Loading...

Loading...
বইসমূহ
১৮২ হাদিসসমূহ
হাসান ইবনু ‘আলী আল হলওয়ানী ও আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... সালিম ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। ‘আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাযিঃ) বলেছেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদল সহাবার সাথে রওনা হলেন। তাদের মধ্যে ‘উমার ইবনুল খাত্তাব (রাযিঃ)-ও ছিলেন। ইবনু সাইয়্যাদ বয়োঃপ্রাপ্ত হওয়ার কাছাকাছি পৌছেছে। তিনি তাকে বানী মু’আবিয়্যার কিল্লার কাছে অন্যান্য বালকদের সঙ্গে খেলাধূলা অবস্থায় দেখতে পেলেন। অতঃপর তিনি উমর ইবনু সবিত এর হাদীসের শেষ পর্যন্ত ইউনুস এর অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে ইয়াকুব এর এ হাদীসের মধ্যে এ কথা বর্ধিত বর্ণিত রয়েছে যে, আমার পিতা لَوْ تَرَكَتْهُ بَيَّنَ এর ব্যাখ্যায় বলেছেন لَوْ تَرَكَتْهُ أُمُّهُ بَيَّنَ أَمْرَهُ অর্থাৎ তার মা যদি তাকে ঐ অবস্থায় ছেড়ে দিতো তবে তার ব্যাপারটি উন্মোচন হয়ে যেত। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭০৯১, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا الحسن بن علي الحلواني، وعبد بن حميد، قالا حدثنا يعقوب، - وهو ابن ابراهيم بن سعد - حدثنا ابي، عن صالح، عن ابن شهاب، اخبرني سالم بن عبد الله، انالله عليه وسلم ومعه رهط من اصحابه فيهم عمر بن الخطاب حتى وجد ابن صياد غلاما قد ناهز الحلم يلعب مع الغلمان عند اطم بني معاوية . وساق الحديث بمثل حديث يونس الى منتهى حديث عمر بن ثابت وفي الحديث عن يعقوب قال قال ابى - يعني في قوله لو تركته بين - قال لو تركته امه بين امره
আবদ ইবনু হুমায়দ ও সালামাহ্ ইবনু শাবীব (রহঃ) ..... ইবনু উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। একদা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদল সহাবাদের নিয়ে ইবনু সাইয়্যাদ এর কাছে গেলেন। এদের মাঝে উমার ইবনুল খাত্তাব (রাযিঃ)-ও ছিলেন। এমন সময় সে বানী মাগালার দুর্গের পাশে এক দল বালকের সঙ্গে ক্রীড়ারত অবস্থায় ছিল। তখন সে বালক ছিল। বর্ণনাকারী এ হাদীসটি ইউনুস এবং মালিক এর অবিকল বর্ণনা করেছেন। তবে ‘আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ইবনু উমার এর হাদীস তথা উবাই ইবনু কা'বের সঙ্গে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর বাগানের দিকে রওয়ানার হাদীসটি উল্লেখ করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭০৯২, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثنا عبد بن حميد، وسلمة بن شبيب، جميعا عن عبد الرزاق، اخبرنا معمر، عن الزهري، عن سالم، عن ابن عمر، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم مر بابن صياد في نفر من اصحابه فيهم عمر بن الخطاب وهو يلعب مع الغلمان عند اطم بني مغالة وهو غلام . بمعنى حديث يونس وصالح غير ان عبد بن حميد لم يذكر حديث ابن عمر في انطلاق النبي صلى الله عليه وسلم مع ابى بن كعب الى النخل
আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... নাফি’ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মাদীনার কোন এক রাস্তায় ইবনু উমর (রাযিঃ) ইবনু সাইয়্যাদ এর সাথে দেখা হলে তিনি তাকে এমন কতিপয় কথা বলেন, যার ফলে সে ক্রোধাম্বিত হয়ে গেল। সে ক্রোধে এমন ফুলল যে, সমস্ত রাস্তা জুড়ে ফেলল। অতঃপর ইবনু উমার (রাযিঃ) হাফসাহ (রাযিঃ) এর কাছে গেলেন। তিনি আগেই এ ঘটনার ব্যাপারে সবিশেষ অবহিত ছিলেন। তিনি বললেন, আল্লাহ তা’আলা আপনার প্রতি রহম করুন। আপনি ইবনু সাইয়্যাদ সম্পর্কে কি ইচ্ছা পোষণ করছেন? আপনি কি জানেন না যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ দাজ্জাল সর্বপ্রথম ক্রোধের মাধ্যমে বহিঃপ্রকাশ ঘটাবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭০৯৩, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا عبد بن حميد، حدثنا روح بن عبادة، حدثنا هشام، عن ايوب، عن نافع، قال لقي ابن عمر ابن صايد في بعض طرق المدينة فقال له قولا اغضبه فانتفخ حتى ملا السكة فدخل ابن عمر على حفصة وقد بلغها فقالت له رحمك الله ما اردت من ابن صايد اما علمت ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " انما يخرج من غضبة يغضبها
