Loading...

Loading...
বইসমূহ
৩২৫ হাদিসসমূহ
। কুরাইব (রহ.) সূত্রে বর্ণিত। একদা তিনি উসামাহ ইবনু যায়িদ (রাযি.)-কে জিজ্ঞেস করেন, যে দিন সন্ধ্যায় আপনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পিছনে আরোহণ করে ফিরছিলেন, তখন আপনারা কি করছিলেন? তিনি বললেন, আমরা ঐ পাহাড়ী পথে যাই যেখানে রাত যাপনের জন্য লোকেরা অবতরণ করে। সেখানে পৌঁছে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর উষ্ট্রী বসিয়ে পেশাব করলেন। বর্ণনাকারী এখানে পানি প্রবাহের কথা বলেননি। অতঃপর উযুর পানি চাইলেন, তিনি হালকাভাবে উযু করলেন। আমি জিজ্ঞেস করলাম, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি কি সালাত আদায় করবেন? তিনি বললেনঃ সালাত সামনে গিয়ে (পড়বো)। বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর তিনি সওয়ারীতে চড়ে মুযদালিফায় আসেন এবং ইকামাত হলে মাগরিবের সালাত আদায় করেন। এদিকে লোকেরা উটের পিঠ থেকে মালপত্র না নামিয়েই তাদের উটগুলো নিজ নিজ তাঁবুতে বসিয়ে দিলেন। এরপর ইকামাত দিয়ে ‘ইশার সালাত আদায় করলেন। অতঃপর লোকেরা তাদের উটের পিঠের মালপত্র নামালো। মুহাম্মাদ ইবনু কাসীর তার হাদীসে বৃদ্ধি করেছেন যে, আমি (কুয়াইব) জিজ্ঞেস করলাম, পরবর্তী সকালে আপনার কি করেছেন? উসামাহ বলেন, আজ ফাদল তাঁর বাহনের পেছণে চড়লেন এবং আমি কুরাইশদের অগ্রগামী দলটির সাথে পায়ে হেঁটে রওয়ানা হলাম।[1] সহীহ।
حدثنا احمد بن عبد الله بن يونس، حدثنا زهير، ح وحدثنا محمد بن كثير، اخبرنا سفيان، - وهذا لفظ حديث زهير - حدثنا ابراهيم بن عقبة، اخبرني كريب، انه سال اسامة بن زيد قلت اخبرني كيف، فعلتم - او صنعتم - عشية ردفت رسول الله صلى الله عليه وسلم قال جينا الشعب الذي ينيخ الناس فيه للمعرس فاناخ رسول الله صلى الله عليه وسلم ناقته ثم بال - وما قال زهير اهراق الماء - ثم دعا بالوضوء فتوضا وضوءا ليس بالبالغ جدا قلت يا رسول الله الصلاة . قال " الصلاة امامك " . قال فركب حتى قدمنا المزدلفة فاقام المغرب ثم اناخ الناس في منازلهم ولم يحلوا حتى اقام العشاء وصلى ثم حل الناس . زاد محمد في حديثه قال قلت كيف فعلتم حين اصبحتم قال ردفه الفضل وانطلقت انا في سباق قريش على رجلى
। ‘আলী (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, অতঃপর তিনি উসামাহকে বাহনের পেছনে বসিয়ে মধ্যম গতিতে উষ্ট্রী চালিয়ে গেলেন। এ সময় লোকেরা তাদের উটকে ডানে-বামে মারধর কর হাঁকিয়ে নিয়ে যাচ্ছিল। কিন্তু তিনি তাদের দিকে ভ্রুক্ষেপ না করে বলতে লাগলেনঃ শান্ত গতিতে চলো হে লোকেরা! অতঃপর সূর্য ডুবার পরই তিনি আরাফা থেকে প্রত্যাবর্তন করেন।[1] হাসান, তার এ কথাটি বাদেঃ ‘তিনি ভ্রুক্ষেপ করলেন না।’ মাহফূয হলোঃ তিনি লক্ষ্য করলেন।’ ইমাম তিরমিযী একে সহীহ বলেছেন।
