Loading...

Loading...
বইসমূহ
১৩৮ হাদিসসমূহ
। ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। যখন বারীরাহকে আযাদ করে দেয়া হয় তখন তার স্বামী ছিলো আযাদ এবং তাকে এখতিয়ার দেয়া হলে সে বলে, তার সাথে বসবাসের কোনো আকর্ষণ আমার নেই, যদিও আমাকে এতো এতো কিছু দেয়া হয়।[1] সহীহ। বুখারী। আর ‘স্বামী আযাদ হওয়ার’ কথাটি মুদরাজ। যা আসওয়াদের উক্তি থেকে এসেছে।
حدثنا ابن كثير، اخبرنا سفيان، عن منصور، عن ابراهيم، عن الاسود، عن عايشة، ان زوج، بريرة كان حرا حين اعتقت وانها خيرت فقالت ما احب ان اكون معه وان لي كذا وكذا
। ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। বারীরাহকে যখন আযাদ করা হয় তখন সে আবূ আহমাদ পরিবারের ক্রীতদাস মুগীসের স্ত্রী ছিলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে এখতিয়ার দিয়েছিলেন এবং তাকে এটাও বলেছিলেনঃ তোমার স্বামী তোমার সাথে সহবাস করলে তোমার এখতিয়ার বহাল থাকবে না।[1] যঈফঃ ইরওয়া (১৯০৮), যঈফ আল-জামি‘উস সাগীর (১২৯৫)।
حدثنا عبد العزيز بن يحيى الحراني، حدثني محمد، - يعني ابن سلمة - عن محمد بن اسحاق، عن ابي جعفر، وعن ابان بن صالح، عن مجاهد، وعن هشام بن عروة، عن ابيه، عن عايشة، ان بريرة، اعتقت وهي عند مغيث - عبد لال ابي احمد - فخيرها رسول الله صلى الله عليه وسلم وقال لها " ان قربك فلا خيار لك
। ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি এমন দু‘জন দাস-দাসীকে আযাদ করার ইচ্ছা করলেন, যে দাসীর স্বামী আছে। কাসিম বলেন, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে তিনি নারীর পূর্বে পুরুষটিকে আযাদ করার নির্দেশ দেন।[1] দুর্বল।
حدثنا زهير بن حرب، ونصر بن علي، قال زهير حدثنا عبيد الله بن عبد المجيد، حدثنا عبيد الله بن عبد الرحمن بن موهب، عن القاسم، عن عايشة، انها ارادت ان تعتق، مملوكين لها زوج قال فسالت النبي صلى الله عليه وسلم عن ذلك فامرها ان تبدا بالرجل قبل المراة . قال نصر اخبرني ابو علي الحنفي عن عبيد الله
। ইবনু ‘আব্বাস (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর যুগে এক ব্যক্তি ইসলাম গ্রহণ করে আসলো, পর ঐ ব্যক্তির স্ত্রীও ইসলাম গ্রহণ করে আসলো। সে বললো, হে আল্লাহর রাসূল! নিশ্চয় সে আমার সাথেই ইসলাম গ্রহণ করেছে। ফলে তিনি স্ত্রীটিকে তার কাছে ফিরিয়ে দেন।[1] দুর্বলঃ যঈফ সুনান আত-তিরমিযী (১৯৫/১১৫৯), ইরওয়া (১৯১৮)।
حدثنا عثمان بن ابي شيبة، حدثنا وكيع، عن اسراييل، عن سماك، عن عكرمة، عن ابن عباس، ان رجلا، جاء مسلما على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم جاءت امراته مسلمة بعده فقال يا رسول الله انها قد كانت اسلمت معي . فردها عليه
। ইবনু ‘আব্বাস (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর যুগে এক মহিলা ইসলাম গ্রহণ করে মদীনাহয় এসে জনৈক ব্যক্তিকে বিয়ে করলো। পরবর্তীতে তার (প্রাক্তন) স্বামী নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে এসে বললো, হে আল্লাহর রাসূল! আমি ইসলাম গ্রহণ করেছি এবং সে আমার ইসলাম গ্রহণ সম্বন্ধে জানতো। এ কথা শুনে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মহিলাটিকে দ্বিতীয় স্বামী থেকে ফেরত নিয়ে প্রথম স্বামীর কাছে সোর্পদ করলেন।[1] দুর্বল।