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ..... নাফি’ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। ইবনু উমার (রাযিঃ) বলেন, ইবনু সাইয়্যাদ এর সঙ্গে আমার দু’বার দেখা হয়েছে। একবার দেখার পর আমি জনৈক লোককে প্রশ্ন করলাম, আপনি বলেন যে, ইবনু সাইয়্যাদই দাজ্জাল? উত্তরে সে বলল, আল্লাহর শপথ, কখনো না। আমি বললাম, তাহলে তো তুমি আমাকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করছো। আল্লাহর শপথ! তোমাদের এক লোক তো আমাকে এ মর্মে খবর দিয়েছে যে, সে মৃত্যুবরণ করবে না, যতক্ষণ পর্যন্ত তোমাদের চাইতে সর্বাধিক বিত্তশালী এবং সন্তানসন্ততি সম্পন্ন না হবে। আজ তো অনুরূপই হয়েছে বলে সে মন্তব্য করছে। তারপর ইবনু সাইয়্যাদ আমাদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করল। এরপর আমি তার থেকে সরে পড়লাম। ইবনু সাইয়্যাদ এর সাথে আরেকবার আমার সাক্ষাৎ হয়েছে। তখন তার চোখ ফোলা অবস্থায় ছিল। আমি তাকে বললাম, তোমার চোখের এ কি অবস্থা, আমি কি দেখতে পাচ্ছি? সে বলল, আমি জানি না। আমি বললাম, তোমার মাথায় চোখ অথচ তুমি জান না! তারপর সে বলল, আল্লাহ ইচ্ছা করলে তোমার এ লাঠিতেও তিনি চোখ সৃষ্টি করে দিতে পারেন। এরপর সে গাধার চেয়েও বিকট শব্দে চিৎকার করল যা আমি ইতোপূর্বে শুনিনি। আমার কোন সাথী ধারণা করছে যে, আমি তাকে আমার সাথে থাকা লাঠি দ্বারা সজোরে আঘাত করেছি যাতে লাঠি ভেঙ্গে গেছে। আল্লাহর শপথ, অথচ এ সম্পর্কে আমি একেবারে অজ্ঞাত ছিলাম। নাফি (রহঃ) বলেন, তারপর আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাযিঃ) উম্মুল মু’মিনীন হাফসাহ (রাযিঃ) এর নিকট এলেন এবং তার কাছে এ ঘটনা বর্ণনা করলেন। এ কথা শুনে তিনি বললেন, ইবনু সাইয়্যাদ এর নিকট আপনার কি প্রয়োজন ছিল? আপনি কি জানেন না যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কারো প্রতি ভীষণ রাগই সর্বপ্রথম দাজ্জালকে মানুষের সম্মুখে প্রকাশ ঘটবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭০৯৪, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا حسين، - يعني ابن حسن بن يسار - حدثنا ابن، عون عن نافع، قال كان نافع يقول ابن صياد . قال قال ابن عمر لقيته مرتين - قال - فلقيته فقلت لبعضهم هل تحدثون انه هو قال لا والله - قال - قلت كذبتني والله لقد اخبرني بعضكم انه لن يموت حتى يكون اكثركم مالا وولدا فكذلك هو زعموا اليوم - قال - فتحدثنا ثم فارقته - قال - فلقيته لقية اخرى وقد نفرت عينه - قال - فقلت متى فعلت عينك ما ارى قال لا ادري - قال - قلت لا تدري وهي في راسك قال ان شاء الله خلقها في عصاك هذه . قال فنخر كاشد نخير حمار سمعت - قال - فزعم بعض اصحابي اني ضربته بعصا كانت معي حتى تكسرت واما انا فوالله ما شعرت - قال - وجاء حتى دخل على ام المومنين فحدثها فقالت ما تريد اليه الم تعلم انه قد قال " ان اول ما يبعثه على الناس غضب يغضبه
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ ও ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... ইবনু উমার (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মানুষের মধ্যে দাজ্জালের আলাপ-আলোচনা করে বললেন, আল্লাহ তা’আলা অন্ধ নন। কিন্তু সতর্ক হও! দাজ্জালের ডান চোখ কানা হবে। আর তা আঙ্গুরের মতো ফোলা হবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭০৯৫, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا ابو اسامة، ومحمد بن بشر، قالا حدثنا عبيد، الله عن نافع، عن ابن عمر، ح وحدثنا ابن نمير، - واللفظ له - حدثنا محمد بن بشر، حدثنا عبيد الله، عن نافع، عن ابن عمر، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم ذكر الدجال بين ظهرانى الناس فقال " ان الله تعالى ليس باعور . الا وان المسيح الدجال اعور العين اليمنى كان عينه عنبة طافية
(…/...) আবূ রাবী’ ও আবু কামিল, মুহাম্মাদ ইবনু আব্বাদ (রহঃ) ইবনু উমর (রাযিঃ) এর সানাদে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭০৯৬, ইসলামিক সেন্টার)
حدثني ابو الربيع، وابو كامل قالا حدثنا حماد، - وهو ابن زيد - عن ايوب، وحدثنا محمد بن عباد، حدثنا حاتم، - يعني ابن اسماعيل - عن موسى بن عقبة، كلاهما عن نافع، عن ابن عمر، عن النبي صلى الله عليه وسلم بمثله
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না ও মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ সকল নবীই তার উন্মাতকে কানা মিথ্যাবাদী (দাজ্জাল) সম্পর্কে সাবধান করেছেন। সাবধান দাজ্জাল কানা হবে। তোমাদের রব কানা নন। দাজ্জালের দু’ চোখের মধ্যস্থলেك ف ر অর্থাৎ كافر (কাফির) লেখা থাকবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭০৯৭, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا محمد بن المثنى، ومحمد بن بشار، قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن قتادة، قال سمعت انس بن مالك، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ما من نبي الا وقد انذر امته الاعور الكذاب الا انه اعور وان ربكم ليس باعور ومكتوب بين عينيه ك ف ر