حدثنا احمد بن حنبل، حدثنا يحيى بن ادم، حدثنا سفيان، عن عبد الرحمن بن عياش، عن زيد بن علي، عن ابيه، عن عبيد الله بن ابي رافع، عن علي، قال ثم اردف اسامة فجعل يعنق على ناقته والناس يضربون الابل يمينا وشمالا لا يلتفت اليهم ويقول " السكينة ايها الناس " . ودفع حين غابت الشمس
। হিশাম ইবনু ‘উরওয়াহ (রহ.) থেকে তাঁর পিতার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি উসামাহ (রাযি.)-এর কাছে বসা ছিলাম। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিদায় হজে (হজ্জে) কিভাবে পথ চলেছেন সে সম্পর্কে তাকে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মধ্যম গতিতেই চলেছেন। তিনি প্রশস্ত পথে উপনীত হলে একটু দ্রুত গতিতে পথ অতিক্রম করতেন। হিশাম (রহ.) বলেন, এরূপ গতিকে ‘আন-নাচ্ছ’ আনাক বলে।[1] সহীহ।
حدثنا القعنبي، عن مالك، عن هشام بن عروة، عن ابيه، انه قال سيل اسامة بن زيد وانا جالس، كيف كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يسير في حجة الوداع حين دفع قال كان يسير العنق فاذا وجد فجوة نص . قال هشام النص فوق العنق
। উসামাহ (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর বাহনের পেছনে ছিলাম। যখন সূর্য অস্ত গেলো তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ‘আরাফাত থেকে রওয়ানা হলেন।[1] হাসান সহীহ।
حدثنا احمد بن حنبل، حدثنا يعقوب، حدثنا ابي، عن ابن اسحاق، حدثني ابراهيم بن عقبة، عن كريب، مولى عبد الله بن عباس عن اسامة، قال كنت ردف النبي صلى الله عليه وسلم فلما وقعت الشمس دفع رسول الله صلى الله عليه وسلم
। ‘আব্দুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাযি.)-এর মুক্তদাস কুরাই (রহ.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি উসামাহ ইবনু যায়িদ (রাযি.)-কে বলতে শুনেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরাফা থেকে রওয়ানা করলেন। তিনি পাহাড়ী পথে পৌঁছে পেশাব করার পর হালকা উযু করলেন, পূর্নাঙ্গ উযু করলেন না। উসামাহ ইবনু যায়িদ (রাযি.) বলেন, আমি তাকে জিজ্ঞেস করি, আপনি কি সালাত আদায় করবেন? তিনি বললেন, আরো সামনে এগিয়ে সালাত আদায় করবো। তিনি পুনরায় বাহনে চড়লেন এবং মুযদালিফায় এসে বাহন থেকে নেমে উত্তমরূপে উযু করলেন। তারপর সালাতের ইকামত দেয়া হলে তিনি মাগরিবের সালাত আদায় করলেন। অতঃপর সকল লোক নিজ নিজ স্থানে নিজেদের্ উট বসালো। অতঃপর ‘ইশার সালাতের ইকামত দেয়া হলে তিনি ‘ইশার সালাত পড়লেন, কিন্তু এ দুই সালাতের মাঝখানে কোনো আর সালাত পড়েননি।[1] সহীহ।
حدثنا عبد الله بن مسلمة، عن مالك، عن موسى بن عقبة، عن كريب، مولى عبد الله بن عباس عن اسامة بن زيد، انه سمعه يقول دفع رسول الله صلى الله عليه وسلم من عرفة حتى اذا كان بالشعب نزل فبال فتوضا ولم يسبغ الوضوء قلت له الصلاة . فقال " الصلاة امامك " . فركب فلما جاء المزدلفة نزل فتوضا فاسبغ الوضوء ثم اقيمت الصلاة فصلى المغرب ثم اناخ كل انسان بعيره في منزله ثم اقيمت العشاء فصلاها ولم يصل بينهما شييا
