Loading...

Loading...
বইসমূহ
১৩৮ হাদিসসমূহ
। আবূ হুরাইরাহ (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি কোনো স্ত্রীকে তার স্বামীর বিরুদ্ধে অথবা দাসকে তার মনিবের বিরুদ্ধে প্ররোচিত করে সে আমাদের দলভুক্ত নয়।[1] সহীহ।
حدثنا الحسن بن علي، حدثنا زيد بن الحباب، حدثنا عمار بن رزيق، عن عبد الله بن عيسى، عن عكرمة، عن يحيى بن يعمر، عن ابي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ليس منا من خبب امراة على زوجها او عبدا على سيده
। আবূ হুরাইরাহ (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোনো নারী যেন নিজ স্বার্থের জন্য এবং বিয়ে বসার জন্য তার বোনোর তালাক না চায়। কেননা সে তাই পাবে যা তার জন্য নির্ধারিত আছে।[1] সহীহ।
حدثنا القعنبي، عن مالك، عن ابي الزناد، عن الاعرج، عن ابي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لا تسال المراة طلاق اختها لتستفرغ صحفتها ولتنكح فانما لها ما قدر لها
। মুহারিব (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহর নিকট হালাল বিষয়ের মধ্যে তালাকের চেয়ে অধিক ঘৃণিত কিছু নেই।[1] দুর্বলঃ যঈফ আল-জামি‘উস সাগীর (৪৯৮৬), ইরওয়া (২০৪০)।
حدثنا احمد بن يونس، حدثنا معرف، عن محارب، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ما احل الله شييا ابغض اليه من الطلاق
। ইবনু উমার (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মহান আল্লাহর নিকট সবচেয়ে ঘৃণিত হালাল হচ্ছে তালাক।[1] দুর্বলঃ যঈফ সুনান ইবনু মাজাহ (৪৪১/২০১৮), ইরওয়া (২০৪০), মিশকাত (৩২৮০)।
حدثنا كثير بن عبيد، حدثنا محمد بن خالد، عن معرف بن واصل، عن محارب بن دثار، عن ابن عمر، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " ابغض الحلال الى الله تعالى الطلاق
। আব্দুল্লাহ ইবনু উমার (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর যুগে তার ঋতুবতী স্ত্রীকে তালাক দিলেন। উমার ইবনুল খাত্তাব (রাযি.) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তাকে তার স্ত্রীকে ফিরিয়ে আনতে বলো এবং তুহর’ পর্যন্ত রেখে দিতে বলো। এরপর আবার হায়িয ও তার থেকে আবার পাক হওয়ার পর ইচ্ছা করলে সে তাকে রেখে দিবে অন্যথায় সহবাসের আগেই তালাক দিবে। মহান আল্লাহ এভাবে ইদ্দাত পালনের সুযোগ রেখে স্ত্রীদেরকে তালাক দিতে নির্দেশ দিয়েছেন।[1] সহীহ।
حدثنا القعنبي، عن مالك، عن نافع، عن عبد الله بن عمر، انه طلق امراته وهي حايض على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم فسال عمر بن الخطاب رسول الله صلى الله عليه وسلم عن ذلك فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " مره فليراجعها ثم ليمسكها حتى تطهر ثم تحيض ثم تطهر ثم ان شاء امسك بعد ذلك وان شاء طلق قبل ان يمس فتلك العدة التي امر الله سبحانه ان تطلق لها النساء
। নাফি‘ (রহ.) সূত্রে বর্ণিত। ইবনু উমার (রাযি.) তার স্ত্রীকে হায়িয অবস্থায় এক তালাক দেন। অতঃপর ইমাম মালিক বর্ণিত হাদীসের অর্থানুযায়ী বর্ণিত।[1] সহীহ।
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا الليث، عن نافع، ان ابن عمر، طلق امراة له وهي حايض تطليقة بمعنى حديث مالك
। ইবনু উমার (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি তার স্ত্রীকে হায়িয অবস্থায় তালাক দিলেন। উমার (রাযি.) এ বিষয়ে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে অবহিত করলে তিনি বললেনঃ তাকে তার স্ত্রীকে ফিরিয়ে আনতে বলো, পরে হায়িয থেকে পবিত্র হলে অথবা সে গর্ভবতী হলে তাকে তালাক দিবে।[1] সহীহ।
