Loading...

Loading...
বইসমূহ
২৬ হাদিসসমূহ
মুহাম্মাদ ইবনু রাফি' ও 'আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর এবং আবূ বাকর, উমার ও উসমান (রাযিঃ)-এর সাথে ঈদুল ফিতরের সালাতে উপস্থিত ছিলাম। তারা সবাই খুতবার আগে সালাত আদায় করেছেন এবং পরে খুতবাহ পাঠ করেছেন। তিনি বলেন, এরপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (মিম্বার থেকে) অবতরণ করলেন। যখন তিনি হাত দিয়ে ইঙ্গিত করে লোকদের বসিয়ে দিচ্ছিলেন, তা যেন আমি দেখতে পাচ্ছি। অতঃপর তিনি লোকদের মধ্য দিয়ে সামনে অগ্রসর হয়ে মহিলাদের নিকট আসলেন। এ সময় তার সাথে বিলাল (রাযিঃ) ছিলেন। এরপর তিনি এ আয়াতটুকু পাঠ করলেন يَا أَيُّهَا النَّبِيُّ إِذَا جَاءَكَ الْمُؤْمِنَاتُ يُبَايِعْنَكَ عَلَى أَنْ لاَ يُشْرِكْنَ بِاللَّهِ شَيْئًا "হে নবী! ঈমানদার মহিলারা আপনার নিকট আসে, তখন তারা একথার ওপর বাইয়াত করবে যে, তারা আল্লাহর সাথে কোন কিছুকে অংশীদার করবে না"- (সূরাহ আল মুমতাহিনাহ ৬০ঃ ১২)। এ আয়াত পাঠ সমাপ্ত করে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদেরকে উদ্দেশ্য করে বললেনঃ তোমরা কি এ কথার ওপর অটল আছ? তখন মাত্র একজন মহিলাই উত্তর করল, হ্যাঁ। হে আল্লাহর নবী! সে ব্যতীত তাদের মধ্যে থেকে আর কেউ প্রতি উত্তর করেননি। অবশ্যই মহিলাটি কে তখন তা জানা যায়নি। বর্ণনাকারী বলেন, এরপর তারা সদাকাহ করতে লাগল আর বিলাল (রাযিঃ) তার কাপড় বিছিয়ে দিলেন অতঃপর বললেন, তোমাদের প্রতি আমার মা-বাপ কুরবান হোক! এগিয়ে আসো। তখন মহিলারা তাদের ছোট বড় আংটিসমূহ বিলালের কাপড়ের উপর ফেলতে লাগল। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৯১৪, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثني محمد بن رافع، وعبد بن حميد، جميعا عن عبد الرزاق، - قال ابن رافع حدثنا عبد الرزاق، - اخبرنا ابن جريج، اخبرني الحسن بن مسلم، عن طاوس، عن ابن، عباس قال شهدت صلاة الفطر مع نبي الله صلى الله عليه وسلم وابي بكر وعمر وعثمان فكلهم يصليها قبل الخطبة ثم يخطب قال فنزل نبي الله صلى الله عليه وسلم كاني انظر اليه حين يجلس الرجال بيده ثم اقبل يشقهم حتى جاء النساء ومعه بلال فقال { يا ايها النبي اذا جاءك المومنات يبايعنك على ان لا يشركن بالله شييا} فتلا هذه الاية حتى فرغ منها ثم قال حين فرغ منها " انتن على ذلك " فقالت امراة واحدة لم يجبه غيرها منهن نعم يا نبي الله لا يدرى حينيذ من هي قال " فتصدقن " . فبسط بلال ثوبه ثم قال هلم فدى لكن ابي وامي . فجعلن يلقين الفتخ والخواتم في ثوب بلال
ইসহাক ইবনু ইবরাহীম ও মুহাম্মাদ ইবনু রাফি ইবনু রাফি (রহঃ) ..... আতা (রহঃ) থেকে বর্ণিত। (তিনি বলেন) আমি জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) কে বলতে শুনেছি যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঈদুল ফিত্বরের দিন দাঁড়ালেন, অতঃপর সালাত আদায় করলেন। তিনি খুতবাহ দেয়ার আগে প্রথমে সালাত আদায় করেছেন, পরে জনতার উদ্দেশে খুতবাহ দিয়েছেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খুতবাহ শেষ করে মহিলাদের কাছে এসে উপদেশ দিলেন। এ সময় তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বিলালের হাতে ভর দিয়ে দাঁড়িয়েছিলেন