Loading...

Loading...
বইসমূহ
৭২ হাদিসসমূহ
মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র (রহঃ) ...... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ আল্লাহর একশ’ ভাগ রহমত আছে। তন্মধ্যে একভাগ রহমত তিনি জিন, ইনসান, চতুষ্পদ জন্তু ও কীট-পতঙ্গের মধ্যে ভাগ করে দিয়েছেন। এ এক ভাগ রহমতের কারণেই সৃষ্ট জীব পরস্পর একে অপরের প্রতি দয়া করে এবং এ এক ভাগ রহমতের মাধ্যমে বন্য পশু নিজ সন্তানের প্রতি দয়া ও অনুকম্পা প্রদর্শন করে। মহান আল্লাহ তার একশ’ ভাগ রহমতের নিরানব্বই ভাগ রহমত নিজের কাছে রেখে দিয়েছেন। এর দ্বারা তিনি কিয়ামতের দিন স্বীয় বান্দাদের প্রতি দয়া করবেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৭২১, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا ابي، حدثنا عبد الملك، عن عطاء، عن ابي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " ان لله ماية رحمة انزل منها رحمة واحدة بين الجن والانس والبهايم والهوام فبها يتعاطفون وبها يتراحمون وبها تعطف الوحش على ولدها واخر الله تسعا وتسعين رحمة يرحم بها عباده يوم القيامة
হাকাম ইবনু মূসা (রহঃ) ..... সালমান আল ফারসী (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ তা’আলার একশ’ ভাগ রহমত আছে। তার মধ্যে একভাগ রহমতের দ্বারাই সৃষ্ট জীব পরস্পর একে অন্যের প্রতি দয়া প্রদর্শন করে। বাকী নিরানব্বই ভাগ রহমত রাখা হয়েছে কিয়ামত দিনের জন্য। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৭২২, ইসলামিক সেন্টার)
حدثني الحكم بن موسى، حدثنا معاذ بن معاذ، حدثنا سليمان التيمي، حدثنا ابو عثمان النهدي عن سلمان الفارسي، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ان لله ماية رحمة فمنها رحمة بها يتراحم الخلق بينهم وتسعة وتسعون ليوم القيامة
(…/...) মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল আ’লা (রহঃ) ..... মু’তামির এর পিতা থেকে উপরোক্ত সূত্রে হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৭২৩, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثناه محمد بن عبد الاعلى، حدثنا المعتمر، عن ابيه، بهذا الاسناد
ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... সালমান (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আকাশমণ্ডলী ও জমিন সৃষ্টির সময়ে আল্লাহ তা’আলা একশ’ রহমত সৃষ্টি করেছেন। প্রত্যেকটি রহমত আকাশ ও জমিনের দূরত্বের সমপরিমাণ। এ একশ’ রহমত হতে একভাগ রহমত দুনিয়ার জন্য নির্ধারণ করেছেন। এর তাগিদেই মা তার সন্তানের প্রতি এতটুকু স্নেহপরায়ণা হয়ে থাকে এবং বন্য পশু-পাখী একে অপরের প্রতি অনুরক্ত হয়। যখন কিয়ামত দিবস হবে তখন আল্লাহ তা’আলা এ রহমত দ্বারা (একভাগকেও নিরাব্বই ভাগের সাথে মিলিয়ে একশ’) পূর্ণ করবেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৭২৪, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا ابن نمير، حدثنا ابو معاوية، عن داود بن ابي هند، عن ابي عثمان، عن سلمان، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ان الله خلق يوم خلق السموات والارض ماية رحمة كل رحمة طباق ما بين السماء والارض فجعل منها في الارض رحمة فبها تعطف الوالدة على ولدها والوحش والطير بعضها على بعض فاذا كان يوم القيامة اكملها بهذه الرحمة
