Loading...

Loading...
বইসমূহ
৭২ হাদিসসমূহ
(…/২৭৬১) মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ..... আবু হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে হাজ্জাজের বর্ণনার অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। এ রিওয়ায়াতের মধ্যে আসমা (রাযিঃ) এর কথা উল্লেখ নেই। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৭৪১, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا ابو داود، حدثنا ابان بن يزيد، وحرب بن شداد، عن يحيى بن ابي كثير، عن ابي سلمة، عن ابي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم . بمثل رواية حجاج حديث ابي هريرة خاصة ولم يذكر حديث اسماء
মুহাম্মাদ ইবনু আবূ বাকর আল মুকাদ্দামী (রহঃ) ..... আসমা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ তা’আলা হতে বেশি আত্মমর্যাদাবোধ সম্পন্ন আর কেউ নেই। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৭৪২, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثنا محمد بن ابي بكر المقدمي، حدثنا بشر بن المفضل، عن هشام، عن يحيى، بن ابي كثير عن ابي سلمة، عن عروة، عن اسماء، عن النبي صلى الله عليه وسلم انه قال " لا شىء اغير من الله عز وجل
কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মু'মিন আত্মমর্যাদা হিফাযাত করে। আল্লাহ তা’আলা সর্বাধিক আত্মমর্যাদাবোধ সম্পন্ন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৭৪৩, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا عبد العزيز، - يعني ابن محمد - عن العلاء، عن ابيه، عن ابي هريرة، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " المومن يغار والله اشد غيرا
(…/...) মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ..... ‘আলা (রহঃ) হতে এ সূত্রে বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৭৩৪৪, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثنا محمد بن المثنى، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، قال سمعت العلاء، بهذا الاسناد
কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ ও আবু কামিল ফুযায়ল ইবনু হুসায়ন আল জাহদারী (রহঃ) ...... আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। (তিনি বলেন) এক লোক কোন মহিলাকে চুম্বন করে। তারপর সে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এসে এ বিষয়টি বর্ণনা করল। রাবী বলেন, তখন আয়াত নাযিল হলোঃ "সালাত প্রতিষ্ঠা করবে দিনের দু' প্রান্তে এবং রাতের কিয়দংশে। নিশ্চয়ই সৎকর্ম গুনাহসমূহকে দূর করে দেয়। যারা উপদেশ গ্রহণ করে এটা তাদের জন্য এক উপদেশ"- (সূরা হুদ ১১ঃ ১১৪)। বর্ণনাকারী বলেন, তারপর লোকটি বলল, হে আল্লাহর রসূল! এ বিধান কি একমাত্র আমার জন্য? তিনি বললেন, আমার উম্মাতের যে কেউ এ ‘আমল করবে তার জন্যও (এ বিধান)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৭৪৫, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا قتيبة بن سعيد، وابو كامل فضيل بن حسين الجحدري كلاهما عن يزيد، بن زريع - واللفظ لابي كامل - حدثنا يزيد، حدثنا التيمي، عن ابي عثمان، عن عبد الله، بن مسعود ان رجلا، اصاب من امراة قبلة فاتى النبي صلى الله عليه وسلم فذكر له ذلك - قال - فنزلت { اقم الصلاة طرفى النهار وزلفا من الليل ان الحسنات يذهبن السييات ذلك ذكرى للذاكرين} قال فقال الرجل الي هذه يا رسول الله قال " لمن عمل بها من امتي
