Loading...

Loading...
বইসমূহ
৩৩১ হাদিসসমূহ
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না ও ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... কাতাদাহ্ (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি আনাস (রাযিঃ) কে বলতে শুনেছেন যে, উম্মু সুলায়ম (রাযিঃ) বলেছেন, হে আল্লাহর রসূল! আপনার খাদিম আনাস ..... এরপর তার অবিকল বর্ণনা করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬১৪৯, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا ابو داود، حدثنا شعبة، عن قتادة، سمعت انسا، يقول قالت ام سليم يا رسول الله خادمك انس . فذكر نحوه
(…) মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) হতে বর্ণিত, তিনি অর্থানুরূপ বলেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬১৫০, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن هشام بن زيد، سمعت انس بن مالك، يقول مثل ذلك
যুহায়র ইবনু হাব (রহঃ) ..... আনাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের কাছে এলেন। সে সময় আমি, আমার মা ও আমার খালা উম্মু হারাম ছাড়া সেখানে কেউ ছিল না। আমার মা বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আপনার ছোট খাদিমের জন্য আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করুন। রাবী বলেন, তিনি আমার জন্য সব ধরনের বারাকাতের দু'আ করলেন। তিনি আমার জন্য যে দুআ করেছিলেন তার শেষাংশ ছিল اللَّهُمَّ أَكْثِرْ مَالَهُ وَوَلَدَهُ وَبَارِكْ لَهُ فِيهِ হে আল্লাহ! তাকে ধন সম্পদ ও সন্তানাদি বৃদ্ধি করুন এবং তাতে তাকে বারাকাত দিন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬১৫১, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثني زهير بن حرب، حدثنا هاشم بن القاسم، حدثنا سليمان، عن ثابت، عن انس، قال دخل النبي صلى الله عليه وسلم علينا وما هو الا انا وامي وام حرام خالتي فقالت امي يا رسول الله خويدمك ادع الله له - قال - فدعا لي بكل خير وكان في اخر ما دعا لي به ان قال " اللهم اكثر ماله وولده وبارك له فيه
আ'বূ মান রাক্কাশী (রহঃ) ..... আনাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমার মা উম্মু আনাস (রাযিঃ) আমাকে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট নিয়ে গেলেন। তখন তিনি তার ওড়নার অর্ধাংশ দিয়ে আমার ইযার (পায়জামা) এবং বাকী অর্ধাংশ দ্বারা আমার চাদর তৈরি করেছিলেন। তিনি বললেন, হে আল্লাহর রসূল! এ আমার বালক পুত্র উনায়স, আমি তাকে আপনার নিকট নিয়ে এসেছি, সে আপনার সেবায় থাকবে। তার জন্য আল্লাহর নিকট দু'আ করুন। তখন তিনি দুআ করলেন, اللَّهُمَّ أَكْثِرْ مَالَهُ وَوَلَدَهُ "হে আল্লাহ! তাঁর ধনসম্পদ ও সন্তান-সন্ততি বৃদ্ধি করে দিন।" আনাস (রাযিঃ) বলেন, আল্লাহর শপথ আমার ধন-মাল অনেক আর সে যুগে আমার সন্তান ও সন্তানের নাতী-নাতনীর সংখ্যা ছিল একশ’র মতো। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬১৫২, ইসলামিক সেন্টার)
حدثني ابو معن الرقاشي، حدثنا عمر بن يونس، حدثنا عكرمة، حدثنا اسحاق، حدثنا انس، قال جاءت بي امي ام انس الى رسول الله صلى الله عليه وسلم وقد ازرتني بنصف خمارها وردتني بنصفه فقالت يا رسول الله هذا انيس ابني اتيتك به يخدمك فادع الله له . فقال " اللهم اكثر ماله وولده " . قال انس فوالله ان مالي لكثير وان ولدي وولد ولدي ليتعادون على نحو الماية اليوم
কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোথাও যাচ্ছিলেন। তখন আমার মা উম্মু সুলায়ম (রাযিঃ) তার কণ্ঠস্বর শুনতে পেলেন এবং তিনি বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আমার পিতা-মাতা আপনার জন্য উৎসর্গিত হোক, এ ছোট বালক আনাস। তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার জন্য তিনটি দু'আ করলেন। এর দুটি আমি দুনিয়াতেই পেয়েছি এবং আখিরাতে তৃতীয়টি পাওয়ার দৃঢ় প্রত্যাশা করি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬১৫৩, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا جعفر، - يعني ابن سليمان - عن الجعد ابي عثمان، قال حدثنا انس بن مالك، قال مر رسول الله صلى الله عليه وسلم فسمعت امي ام سليم صوته فقالت بابي وامي يا رسول الله انيس . فدعا لي رسول الله صلى الله عليه وسلم ثلاث دعوات قد رايت منها اثنتين في الدنيا وانا ارجو الثالثة في الاخرة
আবূ বাকর ইবনু নাফি’ (রহঃ) ..... আনাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার নিকট এলেন। আমি তখন বালকদের সঙ্গে খেলায় লিপ্ত ছিলাম। তিনি বলেন, তিনি আমাদের সালাম করলেন। তিনি আমাকে কোন একটি বিশেষ প্রয়োজনে পাঠালেন। আমি আমার মায়ের নিকট বিলম্বে ফিরে আসলাম। আমি মায়ের নিকট গেলে তিনি আমাকে প্রশ্ন কররেন, তোমাকে কিসে আটকিয়েছিল? আমি বললাম, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে একটি প্রয়োজনে পাঠিয়েছিলেন। তিনি বললেন, প্রয়োজনটি কী? আমি বললাম, তা গোপনীয়। তিনি বললেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর গোপনীয় বিষয় কক্ষনে কাউকে বলবে না। আনাস (রাযিঃ) বললেন, আল্লাহর কসম, হে সাবিত! সে গোপনীয় ব্যাপার কারও নিকট উল্লেখ করলে তা তোমাকে অবশ্যই বলতাম। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬১৫৪, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا ابو بكر بن نافع، حدثنا بهز، حدثنا حماد، اخبرنا ثابت، عن انس، قال اتى على رسول الله صلى الله عليه وسلم وانا العب مع الغلمان - قال - فسلم علينا فبعثني الى حاجة فابطات على امي فلما جيت قالت ما حبسك قلت بعثني رسول الله صلى الله عليه وسلم لحاجة . قالت ما حاجته قلت انها سر . قالت لا تحدثن بسر رسول الله صلى الله عليه وسلم احدا . قال انس والله لو حدثت به احدا لحدثتك يا ثابت
হাজ্জাজ ইবনু শাইর (রহঃ) ..... আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি গোপনীয় বিষয় সম্পর্কে আমার নিকট বলেছিলেন। তারপরে আমি কারও নিকট তা প্রকাশ করিনি এমনকি (আমার মা) উম্মু সুলায়ম (রাযিঃ) সে ব্যাপারে আমাকে জিজ্ঞেস করেছিলেন; কিন্তু আমি তাকেও তা জানায়নি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬১৫৫, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا حجاج بن الشاعر، حدثنا عارم بن الفضل، حدثنا معتمر بن سليمان، قال سمعت ابي يحدث، عن انس بن مالك، قال اسر الى نبي الله صلى الله عليه وسلم سرا فما اخبرت به احدا بعد . ولقد سالتني عنه ام سليم فما اخبرتها به
যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... সা'দ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে আবদুল্লাহ ইবনু সালাম (রাযিঃ) ব্যতিরেকে ভূ-পৃষ্ঠে অবস্থানকারী কোন জীবিত লোকের ব্যাপারে বলতে শুনিনি যে, সে জান্নাতে বিচরণ করছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬১৫৬, ইসলামিক সেন্টার)
حدثني زهير بن حرب، حدثنا اسحاق بن عيسى، حدثني مالك، عن ابي النضر، عن عامر بن سعد، قال سمعت ابي يقول، ما سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول لحى يمشي انه في الجنة الا لعبد الله بن سلام
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ..... কায়স ইবনু আব্বাদ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি মাদীনাতে এমন ব্যক্তিদের মাঝে ছিলাম, যাদের মধ্যে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সতক সাহাবী বিদ্যমান ছিলেন। ইত্যবসরে এক লোক এলো, যার মুখমণ্ডলে ভয়-ভীতির চিহ্ন বিদ্যমান ছিল। তখন লোকদের মধ্য থেকে কেউ কেউ বললেন, এ লোক জান্নাতীদের একজন, এ লোক জান্নাতীদের একজন। তিনি সেখানে দু' রাকাআত সালাত (সালাত/নামাজ/নামায) আদায় করলেন। তারপর বেরিয়ে গেলেন। আমি তাকে অনুকরণ করলাম। তিনি তার গৃহে ঢুকলেন। আমিও ঢুকলাম। এরপর আমরা আলাপচারিতায় ছিলাম। উভয়ের মধ্যে যখন অন্তরঙ্গতা তৈরি হলো তখন তাকে আমি বললাম, আপনি যখন একটু আগে (মসজিদে) প্রবেশ করেছিলেন, তখন জনৈক লোক এরূপ এরূপ বলেছিল (এ লোক জান্নাতীদের একজন)। তিনি বললেন, সুবহানাল্লাহ! কারো পক্ষে এমন কোন কথা বলা ঠিক নয়, যা সে অজ্ঞাত। তিনি বললেন, আমি তোমার সাথে আলাপ করব, কেন এমন হয়? (অর্থাৎ লোকেরা কেন এ কথা বলে) রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর যুগে একদা আমি একটি স্বপ্ন দেখেছিলাম। আমি সে স্বপ্লের কথা তার নিকট প্রকাশ করেছিলাম। আমি নিজেকে একটি বাগিচায় দেখতে পাই। এ বাগানের ব্যাপকতা, উৎপন্ন ফসলাদি ও সৌন্দর্যের কথাও তিনি ব্যক্ত করেন। এ বাগানের মাঝখানে একটি লৌহস্তম্ভ ছিল যার নিম্নভাগ ছিল মাটির মাঝে এবং উপরিভাগ ছিল আকাশে। এর উপরিভাগে ছিল একটি রশি। তখন আমাকে বলা হলো, তুমি এতে সওয়ার হও। আমি বললাম, আমি সওয়ার হতে পারব না। তারপর একজন মিনসাফ আসলো। তিনি বলেন, ইবনু আওন (রহঃ) এর মতে মিনসাফ অর্থ খাদিম। তিনি বলেন, তিনি পশ্চাৎদিক থেকে আমার বস্ত্র ধরলেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, সে (খাদিম) তার হাত দিয়ে তার পেছন হতে তাকে তুলে দিল। আমি সওয়ার হলাম, এমনকি খুঁটি বেয়ে উঠলাম, তারপর রজ্জুটি ধরলাম। অতঃপর আমাকে বলা হলো একে আকড়িয়ে ধরো। আমি যখন জেগে গেলাম, তখনও ঐ রজ্জুটি আমার হাতেই ছিল। আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এ স্বপ্লের কথা উল্লেখ করলাম। তখন তিনি বললেন, সে বাগানটি হলো ইসলাম। আর সে খুঁটিটি হলো ইসলামের খুঁটি এবং সে রজ্জুটি হলো সুদৃঢ় রজ্জু। তুমি আমৃত্যু শক্তভাবে ইসলামের উপরে প্রতিষ্ঠিত থাকবে। বর্ণনাকারী বলেন, আর সে লোকই আবদুল্লাহ ইবনু সালাম (রাযিঃ)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬১৫৭, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا محمد بن المثنى العنزي، حدثنا معاذ بن معاذ، حدثنا عبد الله بن عون، عن محمد بن سيرين، عن قيس بن عباد، قال كنت بالمدينة في ناس فيهم بعض اصحاب النبي صلى الله عليه وسلم فجاء رجل في وجهه اثر من خشوع فقال بعض القوم هذا رجل من اهل الجنة هذا رجل من اهل الجنة . فصلى ركعتين يتجوز فيهما ثم خرج فاتبعته فدخل منزله ودخلت فتحدثنا فلما استانس قلت له انك لما دخلت قبل قال رجل كذا وكذا قال سبحان الله ما ينبغي لاحد ان يقول ما لا يعلم وساحدثك لم ذاك رايت رويا على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم فقصصتها عليه رايتني في روضة - ذكر سعتها وعشبها وخضرتها - ووسط الروضة عمود من حديد اسفله في الارض واعلاه في السماء في اعلاه عروة . فقيل لي ارقه . فقلت له لا استطيع . فجاءني منصف - قال ابن عون والمنصف الخادم - فقال بثيابي من خلفي - وصف انه رفعه من خلفه بيده - فرقيت حتى كنت في اعلى العمود فاخذت بالعروة فقيل لي استمسك . فلقد استيقظت وانها لفي يدي فقصصتها على النبي صلى الله عليه وسلم فقال " تلك الروضة الاسلام وذلك العمود عمود الاسلام وتلك العروة عروة الوثقى وانت على الاسلام حتى تموت " . قال والرجل عبد الله بن سلام
মুহাম্মাদ ইবনু আমর ইবনু আব্বাদ ইবনু জাবালাহ্ ইবনু আবূ রাওওয়াদ (রহঃ) ..... কায়স ইবনু আব্বাদ (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি এক মজলিসে ছিলাম, যেখানে সা'দ ইবনু মালিক (রাযিঃ) ও ইবনু উমর (রাযিঃ) উপস্থিত ছিলেন। তখন আবদুল্লাহ ইবনু সালাম (রাযিঃ) যাচ্ছিলেন। তারা বললেন, এ ব্যক্তিটি জান্নাতীদের একজন। আমি দণ্ডায়মান হলাম এবং তাকে বললাম, তারা আপনাকে এমন এমন বলেছেন। তিনি বললেন, সুবহানাল্লাহ! তাদের এমন কোন কথা ব্যক্ত করা ঠিক নয়, যে ব্যাপারে তাদের ইলম নেই। একবার (স্বপ্নে) আমি দেখতে পেলাম, যেন একটি খুঁটি রাখা হয়েছে একটি সবুজ শ্যামল বাগানের মধ্যস্থলে, এর চূড়ায় একটি রজ্জু ছিল। এর নিম্নে একটি ছোট্ট 'মিনসাফ' (দণ্ডায়মান) ছিল। মিনসাফ অর্থ খাদিম। তখন আমাকে বলা হলো, এতে সওয়ার হও। আমি তাতে সওয়ার হলাম। শেষ অবধি রজ্জুটি সুদৃঢ়ভাবে ধরলাম। অতঃপর আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে তা ব্যক্ত করলাম। তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ মজবুত রজ্জুটি আঁকড়ে ধরা অবস্থায় আবদুল্লাহ (রাযিঃ) মৃত্যুবরণ করবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬১৫৮, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا محمد بن عمرو بن عباد بن جبلة بن ابي رواد، حدثنا حرمي بن عمارة، حدثنا قرة بن خالد، عن محمد بن سيرين، قال قال قيس بن عباد كنت في حلقة فيها سعد بن مالك وابن عمر فمر عبد الله بن سلام فقالوا هذا رجل من اهل الجنة . فقمت فقلت له انهم قالوا كذا وكذا . قال سبحان الله ما كان ينبغي لهم ان يقولوا ما ليس لهم به علم انما رايت كان عمودا وضع في روضة خضراء فنصب فيها وفي راسها عروة وفي اسفلها منصف - والمنصف الوصيف - فقيل لي ارقه . فرقيت حتى اخذت بالعروة فقصصتها على رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " يموت عبد الله وهو اخذ بالعروة الوثقى
কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ ও ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রাযিঃ) ..... খারাশাহ ইবনু হুর (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি মদীনার মসজিদে একটি সমাবেশে উপবিষ্ট ছিলাম। তিনি বলেন, সে মাজলিসে বসা ছিলেন সুন্দর চেহারার অধিকারী একজন বৃদ্ধ লোক। তিনিই ছিলেন আবদুল্লাহ ইবনু সালাম (রাযিঃ)। তিনি (বর্ণনাকারী) বলেন, তিনি তাদের সম্মুখে ভাল ভাল কথা বলছিলেন। তিনি (বর্ণনাকারী) বলেন, যখন তিনি সমাবেশ হতে উঠছিলেন সে সময় ব্যক্তিরা বলল, কোন লোক যদি জান্নাতীকে দেখে আনন্দিত হতে চায় তবে যেন সে ঐ লোকটির দিকে দৃষ্টিপাত করে। তিনি খারাশাহ্ (রাযিঃ) বলেন, আমি বললাম, আল্লাহর শপথ! নিশ্চয়ই আমি তার অনুসরণ করব, যাতে আমি তার আবাসস্থল জানতে পারি। তিনি (বর্ণনাকারী) বললেন, এরপর আমি তাকে অনুসরণ করলাম। তিনি রওনা হলেন এবং মাদীনাহ শহর থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সন্নিকটবর্তী জায়গায় পৌছে নিজ ঘরে ঢুকলেন। তিনি (বর্ণনাকারী) বলেন, আমিও তার নিকট প্রবেশের অনুমতি চাইলাম। তিনি আমাকে অনুমতি দিলেন। অতঃপর বললেন, হে ভ্রাতুষ্পপুত্র! তুমি কি চাও? রাবী বলেন, আমি তাকে বললাম, আপনি যখন সমাবেশ থেকে উঠে আসছিলেন তখন আমি আপনার ব্যাপারে ব্যক্তিদের বলতে শুনেছি, যে লোক একজন জান্নাতীকে দেখে আনন্দ পেতে চায়, সে যেন এ লোকের দিকে তাকায়। তখন আমার মনে আপনার সঙ্গ লাভের আগ্রহ জাগে। তিনি বললেন, জান্নাতীদের ব্যাপারে আল্লাহই অধিক জ্ঞাত। কিন্তু ব্যক্তিদের এ কথা বলার কারণ আমি তোমার নিকট উল্লেখ করছি। একবার আমি ঘুমে অচেতন ছিলাম। স্বপ্নে দেখলাম যে, জনৈক লোক আমার নিকট এসেছে। সে আমাকে বলল, দাঁড়িয়ে যাও। অতঃপর সে আমার হাত আঁকড়ে ধরল। আমি তার সাথে রওনা করলাম। আমি আমার বামপাশে কয়েকটি পথ দেখতে পেলাম এবং আমি সে পথ ধরে চলতে চাইলাম। সে আমাকে বলল, ওদিকে যেয়ে না। কারণ, এটা হলো বামপন্থীদের (কাফিরদের) পথ। তিনি বলেন, এরপর আমি আমার ডানপাশে কয়েকটি আলোক সরল পথ দেখতে পেলাম। এরপর সে বলল, এ রাস্তায় চলো। তিনি বলেন, অতঃপর সে আমাকে একটি পাহাড়ের চূড়ায় নিয়ে আসলো। অতঃপর আমাকে পাহাড়ে উঠতে বলল। আমি পাহাড়ে উঠতে চেষ্টারত ছিলাম। কিন্তু পাছায় হোচট খেয়ে পড়ে গেলাম। তিনি বলেন, আমি বেশ কয়েকবার এরূপ চেষ্টা করতে লাগলাম। তিনি বলেন, এরপর সে আমাকে নিয়ে রওনা হলো এবং একটি খুঁটির নিকট পৌছল, যার মাথা ছিল আকাশে এবং তার নিম্নভাগ ভূ-পৃষ্ঠের নীচে ছিল। খুঁটির চূড়ায় একটি কড়া ছিল। সে বলল, এর উপরে উঠো। তিনি বলেন, আমি বললাম, এতে কিভাবে চড়ব? এর মাথা তো আকাশের উপরিভাগে। তিনি বলেন, এরপর সে আমার হাত ধরল এবং আমাকে উপরে ঠেলে দিল। অকস্মাৎ আমি দেখলাম যে, আমি কড়ার সাথে ঝুলে আছি। তিনি বলেন, এরপর সে খুঁটির উপর করাঘাত করল এবং তা পড়ে গেল। তিনি বলেন, আর আমি কড়ার সাথে ঝুলে গেলাম। এভাবে আমার সকাল হলো। তিনি বলেন, এরপর আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এসে স্বপ্নের কথা সবিস্তারে বিবরণ দিলাম। তিনি বললেনঃ তুমি তোমার বামপাশে যে পথগুলো দেখেছ, তা হচ্ছে বামপন্থীদের রাস্তা এবং তোমার ডানপাশে যেসব রাস্তা দেখেছ, তা হচ্ছে আসহাবুল ইয়ামীন বা জান্নাতীগণের রাস্তা। তুমি যে পাহাড়টি দেখেছিলে তা হচ্ছে শাহীদগণের আবাসস্থল আর তা তুমি পাবে না। তুমি যে খুঁটিটি দেখেছিলে সেটা হচ্ছে ইসলামের খুঁটি। যে কড়াটি তুমি দেখেছিলে সেটা হচ্ছে ইসলামের কড়া। আর তুমি আমৃত্যু ইসলামের উপর সুপ্রতিষ্ঠিত থাকবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬১৫৯, ইসলামিক সেন্টার)
