Loading...

Loading...
বইসমূহ
৩৮১ হাদিসসমূহ
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ, যুহায়র ইবনু হারব ও ইসহাক ইবনু ইবরাহীম, ইবনু নুমায়র [শব্দগুলো তার] (রহঃ) ..... হুযায়ফাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক রাতে আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে তাহাজ্জুদের সালাত আদায় করলাম। তিনি সূরাহ আল বাকারাহ পড়তে শুরু করলে আমি ভাবলাম তিনি হয়ত একশ' আয়াত পড়ে রুকূ করবেন। কিন্তু এরপরেও তিনি পড়ে চললেন। তখন আমি চিন্তা করলাম। তিনি এর (সূরাহ আল বাকরাহ) দ্বারা পুরো দু' রাকাআত পড়ে সালাম ফিরাবেন। কিন্তু তিনি এরপরেও পড়তে থাকলে আমি ভাবলাম সূরাটি শেষ করে তিনি রুকূ করবেন। কিন্তু এরপর তিনি সূরাহ নিসা পড়তে শুরু করলেন এবং তা পাঠ করলেন, অতঃপর তিনি সূরাহ আ-লি ইমরান শুরু করলেন এবং তা পাঠ করলেন। তিনি থেমে থেমে ধীরে ধীরে পড়ছিলেন এবং তাসবীর আয়াত আসলে তাসবীহ পড়ছিলেন আর কিছু চাওয়ার আয়াত আসলে চাইলেন। যখন আশ্রয় প্রার্থনা করার কোন আয়াত পড়ছিলেন তখন আশ্রয় প্রার্থনা করছিলেন। অতঃপর তিনি রুকূ’ করলেন। রুকূ’তে তিনি বলতে থাকলেন, "সুবহা-না রব্বিয়াল আযীম" (আমার মহান প্রভু পবিত্র, আমি তার পবিত্রতা বর্ণনা করছি)। তার রুকু কিয়ামের মতই দীর্ঘ ছিল। এরপর “সামি'আল্ল-ই লিমান হামিদাহ” (আল্লাহ শুনে থাকেন যে তার প্রশংসা করে) বললেনঃ এরপর যতক্ষণ সময় রুকু করেছিলেন প্রায় ততক্ষণ সময় পর্যন্ত দাঁড়িয়ে থাকলেন। এরপর সিজদা করলেন। সাজদাতে তিনি বললেন, "সুবহা-না রব্বিয়াল আ'লা-" (মহান সুউচ্চ সত্তা আমার প্রভু পবিত্র, আমি তার পবিত্রতা বর্ণনা করছি)। তার এ সাজদায়ও প্রায় কিয়ামের সময়ের মতো দীর্ঘায়িত হলো। হাদীসটির বর্ণনাকারী বলেন যে, জারীর বর্ণিত হাদীসে এতটুকু কথা অধিক আছেঃ তিনি (রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রুকু থেকে উঠে) বললেন, "সামি'আল্ল-হু লিমান হামিদাহ, রব্বানা- লাকাল হামদ" (আল্লাহ শুনেন যে ব্যক্তি তার প্রশংসা করে। হে আমাদের প্রতিপালক, তোমার জন্যই সব প্রশংসা)। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৬৮৪, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا عبد الله بن نمير، وابو معاوية ح وحدثنا زهير بن حرب، واسحاق بن ابراهيم، جميعا عن جرير، كلهم عن الاعمش، ح وحدثنا ابن، نمير - واللفظ له - حدثنا ابي، حدثنا الاعمش، عن سعد بن عبيدة، عن المستورد بن الاحنف، عن صلة بن زفر، عن حذيفة، قال صليت مع النبي صلى الله عليه وسلم ذات ليلة فافتتح البقرة فقلت يركع عند الماية . ثم مضى فقلت يصلي بها في ركعة فمضى فقلت يركع بها . ثم افتتح النساء فقراها ثم افتتح ال عمران فقراها يقرا مترسلا اذا مر باية فيها تسبيح سبح واذا مر بسوال سال واذا مر بتعوذ تعوذ ثم ركع فجعل يقول " سبحان ربي العظيم " . فكان ركوعه نحوا من قيامه ثم قال " سمع الله لمن حمده " . ثم قام طويلا قريبا مما ركع ثم سجد فقال " سبحان ربي الاعلى " . فكان سجوده قريبا من قيامه . قال وفي حديث جرير من الزيادة فقال " سمع الله لمن حمده ربنا لك الحمد
উসমান ইবনু আবূ শায়বাহ ও ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদিন আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে সালাত আদায় করলাম। এ সালাতে তিনি কিরআত এত দীর্ঘায়িত করলেন যে, আমি একটি মন্দ ইচ্ছা করে বসলাম। আবূ ওয়ায়িল বলেছেন তাকে (আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদকে) জিজ্ঞেস করা হ’ল, আপনি কী ধরনের মন্দ ইচ্ছা করেছিলেন? জবাবে তিনি বললেনঃ আমি বসে পড়ার এবং তার পিছনে এ সালাত পরিত্যাগ করার ইচ্ছা করেছিলাম। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৬৮৫, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا عثمان بن ابي شيبة، واسحاق بن ابراهيم، كلاهما عن جرير، - قال عثمان حدثنا جرير، - عن الاعمش، عن ابي وايل، قال قال عبد الله صليت مع رسول الله صلى الله عليه وسلم فاطال حتى هممت بامر سوء قال قيل وما هممت به قال هممت ان اجلس وادعه
