Loading...

Loading...
বইসমূহ
১০৬ হাদিসসমূহ
আহমাদ ইবনু আব্দাহ্ আয যাব্বী (রহঃ) ..... ওয়াহ্ব ইবনু কাইসান (রাযিঃ) হতে এ সূত্রে অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে এতে এ কথা উল্লেখ করেছেন যে, অতঃপর সে বলল, এর এক তৃতীয়াংশ আমি মিসকীন, ভিক্ষুক ও মুসাফিরদের জন্য খরচ করি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭২০৪, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثناه احمد بن عبدة الضبي، اخبرنا ابو داود، حدثنا عبد العزيز بن ابي سلمة، حدثنا وهب بن كيسان، بهذا الاسناد غير انه قال " واجعل ثلثه في المساكين والسايلين وابن السبيل
যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ মহান আল্লাহ বলেন, আমি শারীকদের শির্ক হতে সম্পূর্ণ মুক্ত। যদি কোন লোক কোন কাজ করে এবং এতে আমি ছাড়া অপর কাউকে শারীক করে, তবে আমি তাকে ও তার শিরকী কাজকে প্রত্যাখ্যান করি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭২০৫, ইসলামিক সেন্টার)
حدثني زهير بن حرب، حدثنا اسماعيل بن ابراهيم، اخبرنا روح بن القاسم، عن العلاء بن عبد الرحمن بن يعقوب، عن ابيه، عن ابي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " قال الله تبارك وتعالى انا اغنى الشركاء عن الشرك من عمل عملا اشرك فيه معي غيري تركته وشركه
‘উমার ইবনু হাফস্ ইবনু গিয়াস (রহঃ) ..... ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি জনসম্মুখে প্রচারের ইচ্ছায় নেক আমল করে আল্লাহ তা’আলাও তার কৃতকর্মের অভিপ্রায়ের কথা লোকেদেরকে জানিয়ে ও শুনিয়ে দিবেন। আর যে ব্যক্তি লৌকিকতার উদেশে কোন নেক কাজ করে, আল্লাহ তা’আলাও তার প্রকৃত উদ্দেশের কথা লোকেদের মাঝে ফাঁস করে দিবেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭২০৬, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا عمر بن حفص بن غياث، حدثني ابي، عن اسماعيل بن سميع، عن مسلم، البطين عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من سمع سمع الله به ومن راءى راءى الله به
আবু বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) ..... জুনদুব আল ‘আলাকী (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি জনসম্মুখে প্রচারের উদেশে সৎ আমল করে আল্লাহ তা’আলাও তার প্রকৃত উদ্দেশের কথা লোকেদেরকে শুনিয়ে দিবেন। আর যে ব্যক্তি লৌকিকতার উদ্দেশে কোন সৎ কাজ করে আল্লাহ তা’আলাও তার প্রকৃত উদ্দেশের কথা লোকেদের মাঝে ফাঁস করে দিবেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭২০৭, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا وكيع، عن سفيان، عن سلمة بن كهيل، قال سمعت جندبا العلقي، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من يسمع يسمع الله به ومن يرايي يرايي الله به
ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ..... সুফইয়ান (রহঃ) হতে এ সূত্রে অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে এতে এ কথা বর্ধিত বর্ণিত আছে যে, রাবী বলেন, সুফইয়ান ছাড়া অপর কাউকে আমি এ কথা বলতে শুনিনি যে, "রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন"। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭২০৮, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثنا اسحاق بن ابراهيم، حدثنا الملايي، حدثنا سفيان، بهذا الاسناد وزاد ولم اسمع احدا غيره يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم
(…/...) সাঈদ ইবনু আমর আল আশ’আসী (রহঃ) ..... জুনদুব (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনিই এ হাদীসটি মারফু বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে এ কথা বলতে শুনেছি। সুফইয়ান সাওরীর হাদীসের অবিকল অত্র হাদীসটি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭২০৯, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا سعيد بن عمرو الاشعثي، اخبرنا سفيان، عن الوليد بن حرب، - قال سعيد اظنه قال ابن الحارث بن ابي موسى - قال سمعت سلمة بن كهيل، قال سمعت جندبا، - ولم اسمع احدا يقول سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم غيره - يقول سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول بمثل حديث الثوري
ইবনু আবু উমার (রহঃ) ..... সত্যবাদী, বিশ্বস্ত ব্যক্তি ওয়ালীদ ইবনু হারব থেকে এ সূত্রে অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭২১০, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثناه ابن ابي عمر، حدثنا سفيان، حدثنا الصدوق الامين الوليد بن حرب، بهذا الاسناد
কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে এ কথা বলতে শুনেছেন যে, বান্দা এমন কথা বলে, যার কারণে সে জাহান্নামের মধ্যে পূর্ব ও পশ্চিমাকাশের মধ্যস্থিত দূরত্বের তুলনায়ও বেশি দূরে গিয়ে নিপতিত হবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭২১১, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا بكر، - يعني ابن مضر - عن ابن الهاد، عن محمد، بن ابراهيم عن عيسى بن طلحة، عن ابي هريرة، انه سمع رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " ان العبد ليتكلم بالكلمة ينزل بها في النار ابعد ما بين المشرق والمغرب
মুহাম্মাদ ইবনু আবূ উমার আল মাক্কী (রহঃ) ..... আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ বান্দা এমন কথা বলে, যার ক্ষতির ব্যাপারে সে অবহিত নয়, পরিশেষে সে জাহান্নামে পূর্ব ও পশ্চিমাকাশের মধ্যস্থিত দূরত্বের তুলনায়ও অধিক দূরে গিয়ে সে নিপতিত হয়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭২১২, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثناه محمد بن ابي عمر المكي، حدثنا عبد العزيز الدراوردي، عن يزيد بن، الهاد عن محمد بن ابراهيم، عن عيسى بن طلحة، عن ابي هريرة، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " ان العبد ليتكلم بالكلمة ما يتبين ما فيها يهوي بها في النار ابعد ما بين المشرق والمغرب
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া, আবু বাকর ইবনু আবু শাইবাহ, মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র, ইসহাক ইবনু ইবরাহীম ও আবু কুরায়ব (রহঃ) ..... উসামাহ্ ইবনু যায়দ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদিন তাকে জিজ্ঞেস করা হলো, আপনি উসমান (রাযিঃ) এর কাছে গিয়ে আলোচনা করেন না কেন? উত্তরে তিনি বলেন, তোমরা কি এটা মনে করছ যে, শুধু আমি তোমাদেরকে নিয়েই তার সাথে কথা বলি? আল্লাহর শপথ আমার ও তার মধ্যকার যে কথা বলবার, আমি তাকে তা বলেছি। তবে আমি এসব বিষয়ে মুখ খুলতে চাই না, যে ব্যাপারে কথা বললে আমিই হব এর প্রথম ব্যক্তি। আর যে লোক আমার আমীর বা নেতা তাদের কারো ব্যাপারে আমি এ কথাও বলতে চাই না যে, তিনিই সর্বোত্তম ব্যক্তি। কেননা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে আমি এ কথা বলতে শুনেছি যে, কিয়ামত দিবসে এক লোককে উপস্থিত করা হবে। অতঃপর তাকে জাহান্নামে ফেলে দেয়া হবে। ফলে তার পেটের নাড়ি-ভূড়ি বের হয়ে যাবে। এরপর গাধা যেমন চাকীর চারপাশে ঘুরে অনুরূপভাবে সেও এগুলো নিয়ে ঘুরতে থাকবে। এ দেখে জাহান্নামীরা তার চারপাশে এসে একত্রিত হবে এবং তাকে বলবে, হে অমুক তোমার কি হয়েছে? তুমি কি ভালো কাজের আদেশ দিতে না এবং মন্দ কাজ হতে দূরে থাকতে বলতে না? জবাবে সে বলবে, হ্যাঁ, তবে আমি ভালো কাজের আদেশ দিতাম; কিন্তু স্বয়ং তা পালন করতাম না এবং মন্দ কাজে বাধা দিতাম কিন্তু নিজেই আবার তা করতাম। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭২১৩, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا يحيى بن يحيى، وابو بكر بن ابي شيبة ومحمد بن عبد الله بن نمير واسحاق بن ابراهيم وابو كريب - واللفظ لابي كريب - قال يحيى واسحاق اخبرنا وقال الاخرون حدثنا ابو معاوية حدثنا الاعمش عن شقيق عن اسامة بن زيد قال قيل له الا تدخل على عثمان فتكلمه فقال اترون اني لا اكلمه الا اسمعكم والله لقد كلمته فيما بيني وبينه ما دون ان افتتح امرا لا احب ان اكون اول من فتحه ولا اقول لاحد يكون على اميرا انه خير الناس . بعد ما سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " يوتى بالرجل يوم القيامة فيلقى في النار فتندلق اقتاب بطنه فيدور بها كما يدور الحمار بالرحى فيجتمع اليه اهل النار فيقولون يا فلان ما لك الم تكن تامر بالمعروف وتنهى عن المنكر فيقول بلى قد كنت امر بالمعروف ولا اتيه وانهى عن المنكر واتيه
(…) উসমান ইবনু আবূ শাইবাহ (রহঃ) ..... আবু ওয়ায়িল (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদিন আমরা উসামাহ ইবনু যায়দ (রাযিঃ) এর কাছে উপবিষ্ট ছিলাম। এমতাবস্থায় এক লোক তাকে বললেন, আমীরুল মু’মিনীন উসমান (রাযিঃ) এর কাছে গিয়ে তার কর্মপদ্ধতি সম্পর্কে কথোপকথন করতে আপনাকে বাধা দিচ্ছে কিসে? ..... অতঃপর জারীর (রহঃ) অবিকল হাদীস বর্ণনা করলেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭২১৪, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا عثمان بن ابي شيبة، حدثنا جرير، عن الاعمش، عن ابي وايل، قال كنا عند اسامة بن زيد فقال رجل ما يمنعك ان تدخل على عثمان فتكلمه فيما يصنع وساق الحديث بمثله
যুহায়র ইবনু হারব, মুহাম্মাদ ইবনু হাতিম ও আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... আবু হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে এ কথা বলতে শুনেছি যে, নিজের অপরাধ প্রকাশকারী ছাড়া আমার সমস্ত উম্মাতের গুনাহ মাফ করে দেয়া হবে। নিজের দোষ-ত্রুটি প্রকাশ করার মানে হচ্ছে এই যে, মানুষ রাতে কোন ধরনের অপরাধজনিত কাজ করে, তারপর সকাল হয় আর তার পালনকর্তা সেটা লুক্কায়িত রাখেন। এতদসত্ত্বেও সে বলে, হে অমুক! গত রাত্রে আমি এ কাজ করেছি। অথচ রাতে তার পালনকর্তা সেটাকে গোপন রেখেছেন এবং অবিরত তার পালনকর্তা সেটাকে গোপন রাখছিলেন আর সে রাত অতিবাহিত করছিল। কিন্তু সকালে সে তার পালনকর্তার গোপনীয় বিষয়টিকে উন্মোচন করে দেয়। রাবী যুহায়র (রহঃ)الإِجْهَارِ এর পরিবর্তে الْهِجَارِ শব্দটি উল্লেখ করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭২১৫, ইসলামিক সেন্টার)
حدثني زهير بن حرب، ومحمد بن حاتم، وعبد بن حميد، قال عبد حدثني وقال، الاخران حدثنا يعقوب بن ابراهيم، حدثنا ابن اخي ابن شهاب، عن عمه، قال قال سالم سمعت ابا هريرة، يقول سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " كل امتي معافاة الا المجاهرين وان من الاجهار ان يعمل العبد بالليل عملا ثم يصبح قد ستره ربه فيقول يا فلان قد عملت البارحة كذا وكذا وقد بات يستره ربه فيبيت يستره ربه ويصبح يكشف ستر الله عنه " . قال زهير " وان من الهجار
মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, দু' ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে হাঁচি দেয়ার পর তিনি একজনের হাঁচির উত্তর দিলেন, কিন্তু অপরজনের হাঁচির উত্তর দিলেন না। এ দেখে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যার হাঁচির উত্তর দেননি সে বলল, অমুক হাঁচি দিয়েছে আর আপনি তার উত্তর দিয়েছেন, তবে আমি হাঁচি দিয়েছি কিন্তু আপনি আমার হাঁচির কোন উত্তর দেননি। এ কথা শুনে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ সে তো আল্লাহর প্রশংসা করেছে; কিন্তু তুমি আল্লাহর কোন প্রশংসা করনি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭২১৬, ইসলামিক সেন্টার)
حدثني محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا حفص، - وهو ابن غياث - عن سليمان، التيمي عن انس بن مالك، قال عطس عند النبي صلى الله عليه وسلم رجلان فشمت احدهما ولم يشمت الاخر فقال الذي لم يشمته عطس فلان فشمته وعطست انا فلم تشمتني . قال " ان هذا حمد الله وانك لم تحمد الله
(…/...) আবু কুরায়ব (রহঃ) ..... আনাস (রাযিঃ) এর সানাদে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭২১৭, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثنا ابو كريب، حدثنا ابو خالد، - يعني الاحمر - عن سليمان التيمي، عن انس، عن النبي صلى الله عليه وسلم بمثله
যুহায়র ইবনু হারব ও মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... আবু বুরদাহ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদিন আমি আবু মূসা (রাযিঃ) এর কাছে গেলাম। তখন তিনি ফাযল ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) এর মেয়ের ঘরে ছিলেন। তখন আমি হাঁচি দিলাম; কিন্তু আবু মূসা (রাযিঃ) তার কোন প্রত্যুত্তর দিলেন না। তারপর ফাযল এর মেয়ে হাঁচি দিল, তিনি এর উত্তর দিলেন। আমি আমার মায়ের কাছে ফিরে এসে তাকে এ ব্যাপারে জানালাম। তারপর কোন এক সময় আবু মূসা (রাযিঃ) আমার মায়ের কাছে আসলে তিনি তাকে বললেন, তোমার কাছে আমার ছেলে হাঁচি দিয়েছিল, তুমি তার উত্তর দাওনি। কিন্তু ফাযলের মেয়ে হাঁচি দিলে তুমি তার উত্তর দিয়েছ। এ কথা শুনে আবু মূসা (রাযিঃ) বললেন, তোমার ছেলে হাঁচি দিয়েছে কিন্তু আল্লাহর প্রশংসা করেনি। তাই আমিও তার হাঁচির উত্তর দেইনি। আর ঐ মহিলা হাঁচি দিয়েছে এবং আল্লাহর প্রশংসা করেছে তাই আমিও তার হাঁচির উত্তর দিয়েছি। কেননা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে আমি এ কথা বলতে শুনেছি যে, তোমাদের কেউ যদি হাঁচি দেয় এবং আল্লাহর প্রশংসা করে তাহলে তোমরা তার হাঁচির উত্তর দিবে। আর যদি সে আল্লাহর প্রশংসা না করে তবে তোমরাও তার হাঁচির উত্তর দিও না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭২১৮, ইসলামিক সেন্টার)
حدثني زهير بن حرب، ومحمد بن عبد الله بن نمير، - واللفظ لزهير - قالا حدثنا القاسم بن مالك، عن عاصم بن كليب، عن ابي بردة، قال دخلت على ابي موسى وهو في بيت بنت الفضل بن عباس فعطست فلم يشمتني وعطست فشمتها فرجعت الى امي فاخبرتها فلما جاءها قالت عطس عندك ابني فلم تشمته وعطست فشمتها . فقال ان ابنك عطس فلم يحمد الله فلم اشمته وعطست فحمدت الله فشمتها سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " اذا عطس احدكم فحمد الله فشمتوه فان لم يحمد الله فلا تشمتوه
মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র, ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ..... সালামাহ ইবনু আকওয়া (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। এক লোক নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে হাঁচি দেয়ার পর তিনি তাকে বললেন, আল্লাহ তোমার প্রতি দয়া করুন। অতঃপর সে আরেকবার হাঁচি দেয়ার পর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ সে সর্দিতে আক্রান্ত। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭২১৯, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا وكيع، حدثنا عكرمة بن عمار، عن اياس، بن سلمة بن الاكوع عن ابيه، ح وحدثنا اسحاق بن ابراهيم، - واللفظ له - حدثنا ابو النضر، هاشم بن القاسم حدثنا عكرمة بن عمار، حدثني اياس بن سلمة بن الاكوع، ان اباه، حدثه انه، سمع النبي صلى الله عليه وسلم وعطس رجل عنده فقال له " يرحمك الله " . ثم عطس اخرى فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم " الرجل مزكوم
ইয়াহইয়া ইবনু আইয়্যুব, কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ ও ‘আলী ইবনু হুজর আস্ সা’দী (রহঃ) ..... আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, হাই তোলা শাইতানের (শয়তানের) পক্ষ হতে আসে। তোমাদের কেউ যদি হাই তোলে তবে যথাসাধ্য সে যেন তা ব্যাহত করার চেষ্টা করে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭২২০, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا يحيى بن ايوب، وقتيبة بن سعيد، وعلي بن حجر السعدي، قالوا حدثنا اسماعيل، - يعنون ابن جعفر - عن العلاء، عن ابيه، عن ابي هريرة، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " التثاوب من الشيطان فاذا تثاءب احدكم فليكظم ما استطاع
আবূ গাস্সান আল মিসমাঈ, মালিক ইবনু আবদুল ওয়াহিদ (রহঃ) ..... আবু সাঈদ আল খুদরী (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যদি হাই তোলে তবে সে যেন তার মুখের উপর হাত রাখে। কেননা এ সময় শাইতান (শয়তান) মুখের অভ্যন্তরে ঢুকে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭২২১, ইসলামিক সেন্টার)
حدثني ابو غسان المسمعي، مالك بن عبد الواحد حدثنا بشر بن المفضل، حدثنا سهيل بن ابي صالح، قال سمعت ابنا، لابي سعيد الخدري يحدث ابي عن ابيه، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اذا تثاوب احدكم فليمسك بيده على فيه فان الشيطان يدخل
কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... আবু সাঈদ আল খুদরী (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, যদি তোমাদের কেউ হাই তোলে তবে সে যেন তার মুখের উপর হাত রেখে সেটাকে ব্যাহত করে। কেননা এ সময় শাইতান (শয়তান) মুখ দিয়ে প্রবেশ করে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭২২২, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا عبد العزيز، عن سهيل، عن عبد الرحمن بن ابي، سعيد عن ابيه، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " اذا تثاوب احدكم فليمسك بيده فان الشيطان يدخل
আবু বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) ..... আবু সাঈদ আল খুদরী (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, সালাতের মধ্যে তোমাদের কেউ যদি হাই তোলে তবে সে যেন যথাসাধ্য তা ব্যাহত করার চেষ্টা করে। কেননা, শাইতান (শয়তান) এ সময় মুখ দিয়ে প্রবেশ করে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭২২৩, ইসলামিক সেন্টার)
حدثني ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا وكيع، عن سفيان، عن سهيل بن ابي صالح، عن ابن ابي سعيد الخدري، عن ابيه، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اذا تثاوب احدكم في الصلاة فليكظم ما استطاع فان الشيطان يدخل