। ‘আব্দুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুযদালিফায় মাগরিব এবং ‘ইশার সালাত একত্রে আদায় করেছেন।[1] সহীহ।
حدثنا عبد الله بن مسلمة، عن مالك، عن ابن شهاب، عن سالم بن عبد الله، عن عبد الله بن عمر، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم صلى المغرب والعشاء بالمزدلفة جميعا
। আয-যুহরী (রহ.) থেকে তার নিজস্ব সনদে পূর্বোক্ত হাদীসের সমার্থক হাদীস বর্ণিত। তিনি বলেন, প্রত্যেক সালাতের জন্য পৃথক ইকামাত দ্বারা উভয় সালাত একত্রে আদায় করেছেন। আহমাদ (রহ.) বলেন, ওয়াকী‘ (রহ.) বলেছেন, প্রতিটি সালাত আদায় করেছেন এক ইকামাতে।[1] ওয়াকী‘র বর্ণনাটি সহীহ।
حدثنا احمد بن حنبل، حدثنا حماد بن خالد، عن ابن ابي ذيب، عن الزهري، باسناده ومعناه وقال باقامة اقامة جمع بينهما . قال احمد قال وكيع صلى كل صلاة باقامة
। আহমাদ ইবনু হাম্বাল (রহ.)-এর সনদ দ্বারা আয যুহরী (রহ.) থেকে হাম্মাদ সূত্রে পূর্বোক্ত হাদীসের সমার্থক হাদীস বর্ণিত। বর্ণনাকারী ‘উসমান ইবনু ‘উমার বলেছেন, প্রত্যেক সালাতের জন্য এক ইকামাত দিয়ে এবং প্রথম সালাতে আযান দেয়া হয়নি। আর এ উভয় সালাতের কোনোটির পরে অন্য কোনো সালাত আদায় করেননি। মাখলাদ (রহ.) বলেন, উভয় সালাতের কোনোটির জন্য আযান দেননি।[1] সহীহঃ তার এ কথাটি বাদেঃ ‘‘আযান দেয়া হয়নি...।’’ এটাই সঠিক।
حدثنا عثمان بن ابي شيبة، حدثنا شبابة، ح وحدثنا مخلد بن خالد، - المعنى - اخبرنا عثمان بن عمر، عن ابن ابي ذيب، عن الزهري، باسناد ابن حنبل عن حماد، ومعناه، قال باقامة واحدة لكل صلاة ولم يناد في الاولى ولم يسبح على اثر واحدة منهما . قال مخلد لم يناد في واحدة منهما
। ‘আব্দুল্লাহ ইবনু মালিক (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ইবনু ‘উমার (রাযি.)-এর সাথে মাগরিবের তিন এবং ‘ইশার দুই রাক‘আত সালাত আদায় করেছি। মালিক ইবনুল হারিস (রহ.) তাকে বললেন, এ আবার কেমন সালাত? তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে আমি এ দুটি সালাত এই স্থানে এক ইকামাতে আদায় করেছি।[1] সহীহ ‘‘প্রত্যেক সালাত’’ অতিরিক্তসহ। যেমন পূর্বের হাদীসে রয়েছে।
حدثنا محمد بن كثير، حدثنا سفيان، عن ابي اسحاق، عن عبد الله بن مالك، قال صليت مع ابن عمر المغرب ثلاثا والعشاء ركعتين فقال له مالك بن الحارث ما هذه الصلاة قال صليتهما مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في هذا المكان باقامة واحدة