হাসান ইবনু আলী আল হুলওয়ানী এবং মুহাম্মাদ ইবনু সাহল আত তামীমী (রহঃ) ...... উমার ইবনুল খাত্তাব (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক সময় কয়েকজন বন্দী রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট নিয়ে আসা হলো। বন্দীদের মধ্যে থেকে একজন নারী কেবলই অনুসন্ধানে রত ছিল। সে বন্দীদের মধ্যে কোন শিশুকে পাওয়া মাত্র তাকে কোলে নিয়ে পেটের সাথে জড়িয়ে ধরে তাকে দুগ্ধ পান করাত। এ দেখে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের প্রশ্ন করলেন, এ মহিলাটি কি তার সন্তানদেরকে আগুনে ফেলতে রাজি হবে? আমরা বললাম, না। আল্লাহর শপথ! সে কোন সময় তার সন্তানকে আগুনে নিক্ষেপ করতে পারবে না। তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, সন্তানের উপর এ মহিলাটির দয়া হতেও আল্লাহ বেশি দয়ালু। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৭২৫, ইসলামিক সেন্টার)
حدثني الحسن بن علي الحلواني، ومحمد بن سهل التميمي، - واللفظ لحسن - حدثنا ابن ابي مريم، حدثنا ابو غسان، حدثني زيد بن اسلم، عن ابيه، عن عمر بن الخطاب، انه قال قدم على رسول الله صلى الله عليه وسلم بسبى فاذا امراة من السبى تبتغي اذا وجدت صبيا في السبى اخذته فالصقته ببطنها وارضعته فقال لنا رسول الله صلى الله عليه وسلم " اترون هذه المراة طارحة ولدها في النار " . قلنا لا والله وهي تقدر على ان لا تطرحه . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لله ارحم بعباده من هذه بولدها
ইয়াহইয়া ইবনু আইয়্যুব, কুতাইবাহ ও ইবনু হুজর (রহঃ) ..... আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহর কাছে যে কি পরিমাণ শাস্তি রয়েছে, ঈমানদারগণ যদি তা জানত তবে কেউ তার কাছে জান্নাতের প্রত্যাশা করত না। এমনিভাবে আল্লাহর কাছে যে পরিমাণ দয়া আছে, অবিশ্বাসীরা যদি তা জানত তবে কেউ তার জান্নাত থেকে নিরাশ হত না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৭২৬, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا يحيى بن ايوب، وقتيبة، وابن، حجر جميعا عن اسماعيل بن جعفر، قال ابن ايوب حدثنا اسماعيل، اخبرني العلاء، عن ابيه، عن ابي هريرة، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " لو يعلم المومن ما عند الله من العقوبة ما طمع بجنته احد ولو يعلم الكافر ما عند الله من الرحمة ما قنط من جنته احد
মুহাম্মাদ ইবনু মারযুক্ বিনতু মাহদী ইবনু মাইমূন (রহঃ) ...... আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ জনৈক লোক যে জীবনে কক্ষনো কোন প্রকার সাওয়াবের কাজ করেনি, যখন সে মারা যাবে তার পরিবার পরিজনকে ডেকে বলল, মৃত্যুর পর তোমরা তাকে পুড়ে ফেলবে সেটার অর্ধেক স্থলভাগে বাতাসে উড়িয়ে দিবে এবং অর্ধেক পানিতে নিক্ষেপ করবে। কারণ আল্লাহর কসম! আমাকে যদি আল্লাহ পুনঃ একত্রিত করতে পারেন তাহলে তিনি আমাকে অবশ্যই এমন আযাব দিবেন, যা পৃথিবীর অন্য কাউকে কখনো দেননি। তারপর লোকটি যখন ইন্তিকাল করল তখন তার