ইসমাঈল ইবনু খলীল ও সুওয়াইদ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ... আ'মাশ (রহঃ) থেকে একই সানাদে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৬৮৬, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثناه اسماعيل بن الخليل، وسويد بن سعيد، عن علي بن مسهر، عن الاعمش، بهذا الاسناد . مثله
উসমান ইবনু আবূ শায়বাহ ও ইসহাক (রহঃ)..... আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, জনৈক ব্যক্তি সম্পর্কে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে বলা হ’ল যে, সে সকাল পর্যন্ত ঘুমিয়ে কাটায় (অর্থাৎ রাতে উঠে তাহাজ্জুদ পড়ে না) এ কথা শুনে তিনি বললেনঃ ঐ লোকটি এমন যার কানে শাইতান পেশাব করে দিয়েছে অথবা বলেছেন, দু' কানে*। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৬৮৭, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا عثمان بن ابي شيبة، واسحاق، قال عثمان حدثنا جرير، عن منصور، عن ابي وايل، عن عبد الله، قال ذكر عند رسول الله صلى الله عليه وسلم رجل نام ليلة حتى اصبح قال " ذاك رجل بال الشيطان في اذنيه " . او قال " في اذنه
কুতায়বাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... আলী ইবনু আবূ তালিব (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদিন রাতের বেলা তার ও ফাতিমাহ (রাযিঃ) এর কাছে এসে জিজ্ঞেস করলেনঃ তোমরা কি (তাহাজ্জুদের) সালাত আদায় কর না? তখন আমি বললাম, হে আল্লাহ রসূল! আমরা সবাই তো আল্লাহর নিয়ন্ত্রণাধীন। তিনি ইচ্ছা করলে আমাদেরকে জাগিয়ে দিতে পারেন। 'আলী (রাযিঃ) বলেছেনঃ আমি এ কথা বললে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফিরে গেলেন। যখন তিনি ফিরে যাচ্ছিলেন, আমি শুনলাম তখন তিনি উরুর উপরে সজোরে হাত চাপড়ে বলছেনঃ মানুষ অধিকাংশ ক্ষেত্রে বিতর্ক করতে অভ্যস্ত। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৬৮৮, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، عن عقيل، عن الزهري، عن علي بن حسين، ان الحسين بن علي، حدثه عن علي بن ابي طالب، ان النبي صلى الله عليه وسلم طرقه وفاطمة فقال " الا تصلون " . فقلت يا رسول الله انما انفسنا بيد الله فاذا شاء ان يبعثنا بعثنا . فانصرف رسول الله صلى الله عليه وسلم حين قلت له ذلك ثم سمعته وهو مدبر يضرب فخذه ويقول " وكان الانسان اكثر شىء جدلا
আমর আন নাকিদ ও যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি এটি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পর্যন্ত পৌছিয়েছেন। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের মধ্যে কেউ যখন নিদ্রা যায় তখন শাইতান তার মাথার শেষ প্রান্তে অর্থাৎ ঘাড়ে তিনটা গিরা দেয়। প্রত্যেকটা গিরাতেই সে ফুঁক দিয়ে বলে, এখনো অনেক রাত আছে (ঘুমিয়ে থাক) তাই যখন সে ঘুম থেকে জেগে আল্লাহর নাম উচ্চারণ করে তখন একটি গিরা খুলে যায়। এরপর সে ওযু করলে আরো একটি গিরাসহ মোট দুটি গিরা খুলে যায়। আর যখন সে (তাহাজ্জুদের) সালাত আদায় করে তখন সবগুলো গিরা খুলে যায়। এভাবে সে কর্মতৎপর ও প্রফুল্ল মনের অধিকারী হয়ে সকালে জেগে উঠে। অন্যথায় মানুষ বিমর্ষ ও অলস মন নিয়ে জেগে উঠে। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৬৮৯, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا عمرو الناقد، وزهير بن حرب، قال عمرو حدثنا سفيان بن عيينة، عن ابي الزناد، عن الاعرج، عن ابي هريرة، يبلغ به النبي صلى الله عليه وسلم " يعقد الشيطان على قافية راس احدكم ثلاث عقد اذا نام بكل عقدة يضرب عليك ليلا طويلا فاذا استيقظ فذكر الله انحلت عقدة واذا توضا انحلت عقدتان فاذا صلى انحلت العقد فاصبح نشيطا طيب النفس والا اصبح خبيث النفس كسلان
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ..... 'আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা কিছু কিছু সালাত বাড়ীতে আদায় করবে। (বাড়ীতে কোন সালাত না আদায় করে) বাড়ীকে তোমরা কবর সদৃশ করে রেখো না। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৬৯০, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا يحيى، عن عبيد الله، قال اخبرني نافع، عن ابن، عمر عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " اجعلوا من صلاتكم في بيوتكم ولا تتخذوها قبورا
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা বাড়ীতেও সালাত আদায় কর। বাড়ীগুলোকে কবর সৃদশ করে রেখে না। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৬৯১, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا ابن المثنى، حدثنا عبد الوهاب، اخبرنا ايوب، عن نافع، عن ابن عمر، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " صلوا في بيوتكم ولا تتخذوها قبورا
আবূ বকর ইবনু আবূ শায়বাহ ও আবূ কুরায়ব (রহঃ) ... জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যখন মসজিদে সালাত আদায় করবে তখন সে যেন বাড়ীতে আদায় করার জন্যও তার সালাতের কিছু অংশ রেখে দেয়। কেননা তার সালাতের কারণে আল্লাহ তা'আলা তার বাড়ীতে বারাকাত ও কল্যাণ দান করে থাকেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৬৯২, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، وابو كريب قالا حدثنا ابو معاوية، عن الاعمش، عن ابي سفيان، عن جابر، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اذا قضى احدكم الصلاة في مسجده فليجعل لبيته نصيبا من صلاته فان الله جاعل في بيته من صلاته خيرا
আবদুল্লাহ ইবনু বাররাদ আশ'আরী ও মুহাম্মাদ ইবনুল আ'লা (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ঘরে আল্লাহকে স্মরণ করা হয় আর যে ঘরে আল্লাহকে স্মরণ করা হয় না এরূপ দুটি ঘরের তুলনা করা যায় জীবিত ও মৃতের সঙ্গে। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৬৯৩, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا عبد الله بن براد الاشعري، ومحمد بن العلاء، قالا حدثنا ابو اسامة، عن بريد، عن ابي بردة، عن ابي موسى، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " مثل البيت الذي يذكر الله فيه والبيت الذي لا يذكر الله فيه مثل الحى والميت
কুতায়বাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) .... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের ঘরসমূহকে কবর সদৃশ করে রেখো না (অর্থাৎ নফল সালাতসমূহ বাড়ীতে আদায় করবে, কারণ যে ঘরে সূরাহ বাক্বারাহ পাঠ করা হয় শাইতান সে ঘর থেকে পালিয়ে যায়)। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৬৯৪, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا يعقوب، - وهو ابن عبد الرحمن القاري - عن سهيل، عن ابيه، عن ابي هريرة، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " لا تجعلوا بيوتكم مقابر ان الشيطان ينفر من البيت الذي تقرا فيه سورة البقرة
