Loading...
Loading...
বইসমূহ
325 হাদিসসমূহ
। আবুয যুবায়র (রহ.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি যাবির ইবনু ‘আব্দুল্লাহ (রাযি.)-কে কুরবানীর পশুর পিঠে চড়া সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছিঃ তুমি নিরুপায় হলে...
। নাজিয়াতুল আসলামী (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে তার কুরবানীর পশুর সাথে (মক্কা থেকে) প্রেরণের সময় বলেছেনঃ এগুলোর কোনোটি অচল হয়ে পড়লে তা যাবাহ করে সেটির গলায় বাঁধানো জুতা রক্তের মধ...
। ইবনু ‘‘আব্বাস (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বনূ আসলামের জনৈক ব্যক্তিকে আঠারটি কুরবানীর পশুসহ (মক্কায়) প্রেরণ করলেন। লোকটি বললো, (পথে) কোনো জন্তু অচল হয়ে পড়লে তখন আমি কি করবো? তিনি বল...
। ‘আলী (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর নিজ হাতে ত্রিশটি কুরবানীর পশু (উট) যাবাহ করেছেন। পরে তাঁর নির্দেশ মোতাবেক অবশিষ্ট পশুগুলো আমি যাবাহ করেছি।[1] মুনকার।
। ‘আব্দুল্লাহ ইবনু কুরাত (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ প্রাচুর্যময় মহান আল্লাহর কাছে সবচেয়ে মর্যাদাসম্পন্ন দিন হলো কুরবানীর দিন, তারপর মেহেমানদারীর দিন, সেটি হলো দ্বিতীয় দিন। বর্ণনাকারী...
। গারাফা ইবনুল হারিস আল-কিনদী (রাযি.) বলেন, আমি বিদায় হজের (হজ্জের) দিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে ছিলাম। তাঁর কাছে কুরবানীর উট আনা হলে তিনি বললেনঃ হাসানের পিতাকে ডাকো। সুতরাং ‘আলী (রাযি.)-কে ডাকা...
। যাবির ও ‘আব্দুর রহমান ইবনু সাবিত (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং তাঁর সাহাবীগণ উটের বাম পা বেঁধে, অবশিষ্ট (তিন পায়ের) উপর খাড়া অবস্থায় তা যাবাহ করতেন।[1] সহীহ।
। যিয়াদ ইবনু যুবায়র বলেন, আমি ইবনু ‘উমার (রাযি.)-এর সাথে মিনাতে ছিলাম। তখন তিনি এক ব্যক্তির পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন, যে তার উটকে বসানো অবস্থায় যাবাহ করতে প্রশস্ত হচ্ছিল। তিনি বললেন, এটিকে ছেড়ে দাও এবং বেঁধে দাঁড় করিয়ে যাবাহ ক...
। ‘আলী (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে তাঁর কুরবানীর পশু দেখাশোনা, চামড়া বিতরণ ও তার আচ্ছাদন সাদাকা করতে নির্দেশ দেন এবং কসাইকে তা থেকে কিছু না দেয়ার নির্দেশ করেন। বর্ণন...
। সাঈদ ইবনু যুবায়র (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আব্দুল্লাহ ইবনু ‘‘আব্বাস (রাযি.)-কে বললাম, হে আবুল ‘আব্বাস! রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাহাবীরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ইহ...
। ‘আব্দুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেছেন, এই হচ্ছে তোমাদের ‘বায়দা’ যেখানে তোমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সম্পর্কে অনুমানে কথা বলছো। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যুলহুলাই...
। ‘উবাইদ ইবনু জুরাইজ (রহ.) সূত্রে বর্ণিত। একদা তিনি ‘আব্দুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাযি.)-কে বলেন, হে আবূ ‘আব্দুর রহমান! আমি আপনাকে এমন চারটি আমল করতে দেখি, যা আপনার অন্য কোনো সাথীকে করতে দেখি না। তিনি বললেন, হে ইবনু জুরাইজ! সে...
। আনাস (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মদীনায় যুহরের চার রাক‘আত সালাত আদায় করেন এবং যুলহুলাইফায় পৌঁছে ‘আসরের সালাত আদায় করেন দুই রাক‘আত। তিনি সেখানেই রাত যাপন করেন এবং সকালে স...
। আনাস ইবনু মালিক (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (মদীনায়) যুহরের সালাত আদায় করে সওয়ারীতে চড়েন। অতঃপর তিনি আল-বায়দায় উচ্চভূমিতে আরোহণের সময় ‘তালবিয়া’ পাঠ করেন।[1] সহীহ।
। সা‘দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস (রাযি.) বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন আল-ফুর‘আ নামক স্থানের দিকে যেতেন তখন সওয়ারীর পিঠে চড়া মাত্রই তালবিয়া পড়তেন। তিনি যখন উহুদের পথে রওয়ানা হতেন, তখন আল-বায়দা পর্বতে উঠার সময় তালব...
। ইবনু আব্বাস (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। একদা যুবায়র ইবনু ‘আব্দুল মুত্তালিবের মেয়ে-দবা‘আহ (রাযি.) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে এসে বলেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমি হজের (হজ্জের) ইচ্ছা করেছি। এতে কোনো শর্ত কর...
। ‘আয়িশাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাজ্জে ইফরাদ করেছেন।[1] সহীহ।
। ‘আয়িশাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, যিলহজ (হজ্জ) মাসের নতুন চাঁদ উদয়ের কিছু আগে আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে হজের (হজ্জের) উদ্দেশ্যে রাওয়ানা হলাম। তিনি যুল-হুলাইফায় পৌঁছে বললেনঃ কেউ হজের...
। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর স্ত্রী ‘আয়িশাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা বিদায় হজের (হজ্জের) বছরের রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে হজের (হজ্জের) উদ্দেশ্যে রওয়ানা হলাম। আমাদের মধ্যকার...
। আবুল আসওয়াদ (রহ.) থেকে পূর্ব বর্ণিত সনদে অনুরূপ বর্ণিত। তবে এতে আরো আছেঃ যারা কেবল ‘উমরার ইহরাম বাঁধেন তারা ‘উমরা সমাপন করে ইহরামমুক্ত হন।[1] সহীহ।