এবং বিলাল তার কাপড় প্রসারিত করে রেখেছিলেন। মহিলারা এতে দান বস্তু ফেলছিল। আমি (ইবনু জুরায়জ) আতাকে জিজ্ঞেস করলাম, তা কি ঈদুল ফিত্বরের যাকাত (সদাকায়ে ফিতর)? আতা বললেন, না, বরং তা সাধারণ সদাকাই ছিল। মহিলারা তাদের মূল্যবান আংটি (দানপাত্রে) ফেলছিল এবং সম্ভব সবকিছু বিলিয়ে দিচ্ছিল। আমি আত্বা (রহঃ) কে জিজ্ঞেস করলাম, বর্তমানে কি ইমামের জন্য খুতবাহ সমাপ্ত করার পর মহিলাদের কাছে এসে তাদেরকে উপদেশ শুনানোর বিধি সম্মত? আতা বললেন, হ্যাঁ। আমার জীবনের রবের শপথ! এটা ইমামদের ওপর অবশ্য কর্তব্য। তাদের এ কাজ না করার কি কারণ থাকতে পারে? (ইসলামী ফাউন্ডেশন, ১৯১৭, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا اسحاق بن ابراهيم، ومحمد بن رافع، قال ابن رافع حدثنا عبد الرزاق، اخبرنا ابن جريج، اخبرني عطاء، عن جابر بن عبد الله، قال سمعته يقول ان النبي صلى الله عليه وسلم قام يوم الفطر فصلى فبدا بالصلاة قبل الخطبة ثم خطب الناس فلما فرغ نبي الله صلى الله عليه وسلم نزل واتى النساء فذكرهن وهو يتوكا على يد بلال وبلال باسط ثوبه يلقين النساء صدقة . قلت لعطاء زكاة يوم الفطر قال لا ولكن صدقة يتصدقن بها حينيذ تلقي المراة فتخها ويلقين ويلقين . قلت لعطاء احقا على الامام الان ان ياتي النساء حين يفرغ فيذكرهن قال اي لعمري ان ذلك لحق عليهم وما لهم لا يفعلون ذلك
মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ঈদের দিন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে ছিলাম। তিনি খুতবার আগে প্রথমে সালাত আদায় করলেন-আযান ইকামাত ছাড়া। অতঃপর তিনি বিলালের ওপর ভর দিয়ে দাঁড়ালেন এবং “আল্লাহ ভীতি" অর্জন করার আদেশ করলেন ও তার আনুগত্য করার জন্য অনুপ্রাণিত করলেন। তিনি সমবেত জনতাকে উপদেশ দিলেন। তারপর বললেন, তোমরা সদাকাহ কর। কেননা তোমাদের বেশীর ভাগ মহিলাই জাহান্নামের জ্বালানী হবে। (এ কথা শুনে) মহিলাদের মধ্যে থেকে উভয় গালে কালো দাগ বিশিষ্ট একটি মেয়েলোক দাঁড়িয়ে জিজ্ঞেস করল, কেন আল্লাহর রসূল? রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, কেননা তোমরা বেশী অজুহাত ও অভিযোগ পেশ করে থাক এবং স্বামীর অবাধ্যচরণ করে থাক। বর্ণনাকারী বলেন, এরপর মহিলাগণ তাদের অলঙ্কারাদি দান করতে শুরু করল। তারা তাদের কানের ঝুমকা, রিং এবং আংটিসমূহ বিলালের কাপড়ে ফেলতে লাগল। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৯১৮, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا ابي، حدثنا عبد الملك بن ابي سليمان، عن عطاء، عن جابر بن عبد الله، قال شهدت مع رسول الله صلى الله عليه وسلم الصلاة يوم العيد فبدا بالصلاة قبل الخطبة بغير اذان ولا اقامة ثم قام متوكيا على بلال فامر بتقوى الله وحث على طاعته ووعظ الناس وذكرهم ثم مضى حتى اتى النساء فوعظهن وذكرهن فقال تصدقن فان اكثركن حطب جهنم فقامت امراة من سطة النساء سفعاء الخدين فقالت لم يا رسول الله قال لانكن تكثرن الشكاة وتكفرن العشير قال فجعلن يتصدقن من حليهن يلقين في ثوب بلال من اقرطتهن وخواتمهن
