Loading...

Loading...
বইসমূহ
৩২৪ হাদিসসমূহ
মুহাম্মদ ইবনু আল মুসান্না, আমর আন নাকিদ ও আবূ বকর ইবনু আবূ শাইবাহ, ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ..... ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (রহঃ) এর উল্লেখিত সূত্রে উপরের হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৮৮২, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا عبد الوهاب يعني الثقفي، ح قال وحدثنا عمرو الناقد، حدثنا سفيان بن عيينة، ح قال وحدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا ابو خالد الاحمر، ح قال وحدثنا اسحاق بن ابراهيم، قال اخبرنا عيسى بن يونس، كلهم عن يحيى بن سعيد، بهذا الاسناد . مثله
আবূ জাফার মুহাম্মাদ ইবনুস্ সাব্বাহ ও আমর আন নাকিদ (রহঃ) ..... ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। আল্লাহ তা'আলার বাণী- “নিজেদের সালাত খুব উচ্চস্বরেও পড়বে না এবং খুব নীচুস্বরেও পড়বে না, (এর মাঝামাঝি আওয়াজে পড়বে)"— (সূরাহ বনী ইসরাঈল/ইসরা ১৭ঃ ১১০)। তিনি এর ব্যাখ্যা প্রসঙ্গে বলেন, এ আয়াত এমন এক সময় নাযিল হয় যখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মক্কায় (লোকচক্ষুর অন্তরালে) গোপন জীবন-যাপন করছিলেন। অতঃপর তিনি সাহাবাদের নিয়ে যখন সালাত আদায় করতেন উচ্চস্বরে কুরআন পাঠ করতেন। মুশরিকরা যখন তা শুনতে পেত তারা কুরআনের অবতীর্ণকারী এবং এটা নিয়ে আগমনকারীকে গালি দিত। মহান আল্লাহ তার নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-কে বললেনঃ "তোমার সালাতে উচ্চস্বরে কিরাআত পাঠ করো না।" তাহলে মুশরিকরা তোমার কিরাআত শুনে ফেলবে। “আর নীচু স্বরেও পাঠ করবে না”— তাহলে তোমার সাহাবারা তোমার কুরআন পাঠ শুনতে পাবে না। অবশ্য উচ্চস্বরেও পাঠ করবে না, বরং এ দুয়ের মাঝামাঝি আওয়াজে পাঠ করবে। অর্থাৎ- উচ্চৈঃস্বর ও নিম্নস্বরের মাঝামাঝি স্বরে পাঠ করবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৮৮৩, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثنا ابو جعفر، محمد بن الصباح وعمرو الناقد جميعا عن هشيم، - قال ابن الصباح حدثنا هشيم، - اخبرنا ابو بشر، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس، في قوله عز وجل { ولا تجهر بصلاتك ولا تخافت بها} قال نزلت ورسول الله صلى الله عليه وسلم متوار بمكة فكان اذا صلى باصحابه رفع صوته بالقران فاذا سمع ذلك المشركون سبوا القران ومن انزله ومن جاء به فقال الله تعالى لنبيه صلى الله عليه وسلم { ولا تجهر بصلاتك} فيسمع المشركون قراءتك { ولا تخافت بها} عن اصحابك اسمعهم القران ولا تجهر ذلك الجهر وابتغ بين ذلك سبيلا يقول بين الجهر والمخافتة
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আয়িশাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মহান আল্লাহর বাণী- “নিজেদের সালাত খুব উচ্চস্বরেও পড়বে না এবং নীচুস্বরেও পড়বে না"- এ আয়াতের তাফসীর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটা দু'আ সম্পর্কে অবতীর্ণ হয়েছে। (অর্থাৎ- দু'আ খুব উচ্চস্বরেও করবে না এবং খুব নিম্নস্বরেও করবে না)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৮৮৪, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثنا يحيى بن يحيى، اخبرنا يحيى بن زكرياء، عن هشام بن عروة، عن ابيه، عن عايشة، في قوله عز وجل { ولا تجهر بصلاتك ولا تخافت بها} قالت انزل هذا في الدعاء
কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ, আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ ও আবূ কুরায়ব (রহঃ) ..... হিশাম (রহঃ)-এর সূত্রে উপরোল্লিখিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৮৮৫, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا حماد يعني ابن زيد، ح قال وحدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا ابو اسامة، ووكيع، ح قال وحدثنا ابو كريب، حدثنا ابو معاوية، كلهم عن هشام، بهذا الاسناد . مثله
কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ, আবূ বকর ইবনু আবূ শাইবাহ ও ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ... ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। মহান আল্লাহর বাণী- "তাড়াতাড়ি শিখে নেয়ার জন্যে আপনি দ্রুত ওয়াহী আবূত্তি করবেন না"- (সূরাহ আল কিয়ামাহ ৭৫ঃ ১৬)। এর ব্যাখ্যা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জিবরীল (আঃ) যখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর কাছে ওয়াহী অবতীর্ণ করতেন তিনি তা আয়ত্ত করার জন্য জিহ্বা ও ঠোট নাড়তেন। এটা তার জন্য খুবই কষ্টকর হয়ে পড়ত। তার অবস্থা থেকেই এটা বুঝা যেত। এর পরিপ্রেক্ষিতে আল্লাহ তা'আলা অবতীর্ণ করলেনঃ “এ ওয়াহী খুব তাড়াতাড়ি মুখস্থ করার জন্য নিজের জিহবা নাড়াবেন না। এটা মুখস্থ করিয়ে দেয়া এবং পড়িয়ে দেয়া আমারই দায়িত্ব"- (সূরাহ আল কিয়ামাহ ৭৫ঃ ১৬-১৭)। অর্থাৎ- এটা তোমার অন্তরে পুঞ্জিভূত করে দেয়া এবং তোমাকে পড়িয়ে দেয়া আমার দায়িত্ব। "অতএব আমি যখন তা পাঠ করতে থাকি তখন তুমি তা মনোযোগ দিয়ে শুনতে থাকো”— (সূরাহ আল কিয়ামাহ ৭৫ঃ ১৮)। অর্থাৎ- এ ওয়াহী আমি অবতীর্ণ করছি, তুমি তা মনোযোগ সহকারে শুন। এর তাৎপর্য বুঝিয়ে দেয়া আমাদেরই দায়িত্ব। "তোমার মুখ দিয়ে তা বলানো আমার দায়িত্ব"- (সূরাহ আল কিয়ামাহ ৭৫ঃ ১৯)। এরপর থেকে যখন জিবরীল (আঃ) তার কাছে ওয়াহী নিয়ে আসতেন, তিনি মনোযোগ সহকারে তা শুনতেন। তিনি চলে যাওয়ার পর মহান আল্লাহর ওয়াদা অনুযায়ী (নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তা পাঠ করতেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৮৮৬, ইসলামিক সেন্টারঃ)
وحدثنا قتيبة بن سعيد، وابو بكر بن ابي شيبة واسحاق بن ابراهيم كلهم عن جرير، - قال ابو بكر حدثنا جرير بن عبد الحميد، - عن موسى بن ابي عايشة، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس، في قوله عز وجل { لا تحرك به لسانك} قال كان النبي صلى الله عليه وسلم اذا نزل عليه جبريل بالوحى كان مما يحرك به لسانه وشفتيه فيشتد عليه فكان ذلك يعرف منه فانزل الله تعالى { لا تحرك به لسانك لتعجل به} اخذه { ان علينا جمعه وقرانه} ان علينا ان نجمعه في صدرك . وقرانه فتقراه { فاذا قراناه فاتبع قرانه} قال انزلناه فاستمع له { ان علينا بيانه} ان نبينه بلسانك فكان اذا اتاه جبريل اطرق فاذا ذهب قراه كما وعده الله
কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। মহান আল্লাহর বাণীঃ "এ ওয়াহী তাড়াহুড়া করে মুখস্থ করার জন্য নিজের জিহবা নাড়াবেন না” – (সূরাহ আল কিয়ামাহ ৭৫ঃ ১৬)। এ আয়াতের ব্যাখ্যা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ওয়াহী নাযিল হওয়াকালীন সময়ে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম খুব কঠিন অবস্থার সম্মুখীন হতেন। তিনি তা আয়ত্ব করার জন্য নিজের ঠোঁটদ্বয় নাড়তেন। সাঈদ ইবনু যুবায়র (রহঃ) বলেন, ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) আমাকে বললেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যেভাবে তার ঠোঁট নাড়তেন- আমি তোমাকে তেমন করে দেখাচ্ছি। অতঃপর তিনি ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) তার ঠোট নাড়ালেন। সাঈদ (রহঃ) বলেন, ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) যেভাবে ঠোট নেড়েছেন আমিও তেমন করে দেখাচ্ছি। অতঃপর তিনি সাঈদ (রহঃ) নিজের ঠোঁট নাড়লেন, মহান আল্লাহ নাযিল করলেনঃ “এ ওয়াহী তাড়াহুড়া করে মুখস্থ করার জন্য বারবার নিজের জিহবা নাড়িও না। এটা মুখস্থ করিয়ে দেয়া এবং পড়িয়ে দেয়ার দায়িত্ব আমার" - (সূরাহ আল কিয়ামাহ ৭৫ঃ ১৬-১৭)। অর্থাৎ- তোমার অন্তরে তা গেঁথে দেয়া এবং তোমার মুখে তা পাঠ করিয়ে দেয়া আমার দায়িত্ব। অর্থাৎ- "অতএব আমি যখন তা পাঠ করতে থাকি তখন তুমি তার অনুসরণ করতে থাকো" – (সূরাহ আল কিয়ামাহ ৭৫ঃ ১৮)। তুমি তা মনোযোগ দিয়ে শুনতে থাকো এবং চুপচাপ থাকো। এরপর তা তোমার মুখ দিয়ে পড়িয়ে দেয়া আমার দায়িত্ব।” এরপর থেকে জিবরীল (আঃ) ওয়াহী নিয়ে আসলে তিনি তা মনোযোগ দিয়ে শুনতেন। জিবরীল (আঃ) চলে যাওয়ার পর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তার পাঠ হুবহু পড়তেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৮৮৭, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ابو عوانة، عن موسى بن ابي عايشة، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس، في قوله { لا تحرك به لسانك لتعجل به} قال كان النبي صلى الله عليه وسلم يعالج من التنزيل شدة كان يحرك شفتيه - فقال لي ابن عباس انا احركهما كما كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يحركهما . فقال سعيد انا احركهما كما كان ابن عباس يحركهما . فحرك شفتيه - فانزل الله تعالى { لا تحرك به لسانك لتعجل به * ان علينا جمعه وقرانه} قال جمعه في صدرك ثم تقراه { فاذا قراناه فاتبع قرانه} قال فاستمع وانصت ثم ان علينا ان تقراه قال فكان رسول الله صلى الله عليه وسلم اذا اتاه جبريل استمع فاذا انطلق جبريل قراه النبي صلى الله عليه وسلم كما اقراه
শাইবান ইবনু ফাররূখ (রহঃ) ..... ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জিনদের নিকট কুরআন তিলাওয়াত করেননি এবং তিনি তাদের দেখেননি। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তার একদল সাহাবাকে নিয়ে উকায বাজারের উদ্দেশে রওনা হলেন। এ সময় আকাশমণ্ডলী থেকে তথ্য সংগ্রহকারী শয়তানদের জন্য আকাশমণ্ডলীর সংবাদ শোনা বন্ধ করে দেয়া হয়েছিল এবং তাদের উপর উল্কা (জ্বলন্ত আগুনের টুকরা) নিক্ষেপ করা হচ্ছিল। শয়তানেরা তাদের সম্প্রদায়ের কাছে ফিরে আসলে তারা জিজ্ঞেস করল, তোমাদের কি হয়েছে? তারা বলল, ঊর্ধ্বলোকের তথ্য ও আমাদের মাঝে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হয়েছে এবং আমাদের উপর