ইবনুল মুসান্না ও ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, দাজ্জালের দু চোখের মধ্যস্থলে ك ف ر অর্থাৎ- কাফির লেখা থাকবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭০৯৮, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا ابن المثنى، وابن، بشار - واللفظ لابن المثنى - قالا حدثنا معاذ بن هشام، حدثني ابي، عن قتادة، حدثنا انس بن مالك، ان نبي الله صلى الله عليه وسلم قال " الدجال مكتوب بين عينيه ك ف ر اى كافر
যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ দাজ্জালের চোখ ফোলা হবে। তার উভয় চোখের মধ্যস্থলে কাফির লেখা থাকবে। অতঃপর তিনি এক একটি হরফ উচ্চারণ করে বললেন, ك ف ر আর প্রত্যেক মুসলিম মাত্রই এ লেখা পাঠ করতে পারবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭০৯৯, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثني زهير بن حرب، حدثنا عفان، حدثنا عبد الوارث، عن شعيب بن الحبحاب، عن انس بن مالك، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " الدجال ممسوح العين مكتوب بين عينيه كافر " . ثم تهجاها ك ف ر " يقروه كل مسلم
মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র, মুহাম্মাদ ইবনুল আলা ও ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ..... হুযাইফাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ দাজ্জালের বামচোখ কানা হবে। তার দেহে ঘন পশম হবে। তার সাথে থাকবে জান্নাত ও জাহান্নামের চিত্র। প্রকৃতপক্ষে তার জাহান্নাম জান্নাত হবে এবং তার জান্নাত জাহান্নাম বলে গণ্য হবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭১০০, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، ومحمد بن العلاء، واسحاق بن ابراهيم، قال اسحاق اخبرنا وقال الاخران، حدثنا ابو معاوية، عن الاعمش، عن شقيق، عن حذيفة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " الدجال اعور العين اليسرى جفال الشعر معه جنة ونار فناره جنة وجنته نار
আবু বকর ইবনু আবু শাইবাহ্ (রহঃ) ..... হুযাইফাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ দাজ্জালের সাথে কি থাকবে, এ সম্পর্কে আমি নিশ্চিত অবগত আছি। তার সাথে প্রবাহমান দুটি নহর থাকবে। একটি দৃশ্যত ধবধবে সাদা পানি বিশিষ্ট এবং অপরটি দৃশ্যত লেলিহান অগ্নির মতো হবে। যদি কেউ সুযোগ পায় তবে সে যেন ঐ নহরে প্রবেশ করে যাকে দৃশ্যত অগ্নি মনে হবে এবং চক্ষু বন্ধ করতঃ মাথা অবনমিত করে সে যেন সেটা থেকে পানি পান করে। সেটা হবে ঠাণ্ডা পানি। দাজ্জালের চক্ষু লেপা হবে এবং তার চোখের উপর নখের মতো পুরু চামড়া থাকবে এবং উভয় চোখের মাঝখানে পৃথক-পৃথকভাবে কাফির লেখা থাকবে। শিক্ষিত অশিক্ষিত নির্বিশেষে সকল মু’মিন ব্যক্তি এ লেখা পাঠ করতে পারবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭১০১, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا يزيد بن هارون، عن ابي مالك الاشجعي، عن ربعي بن حراش، عن حذيفة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لانا اعلم بما مع الدجال منه معه نهران يجريان احدهما راى العين ماء ابيض والاخر راى العين نار تاجج فاما ادركن احد فليات النهر الذي يراه نارا وليغمض ثم ليطاطي راسه فيشرب منه فانه ماء بارد وان الدجال ممسوح العين عليها ظفرة غليظة مكتوب بين عينيه كافر يقروه كل مومن كاتب وغير كاتب
আলী ইবনু হুজর (রহঃ) ..... উকবাহ ইবনু আম্র ও আবু মাসউদ আনসারী (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রিবাঈ ইবনু হিরাশ (রহঃ) বলেন, আমি উকবাহ ইবনু আমির আবূ মাসউদ আনসারী (রাযিঃ) এর সাথে হুযাইফাহ্ ইবনু ইয়ামান (রাযিঃ) এর নিকট গেলাম। তারপর উকবাহ (রাযিঃ) হুযইফাহ্ (রাযিঃ) কে বললেন, আপনি দাজ্জাল বিষয়ে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে যা যা শুনেছেন তা আমাদেরকেও শুনান। তিনি বললেন, দাজ্জাল যখন আবির্ভূত হবে তখন তার সাথে পানি ও আগুন থাকবে। কিন্তু মানুষ যেটাকে বাহ্যত পানি দেখবে সেটা হবে দাহনশীল অগ্নি। আর যেটাকে মানুষ বাহ্যত অগ্নি দেখবে সেটা হবে সুমিষ্ট ঠাণ্ডা পানি। কাজেই তোমাদের মধ্যে যে কেউ এ সময়কাল পায় সে যেন দৃশ্যত যাকে অগ্নি দেখা যাচ্ছে তাতেই প্রবেশ করে। কেননা প্রকৃতপক্ষে সেটা হবে সুমিষ্ট পানি। তারপর হুযাইফার সমর্থন করে উকবাহ্ (রাযিঃ) বলেন, আমিও রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এ হাদীস শুনেছি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭১০৩, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا علي بن حجر، حدثنا شعيب بن صفوان، عن عبد الملك بن عمير، عن ربعي، بن حراش عن عقبة بن عمرو ابي مسعود الانصاري، قال انطلقت معه الى حذيفة بن اليمان فقال له عقبة حدثني ما سمعت من رسول الله صلى الله عليه وسلم في الدجال . قال " ان الدجال يخرج وان معه ماء ونارا فاما الذي يراه الناس ماء فنار تحرق واما الذي يراه الناس نارا فماء بارد عذب فمن ادرك ذلك منكم فليقع في الذي يراه نارا فانه ماء عذب طيب " . فقال عقبة وانا قد، سمعته تصديقا، لحذيفة