আমর আন নাকিদ, ইসহাক ইবনু ইবরাহীম ও ইবনু আবূ উমর (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, একবার উমর (রাযিঃ) হাসসান (রাযিঃ) এর নিকট দিয়ে অতিক্রম করছিলেন। তিনি তখন মসজিদে কবিতা আবৃতিতে মত্ত ছিলেন। উমর (রাযিঃ) তার দিকে ডাকালেন। তখন তিনি বললেন, এমন অবস্থায় মসজিদে আমি কবিতা আবৃতি করছিলাম, যখন তাতে আপনার চাইতে ভাল লোক উপবিষ্ট ছিলেন। তারপর হাসসান (রাযিঃ) আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) এর দিকে তাকিয়ে বললেন, আল্লাহর শপথ! আপনি কি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছেন, "তুমি আমার পক্ষ হতে উত্তর দাও। হে আল্লাহ! তাকে পবিত্র আত্মা (জিবরীল) দ্বারা সহযোগিতা করো।" আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) বললেন, “ইয়া আল্লাহ! হ্যাঁ।” (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬১৬০, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا عمرو الناقد، واسحاق بن ابراهيم، وابن ابي عمر، كلهم عن سفيان، قال عمرو حدثنا سفيان بن عيينة، عن الزهري، عن سعيد، عن ابي هريرة، ان عمر، مر بحسان وهو ينشد الشعر في المسجد فلحظ اليه فقال قد كنت انشد وفيه من هو خير منك . ثم التفت الى ابي هريرة فقال انشدك الله اسمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " اجب عني اللهم ايده بروح القدس " . قال اللهم نعم
ইসহাক ইবনু ইবরাহীম মুহাম্মাদ ইবনু রাফি’ ও ‘আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... ইবনুল মুসায়্যাব (রহঃ) হতে বর্ণিত যে, একবার হাসসান (রাযিঃ) আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ)-সহ সাহাবীদের এক মাজলিসে বলেছিলেন, হে আবূ হুরাইরাহ! আল্লাহর শপথ আপনি কি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছেন? তারপর তিনি উপরোল্লিখিত হাদীসের হুবহু বর্ণনা করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬১৬১, ইসলামিক সেন্টার)
حدثناه اسحاق بن ابراهيم، ومحمد بن رافع، وعبد بن حميد، عن عبد الرزاق، اخبرنا معمر، عن الزهري، عن ابن المسيب، ان حسان، قال في حلقة فيهم ابو هريرة انشدك الله يا ابا هريرة اسمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم . فذكر مثله
আবদুল্লাহ ইবনু ‘আবদুর রহমান দারিমী (রহঃ) ..... আবূ সালামাহ্ ইবনু আবদুর রহমান (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি হাসসান ইবনু সাবিত আনসারী (রাযিঃ) কে আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) কে সাক্ষী করতে শুনেছেন যে, হে আবূ হুরাইরাহ! আমি আপনাকে আল্লাহর শপথ দিয়ে বলছি, আপনি কি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছেন যে, হে হাসসান! তুমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর পক্ষ হতে উত্তর দাও। হে আল্লাহ! তাকে রূহুল কুদ্দুসের (জিবরীলের) মাধ্যমে সাহায্য করুন। তখন আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) বললেন, আচ্ছা। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬১৬২, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا عبد الله بن عبد الرحمن الدارمي، اخبرنا ابو اليمان، اخبرنا شعيب، عن الزهري، اخبرني ابو سلمة بن عبد الرحمن، انه سمع حسان بن ثابت الانصاري، يستشهد ابا هريرة انشدك الله هل سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول " يا حسان اجب عن رسول الله صلى الله عليه وسلم اللهم ايده بروح القدس " . قال ابو هريرة نعم