মুহাম্মাদ ইবনু রাফি (রহঃ) ..... ইবনু আব্বাস ও জাবির ইবনু আবদুল্লাহ আল আনসারী (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তারা উভয়ে বলেন, (রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সময়) ঈদুর ফিতরের দিন এবং ঈদুল আযহার দিন (ঈদের জন্য) আযান দেয়া হ’ত না। ইবনু জুরায়জ বলেন, কিছু সময় পর আমি আতাকে এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে তিনি আমাকে বলেন, আমাকে জাবির ইবনু আবদুল্লাহ আল আনসারী (রাযিঃ) জানিয়েছেন, ঈদুল ফিতরের দিন ঈদের সালাতের জন্য আযানও নেই ইকামাতও নেই। কোন ডাক বা কোন প্রকার ধ্বনিও নেই। ঐ দিন ঈদের জন্য কোন আযান ও ইকামাতের নিয়ম নেই। ইমাম (সালাতের উদ্দেশে) বের হওয়ার সময় এবং বের হওয়ার পরেও আযানের কোন প্রয়োজন নেই। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৯১৯, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثني محمد بن رافع، حدثنا عبد الرزاق، اخبرنا ابن جريج، اخبرني عطاء، عن ابن عباس، وعن جابر بن عبد الله الانصاري، قالا لم يكن يوذن يوم الفطر ولا يوم الاضحى . ثم سالته بعد حين عن ذلك فاخبرني قال اخبرني جابر بن عبد الله الانصاري
মুহাম্মাদ ইবনু রাফি' (রহঃ) ..... আত্বা (রহঃ) থেকে বর্ণিত। আমাকে জানিয়েছেন যে, ইবনু যুবায়র-এর নিকট প্রথমে লোকেরা যখন বাইয়্যাত নিচ্ছিল- ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) তার কাছে এ সংবাদ পাঠালেন যে, ঈদুল ফিত্বরের দিন ঈদের সালাতের জন্য আযান দেয়া হতো না। অতএব তুমি ঈদের সালাতের জন্য আযানের প্রচলন করবে না। বর্ণনাকারী বলেন, ইবনু যুবায়র (রাযিঃ) তার সময় আযানের প্রচলন করেননি। ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) এ কথাটুকু ইবনুয যুবায়র-এর নিকট বলে পাঠান যে, খুতবাহ সালাতের পরে হবে, আর এ নিয়ম পালিত হয়ে আসছে। বর্ণনাকারী বলেন, অতএব ইবনু যুবায়র (রাযিঃ) খুতবার পূর্বে ঈদের সালাত সমাপন করেছেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৯২০, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثني محمد بن رافع، حدثنا عبد الرزاق، اخبرنا ابن جريج، اخبرني عطاء، ان ابن عباس، ارسل الى ابن الزبير اول ما بويع له انه لم يكن يوذن للصلاة يوم الفطر فلا توذن لها - قال - فلم يوذن لها ابن الزبير يومه وارسل اليه مع ذلك انما الخطبة بعد الصلاة وان ذلك قد كان يفعل - قال - فصلى ابن الزبير قبل الخطبة
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া, হাসান ইবনুর রাবী', কুতায়বাহ ইবনু সাঈদ ও আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ্ (রহঃ) ..... জাবির ইবনু সামুরাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে একবার দু'বার নয়, অনেক বার দু'ঈদের সালাত আযান ও ইকামাত ব্যতীত আদায় করেছি। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৯২১, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا يحيى بن يحيى، وحسن بن الربيع، وقتيبة بن سعيد، وابو بكر بن ابي شيبة قال يحيى اخبرنا وقال الاخرون، حدثنا ابو الاحوص، عن سماك، عن جابر بن، سمرة قال صليت مع رسول الله صلى الله عليه وسلم العيدين غير مرة ولا مرتين بغير اذان ولا اقامة