(…) ‘আলী ইবনু হুজর আস্ সাদী ও ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ... রিবাঈ ইবনু হিরাশ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা হুযাইফাহ ও আবু মাসউদ (রাযিঃ) একত্রিত হলেন। তখন হুযাইফাহ (রাযিঃ) বললেন, দাজ্জালের সঙ্গে যা থাকবে এ সম্পর্কে আমি তাথেকে সর্বাধিক জ্ঞাত। তার সঙ্গে একটি পানির ঝর্ণা এবং একটি আগুনের নহর থাকবে। যেটাকে বাহ্যত অগ্নি মনে হবে সেটাই হবে পানি। আর যেটাকে বাহ্যত পানি মনে হবে সেটাই হবে অগ্নি। তোমাদের কেউ যদি এ সময়কাল পায় এবং সে পানি পান করার ইচ্ছা করে তবে সে যেন যা দৃশ্যত অগ্নি মনে হবে তা থেকে পান করে। কেননা এখানেই সে পানি পাবে। বর্ণনাকারী আবু মাসউদ (রাযিঃ) বলেন, আমিও এমনটিই নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭১০৪, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا علي بن حجر السعدي، واسحاق بن ابراهيم، - واللفظ لابن حجر قال اسحاق اخبرنا وقال ابن حجر، حدثنا جرير، عن المغيرة، عن نعيم بن ابي هند، عن ربعي، بن حراش قال اجتمع حذيفة وابو مسعود فقال حذيفة " لانا بما مع الدجال اعلم منه ان معه نهرا من ماء ونهرا من نار فاما الذي ترون انه نار ماء واما الذي ترون انه ماء نار فمن ادرك ذلك منكم فاراد الماء فليشرب من الذي يراه انه نار فانه سيجده ماء " . قال ابو مسعود هكذا سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول
মুহাম্মাদ ইবনু রাফি’ (রহঃ) ..... আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমি দাজ্জাল বিষয়ে তোমাদেরকে কি এমন একটি হাদীস বলব না, যা কোন নবী তার কাওমকে অদ্যাবধি বলেননি? শুনো, দাজ্জাল কানা হবে এবং তার সাথে জান্নাত ও জাহান্নাম নামে দুটি প্রতারণার বস্তু থাকবে। সে যাকে জান্নাত বলবে সেটি আসলে হবে জাহান্নাম। দেখো, দাজ্জাল সম্পর্কে আমি তোমাদেরকে ভীতি-প্রদর্শন করছি, যেমন নূহ (আঃ) তার কাওমকে সতর্ক করেছিলেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭১০৫, ইসলামিক সেন্টার)
حدثني محمد بن رافع، حدثنا حسين بن محمد، حدثنا شيبان، عن يحيى، عن ابي، سلمة قال سمعت ابا هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " الا اخبركم عن الدجال حديثا ما حدثه نبي قومه انه اعور وانه يجيء معه مثل الجنة والنار فالتي يقول انها الجنة هي النار واني انذرتكم به كما انذر به نوح قومه
আবু খাইসামাহ, যুহায়র ইবনু হারব, মুহাম্মাদ ইবনু মিহরান আর রাযী (রহঃ) ..... নাওওয়াস ইবনু সাম’আন (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা সকালে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাজ্জাল সম্পর্কে আলোচনা করলেন। আলোচনার সময় তিনি তার ব্যক্তিত্বকে তুচ্ছ করে তুলে ধরেন। পরে অনেক গুরুত্ব সহকারে উপস্থিত করেন যাতে তাকে আমরা ঐ বৃক্ষরাজির নির্দিষ্ট এলাকায় (আবাসস্থল সম্পর্কে) ধারণা করতে লাগলাম। এরপর আমরা সন্ধ্যায় আবার তার কাছে গেলাম। তিনি আমাদের মধ্যে এর প্রভাব দেখতে পেয়ে বললেন, তোমাদের ব্যাপার কি? আমরা বললাম, হে আল্লাহর রসূল! আপনি সকালে দাজ্জাল সম্পর্কে আলোচনা করেছেন এবং এতে আপনি কখনো ব্যক্তিত্বকে তুচ্ছ করে তুলে ধরেছেন, আবার কখনো তার ব্যক্তিত্বকে বড় করে তুলে ধরেছেন। ফলে আমরা মনে করেছি যে, দাজ্জাল বুঝি এ বাগার মধ্যেই বিদ্যমান। এ কথা শুনে তিনি বললেন, দাজ্জাল নয়, বরং তোমাদের ব্যাপারে অন্য কিছুর আমি অধিক ভয় করছি। তবে শোন, আমি তোমাদের) মধ্যে বিদ্যমান থাকা অবস্থায় যদি দাজ্জালের আত্মপ্রকাশ হয় তবে আমি নিজেই তাকে প্রতিহত করব। তোমাদের প্রয়োজন হবে না। আর যদি আমি তোমাদের মাঝে না থাকাবস্থায় দাজ্জালের আত্মপ্রকাশ হয়, তবে প্রত্যেক মুমিন লোক নিজের পক্ষ হতে তাকে প্রতিহত করবে। প্রত্যেক মুসলিমের জন্য আল্লাহ তা’আলাই হলেন আমার পক্ষ হতে তত্ত্বাবধানকারী। দাজ্জাল যুবক এবং ঘন চুল বিশিষ্ট হবে, চোখ আঙ্গুরের ন্যায় হবে। আমি তাকে কাফির ‘আবদুল উয্যা ইবনু কাতান এর মতো মনে করছি। তোমাদের যে কেউ দাজ্জালের সময়কাল পাবে সে যেন সূরা আল-কাহফ-এর প্রথমোক্ত আয়াতসমূহ পাঠ করে। সে ইরাক ও সিরিয়ার মধ্যপথ হতে আবির্ভূত হবে। সে ডানে-বামে দুর্যোগ সৃষ্টি করবে। হে আল্লাহর বান্দাগণ! তোমরা