উবাইদুল্লাহ ইবনু মুআয (রহঃ) ..... বারাআ ইবনু আযিব (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি হাসসান ইবনু সাবিতের উদ্দেশে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি, তুমি তাদের (কাফিরদের) বিরুদ্ধে বিদ্রুপ কবিতা রচনা করো কিংবা বলেছেন, তুমি তাদের ব্যঙ্গ কবিতার জবাব দাও। জিবরীল (আঃ) তোমার সাথে আছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬১৬৩, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا عبيد الله بن معاذ، حدثنا ابي، حدثنا شعبة، عن عدي، - وهو ابن ثابت - قال سمعت البراء بن عازب، قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول لحسان بن ثابت " اهجهم او هاجهم وجبريل معك
যুহায়র ইবনু হারব, আবূ বাকর ইবনু নাফি, ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... শুবাহ (রহঃ) হতে উপরোক্ত সূত্রে অবিকল রিওয়ায়াত করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬১৬৩, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنيه زهير بن حرب، حدثنا عبد الرحمن، ح وحدثني ابو بكر بن نافع، حدثنا غندر، ح وحدثنا ابن بشار، حدثنا محمد بن جعفر، وعبد الرحمن، كلهم عن شعبة، بهذا الاسناد مثله
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ ও আবূ কুরায়ব (রহঃ) ..... হিশাম (রহঃ) হতে তার পিতার সানাদে রিওয়ায়াত করেন যে, হাসসান ইবনু সাবিত (রাযিঃ) সেসব ব্যক্তির মাঝে শামিল ছিলেন, যারা আয়িশার বিরুদ্ধে অনেক কথা বলেছেন (দুর্নাম করেছেন)। তাই আমি তাকে ভৎসনা করেছিলাম। তখন আয়িশাহ্ (রাযিঃ) বললেন, হে আমার ভগ্নিপুত্র! তাকে ছেড়ে দাও। কারণ তিনি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর পক্ষ হতে কাফিরদের বিরুদ্ধে বিদ্রুপ কবিতা দিয়ে উত্তর দিতেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬১৬৪, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، وابو كريب قالا حدثنا ابو اسامة، عن هشام، عن ابيه، ان حسان بن ثابت، كان ممن كثر على عايشة فسببته فقالت يا ابن اختي دعه فانه كان ينافح عن رسول الله صلى الله عليه وسلم
উসমান ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) ..... হিশাম (রহঃ) হতে এ সূত্রে রিওয়ায়াত রয়েছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬১৬৫, ইসলামিক সেন্টার)
حدثناه عثمان بن ابي شيبة، حدثنا عبدة، عن هشام، بهذا الاسناد
বিশর ইবনু খালিদ (রহঃ) ..... মাসরুক (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদিন আমি আয়িশাহ্ (রাযিঃ) এর নিকট গেলাম। তখন তার নিকট হাসসান ইবনু সাবিত (রাযিঃ) উপবিষ্ট ছিলেন। তিনি তখন তার জন্য কবিতা তৈরি করছিলেন এবং তার কবিতাটির কয়েকটি পংক্তি দ্বারা গান গাচ্ছিলেন। তিনি বলেছিলেনঃ “তিনি পবিত্র আত্মা! বুদ্ধিমতী, সন্দেহজনক বিষয়ে তাকে কোন অপবাদ দেয়া যায় না। তিনি উদাসীনদের গোশত হতে অভুক্ত হতে ক্ষুধার্ত অবস্থায় শয্যা ত্যাগ করেন।” তখন আয়িশাহ (রাযিঃ) তাকে বললেন, কিন্তু আপনি তো এমন নন। মাসরুক (রহঃ) বলেন, আমি তাকে (আয়িশাহকে) বললাম, আপনি তাকে আপনার নিকট ঢুকার অনুমতি দিলেন কেন? অথচ আল্লাহ বলেছেন "এবং তাদের মাঝে যে এ বিষয়ে বড় ভূমিকা গ্রহণ করেছে, তার জন্য আছে মহাশাস্তি"- (সূরাহ আন নূর ২৪ঃ ১১)। তখন আয়িশাহ (রাযিঃ) বললেন, এর চাইতে ভয়ঙ্কর শাস্তি আর কি হতে পারে যে, সে অন্ধ হয়ে গেছে? অতঃপর তিনি বললেন, তিনি তো রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর তরফ হতে তাদের (কাফিরদের) বিরুদ্ধে উত্তর দিতেন অথবা বিদ্রুপ করে কবিতার মাধ্যমে সমুচিত জবাব দিতেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬১৬৬, ইসলামিক সেন্টার)
