Loading...

Loading...
বইসমূহ
১২৯ হাদিসসমূহ
। আবূ হুরাইরাহ (রাযি.) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোনো মহিলাকে তার খালার সাথে এবং কোনো মহিলাকে তার ফুফুর সাথে একত্রে বিয়ে করতে নিষেধ করেছেন।[1] সহীহ।
حدثنا احمد بن صالح، حدثنا عنبسة، اخبرني يونس، عن ابن شهاب، اخبرني قبيصة بن ذويب، انه سمع ابا هريرة، يقول نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم ان يجمع بين المراة وخالتها وبين المراة وعمتها
। ইবনু ‘আব্বাস (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এমন দুই মহিলাকে একত্রে বিয়ে করতে নিষেধ করেছেন যাদের পরস্পরের মধ্যে সম্পর্ক হচ্ছে ফুফু ও ভাতিজী এবং খালা ও ভাগ্নী। অনুরূপভাবে তিনি এমন দু‘জন মহিলাকেও একত্রে বিয়ে করতে নিষেধ করেছেন যারা পরস্পর খালা বা ফুফু।[1] দুর্বল।
حدثنا عبد الله بن محمد النفيلي، حدثنا خطاب بن القاسم، عن خصيف، عن عكرمة، عن ابن عباس، عن النبي صلى الله عليه وسلم انه كره ان يجمع بين العمة والخالة وبين الخالتين والعمتين
। ইবনু শিহাব (রহ.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, ‘উরওয়াহ ইবনুয যুবায়ের (রহ.) আমাকে বলেন যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর স্ত্রী ‘আয়িশাহ্ (রাঃ)-কে এ আয়াতের অর্থ জিজ্ঞেস করেছিলেনঃ ‘‘তোমরা যদি ভয় করো, ইয়াতীমদের প্রতি ইনসাফ করতে পারবে না, তাহলে তোমরা তোমাদের পছন্দ অনুযায়ী অন্য মহিলা বিয়ে করো।’’ (সূরা আন-নিসাঃ ৩)। তিনি বললেন, হে আমার ভাগ্নে! এ আয়াত ঐসব ইয়াতীম বালিকা সম্পর্কে অবতীর্ণ হয়েছে, যারা কারো তত্ত্বাবধানে রয়েছে এবং সে তার সম্পদের অংশীদার। সে তার সৌন্দর্য ও সম্পদকেও পছন্দ করে। এমতাবস্থায় সে তাকে বিয়ে করতে আগ্রহী, কিন্তু অন্য মহিলাকে তার অনুরূপ মোহর আদায় করতে অনিচ্ছুক। এরূপ অভিবাকদেরকে ঐ ইয়াতীম বালিকাদের বিয়ে করতে নিষেধ করা হয়েছে যতক্ষণ না তারা পূর্ণ মোহর দেয় এবং ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করে। আর তাদেরকে নিজেদের পছন্দ মতো অন্য মহিলা বিয়ে করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। ‘উরওয়াহ (রহ.) বলেন, ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) বলেছেন, পরবর্তীতে লোকেরা এ আয়াতের ব্যাখ্যায় ইয়াতীম বালিকাদের বিষয়ে ফতোয়া চাইলে মহাপরাক্রমশালী আল্লাহ ও আয়াত অবতীর্ণ করলেনঃ ‘‘লোকেরা আপনার কাছে নারীদের বিষয়ে ফতোয়া জিজ্ঞেস করে। আপনি বলুন, আল্লাহ তাদের সম্পর্কে তোমাদেরকে সমাধান দিয়েছেন। এ কিতাবের মাধ্যমে শুনানো হচ্ছে হুকুমগুলো এই যে, তাদের জন্য যে মোহর নির্ধারিত তোমরা তা আদায় করো না অথচ তোমরা তাদেরকে বিবাহ করতে আগ্রহী।’’ (নিসাঃ ১২৭)। ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) বলেন, এ বিষয়ে মহান আল্লাহর কিতাবের মধ্যে তাদের উপর যা অবতীর্ণ করেছেন তা হচ্ছে, প্রথমের সে আয়াতটি যেখানে আল্লাহ বলেছেন, ‘‘তোমরা যদি ভয় করো যে, ইয়াতীমদের প্রতি ইনসাফ করতে পারবে না তাহলে তোমরা নিজেদের পছন্দ মোতাবেক অন্য নারী বিয়ে করো।’’ ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) বলেন, মহাপরাক্রমশালী আল্লাহ অন্য আয়াতে বলেছেন, ইয়াতীম বালিকা সুন্দরী এবং সম্পদশালী না হলে অভিভাবকরা এর কমতি দেখিয়ে তাদেরকে বাদ দিয়ে অন্য নারী বিয়ে করতো। সুতরাং তাদেরকে বলা হয়েছে, স্বার্থের বেলায় পূর্ণ ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করো এবং পুরো মোহর আদায় করা ছাড়া এসব ইয়াতীমকে বিয়ে করতে নিষেধ করা হয়েছে। কারণ তারা এসব ইয়াতীমের হক আদায় করতে চাইতো না। ইউনুস বলেন, রাবী‘আহ, আল্লাহর বাণীঃ (وَإِنْ خِفْتُمْ أَلَّا تُقْسِطُوا فِي الْيَتَامَى) এর অর্থ করেছেন, তোমরা যদি ভয় করো যে, ইয়াতীমদের প্রতি ইনসাফ করতে পারবে না, তবে তাদেরকে পরিত্যাগ করো। কেননা আমি তোমাদের জন্য চারজন মহিলা পর্যন্ত বিয়ে করা হালাল করেছি।[1] সহীহ।
حدثنا احمد بن عمرو بن السرح المصري، حدثنا ابن وهب، اخبرني يونس، عن ابن شهاب، قال اخبرني عروة بن الزبير، انه سال عايشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم عن قول الله تعالى { وان خفتم ان لا تقسطوا في اليتامى فانكحوا ما طاب لكم من النساء } قالت يا ابن اختي هي اليتيمة تكون في حجر وليها فتشاركه في ماله فيعجبه مالها وجمالها فيريد ان يتزوجها بغير ان يقسط في صداقها فيعطيها مثل ما يعطيها غيره فنهوا ان ينكحوهن الا ان يقسطوا لهن ويبلغوا بهن اعلى سنتهن من الصداق وامروا ان ينكحوا ما طاب لهم من النساء سواهن . قال عروة قالت عايشة ثم ان الناس استفتوا رسول الله صلى الله عليه وسلم بعد هذه الاية فيهن فانزل الله عز وجل { ويستفتونك في النساء قل الله يفتيكم فيهن وما يتلى عليكم في الكتاب في يتامى النساء اللاتي لا توتونهن ما كتب لهن وترغبون ان تنكحوهن } قالت والذي ذكر الله انه يتلى عليهم في الكتاب الاية الاولى التي قال الله سبحانه وتعالى { وان خفتم ان لا تقسطوا في اليتامى فانكحوا ما طاب لكم من النساء } قالت عايشة وقول الله عز وجل في الاية الاخرة { وترغبون ان تنكحوهن } هي رغبة احدكم عن يتيمته التي تكون في حجره حين تكون قليلة المال والجمال فنهوا ان ينكحوا ما رغبوا في مالها وجمالها من يتامى النساء الا بالقسط من اجل رغبتهم عنهن . قال يونس وقال ربيعة في قول الله عز وجل { وان خفتم ان لا تقسطوا في اليتامى } قال يقول اتركوهن ان خفتم فقد احللت لكم اربعا
। ইবনু শিহাব (রহ.) সূত্রে বর্ণিত। আলী ইবনুল হুসাইন (রহ.) তাকে বর্ণনা করেন যে, হুসাইন ইবনু আলী (রাযি.)-এর শাহাদাতের পর যখন তারা ইয়াযীদ ইবনু মু‘আবিয়াহর নিকট থেকে মদীনায় আসলেন, তখন আল-মিসওয়ার ইবনু মাখরামাহ (রাযি.) তার সাথে সাক্ষাৎ করে বললেন, আপনি আমার উপর কোনো কাজের দায়িত্ব অর্পণ করবেন কি? তিনি বললেন, না। এরপর মিসওয়ার বললেন, আপনি কি আমাকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর তলোয়ারখানি দিবেন? কেননা আমার আশংকা হচ্ছে, লোকেরা আপনার উপর প্রভাব বিস্তার করবে। আল্লাহর শপথ! আপনি আমাকে তা দান করলে কেউ আমার দেহকে নিঃশেষ না করা পর্যন্ত তা ছিনিয়ে নিতে পারবে