পরিবারের লোকেরা তার নির্দেশ অনুযায়ী তদ্রুপ করল। তখন আল্লাহ তা’আলা স্থলভাগকে আদেশ দিলে সে তার মধ্যস্থিত যা কিছু আছে (ছাই) একত্রিত করলো। এরপর পানিতে মিশ্রিত ভাগকে নির্দেশ দিলেন। সেও তার মধ্যস্থিত সব কিছু একত্রিত করে দিল। অতঃপর আল্লাহ তা’আলা তাকে প্রশ্ন করলেন, তুমি এমনটি কেন করলে? সে বলল, হে আমার রব! আপনার ভয়ে। আপনি তো সর্বজ্ঞ। তখন আল্লাহ তা’আলা সদয় হয়ে তাকে মাফ করে দিলেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৭২৭, ইসলামিক সেন্টার)
حدثني محمد بن مرزوق ابن بنت مهدي بن ميمون، حدثنا روح، حدثنا مالك، عن ابي الزناد، عن الاعرج، عن ابي هريرة، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " قال رجل لم يعمل حسنة قط لاهله اذا مات فحرقوه ثم اذروا نصفه في البر ونصفه في البحر فوالله لين قدر الله عليه ليعذبنه عذابا لا يعذبه احدا من العالمين فلما مات الرجل فعلوا ما امرهم فامر الله البر فجمع ما فيه وامر البحر فجمع ما فيه ثم قال لم فعلت هذا قال من خشيتك يا رب وانت اعلم . فغفر الله له
অপর এক সানাদে যুহরী (রহঃ) ..... আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) এর সূত্রে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেন, জনৈক মহিলা একটি বিড়ালের কারণে জাহান্নামে প্রবেশ করেছে। সে বিড়ালটি বেঁধে রেখেছিল; অথচ তাকে কোন আহারও প্রদান করেনি এবং জমি থেকে কীট-পতঙ্গ বা ঘাসপাতা খাবার জন্য তাকে ছেড়েও দেয়নি। এমনিভাবে বিড়ালটির মৃত্যু হয়। যুহরী (রহঃ) বলেন, উপরোল্লিখিত হাদীস দু’টো এ কারণেই আলোচনা করা হয়েছে, যেন মানুষ আমল পরিত্যাগ করে আল্লাহর রহমতের উপর ভরসা করে বসে না থাকে (পাপরাশিতে ডুবে না থাকে) এবং যেন মানুষ আল্লাহর অনুগ্রহ থেকে (আযাবের ভয়ে) নিরাশ না হয়ে যায়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৭২৮, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا محمد بن رافع، وعبد بن حميد، قال عبد اخبرنا وقال ابن رافع، - واللفظ له - حدثنا عبد الرزاق، اخبرنا معمر، قال قال لي الزهري الا احدثك بحديثين عجيبين قال الزهري اخبرني حميد بن عبد الرحمن عن ابي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " اسرف رجل على نفسه فلما حضره الموت اوصى بنيه فقال اذا انا مت فاحرقوني ثم اسحقوني ثم اذروني في الريح في البحر فوالله لين قدر على ربي ليعذبني عذابا ما عذبه به احدا . قال ففعلوا ذلك به فقال للارض ادي ما اخذت . فاذا هو قايم فقال له ما حملك على ما صنعت فقال خشيتك يا رب - او قال - مخافتك . فغفر له بذلك " . قال الزهري وحدثني حميد، عن ابي هريرة، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " دخلت امراة النار في هرة ربطتها فلا هي اطعمتها ولا هي ارسلتها تاكل من خشاش الارض حتى ماتت هزلا " . قال الزهري ذلك ليلا يتكل رجل ولا يياس رجل