। সাঈদ ইবনু যুবায়র ও ‘আব্দুল্লাহ ইবনু মালিক (রহ.) সূত্রে বর্ণিত। তারা উভয়ে বলেছেন, আমরা ইবনু ‘উমার (রাযি.)-এর সাথে মুযদালিফায় মাগরিব ও ‘ইশার সালাত এক ইকামাতে আদায় করেছি। অতঃপর ইবনু কাসীর বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন।[1] সহীহ ‘‘প্রত্যেক সালাত’’ অতিরিক্তসহ।
حدثنا محمد بن سليمان الانباري، حدثنا اسحاق، - يعني ابن يوسف - عن شريك، عن ابي اسحاق، عن سعيد بن جبير، وعبد الله بن مالك، قالا صلينا مع ابن عمر بالمزدلفة المغرب والعشاء باقامة واحدة فذكر معنى حديث ابن كثير
। সাঈদ ইবনু যুবায়র (রহ.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা ইবনু ‘উমার (রাযি.)-এর সাথে আরাফা থেকে ফিরে যখন মুযদালিফায় আসলাম তখন তিনি এক ইকামাতে মাগরিব ও ‘ইশার সালাত যথাক্রমে তিন ও দুই রাক‘আত পড়ালেন। সালাত শেষে ইবনু ‘উমার (রাযি.) আমাদেরকে বললেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে এ স্থানে এভাবেই সালাত পড়িয়েছেন।[1] সহীহ। কিন্তু ‘‘প্রত্যেক সালাতের জন্য’’ এ কথাটি বৃদ্ধি না করে ‘‘এক ইকামাতে’’ বলাটা শায। যেমন গত হয়েছে।
حدثنا ابن العلاء، حدثنا ابو اسامة، عن اسماعيل، عن ابي اسحاق، عن سعيد بن جبير، قال افضنا مع ابن عمر فلما بلغنا جمعا صلى بنا المغرب والعشاء باقامة واحدة ثلاثا واثنتين فلما انصرف قال لنا ابن عمر هكذا صلى بنا رسول الله صلى الله عليه وسلم في هذا المكان
। সালামাহ ইবনু কুহাইল (রহ.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি সাঈদ ইবনু যুবায়র (রহ.)-কে দেখেছি, তিনি মুযদালিফায় ইকমাত দিয়ে মাগরিবের তিন রাক‘আত এবং ‘ইশার দুই রাক‘আত সালাত আদায় করেছেন। অতঃপর তিনি বললেন, আমি ইবনু ‘উমার (রাযি.)-কে এ স্থানে এমনটি করতে দেখেছি। আর তিনি বলেছেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে এখানে এরূপ করতে দেখেছি।[1] সহীহ। তবে এতে শুযুয বিদ্যমান। যা ১৯৩১ নং হাদীসে উল্লেখ রয়েছে।
حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، عن شعبة، حدثني سلمة بن كهيل، قال رايت سعيد بن جبير اقام بجمع فصلى المغرب ثلاثا ثم صلى العشاء ركعتين ثم قال شهدت ابن عمر صنع في هذا المكان مثل هذا وقال شهدت رسول الله صلى الله عليه وسلم صنع مثل هذا في هذا المكان
। আশ্‘আস ইবনু সুলাইম (রহ.) থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ইবনু ‘উমার (রাযি.)-এর সাথে আরাফা থেকে মুযদালিফা পর্যন্ত আসি। মুযদালিফায় আসা পর্যন্ত তিনি তাকবীর ও তাহলীল পাঠ করেছেন। এরপর তিনি আযান ও ইকামাত দেন অথবা এক ব্যক্তিকে নির্দেশ করলে সে আযান ও ইকামাত দিলে তিনি আমাদেরকে নিয়ে মাগরিবের তিন রাক‘আত সালাত আদায় করলেন। তারপর আমাদের দিকে ফিরে বললেন, সালাত। অতঃপর নিয়ে তিনি দুই রাক‘আত ‘ইশার সালাত আদায় করলেন। এরপর রাতের খাবার আনতে বললেন। বর্ণনাকারী আশ‘আস বলেন, ‘ইলাজ ইবনু ‘আমর, ইবনু ‘উমার (রাযি.) সূত্রে আমার পিতা বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। পরবর্তীতে ইবনু ‘উমার (রাযি.)-কে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে এভাবেই সালাত আদায় করেছি।[1] সহীহ। তবে তার কথাঃ ‘‘তিনি বললেন, সালাত’’- এটি শায। মাহফূয হচ্ছেঃ ‘‘অতঃপর ইকামাত দিলেন।’’ যেমন পূর্বের ১৯২৭ ও ১৯২৮ নং হাদীসদ্বয়ে রয়েছে।