না। আলী ইবনু আবূ তালিব (রাযি.) ফাতিমাহ (রাযি.) বর্তমান থাকতে আবূ জাহলের কন্যাকে বিয়ের প্রস্তাব পাঠালেন। আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে এই মিম্বারের উপর লোকদের উদ্দেশ্যে ভাষণ দিতে শুনেছি। তখন আমি যুবক ছিলাম। তিনি বলেছেনঃ ফাতিমাহ আমার দেহের একটি অংশ। আর আমার ভয় হচ্ছে, সে দীনি ফ্যাসাদে পতিত হবে। বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বনি ‘আবদি শাম্সের সাথে শ্বশুর-জামাতার সম্পর্কে আলাপ করলেন। আর উক্ত শ্বশুর সম্পর্কীয় আত্মীয়তার ভূয়সী প্রশংসাই করলেন। তিনি বলেনঃ সে (জামাতা) আমার সাথে যে কথা দিয়েছিল তা সত্যে পরিণত করেছে এবং যে ওয়াদা করেছিল তাও পূরণ করেছে। কোনো হালাল জিনিসকে হারাম এবং হারাম জিনিসকে হালাল করার অধিকার আমার নেই। তবে আল্লাহর শপথ! আল্লাহর রাসূলের কন্যা এবং আল্লাহর দুশমনের কন্যা কখনো এক জায়গায় একত্র হতে পারে না।[1] সহীহ।
حدثنا احمد بن محمد بن حنبل، حدثنا يعقوب بن ابراهيم بن سعد، حدثني ابي، عن الوليد بن كثير، حدثني محمد بن عمرو بن حلحلة الدولي، ان ابن شهاب، حدثه ان علي بن الحسين حدثه انهم، حين قدموا المدينة من عند يزيد بن معاوية مقتل الحسين بن علي - رضى الله عنهما - لقيه المسور بن مخرمة فقال له هل لك الى من حاجة تامرني بها قال فقلت له لا . قال هل انت معطي سيف رسول الله صلى الله عليه وسلم فاني اخاف ان يغلبك القوم عليه وايم الله لين اعطيتنيه لا يخلص اليه ابدا حتى يبلغ الى نفسي ان علي بن ابي طالب - رضى الله عنه - خطب بنت ابي جهل على فاطمة - رضى الله عنها - فسمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو يخطب الناس في ذلك على منبره هذا وانا يوميذ محتلم فقال " ان فاطمة مني وانا اتخوف ان تفتن في دينها " . قال ثم ذكر صهرا له من بني عبد شمس فاثنى عليه في مصاهرته اياه فاحسن قال " حدثني فصدقني ووعدني فوفى لي واني لست احرم حلالا ولا احل حراما ولكن والله لا تجتمع بنت رسول الله وبنت عدو الله مكانا واحدا ابدا
। ইবনু আবূ মূলাইকাহ (রহ.) এ হাদীস প্রসঙ্গে বলেন, অতঃপর আলী (রাযি.) সে বিবাহের সংকল্প ত্যাগ করেন।[1] সহীহ।
حدثنا محمد بن يحيى بن فارس، حدثني عبد الرزاق، اخبرنا معمر، عن الزهري، عن عروة، عن ايوب، عن ابن ابي مليكة، بهذا الخبر قال فسكت علي عن ذلك النكاح
। আল-মিসওয়ার ইবনু মাখরামা (রাযি.) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে মসজিদের মিম্বারের উপর বলতে শুনেছিঃ হিশাম ইবনুল মুগীরাহর বংশের লোকেরা তাদের বংশের এক কন্যাকে আলী ইবনু আবূ তালিবের বিয়ে দিতে অনুমতি চাইছে। কিন্তু আমি অনুমতি দিবো না, তারপরও আমি অনুমতি দিবো না, অনুমতি দিবো না। অবশ্য আবূ তালিবের পুত্র আমার কন্যাকে তালাক দিলে সে তাদের কন্যা বিয়ে করতে পারবে। কারণ আমার কন্যা আমার দেহেরই একটি অংশ। যেটা তার অপছন্দ, সেটা আমার অপছন্দ এবং তাকে যা দুঃখ দেয়, তা আমাকেও দুঃখ দেয়। আবূ দাঊদ (রহ.) বলেন, হাদীসের এই অংশটি ইমাম আহমাদ (রহ.) সূত্রে বর্ণিত।[1] সহীহ।