উল্কা নিক্ষেপ করা হয়েছে। সম্প্রদায়ের লোকেরা বলল, এর কারণ হচ্ছে- নিশ্চয়ই নতুন কিছু ঘটছে। পূর্ব থেকে পশ্চিম পর্যন্ত সমগ্র পৃথিবী বিচরণ করে দেখো তোমাদের মাঝে ও আসমানের খবরাদির মাঝে কোন জিনিস প্রতিবন্ধক হয়ে দাঁড়িয়েছে। তারা দলে দলে পূর্ব থেকে পশ্চিম পর্যন্ত সমগ্র পৃথিবী ঘুরে এর কারণ উদঘাটন করার জন্য বেরিয়ে পড়ল। এদের মধ্যে একদল তিহামাহ প্রদেশের পথ ধরে উকায বাজারের উদ্দেশে বের হলো। এ সময় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নাখলাহ নামক স্থানে তার সাহাবাদের নিয়ে ফজরের সালাত আদায় করছিলেন। তারা যখন কুরআন পড়া শুনতে পেল, খুব মনোযোগ দিয়ে শুনল। অতঃপর তারা বলল, আমাদের এবং আসমানের খবরাদির মাঝখানে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হওয়ার এটাই একমাত্র কারণ। তারা নিজেদের সম্প্রদায়ের কাছে ফিরে গিয়ে বলল, 'হে আমাদের জাতির লোকেরা! "আমরা এক অতীব আশ্চর্যজনক পাঠ (কুরআন) শুনেছি। তা কল্যাণের পথের দিকে হিদায়াত দান করে। এজন্য আমরা এর উপর ঈমান এনেছি। আমরা আর কখনো আমাদের প্রতিপালকের সাথে কাউকে শারীক করব না”— (সূরাহ জিন ৭২ঃ ১-২)। এ ঘটনার পর আল্লাহ তা'আলা তার নবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর উপর ওয়াহী অবতীর্ণ করে বললেনঃ "বলো আমাকে ওয়াহীর মাধ্যমে অবগত করা হয়েছে যে, জিনদের একটি দল মনোযোগ সহকারে (কুরআন) শুনেছে....."— (সূরাহ জিন ৭২ঃ ১) নাযিল করলেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৮৮৮, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثنا شيبان بن فروخ، حدثنا ابو عوانة، عن ابي بشر، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس، قال ما قرا رسول الله صلى الله عليه وسلم على الجن وما راهم انطلق رسول الله صلى الله عليه وسلم في طايفة من اصحابه عامدين الى سوق عكاظ وقد حيل بين الشياطين وبين خبر السماء وارسلت عليهم الشهب فرجعت الشياطين الى قومهم فقالوا ما لكم قالوا حيل بيننا وبين خبر السماء وارسلت علينا الشهب . قالوا ما ذاك الا من شىء حدث فاضربوا مشارق الارض ومغاربها فانظروا ما هذا الذي حال بيننا وبين خبر السماء . فانطلقوا يضربون مشارق الارض ومغاربها فمر النفر الذين اخذوا نحو تهامة - وهو بنخل - عامدين الى سوق عكاظ وهو يصلي باصحابه صلاة الفجر فلما سمعوا القران استمعوا له وقالوا هذا الذي حال بيننا وبين خبر السماء . فرجعوا الى قومهم فقالوا يا قومنا { انا سمعنا قرانا عجبا * يهدي الى الرشد فامنا به ولن نشرك بربنا احدا} فانزل الله عز وجل على نبيه محمد صلى الله عليه وسلم { قل اوحي الى انه استمع نفر من الجن}
মুহাম্মাদ ইবনু আল মুসান্না (রহঃ) ..... আমির (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি "আলকামাকে প্রশ্ন করলাম, জিনদের সাথে সাক্ষাতের রাতে ইবনু মাসউদ (রাঃ) কি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর সাথে ছিলেন? রাবী বলেন, "আলকামাহ (রহঃ) বললেন, আমি ইবনু মাসউদ (রাযিঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, জিনদের সাথে সাক্ষাতের রাতে আপনাদের মধ্যে কেউ কি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর সাথে ছিলেন? তিনি উত্তরে বললেনঃ না, তবে আমরা এক রাতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর সাথে ছিলাম। আমরা তাকে হারিয়ে ফেললাম। আমরা পাহাড়ের উপত্যকায় এবং গিরিপথে তাকে খুঁজলাম কিন্তু পেলাম না। আমরা মনে করলাম, হয় জিনেরা তাকে উড়িয়ে নিয়ে গেছে অথবা কেউ তাকে গোপনে মেরে ফেলেছে। রাবী ইবনু মাসউদ (রাযিঃ) বলেন, এ রাতটি আমাদের জন্য এতই দুর্ভাগ্যজনক ছিল যে, মনে হয় কোন জাতির উপর এমন রাত কখনো আসেনি। যখন ভোর হলো, আমরা তাকে হেরা পর্বতের দিক থেকে আসতে দেখলাম। আমরা বললাম, হে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আমরা আপনাকে হারিয়ে ফেললাম এবং অনেক খোজাখুজি করেও আপনার কোন সন্ধান পেলাম না। তাই সারারাত আমরা চরম দুশ্চিন্তায় কাটিয়েছি। মনে হয় এরূপ দুর্ভাগ্যজনক রাত কোন জাতির উপর আসেনি। তিনি বলেনঃ জিনদের পক্ষ থেকে এক আহবানকারী আমাকে নিতে আসে। আমি তার সাথে চলে গেলাম এবং তাদেরকে কুরআন পাঠ করে শুনালাম। রাবী ইবনু মাসউদ (রাযিঃ) বলেন, তিনি আমাদেরকে সাথে করে নিয়ে গিয়ে তাদের বিভিন্ন নিদর্শন এবং আগুনের চিহ্ন দেখালেন। তারা তার কাছে খাদ্যের জন্য প্রার্থনা করল। তিনি বললেন, যে জন্তু আল্লাহর নামে যাবাহ করা হয়েছে তার হাড় তোমাদের খাদ্য। তোমাদের হাতের স্পর্শে তা পুনরায় গোশতে পরিপূর্ণ হয়ে যাবে। উটের বিষ্ঠা তোমাদের পশুর খাদ্য। অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম (আমাদের) বললেনঃ এ দু’টাে জিনিস দিয়ে শৌচকার্য করো না। কেননা এ দু'টাে তোমাদের ভাইদের (জিনদের) খাদ্য। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৮৮৯, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا عبد الاعلى، عن داود، عن عامر، قال سالت علقمة هل كان ابن مسعود شهد مع رسول الله صلى الله عليه وسلم ليلة الجن قال فقال علقمة انا سالت ابن مسعود فقلت هل شهد احد منكم مع رسول الله صلى الله عليه وسلم ليلة الجن قال لا ولكنا كنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم ذات ليلة ففقدناه فالتمسناه في الاودية والشعاب فقلنا استطير او اغتيل - قال - فبتنا بشر ليلة بات بها قوم فلما اصبحنا اذا هو جاء من قبل حراء - قال - فقلنا يا رسول الله فقدناك فطلبناك فلم نجدك فبتنا بشر ليلة بات بها قوم . فقال " اتاني داعي الجن فذهبت معه فقرات عليهم القران " . قال فانطلق بنا فارانا اثارهم واثار نيرانهم وسالوه الزاد فقال " لكم كل عظم ذكر اسم الله عليه يقع في ايديكم اوفر ما يكون لحما وكل بعرة علف لدوابكم " . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " فلا تستنجوا بهما فانهما طعام اخوانكم
শা'বী (রহঃ) বলেন, এরা তার কাছে খাদ্যের জন্য আবেদন করে। এরা জায়ীরাতুল আরবের জ্বিন ছিল। শা'বীর এ বর্ণনা পর্যন্ত হাদীস শেষ হয়েছে। আবদুল্লাহর হাদীস থেকে এ সূত্রে বর্ণনা কিছুটা ব্যাপক। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৮৯০, ইসলামিক সেন্টারঃ)
وحدثنيه علي بن حجر السعدي، حدثنا اسماعيل بن ابراهيم، عن داود، بهذا الاسناد الى قوله واثار نيرانهم . قال الشعبي وسالوه الزاد وكانوا من جن الجزيرة . الى اخر الحديث من قول الشعبي مفصلا من حديث عبد الله
আবূ বকর ইবনু আবূ শাইবাহ (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ (রাযিঃ) কর্তৃক নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে এ সূত্রে "তাদের আগুনের চিহ্ন" বক্তব্য পর্যন্ত বর্ণিত হয়েছে এবং এর পরের অংশ উল্লেখ নেই। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৮৯১, ইসলামিক সেন্টারঃ)