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া, কুতাইবাহ্ ইবনু সাঈদ ও আবু বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক লোক নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এসে বলল, হে আল্লাহর রসূল! মাদীনার এক প্রান্তে এক মহিলাকে কাবু করার জন্যে চেষ্টা তদবীর করেছি। সহবাস ব্যতিরেকে তার সাথে আমি একান্তে মিলিত হয়েছি। আমিই সে, লোক। আপনি আমার ব্যাপারে যা ইচ্ছা সিদ্ধান্ত দিন। তখন উমর (রাযিঃ) তাকে বললেন, আল্লাহ তো তোমার অন্যায়কে লুক্কায়িত রেখেছেন। তুমিও যদি তোমার স্বীয় বিষয়টি গোপন রাখতে। রাবী বলেন, কিন্তু নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে আর কোন জবাব দেননি। এরপর লোকটি উঠে যেতে লাগল। এমতাবস্থায় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক লোককে তার পিছনে পাঠালেন। যেন সে তাকে ডেকে আনে। অতঃপর তিনি তার সামনে এ আয়াতটি তিলাওয়াত করলেনঃ “সালাত প্রতিষ্ঠা করবে দিনের দু’ প্রান্তে এবং রাতের কিয়দংশে। অবশ্যই নেককর্ম অসৎকর্মকে দূর করে দেয়। যারা উপদেশ গ্রহণ করে, এ হলো তাদের জন্য এক উপদেশ।” তখন লোকেদের মধ্য হতে জনৈক লোক বলল, হে আল্লাহর নবী! এ বিধান কি তার জন্য নির্দিষ্ট? জবাবে তিনি বললেন, না; বরং সকল মানুষের জন্যই এ বিধান কার্যকর। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৭৪৮, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا يحيى بن يحيى، وقتيبة بن سعيد، وابو بكر بن ابي شيبة - واللفظ ليحيى - قال يحيى اخبرنا وقال الاخران، حدثنا ابو الاحوص، عن سماك، عن ابراهيم، عن علقمة، والاسود، عن عبد الله، قال جاء رجل الى النبي صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله اني عالجت امراة في اقصى المدينة واني اصبت منها ما دون ان امسها فانا هذا فاقض في ما شيت . فقال له عمر لقد سترك الله لو سترت نفسك - قال - فلم يرد النبي صلى الله عليه وسلم شييا فقام الرجل فانطلق فاتبعه النبي صلى الله عليه وسلم رجلا دعاه وتلا عليه هذه الاية { اقم الصلاة طرفى النهار وزلفا من الليل ان الحسنات يذهبن السييات ذلك ذكرى للذاكرين} فقال رجل من القوم يا نبي الله هذا له خاصة قال " بل للناس كافة
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে আবু আহওয়াস এর অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, তবে এ হাদীসের মধ্যে আছে, তখন মুআয (রাযিঃ) জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর রসূল! এ হুকুম কি শুধু তার জন্য, না আমাদের সবার জন্য সার্বিকভাবে প্রযোজ্য? জবাবে তিনি বললেন, না; বরং তোমাদের সবার জন্য সার্বিকভাবে প্রযোজ্য। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৭৪৯, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا ابو النعمان الحكم بن عبد الله العجلي، حدثنا شعبة، عن سماك بن حرب، قال سمعت ابراهيم، يحدث عن خاله الاسود، عن عبد الله، عن النبي صلى الله عليه وسلم بمعنى حديث ابي الاحوص وقال في حديثه فقال معاذ يا رسول الله هذا لهذا خاصة او لنا عامة قال " بل لكم عامة
মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল আ’লা (রহঃ) ..... ইবনু মাসউদ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, জনৈক লোক নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এসে বলল, সে জনৈক মহিলাকে চুম্বন করেছে বা স্বীয় হাত দ্বারা ছুয়েছে কিংবা এ রকম কোন কিছু করেছে। এ বলে সে যেন এর কাফফারার ব্যাপারে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট জানতে চাচ্ছেন। বর্ণনাকারী বলেন, তারপর আল্লাহ তা’আলা উপরোক্ত আয়াত নাযিল করলেন। অতঃপর তিনি ইয়াযীদের হাদীসের হুবহু বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৭৪৬, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا محمد بن عبد الاعلى، حدثنا المعتمر، عن ابيه، حدثنا ابو عثمان، عن ابن، مسعود ان رجلا، اتى النبي صلى الله عليه وسلم فذكر انه اصاب من امراة اما قبلة او مسا بيد او شييا كانه يسال عن كفارتها - قال - فانزل الله عز وجل . ثم ذكر بمثل حديث يزيد
(…) উসমান ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) ..... সুলাইমান আত তাইমী (রহঃ) এর সানাদে উক্ত সূত্রে বর্ণনা করেন যে, জনৈক লোক যিনায় জড়িয়ে পড়া ব্যতীত এক মহিলার সঙ্গে কিছু অসৌজন্যমূলক আচরণ করল। এরপর সে উমার ইবনুল খাত্তাব (রাযিঃ) এর কাছে আসলো। উমার (রাযিঃ) তার এ কর্মটিকে মারাত্মক অন্যায় মনে করলেন। অতঃপর সে আবূ বাকর (রাযিঃ) এর নিকট আসলো। তিনিও কর্মটি কঠিন অপরাধ মনে করলেন। পরিশেষে সে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট আসলো। তারপর বর্ণনাকারী হাদীসটি ইয়াযীদ এবং মু’তামির এর হাদীসের অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৭৪৭, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا عثمان بن ابي شيبة، حدثنا جرير، عن سليمان التيمي، بهذا الاسناد قال اصاب رجل من امراة شييا دون الفاحشة فاتى عمر بن الخطاب فعظم عليه ثم اتى ابا بكر فعظم عليه ثم اتى النبي صلى الله عليه وسلم فذكر بمثل حديث يزيد والمعتمر
হাসান ইবনু আলী আল হুলওয়ানী (রহঃ) ..... আনাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক লোক নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এসে বলল, হে আল্লাহর রসূল! আমি হদ যোগ্য অপরাধ করে ফেলেছি। অতএব আপনি আমার উপর তা প্রয়োগ করুন। রাবী বলেন, তখন সালাতের সময় হলো এবং লোকটি রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে সালাত আদায় করল। সালাত আদায় হয়ে গেলে লোকটি বলল, হে আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম! আমি 'হদ' যোগ্য অন্যায় করে ফেলেছি। তাই আপনি আল-কুরআনের বিধানানুসারে আমার উপর হদ কার্যকর করুন। তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তুমি কি আমাদের সাথে সালাত আদায় করছিলে? লোকটি বলল, হ্যাঁ। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তোমাকে মাফ করা হয়েছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৭৫০, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا الحسن بن علي الحلواني، حدثنا عمرو بن عاصم، حدثنا همام، عن اسحاق، بن عبد الله بن ابي طلحة عن انس، قال جاء رجل الى النبي صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله اصبت حدا فاقمه على - قال - وحضرت الصلاة فصلى مع رسول الله صلى الله عليه وسلم فلما قضى الصلاة قال يا رسول الله اني اصبت حدا فاقم في كتاب الله . قال " هل حضرت الصلاة معنا " . قال نعم . قال " قد غفر لك