حدثنا احمد بن يونس، وقتيبة بن سعيد، - المعنى - قال احمد حدثنا الليث، حدثني عبد الله بن عبيد الله بن ابي مليكة القرشي التيمي، ان المسور بن مخرمة، حدثه انه، سمع رسول الله صلى الله عليه وسلم على المنبر يقول " ان بني هشام بن المغيرة استاذنوني ان ينكحوا ابنتهم من علي بن ابي طالب فلا اذن ثم لا اذن ثم لا اذن الا ان يريد ابن ابي طالب ان يطلق ابنتي وينكح ابنتهم فانما ابنتي بضعة مني يريبني ما ارابها ويوذيني ما اذاها " . والاخبار في حديث احمد
। আয-যুহরী (রহ.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমরা উমার ইবনু আব্দুল আযীয (রহ.)-এর নিকট ছিলাম। তখন আমরা নারীদের মুত‘আহ (সাময়িক) বিয়ে নিয়ে আলাপ করলাম। রাবী‘ ইবনু সাবুরাহ নামক জনৈক ব্যক্তি বললেন, আমি আমার পিতা সম্পর্কে সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, তিনি বর্ণনা করেছেন, বিদায় হজের (হজ্জের) সময় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুত‘আহ নিষিদ্ধ করে দেন।[1] শায। মাহফূয হচ্ছেঃ মক্কা বিজয়ের সময়। ইরওয়া
حدثنا مسدد بن مسرهد، حدثنا عبد الوارث، عن اسماعيل بن امية، عن الزهري، قال كنا عند عمر بن عبد العزيز فتذاكرنا متعة النساء فقال له رجل يقال له ربيع بن سبرة اشهد على ابي انه حدث ان رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عنها في حجة الوداع
। রাবী‘ ইবনু সাবুরাহ (রহ.) থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নারীদের সাথে মুত‘আহ বিয়ে হারাম করেছেন।[1] সহীহ।
حدثنا محمد بن يحيى بن فارس، حدثنا عبد الرزاق، اخبرنا معمر، عن الزهري، عن ربيع بن سبرة، عن ابيه، ان النبي صلى الله عليه وسلم حرم متعة النساء
। ইবনু ‘উমার (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শিগার নিষিদ্ধ করেছেন। মুসাদ্দাদ (রহ.) তার বর্ণনায় বলেন, আমি নাফি‘ (রহ.)-কে জিজ্ঞেস করি, শিগার কি? তিনি বললেন, ‘‘কোনো ব্যক্তি নিজের কন্যাকে অন্য ব্যক্তির সাথে বিয়ে দিবে এ শর্তে যে, ঐ ব্যক্তিও তার কাছে তার কন্যা বিয়ে দিবে মোহর ছাড়া। অথবা কোনো ব্যক্তি নিজের বোনকে অন্য এক ব্যক্তির নিকট বিয়ে দিবে এ শর্তে যে, তার বোনকে এ ব্যক্তি বিয়ে করবে মোহর ছাড়া।’’[1] সহীহ।
حدثنا القعنبي، عن مالك، ح وحدثنا مسدد بن مسرهد، حدثنا يحيى، عن عبيد الله، كلاهما عن نافع، عن ابن عمر، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن الشغار . زاد مسدد في حديثه قلت لنافع ما الشغار قال ينكح ابنة الرجل وينكحه ابنته بغير صداق وينكح اخت الرجل وينكحه اخته بغير صداق
। আব্দুর রহমান ইবনু হুরযুম আল-আ‘রাজ (রহ.) সূত্রে বর্ণিত। আল-‘আব্বাস ইবনু আব্দুল্লাহ ইবনুল ‘আব্বাস (রহ.) তার কন্যাকে আব্দুর রহমান হাকামের সাথে বিয়ে দেন আবার আব্দুর রহমান তার কন্যাকে আল-আব্বাসের কাছে বিয়ে দেন। তারা উভয়ে এই পারস্পরিক বিয়েকে মোহর গণ্য করেন। এ খবর শুনে মু‘আবিয়াহ (রাযি.) তাদের মধ্যে বিচ্ছেদ ঘটাতে মাওয়ানের কাছে নির্দেশনামা পাঠান। তিনি তার ফরমানে বলেন, এটা শিগার, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরূপ করতে নিষিদ্ধ করেছেন।[1] হাসান।
