটিই...
। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জুমু‘আহর দিন ফজরের সালাতে সূরাহ তান্যীলুস সিজদা ও ‘হাল আতা ‘আলাল ইনসানি হীনুম্-মিনাদ্দাহরি’ পাঠ করতেন।[1] সহীহ : মুসলিম।
। মুখাব্বিল (রহঃ) হতে উপরোক্ত হাদীসটি একই সানাদে ও অর্থে বর্ণিত হয়েছে। তাতে এও রয়েছেঃ জুম্মার সালাতের ক্বিরাআতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সূরাহ জুমু‘আহ ও সূরাহ ‘‘ইযা জাআকাল মুনাফিকুল’’ পাঠ করতেন।[1] সহীহ...
। ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। ‘উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) মসজিদে নববীর দরজার সামনে রেশমী পোশাক বিক্রি হতে দেখে বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আপনি এ পোশাক খরিদ করলে এটি জুমু‘আহর দিনে এবং আপনার কাছে প্রতিনিধি দলের আ...
। সালিম ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রহঃ) হতে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা ‘উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) বাজারে একখানা রেশমী কাপড় বিক্রি হতে দেখে তা নিয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে পেশ করে বলেন, আপনি...
। মুহাম্মাদ ইবনু ইয়াহইয়া ইবনু হাব্বান (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের কেউ বা তোমরা যদি সচরাচর পরিহিত কাপড় ছাড়া জুমু‘আহর দিনে পরার জন্য পৃথক একজোড়া কাপড় সংগ্রহ করতে পারো তবে...
। ‘আমর ইবনু শু‘আইব (রহঃ) হতে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও তার দাদার সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মসজিদে বেচা-কেনা করতে, হারানো বস্তু তালাশ করতে এবং কবিতা আবৃত্তি করতে নিষেধ করেছেন। আরো নিষেধ করেছেন...
। আবূ হাযিম ইবনু দীনার (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। কতিপয় লোক মসজিদের মিম্বার কোন কাঠের তৈরী ছিলো এ বিষয়ে সন্দিহান হলে তারা সাহল ইবনু সা‘দ আস-সাঈদী (রাঃ) এর নিকট এসে তাকে এ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলো। তিনি বলেন, আল্লাহর শপথ! তা কোন ক...
। ইবনু ‘উমার (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। (বয়োঃবৃদ্ধির কারণে) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর শরীর ভারী হয়ে গেলে তামীম আদ-দারী (রাঃ) তাঁকে বললেন, হে আল্লাহ রসূল! আমি কি আপনার জন্য একটা মিম্বার তৈরি করে দিবো না, যার উপর আপন...
। সালামাহ ইবনুল আকওয়া‘ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর মিম্বার এবং (মসজিদের) দেওয়ালের মাঝখানে একটি বকরী চলাচল করার পরিমাণ ফাঁকা ছিলো।[1] সহীহ : বুখারী ও মুসলিম।
। আবূ ক্বাতাদাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জুমু‘আহর দিন ছাড়া (অন্য দিন) ঠিক দুপুরে সালাত আদায় করা অপছন্দ করতেন। তিনি বলেছেনঃ জুমু‘আহর দিন ছাড়া (অন্যান্য দিনে) জাহান্নামের আগুনকে উত্তপ্ত করা হ...
। আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) বলেন, সূর্য পশ্চিমাকাশে হেলে পড়ার পর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জুমু‘আহর সালাত আদায় করতেন।[1] সহীহ : বুখারী।
। ইয়াস ইবনু সালামাহ ইবনুল আকওয়া‘ (রাঃ) হতে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেছেন, আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে জুমু‘আহর সালাত আদায় করে ফিরে আসার পরও প্রাচীরসমূহে ছায়া দেখা যেতো না।[1] সহীহ : বুখ...
। সাহল ইবনু সা‘দ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা জুমু‘আহর সালাতের পর দুপুরের বিশ্রাম গ্রহণ ও খাবার খেতাম।[1] সহীহ : বুখারী ও মুসলিম।
। আস-সায়িব ইবনু ইয়াযীদ (রাঃ) সূত্রে বর্নিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, আবূ বাকর এবং ‘উমার (রাঃ) এর যুগে জুমু‘আহর প্রথম আযান দেয়া হতো ইমাম মিম্বারে বসলে। কিন্তু ‘উসমান (রাঃ) এর খিলাফাতের সময় জনসংখ্যা বৃদ্...
। আস-সায়িব ইবনু ইয়াযীদ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জুমু‘আহর দিন যখন মিম্বারের উপর বসতেন তখন তাঁর সামনে মসজিদের দরজায় দাঁড়িয়ে আযান দেয়া হতো। আবূ বাকর ও ‘উমার (রাঃ) এর সামনেও...
। আস-সায়িব ইবনু ইয়াযীদ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর মাত্র একজন মুয়াযযিন ছিলেন। তিনি হলেন বিলাল (রাঃ)। অতঃপর বর্ণনাকারী পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন।[1] সহীহ।
। আস-সায়িব ইবনু ইয়াযীদ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একমাত্র মুয়াযযিন (বিলাল) ব্যতীত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর অন্য কোন মুয়াযযিন ছিল না। অতঃপর বর্ণনাকারী উপরোক্ত হাদীস বর্ণনা করেন, তবে পুরো অংশ নয়।[...