Loading...

Loading...
বইসমূহ
১৯ হাদিসসমূহ
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ... আব্বাদ ইবনু তামীম (রহঃ) থেকে বর্ণিত। 'আবদুল্লাহ ইবনু যায়দ আল মাযিনী (রাযিঃ) কে বলতে শুনেছি, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাতের নির্ধারিত স্থানে চলে গেলেন এবং তথায় পৌছে ইসতিসকার সালাত আদায় করলেন। যখন কিবলামুখী হলেন, তিনি তার চাদরটা উল্টিয়ে নিলেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৯৪০, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا يحيى بن يحيى، قال قرات على مالك عن عبد الله بن ابي بكر، انه سمع عباد بن تميم، يقول سمعت عبد الله بن زيد المازني، يقول خرج رسول الله صلى الله عليه وسلم الى المصلى فاستسقى وحول رداءه حين استقبل القبلة
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আব্বাদ ইবনু তামীম (রাযিঃ) থেকে তার চাচার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাতের নির্ধারিত স্থানে গিয়ে ইসতিসকার দু'আ করলেন এবং কিবলামুখী হয়ে তার চাদরটা উল্টিয়ে দিলেন। অতঃপর দু' রাকাআত সালাত আদায় করলেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৯৪১, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا يحيى بن يحيى، اخبرنا سفيان بن عيينة، عن عبد الله بن ابي بكر، عن عباد بن تميم، عن عمه، قال خرج النبي صلى الله عليه وسلم الى المصلى فاستسقى واستقبل القبلة وقلب رداءه وصلى ركعتين
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু যায়দ আল আনসারী (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইসতিসকার উদ্দেশে মাঠের দিকে বের হয়ে গেলেন। যখন তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) দু'আ করার ইচ্ছা করলেন, কিবলামুখী হলেন এবং নিজের চাদর উল্টিয়ে দিলেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৯৪২, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا يحيى بن يحيى، اخبرنا سليمان بن بلال، عن يحيى بن سعيد، قال اخبرني ابو بكر بن محمد بن عمرو، ان عباد بن تميم، اخبره ان عبد الله بن زيد الانصاري اخبره ان رسول الله صلى الله عليه وسلم خرج الى المصلى يستسقي وانه لما اراد ان يدعو استقبل القبلة وحول رداءه
আবূত তহির ও হারমালাহ্ (রহঃ) ..... আব্বাদ ইবনু তামীম আল মাযিনী (রহঃ) থেকে তার চাচার সূত্রে বর্ণিত। যিনি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাহাবীগণের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদিন ইসতিসকার উদ্দেশে বের হলেন। তিনি লোকদের দিকে পিঠ রেখে আল্লাহর নিকট দু'আ করতে লাগলেন এবং কিবলার দিকে মুখ করে তার চাদরটা উল্টিয়ে দিলেন। অতঃপর তিনি দু' রাকাআত সালাত আদায় করলেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৯৪৩, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثني ابو الطاهر، وحرملة، قالا اخبرنا ابن وهب، اخبرني يونس، عن ابن، شهاب قال اخبرني عباد بن تميم المازني، انه سمع عمه، وكان، من اصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول خرج رسول الله صلى الله عليه وسلم يوما يستسقي فجعل الى الناس ظهره يدعو الله واستقبل القبلة وحول رداءه ثم صلى ركعتين
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ (রহঃ) ..... আনাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে দুআ করার সময় উভয় হাত উপরে উঠাতে দেখেছি। এতে তার বগলের শুভ্রতা পরিদৃষ্ট হচ্ছিল। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৯৪৪, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا يحيى بن ابي بكير، عن شعبة، عن ثابت، عن انس، قال رايت رسول الله صلى الله عليه وسلم يرفع يديه في الدعاء حتى يرى بياض ابطيه
আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইসতিসকার দু'আ করেছেন এবং দু'আর সময় তিনি উভয় হাতের পিঠ দ্বারা আকাশের দিকে ইশারা করেছেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৯৪৭, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا عبد بن حميد، حدثنا الحسن بن موسى، حدثنا حماد بن سلمة، عن ثابت، عن انس بن مالك، ان النبي صلى الله عليه وسلم استسقى فاشار بظهر كفيه الى السماء
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ..... আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার কোন দু'আয় হাত উঠাতেন না; কেবল ইসতিসকায় হাত উঠাতেন। এমনকি এতে তার বগলের শুভ্রতা পরিদৃষ্ট হত। তবে আবদুল আ'লা তার বর্ণনায় বলেছেন, বগলের শুভ্রতা বা উভয় বগলের শুভ্রতা। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৯৪৫, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا ابن ابي عدي، وعبد الاعلى، عن سعيد، عن قتادة، عن انس، ان نبي الله صلى الله عليه وسلم كان لا يرفع يديه في شىء من دعايه الا في الاستسقاء حتى يرى بياض ابطيه . غير ان عبد الاعلى قال يرى بياض ابطه او بياض ابطيه
ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ..... আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করে শুনিয়েছেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৯৪৬, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا ابن المثنى، حدثنا يحيى بن سعيد، عن ابن ابي عروبة، عن قتادة، انحدثهم عن النبي صلى الله عليه وسلم نحوه
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া, ইয়াহইয়া ইবনু আইয়ুব, কুতায়বাহ ও ইবনু হুজুর (রহঃ) ..... আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত জনৈক ব্যক্তি জুমুআর দিন মসজিদে নবাবীতে দারুল কাযার দিকে স্থাপিত দরজা দিয়ে প্রবেশ করল। এ সময় রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাঁড়িয়ে খুতবাহ দিচ্ছিলেন। সে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর দিকে মুখ করে দাঁড়িয়ে বলল, হে আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম! (অনাবৃষ্টির ফলে) মাল সম্পদ বিনষ্ট হয়ে যাচ্ছে। জীবিকার পথ রুদ্ধ হয়ে যাচ্ছে। অতএব আল্লাহর কাছে দু'আ করুন যেন তিনি আমাদেরকে বৃষ্টি দান করেন। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দু হাত উঠিয়ে দু'আ করলেন, “আল্ল-হুম্মা আগিসনা- আল্ল-হুম্মা আগিসনা-, আল্ল-হুম্মা আগিসনা-” (অর্থাৎ- হে আল্লাহ আমাদের ওপর বৃষ্টি বর্ষণ করুন, আমাদেরকে বৃষ্টি দান করুন।)। [৩ বার] আনাস (রাযিঃ) বলেন, আল্লাহর শপথ! এ সময় আসমানে কোন মেঘ বা মেঘের চিহ্নও ছিল না। আর আমাদের ও সালই পাহাড়ের মাঝে কোন ঘর-বাড়ী কিছুই ছিল না। (ক্ষণিকের মধ্যে) তার পেছন থেকে ঢালের ন্যায় অখণ্ড মেঘ উদিত হ'ল। একটু পর তা মাঝ আকাশে এলে চতুর্দিকে ছড়িয়ে পড়ল এবং বৃষ্টি শুরু হ’ল। বর্ণনাকার বলেন, এরপর আল্লাহর শপথ আমরা সপ্তাহকাল যাবৎ আর সূর্যের মুখ দেখিনি। অতঃপর পরবর্তী জুমুআয় আবার এক ব্যক্তি ঐ দরজা দিয়ে প্রবেশ করল। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাঁড়িয়ে খুতবাহ দিচ্ছিলেন। সে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সামনে দাঁড়িয়ে বলল, হে আল্লাহর রসূল! মাল সম্পদ সব বিনষ্ট হয়ে যাচ্ছে, পথ রুদ্ধ হয়ে যাচ্ছে। অতএব, আল্লাহর কাছে দু'আ করুন যেন বৃষ্টিপাত বন্ধ করে দেন। বর্ণনাকারী বলেন, তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবার হাত উঠিয়ে দুআ করলেন, “আল্ল-হুম্মা হাওলানা- ওয়ালা- আলায়না- আল্ল-হুম্মা 'আলাল আ-কা-মি ওয়ায় যিরা-বি ওয়া বুতনিল আওদিয়াত ওয়া মানা-বিতিশ শাজার” (অর্থাৎ- হে আল্লাহ আমাদের অবস্থা পাল্টে দাও আমাদের ওপর এ অবস্থা চাপিয়ে দিও না। হে আল্লাহ! পাহাড়ী এলাকায়, মালভূমিতে মাঠের অভ্যন্তরে ও গাছপালা গজানো স্থলে তা ফিরিয়ে নিয়ে যাও।)। এরপর বৃষ্টিপাত বন্ধ হয়ে গেল। আমরা বের হয়ে সূর্য তাপের মধ্যে চলাচল করতে লাগলাম। শারীক বলেন, আমি আনাস ইবনু মালিককে জিজ্ঞেস করলাম, এ ব্যক্তি কি প্রথম ব্যক্তি? আনাস বললেন, আমার জানা নেই। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৯৪৮, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا يحيى بن يحيى، ويحيى بن ايوب، وقتيبة، وابن، حجر قال يحيى اخبرنا وقال الاخرون، حدثنا اسماعيل بن جعفر، عن شريك بن ابي نمر، عن انس بن مالك، انجمعة من باب كان نحو دار القضاء ورسول الله صلى الله عليه وسلم قايم يخطب فاستقبل رسول الله صلى الله عليه وسلم قايما ثم قال يا رسول الله هلكت الاموال وانقطعت السبل فادع الله يغثنا . قال فرفع رسول الله صلى الله عليه وسلم يديه ثم قال " اللهم اغثنا اللهم اغثنا اللهم اغثنا " . قال انس ولا والله ما نرى في السماء من سحاب ولا قزعة وما بيننا وبين سلع من بيت ولا دار - قال - فطلعت من ورايه سحابة مثل الترس فلما توسطت السماء انتشرت ثم امطرت - قال - فلا والله ما راينا الشمس سبتا - قال - ثم دخل رجل من ذلك الباب في الجمعة المقبلة ورسول الله صلى الله عليه وسلم قايم يخطب فاستقبله قايما فقال يا رسول الله هلكت الاموال وانقطعت السبل فادع الله يمسكها عنا - قال - فرفع رسول الله صلى الله عليه وسلم يديه ثم قال " اللهم حولنا ولا علينا اللهم على الاكام والظراب وبطون الاودية ومنابت الشجر " . فانقلعت وخرجنا نمشي في الشمس . قال شريك فسالت انس بن مالك اهو الرجل الاول قال لا ادري
দাউদ ইবনু রুশায়দ (রহঃ) ..... আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর যামানায় মানুষ দুর্ভিক্ষের শিকার হ’ল। ঐ সময় একদিন জুমুআর দিনে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মিম্বারে উপবিষ্ট হয়ে লোকদের সামনে জুমুআর খুতবাহ দিচ্ছিলেন। এক বিদুঈন দাঁড়িয়ে বলল, হে আল্লাহর রসূল! ধনসম্পদ বরবাদ হয়ে গেল, সন্তান-সন্ততি ক্ষুধায় কাতর হয়ে পড়ছে। অবশিষ্ট হাদীস পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। এ বর্ণনায় আরো আছেঃ রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ হে আল্লাহ আমাদের চতুস্পার্শ্বে, আমাদের উপরে নয়। বর্ণনাকারী বলেন, এরপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাত দিয়ে যেদিকেই ইশারা করেছেন, সঙ্গে সঙ্গে সেদিকেই ফর্সা হয়ে গেছে। এমনকি আমি মাদীনাকে আয়নার ন্যায় পরিষ্কার দেখতে পেলাম। এদিকে 'কানাত' নামক প্রান্তরে একমাস যাবৎ পানির ধারা বয়ে গেল। যে কোন প্রান্ত থেকে যে কেউই এসেছে সে-ই অতি বৃষ্টির সংবাদ দিয়েছেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৯৪৯, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا داود بن رشيد، حدثنا الوليد بن مسلم، عن الاوزاعي، حدثني اسحاق، بن عبد الله بن ابي طلحة عن انس بن مالك، قال اصابت الناس سنة على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم فبينا رسول الله صلى الله عليه وسلم يخطب الناس على المنبر يوم الجمعة اذ قام اعرابي فقال يا رسول الله هلك المال وجاع العيال . وساق الحديث بمعناه . وفيه قال " اللهم حوالينا ولا علينا " . قال فما يشير بيده الى ناحية الا تفرجت حتى رايت المدينة في مثل الجوبة وسال وادي قناة شهرا . ولم يجي احد من ناحية الا اخبر بجود