আবু রাবী’, সুলাইমান ইবনু দাউদ (রহঃ) ..... আবু হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে এ কথা বলতে শুনেছি যে, একজন গোলাম তার নিজের আত্মার প্রতি যুলম করেছিল অর্থাৎ সীমাহীন পাপ করেছিল। তারপর তিনি فَغَفَرَ اللَّهُ لَهُ পর্যন্ত মা'মার এর বর্ণিত হাদীসের হুবহু বর্ণনা করেছেন। তবে বিড়ালের কাহিনী সম্পর্কিত মহিলার হাদীসটি বর্ণনা করেননি। তবে যুবাইদী (রহঃ) এর হাদীসে রয়েছে, তারপর আল্লাহ তা’আলা— যারা তার সর্বাঙ্গ গ্রাস করেছে তাদের বললেন, তার যে যে অংশে তোমরা খেয়ে ফেলেছে, তা সমম্বিত করে দাও। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৭২৯, ইসলামিক সেন্টার)
حدثني ابو الربيع، سليمان بن داود حدثنا محمد بن حرب، حدثني الزبيدي، قال الزهري حدثني حميد بن عبد الرحمن بن عوف، عن ابي هريرة، قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " اسرف عبد على نفسه " . بنحو حديث معمر الى قوله " فغفر الله له " . ولم يذكر حديث المراة في قصة الهرة وفي حديث الزبيدي قال " فقال الله عز وجل لكل شىء اخذ منه شييا اد ما اخذت منه
উবাইদুল্লাহ ইবনু মুআয আল আম্বারী (রহঃ) ..... আবু সাঈদ আল খুদরী (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করলে, (তিনি বলেছেন,) আগের যুগের এক লোক ছিল। আল্লাহ তা’আলা তাকে অনেক সন্তান এবং অনেক প্রাচুর্য দিয়েছিলেন। সে তার সন্তান-সন্ততিদের বলল, আমি যা তোমাদের আদেশ করব অবশ্যই তোমরা তা করবে নচেৎ আমি অন্য কাউকে আমার ধন-সম্পদের উত্তরাধিকার করে দিব। আমি যখন মরে যাবো তখন তোমরা আমাকে আগুনে জুলিয়ে ফেলবে। বর্ণনাকারী বলেন, আমার মনে হয় যে, সে এও বলেছে যে, তারপর আমাকে পিষে বাতাসে উড়িয়ে দিবে। কারণ আল্লাহর কাছে আগে আমি কোন সাওয়াব পাঠাইনি। আল্লাহ তা’আলা আমাকে সাজা দেয়ার উপর শক্তি রাখেন। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, এ বিষয়ে সে তার সন্তানদের থেকে স্বীকারোক্তি গ্রহণ করল। এরপর তারা তার পিতার ক্ষেত্রে তেমনি করল। আমার রবের কসম! এরপর আল্লাহ তা’আলা তাকে প্রশ্ন করলেন, এ কর্ম করার বিষয়ে কিসে তোমাকে উৎসাহিত করেছে? সে বলল, আপনার ভয়ে। এ কথা শুনে আল্লাহ তাকে আর কোন আযাব দেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৭৩০, ইসলামিক সেন্টার)
حدثني عبيد الله بن معاذ العنبري، حدثنا ابي، حدثنا شعبة، عن قتادة، سمع عقبة بن عبد الغافر، يقول سمعت ابا سعيد الخدري، يحدث عن النبي صلى الله عليه وسلم " ان رجلا فيمن كان قبلكم راشه الله مالا وولدا فقال لولده لتفعلن ما امركم به او لاولين ميراثي غيركم اذا انا مت فاحرقوني - واكثر علمي انه قال - ثم اسحقوني واذروني في الريح فاني لم ابتهر عند الله خيرا وان الله يقدر على ان يعذبني - قال - فاخذ منهم ميثاقا ففعلوا ذلك به وربي فقال الله ما حملك على ما فعلت فقال مخافتك . قال فما تلافاه غيرها
ইয়াহইয়া ইবনু হাবীব আল হারিসী, আবু বকর ইবনু আবু শাইবাহ ও ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ..... কাতাদাহ্ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তারা সকলেই শুবার সানাদের ন্যায় উক্ত হাদীসটি শুবার হাদীসের অবিকল বর্ণনা করেছেন। শাইবান এর হাদীসে رَاشَهُ اللَّهُ -এর স্থলে رَغَسَهُ (আল্লাহ তাকে দান করেছেন) বর্ণিত আছে। আর আত তামিমির হাদিসের মধ্যেلَمْ أَبْتَهِرْ عِنْدَ اللَّهِ خَيْرًا এর স্থলেلَمْ يَبْتَئِرْ عِنْدَ اللَّهِ خَيْرًا বর্ণিত আছে। কাতাদাহ্ (রহঃ) এর ব্যাখ্যায় বলেন, সে আল্লাহর কাছে কোন বিষয়ই একত্রিত করেনি। শইবান এর হাদিসে আছে مَا ابْتَأَرَ عِنْدَ اللَّهِ خَيْرًا আর আবূ আওয়ানার হাদিসে আছে مَا امْتَأَرَ عِنْدَ اللَّهِ خَيْرًا বা অক্ষরের স্থলে মীম অক্ষর আছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৭৩১, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثناه يحيى بن حبيب الحارثي، حدثنا معتمر بن سليمان، قال قال لي ابي حدثنا قتادة، ح وحدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا الحسن بن موسى، حدثنا شيبان، بن عبد الرحمن ح وحدثنا ابن المثنى، حدثنا ابو الوليد، حدثنا ابو عوانة، كلاهما عن قتادة، ذكروا جميعا باسناد شعبة نحو حديثه وفي حديث شيبان وابي عوانة " ان رجلا من الناس رغسه الله مالا وولدا " . وفي حديث التيمي " فانه لم يبتير عند الله خيرا " . قال فسرها قتادة لم يدخر عند الله خيرا . وفي حديث شيبان " فانه والله ما ابتار عند الله خيرا " . وفي حديث ابي عوانة " ما امتار " . بالميم
আবদুল আ’লা ইবনু হাম্মাদ (রহঃ) ..... আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) এর সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) স্বীয় রব আল্লাহ রাব্বুল আলামীন হতে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, জনৈক বান্দা পাপ করে বলল, হে আমার রব! আমার পাপ মার্জনা করে দাও। তারপর আল্লাহ তা’আলা বললেন, আমার বান্দা পাপ করেছে এবং সে জানে যে, তার একজন রব আছে, যিনি পাপ মার্জনা করেন এবং পাপের কারণে ধরেন। এ কথা বলার পর সে আবার পাপ করল এবং বলল, হে আমার রব! আমার পাপ ক্ষমা করে দাও। তারপর আল্লাহ তা’আলা বললেন, আমার এক বান্দা পাপ করেছে এবং সে জানে যে, তার একজন রব আছে যিনি পাপ মার্জনা করেন এবং পাপের কারণে শাস্তি দিতে পারেন। তারপর সে পুনরায় পাপ করে বলল, হে আমার রব! আমার পাপ মাফ করে দাও। এ কথা শুনে আল্লাহ তা’আলা পুনরায় বলেন, আমার বান্দা পাপ করেছে এবং সে জানে যে, তার একজন প্রভু আছে, যিনি বান্দার পাপ মার্জনা করেন এবং পাপের কারণে পাকড়াও করেন। তারপর আল্লাহ তা’আলা বলেন, হে বান্দা! এখন যা ইচ্ছা তুমি আমল করো। আমি তোমার গুনাহ মাফ করে দিয়েছি। বর্ণনাকারী আবদুল আ’লা বলেন, "এখন যা ইচ্ছা তুমি আমল করো" কথাটি আল্লাহ তা’আলা তৃতীয়বারের পর বলেছেন, না চতুর্থবারের পর বলেছেন, তা আমি জানি না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৭৩২, ইসলামিক সেন্টার)
حدثني عبد الاعلى بن حماد، حدثنا حماد بن سلمة، عن اسحاق بن عبد الله، بن ابي طلحة عن عبد الرحمن بن ابي عمرة، عن ابي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم فيما يحكي عن ربه عز وجل قال " اذنب عبد ذنبا فقال اللهم اغفر لي ذنبي . فقال تبارك وتعالى اذنب عبدي ذنبا فعلم ان له ربا يغفر الذنب وياخذ بالذنب . ثم عاد فاذنب فقال اى رب اغفر لي ذنبي . فقال تبارك وتعالى عبدي اذنب ذنبا فعلم ان له ربا يغفر الذنب وياخذ بالذنب . ثم عاد فاذنب فقال اى رب اغفر لي ذنبي . فقال تبارك وتعالى اذنب عبدي ذنبا فعلم ان له ربا يغفر الذنب وياخذ بالذنب واعمل ما شيت فقد غفرت لك " . قال عبد الاعلى لا ادري اقال في الثالثة او الرابعة " اعمل ما شيت