حدثنا نصر بن علي، اخبرني ابو احمد، عن اسراييل، عن سماك، عن عكرمة، عن ابن عباس، قال اسلمت امراة على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم فتزوجت فجاء زوجها الى النبي صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله اني قد كنت اسلمت وعلمت باسلامي فانتزعها رسول الله صلى الله عليه وسلم من زوجها الاخر وردها الى زوجها الاول
। ইবনু ‘আব্বাস (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর কন্যা যাইনাবকে প্রথম বিবাহের ভিত্তিতেই আবুল ‘আসের কাছে ফেরত দেন এবং নতুনভাবে কোনো মোহর ধার্য করেননি। বর্ণনাকারী মুহাম্মাদ ইবনু আমর তার হাদীসে বলেন, ছয় বছর পর এবং হুসাইন ইবনু ‘আলী বলেন, দুই বছর পর।[1] সহীহ, তবে দুই বছর উল্লেখ বাদে।
حدثنا عبد الله بن محمد النفيلي، حدثنا محمد بن سلمة، ح وحدثنا محمد بن عمرو الرازي، حدثنا سلمة يعني ابن الفضل، ح وحدثنا الحسن بن علي، حدثنا يزيد، - المعنى - كلهم عن ابن اسحاق، عن داود بن الحصين، عن عكرمة، عن ابن عباس، قال رد رسول الله صلى الله عليه وسلم ابنته زينب على ابي العاصي بالنكاح الاول لم يحدث شييا . قال محمد بن عمرو في حديثه بعد ست سنين وقال الحسن بن علي بعد سنتين
। হারিস ইবনু কায়িস ইবনু ‘উমাইর আল-আসাদী (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি যখন ইসলাম গ্রহণ করি তখন আমার আটজন স্ত্রী ছিলো। বিষয়টি আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জানালে তিনি বলেনঃ তাদের যে কোনো চারজনকে বেছে নাও।[1] সহীহ।
حدثنا مسدد، حدثنا هشيم، ح وحدثنا وهب بن بقية، اخبرنا هشيم، عن ابن ابي ليلى، عن حميضة بن الشمردل، عن الحارث بن قيس، - قال مسدد ابن عميرة . وقال وهب الاسدي - قال اسلمت وعندي ثمان نسوة فذكرت ذلك للنبي صلى الله عليه وسلم فقال النبي صلى الله عليه وسلم " اختر منهن اربعا " . قال ابو داود وحدثنا به احمد بن ابراهيم حدثنا هشيم بهذا الحديث فقال قيس بن الحارث مكان الحارث بن قيس قال احمد بن ابراهيم هذا الصواب . يعني قيس بن الحارث
। কায়িস ইবনুল হারিস (রাযি.) থেকে এই সনদে পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত।[1] সহীহ।
حدثنا احمد بن ابراهيم، حدثنا بكر بن عبد الرحمن، قاضي الكوفة عن عيسى بن المختار، عن ابن ابي ليلى، عن حميضة بن الشمردل، عن قيس بن الحارث، بمعناه
। আদ-দাহহাক ইবনু ফাররূয (রহ.) থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমি বলি, হে আল্লাহর রাসূল! আমি ইসলাম কবুল করেছি এবং একই সাথে দুই বোন আমার স্ত্রী হিসেবে আছে। তিনি বলেনঃ তোমার ইচ্ছে অনুযায়ী তাদের উভয়ের কোনো একজনকে তালাক দাও।[1] হাসান।
حدثنا يحيى بن معين، حدثنا وهب بن جرير، عن ابيه، قال سمعت يحيى بن ايوب، عن يزيد بن ابي حبيب، عن ابي وهب الجيشاني، عن الضحاك بن فيروز، عن ابيه، قال قلت يا رسول الله اني اسلمت وتحتي اختان . قال " طلق ايتهما شيت