আবদুল আ'লা ইবনু হাম্মাদ ও মুহাম্মাদ ইবনু আবূ বাকর আল মুকদ্দামী (রহঃ) ..... আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জুমুআর দিন খুতবাহ দিচ্ছিলেন, এমন সময় কিছু লোক দাঁড়িয়ে চিৎকার করে বলল, হে আল্লাহর নবী। বৃষ্টিপাত বন্ধ হয়ে গেছে। গাছপালা লোহিত বর্ণ ধারণ করেছে। পশুর মৃত্যুমুখে পতিত হয়েছে। এরপর অবশিষ্ট হাদীস বর্ণনা করেছেন, পশুর মৃত্যুমুখে পতিত হয়েছে 'মেঘ মদীনাহ থেকে সরে গেছে'। এরপর মদীনার চতুস্পর্শ্বে বৃষ্টিপাত হতে লাগল, মদীনায় একবিন্দু বৃষ্টিও বর্ষিত হচ্ছে না। আমি মাদীনার দিকে তাকিয়ে দেখলাম তা যেন পট্টির ন্যায় চতুর্দিকে পরিবেষ্টিত বা মুকুটের ন্যায় শোভা পাচ্ছে। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৯৫০, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثني عبد الاعلى بن حماد، ومحمد بن ابي بكر المقدمي، قالا حدثنا معتمر، حدثنا عبيد الله، عن ثابت البناني، عن انس بن مالك، قال كان النبي صلى الله عليه وسلم يخطب يوم الجمعة فقام اليه الناس فصاحوا وقالوا يا نبي الله قحط المطر واحمر الشجر وهلكت البهايم . وساق الحديث وفيه من رواية عبد الاعلى فتقشعت عن المدينة . فجعلت
আবূ কুরায়ব (রহঃ) ..... আনাস (রাযিঃ) থেকে অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে তবে এতে এ কথাও আছে যে, আল্লাহ তা'আলা মেঘরাশিকে পুঞ্জীভূত করে দিয়েছেন আর তা আমাদেরকে প্লাবিত করে দিয়েছে। এমনকি দেখলাম বেশ শক্তিশালী ব্যক্তিও তার বাড়িতে ফিরে আসতে চিন্তায় পড়ে গেল। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৯৫১, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثناه ابو كريب، حدثنا ابو اسامة، عن سليمان بن المغيرة، عن ثابت، عن انس، بنحوه وزاد فالف الله بين السحاب ومكثنا حتى رايت الرجل الشديد تهمه نفسه ان ياتي اهله
হারূন ইবনু সাঈদ আল আয়লী (রহঃ) ..... হাফসাহ ইবনু উবায়দুল্লাহ ইবনু আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) কে বলতে শুনেছেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জুমুআর দিন মিম্বারে উপবিষ্ট অবস্থায় তার নিকট একজন বেদুঈন আসল ... বাকী হাদীস পূর্ববৎ বর্ণনা করেন। তবে এ কথাটুকু বাড়িয়ে বলেছেন- আমি দেখলাম মেঘমালা ছড়িয়ে পড়েছে, যেন গোছানো চাদরকে প্রসারিত করা হয়েছে। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৯৫২, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا هارون بن سعيد الايلي، حدثنا ابن وهب، حدثني اسامة، ان حفص بن، عبيد الله بن انس بن مالك حدثه انه، سمع انس بن مالك، يقول جاء اعرابي الى رسول الله صلى الله عليه وسلم يوم الجمعة وهو على المنبر . واقتص الحديث وزاد فرايت السحاب يتمزق كانه الملاء حين تطوى