আবু আহমাদ (রহঃ) ...... আবদুল আ’লা ইবনু হাম্মাদ আন নার্সী (রহঃ) হতে উপরোক্ত সূত্রে অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৭৩২, ইসলামিক সেন্টার)
قال ابو احمد حدثني محمد بن زنجويه القرشي القشيري، حدثنا عبد الاعلى، بن حماد النرسي بهذا الاسناد
আব্দ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে এক লোক পাপ করল এ মর্মে একটি হাদীস বর্ণনা করতে শুনেছি। এরপর রাবী হাম্মাদ ইবনু সালামার অবিকল হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তবে এ হাদীসের মাঝে أَذْنَبَ ذَنْبًا কথাটি তিনবার বর্ণিত আছে এবং তৃতীয়বারের পর রয়েছে- আমি আমার বান্দাকে ক্ষমা করে দিলাম। তাই এখন সে যা ইচ্ছা তা আমল করুক। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৭৩৩, ইসলামিক সেন্টার)
حدثني عبد بن حميد، حدثني ابو الوليد، حدثنا همام، حدثنا اسحاق بن عبد الله، بن ابي طلحة قال كان بالمدينة قاص يقال له عبد الرحمن بن ابي عمرة - قال - فسمعته يقول سمعت ابا هريرة يقول سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " ان عبدا اذنب ذنبا " . بمعنى حديث حماد بن سلمة . وذكر ثلاث مرات " اذنب ذنبا " . وفي الثالثة " قد غفرت لعبدي فليعمل ما شاء
উসমান ইবনু আবূ শাইবাহ ও ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ..... ‘আবদুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহর তুলনায় আত্মপ্রশংসা বেশি পছন্দকারী কেউ নেই। এজন্যই তিনি নিজে নিজের প্রশংসা করেছেন। এমনিভাবে আল্লাহর তুলনায় বেশি আত্মমর্যাদাবোধ সম্পন্নও কেউ নেই। এজন্যই প্রকাশ্য এবং গোপনীয় সকল প্রকার অশ্লীলতাকে তিনি হারাম ঘোষণা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৭৩৬, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا عثمان بن ابي شيبة، واسحاق بن ابراهيم، قال اسحاق اخبرنا وقال، عثمان حدثنا جرير، عن الاعمش، عن ابي وايل، عن عبد الله، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ليس احد احب اليه المدح من الله من اجل ذلك مدح نفسه وليس احد اغير من الله من اجل ذلك حرم الفواحش
মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র, আবু কুরায়ব ও আবু বাকর ইবনু আবু শাইবাহ (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহর চেয়ে বেশি আত্মমর্যাদাবোধ সম্পন্ন আর কোন সত্তা নেই। এজন্যেই প্রকাশ্য-গোপনীয় সকল প্রকার অশ্লীলতাকে তিনি হারাম ঘোষণা করেছেন এবং আল্লাহ তা’আলা থেকে আত্মপ্রশংসা বেশি পছন্দকারীও আর কোন সত্তা নেই। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৭৩৭, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، وابو كريب قالا حدثنا ابو معاوية، ح وحدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، - واللفظ له - حدثنا عبد الله بن نمير، وابو معاوية عن الاعمش، عن شقيق، عن عبد الله، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لا احد اغير من الله ولذلك حرم الفواحش ما ظهر منها وما بطن ولا احد احب اليه المدح من الله