। রাফি‘ ইবনু সিনান (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি ইসলাম কবুল করেন, কিন্তু তার স্ত্রী ইসলাম কবুল করতে অস্বীকার করে। অতঃপর মহিলাটি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এসে বললো, এটি আমার কন্যা এবং সে এখনও দুগ্ধপোষ্য বা এ জাতীয় কিছু বলেন। পক্ষান্তরে রাফি‘ (রাযি.) বলেন, এটি আমার কন্যা। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাফি‘কে বললেনঃ তুমি এক পাশে বসো এবং মহিলাকে বললেনঃ তুমি অপর পাশে বসো। তিনি মেয়েটির উভয়ের মাঝখানে বসালেন এবং বললেনঃ এখন তোমরা দু‘জনেই তাকে ডাকো। মেয়েটি তার মায়ের দিকেই ঝুঁকছে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দু‘আ করে বললেনঃ ‘হে আল্লাহ! কন্যাটিকে সঠিক পথ দেখাও।’ অতঃপর মেয়েটি তার পিতার দিকে ঝুঁকে পড়লো। ফলে সে (পিতা) তাকে গ্রহণ করে।[1] সহীহ।
حدثنا ابراهيم بن موسى الرازي، اخبرنا عيسى، حدثنا عبد الحميد بن جعفر، اخبرني ابي، عن جدي، رافع بن سنان انه اسلم وابت امراته ان تسلم فاتت النبي صلى الله عليه وسلم فقالت ابنتي وهي فطيم او شبهه وقال رافع ابنتي . فقال له النبي صلى الله عليه وسلم " اقعد ناحية " . وقال لها " اقعدي ناحية " . قال واقعد الصبية بينهما ثم قال " ادعواها " . فمالت الصبية الى امها فقال النبي صلى الله عليه وسلم " اللهم اهدها " . فمالت الصبية الى ابيها فاخذها
। ইবনু শিহাব (রহ.) সূত্রে বর্ণিত। সাহল ইবনু সা‘দ আস-সাঈদী (রাযি.) তাকে জানিয়েছেন যে, একদা ‘উয়াইমির ইবনু আশকার আল-আজলানী (রাযি.) ‘আসিম ইবনু ‘আদী (রাযি.)-এর নিকট এসে বলেন, হে ‘আসিম! যদি কোনো ব্যক্তি স্বীয় স্ত্রীর সাথে অন্য পুরুষকে পায়, এ বিষয়ে তোমার কি অভিমত? সে কি তাকে হত্যা করবে এবং তোমরা তাকে হত্যা করবে বা সে কী করবে? হে আসিম! আমার এ বিষয়ে আপনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞেস করুন। ‘আসিম (রাযি.) এ সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞেস করলে তিনি তা খারাপ ও অশোভন মনে করলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে ‘আসিম (রাযি.) যা শুনলেন সেটা তার জন্য ভয়ানক মনে হলো। ‘আসিম (রাযি.) তার বাড়ি ফিরে এলে ‘উয়াইমির এসে তাকে বলেন, হে ‘আসিম! রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তোমাকে কি বলেছেন? ‘আসিম বললেন, তুমি আমাকে খুব একটা ভালো কাজ দাওনি। আমি তোমার বিষয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞেস করলে তিনি তা অপছন্দ করেন। তখন ‘উয়াইমির (রাযি.) আল্লাহর শপথ করে বললেন, আমি এ সম্পর্কে তাঁকে জিজ্ঞেস না করে ক্ষান্ত হবো না। এই বলে ‘উয়াইমির (রাযি.) উঠে সরাসরি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকটে উপস্থিত হলেন। এ সময় তিনি চতুর্দিক থেকে লোকজন পরিবেষ্টিত ছিলেন। তিনি বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি কি বলেন, যদি কোনো ব্যক্তি নিজ স্ত্রীর সাথে অন্য পুরুষকে পায় তবে সে কি তাকে হত্যা করবে? অতঃপর আপনারা তাকে হত্যা করবেন বা সে কী করবে? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তোমার ও তোমার সঙ্গিনীর ব্যাপারে আয়াত অবতীর্ণ হয়েছে। তাকে নিয়ে এসো! সাহল (রাযি.) বলেন, তারা আসলো এবং উভয়েই লি‘আন করলো। তখন আমি অন্যান্য লোকদের সঙ্গে সাথে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছেই উপস্থিত ছিলাম। তারা লি‘আন থেকে অবসর হলে ‘উয়াইমির (রাযি.) বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! এরপর যদি আমি তাকে স্ত্রী হিসাবে রাখি তবে প্রমাণ হবে আমি মিথ্যা বলেছি। অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নির্দেশ দেয়ার আগেই তিনি তাকে তিন তালাক দিলেন। ইবনু শিহাব (রহ.) বলেন, তখন থেকে লি‘আনকারীদের জন্য এটাই বিধান হয়ে যায়।[1] সহীহ।
حدثنا عبد الله بن مسلمة القعنبي، عن مالك، عن ابن شهاب، ان سهل بن سعد الساعدي، اخبره ان عويمر بن اشقر العجلاني جاء الى عاصم بن عدي فقال له يا عاصم ارايت رجلا وجد مع امراته رجلا ايقتله فتقتلونه ام كيف يفعل سل لي يا عاصم رسول الله صلى الله عليه وسلم عن ذلك . فسال عاصم رسول الله صلى الله عليه وسلم فكره رسول الله صلى الله عليه وسلم المسايل وعابها حتى كبر على عاصم ما سمع من رسول الله صلى الله عليه وسلم فلما رجع عاصم الى اهله جاءه عويمر فقال له يا عاصم ماذا قال لك رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال عاصم لم تاتني بخير قد كره رسول الله صلى الله عليه وسلم المسالة التي سالته عنها . فقال عويمر والله لا انتهي حتى اساله عنها . فاقبل عويمر حتى اتى رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو وسط الناس فقال يا رسول الله ارايت رجلا وجد مع امراته رجلا ايقتله فتقتلونه ام كيف يفعل فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " قد انزل فيك وفي صاحبتك قران فاذهب فات بها " . قال سهل فتلاعنا وانا مع الناس عند رسول الله صلى الله عليه وسلم فلما فرغا قال عويمر كذبت عليها يا رسول الله ان امسكتها . فطلقها عويمر ثلاثا قبل ان يامره النبي صلى الله عليه وسلم . قال ابن شهاب فكانت تلك سنة المتلاعنين
। ‘আব্বাস ইবনু সাহল (রহ.) থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ‘আসিম ইবনু ‘আদী (রাযি.)-কে বললেনঃ তুমি মহিলাকে সন্তান প্রসবকাল পর্যন্ত নিজের কাছে রেখে দাও।[1] হাসান।
حدثنا عبد العزيز بن يحيى، حدثني محمد، - يعني ابن سلمة - عن محمد بن اسحاق، حدثني عباس بن سهل، عن ابيه، ان النبي صلى الله عليه وسلم قال لعاصم بن عدي " امسك المراة عندك حتى تلد
। সাহল ইবনু সা‘দ আস-সাঈদী (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি তাদের দু‘জনের লি‘আন করার সময় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে উপস্থিত ছিলাম। তখন আমার বয়স ছিলো পনের বছর। অতঃপর বর্ণনাকারী পূর্ণ হাদীস বর্ণনা করেন। বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর মহিলাটি গর্ভধারণ করে এবং সন্তানটিকে তার মায়ের সাথে সম্পৃক্ত করে ডাকা হতো।[1] সহীহ।