অটল থাকবে। আমরা প্রশ্ন করলাম, হে আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম! সে পৃথিবীতে কয়দিন অবস্থান করবে? উত্তরে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, চল্লিশদিন পর্যন্ত। এর প্রথম দিনটি এক বছরের সমান, দ্বিতীয় দিন এক মাসের সমান এবং তৃতীয় দিন এক সপ্তাহের সমান হবে। অবশিষ্ট দিনগুলো তোমাদের দিনসমূহের মতই হবে। আমরা প্রশ্ন করলাম, হে আল্লাহর রসূল! যেদিন এক বছরের সমান হবে, সেটাতে এক দিনের সালাতই কি আমাদের জন্য যথেষ্ট হবে? উত্তরে তিনি বললেন, না, বরং তোমরা এদিন হিসাব করে তোমাদের দিনের পরিমাণ নির্দিষ্ট করে নিবে। আমরা বললাম, হে আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম! দুনিয়াতে দাজ্জালের অগ্রসরতা কি রকম বৃদ্ধি পাবে? তিনি বললেন, বাতাসের প্রবাহ মেঘমালাকে যে রকম হাকিয়ে নিয়ে যায়। সে এক কাওমের কাছে এসে তাদেরকে কুফুরীর দিকে ডাকবে। তারা তার উপর ঈমান আনবে এবং তার আহ্বানে সাড়া দিবে। অতঃপর সে আকাশমণ্ডলীকে আদেশ করবে। আকাশ বৃষ্টি বর্ষণ করবে এবং ভূমিকে নির্দেশ দিবে, ফলে ভূমি গাছ-পালা ও শস্য উৎপন্ন করবে। তারপর সন্ধ্যায় তাদের গবাদি পশুগুলো পূর্বের চেয়ে বেশি লম্বা কুজ, প্রশস্ত স্তন এবং পেটভর্তি অবস্থায় তাদের কাছে ফিরে আসবে। তারপর দাজ্জাল অপর এক কাওমেরর কাছে আসবে এবং তাদেরকে কুফুরীর প্রতি ডাকবে। তারা তার কথাকে উপেক্ষা করবে। ফলে সে তাদের নিকট হতে প্রত্যাবর্তন করবে। আমনি তাদের মধ্যে দুর্ভিক্ষ ও পানির অনটন দেখা দিবে এবং তাদের হাতে তাদের ধন-সম্পদ কিছুই থাকবে না। তখন দাজ্জাল এক পতিত স্থান অতিক্রমকালে সেটাকে সম্বোধন করে বলবে, তুমি তোমার গুপ্তধন বের করে দাও। তখন জমিনের ধন-ভাণ্ডার বের হয়ে তার চতুষ্পার্শে একত্রিত হতে থাকবে, যেমন মধু মক্ষিকা তাদের সর্দারের চারপাশে সমবেত হয়। অতঃপর দাজ্জাল এক যুবক ব্যক্তিকে ডেকে আনবে এবং তাকে তরবারি দ্বারা আঘাত করে তীরের লক্ষ্যস্থলের ন্যায় দুটুকরো করে ফেলবে। তারপর সে আবার তাকে আহবান করবে। যুবক আলোকময় হাস্যোজ্জল চেহারায় তার সম্মুখে এগিয়ে আসবে। এ সময় আল্লাহ রববুল আলামীন ঈসা ইবনু মারইয়াম (আঃ) কে প্রেরণ করবেন। তিনি দু' ফেরেশতার কাঁধের উপর ভর করে ওয়ারস ও জাফরান রং এর জোড়া কাপড় পরিহিত অবস্থায় দামেশক নগরীর পূর্ব দিকের উজ্জ্বল মিনারে অবতরণ করবেন। যখন তিনি তার মাথা ঝুঁকবেন তখন ফোটা ফোটা ঘাম তার শরীর থেকে গড়িয়ে পড়বে। তিনি যে কোন কফিরের কাছে যাবেন সে তার শ্বাসের বাতাসে ধ্বংস হয়ে যাবে। তার দৃষ্টি যতদূর পর্যন্ত যাবে তাঁর শ্বাসও ততদূর পর্যন্ত পৌছবে। তিনি দাজ্জালকে সন্ধান করতে থাকবেন। অবশেষে তাকে বাবে লুদ নামক স্থানে গিয়ে পাকড়াও করবেন এবং তাকে হত্যা করবেন। অতঃপর ঈসা (আঃ) ঐ সম্প্রদায়ের নিকট যাবেন, যাদেরকে আল্লাহ তা’আলা দাজ্জালের বিপর্যয় থেকে রক্ষা করেছেন। ঈসা (আঃ) তাদের কাছে গিয়ে তাদের চেহারায় হাত বুলিয়ে জান্নাতে তাদের স্থানসমূহের ব্যাপারে খবর দিবেন। এমন সময় আল্লাহ তা’আলা ঈসা (আঃ) এর প্রতি এ মর্মে ওয়াহী অবতীর্ণ করবেন যে, আমি আমার এমন বান্দাদের আবির্ভাব ঘটেয়েছি, যাদের সঙ্গে কারোই যুদ্ধ করার ক্ষমতা নেই। অতঃপর তুমি আমার মুমিন বান্দাদেরকে নিয়ে তুর পাহাড়ে চলে যাও। তখন আল্লাহ তা’আলা ইয়াজুজ-মাজুজ কাওমকে পাঠাবেন। তারা ছাড়া পেয়ে পৃথিবীর সব প্রান্তে দ্রুত ছড়িয়ে পড়বে। তাদের প্রথম দলটি "বুহাইরায়ে তাবরিয়া"র (ভূমধ্যসাগর) উপকূলে এসে এর সমুদয় পানি পান করে নিঃশেষ করে দিবে। তারপর তাদের সর্বশেষ দলটি এ স্থান দিয়ে যাত্রাকালে বলবে, এ সমুদ্রে কোন সময় পানি ছিল কি? তারা আল্লাহর নবী ঈসা (আঃ) এবং তার সাথীদেরকে অবরোধ করে রাখবে। ফলে তাদের নিকট একটি বলদের মাথা বর্তমানে তোমাদের নিকট একশ দীনারের মূল্যের চেয়েও অধিক মূল্যবান প্রতিপন্ন হবে। তখন আল্লাহর নবী ঈসা (আঃ) এবং তার সঙ্গীগণ আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করবেন। ফলে আল্লাহ তা’আলা ইয়া'জুজ-মা'জুজ সম্প্রদায়ের প্রতি আযাব পাঠাবেন। তাদের ঘাড়ে এক প্রকার পোকা হবে। এতে একজন মানুষের মৃত্যুর মতো তারাও সবাই মরে নিঃশেষ হয়ে যাবে। তারপর ঈসা (আঃ) ও তাঁর সঙ্গীগণ পাহাড় হতে জমিনে বেরিয়ে আসবেন। কিন্তু তারা অর্ধ হাত জায়গাও এমন পাবেন না যথায় তাদের পচা লাশ ও লাশের দুর্গন্ধ নেই। অতঃপর ‘ঈসা (আঃ) এবং তার সঙ্গীগণ পুনরায় আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করবেন। তখন আল্লাহ তা’আলা উটের ঘাড়ের মতো লম্বা এক ধরনের পাখি পাঠাবেন। তারা তাদেরকে বহন করে আল্লাহর ইচ্ছানুসারে কোন স্থানে নিয়ে ফেলবে। এরপর আল্লাহ এমন মুষলধারে বৃষ্টি বর্ষণ করবেন যার ফলে কাঁচা-পাকা কোন গৃহই আর