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না ও ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, আল্লাহর চেয়ে বেশি আত্মমর্যাদাবোধ সম্পন্ন আর কেউ নেই। এ কারণেই প্রকাশ্য ও গোপনীয় সকল প্রকার অশ্লীলতাকে তিনি হারাম করে দিয়েছেন। এমনিভাবে আল্লাহ থেকে অধিক আত্মপ্রশংসা পছন্দকারীও কেউ নেই। এ কারণেই তিনি তার স্বীয় সত্তার প্রশংসা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৭৩৮, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن عمرو بن مرة، قال سمعت ابا وايل، يقول سمعت عبد الله بن مسعود، يقول قلت له انت سمعته من عبد الله، قال نعم ورفعه انه قال " لا احد اغير من الله ولذلك حرم الفواحش ما ظهر منها وما بطن ولا احد احب اليه المدح من الله ولذلك مدح نفسه
উসমান ইবনু আবূ শাইবাহ, যুহায়র ইবনু হারব ও ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ..... ‘আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আল্লাহর চেয়ে বেশি আত্মপ্রশংসা পছন্দকারী কেউ নেই। এজন্যই তিনি তার স্বীয় সত্তার প্রশংসা করেছেন। এমনিভাবে আল্লাহর চেয়ে বেশি আত্ম-মর্যাদাবোধ সম্পন্নও কোন লোক নেই। এজন্যই তিনি সকল প্রকার অশ্লীলতাকে হারাম করেছেন। আল্লাহর চেয়ে বেশি পরিমাণে ওযর-আপত্তি গ্রহণকারীও আর কেউ নেই। এজন্যই তিনি কিতাব নাযিল করেছেন এবং রসূল পাঠিয়েছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৭৩৯, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا عثمان بن ابي شيبة، وزهير بن حرب، واسحاق بن ابراهيم، قال اسحاق اخبرنا وقال الاخران، حدثنا جرير، عن الاعمش، عن مالك بن الحارث، عن عبد الرحمن، بن يزيد عن عبد الله بن مسعود، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ليس احد احب اليه المدح من الله عز وجل من اجل ذلك مدح نفسه وليس احد اغير من الله من اجل ذلك حرم الفواحش وليس احد احب اليه العذر من الله من اجل ذلك انزل الكتاب وارسل الرسل
আমর আন নাকিদ (রহঃ) ..... আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ তা’আলা স্বীয় আত্মমর্যাদাবোধ প্রকাশ করেন এবং মুমিনগণও স্বীয় আত্মমর্যাদাবোধ প্রকাশ করে। আল্লাহর আত্মমর্যাদায় আঘাত আসে যখন মুমিন আল্লাহ কর্তৃক হারাম কর্মে অগ্রসর হয়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৭৪০, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا عمرو الناقد، حدثنا اسماعيل بن ابراهيم ابن علية، عن حجاج بن ابي، عثمان قال قال يحيى وحدثني ابو سلمة، عن ابي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ان الله يغار وان المومن يغار وغيرة الله ان ياتي المومن ما حرم عليه
(…/২৭৬২) ইয়াহইয়া (রহঃ), আসমা বিনতু আবূ বাকর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে এ বলতে শুনেছি যে, আল্লাহর চেয়ে বেশি আত্মমর্যাদাবোধ সম্পন্ন আর কেউ নেই। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৭৪০, ইসলামিক সেন্টার)
قال يحيى وحدثني ابو سلمة، ان عروة بن الزبير، حدثه ان اسماء بنت ابي بكر حدثته انها، سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " ليس شىء اغير من الله عز وجل