নাসর ইবনু ‘আলী আল জাহযামী ও যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... আবু উমমাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মসজিদে বসা ছিলেন এবং আমরাও তার সাথে বসে ছিলাম। তখন জনৈক লোক এসে বলল, হে আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম! হদ যোগ্য অন্যায় করে ফেলেছি। অতএব আপনি আমার উপর হদ কার্যকর করুন। তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নীরব থাকলেন। সে আবার বলল, হে আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম! আমি হদ্দ যোগ্য অন্যায় করে ফেলেছি। তাই আপনি আমার উপর হদ কার্যকর করুন। এবারও রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নীরব থাকলেন। লোকটি তৃতীয়বার পুনরাবৃত্তি করল। এমন সময় সালাত শুরু হলো। সালাত শেষ হয়ে গেলে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফিরে এলেন। রাবী আবু উমামাহ্ (রাযিঃ) বলেন, লোকটি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর পশ্চাদ্ধাবন করল। আবু উমামাহ্ (রাযিঃ) বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লোকটিকে কি উত্তর দেন তা দেখার জন্য তিনি সালাত শেষে ফিরে এলে আমিও তার অনুসরণ করলাম। তারপর প্রশ্নকারী লোকটি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট গিয়ে আবার বলল, হে আল্লাহর রসূল! আমি আমার উপর হদ হওয়ার মতো অপরাধ করে ফেলেছি। তাই আমার উপর হদ কার্যকর করুন। আবু উমামাহ (রাযিঃ) বলেন, এরপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ ঘর হতে বের হবার সময় খেয়াল করেছে কি? তুমি কি ভালভাবে উযূ করেনি? সে বলল, হ্যাঁ, নিশ্চয়ই, হে আল্লাহর রসূল! এরপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কি আমাদের সাথে সালাত আদায় করেনি? সে বলল, হ্যাঁ, হে আল্লাহর রসূল! তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেন, আল্লাহ তা’আলা তোমার হদ্দ মাফ করে দিয়েছেন কিংবা বললেন, তোমার পাপ মাফ করে দিয়েছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৭৫১, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا نصر بن علي الجهضمي، وزهير بن حرب، - واللفظ لزهير - قالا حدثنا عمر بن يونس، حدثنا عكرمة بن عمار، حدثنا شداد، حدثنا ابو امامة، قال بينما رسول الله صلى الله عليه وسلم في المسجد ونحن قعود معه اذ جاء رجل فقال يا رسول الله اني اصبت حدا فاقمه على . فسكت عنه رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم اعاد فقال يا رسول الله اني اصبت حدا فاقمه على . فسكت عنه واقيمت الصلاة فلما انصرف نبي الله صلى الله عليه وسلم قال ابو امامة فاتبع الرجل رسول الله صلى الله عليه وسلم حين انصرف واتبعت رسول الله صلى الله عليه وسلم انظر ما يرد على الرجل فلحق الرجل رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله اني اصبت حدا فاقمه على - قال ابو امامة - فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم " ارايت حين خرجت من بيتك اليس قد توضات فاحسنت الوضوء " . قال بلى يا رسول الله . قال " ثم شهدت الصلاة معنا " . فقال نعم يا رسول الله . قال فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم " فان الله قد غفر لك حدك - او قال - ذنبك
