Loading...
Loading...
বইসমূহ
325 হাদিসসমূহ
। আয-যুহরী (রহ.) সূত্রে বর্ণিত। ‘উসমান (রাযি.) মিনাতে চার রাক‘আত সালাত আদায় করেছেন। কারণ তিনি হজের (হজ্জের) পর সেখানে কিছুদিন অবস্থান করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।[1] দুর্বল।
। ইবরাহীম সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, ‘উসমান (রাযি.) সালাত চার রাক‘আত পড়েছেন। কারণ তিনি সেখানে স্থায়ীভাবে অবস্থান বানিয়েছিলেন।[1] দুর্বল।
। আয-যুহরী (রহ.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, ‘উসমান (রাযি.) যখন তাদের এলাকায় কিছু সম্পদ পেলেন তখন তিনি সেখানে কিছুদিন অবস্থানের ইচ্ছা করলেন। সেজন্যই তিনি সালাত চার রাক‘আত আদায় করেন। অতঃপর (উমাইয়্যাহ) শাসকগণও সেখানে অনুরূপ...
। আয-যুহরী (রহ.) সূত্রে বর্ণিত। ‘উসমান ইবনু ‘আফফান (রাযি.) আরববাসীদের অধিক উপস্থিতির কারণেই মিনাতে পূর্ণ চার রাক‘আত সালাত আদায় করেছেন। যাতে তারা জানতে পারে যে, (আসলে) সালাত চার রাক‘আতই।[1] হাসান।
। হারিসা ইবনু ওয়াহব আল-খুযাঈ (রহ.) সূত্রে বর্ণিত। তার মা ছিলেন ‘উমার (রাযি.)-এর স্ত্রী। তার গর্ভে ‘উবাইদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাযি.)-কে জন্ম হয়। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে মিনায় সালাত...
। সুলাইমান ইবনু ‘আমর ইবনুল আহওয়াস (রহ.) থেকে তার মাতার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে সওয়ারী অবস্থায় উপত্যকার কেন্দ্রস্থল থেকে কংকর মারতে দেখেছি। প্রত্যেক কংকর মারার সময় তিনি...
। সুলাইমান ইবনু ‘আমর ইবনুল আহওয়াস (রহ.) থেকে তার মাতার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জামরাতে আকাবার নিকট বাহনে সওয়ার অবস্থায় দেখেছি এবং দেখেছি তাঁর আঙ্গুলের ফাঁকে কংকর রয়েছে।...
। ইয়াযীদ ইবনু আবূ যিয়াদ (রহ.) উক্ত সনদে পূর্বোক্ত হাদীস বর্ণনা করেছেন। এতে আরো রয়েছেঃ তিনি (কংকর মেরে) সেখানে দাঁড়িয়ে থাকেননি।[1] সহীহ।
। ইবনু ‘উমার (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি কংকর মারার জন্য (কুরবানীর পরের) তিন দিন জামরাতসমূহে পায়ে হেঁটে আসা-যাওয়া করতেন। তিনি বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামও এরূপ করতেন।[1] সহীহ।
। জাবির ইবনু ‘আব্দুল্লাহ (রাযি.) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে তাঁর বাহনে সওয়ার অবস্থায় কংকর মারতে দেখেছি। এ সময় তিনি বলেছিলেনঃ তোমরা হজের (হজ্জের) নিয়ম-পদ্ধতি শিখে নাও। তিনি আরো বলেনঃ আমি অবহিত...
। জাবির ইবনু ‘আব্দুল্লাহ (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, কুরবানীর দিন আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে দ্বি-প্রহরে তাঁর বাহনে আরোহিত অবস্থায় কংকর নিক্ষেপ করতে দেখেছি। আর এর পরের দিনগুলোতে তিনি সূর্য ঢল...
। ওয়াবারাহ (রহ.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ইবনু ‘উমার (রাযি.)-কে জামরায় কখন কংকর নিক্ষেপ করবো তা জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, তোমার ইমাম যখন নিক্ষেপ করেন তখন তুমিও নিক্ষেপ করবে। আমি আমার প্রশ্নের পুনরাবৃত্তি করলে তিনি বলে...
। ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (কুরবানীর দিন) যুহরের সালাত আদায় করে দিনের শেষভাগে ফরয তাওয়াফ সম্পন্ন করেন। এরপর মিনায় আসেন এবং সেখানে তাশরীকের দিন রাতগুলো অতিবাহিত ক...
। ইবনু মাসঊদ (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, তিনি জামরাতুল কুবরার নিকটবর্তী হয়ে বায়তুল্লাহকে তার বামদিকে এবং মিনাকে তার ডান দিকে রেখে জামরাতে সাতটি কংকর মারলেন এবং বললেনঃ যাঁর উপর সূরা আল-বাকারাহ অবতীর্ণ হয়েছে তিনি এভা...
। আবুল বাদ্দাহ ইবনু ‘আসিম (রহ.) থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উটের রাখালদেরকে মিনার বাইরে রাত যাপনের অনুমতি দেন। তারা কেবল কুরবানীর দিন কংকর মারবে এবং পরের দু‘দিন ও প্রত্যাবর্তন...
। আবুল বাদ্দাহ ইবনু ‘আদী (রহ.) থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উটের রাখালদেরকে একদিন বাদ দিয়ে একদিন (অর্থাৎ ১১ ও ১২ তারিখ) কংকর মারার বিশেষ অনুমতি দিয়েছেন।[1] সহীহ।
। আবূ মিজলায (রহ.) বলেন, আমি ইবনু ‘আব্বাস (রাযি.)-কে (জামরাতে) কয়টি কংকর মারতে হবে তা জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, আমি অবহিত নই যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ছয়টি কংকর মেরেছেন নাকি সাতটি।[1] সহীহ।
। ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোনো ব্যক্তি ‘জামরায় আকাবায়’ কংকর নিক্ষেপ করার পর স্ত্রী সহবাস ছাড়া তার জন্য সবই হালাল হয়ে যায়। ইমাম আবূ দাঊদ (রহ.) বলেন, হাদী...
। ‘আব্দুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দু‘আ করলেনঃ হে আল্লাহ! মাথা মুন্ডনকারীদের প্রতি রহমত বর্ষন করুন। লোকেরা বললো, হে আল্লাহর রাসূল! চুল খাটোকারীদের? তিনি বললেনঃ হে আ...
। ইবনু ‘উমার (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিদায় হজে (হজ্জে) তাঁর মাথার চুল মুন্ডন করেছিলেন।[1] সহীহ।