حدثنا احمد بن صالح، حدثنا ابن وهب، قال اخبرني يونس، عن ابن شهاب، عن سهل بن سعد الساعدي، قال حضرت لعانهما عند النبي صلى الله عليه وسلم وانا ابن خمس عشرة سنة . وساق الحديث قال فيه ثم خرجت حاملا فكان الولد يدعى الى امه
। সাহল ইবনু সা‘দ (রাযি.) উভয় লি‘আনকারীর ঘটনা প্রসঙ্গে বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তোমরা ঐ মহিলার প্রতি দৃষ্টি রাখো। যদি সে খুব কালো চক্ষু ও বড় নিতম্ববিশিষ্ট সন্তান প্রসব করে, তবে আমি বুঝে নিবো, সে (স্বামী) সত্যই বলেছে। আর যদি সে সান্ডার মতো রক্তিমাভ সন্তান প্রসব করে তাহলে ধারণা করবো যে, সে মিথ্যাবাদী ছিলো। বর্ণনাকারী বলেন, সে অপছন্দনীয় বৈশিষ্টযুক্ত সন্তান প্রসব করলো।[1] সহীহ।
حدثنا محمد بن جعفر الوركاني، اخبرنا ابراهيم، - يعني ابن سعد - عن الزهري، عن سهل بن سعد، في خبر المتلاعنين قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ابصروها فان جاءت به ادعج العينين عظيم الاليتين فلا اراه الا قد صدق وان جاءت به احيمر كانه وحرة فلا اراه الا كاذبا " . قال فجاءت به على النعت المكروه
। সাহল ইবনু সা‘দ আস-সাঈদী (রাযি.) সূত্রে উক্ত ঘটনা বর্ণিত হয়েছে। তিনি বলেছেন, সন্তাটিকে তার মায়ের সাথে সম্পৃক্ত করে ডাকা হতো।[1] সহীহ।
حدثنا محمود بن خالد الدمشقي، حدثنا الفريابي، عن الاوزاعي، عن الزهري، عن سهل بن سعد الساعدي، بهذا الخبر قال فكان يدعى - يعني الولد - لامه
। সাহল ইবনু সা‘দ আস-সাঈদী (রাযি.) সূত্রে উক্ত ঘটনা প্রসঙ্গে বর্ণিত। তিনি বলেন, অতঃপর উমাইর তার স্ত্রীকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর উপস্থিতিতে তিন তালাক প্রদান করলো। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা কার্যকর করলেন। আর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর উপস্থিতিতে যা করা হয় তাই সুন্নাতে পরিণত হয়। সাহল (রাযি.) বলেন, তখন আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিকটে উপস্থিত ছিলাম। অতঃপর উভয় লি‘আনকারীর জন্য এই নিয়ম চলে আসছে যে, তাদেরকে বিচ্ছিন্ন করা হবে এবং পুনরায় কখনো তারা উভয়ে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে পারবে না।[1] সহীহ।
حدثنا احمد بن عمرو بن السرح، حدثنا ابن وهب، عن عياض بن عبد الله الفهري، وغيره، عن ابن شهاب، عن سهل بن سعد، في هذا الخبر قال فطلقها ثلاث تطليقات عند رسول الله صلى الله عليه وسلم فانفذه رسول الله صلى الله عليه وسلم وكان ما صنع عند النبي صلى الله عليه وسلم سنة . قال سهل حضرت هذا عند رسول الله صلى الله عليه وسلم فمضت السنة بعد في المتلاعنين ان يفرق بينهما ثم لا يجتمعان ابدا