وحدثناه ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا عبد الله بن ادريس، عن داود، عن الشعبي، عن علقمة، عن عبد الله، عن النبي صلى الله عليه وسلم الى قوله واثار نيرانهم . ولم يذكر ما بعده
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, জিনদের সাথে সাক্ষাতের রাতে আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর সাথে ছিলাম না। আফসোস! আমি যদি তার সাথে থাকতাম। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৮৯২, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثنا يحيى بن يحيى، اخبرنا خالد بن عبد الله، عن خالد، عن ابي معشر، عن ابراهيم، عن علقمة، عن عبد الله، قال لم اكن ليلة الجن مع رسول الله صلى الله عليه وسلم ووددت اني كنت معه
সাঈদ ইবনু মুহাম্মাদ আল জারমী ও উবাইদুল্লাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... মা'ন (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আমার পিতার কাছে শুনেছি। তিনি বলেন, আমি মাসরূককে জিজ্ঞেস করলাম, জিনের রাত, কে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-কে জানিয়ে দিল যে, তারা এসে তার কুরআন পাঠ শুনছে? মাসরূক বলেছেন, আমাকে তোমার পিতা অর্থাৎ- ইবনু মাসউদ বলেছেন যে, গাছই তাদের সম্পর্কে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-কে জানিয়ে দিয়েছিল। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৮৯৩, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثنا سعيد بن محمد الجرمي، وعبيد الله بن سعيد، قالا حدثنا ابو اسامة، عن مسعر، عن معن، قال سمعت ابي قال، سالت مسروقا من اذن النبي صلى الله عليه وسلم بالجن ليلة استمعوا القران فقال حدثني ابوك - يعني ابن مسعود - انه اذنته بهم شجرة
মুহাম্মাদ ইবনু আল মুসান্না আল আনায়ী (রহঃ) ..... আবূ কাতাদাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদের সাথে নিয়ে সালাত আদায় করতেন। তিনি যুহর ও আসরের প্রথম দুরাকাআতে সূরাহ আল ফাতিহাহ এবং এর সাথে আরো দুটি সূরাহ পাঠ করতেন। কখনো কখনো তিনি আমাদেরকে শুনিয়ে আয়াত পাঠ করতেন। তিনি যুহরের প্রথম রাকাআত দীর্ঘ করতেন এবং দ্বিতীয় রাকাআত সংক্ষিপ্ত করতেন। ফজরের সালাতেও তিনি এরূপ করতেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৮৯৪, ইসলামিক সেন্টারঃ)
وحدثنا محمد بن المثنى العنزي، حدثنا ابن ابي عدي، عن الحجاج، - يعني الصواف - عن يحيى، - وهو ابن ابي كثير - عن عبد الله بن ابي قتادة، وابي، سلمة عن ابي قتادة، قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي بنا فيقرا في الظهر والعصر في الركعتين الاوليين بفاتحة الكتاب وسورتين ويسمعنا الاية احيانا وكان يطول الركعة الاولى من الظهر ويقصر الثانية وكذلك في الصبح
