Loading...
Loading...
বইসমূহ
67 হাদিসসমূহ
। উমার (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, মদ হারাম হওয়ার বিধান যেদিন অবতীর্ণ হলো তখন তা পাঁচটি জিনিস থেকে তৈরী করা হতো; আঙ্গুর, খেজুর, মধু, গম ও বার্লি। মদ সেই পানীয় যা মানুষকে জ্ঞানশূন্য করে দেয়। তিনটি বিষয় সম্পর্কে আমি আশ...
। উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, মদ পান হারাম হওয়া সম্পর্কিত আদেশ তখনও অবতীর্ণ হয়নি। আমি বললাম, হে আল্লাহ! আমাদের জন্য মদের বিষয়টি সুস্পষ্ট করো দিন। অতঃপর সূরা আল-বাকারাহর (২১৯ নং) আয়াত অবতীর্ণ হলোঃ ‘...
। আলী ইবনু আবূ তালিব (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। একদা আনসার গোত্রের এক লোক তাকে ও আব্দুর রাহমান ইবনু আওফ (রাঃ)-কে দা‘ওয়াত করে উভয়কে মদ পান করালেন তা হারাম হওয়ার পূর্বে। অতঃপর মাগরিবের সালাতে আলী (রাঃ) তাদের ইমামতি করলেন। তিনি স...
। ইবনু আব্বাস (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। ‘‘হে ঈমানদারগণ! তোমরা যখন মাতাল অবস্থায় থাকো তখন সালাতের কাছেও যেও না...’’ এবং ‘‘লোকেরা আপনাকে মদ ও জুয়া সম্পর্কে প্রশ্ন করে, আপনি বলুন, এর মধ্যে বড় বড় পাপের উপাদান আছে; যদিও এর মধ্যে ল...
। আনাস (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, যখন মদ হারাম ঘোষিত হয় তখন আমি আবূ তালহার ঘরে মদ পরিবেশনকারী ছিলাম। আমাদের মদ ছিলো ‘ফাদীখ।’ এ সময় এক লোক এসে আমাদেরকে বললো, নিশ্চয়ই মদ হারাম করা হয়েছে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহ...
। ইবনু উমার (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মদ, তা পানকারী, পরিবেশনকারী বিক্রেতা, ক্রেতা, উৎপাদক ও শোধনকারী, যে উৎপাদন করায়, সরবরাহকারী এবং যার জন্য সরবরাহ করা হয়- এদের সকলকে আল্লাহ লা‘নত ক...
। আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। আবূ তালহা (রাঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে কতিপয় কয়েকটি ইয়াতীম সম্পর্কে প্রশ্ন করলেন, তারা উত্তরাধিকার সূত্রে মদ পেয়েছিল। তিনি বললেনঃ তা ঢেলে ফেলে দাও। আবূ তালহা (রাঃ) বল...
। নু‘মান ইবনু বাশীর (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আঙ্গুর থেকে মদ তৈরী হয়; খেজুর, থেকে মদ তৈরী হয়’ মধু থেকে মদ তৈরী হয়; গম থেকে মদ তৈরী হয় এবং বার্লি থেকে মদ তৈরী হয়।[1...
। নু‘মান ইবনু বাশীর (রাঃ) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছিঃ আঙ্গুরের রস, কিশমিশ, খেজুর, গম, বার্লি এবং এক প্রকার বীজ দ্বারা মদ তৈরী হয়। নেশা উদ্রেককারী সব ধরণের বস্ত্তর ব্যবহার থেকে আমি...
। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ দু’ প্রকার গাছ থেকে মদ তৈরী হয়। খেজুর গাছ ও আঙ্গুর গাছ।[1] সহীহ।
। ইবনু উমার (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ নেশা উদ্রেককারী প্রতিটি বস্তু মদের অন্তর্ভুক্ত এবং নেশা উদ্রেককারী প্রতিটি জিনিস হারাম। যে ব্যক্তি সর্বদা মদপান করে এবং এ অবস...
। ইবনু আব্বাস (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ নেশা উদ্রেককারী প্রতিটি বস্তু মদের অন্তর্ভুক্ত। আর নেশা সৃষ্টিকারী প্রতিটি বস্তু হারাম। যে ব্যক্তি একবার নেশা উদ্রেককারী জিনিস পান করলো সে তার...
। জাবির ইবনু আব্দুল্লাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে জিনিসের অর্ধেক পরিমাণ পান করলে নেশা সৃষ্টি হয় তার সামান্য পরিমাণও হারাম।[1] হাসান সহীহ।
। আয়িশাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে মধুর তৈরী শরবত সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেনঃ নেশা সৃষ্টিকারী যে কোনো পানীয় হারাম। অপর বর্ণনায় রয়েছেঃ মধুর তৈরী শরবত। বর্ণনাকারী...
। দায়লাম আল-হিমযারী (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে প্রশ্ন করলাম, আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমরা শীতপ্রধান এলাকায় বসবাস করি। আমাদেরকে সেখানে কঠোর পরিশ্রম করতে হয়। আমরা...
। আবূ মূসা (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে মধুর তৈরী শরবত সম্পর্কে প্রশ্ন করলে তিনি বলেনঃ এটাকে ‘বেত’উ বলা হয়। আমি বার্লি ও এক ধরণর বীজে তৈরী শরবত সম্পর্কে প্রশ্ন করলে তিনি বলেনঃ...
। আব্দুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ)-এর সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মদ পান, জুয়া খেলা, কুবাহ ও গুবায়রা নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছেন। তিনি বলেছেনঃ নেশা সৃষ্টিকারী প্রতিটি বস্তুই হারাম।[1] সহীহ।
। উম্মু সালামাহ (রাঃ)-এর সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নেশা সৃষ্টিকারী সর্ব ধরণের বস্তু এবং অবসন্নকারী বস্তুর ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছেন।[1] দুর্বলঃ যঈফাহ (৪৭৩২), মিশকাত (৩৬৫০)।
। আয়িশাহ (রাঃ)-এর সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছিঃ নেশা উদ্রেককারী যে কোনো বস্তুই হারাম। যে বস্তুর এক ফারাক পরিমাণ পান করলে নেশার উদ্রেক হয় তার এক অঞ্জলি পরিমাণও হা...
। মালিক ইবনু আবূ মারইয়াম (রহঃ)-এর সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আব্দুর রাহমান ইবনু গানম (রহঃ) আমাদের নিকট আসলে আমরা ‘তিলাআ’ সম্পর্কে উল্লেখ করলাম। তিনি বললেন, আবূ মালিক আল-আশ‘আরী (রাঃ) আমাকে বলেছেন যে, তিনি রাসূলুল্লাহ...