حدثنا مسدد، حدثنا ابو الاحوص، حدثنا اشعث بن سليم، عن ابيه، قال اقبلت مع ابن عمر من عرفات الى المزدلفة فلم يكن يفتر من التكبير والتهليل حتى اتينا المزدلفة فاذن واقام او امر انسانا فاذن واقام فصلى بنا المغرب ثلاث ركعات ثم التفت الينا فقال الصلاة فصلى بنا العشاء ركعتين ثم دعا بعشايه . قال واخبرني علاج بن عمرو بمثل حديث ابي عن ابن عمر قال فقيل لابن عمر في ذلك فقال صليت مع رسول الله صلى الله عليه وسلم هكذا
। ইবনু মাসঊদ (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, ‘ইশা ও মাগরিবের সালাতকে মুযদালিফায় একত্রে আদায় করা এবং পরের দিন ফজরের সালাত ওয়াক্তের পূর্বে আদায় করে নেয়া, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে এই দুই সালাত ছাড়া কোনো সালাত ওয়াক্তের পূর্বে আদায় করতে দেখিনি।[1] সহীহ।
حدثنا مسدد، ان عبد الواحد بن زياد، وابا، عوانة وابا معاوية حدثوهم عن الاعمش، عن عمارة، عن عبد الرحمن بن يزيد، عن ابن مسعود، قال ما رايت رسول الله صلى الله عليه وسلم صلى صلاة الا لوقتها الا بجمع فانه جمع بين المغرب والعشاء بجمع وصلى صلاة الصبح من الغد قبل وقتها
। ‘আলী (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুযদালিফায় রাত যাপনের পর সকালে ‘কুযাহ’ পাহাড়ে অবস্থান করেন এবং বললেনঃ এটি ‘কুযাহ’ এবং এটাই অবস্থানকাল। মুযদালিফার গোটা এলাকাই অবস্থানের স্থান। (তারপর মিনায় এসে বললেন) আমি এ স্থানে কুরবানী করেছি। মিনার পুরো এলাকাই কুরবানী স্থান। সুতরাং তোমরা তোমাদের নিজ নিজ অবস্থানে কুরবানী করো।[1] হাসান সহীহ।
حدثنا احمد بن حنبل، حدثنا يحيى بن ادم، حدثنا سفيان، عن عبد الرحمن بن عياش، عن زيد بن علي، عن ابيه، عن عبيد الله بن ابي رافع، عن علي، قال فلما اصبح - يعني النبي صلى الله عليه وسلم - ووقف على قزح فقال " هذا قزح وهو الموقف وجمع كلها موقف ونحرت ها هنا ومنى كلها منحر فانحروا في رحالكم
। জাবির (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমি আরাফার এ স্থানে অবস্থান করেছি। কিন্তু পুরো আরাফাই অবস্থানের স্থান। আর আমি মুযদালিফার এ স্থানে অবস্থান করেছি। তবে মুযদালিফার পুরো এলাকাটিই অবস্থান স্থল। আমি মিনার এ স্থানে কুরবানী করেছি। মিনার পুরো এলাকাই কুরবানীর স্থান। কাজেই তোমরা তোমাদের নিজ নিজ অবস্থানে কুরবানী করো।[1] সহীহ। এটি গত হয়েছে (হা/১৯০৭ ও)
