Loading...
Loading...
বইসমূহ
325 হাদিসসমূহ
। ইবনু ‘আব্বাস (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। আকরা‘ ইবনু হাবিস (রাযি.) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর রাসূল! হজ (হজ্জ) প্রতি বছরই ফরয, নাকি মাত্র একবার? তিনি বললেন, জীবনে বরং একবারই, তবে কেউ অধিক...
। আবূ ওয়াকিদ আল-লাইসী (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বিদায় হজের (হজ্জের) দিন তাঁর স্ত্রীদেরকে বলতে শুনেছিঃ তোমাদের জন্য হজ (হজ্জ) এই একবারই। এরপর হজের (হজ্জের) জন্য আর...
। আবূ হুরাইরাহ (রাযি.) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোনো মুসলিম নারীর জন্য সাথে মাহরাম (যার সাথে বিবাহ হারাম এমন আত্মীয়) ছাড়া এক রাতের রাস্তা সফর করা বৈধ নয়।[1] সহীহ।
। আবূ হুরাইরাহ (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যে নারী আল্লাহ এবং শেষ দিনের উপর ঈমান রাখে তার জন্য একদিন ও এক রাতের পথ করা বৈধ নয়... অতঃপর বর্ণনাকারী পূর্বের হাদীসের অর্থানুরূপ বর্ণনা করেন...
। আবূ হুরাইরাহ (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন... অতঃপর বর্ণনাকারী (পূর্ব বর্ণিত) হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন। তবে (বর্ণনাকারী সুহাইল) বলেছেন, ‘এক বারীদ।’[1] শায।
। আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে নারী আল্লাহ এবং শেষ দিনের প্রতি বিশ্বাস রাখে, তার জন্য তিন দিন কিংবা এর অধিক সময়ের পথ (একাকী) ভ্রমণ করা বৈধ নয়,...
। ইবনু ‘উমার (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোনো নারী স্বীয় মাহারাম সাথে না নিয়ে তিন দিনের সফর করবে না।[1] সহীহ।
। নাফি‘ (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। ইবনু ‘উমার (রাযি.) তার দাসী সাফিয়্যাহ নাম্মীকে তার পেছনে সওয়ারীর উপর বসিয়ে নিয়ে মক্কা পর্যন্ত সফর করেন।[1] সহীহ।
। ইবনু ‘আব্বাস (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ইসলামে সন্নাসবাদীতা নেই।[1] দুর্বলঃ যঈফ আল-জামি‘উস সাগীর (৬২৬৯), মিশকাত (২৫২২)।
। ইবনু ‘আব্বাস (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, লোকজন হজ (হজ্জ) করতো কিন্তু সাথে পাথেয় নিয়ে আসতো না। আবূ মাসঊদ বলেন, ইয়ামেনের কতিপয় লোক হজে (হজ্জে) যেতো কিন্তু সাথে পাথেয় আনতো না এবং তারা বলতো যে, আমরা আল্লাহর উপর তাওয়া...
। মুজাহিদ (রহঃ) হতে ইবনু ‘আব্বাস (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। ইবনু ‘আব্বাস (রাযি.) এ আয়াতটি পাঠ করলেনঃ ‘হজের (হজ্জের) সময়ে (ব্যবসা-বাণিজ্যের মাধ্যমে) তোমরা তোমাদের প্রভুর অনুগ্রহ তালাশ করলে দোষের কিছু নেই। (২ঃ ১৯৮) ইবনু ‘আব্বা...
। ইবনু ‘আব্বাস (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কেউ হজের (হজ্জের) ইচ্ছা করলে যেন তাড়াতাড়ি সম্পাদন করে।[1] হাসান।
। আবূ উমামাহ আত-তাইমী (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি এমন লোক যে, হজের (হজ্জের) সময় আমার পশু ভাড়ায় খাটাতাম। তাই কতিপয় লোক বললো, তোমার হজ (হজ্জ) হয় নি। ফলে আমি ইবনু ‘উমারের (রাযি.) সাথে সাক্ষাৎ করে বললাম, হে আবূ ‘আব...
। ‘আব্দুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। প্রাথমিক কালে লোকেরা হজের (হজ্জের) মওসুমে মিনা, আরাফাত, যুল-মাজাযির বাজারে এবং হজের (হজ্জের) বিভিন্ন অনুষ্ঠানে স্থানগুলোতে ব্যবসা করতো, কিন্তু ইহরাম অবস্থায় এসব স্থানে ব্...
। ‘আব্দুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। প্রথম দিকে লোকেরা হজের (হজ্জের) মওসুমে কেনা-বেচা করতো। অতঃপর বর্ণনাকারীمَوَاسِمِ الْحَجِّ পর্যন্ত পূর্ব বর্ণিত হাদীসের সমার্থক হাদীস বর্ণনা করেন।[1] সহীহ, পূর্বেরটির দ্বা...
। ইবনু ‘আব্বাস (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ‘আর-রাওহা’ নামক স্থানে এক কাফেলার সাথে সাক্ষাত হলে তাদেরকে সালাম দিয়ে জিজ্ঞেস করলেনঃ তোমরা কোন কাফেলা? তারা বললো, আমরা মুসলিম। ত...
। ইবনু ‘উমার (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মদীনাবাসীদের জন্য ‘যূলহুলাইফা’, শামবাসীদের জন্য ‘আল-জুহফা’ এবং নজদবাসীদের জন্য ‘কারণ’ মীকাত হিসেবে নির্দিষ্ট করে দিয়েছেন। ইবনু ‘উম...
। ইবনু ‘আব্বাস (রাযি.) ও তাঊস (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। তাঁরা উভয়ে বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মীকাত নির্দিষ্ট করেন। এরপর বর্ণনাকারী পূর্ব বর্ণিত হাদীসের অর্থানুরূপ বর্ণনা করেন। তাদের দু‘জনের একজন বলেন,...
। ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরাকবাসীদের জন্য ‘যাতু ইরক’-কে মীকাত নির্দিষ্ট করেছেন।[1] সহীহ।
। ইবনু ‘আব্বাস (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রাচ্যবাসীদের জন্য ‘আল-আক্বীক’-কে মীকাত নির্দিষ্ট করেছেন।[1] দুর্বলঃ মিশকাত (৯২৫৩০), যঈফ সুনান তিরমিযী (৮৪০/১৪০)।