حدثنا محمد بن يحيى بن فارس، حدثنا يعقوب بن ابراهيم، حدثنا ابي، عن ابن اسحاق، حدثني عبد الرحمن بن هرمز الاعرج، ان العباس بن عبد الله بن العباس، انكح عبد الرحمن بن الحكم ابنته وانكحه عبد الرحمن ابنته وكانا جعلا صداقا فكتب معاوية الى مروان يامره بالتفريق بينهما وقال في كتابه هذا الشغار الذي نهى عنه رسول الله صلى الله عليه وسلم
। আলী (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। ইসমাঈল বলেন, আমার ধারণা তিনি হাদীসটি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সূত্রে মারফূভাবে বর্ণনা করেছেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ হালালকারী এবং যার জন্য হালাল করা হয় তারা উভয়ে অভিশপ্ত।[1] সহীহ।
حدثنا احمد بن يونس، حدثنا زهير، حدثني اسماعيل، عن عامر، عن الحارث، عن علي، رضى الله عنه - قال اسماعيل واراه قد رفعه الى النبي صلى الله عليه وسلم - ان النبي صلى الله عليه وسلم قال " لعن الله المحلل والمحلل له
। হারিস আল-আ‘ওয়ার (রহ.) থেকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর জনৈক সাহাবী সূত্রে বর্ণিত। (বর্ণনাকারী বলেন) আমাদের ধারণা, তিনি ‘আলী (রাযি.), যিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সূত্রে উক্ত হাদীসের সমার্থক বর্ণনা করেছেন।[1] সহীহ।
حدثنا وهب بن بقية، عن خالد، عن حصين، عن عامر، عن الحارث الاعور، عن رجل، من اصحاب النبي صلى الله عليه وسلم قال فراينا انه علي - عليه السلام - عن النبي صلى الله عليه وسلم بمعناه
। জাবির (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে কোনো ক্রীতদাস তার মনিবের অনুমতি ছাড়া বিয়ে করবে সে ব্যভিচারী।[1] হাসান।
حدثنا احمد بن حنبل، وعثمان بن ابي شيبة، - وهذا لفظ اسناده - وكلاهما عن وكيع، حدثنا الحسن بن صالح، عن عبد الله بن محمد بن عقيل، عن جابر، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ايما عبد تزوج بغير اذن مواليه فهو عاهر
। ইবনু উমার (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ কোনো ক্রীতদাস তা মনিবের অনুমতি ছাড়া বিয়ে করলে তার বিয়ে বাতিল গণ্য হবে। ইমাম আবূ দাঊদ (রহ.) বলেন, এ হাদীসটি যঈফ মাওকূফ। এটা ইবনু ‘উমার (রাযি.)-এর উক্তি।[1] দুর্বল।
حدثنا عقبة بن مكرم، حدثنا ابو قتيبة، عن عبد الله بن عمر، عن نافع، عن ابن عمر، ان النبي صلى الله عليه وسلم قال " اذا نكح العبد بغير اذن مولاه فنكاحه باطل " . قال ابو داود هذا الحديث ضعيف وهو موقوف وهو قول ابن عمر رضى الله عنهما
। আবূ হুরাইরাহ (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কেউ যেন তার ভাইয়ের বিবাহের প্রস্তাবের উপর নিজের প্রস্তাব না দেয়।[1] সহীহ।
حدثنا احمد بن عمرو بن السرح، حدثنا سفيان، عن الزهري، عن سعيد بن المسيب، عن ابي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لا يخطب الرجل على خطبة اخيه
। ইবনু উমার (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যেন তার (মুসলিম) ভাইয়ের বিয়ের প্রস্তাবের উপর প্রস্তাব না দেয়। আর কেউ যেন তার ভাইয়ের ক্রয়ের উপর দর-দাম না করে, অবশ্য সে অনুমতি দিলে ভিন্ন কথা।[1] সহীহ।