حدثنا عثمان بن ابي شيبة، حدثنا وكيع، عن سفيان، عن محمد بن عبد الرحمن، مولى ال طلحة عن سالم، عن ابن عمر، انه طلق امراته وهي حايض فذكر ذلك عمر للنبي صلى الله عليه وسلم فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " مره فليراجعها ثم ليطلقها اذا طهرت او وهي حامل
। সালিম ইবনু আব্দুল্লাহ (রহ.) থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। তিনি তার স্ত্রীকে হায়িয অবস্থায় তালাক দেয়ায় উমার (রাযি.) বিষয়টি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে অবহিত করালেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাগান্বিত হয়ে বললেনঃ তার স্ত্রীকে ফিরিয়ে আনতে বলো। সে যেন তাকে পবিত্র হওয়া পর্যন্ত রেখে দেয়। অতঃপর আবার ঋতুবতী হয়ে পুনরায় পবিত্র হওয়ার পর ইচ্ছে হলে সঙ্গমের আগেই তাকে তালাক দিতে পারবে। মহান আল্লাহ এভাবে ইদ্দাত পালনের সুযোগ রেখে স্ত্রীদেরকে তালাক দিতে নির্দেশ দিয়েছেন।[1] সহীহ।
حدثنا احمد بن صالح، حدثنا عنبسة، حدثنا يونس، عن ابن شهاب، اخبرني سالم بن عبد الله، عن ابيه، انه طلق امراته وهي حايض فذكر ذلك عمر لرسول صلى الله عليه وسلم فتغيظ رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم قال " مره فليراجعها ثم ليمسكها حتى تطهر ثم تحيض فتطهر ثم ان شاء طلقها طاهرا قبل ان يمس فذلك الطلاق للعدة كما امر الله عز وجل
। ইউনুস ইবনু জুরাইর (রহ.) ইবনু উমার (রাযি.)-কে জিজ্ঞেস করেন, আপনি আপনার স্ত্রীকে কত তালাক দিয়েছিলেন? তিনি বললেন, এক তালাক।[1] সহীহ।
حدثنا الحسن بن علي، حدثنا عبد الرزاق، اخبرنا معمر، عن ايوب، عن ابن سيرين، اخبرني يونس بن جبير، انه سال ابن عمر فقال كم طلقت امراتك فقال واحدة
। ইউনুস ইবনু জুরাইর (রহ.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমি আব্দুল্লাহ ইবনু উমার (রাযি.)-কে জিজ্ঞেস করলাম, এক ব্যক্তি তার স্ত্রীকে হায়িয অবস্থায় তালাক দিয়েছে, তার হুকুম কি? তিনি বললেন, তুমি কি ইবনু উমার (রাযি.)-কে চিনো? আমি বললাম, হ্যাঁ। তিনি বললেন, আব্দুল্লাহ ইবনু উমার (রাযি.) তার স্ত্রীকে হায়িয অবস্থায় তালাক দিয়েছিলো। ফলে উমার (রাযি.) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এসে এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করলেন। তখন তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ তাকে বলো, সে যেন তার স্ত্রীকে ফিরিয়ে আনে। তারপর ইদ্দাতকারের পূর্বেই যেন তাকে তালাক দেয়। বর্ণনাকারী বলেন, আমি জিজ্ঞেস করলাম, ঐ তালাকটি কি গণ্য হবে? তিনি বললেন, কেন নয়? তোমার কি ধারণা, যদি সে এরূপ করতে অপারগ হয় তবে সে আহম্মকের মতো কাজ করলো।[1] সহীহ।
حدثنا القعنبي، حدثنا يزيد، - يعني ابن ابراهيم - عن محمد بن سيرين، حدثني يونس بن جبير، قال سالت عبد الله بن عمر قال قلت رجل طلق امراته وهي حايض . قال تعرف عبد الله بن عمر قلت نعم . قال فان عبد الله بن عمر طلق امراته وهي حايض . فاتى عمر النبي صلى الله عليه وسلم فساله فقال " مره فليراجعها ثم ليطلقها في قبل عدتها " . قال قلت فيعتد بها قال فمه ارايت ان عجز واستحمق