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না ও মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... আবূ সাঈদ আল খুদরী (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের আগেকার লোকেদের মধ্যে এক লোক ছিল। সে নিরানব্বই লোককে হত্যা করেছে। তারপর জিজ্ঞেস করল, এ দুনিয়াতে সবচেয়ে প্রজ্ঞাবান লোক কে? তাকে এক আলিম দেখিয়ে দেয়া হয়। সে তার নিকট এসে বলল যে, সে নিরাব্বই লোককে হত্যা করেছে। এমতাবস্থায় তার জন্য কি তওবা আছে? আলিম বলল, না। তখন সে আলিমকেও হত্যা করে ফেলল। সুতরাং সে আলিমকে হত্যা করে একশ’ সম্পূর্ণ করল। অতঃপর সে পুনরায় জিজ্ঞেস করল, এ দুনিয়াতে সবচেয়ে জ্ঞানী কে? তখন তাকে জনৈক ‘আলিম লোকের সন্ধান দেয়া হলো। সে ‘আলিমকে বলল যে, সে একশ’ ব্যক্তিকে হত্যা করেছে, তার জন্য কি তওবা্ আছে? আলিম লোক বললেন, হ্যাঁ। এমন কে আছে যে ব্যক্তি তার মাঝে ও তার তাওবার মাঝে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি করবে? তুমি অমুক দেশে যাও। সেখানে কিছু লোক আল্লাহর ইবাদাতে নিমগ্ন আছে। তুমিও তাদের সাথে আল্লাহর ইবাদাতে লিপ্ত হও। নিজের ভূমিতে আর কক্ষনো প্রত্যাবর্তন করো না। কেননা এ দেশটি ভয়ঙ্কর খারাপ। তারপর সে চলতে লাগল। এমনকি যখন সে মাঝপথে পৌছে তখন তার মৃত্যু আসলো। এবার রহমতের ফেরেশতা ও আযাবের ফেরেশতার মধ্যে তার ব্যাপারে বাক-বিতণ্ডা দেখা গেল। রহমতের ফেরেশতারা বললেন, সে আন্তরিকভাবে আল্লাহর প্রতি আকৃষ্ট হয়ে তাওবার উদ্দেশে এসেছে। আর আযাবের ফেরেশতারা বললেন, সে তো কক্ষনো কোন সৎ কাজ করেনি। এমতাবস্থায় মানুষের আকৃতিতে এক ফেরেশতা আসলেন। তারা তাকে তাদের মাঝে মধ্যস্থতা বানালেন। তিনি উভয়কে বললেন, তোমরা উভয় স্থান পরিমাপ কর (নিজ ভূখণ্ড ও যাত্রাকৃত ভূখণ্ড)। এ দুটি ভূখণ্ডের মধ্যে যা সন্নিকটবর্তী হবে সে অনুযায়ী তার ফায়সালা হবে। তারপর উভয়ে পরিমাপ করে দেখলেন যে, সে ঐ ভূখণ্ডেরই বেশি নিকটবর্তী যেখানে পৌছার জন্যে সংকল্প করেছে। অতঃপর রহমতের ফেরেশতা তার রূহ কবয করে নিলেন। কাতাদাহ (রহঃ) বলেন, হাসান (রহঃ) বলেছেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করা হয়েছে যে, যখন তার মৃত্যু এলো, তখন সে বুকের উপর ভর দিয়ে কিছু এগিয়ে গেল। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৭৫২, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا محمد بن المثنى، ومحمد بن بشار، - واللفظ لابن المثنى - قال حدثنا معاذ بن هشام، حدثني ابي، عن قتادة، عن ابي الصديق، عن ابي سعيد الخدري، ان نبي الله صلى الله عليه وسلم قال " كان فيمن كان قبلكم رجل قتل تسعة وتسعين نفسا فسال عن اعلم اهل الارض فدل على راهب فاتاه فقال انه قتل تسعة وتسعين نفسا فهل له من توبة فقال لا . فقتله فكمل به ماية ثم سال عن اعلم اهل الارض فدل على رجل عالم فقال انه قتل ماية نفس فهل له من توبة فقال نعم ومن يحول بينه وبين التوبة انطلق الى ارض كذا وكذا فان بها اناسا يعبدون الله فاعبد الله معهم ولا ترجع الى ارضك فانها ارض سوء . فانطلق حتى اذا نصف الطريق اتاه الموت فاختصمت فيه ملايكة الرحمة وملايكة العذاب فقالت ملايكة الرحمة جاء تايبا مقبلا بقلبه الى الله . وقالت ملايكة العذاب انه لم يعمل خيرا قط . فاتاهم ملك في صورة ادمي فجعلوه بينهم فقال قيسوا ما بين الارضين فالى ايتهما كان ادنى فهو له . فقاسوه فوجدوه ادنى الى الارض التي اراد فقبضته ملايكة الرحمة " . قال قتادة فقال الحسن ذكر لنا انه لما اتاه الموت ناى بصدره