حدثنا الحسن بن علي، حدثنا عبد الله بن نمير، عن عبيد الله، عن نافع، عن ابن عمر، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لا يخطب احدكم على خطبة اخيه ولا يبيع على بيع اخيه الا باذنه
। জাবির ইবনু আব্দুল্লাহ (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যখন কোনো নারীকে বিবাহের প্রস্তাব দিবে তখন সম্ভব হলে তার এমন কিছু যেন দেখে নেয় যা তাকে বিবাহে উৎসাহিত করে। বর্ণনাকারী বলেন, আমি একটি মেয়েকে বিয়ের প্রস্তাব দেবার পর তাকে দেখার আকাঙ্ক্ষা অন্তরে গোপন রেখেছিলাম। অতঃপর আমি তার মাঝে এমন কিছু দেখি যা আমাকে তাকে বিয়ে করতে আকৃষ্ট করলো। অতঃপর আমি তাকে বিয়ে করি।[1] হাসান।
حدثنا مسدد، حدثنا عبد الواحد بن زياد، حدثنا محمد بن اسحاق، عن داود بن حصين، عن واقد بن عبد الرحمن، - يعني ابن سعد بن معاذ - عن جابر بن عبد الله، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اذا خطب احدكم المراة فان استطاع ان ينظر الى ما يدعوه الى نكاحها فليفعل " . قال فخطبت جارية فكنت اتخبا لها حتى رايت منها ما دعاني الى نكاحها وتزوجها فتزوجتها
। ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোনো নারী তার অভিভাবকের অনুমতি ছাড়া বিয়ে করলে তার সে বিয়ে বাতিল। তিনি একথাটি তিনবার বলেছেন। আর সে যদি তার সাথে সহবাস করে, তাহলে এজন্য তাকে মোহর দিবে। যদি উভয় পক্ষের (অভিভাবকদের) মধ্যে মতবিরোধ দেখা দেয়, তাহলে শাসক হবেন তার অভিভাবক। কারণ যাদের অভিভাবক নাই তার অভিভাবক শাসক।[1] সহীহ।
حدثنا محمد بن كثير، اخبرنا سفيان، اخبرنا ابن جريج، عن سليمان بن موسى، عن الزهري، عن عروة، عن عايشة، قالت قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ايما امراة نكحت بغير اذن مواليها فنكاحها باطل " . ثلاث مرات " فان دخل بها فالمهر لها بما اصاب منها فان تشاجروا فالسلطان ولي من لا ولي له
। ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে উপরোক্ত হাদীসের অর্থানুরূপ বর্ণনা করেছেন। ইমাম আবূ দাঊদ (রহ.) বলেন, জা‘ফার সরাসরি যুহরী (রহ.) থেকে শুনেননি, বরং যুহরী তাকে লিখে পাঠিয়েছেন।[1] আমি এটি সহীহ এবং যঈফেও পাইনি।
حدثني القعنبي، حدثنا ابن لهيعة، عن جعفر، - يعني ابن ربيعة - عن ابن شهاب، عن عروة، عن عايشة، عن النبي صلى الله عليه وسلم بمعناه . قال ابو داود جعفر لم يسمع من الزهري كتب اليه
। আবূ মূসা (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ অভিভাবক ছাড়া কোনো বিয়েই হতে পারে না। ইমাম আবূ দাঊদ (রহ.) বলেন, হাদীসটির সনদ হলোঃ ইউনুস আবূ বুরদাহ থেকে, আর ইসরাঈল আবূ ইসহাক থেকে আবূ বুরদাহ সূত্রে।[1] সহীহ।
حدثنا محمد بن قدامة بن اعين، حدثنا ابو عبيدة الحداد، عن يونس، واسراييل، عن ابي اسحاق، عن ابي بردة، عن ابي موسى، ان النبي صلى الله عليه وسلم قال " لا نكاح الا بولي " . قال ابو داود هو يونس عن ابي بردة واسراييل عن ابي اسحاق عن ابي بردة