। উরওয়াহ (রহ.)-এর মুক্তদাস আব্দুর রহমান ইবনু আইমান (রহ.) ইবনু উমার (রাযি.)-কে জিজ্ঞেস করলেন, আর আবুয যুবায়র (রহ.) তা শুনলেন, কেউ তার ঋতুবতী স্ত্রীকে তালাক দিলে তার হুকুম কি? তিনি বলেন, ইবনু উমার (রাযি.) তার ঋতুবতী স্ত্রীকে তালাক দিয়েছিলেন। ফলে উমার (রাযি.) এ বিষয়ে জানতে চেয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আব্দুল্লাহ ইবনু উমার তার ঋতুবতী স্ত্রীকে তালাক দিয়েছে। আব্দুল্লাহ (রাযি.) বলেন, তিনি আমার স্ত্রীকে ফিরিয়ে আনতে বলেছেন এবং এটাকে দোষনীয় বলেননি। তিনি বলেছেনঃ যখন সে ঋতু থেকে পবিত্র হবে তখন ইচ্ছে হলে তালাক দিবে অথবা রাখবে। ইবনু উমার (রাযি.) বলেন, অতঃপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ আয়াতটি পাঠ করলেনঃ ‘‘হে নবী! যখন তোমরা স্ত্রীদেরকে তালাক দিবে তখন তাদের ইদ্দাত আসার পূর্বে তালাক দিবে।’’ ইমাম আবূ দাঊদ (রহ.) বলেন, হাদীসটি ইউনুস ইবনু যুবায়র, আনাস ইবনু সীরীন, সাঈদ ইবনু যুবায়র, যায়িদ ইবনু আসলাম, আবুয যুবায়র এবং মানসূর (রহ.) আবূ ওয়ায়িলের সূত্রে ইবনু উমার (রাযি.) থেকে বর্ণনা করেছেন। তাদের সকলের হাদীসের অর্থ হলোঃ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আদেশ দিয়েছেনঃ সে তার স্ত্রীকে পবিত্র হওয়ার পর্যন্ত রেখে দিবে। অতঃপর ইচ্ছে হলে তালাক দিবে, অথবা রেখে দিবে। মুহাম্মাদ ইবনু আব্দুর রহমান (রহ.) সালিম সূত্রে ইবনু উমার (রাযি.) থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। আর সালিম থেকে তিনি নাফি‘ থেকে ইবনু উমার (রাযি.) সূত্রে ইমাম যুহরীর বর্ণনা হলো, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আব্দুল্লাহকে নির্দেশ দিলেন, তুমি তাকে পবিত্র হওয়া পর্যন্ত রেখে দাও, এরপর পুনরায় ঋতুবতী হয়ে পবিত্র হওয়া পর্যন্ত রেখে দাও, অতঃপর ইচ্ছে হলে তালাক দিবে অথবা রেখে দিবে। আর ‘আতা আল-খোরাসানী থেকে হাসান বাসরীর মাধ্যমে ইবনু উমার (রাযি.) সূত্রে নাফি‘ ও যুহরীর অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। ইমাম আবূ দাঊদ (রহ.) বলেন, উল্লেখিত সব হাদীস আবুয যুবায়রের বর্ণনার বিপরীত।[1] সহীহ।
حدثنا احمد بن صالح، حدثنا عبد الرزاق، اخبرنا ابن جريج، اخبرني ابو الزبير، انه سمع عبد الرحمن بن ايمن، مولى عروة يسال ابن عمر وابو الزبير يسمع قال كيف ترى في رجل طلق امراته حايضا قال طلق عبد الله بن عمر امراته وهي حايض على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم فسال عمر رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال ان عبد الله بن عمر طلق امراته وهي حايض قال عبد الله فردها على ولم يرها شييا وقال " اذا طهرت فليطلق او ليمسك " . قال ابن عمر وقرا النبي صلى الله عليه وسلم { يا ايها النبي اذا طلقتم النساء فطلقوهن } في قبل عدتهن . قال ابو داود روى هذا الحديث عن ابن عمر يونس بن جبير وانس بن سيرين وسعيد بن جبير وزيد بن اسلم وابو الزبير ومنصور عن ابي وايل معناهم كلهم ان النبي صلى الله عليه وسلم امره ان يراجعها حتى تطهر ثم ان شاء طلق وان شاء امسك وكذلك رواه محمد بن عبد الرحمن عن سالم عن ابن عمر واما رواية الزهري عن سالم ونافع عن ابن عمر ان النبي صلى الله عليه وسلم امره ان يراجعها حتى تطهر ثم تحيض ثم تطهر ثم ان شاء طلق وان شاء امسك وروي عن عطاء الخراساني عن الحسن عن ابن عمر نحو رواية نافع والزهري والاحاديث كلها على خلاف ما قال ابو الزبير