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ..... যায়দ ইবনু সাবিত (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, খেজুর পাতা অথবা চাটাই দিয়ে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি ছোট কামরা তৈরি করে তাতে সালাত আদায় করতে গেলেন। এ দেখে কিছু সংখ্যক লোক এসে তার সাথে সালাত আদায় করলেন। যায়দ ইবনু সাবিত বলেনঃ অন্য এক রাতেও লোকজন এসে জমা হ'ল। কিন্তু রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (সে রাতে) দেরী করলেন এবং এমনকি তিনি সে রাতে আসলেন না। তাই লোকজন উচ্চস্বরে তাকে ডাকাডাকি করল এবং বাড়ীর দরজায় কঙ্কর ছুড়তে শুরু করল। তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাগাম্বিত হয়ে তাদের মাঝে এসে বললেনঃ তোমরা যখন ক্রমাগত এরূপ করছিলে তখন আমার ধারণা হ’ল যে, এ সালাত হয়ত তোমাদের জন্য ফারয (ফরয) করে দেয়া হবে। অতএব তোমরা বাড়িতেই (নাফল) আদায় করবে। কেননা ফারয (ফরয) সালাত ছাড়া অন্যসব সালাত বাড়ীতে আদায় করা মানুষের জন্য সর্বোত্তম। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৬৯৫, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا محمد بن المثنى، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا عبد الله بن سعيد، حدثنا سالم ابو النضر، مولى عمر بن عبيد الله عن بسر بن سعيد، عن زيد بن ثابت، قال احتجر رسول الله صلى الله عليه وسلم حجيرة بخصفة او حصير فخرج رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي فيها - قال - فتتبع اليه رجال وجاءوا يصلون بصلاته - قال - ثم جاءوا ليلة فحضروا وابطا رسول الله صلى الله عليه وسلم عنهم - قال - فلم يخرج اليهم فرفعوا اصواتهم وحصبوا الباب فخرج اليهم رسول الله صلى الله عليه وسلم مغضبا فقال لهم رسول الله صلى الله عليه وسلم " ما زال بكم صنيعكم حتى ظننت انه سيكتب عليكم فعليكم بالصلاة في بيوتكم فان خير صلاة المرء في بيته الا الصلاة المكتوبة
মুহাম্মাদ ইবনু হাতিম (রহঃ) ..... যায়দ ইবনু সাবিত (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। এক সময় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম চাটাই দ্বারা ঘিরে মসজিদের মধ্যে একটি কামরা বানালেন এবং কয়েক রাত পর্যন্ত সেখানে সালাত আদায় করলেন। তা দেখে কিছু লোক সেখানে সমবেত হ’ল। এতটুকু বর্ণনা করার পর বর্ণনাকারী উপরে বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করলেন। এর বর্ণনাতে এতটুকু অধিক বর্ণনা হয়েছে যে, এ সালাত যদি তোমাদের জন্য ফারয (ফরয) করে দেয়া হত তাহলে তোমরা তা আদায় করতে সক্ষম হতে না। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৬৯৬, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثني محمد بن حاتم، حدثنا بهز، حدثنا وهيب، حدثنا موسى بن عقبة، قال سمعت ابا النضر، عن بسر بن سعيد، عن زيد بن ثابت، ان النبي صلى الله عليه وسلم اتخذ حجرة في المسجد من حصير فصلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فيها ليالي حتى اجتمع اليه ناس . فذكر نحوه وزاد فيه " ولو كتب عليكم ما قمتم به