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, আবূ বাকর (রাযিঃ) ও উমর (রাযিঃ) ঈদের সালাত খুতবার আগে আদায় করতেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৯২২, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا عبدة بن سليمان، وابو اسامة عن عبيد، الله عن نافع، عن ابن عمر، ان النبي صلى الله عليه وسلم وابا بكر وعمر كانوا يصلون العيدين قبل الخطبة
ইয়াহইয়া ইবনু আইয়ুব, কুতায়বাহ ও ইবনু হুজুর (রহঃ) ..... আবূ সাঈদ আল খুদরী (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঈদুল আযহা ও ঈদুল ফিতরের দিন বের হতেন এবং প্রথমে সালাত আদায় করতেন। যখন সালাত সম্পন্ন করে সালাম ফিরাতেন, লোকদের দিকে মুখ করে দাঁড়াতেন। তারা নিজ নিজ সালাতের স্থানে বসে থাকত। তারপর যদি কোথাও সৈন্য পাঠানোর প্রয়োজন হতো, তবে তা লোকদের নিকট ব্যক্ত করতেন। অথবা যদি অন্য কোন প্রয়োজন হতো তবে সে সম্পর্কে তাদেরকে নির্দেশ দিতেন এবং তিনি বলতেন, তোমরা সদাকাহ কর, সদাকাহ কর। দানের সবচেয়ে অগ্রগামী ছিল মহিলাগণ। অতঃপর তিনি ঘরে ফিরতেন। পরবর্তীকালে মারওয়ান যখন ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হল, তখন একবার আমি তার হাত ধরে চলতে চলতে ঈদগাহে এসে উপনীত হলাম। এসে দেখি কাসীর ইবনু সালত শক্ত মাটি ও ইট দিয়ে একটা মিম্বার তৈরি করে রেখেছে। মারওয়ান আমার থেকে এমনভাবে হাত টেনে ছুটাচ্ছিল যেন আমাকে মিম্বারের দিকে টানা হেঁচড়া করছে আর আমি তাকে সালাতের দিকে টানা হেঁচড়া করছি। যখন আমি তার এ মনোভাব দেখলাম আমি জিজ্ঞেস করলাম, প্রথমে সালাত আদায়ের নিয়ম কি হল? মারওয়ান বলল, না হে আবূ সাঈদ! তুমি যে নিয়ম সম্পর্কে অবহিত তা রহিত হয়ে গেছে। আমি বললাম, কখনও না! সে সত্তার কসম যার হাতে আমার প্রাণ! আমি যে নিয়ম সম্পর্কে অবহিত এর চেয়ে উত্তম কিছু তোমরা কখনও করতে পারবে না। এ কথা তিনি তিনবার উচ্চারণ করলেন। এরপর তিনি চলে আসলেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৯২৩, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا يحيى بن ايوب، وقتيبة، وابن، حجر قالوا حدثنا اسماعيل بن جعفر، عن داود بن قيس، عن عياض بن عبد الله بن سعد، عن ابي سعيد الخدري، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يخرج يوم الاضحى ويوم الفطر فيبدا بالصلاة فاذا صلى صلاته وسلم قام فاقبل على الناس وهم جلوس في مصلاهم فان كان له حاجة ببعث ذكره للناس او كانت له حاجة بغير ذلك امرهم بها وكان يقول " تصدقوا تصدقوا تصدقوا " . وكان اكثر من يتصدق النساء ثم ينصرف فلم يزل كذلك حتى كان مروان بن الحكم فخرجت مخاصرا مروان حتى اتينا المصلى فاذا كثير بن الصلت قد بنى منبرا من طين ولبن فاذا مروان ينازعني يده كانه يجرني نحو المنبر وانا اجره نحو الصلاة فلما رايت ذلك منه قلت اين الابتداء بالصلاة فقال لا يا ابا سعيد قد ترك ما تعلم . قلت كلا والذي نفسي بيده لا تاتون بخير مما اعلم . ثلاث مرار ثم انصرف
আবূর রাবী' আয যাহরানী (রহঃ) ..... উম্মু আতিয়াহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। আমাদেরকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আদেশ করেছেন, আমরা যেন পরিণত বয়স্কা মেয়েদেরকে ও পর্দানশীন মেয়ে লোকদেরকে ঈদের সালাতে যাওয়ার জন্য বলি এবং তিনি ঋতুবতী নারীদেরকে আদেশ করেছেন তারা যেন মুসলিমদের সালাতের স্থান থেকে কিছুটা পৃথক থাকে। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৯২৪, ইসলামীক সেন্টার)