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ (রহঃ) ..... 'আবদুল্লাহ ইবনু আবূ কাতাদাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যুহর ও আসরের দুরাকাআতে সূরাহ্ আল ফাতিহার সাথে একটি করে সূরাহ পাঠ করতেন। তিনি কখনো কখনো আমাদেরকে শুনিয়ে আয়াত পাঠ করতেন। আর শেষের দুরাকাআত তিনি কেবল সূরাহ ফাতিহাই পাঠ করতেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৮৯৫, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا يزيد بن هارون، اخبرنا همام، وابان بن يزيد، عن يحيى بن ابي كثير، عن عبد الله بن ابي قتادة، عن ابيه، ان النبي صلى الله عليه وسلم كان يقرا في الركعتين الاوليين من الظهر والعصر بفاتحة الكتاب وسورة ويسمعنا الاية احيانا ويقرا في الركعتين الاخريين بفاتحة الكتاب
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া ও আবূ বকর ইবনু আবূ শাইবাহ (রহঃ) ..... আবূ সাঈদ আল খুদরী (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা যুহর ও আসরের সালাতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর কিয়ামের (দাঁড়ানোর) পরিমাণ নিরূপণ করার চেষ্টা করতাম। যুহরের প্রথম দুরাকাআতে তার কিয়ামের পরিমাণ ছিল সূরাহ "আলিফ, লাম, মীম, তানযীলুল সিজদা" পাঠ করার পরিমাণ সময়। তার পরবর্তী দু'রাক’আত আমরা তার কিয়ামের পরিমাণ নিরূপণ করেছি ঐ সূরার অর্ধেক পাঠ করার পরিমাণ সময়। আমরা আসরের দু'রাকাআতে তার কিয়ামের পরিমাণ নিরূপণ করেছি যুহরের শেষের দুরাকাআত তার কিয়ামের পরিমাণ সময়। আর আসরের শেষ দুরাকাআত তার কিয়ামের পরিমাণ ছিল— প্রথম দুরাকাআতের অর্ধেক পরিমাণ সময়। আবূ বকর ইবনু আবূ শাইবাহ তার বর্ণনায় সূরাহু "আলিফ লাম মীম তানযীলের" উল্লেখ করেননি। তিনি কিয়ামের পরিমাণ ত্রিশ আয়াত পাঠের পরিমাণ সময় উল্লেখ করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৮৯৬, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثنا يحيى بن يحيى، وابو بكر بن ابي شيبة جميعا عن هشيم، - قال يحيى اخبرنا هشيم، - عن منصور، عن الوليد بن مسلم، عن ابي الصديق، عن ابي سعيد الخدري، قال كنا نحزر قيام رسول الله صلى الله عليه وسلم في الظهر والعصر فحزرنا قيامه في الركعتين الاوليين من الظهر قدر قراءة الم تنزيل السجدة وحزرنا قيامه في الاخريين قدر النصف من ذلك وحزرنا قيامه في الركعتين الاوليين من العصر على قدر قيامه في الاخريين من الظهر وفي الاخريين من العصر على النصف من ذلك . ولم يذكر ابو بكر في روايته الم تنزيل وقال قدر ثلاثين اية
শাইবান ইবনু ফাররূখ (রহঃ) ..... আবূ সাঈদ আল খুদরী (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যুহরের প্রথম দুরাকাআতে ত্রিশ আয়াত পরিমাণ পাঠ করতেন এবং শেষের দুরাকাআতের প্রতি রাকাআতে পনের আয়াত পরিমাণ পাঠ করতেন। অথবা (রাবীর সন্দেহ) তিনি (আবূ সাঈদ) বলেছেন, এর অর্ধেক পরিমাণ। তিনি ‘আসরের প্রথম দু'রাকাআতের প্রতি রাকাআতে পনের আয়াত পরিমাণ পাঠ করতেন এবং শেষের দু'রাকাআতে এর অর্ধেক পরিমাণ পাঠ করতেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৮৯৭, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثنا شيبان بن فروخ، حدثنا ابو عوانة، عن منصور، عن الوليد ابي بشر، عن ابي الصديق الناجي، عن ابي سعيد الخدري، ان النبي صلى الله عليه وسلم كان يقرا في صلاة الظهر في الركعتين الاوليين في كل ركعة قدر ثلاثين اية وفي الاخريين قدر خمس عشرة اية او قال نصف ذلك وفي العصر في الركعتين الاوليين في كل ركعة قدر قراءة خمس عشرة اية وفي الاخريين قدر نصف ذلك