অবশিষ্ট থাকবে না। এতে জমিন বিধৌত হয়ে উদ্ভিদ শূন্য মৃত্তিকায় পরিণত হবে। অতঃপর পুনরায় জমিনকে এ মর্মে নির্দেশ দেয়া হবে যে, হে জমিন! তুমি আবার শস্য উৎপন্ন করো এবং তোমার বারাকাত ফিরিয়ে দাও। সেদিন একদল মানুষ একটি ডালিম ভক্ষণ করবে এবং এর বাকলের নীচে লোকেরা ছায়া গ্রহণ করবে। দুধের মধ্যে বারাকাত হবে। ফলে দুগ্ধবতী একটি উটই একদল মানুষের জন্য যথেষ্ট হবে, দুগ্ধবতী একটি গাভী একগোত্রীয় মানুষের জন্য যথেষ্ট হবে এবং যথেষ্ট হবে দুগ্ধবতী একটি বকরী এক দাদার সন্তানদের (একটি ছোট গোত্রের) জন্য। এ সময় আল্লাহ তা’আলা অত্যন্ত আরামদায়ক একটি বায়ু প্রেরণ করবেন। এ বায়ু সকল মুমিন লোকদের বগলে গিয়ে লাগবে এবং সমস্ত মুমিন মুসলিমদের রূহ কবয করে নিয়ে যাবে। তখন একমাত্র মন্দ লোকেরাই এ পৃথিবীতে বাকী থাকবে। তারা গাধার ন্যায় পরস্পর একে অন্যের সাথে প্রকাশ্যে ব্যভিচারে লিপ্ত হবে। এদের উপরই কিয়ামত সংঘটিত হবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭১০৬. ইসলামিক সেন্টার)
আলী ইবনু হুজর আস্ সাদী (রহঃ) ..... আবদুর রহমান ইবনু ইয়াযীদ ইবনু জাবির (রাযিঃ) থেকে এ সূত্রে অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। কিন্তু এতে "এখানেও এক সময় পানি ছিল" এ কথার পর বর্ধিত এ কথাও উল্লেখ রয়েছে যে, এরপর তারা অগ্রসর হতে থাকবে। পরিশেষে যেতে যেতে তারা জাবালে খামার নামক স্থানে গিয়ে পৌছবে। এ হলো, বাইতুল মুকাদ্দাসের একটি পর্বত। এখানে পৌছে তারা বলবে, আমরা তো পৃথিবী বাসীদেরকে নিঃশেষ করে দিয়েছি। এসো, আকাশমণ্ডলীর সত্তাকেও নিঃশেষ করে দেই। এ বলেই তারা আকাশের পানে তীর ছুড়তে থাকবে। আল্লাহ তা’আলা তীর রক্তে রঞ্জিত করে তাদের প্রতি আবার ফিরিয়ে দিবেন। বর্ণনাকারী ইবনু হুজুরের বর্ণনায় এ কথাও বর্ধিত আছে যে, আল্লাহ বলবেন, আমি আমার এমন বান্দাদের আবির্ভাব ঘটিয়েছি, যাদের সঙ্গে যুদ্ধ করার শক্তি কারো নেই। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭১০৭, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا علي بن حجر السعدي، حدثنا عبد الله بن عبد الرحمن بن يزيد بن جابر، والوليد بن مسلم - قال ابن حجر دخل حديث احدهما في حديث الاخر - عن عبد الرحمن بن يزيد بن جابر بهذا الاسناد . نحو ما ذكرنا وزاد بعد قوله " لقد كان بهذه مرة ماء ثم يسيرون حتى ينتهوا الى جبل الخمر وهو جبل بيت المقدس فيقولون لقد قتلنا من في الارض هلم فلنقتل من في السماء . فيرمون بنشابهم الى السماء فيرد الله عليهم نشابهم مخضوبة دما " . وفي رواية ابن حجر " فاني قد انزلت عبادا لي لا يدى لاحد بقتالهم
আমর আন্ নাকিদ, হাসান আল হুলওয়ানী ও আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... আবু সাঈদ আল খুদরী (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদিন আমাদেরকে দাজ্জাল সম্পর্কে এক লম্বা বর্ণনা দিলেন। দাজ্জালের বিষয়ে তিনি এ-ও বললেন যে, দাজ্জালের আবির্ভাব হবে, কিন্তু মাদীনার পথে ঘাটে প্রবেশ করা তার জন্য নিষিদ্ধ ও হারাম হবে। অতঃপর মাদীনার নিকটবর্তী কোন এক রাস্তায় পৌছলে ঐ দিনই মাদীনাহ হতে এক লোক তার নিকট যাবে, যে ব্যক্তি সে সময়কার শ্রেষ্ঠ মানব হবে। সে এসে তাকে বলবে, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, তুই সে দাজ্জাল, যার কথা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে শুনিয়েছিলেন। দাজ্জাল বলবে, হে লোক সকল! যদি আমি এ লোককে হত্যা করার পর পুনরায় জীবিত করি তবে তোমাদের মনে এ বিষয়ে কোন সন্দেহ থাকবে কি? লোকেরা বলবে, না। অতঃপর সে তাকে হত্যা করবে; তারপর জীবন দান করবে; জীবন দান করার পর সে লোক বলবে, আল্লাহর শপথ! এখন তো তোমার ব্যাপারে আমার জ্ঞান আরো বেড়ে গেছে, যা ইতোপূর্বে কখনো ছিল না। দাজ্জাল আবারো তাকে হত্যা করতে মনস্থ হবে। কিন্তু আর হত্যা করতে সক্ষম হবে না। আবু ইসহাক বলেনঃ কথিত আছে যে, উক্ত ব্যক্তি (যাকে দাজ্জাল হত্যা করবে) খিযির (আঃ)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭১০৮, ইসলামিক সেন্টার)
حدثني عمرو الناقد، والحسن الحلواني، وعبد بن حميد، - والفاظهم متقاربة والسياق لعبد - قال حدثني وقال الاخران، حدثنا يعقوب، - وهو ابن ابراهيم بن سعد - حدثنا ابي، عن صالح، عن ابن شهاب، اخبرني عبيد الله بن عبد الله بن عتبة، ان ابا سعيد الخدري، قال حدثنا رسول الله صلى الله عليه وسلم يوما حديثا طويلا عن الدجال فكان فيما حدثنا قال " ياتي وهو محرم عليه ان يدخل نقاب المدينة فينتهي الى بعض السباخ التي تلي المدينة فيخرج اليه يوميذ رجل هو خير الناس - او من خير الناس - فيقول له اشهد انك الدجال الذي حدثنا رسول الله صلى الله عليه وسلم حديثه فيقول الدجال ارايتم ان قتلت هذا ثم احييته اتشكون في الامر فيقولون لا . قال فيقتله ثم يحييه فيقول حين يحييه والله ما كنت فيك قط اشد بصيرة مني الان - قال - فيريد الدجال ان يقتله فلا يسلط عليه " . قال ابو اسحاق يقال ان هذا الرجل هو الخضر عليه السلام