حدثنا مسدد، حدثنا حفص بن غياث، عن جعفر بن محمد، عن ابيه، عن جابر، ان النبي صلى الله عليه وسلم قال " وقفت ها هنا بعرفة وعرفة كلها موقف ووقفت ها هنا بجمع وجمع كلها موقف ونحرت ها هنا ومنى كلها منحر فانحروا في رحالكم
। ‘আতা (রহ.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা জাবির ইবনু ‘আব্দুল্লাহ (রাযি.) আমাকে বললেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আরাফার পুরো এলাকাই অবস্থানের জায়গা। মিনার সম্পূর্ণ এলাকা কুরবানীর স্থান এবং মুযদালিফার বিস্তৃত এলাকা অবস্থানের স্থান এবং মক্কার প্রতিটি অলি-গলি চলাচলের পথ এবং কুরবানীর স্থান।[1] হাসান সহীহ।
حدثنا الحسن بن علي، حدثنا ابو اسامة، عن اسامة بن زيد، عن عطاء، قال حدثني جابر بن عبد الله، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " كل عرفة موقف وكل منى منحر وكل المزدلفة موقف وكل فجاج مكة طريق ومنحر
। ‘আমর ইবনু মায়মূন (রহ.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, ‘উমার ইবনুল খাত্তাব (রাযি.) বলেছেন, জাহিলী যুগের লোকেরা (মুযদালিফা থেকে) সূর্যোদয়ের পূর্বে রওয়ানা হতো না। কিন্তু নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের বিপরীত করেছেন। তিনি সূর্য উঠার পূর্বেই রওয়ানা করেছেন।[1] সহীহ।
حدثنا ابن كثير، حدثنا سفيان، عن ابي اسحاق، عن عمرو بن ميمون، قال قال عمر بن الخطاب كان اهل الجاهلية لا يفيضون حتى يروا الشمس على ثبير فخالفهم النبي صلى الله عليه وسلم فدفع قبل طلوع الشمس
। ‘উবাইদুল্লাহ ইবনু আবূ ইয়াযীদ (রহ.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি ইবনু ‘আব্বাস (রাযি.)-কে বলতে শুনেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর পরিবারের যেসব দুর্বল লোককে মুযদালিফার রাতে আগেই প্রেরণ করেছিলেন, আমিও তাদের মধ্যে ছিলাম।[1] সহীহ।
حدثنا احمد بن حنبل، حدثنا سفيان، اخبرني عبيد الله بن ابي يزيد، انه سمع ابن عباس، يقول انا ممن، قدم رسول الله صلى الله عليه وسلم ليلة المزدلفة في ضعفة اهله
। ইবনু ‘আব্বাস (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বনী ‘আব্দুল মুত্তালিবের অল্প বয়স্কদেরকে মুযদালিফার রাতে গাধার পিঠে চড়িয়ে আগেভাগেই [মিনায়] পাঠান এবং তিনি আমাদের উরুতে হালকা আঘাত করে বলেনঃ হে আমার প্রিয় সন্তান! সূর্যোদয়ের পূর্বে তোমরা জামরায় কংকর মারবে না। ইমাম আবূ দাঊদ (রহ.) বলেন, (اللَّطْخُ) ‘আল-লাতখু’ শব্দের অর্থ হচ্ছে মৃদু আঘাত করা।[1] সহীহ।
حدثنا محمد بن كثير، اخبرنا سفيان، قال حدثني سلمة بن كهيل، عن الحسن العرني، عن ابن عباس، قال قدمنا رسول الله صلى الله عليه وسلم ليلة المزدلفة اغيلمة بني عبد المطلب على حمرات فجعل يلطح افخاذنا ويقول " ابيني لا ترموا الجمرة حتى تطلع الشمس " . قال ابو داود اللطح الضرب اللين