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আনাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা রসূলুল্লাহসাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে ছিলাম এমন সময় বৃষ্টি নামল। তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার কাপড় খুলে দিলেন, ফলে এতে বৃষ্টির পানি পৌছল। আমরা জিজ্ঞেস করলাম, হে আল্লাহর রসূল! এরূপ কেন করলেন? তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, কেননা এটা মহান আল্লাহর নিকট থেকে আসার সময় খুবই অল্প। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৯৫৩, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا يحيى بن يحيى، اخبرنا جعفر بن سليمان، عن ثابت البناني، عن انس، قال قال انس اصابنا ونحن مع رسول الله صلى الله عليه وسلم مطر قال فحسر رسول الله صلى الله عليه وسلم ثوبه حتى اصابه من المطر فقلنا يا رسول الله لم صنعت هذا قال لانه حديث عهد بربه تعالى
আবদুল্লাহ ইবনু মাসলামাহ ইবনু কা'নাব (রহঃ) ..... আতা ইবনু আবূ রবাহ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর স্ত্রী আয়িশাহ (রাযিঃ) কে বলতে শুনেছেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর অবস্থা এরূপ ছিল যে, যখন কোন সময় দমকা হাওয়া ও মেঘের ঘনঘটা দেখা দিত, তার চেহারায় একটা আতঙ্কের ভাব ফুটে উঠত এবং তিনি আগে পিছনে উদ্বিগ্ন হয়ে চলাফেরা করতেন। এরপর যখন বৃষ্টি হ’ত খুশি হয়ে যেতেন, আর তার থেকে এ অস্থিরতা দূর হয়ে যেত। আয়িশাহ (রাযিঃ) বলেন, আমি এ বিষয়ে তাঁকে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, আমার আশঙ্কা হয় যে, আমার উম্মাতের ওপর কোন আযাব এসে পতিত হয় নাকি। তিনি বৃষ্টি দেখলে বলতেন, এটা (আল্লাহর) রহমত। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৯৫৪, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا عبد الله بن مسلمة بن قعنب، حدثنا سليمان، - يعني ابن بلال - عن جعفر، - وهو ابن محمد - عن عطاء بن ابي رباح، انه سمع عايشة، زوج النبي صلى الله عليه وسلم تقول كان رسول الله صلى الله عليه وسلم اذا كان يوم الريح والغيم عرف ذلك في وجهه اقبل وادبر فاذا مطرت سر به وذهب عنه ذلك . قالت عايشة فسالته فقال " اني خشيت ان يكون عذابا سلط على امتي " . ويقول اذا راى المطر " رحمة
আবুত তহির (রহঃ) ..... ‘অগ্নিশাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। যখন বাতাস প্রবল আকার ধারণ করত, তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এভাবে দু'আ করতেনঃ “আল্ল-হুম্মা ইন্নী আসআলুকা খয়রাহা- ওয়া খয়রা মাকীহা- ওয়া খয়রা মা-ফীহা ওয়া খয়রা মা- উরসিলাত বিহী, ওয়া আউয়ুবিকা মিন শাররিহা- ওয়া শাররি মা- ফীহা- ওয়া শাররি মা-উরসিলাত বিহী” - (অর্থাৎ- হে আল্লাহ! আমি তোমার কাছে মেঘের কল্যাণ কামনা করছি ও এর মধ্যে যে কল্যাণ নিহিত আছে এবং যে কল্যাণের সাথে প্রেরিত হয়েছে তাও এবং তোমার কাছে এর অকল্যাণ ও এর মধ্যে যে অকল্যাণ নিহিত আছে এবং যে অকল্যাণ নিয়ে এসেছে তা থেকে আশ্রয় চাই।)। আয়িশাহ (রাযিঃ) বলেন, যখন আসমানে মেঘ বিদ্যুৎ ছেয়ে যেত তার চেহারা বিবর্ণ হয়ে যেত এবং তিনি ভিতরে বাইরে আগে পিছনে ইতস্ততঃ চলাফেরা শুরু করে দিতেন। এরপর যখন বৃষ্টি হ’ত তার এ অবস্থা দূর হয়ে যেত। আয়িশাহ (রাযিঃ) বলেনঃ এ অবস্থা বুঝতে পেরে আমি তাকে এর কারণ জিজ্ঞেস করলে তিনি বলতেন, হে ‘আয়িশাহ! আমার আশঙ্কা এরূপ হয় নাকি যেরূপ 'আদ সম্প্রদায় বলেছিল। যেমন কুরআনে উদ্ধৃত হয়েছে, “যখন তারা এটাকে তাদের প্রান্তর অভিমুখে মেঘের আকারে এগিয়ে আসতে দেখল, তারা বলল, এ মেঘ আমাদের ওপর বৃষ্টি বর্ষাবে (পক্ষান্তরে তা ছিল আসমানী গজব)"- (সূরাহ আল আহকা-ফ ৪৬ঃ ২৪)। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৯৫৫, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثني ابو الطاهر، اخبرنا ابن وهب، قال سمعت ابن جريج، يحدثنا عن عطاء، بن ابي رباح عن عايشة، زوج النبي صلى الله عليه وسلم انها قالت كان النبي صلى الله عليه وسلم اذا عصفت الريح قال " اللهم اني اسالك خيرها وخير ما فيها وخير ما ارسلت به واعوذ بك من شرها وشر ما فيها وشر ما ارسلت به " . قالت واذا تخيلت السماء تغير لونه وخرج ودخل واقبل وادبر فاذا مطرت سري عنه فعرفت ذلك في وجهه . قالت عايشة فسالته فقال " لعله يا عايشة كما قال قوم عاد { فلما راوه عارضا مستقبل اوديتهم قالوا هذا عارض ممطرنا}
হারূন ইবনু মা’রূফ, আবুত তহির (রহঃ) ..... আয়িশাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। আমি কখনও নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে এরূপ পুরোপুরি হাসতে দেখিনি যাতে করে কণ্ঠনালী দেখা যায়। বরং তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মুচকী হাসতেন। আয়িশাহ (রাযিঃ) বলেন, যখন কালেমেঘ বা দমকা হাওয়া দেখতেন, তার চেহারায় অস্থির ভাব ফুটে উঠত। আয়িশাহ (রাযিঃ) বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আমি দেখি লোকেরা মেঘ দেখে বেশ খুশী হয়ে যায় এ আশায় যে এতে বৃষ্টি হবে। আর আপনাকে দেখি, আপনি যখন মেঘ দেখেন, আপনার চেহরায় আশঙ্কার ছাপ পরিলক্ষিত হয়। উত্তরে তিনি বলেন, হে ‘আয়িশাহ! আমি এ কারণে নিরাপদ ও নিশ্চিন্তবোধ করি না যে, হতে পারে এর মধ্যে কোন আযাব থাকতে পারে। এক সম্পপ্রদায়কে দমকা হাওয়ার মাধ্যমে আযাব দেয়া হয়েছে। আরেক সম্প্রদায় আসমানী 'আযাব দেখে বলেছিল- এই যে মেঘ তা আমাদের ওপর বর্ষিত হবে। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৯৫৬, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثني هارون بن معروف، حدثنا ابن وهب، عن عمرو بن الحارث، ح وحدثني ابو الطاهر، اخبرنا عبد الله بن وهب، اخبرنا عمرو بن الحارث، ان ابا النضر، حدثه عن سليمان بن يسار، عن عايشة، زوج النبي صلى الله عليه وسلم انها قالت ما رايت رسول الله صلى الله عليه وسلم مستجمعا ضاحكا حتى ارى منه لهواته انما كان يتبسم - قالت- وكان اذا راى غيما او ريحا عرف ذلك في وجهه . فقالت يا رسول الله ارى الناس
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ, মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না ও ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমাকে পূবালী হাওয়ার সাহায্যে বিজয়ী করা হয়েছে অথচ আদ সম্প্রদায়কে পশ্চিমা বাতাসের মাধ্যমে ধ্বংস করা হয়েছে। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৯৫৭, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا غندر، عن شعبة، ح وحدثنا محمد بن المثنى، وابن بشار قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن الحكم، عن مجاهد، عن ابن عباس، عن النبي صلى الله عليه وسلم انه قال " نصرت بالصبا واهلكت عاد بالدبور
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ ও আবূ কুরায়ব, আবদুল্লাহ ইবনু উমর ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু আ'বান আল জুফী (রহঃ) ... ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৯৫৮, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، وابو كريب قالا حدثنا ابو معاوية، ح وحدثنا عبد الله بن عمر بن محمد بن ابان الجعفي، حدثنا عبدة، - يعني ابن سليمان - كلاهما عن الاعمش، عن مسعود بن مالك، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس، عن النبي صلى الله عليه وسلم . بمثله