(…/...) আবদুল্লাহ ইবনু আবদুর রহমান আদ দারিমী (রহঃ) ..... যুহরী (রহঃ) হতে এ সূত্রে অবিকল বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭১০৯, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثني عبد الله بن عبد الرحمن الدارمي، اخبرنا ابو اليمان، اخبرنا شعيب، عن الزهري، في هذا الاسناد بمثله
মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু কুহযায (রহঃ) ..... আবু সাঈদ আল খুদরী (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, দাজ্জালের আত্মপ্রকাশের পর কোন এক মুসলিম লোক তার দিকে এগিয়ে যাবে। তারপর পথে অস্ত্রধারী দাজ্জাল বাহিনীর সঙ্গে তার দেখা হবে। তারা তাকে প্রশ্ন করবে, কোথায় যাবে? সে বলবে, আবির্ভূত দাজ্জালের কাছে যাব। তারা তাকে আবারো প্রশ্ন করবে, তুমি কি আমাদের প্রতিপালকের উপর ঈমান আননি? সে বলবে, আমাদের প্রতিপালক গুপ্ত নন। দাজ্জালের লোকেরা তাকে লক্ষ্য করে বলবে, তোমরা তাকে হত্যা করে দাও। তখন তারা একে অপরকে বলবে, আমাদের রব কাউকে তার সামনে নেয়া ব্যতিরেকে হত্যা করতে কি তোমাদেরকে বারণ করেননি? তারপর তারা তাকে নিয়ে দাজ্জালের কাছে যাবে। দাজ্জালকে দেখামাত্রই সে বলবে, হে লোক সকল! এ-তো সেই দাজ্জাল, যার ব্যাপারে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে বর্ণনা দিয়েছেন। তারপর দাজ্জাল তার লোকদেরকে আগম্ভক লোকের মাথা ছিন-ভিন্ন করার নির্দেশ দিয়ে বলবে, তাকে ধর এবং তার মাথা ছিন্ন-বিচ্ছিন্ন করে দাও। তারপর তার পেট ও পিঠে আঘাত করা হবে। আবার দাজ্জাল তাকে প্রশ্ন করবে, তুমি কি আমার প্রতি ঈমান আনয়ন করবে না। সে বলবে, তুমি তো মাসীহ দাজ্জাল। বর্ণনাকারী বলেন, তারপর দাজ্জাল তার ব্যাপারে নির্দেশ দিবে। দাজ্জালের হুকুমে মাথা হতে পা পর্যন্ত তাকে করাতে চিরে দু টুকরো করে দেয়া হবে। তারপর দাজ্জাল উভয় টুকরার মধ্যস্থলে দণ্ডায়মান হয়ে তাকে সম্বোধন করে বলবে, উঠো। সে সোজা দাঁড়িয়ে যাবে। এরপর আবারো তাকে জিজ্ঞেস করা হবে, তুমি কি আমার প্রতি ঈমান আনবে না? অতঃপর আগম্ভক ব্যক্তি বলবে, তোমার সম্পর্কে কেবল আমার মাঝে সুস্পষ্ট ধারণা বেড়েই চলবে। তারপর আগম্ভক লোক বলবে, হে লোক সকল! আমার পর দাজ্জাল আর কারো সঙ্গে এমন আচরণ করতে সক্ষম হবে না। এরপর যবাহ করার জন্য দাজ্জাল তাকে পাকড়াও করবে। কিন্তু তার গলা ও ঘাড় তামায় রূপান্তর করা হবে। ফলে দাজ্জাল তাকে যবাহ করতে সক্ষম হবে না। উপায়ন্তর না দেখে দাজ্জাল তখন তার হাত-পা ধরে তাকে নিক্ষেপ করবে। লোকেরা মনে করবে, দাজ্জাল তাকে আগুনে নিক্ষেপ করেছে। বস্তুতঃ সে জান্নাতে নিক্ষিপ্ত হবে। অতঃপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আল্লাহ রবুল আলামীনের কাছে এ লোকই হবে মানুষের মধ্যে সবচেয়ে বড় শাহাদাতের মর্যাদায় অধিষ্ঠিত। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭১১০, ইসলামিক সেন্টার)
حدثني محمد بن عبد الله بن قهزاذ، من اهل مرو حدثنا عبد الله بن عثمان، عن ابي حمزة، عن قيس بن وهب، عن ابي الوداك، عن ابي سعيد الخدري، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " يخرج الدجال فيتوجه قبله رجل من المومنين فتلقاه المسالح مسالح الدجال فيقولون له اين تعمد فيقول اعمد الى هذا الذي خرج - قال - فيقولون له اوما تومن بربنا فيقول ما بربنا خفاء . فيقولون اقتلوه . فيقول بعضهم لبعض اليس قد نهاكم ربكم ان تقتلوا احدا دونه - قال - فينطلقون به الى الدجال فاذا راه المومن قال يا ايها الناس هذا الدجال الذي ذكر رسول الله صلى الله عليه وسلم قال فيامر الدجال به فيشبح فيقول خذوه وشجوه . فيوسع ظهره وبطنه ضربا - قال - فيقول اوما تومن بي قال فيقول انت المسيح الكذاب - قال - فيومر به فيوشر بالميشار من مفرقه حتى يفرق بين رجليه - قال - ثم يمشي الدجال بين القطعتين ثم يقول له قم . فيستوي قايما - قال - ثم يقول له اتومن بي فيقول ما ازددت فيك الا بصيرة - قال - ثم يقول يا ايها الناس انه لا يفعل بعدي باحد من الناس - قال - فياخذه الدجال ليذبحه فيجعل ما بين رقبته الى ترقوته نحاسا فلا يستطيع اليه سبيلا - قال - فياخذ بيديه ورجليه فيقذف به فيحسب الناس انما قذفه الى النار وانما القي في الجنة " . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " هذا اعظم الناس شهادة عند رب العالمين