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ..... আয়িশাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর একখানা চাটাই ছিল। রাতের বেলা তিনি এ চাটাই দিয়ে একটি কামরা বানাতেন এবং তার মধ্যে সালাত আদায় করতেন। লোকজন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে এ সালাত আদায় করত এবং দিনের বেলা বিছিয়ে নিত। এক রাতে লোকজন বেশী ভীড় করলে তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) লোকজনকে সম্বোধন করে বললেনঃ হে লোকজন যতটা আমল তোমরা স্থায়ীভাবে করতে সক্ষম হবে ততটা আমল করবে। কেননা আল্লাহ তা'আলা তোমাদের ইবাদাতের সাওয়াব দিতে ক্লান্ত হবেন না। বরং তোমারই ইবাদাত বন্দেগী করতে করতে ক্লান্ত-শ্রান্ত হয়ে পড়বে। আর কম হলেও আল্লাহর কাছে স্থায়ী 'আমল সর্বাপেক্ষা বেশী পছন্দনীয়। (বর্ণনাকার বলেন) মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর অনুসারী ও বংশধরগণ যে আমল করতেন তা স্থায়ীভাবে সর্বদাই করতেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৬৯৭, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا محمد بن المثنى، حدثنا عبد الوهاب، - يعني الثقفي - حدثنا عبيد الله، عن سعيد بن ابي سعيد، عن ابي سلمة، عن عايشة، انها قالت كان لرسول الله صلى الله عليه وسلم حصير وكان يحجره من الليل فيصلي فيه فجعل الناس يصلون بصلاته ويبسطه بالنهار فثابوا ذات ليلة فقال " يا ايها الناس عليكم من الاعمال ما تطيقون فان الله لا يمل حتى تملوا وان احب الاعمال الى الله ما دووم عليه وان قل " . وكان ال محمد صلى الله عليه وسلم اذا عملوا عملا اثبتوه
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ..... আয়িশাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে এ মর্মে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল যে, আল্লাহ তা'আলার কাছে কোন ধরনের আমল সবচাইতে বেশী প্রিয়। জবাবে তিনি বলেছিলেনঃ কম হলেও যে আমল স্থায়ী (সে আমল আল্লাহ তা'আলার কাছে সবচাইতে বেশী প্রিয়)। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৬৯৮, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن سعد بن ابراهيم، انه سمع ابا سلمة، يحدث عن عايشة، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم سيل اى العمل احب الى الله قال " ادومه وان قل
যুহায়র ইবনু হারব ও ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ..... আলকামাহ্ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি উম্মুল মুমিনীন আয়িশাহ (রাযিঃ) কে জিজ্ঞেস করলাম। বললামঃ হে উন্মুল মুমিনীন! রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর 'আমল কেমন ছিল। তিনি কি কোন নির্দিষ্ট ইবাদাতের জন্য কোন বিশেষ দিন নির্দিষ্ট করে নিতেন? জবাবে আয়িশাহ (রাযিঃ) বললেনঃ না। তবে তার আমল ছিল স্থায়ী প্রকৃতির। আর তোমাদের মধ্যে কে এমন আছে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে কাজ করতে পারেন সেও সে কাজ করতে পারবে? (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৬৯৯, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا زهير بن حرب، واسحاق بن ابراهيم، قال زهير حدثنا جرير، عن منصور، عن ابراهيم، عن علقمة، قال سالت ام المومنين عايشة قال قلت يا ام المومنين كيف كان عمل رسول الله صلى الله عليه وسلم هل كان يخص شييا من الايام قالت لا . كان عمله ديمة وايكم يستطيع ما كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يستطيع
ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... আয়িশাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহর কাছে এমন ‘আমল সবচেয়ে প্রিয় যা কম হলেও স্থায়ীভাবে করা হয়। হাদীসের বর্ণনাকারী কাসিম ইবনু মুহাম্মাদ বলেছেনঃ ‘আয়িশাহ (রাযিঃ) কোন আমল শুরু করলে তা স্থায়ী ও অবশ্য করণীয় করে নিতেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৭০০, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا ابن نمير، حدثنا ابي، حدثنا سعد بن سعيد، اخبرني القاسم بن محمد، عن عايشة، قالت قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " احب الاعمال الى الله تعالى ادومها وان قل " . قال وكانت عايشة اذا عملت العمل لزمته
আবূ বকর ইবনু আবূ শায়বাহ, যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদিন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মসজিদে প্রবেশ করে দেখলেন মসজিদের দুটি খুঁটির মাঝে রশি বেঁধে টানানো আছে। এ দেখে তিনি জিজ্ঞেস করলেনঃ এটা কিসের জন্য? সবাই বললঃ এটা যায়নাবের রশি। তিনি সালাত আদায় করতে করতে যখন ক্লান্ত-শ্রান্ত হয়ে পড়েন তখন এ রশিটা দিয়ে নিজেকে আটকে রাখেন। এ কথা শুনে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ এটি খুলে ফেল। তোমরা সানন্দ সগ্রহ ও স্বতঃস্ফূর্ততা নিয়ে সালাত আদায় করবে। সালাত আদায় করতে করতে কেউ যখন ক্লান্ত-শ্রান্ত হয়ে পড়বে তখন বসে আদায় করবে। যুহায়র বর্ণিত হাদীসেقَعَدَ শব্দ আছে যার অর্থ হ'ল সে যেন বসে পড়ে। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৭০১, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا ابن علية، ح وحدثني زهير بن حرب، حدثنا اسماعيل، عن عبد العزيز بن صهيب، عن انس، قال دخل رسول الله صلى الله عليه وسلم المسجد وحبل ممدود بين ساريتين فقال " ما هذا " . قالوا لزينب تصلي فاذا كسلت او فترت امسكت به . فقال " حلوه ليصل احدكم نشاطه فاذا كسل او فتر قعد " . وفي حديث زهير " فليقعد
শায়বান ইবনু ফাররূখ (রহঃ) ..... আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুরপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৭০২, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثناه شيبان بن فروخ، حدثنا عبد الوارث، عن عبد العزيز، عن انس، عن النبي صلى الله عليه وسلم مثله
হারমালাহ ইবনু ইয়াহইয়া ও মুহাম্মাদ ইবনু সালামাহ আল মুরাদী (রহঃ) ..... উরওয়াহ ইবনু যুবায়র (রহঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর স্ত্রী আয়িশাহ (রাযিঃ) তাকে বলেছেন যে, হাওলা বিনতু তুওয়াইত ইবনু হাবীব ইবনু আসাদ ইবনু আবদুল উযযা একদিন তার কাছে গেলেন। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন তার কাছে গেলেন। আয়িশাহ (রাযিঃ) বলেন, আমি বললামঃ এ হ'ল হাওলা বিনতু তুওয়াইত। লোকজন বলে থাকে যে, সে রাতে ঘুমায় না। অর্থাৎ সারারাত ইবাদাত-বন্দেগী করে। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ কথায় বিস্মিত হয়ে বললেনঃ সে রাতেও ঘুমায় না? তোমরা নাফল আমল ততটুকু কর যতটুকু তোমাদের সাধ্য আছে। আল্লাহর কসম, তিনি পুরস্কার দিতে ক্লান্ত হবেন না। বরং তোমরাই (ইবাদাতে) ক্লান্ত হয়ে পড়বে। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৭০৩, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثني حرملة بن يحيى، ومحمد بن سلمة المرادي، قالا حدثنا ابن وهب، عن يونس، عن ابن شهاب، قال اخبرني عروة بن الزبير، ان عايشة، زوج النبي صلى الله عليه وسلم اخبرته ان الحولاء بنت تويت بن حبيب بن اسد بن عبد العزى مرت بها وعندها رسول الله صلى الله عليه وسلم فقلت هذه الحولاء بنت تويت وزعموا انها لا تنام الليل فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لا تنام الليل خذوا من العمل ما تطيقون فوالله لا يسام الله حتى تساموا