حدثني بشر بن خالد، اخبرنا محمد، - يعني ابن جعفر - عن شعبة، عن سليمان، عن ابي الضحى، عن مسروق، قال دخلت على عايشة وعندها حسان بن ثابت ينشدها شعرا يشبب بابيات له فقال حصان رزان ما تزن بريبة وتصبح غرثى من لحوم الغوافل فقالت له عايشة لكنك لست كذلك . قال مسروق فقلت لها لم تاذنين له يدخل عليك وقد قال الله { والذي تولى كبره منهم له عذاب عظيم} فقالت فاى عذاب اشد من العمى انه كان ينافح او يهاجي عن رسول الله صلى الله عليه وسلم
ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ..... শু’বার সূত্রে এ সানাদে অবিকল রিওয়ায়াত করেছেন। তিনি বলেন, ‘আয়িশাহ্ (রাযিঃ) বলেছেন, তিনি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর তরফ হতে উত্তর দিতেন। তবে তিনি এ বর্ণনায় حَصَانٌ (পবিত্র) ও رَزَانٌ (পবিত্র আত্মা, বুদ্ধিমতী) শব্দটুকু বর্ণনা করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬১৬৭, ইসলামিক সেন্টার)
حدثناه ابن المثنى، حدثنا ابن ابي عدي، عن شعبة، في هذا الاسناد وقال قالت كان يذب عن رسول الله صلى الله عليه وسلم . ولم يذكر حصان رزان
حدثنا قتيبة بن سعيد، واسحاق بن ابراهيم، - واللفظ لقتيبة - حدثنا جرير، عن الاعمش، عن سليمان بن مسهر، عن خرشة بن الحر، قال كنت جالسا في حلقة في مسجد المدينة - قال - وفيها شيخ حسن الهيية وهو عبد الله بن سلام - قال - فجعل يحدثهم حديثا حسنا - قال - فلما قام قال القوم من سره ان ينظر الى رجل من اهل الجنة فلينظر الى هذا . قال فقلت والله لاتبعنه فلاعلمن مكان بيته . قال فتبعته فانطلق حتى كاد ان يخرج من المدينة ثم دخل منزله - قال - فاستاذنت عليه فاذن لي فقال ما حاجتك يا ابن اخي قال فقلت له سمعت القوم يقولون لك لما قمت من سره ان ينظر الى رجل من اهل الجنة فلينظر الى هذا . فاعجبني ان اكون معك قال الله اعلم باهل الجنة وساحدثك مم قالوا ذاك اني بينما انا نايم اذ اتاني رجل فقال لي قم . فاخذ بيدي فانطلقت معه - قال - فاذا انا بجواد عن شمالي - قال - فاخذت لاخذ فيها فقال لي لا تاخذ فيها فانها طرق اصحاب الشمال - قال - فاذا جواد منهج على يميني فقال لي خذ ها هنا . فاتى بي جبلا فقال لي اصعد - قال - فجعلت اذا اردت ان اصعد خررت على استي - قال - حتى فعلت ذلك مرارا - قال - ثم انطلق بي حتى اتى بي عمودا راسه في السماء واسفله في الارض في اعلاه حلقة فقال لي . اصعد فوق هذا . قال قلت كيف اصعد هذا وراسه في السماء - قال - فاخذ بيدي فزجل بي - قال - فاذا انا متعلق بالحلقة - قال - ثم ضرب العمود فخر - قال - وبقيت متعلقا بالحلقة حتى اصبحت - قال - فاتيت النبي صلى الله عليه وسلم فقصصتها عليه فقال " اما الطرق التي رايت عن يسارك فهي طرق اصحاب الشمال - قال - واما الطرق التي رايت عن يمينك فهي طرق اصحاب اليمين واما الجبل فهو منزل الشهداء ولن تناله واما العمود فهو عمود الاسلام واما العروة فهي عروة الاسلام ولن تزال متمسكا بها حتى تموت