শিহাব ইবনু আব্বাদ আল আব্দী (রহঃ) ..... মুগীরাহ ইবনু শুবাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, দাজ্জালের ব্যাপারে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে আমার চেয়ে এতো বেশি আর কেউ জিজ্ঞেস করেনি। তিনি বলেছেনঃ তোমার কাছে যেটা পীড়াদায়ক তা তোমার কোন ক্ষতিসাধন করতে সক্ষম হবে না। জবাবে আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম! লোকেরা বলাবলি করছে যে, তার সাথে খাদ্য এবং পানির ঝর্ণা থাকবে। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ এটা তো আল্লাহর কাছে তার চেয়েও অনেক সহজ। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭১১১, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا شهاب بن عباد العبدي، حدثنا ابراهيم بن حميد الرواسي، عن اسماعيل، بن ابي خالد عن قيس بن ابي حازم، عن المغيرة بن شعبة، قال ما سال احد النبي صلى الله عليه وسلم عن الدجال اكثر مما سالت قال " وما ينصبك منه انه لا يضرك " . قال قلت يا رسول الله انهم يقولون ان معه الطعام والانهار قال " هو اهون على الله من ذلك
حدثنا ابو خيثمة، زهير بن حرب حدثنا الوليد بن مسلم، حدثني عبد الرحمن، بن يزيد بن جابر حدثني يحيى بن جابر الطايي، قاضي حمص حدثني عبد الرحمن بن، جبير عن ابيه، جبير بن نفير الحضرمي انه سمع النواس بن سمعان الكلابي، ح وحدثني محمد بن مهران الرازي، - واللفظ له - حدثنا الوليد بن مسلم، حدثنا عبد الرحمن بن يزيد بن جابر، عن يحيى بن جابر الطايي، عن عبد الرحمن بن جبير بن، نفير عن ابيه، جبير بن نفير عن النواس بن سمعان، قال ذكر رسول الله صلى الله عليه وسلم الدجال ذات غداة فخفض فيه ورفع حتى ظنناه في طايفة النخل فلما رحنا اليه عرف ذلك فينا فقال " ما شانكم " . قلنا يا رسول الله ذكرت الدجال غداة فخفضت فيه ورفعت حتى ظنناه في طايفة النخل . فقال " غير الدجال اخوفني عليكم ان يخرج وانا فيكم فانا حجيجه دونكم وان يخرج ولست فيكم فامرو حجيج نفسه والله خليفتي على كل مسلم انه شاب قطط عينه طافية كاني اشبهه بعبد العزى بن قطن فمن ادركه منكم فليقرا عليه فواتح سورة الكهف انه خارج خلة بين الشام والعراق فعاث يمينا وعاث شمالا يا عباد الله فاثبتوا " . قلنا يا رسول الله وما لبثه في الارض قال " اربعون يوما يوم كسنة ويوم كشهر ويوم كجمعة وساير ايامه كايامكم " . قلنا يا رسول الله فذلك اليوم الذي كسنة اتكفينا فيه صلاة يوم قال " لا اقدروا له قدره " . قلنا يا رسول الله وما اسراعه في الارض قال " كالغيث استدبرته الريح فياتي على القوم فيدعوهم فيومنون به ويستجيبون له فيامر السماء فتمطر والارض فتنبت فتروح عليهم سارحتهم اطول ما كانت ذرا واسبغه ضروعا وامده خواصر ثم ياتي القوم فيدعوهم فيردون عليه قوله فينصرف عنهم فيصبحون ممحلين ليس بايديهم شىء من اموالهم ويمر بالخربة فيقول لها اخرجي كنوزك . فتتبعه كنوزها كيعاسيب النحل ثم يدعو رجلا ممتليا شبابا فيضربه بالسيف فيقطعه جزلتين رمية الغرض ثم يدعوه فيقبل ويتهلل وجهه يضحك فبينما هو كذلك اذ بعث الله المسيح ابن مريم فينزل عند المنارة البيضاء شرقي دمشق بين مهرودتين واضعا كفيه على اجنحة ملكين اذا طاطا راسه قطر واذا رفعه تحدر منه جمان كاللولو فلا يحل لكافر يجد ريح نفسه الا مات ونفسه ينتهي حيث ينتهي طرفه فيطلبه حتى يدركه بباب لد فيقتله ثم ياتي عيسى ابن مريم قوم قد عصمهم الله منه فيمسح عن وجوههم ويحدثهم بدرجاتهم في الجنة فبينما هو كذلك اذ اوحى الله الى عيسى اني قد اخرجت عبادا لي لا يدان لاحد بقتالهم فحرز عبادي الى الطور . ويبعث الله ياجوج وماجوج وهم من كل حدب ينسلون فيمر اوايلهم على بحيرة طبرية فيشربون ما فيها ويمر اخرهم فيقولون لقد كان بهذه مرة ماء . ويحصر نبي الله عيسى واصحابه حتى يكون راس الثور لاحدهم خيرا من ماية دينار لاحدكم اليوم فيرغب نبي الله عيسى واصحابه فيرسل الله عليهم النغف في رقابهم فيصبحون فرسى كموت نفس واحدة ثم يهبط نبي الله عيسى واصحابه الى الارض فلا يجدون في الارض موضع شبر الا ملاه زهمهم ونتنهم فيرغب نبي الله عيسى واصحابه الى الله فيرسل الله طيرا كاعناق البخت فتحملهم فتطرحهم حيث شاء الله ثم يرسل الله مطرا لا يكن منه بيت مدر ولا وبر فيغسل الارض حتى يتركها كالزلفة ثم يقال للارض انبتي ثمرتك وردي بركتك . فيوميذ تاكل العصابة من الرمانة ويستظلون بقحفها ويبارك في الرسل حتى ان اللقحة من الابل لتكفي الفيام من الناس واللقحة من البقر لتكفي القبيلة من الناس واللقحة من الغنم لتكفي الفخذ من الناس فبينما هم كذلك اذ بعث الله ريحا طيبة فتاخذهم تحت اباطهم فتقبض روح كل مومن وكل مسلم ويبقى شرار الناس يتهارجون فيها تهارج الحمر فعليهم تقوم الساعة