। সাহল ইবনু সা‘দ (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। মুসাদ্দাদ বলেন, সাহল বলেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর যুগে ঐ দু‘জন লি‘আনকারীর ঘটনাস্থলে আমি উপস্থিত ছিলাম। তখন আমার বয়স ছিলো পনের বছর। তারা উভয়ে যখন লি‘আন থেকে অবসর হলো তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের উভয়ের মধ্যে বিচ্ছেদ ঘটালেন। মুসাদ্দাদের বর্ণনা এখানেই শেষ। অন্য বর্ণনাকারীগণ বলেছেন, যখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লি‘আনকারীদ্বয়ের মধ্যে বিচ্ছেদ ঘটান তখন তিনি (সাহল) সেখানে উপস্থিত ছিলেন। অতঃপর সে ব্যক্তি (‘উয়াইমির) বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমি তাকে স্ত্রী হিসাবে রেখে দিলে এটাই প্রমাণিত হবে যে, আমি তার বিরুদ্ধে মিথ্যা বলেছি। কোনো কোনো বর্ণনাকারী ‘আলাইহা’ শব্দটি বলেননি।[1] সহীহ। ইমাম আবূ দাঊদ (রহ.) বলেন, ‘‘অতঃপর তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লি‘আনকারীদের মধ্যে বিচ্ছেদ ঘটান’’ কোনো বর্ণনাকারী ইবনু ‘উয়াইনার এ বাক্যটির মুতাবি‘আত করেননি।
حدثنا مسدد، ووهب بن بيان، واحمد بن عمرو بن السرح، وعمرو بن عثمان، قالوا حدثنا سفيان، عن الزهري، عن سهل بن سعد، قال مسدد قال شهدت المتلاعنين على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم وانا ابن خمس عشرة ففرق بينهما رسول الله صلى الله عليه وسلم حين تلاعنا . وتم حديث مسدد . وقال الاخرون انه شهد النبي صلى الله عليه وسلم فرق بين المتلاعنين فقال الرجل كذبت عليها يا رسول الله ان امسكتها - لم يقل بعضهم عليها - قال ابو داود لم يتابع ابن عيينة احد على انه فرق بين المتلاعنين
। সাহল ইবনু সা‘দ (রাযি.) থেকে এ হাদীস সম্পর্কে বর্ণিত। উক্ত মহিলা গর্ভবতী ছিলো। স্বামী তার গর্ভ অস্বীকার করায় সন্তানটিকে তার মায়ের সাথে সম্পৃক্ত করে ডাকা হতো। অতঃপর মিরাসের ক্ষেত্রে এ নিয়ম বিধিবদ্ধ হয় যে, এ সন্তান তার মায়ের ওয়ারিস হবে এবং আল্লাহর বিধান অনুযায়ী মাতাও সন্তানের ওয়ারিস হবে।[1] সহীহ।
حدثنا سليمان بن داود العتكي، حدثنا فليح، عن الزهري، عن سهل بن سعد، في هذا الحديث وكانت حاملا فانكر حملها فكان ابنها يدعى اليها ثم جرت السنة في الميراث ان يرثها وترث منه ما فرض الله عز وجل لها
। আব্দুল্লাহ ইবনু মাসঊদ (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক জুমু‘আহর রাতে আমি মসজিদে উপস্থিত ছিলাম। তখন এক আনসারী ব্যক্তি মসজিদে এসে বললো, যদি কোনো ব্যক্তি তার স্ত্রীর সাথে অন্য পুরুষকে অবৈধ কাজে লিপ্ত পায় এবং সে যদি তা প্রকাশ করে তাহলে অভিযোগকারীকে তোমরা মিথ্যাবাদীতার শাস্তি দিবে নাকি তাকে (যিনাকারীকে) হত্যা করার কারণে তাকেও হত্যা করবে? আর সে যদি নীরব থাকে তবে ক্ষোভ নিয়েই নীরব থাকবে। আল্লাহর শপথ! আমি এ বিষয়ে অবশ্যই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞেস করবো। অতঃপর ভোর বেলায় সে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট উপস্থিত হয়ে জিজ্ঞেস করলো, যদি কোনো ব্যক্তি তার স্ত্রীর সাথে অন্য পুরুষকে অবৈধ কাজে লিপ্ত পায়, তাহলে আপনারা কি তাকে তা বলার অপরাধে মিথ্যাবাদীতার শাস্তি দিবেন? নাকি সে (যিনাকারীকে) হত্যা করলে (কিসাসস্বরূপ) তাকেও হত্যা করবেন, নাকি সে ক্ষোভ নিয়ে চুপ থাকবে? তার কথা শুনে তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ ‘হে আল্লাহ! সঠিক তথ্য প্রকাশ করে দিন’ এবং তিনি দু‘আ করতে থাকলেন। অতঃপর লি‘আনের আয়াত অবতীর্ণ হলোঃ ‘‘এবং যারা নিজেদের স্ত্রীদের উপর যিনার অভিযোগ দেয় অথচ তাদের কাছে তারা ছাড়া অন্য কেউ সাক্ষী নেই...’’ (সূরা আন-নূরঃ ৬) বস্তুত লোকটিই এ গুরুতর ব্যাপারে জড়িয়ে পড়েছিল। পরে সে ও তার স্ত্রী রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে এসে লি‘আন করলো এবং সে ব্যক্তি আল্লাহর শপথ দ্বারা চারবার শপথ করলো যে, সে তার দাবীতে সত্যবাদী। আর পঞ্চমবারে সে বললো, তার উপর আল্লাহর অভিশাপ বর্ষিত হোক যদি সে মিথ্যাবাদী হয়ে থাকে। অতঃপর উক্ত মহিলা লি‘আন করতে উদ্যত হলে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেনঃ থামো! কিন্তু সে বিরত থাকতে অস্বীকার করলো এবং লি‘আন করলো। উভয় লি‘আনকারী চলে গেলে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ সম্ভবত সে কালো ও স্থুলদেহী সন্তান প্রসব করবে। পরে তাই হলো, সে কালো ও স্থুলদেহী সন্তানই প্রসব করলো।[1] সহীহ।
حدثنا عثمان بن ابي شيبة، حدثنا جرير، عن الاعمش، عن ابراهيم، عن علقمة، عن عبد الله، قال انا لليلة جمعة في المسجد اذ دخل رجل من الانصار في المسجد فقال لو ان رجلا وجد مع امراته رجلا فتكلم به جلدتموه او قتل قتلتموه فان سكت سكت على غيظ والله لاسالن عنه رسول الله صلى الله عليه وسلم . فلما كان من الغد اتى رسول الله صلى الله عليه وسلم فساله فقال لو ان رجلا وجد مع امراته رجلا فتكلم به جلدتموه او قتل قتلتموه او سكت سكت على غيظ . فقال " اللهم افتح " . وجعل يدعو فنزلت اية اللعان { والذين يرمون ازواجهم ولم يكن لهم شهداء الا انفسهم } هذه الاية فابتلي به ذلك الرجل من بين الناس فجاء هو وامراته الى رسول الله صلى الله عليه وسلم فتلاعنا فشهد الرجل اربع شهادات بالله انه لمن الصادقين ثم لعن الخامسة عليه ان كان من الكاذبين قال فذهبت لتلتعن فقال لها النبي صلى الله عليه وسلم " مه " . فابت ففعلت فلما ادبرا قال " لعلها ان تجيء به اسود جعدا " . فجاءت به اسود جعدا
। ইবনু ‘আব্বাস (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। একদা হিলাল ইবনু উমাইয়্যাহ (রাযি.) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট শারীক ইবনু সাহমার সাথে তার স্ত্রীর অবৈধ সম্পর্কের অভিযোগ করলে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তুমি প্রমাণ পেশ করো অন্যথায় তোমার পিঠে হদ্দ কার্যকর হবে। তিনি বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! এটা কিভাবে সম্ভব? এক ব্যক্তি তার স্ত্রীর সাথে অন্য পুরুষকে অবৈধ কাজে লিপ্ত দেখে সে সাক্ষীর খোঁজে বের হবে? নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবারও বললেনঃ তুমি সাক্ষী পেশ করো, অন্যথায় তোমার পিঠে হদ্দ কার্যকর হবে। হিলাল বললেন, সেই সত্তার শপথ যিনি আপনাকে সত্য দীনসহ পাঠিয়েছেন। আমি আমার দাবীতে অবশ্যই সত্যবাদী। নিশ্চয় আল্লাহ আমার বিষয়ে অবতীর্ণ করবেন। যা আমার পিঠকে শাস্তি থেকে রক্ষা করবে। তখন এ আয়াত অবতীর্ণ হলোঃ ‘‘এবং যারা নিজেদের স্ত্রীদের উপর যিনার অভিযোগ দেয় অথচ তাদের কাছে তারা ছাড়া অন্য কেউ সাক্ষী নেই ... হতে সত্যবাদী পর্যন্ত’’ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পাঠ করে শুনালেন। অতঃপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদেরকে লোক মারফত ডাকালেন। তারা উপস্থিত হলো এবং হিলাল (রাযি.) উঠে তার শপথ বাক্য পাঠ করলেন। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ আল্লাহই অবগত, তোমাদের দু‘জনের মধ্যে একজন অবশ্যই মিথ্যাবাদী। সুতরাং তোমাদের মধ্যে কে তওবা করবে? পরে মহিলাটি উঠে শপথ বাক্য পড়লো। মহিরাটি পঞ্চমবারের বাক্য ‘‘আল্লাহর গযব তার নিজের উপর বর্ষিত হোক, যদি স্বামী তার দাবীতে সত্যবাদী হয়’’ বলার সময় উপস্থিত লোকেরা তাকে বলেছিল, এ বাক্যে অবশ্যই আল্লাহর ‘গযব’ নাযিল হবে। কাজেই ভেবে-চিন্তে বলো। ইবনু ‘আব্বাস (রাযি.) বলেন, একথা শুনে মহিলাটি কিছুক্ষণ থমকে দাঁড়ালো এবং পেছনের দিকে সরে এলো। আমাদের ধারণা হলো, সম্ভবত সে বিরত থাকবে। কিন্তু সে "আমি আমার বংশকে চিরদিনের জন্য কলংকিত করবো না" বলে পঞ্চম বাক্যটিও পাঠ করলো। অতঃপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তোমরা এ মহিলাটির প্রতি নযর রাখো, যদি সে কুচকুচে কালো চোখ, বড় নিতম্ব ও মোটা নলাওয়ালা সন্তান প্রসব করে, তবে তা হবে শারীক ইবনু সাহমার। পরে সে এরূপ সন্তানই প্রসব করে। পরবর্তীতে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহর কিতাবে লি‘আনের নির্দিষ্ট বিধান অবতীর্ণ না হলে আমার ও এই নারীর মধ্যকার ফায়সালার বিষয়টি সংকটজনক হতো।[1] সহীহ।
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا ابن ابي عدي، اخبرنا هشام بن حسان، حدثني عكرمة، عن ابن عباس، ان هلال بن امية، قذف امراته عند رسول الله صلى الله عليه وسلم بشريك بن سحماء فقال النبي صلى الله عليه وسلم " البينة او حد في ظهرك " . قال يا رسول الله اذا راى احدنا رجلا على امراته يلتمس البينة فجعل النبي صلى الله عليه وسلم يقول " البينة والا فحد في ظهرك " . فقال هلال والذي بعثك بالحق نبيا اني لصادق ولينزلن الله في امري ما يبري ظهري من الحد فنزلت { والذين يرمون ازواجهم ولم يكن لهم شهداء الا انفسهم } فقرا حتى بلغ { من الصادقين } فانصرف النبي صلى الله عليه وسلم فارسل اليهما فجاءا فقام هلال بن امية فشهد والنبي صلى الله عليه وسلم يقول " الله يعلم ان احدكما كاذب فهل منكما من تايب " . ثم قامت فشهدت فلما كان عند الخامسة ان غضب الله عليها ان كان من الصادقين وقالوا لها انها موجبة . قال ابن عباس فتلكات ونكصت حتى ظننا انها سترجع فقالت لا افضح قومي ساير اليوم . فمضت فقال النبي صلى الله عليه وسلم " ابصروها فان جاءت به اكحل العينين سابغ الاليتين خدلج الساقين فهو لشريك بن سحماء " . فجاءت به كذلك فقال النبي صلى الله عليه وسلم " لولا ما مضى من كتاب الله لكان لي ولها شان " . قال ابو داود وهذا مما تفرد به اهل المدينة حديث ابن بشار حديث هلال