উবাইদুল্লাহ ইবনু মুআয আল আম্বারী (রহঃ) ..... আবু সাঈদ আল খুদরী (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বর্ণনা করেন, জনৈক ব্যক্তি নিরানব্বই লোককে হত্যা করে বলাবলি করে বেড়াতে লাগল, তার কি তওবা্ (‘র সুযোগ) আছে? অবশেষে সে এক বিশিষ্ট ‘আলিমের নিকট এসে এ ব্যাপারে জানতে চায়। ‘আলিম বলল, তোমার জন্য তওবা্ (র সুযোগ) নেই। তখন সে আলিমকে হত্যা করল। তারপর সে পুনরায় লোকদের জিজ্ঞেস করতে থাকলো। তারপর সে এক জনপদ হতে অন্য জনপদের দিকে যাত্রা করলো যেখানে কিছু সৎ লোকের বসবাস ছিল। অতঃপর যখন সে রাস্তায় ভ্রমণরত ছিল তখন তার মৃত্যু এসে গেল। তখন সে বুকের উপর ভর করে সম্মুখে এগিয়ে গেল। তারপর সে মারা গেল। তখন রহমতের ফেরেশতা ও আযাবের ফেরেশতা তার সম্পর্কে বাক-বিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়লো। তখন দেখা গেল যে, সে সৎ লোকদের জনপদের দিকে এক বিঘত পরিমাণ বেশি নিকটবর্তী রয়েছে। তাই তাকে তাদেরই অন্তর্ভুক্ত করা হলো। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৭৫৩, ইসলামিক সেন্টার)
حدثني عبيد الله بن معاذ العنبري، حدثنا ابي، حدثنا شعبة، عن قتادة، انه سمع ابا الصديق الناجي، عن ابي سعيد الخدري، عن النبي صلى الله عليه وسلم " ان رجلا قتل تسعة وتسعين نفسا فجعل يسال هل له من توبة فاتى راهبا فساله فقال ليست لك توبة . فقتل الراهب ثم جعل يسال ثم خرج من قرية الى قرية فيها قوم صالحون فلما كان في بعض الطريق ادركه الموت فناى بصدره ثم مات فاختصمت فيه ملايكة الرحمة وملايكة العذاب فكان الى القرية الصالحة اقرب منها بشبر فجعل من اهلها
(…) মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... কাতাদাহ (রহঃ) এ সানাদে মুআয ইবনু মুআয এর অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে এ হাদীসে বর্ণনা করেছে যে, তখন আল্লাহ এ ভূমির প্রতি আদেশ করলেন যেন তা দূরবর্তী হয়ে যায় এবং ঐ ভূমির প্রতি আদেশ করলেন যেন তা নিকটবর্তী হয়ে যায়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৭৫৪, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا ابن ابي عدي، حدثنا شعبة، عن قتادة، بهذا الاسناد نحو حديث معاذ بن معاذ وزاد فيه " فاوحى الله الى هذه ان تباعدي والى هذه ان تقربي
আবু বকর ইবনু আবূ শাইবাহ (রহঃ) ..... আবু মূসা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, কিয়ামত দিবসে আল্লাহ তা’আলা প্রত্যেক মুসলিমের নিকট একজন খ্রীস্টান বা ইয়াহুদী দিয়ে বলবেন, এ হচ্ছে তোমার জন্যে জাহান্নামের অগ্নি হতে মুক্তিপণ। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৭৫৫, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا ابو اسامة، عن طلحة بن يحيى، عن ابي، بردة عن ابي موسى، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اذا كان يوم القيامة دفع الله عز وجل الى كل مسلم يهوديا او نصرانيا فيقول هذا فكاكك من النار