حدثني ابو الربيع الزهراني، حدثنا حماد، حدثنا ايوب، عن محمد، عن ام عطية، قالت امرنا - تعني النبي صلى الله عليه وسلم - ان نخرج في العيدين العواتق وذوات الخدور وامر الحيض ان يعتزلن مصلى المسلمين
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... উম্মু 'আতিয়াহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমাদেরকে (রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সময়) ঈদের মাঠে বের হওয়ার আদেশ করা হত এমনকি গৃহবাসিনী পর্দানশীন মহিলা ও প্রাপ্তবয়স্কা কুমারীকেও অনুমতি দেয়া হতো। উম্মু আতিয়াহ বলেন, ঋতুবতী মহিলারাও বের হয়ে আসত এবং সব লোকের সাথে তাকবীর পাঠ করত। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৯২৫, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا يحيى بن يحيى، اخبرنا ابو خيثمة، عن عاصم الاحول، عن حفصة بنت، سيرين عن ام عطية، قالت كنا نومر بالخروج في العيدين والمخباة والبكر قالت الحيض يخرجن فيكن خلف الناس يكبرن مع الناس
আমর আন নাকিদ (রহঃ) ..... উম্মু আতিয়্যাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমাদেরকে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আদেশ করেছেন। আমরা যেন মহিলাদেরকে ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহাতে বের করে দেই- পরিণত বয়স্কা, ঋতুবতী ও গৃহবাসিনী সবাইকে। তবে ঋতুবতী মহিলারা সালাত থেকে বিরত থাকবে। বাকী পুণ্যের কাজে ও মুসলিমদের দু'আয় শারীক হবে। আমি বললামঃ হে আল্লাহর রসূল! আমাদের কারো কারো চাদর ওড়না নেই। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তার জন্য বোন তাকে নিজ চাদর বা ওড়না পরিয়ে দিবে। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৯২৬, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا عمرو الناقد، حدثنا عيسى بن يونس، حدثنا هشام، عن حفصة بنت، سيرين عن ام عطية، قالت امرنا رسول الله صلى الله عليه وسلم ان نخرجهن في الفطر والاضحى العواتق والحيض وذوات الخدور فاما الحيض فيعتزلن الصلاة ويشهدن الخير ودعوة المسلمين . قلت يا رسول الله احدانا لا يكون لها جلباب قال " لتلبسها اختها من جلبابها
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... উবায়দুল্লাহ ইবনু আবদুল্লাহ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। উমর ইবনুল খাত্ত্বাব (রাযিঃ) আবূ ওয়কিদ আল লায়সী (রাযিঃ) কে জিজ্ঞেস করেছেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঈদুল ফিত্বর ও আযহার সালাতে কি কিরআত পাঠ করতেন? আবূ ওয়াকিদ (রাযিঃ) বললেন, তিনি এতে "কাফ, ওয়াল কুরআ-নিল মাজীদ" (সূরাহ কাফ) এবং "ইক্বতারাবাতিস সা-আতু ওয়ান শাক্বক্বাল কামার" (সূরাহ কামার) পাঠ করতেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৯২৯, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا يحيى بن يحيى، قال قرات على مالك عن ضمرة بن سعيد المازني، عن عبيد الله بن عبد الله، ان عمر بن الخطاب، سال ابا واقد الليثي ما كان يقرا به رسول الله صلى الله عليه وسلم في الاضحى والفطر فقال كان يقرا فيهما ب { ق والقران المجيد} و { اقتربت الساعة وانشق القمر}
ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ..... আবূ ওয়াকিদ আল লায়সী (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমাকে উমার ইবনুল খাত্ত্বাব (রাযিঃ) জিজ্ঞেস করলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঈদের দিনে কোন সূরাহ পড়েছেন? আমি উত্তরে বললাম, তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) "ইক্বতারাবাতিস সা-আতু” (সূরাহ কামার) এবং "কাফ, ওয়াল কুরআ-নিল মাজীদ" (সূরাহ কাফ) পাঠ করেছেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৯৩০, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا اسحاق بن ابراهيم، اخبرنا ابو عامر العقدي، حدثنا فليح، عن ضمرة، بن سعيد عن عبيد الله بن عبد الله بن عتبة، عن ابي واقد الليثي، قال سالني عمر بن الخطاب عما قرا به رسول الله صلى الله عليه وسلم في يوم العيد فقلت ب { اقتربت الساعة} و { ق والقران المجيد}
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ (রহঃ) ..... আয়িশাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আবূ বকর (রাযিঃ) আমার নিকট আসলেন। এ সময় আমার কাছে আনসার সম্প্রদায়ের দু'টি মেয়ে গান গাচ্ছিল। আনসারগণ বু’আস যুদ্ধের সময় এ গানটি গেয়েছিল। আয়িশাহ (রাযিঃ) বলেন, তারা অবশ্য (পেশাগত) গায়িকা ছিল না। আবূ বাকর (রাযিঃ) বললেন, একি? রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, হে আবূ বকর প্রত্যেক জাতির জন্য উৎসবের ব্যবস্থা আছে। আর এটা হচ্ছে আমাদের উৎসবের দিন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৯৩১, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا ابو اسامة، عن هشام، عن ابيه، عن عايشة، قالت دخل على ابو بكر وعندي جاريتان من جواري الانصار تغنيان بما تقاولت به الانصار يوم بعاث قالت وليستا بمغنيتين . فقال ابو بكر ابمزمور الشيطان في بيت رسول الله صلى الله عليه وسلم وذلك في يوم عيد . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " يا ابا بكر ان لكل قوم عيدا وهذا عيدنا
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া ও আবূ কুরায়ব (রহঃ) ..... উভয়ে হিশাম (রহঃ) একই সূত্রে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। এ সূত্রে বর্ণিত হয়েছে- দু'টি বালিকা দফ বাজিয়ে খেলা করছিল। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৯৩২, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثناه يحيى بن يحيى، وابو كريب جميعا عن ابي معاوية، عن هشام، بهذا الاسناد . وفيه جاريتان تلعبان بدف
হারূন ইবনু সাঈদ আল আয়লী (রহঃ) ..... আয়িশাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। আবূ বাকর (রাযিঃ) আইয়্যামে তাশরীকের দিনে আয়িশাহ (রাযিঃ) এর নিকট গিয়ে দেখেন যে, তার কাছে দুটি বালিকা গান করছে এবং দফ বাজাচ্ছে। আর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম চাদর দিয়ে মাথা ঢাকা অবস্থায় ছিলেন। আবূ বকর (রাযিঃ) এটা দেখে বালিকাদ্বয়কে খুব শাসলেন বা ধমক দিলেন। তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার চেহারা থেকে কাপড় সরিয়ে বলেন, হে আবূ বকর! এদেরকে ছেড়ে দাও। এ দিনগুলো হ’ল ঈদের দিন। আয়িশাহ (রাযিঃ) আরও বলেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে দেখেছি তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাকে তার চাদর দ্বারা ঢেকে দিচ্ছেন, যখন আমি আবিসিনিয়ার যুবকদের (কৃষ্ণাঙ্গ) খেলার দৃশ্য অবলোকন করছিলাম। তখন আমি সবেমাত্র বালিকা। অতএব তোমরা অল্পবয়স্কা বালিকাদের সখের মূল্যায়ন কর। অল্পবয়স্ক বালিকারা অনেকক্ষণ আমোদ-ফুর্তিতে মেতে থাকে। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৯৩৩, ইসলামীক সেন্টার)
حدثني هارون بن سعيد الايلي، حدثنا ابن وهب، اخبرني عمرو، ان ابن شهاب، حدثه عن عروة، عن عايشة، ان ابا بكر، دخل عليها وعندها جاريتان في ايام منى تغنيان وتضربان ورسول الله صلى الله عليه وسلم مسجى بثوبه فانتهرهما ابو بكر فكشف رسول الله صلى الله عليه وسلم عنه وقال " دعهما يا ابا بكر فانها ايام عيد " . وقالت رايت رسول الله صلى الله عليه وسلم يسترني بردايه وانا انظر الى الحبشة وهم يلعبون وانا جارية فاقدروا قدر الجارية العربة الحديثة السن
আবূত তহির (রহঃ) ..... আয়িশাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর শপথ আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে দেখলাম, তিনি আমার হুজরার দরজায় দাঁড়িয়ে আছেন আর কৃষ্ণাঙ্গ যুবকেরা তাদের অস্ত্র দ্বারা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর মসজিদে নবাবীতে তাদের যুদ্ধের কলাকৌশল দেখাচ্ছে। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে তার চাদর দ্বারা আড়াল করে দিচ্ছেন যাতে আমি তাদের খেলা দেখতে পারি। অতঃপর তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমার জন্য দাঁড়িয়ে থাকলেন, যতক্ষণ আমি নিজে ফিরে না আসি। অতএব অল্পবয়স্কা বালিকাদের খেল-তামাশার প্রতি যে লোভ রয়েছে তার মূল্যায়ন কর (তার সখ পূর্ণ কর)। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৯৩৪, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثني ابو الطاهر، اخبرني ابن وهب، اخبرني يونس، عن ابن شهاب، عن عروة، بن الزبير قال قالت عايشة والله لقد رايت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقوم على باب حجرتي - والحبشة يلعبون بحرابهم في مسجد رسول الله صلى الله عليه وسلم - يسترني بردايه لكى انظر الى لعبهم ثم يقوم من اجلي حتى اكون انا التي انصرف . فاقدروا قدر الجارية الحديثة السن حريصة على اللهو
হারূন ইবনু সাঈদ আল আয়লী ও ইউনুস ইবনু আবদুল আ'লা (রহঃ) [শব্দগুলো হারূনের] ...... আয়িশাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একবার রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঘরে প্রবেশ করে দেখেন, আমার কাছে দুটি বালিকা জাহিলিয়্যাত যুগে সংঘটিত বু'আস যুদ্ধের গান গাইছে। তিনি বিছানায় কাত হয়ে শুয়ে চেহারা অন্যদিকে ফিরিয়ে দিলেন। এমন সময় আবূ বকর (রাযিঃ) প্রবেশ করলেন। তিনি (এ দৃশ্য দেখে) আমাকে ধমক দিয়ে বললেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকটে শাইতনের বাদ্য চলছে? (এ কথা শুনে) রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার দিকে ফিরে বললেন, হে আবূ বাকর! এদেরকে ছেড়ে দাও। এরপর তিনি যখন অন্যমনস্ক হলেন, আমি বালিকাদ্বয়কে আস্তে খোচা দিলাম। তারা বের হয়ে চলে গেল। এটা ঈদের ঘটনা। কৃষ্ণাঙ্গ যুবকেরা ঢাল-বল্লম দ্বারা রণকৌশল ও খেল-তামাশা করছিল। তখন হয়ত আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে আবেদন করেছি না হয় তিনি আমাকে জিজ্ঞেস করেছেন তুমি কি তা দেখতে আগ্রহী? আমি বললাম- জি হ্যাঁ। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাকে তার পিছনে এমনভাবে দাঁড় করিয়ে দিলেন যে, আমার গণ্ডদেশ তার গণ্ডদেশের উপর সংলগ্ন হ'ল। এরপর তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাদেরকে লক্ষ্য করে বললেন, হে বানী আরফিদাহ! তোমরা তোমাদের খেলা চালিয়ে যাও। অনেকক্ষণ পর আমি যখন একটু বিরক্তবোধ করলাম, তিনি আমাকে জিজ্ঞেস করলেন, হয়েছে তো? আমি বললাম, জি হ্যাঁ! তিনি বললেন, তাহলে এবার যাও। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৯৩৫, ইসলামীক সেন্টার)
حدثني هارون بن سعيد الايلي، ويونس بن عبد الاعلى، - واللفظ لهارون - قالا حدثنا ابن وهب، اخبرنا عمرو، ان محمد بن عبد الرحمن، حدثه عن عروة، عن عايشة، قالت دخل رسول الله صلى الله عليه وسلم وعندي جاريتان تغنيان بغناء بعاث فاضطجع على الفراش وحول وجهه فدخل ابو بكر فانتهرني وقال مزمار الشيطان عند رسول الله صلى الله عليه وسلم فاقبل عليه رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال " دعهما " فلما غفل غمزتهما فخرجتا وكان يوم عيد يلعب السودان بالدرق والحراب فاما سالت رسول الله صلى الله عليه وسلم واما قال " تشتهين تنظرين " . فقلت نعم فاقامني وراءه خدي على خده وهو يقول " دونكم يا بني ارفدة " . حتى اذا مللت قال " حسبك " . قلت نعم . قال " فاذهبي
যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... আয়িশাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, কিছু সংখ্যক আবিসিনীয় লোক মাদীনায় পৌছে ঈদের দিন মসজিদে নবাবীতে (অস্ত্র নিয়ে) খেলা করছিল। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে ডাকলেন। আমি তার কাঁধের উপর মাথা রেখে তাদের খেলা দেখতে লাগলাম। অনেকক্ষণ এ দৃশ্য উপভোগ করে শেষ পর্যন্ত আমি নিজেই তাদের দিক থেকে দৃষ্টি ফিরিয়ে নিলাম। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৯৩৬, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا زهير بن حرب، حدثنا جرير، عن هشام، عن ابيه، عن عايشة، قالت جاء حبش يزفنون في يوم عيد في المسجد فدعاني النبي صلى الله عليه وسلم فوضعت راسي على منكبه فجعلت انظر الى لعبهم حتى كنت انا التي انصرف عن النظر اليهم
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া, ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... উভয়ে হিশাম (রহঃ) থেকে উক্ত সানাদে অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। তবে তারা 'মসজিদের' কথাটি উল্লেখ করেননি। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৯৩৭, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا يحيى بن يحيى، اخبرنا يحيى بن زكرياء بن ابي زايدة، ح وحدثنا ابن، نمير حدثنا محمد بن بشر، كلاهما عن هشام، بهذا الاسناد ولم يذكرا في المسجد