। মুতাররিফ ইবনু আব্দুল্লাহ (রহ.) সূত্রে বর্ণিত। ‘ইমরান ইবনু হুসাইন (রাযি.)-কে জিজ্ঞেস করা হলো, এ ব্যক্তি তার স্ত্রীকে এক তালাক দেয়ার পর পুনরায় তার সাথে সহবাস করেছে, অথচ তার তালাক প্রদান ও পরে ফিরিয়ে আনার সময় কাউকে সাক্ষী রাখেনি। তিনি বললেন, তুমি সুন্নাতের পরিপন্থী তালাক দিয়েছো এবং সুন্নাত বিরোধী নিয়মে তাকে ফিরিয়ে এনেছো। ভবিষ্যতে তালাক প্রদান ও ফিরিয়ে আনার সময় সাক্ষী রাখবে। পুনরায় এরূপ করবে না।[1] সহীহ।
حدثنا بشر بن هلال، ان جعفر بن سليمان، حدثهم عن يزيد الرشك، عن مطرف بن عبد الله، ان عمران بن حصين، سيل عن الرجل، يطلق امراته ثم يقع بها ولم يشهد على طلاقها ولا على رجعتها فقال طلقت لغير سنة . وراجعت لغير سنة اشهد على طلاقها وعلى رجعتها ولا تعد
। বনী নাওফালের মুক্তদাস আবূ হাসান (রহ.) বলেন, তিনি ইবনু ‘আব্বাস (রাযি.)-এর নিকট জনৈক ক্রীতদাস সম্পর্কে ফতোয়া চাইলেন, তার একজন দাসী স্ত্রী ছিলো যাকে সে দুই তালাক দেয়। পরে তারা উভয়ে দাসত্বমুক্ত হয়ে যায়। এমতাবস্থায় ঐ মহিলাকে পুনরায় বিয়ের পয়গাম দেয়া তার জন্য ঠিক হবে কিনা? উত্তরে তিনি বললেন, হ্যাঁ, পারবে। কেননা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরূপ সিদ্ধান্ত দিয়েছেন।[1] দুর্বলঃ যঈফ সুনান ইবনু মাজাহ (৪৫৩), যঈফ সুনান নাসায়ী (২২৫/৩৪২৮)।
حدثنا زهير بن حرب، حدثنا يحيى بن سعيد، حدثنا علي بن المبارك، حدثني يحيى بن ابي كثير، ان عمر بن معتب، اخبره ان ابا حسن مولى بني نوفل اخبره انه، استفتى ابن عباس في مملوك كانت تحته مملوكة فطلقها تطليقتين ثم عتقا بعد ذلك هل يصلح له ان يخطبها قال نعم قضى بذلك رسول الله صلى الله عليه وسلم
। আলী ইবনুল মুবারক (রহ.) থেকে পূর্বোক্ত হাদীসের সনদ ও অর্থে হাদীস বর্ণিত। তিনি বলেন, ইবনু ‘আব্বাস (রাযি.) বলেছেন, তোমার জন্য আর একটি তালাক অবশিষ্ট আছে এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরূপ ফায়সালা দিয়েছেন।[1] দুর্বল।
حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا عثمان بن عمر، اخبرنا علي، باسناده ومعناه بلا اخبار قال ابن عباس بقيت لك واحدة قضى به رسول الله صلى الله عليه وسلم . قال ابو داود سمعت احمد بن حنبل قال قال عبد الرزاق قال ابن المبارك لمعمر من ابو الحسن هذا لقد تحمل صخرة عظيمة . قال ابو داود ابو الحسن هذا روى عنه الزهري قال الزهري وكان من الفقهاء روى الزهري عن ابي الحسن احاديث . قال ابو داود ابو الحسن معروف وليس العمل على هذا الحديث
। ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ দাসীর তালাক দু‘টি এবং তার ইদ্দাতকাল দুই হচ্ছে হায়িয। আবূ ‘আসিম বলেন, মুযাহির আমাকে কাসিমের মাধ্যমে ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সূত্রে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। তবে তিনি বলেছেনঃ দাসীর ইদ্দাত হচ্ছে দুই হায়িয। ইমাম আবূ দাঊদ (রহ.) বলেন, এ হাদীসটি অজ্ঞাত (মাজহুল)।[1] দুর্বল।
حدثنا محمد بن مسعود، حدثنا ابو عاصم، عن ابن جريج، عن مظاهر، عن القاسم بن محمد، عن عايشة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " طلاق الامة تطليقتان وقروها حيضتان " . قال ابو عاصم حدثني مظاهر حدثني القاسم عن عايشة عن النبي صلى الله عليه وسلم مثله الا انه قال " وعدتها حيضتان " . قال ابو داود وهو حديث مجهول