(…) আবু বাকর ইবনু আবু শাইবাহ্ (রহঃ)...... আবূ বুরদার পিতা আবু মূসা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, যখনই কোন মুসলিম মারা যায় তখন আল্লাহ তা’আলা তার স্থানে একজন ইয়াহুদী বা খ্রীস্টান লোককে জাহান্নামে প্রবেশ করান। তারপর উমর ইবনু আবদুল আযীয (রহঃ) আবু বুরদাহ (রাযিঃ) কে যিনি ভিন্ন কোন মা’বুদ নেই সে আল্লাহর শপথ দিয়ে তিনবার প্রশ্ন করলেন যে, তার পিতা কি সত্যিই এ কথাটি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে শুনে তার কাছে বর্ণনা করেছেন? তিনি শপথ করে বললেন, হ্যাঁ, অবশ্যই। এ কথাটি সাঈদ আমার কাছে বর্ণনা করেনি। রাবী বলেন, “উমার ইবনু আবদুল আযীয (রহঃ) তাকে কসম দিয়েছেন সাঈদ এ কথা বলেননি এবং ‘আওন এর কথাটিও অস্বীকার করেননি।" (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৭৫৬, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا عفان بن مسلم، حدثنا همام، حدثنا قتادة، ان عونا، وسعيد بن ابي بردة، حدثاه انهما، شهدا ابا بردة يحدث عمر بن عبد العزيز عن ابيه، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " لا يموت رجل مسلم الا ادخل الله مكانه النار يهوديا او نصرانيا " . قال فاستحلفه عمر بن عبد العزيز بالله الذي لا اله الا هو ثلاث مرات ان اباه حدثه عن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال فحلف له - قال - فلم يحدثني سعيد انه استحلفه ولم ينكر على عون قوله
(…/...) ইসহাক ইবনু ইবরাহীম ও মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ..... কাতাদাহ্ (রহঃ) হতে এ সূত্রে আফফান এর হাদীসের অবিকল বর্ণনা করেছেন। তবে এ হাদীসে রয়েছে ‘আওন উতবার ছেলে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৭৫৭, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا اسحاق بن ابراهيم، ومحمد بن المثنى، جميعا عن عبد الصمد بن عبد، الوارث اخبرنا همام، حدثنا قتادة، بهذا الاسناد نحو حديث عفان وقال عون بن عتبة
(…) মুহাম্মদ ইবনু আমর ইবনু আব্বাদ ইবনু জাবালাহ ইবনু আবু রাওওয়াদ (রহঃ) .... আবু বুরদাহ (রহঃ) এর সূত্রে তার পিতা হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, কিছু মুসলিম পাহাড়সম পাপ নিয়ে কিয়ামতের মাঠে আসবে এবং আল্লাহ তা’আলা তাদের পাপ মার্জন করে দিবেন। আর তা ইয়াহুদী ও খ্রীস্টানদের উপর রেখে দিবেন। রাবী হাদীসের শেষের কথাটি সম্পর্কে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। রাবী আবু রাওহ (রহঃ) বলেন, কার পক্ষ থেকে সন্দেহের উদ্রেক হয়েছে, তা আমি জানি না। আবু বুরদাহ (রহঃ) বলেন, এ হাদীসটি আমি উমর ইবনু আবদুল আযীয (রহঃ) এর কাছে বর্ণনা করার পর তিনি আমাকে প্রশ্ন করলেন, তোমার পিতা এ হাদীসটি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে সরাসরি শুনে তোমার কাছে বর্ণনা করেছে কি? আমি বললাম, হ্যাঁ। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৭৫৮, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا محمد بن عمرو بن عباد بن جبلة بن ابي رواد، حدثنا حرمي بن عمارة، حدثنا شداد ابو طلحة الراسبي، عن غيلان بن جرير، عن ابي بردة، عن ابيه، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " يجيء يوم القيامة ناس من المسلمين بذنوب امثال الجبال فيغفرها الله لهم ويضعها على اليهود والنصارى " . فيما احسب انا . قال ابو روح لا ادري ممن الشك . قال ابو بردة فحدثت به عمر بن عبد العزيز فقال ابوك حدثك هذا عن النبي صلى الله عليه وسلم قلت نعم
যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... সাফওয়ান ইবনু মুহরিয (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক লোক ইবনু উমর (রাযিঃ) কে প্রশ্ন করলেন, নাজওয়া (আল্লাহ ও বান্দার গোপন কথা) সম্পর্কে আপনি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে কিভাবে শুনেছেন? তিনি বললেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে এ কথা বলতে শুনেছি, কিয়ামতের দিনে মুমিন ব্যক্তিকে তার প্রভুর নিকটবর্তী করা হবে। তারপর আল্লাহ তা’আলা তার উপর পর্দা ঢেলে দিবেন এবং তার পাপের ব্যাপারে তার থেকে জবানবন্দি নিবেন। তিনি প্রশ্ন করবেন, তুমি তোমার পাপ সম্বন্ধে জান কি? সে বলবে, হে রব! আমি জানি। এরপর তিনি বলবেন, তোমার এ পাপ দুনিয়ায় আমি লুক্কায়িত রেখেছিলাম। আজ তোমার এ পাপগুলোকে আমি মাফ করে দিলাম। এরপর তার নেকীর ‘আমলনামা তার কাছে দেয়া হবে। এরপর কাফির ও মুনাফিক লোকদেরকে উপস্থিত সকল মানুষের সম্মুখে ডেকে বলা হবে, এরাই তারা যারা আল্লাহ তা’আলার উপর মিথ্যারোপ করেছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৭৫৯, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا زهير بن حرب، حدثنا اسماعيل بن ابراهيم، عن هشام الدستوايي، عن قتادة، عن صفوان بن محرز، قال قال رجل لابن عمر كيف سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول في النجوى قال سمعته يقول " يدنى المومن يوم القيامة من ربه عز وجل حتى يضع عليه كنفه فيقرره بذنوبه فيقول هل تعرف فيقول اى رب اعرف . قال فاني قد سترتها عليك في الدنيا واني اغفرها لك اليوم . فيعطى صحيفة حسناته واما الكفار والمنافقون فينادى بهم على رءوس الخلايق هولاء الذين كذبوا على الله
সালামাহ্ ইবনু শাবীব (রহঃ) ..... উবাইদুল্লাহ ইবনু কা'ব (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। কা’ব (রাযিঃ) চক্ষু রোগে আক্রান্ত হবার পর উবাইদুল্লাহ তাকে পরিচালনা করতেন। তিনি তার কাওমের মাঝে সবচেয়ে প্রজ্ঞাবান লোক ছিলেন এবং রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহাবাদের হাদীস বেশি হিফাযাতকারী ছিলেন। তিনি বলেনঃ যে তিনজন লোকের তওবা আল্লাহ গ্রহণ করেছিলেন, আমার পিতা কা'ব ইবনু মালিক (রাযিঃ) ঐ তিন লোকের অন্যতম ছিলেন। আমি তাকে বলতে শুনেছি, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যত যুদ্ধ করেছেন এর মধ্যে তিনি দুটি ছাড়া আর কোন যুদ্ধে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে পেছনে থাকেননি। তারপর তিনি পূর্বের অনুরূপ ঘটনাটি বর্ণনা করেছেন। তবে এতে রয়েছে যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বহু সৈন্য সামন্ত নিয়ে এ যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন। তাদের সংখ্যা দশ হাজারের চেয়েও বেশি ছিল। কোন তালিকায় তাদের নাম লিখে রাখা ছিল না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৭৬২, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثني سلمة بن شبيب، حدثنا الحسن بن اعين، حدثنا معقل، - وهو ابن عبيد الله - عن الزهري، اخبرني عبد الرحمن بن عبد الله بن كعب بن مالك، عن عمه، عبيد الله بن كعب وكان قايد كعب حين اصيب بصره وكان اعلم قومه واوعاهم لاحاديث اصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم قال سمعت ابي كعب بن مالك وهو احد الثلاثة الذين تيب عليهم يحدث انه لم يتخلف عن رسول الله صلى الله عليه وسلم في غزوة غزاها قط غير غزوتين . وساق الحديث وقال فيه وغزا رسول الله صلى الله عليه وسلم بناس كثير يزيدون على عشرة الاف ولا يجمعهم ديوان حافظ