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... জাবির ইবনু সামুরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, কুফার অধিবাসীরা (তাদের গভর্নর) সা'দ (রাযিঃ)-এর বিরুদ্ধে তার সালাত সম্পর্কে উমার ইবনুল খাত্তাব (রাযিঃ)-এর কাছে অভিযোগ করল। উমার (রাযিঃ) তাকে ডেকে পাঠালেন। তিনি তার দরবারে উপস্থিত হলেন। উমার (রাযিঃ) তার সালাত সম্পর্কে উত্থাপিত অভিযোগ তাকে শুনালেন। সা'দ (রাযিঃ) বললেন, আমি তাদেরকে নিয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর অনুরূপ সালাত আদায় করি। এতে কোনরূপ ত্রুটি করি না। আমি প্রথম দুরাকাআত দীর্ঘ করি এবং শেষের দুরাকাআত সংক্ষিপ্ত করি। উমার (রাযিঃ) বললেন, হে আবূ ইসহাক (সাদ) এটাই তোমার কাছে আশা করি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৮৯৮, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثنا يحيى بن يحيى، اخبرنا هشيم، عن عبد الملك بن عمير، عن جابر بن سمرة، ان اهل الكوفة، شكوا سعدا الى عمر بن الخطاب فذكروا من صلاته فارسل اليه عمر فقدم عليه فذكر له ما عابوه به من امر الصلاة فقال اني لاصلي بهم صلاة رسول الله صلى الله عليه وسلم ما اخرم عنها اني لاركد بهم في الاوليين واحذف في الاخريين . فقال ذاك الظن بك ابا اسحاق
কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ ও ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) আবদুল মালিক ইবনু উমায়র (রাযিঃ) এর সূত্রে এ সনদে উপরের হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৮৯৯, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثنا قتيبة بن سعيد، واسحاق بن ابراهيم، عن جرير، عن عبد الملك بن عمير، بهذا الاسناد
মুহাম্মাদ ইবনু আল মুসান্না (রহঃ) ..... জাবির ইবনু সামুরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি জাবির ইবনু সামুরার কাছে শুনেছি, তিনি বলেন, উমর (রাযিঃ) সা'দকে বললেন, তারা তোমার বিরুদ্ধে সব ব্যাপারেই অভিযোগ এনেছে; এমনকি সালাতের ব্যাপারেও। সা'দ (রাযিঃ) বললেন, আমি তো প্রথম দুরাকাআত লম্বা করে থাকি এবং পরবর্তী দুরাকাআত সংক্ষেপ করে থাকি। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর সালাত আদায়ের নিয়ম অনুসরণ করতে আমি মোটেও ত্রুটি করি না। 'উমার (রাযিঃ) বললেন, তোমার কাছে এটাই আশা করি। অথবা তিনি বলেছেন, তোমার সম্পর্কে আমার এটাই ধারণা। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৯০০, ইসলামিক সেন্টারঃ)
وحدثنا محمد بن المثنى، حدثنا عبد الرحمن بن مهدي، حدثنا شعبة، عن ابي عون، قال سمعت جابر بن سمرة، قال عمر لسعد قد شكوك في كل شىء حتى في الصلاة . قال اما انا فامد في الاوليين واحذف في الاخريين وما الو ما اقتديت به من صلاة رسول الله صلى الله عليه وسلم . فقال ذاك الظن بك . او ذاك ظني بك
আবূ কুরায়ব (রহঃ) ..... জাবির ইবনু সামুরাহ (রাযিঃ) হতে এ সূত্রেও উপরের হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। তবে এতে আরো আছে, “সা'দ (রাযিঃ) বললেন, বেদুঈনরা আমাকে সালাত শিখাতে চায়?” (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৯০১, ইসলামিক সেন্টারঃ)
وحدثنا ابو كريب، حدثنا ابن بشر، عن مسعر، عن عبد الملك، وابي، عون عن جابر بن سمرة، بمعنى حديثهم وزاد فقال تعلمني الاعراب بالصلاة