। আমর ইবনু শু‘আইব (রহ.) থেকে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও তার দাদার সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে মহিলার উপর অধিকার নেই তাকে তালাক দেয়া যায় না, যে গোলামের মালিকানা নেই, তাকে আযাদ করা যায় না। তোমার মালিকানাধীন বস্তুই কেবল বিক্রয়যোগ্য। ইবনুস সাব্বাহ আরো বলেন, যে বস্তুর উপর তোমার মালিকানা নেই তার মান্নাত পূরণ করতে হবে না।[1] হাসান।
حدثنا مسلم بن ابراهيم، حدثنا هشام، ح وحدثنا ابن الصباح، حدثنا عبد العزيز بن عبد الصمد، قالا حدثنا مطر الوراق، عن عمرو بن شعيب، عن ابيه، عن جده، ان النبي صلى الله عليه وسلم قال " لا طلاق الا فيما تملك ولا عتق الا فيما تملك ولا بيع الا فيما تملك " . زاد ابن الصباح " ولا وفاء نذر الا فيما تملك
। আমর ইবনু শু‘আইব (রহ.) থেকে এ সূত্রে পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ অর্থে বর্ণিত। তাতে রয়েছেঃ যে ব্যক্তি কোনো পাপ কাজের জন্য শপথ করে তার শপথ হয়নি এবং যে ব্যক্তি আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করার শপথ করে তার শপথও হয়নি। (এরূপ শপথ পূরণ করতে হবে না)।[1] হাসান।
حدثنا محمد بن العلاء، اخبرنا ابو اسامة، عن الوليد بن كثير، حدثني عبد الرحمن بن الحارث، عن عمرو بن شعيب، باسناده ومعناه زاد " من حلف على معصية فلا يمين له ومن حلف على قطيعة رحم فلا يمين له
। আমর ইবনু শু‘আইব (রহ.) থেকে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও তার দাদার সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, অতঃপর পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ। এতে আরো রয়েছেঃ মহান আল্লাহ সন্তুষ্টির জন্য যে মান্নত করা হয় কেবল তাই পূরণ করতে হয়।[1] হাসান।
حدثنا ابن السرح، حدثنا ابن وهب، عن يحيى بن عبد الله بن سالم، عن عبد الرحمن بن الحارث المخزومي، عن عمرو بن شعيب، عن ابيه، عن جده، ان النبي صلى الله عليه وسلم قال في هذا الخبر زاد " ولا نذر الا فيما ابتغي به وجه الله تعالى ذكره
। ইলিয়ার অধিবাসী মুহাম্মাদ ইবনু উবাইদ ইবনু আবূ সালিহ (রহ.) সূত্রে বর্ণিত। বলেন, আমি ‘আদী ইবনু ‘আদী আল-কিনদীর সাথে সিরিয়া থেকে রওয়ানা হয়ে মক্কায় গেলাম। তিনি আমাকে সাফিয়্যাহ বিনতু শাইবার কাছে পাঠালেন। কেননা সাফিয়্যাহ ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে হাদীস সংরক্ষণ করেছিলেন। তিনি বলেন, আমি ‘আয়িশাহ্ (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ রাগের অবস্থায় কোনো তালাক হয় না এবং দাসত্বমুক্ত করা যায় না। ইমাম আবূ দাঊদ (রহ.) বলেন, আমার মতে ‘আল-গিলাক’ অর্থ রাগ।[1] হাসান।
حدثنا عبيد الله بن سعد الزهري، ان يعقوب بن ابراهيم، حدثهم قال حدثنا ابي، عن ابن اسحاق، عن ثور بن يزيد الحمصي، عن محمد بن عبيد الله بن ابي صالح الذي، كان يسكن ايليا قال خرجت مع عدي بن عدي الكندي حتى قدمنا مكة فبعثني الى صفية بنت شيبة وكانت قد حفظت من عايشة قالت سمعت عايشة تقول سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " لا طلاق ولا عتاق في غلاق " . قال ابو داود الغلاق اظنه في الغضب
। আবূ হুরাইরাহ (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তিনটি কাজ এমন যা বাস্তবে বা ঠাট্টাচ্ছলে করলেও তা বাস্তবিকই ধর্তব্য। তা হলোঃ বিবাহ, তালাক ও স্ত্রীকে ফিরিয়ে আনা।[1] হাসান।
حدثنا القعنبي، حدثنا عبد العزيز، - يعني ابن محمد - عن عبد الرحمن بن حبيب، عن عطاء بن ابي رباح، عن ابن ماهك، عن ابي هريرة، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " ثلاث جدهن جد وهزلهن جد النكاح والطلاق والرجعة