Loading...

Loading...
বইসমূহ
১৮২ হাদিসসমূহ
হাসান ইবনু ‘আলী হুলওয়ানী ও আবদ ইবনু হুমায়দ (রহ) ... আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা শত্রুর মুখোমুখি হওয়ার আকাঙ্ক্ষা করো না আর যখন মুখোমুখি হয়ে পড়ে তখন ধৈর্যধারণ করবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৩৯১, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا الحسن بن علي الحلواني، وعبد بن حميد، قالا حدثنا ابو عامر العقدي، عن المغيرة، - وهو ابن عبد الرحمن الحزامي - عن ابي الزناد، عن الاعرج، عن ابي، هريرة ان النبي صلى الله عليه وسلم قال " لا تمنوا لقاء العدو فاذا لقيتموهم فاصبروا
মুহাম্মাদ ইবনু রাফি (রহঃ) ..... আবূ নাযর (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাহাবাদের মধ্য থেকে আসলাম গোত্রের এক ব্যক্তির যার নাম ছিল 'আবদুল্লাহ ইবনু আবূ আওফা- চিঠি থেকে বর্ণনা করেছেন। এ চিঠি তিনি লিখেছিলেন উমর ইবনু উবাইদুল্লাহ (রাযিঃ) এর নিকট, যখন তিনি হারুরিয়্যাহ্ (খারিজীদের বিরুদ্ধে) অভিযানে যাচ্ছিলেন। এতে তিনি তাকে অবহিত করেন যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যেসব যুদ্ধে শক্র বাহিনীর মুখোমুখী হয়েছিলেন তার কোন একযুদ্ধে অপেক্ষা করতে লাগলেন। অবশেষে যখন সূর্য ঢলে পড়ল তখন তিনি সঙ্গীদের মধ্যে দাঁড়িয়ে বললেনঃ হে লোকজন তোমরা শত্রুর মুখোমুখি হওয়ার আকাঙ্ক্ষা করো না। বরং আল্লাহর কাছে নিরাপত্তার প্রার্থনা করো। আর যখন তোমরা শত্রুর সামনা-সামনি হয়ে যাও তখন ধৈর্য ধারণ করবে। আর জেনে রেখো যে, জান্নাত তরবারির ছায়াতলে। তারপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাঁড়িয়ে দু'আ করলেন, ইয়া আল্লাহ! কিতাব অবতীর্ণকারী, মেঘমালা পরিচালনাকারী এবং শক্রদলকে পরাস্তকারী। তুমি তাদের পরাস্ত করো এবং তাদের উপর আমাদেরকে সাহায্য করো। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৩৯২, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثني محمد بن رافع، حدثنا عبد الرزاق، اخبرنا ابن جريج، اخبرني موسى، بن عقبة عن ابي النضر، عن كتاب، رجل من اسلم من اصحاب النبي صلى الله عليه وسلم يقال له عبد الله بن ابي اوفى فكتب الى عمر بن عبيد الله حين سار الى الحرورية يخبره ان رسول الله صلى الله عليه وسلم كان في بعض ايامه التي لقي فيها العدو ينتظر حتى اذا مالت الشمس قام فيهم فقال " يا ايها الناس لا تتمنوا لقاء العدو واسالوا الله العافية فاذا لقيتموهم فاصبروا واعلموا ان الجنة تحت ظلال السيوف " . ثم قام النبي صلى الله عليه وسلم وقال " اللهم منزل الكتاب ومجري السحاب وهازم الاحزاب اهزمهم وانصرنا عليهم
সাঈদ ইবনু মানসূর (রহঃ) ..... 'আবদুল্লাহ ইবনু আবূ আওফা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সম্মিলিত বাহিনীর বিরুদ্ধে (খন্দকের যুদ্ধে) এভাবে দুআ করলেন যে, হে আল্লাহ! কিতাব নাযিলকারী, দ্রুত হিসেব গ্রহণকারী, তুমি সম্মিলিত বাহিনীকে পরাজিত করে দাও। হে আল্লাহ! তুমি তাদের পরাজিত করে দাও এবং তাদের কম্পমান করে দাও। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৩৯৩, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا سعيد بن منصور، حدثنا خالد بن عبد الله، عن اسماعيل بن ابي خالد، عن عبد الله بن ابي اوفى، قال دعا رسول الله صلى الله عليه وسلم على الاحزاب فقال " اللهم منزل الكتاب سريع الحساب اهزم الاحزاب اللهم اهزمهم وزلزلهم
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) ..... ইবনু আবূ আওফা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এভাবে দুআ করলেন ..... পরবর্তী অংশ উল্লিখিত খালিদের হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন। তবে তিনি এ হাদীসে اهْزِمْهُمْ বাক্যের পরিবর্তে هَازِمَ الأَحْزَابِ বাক্যটি এনেছেন অর্থ শত্রু সৈন্যদের পরাস্তকারী। আর তিনি اللَّهُمَّ “হে আল্লাহ" শব্দটির উল্লেখ করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৩৯৪, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا وكيع بن الجراح، عن اسماعيل بن ابي، خالد قال سمعت ابن ابي اوفى، يقول دعا رسول الله صلى الله عليه وسلم . بمثل حديث خالد غير انه قال " هازم الاحزاب " . ولم يذكر قوله " اللهم
ইসহাক ইবনু ইবরাহীম ও ইবনু আবূ উমর (রহঃ) ..... ইসমাঈল (রহঃ) হতে উক্ত সানাদে বর্ণনা করেছেন। তবে ইবনু আবূ উমর (রহঃ) তার বর্ণনায় مُجْرِيَ السَّحَابِ "মেঘমালা পরিচালনকারী" বাক্যটি অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৩৯৫, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثناه اسحاق بن ابراهيم، وابن ابي عمر، جميعا عن ابن عيينة، عن اسماعيل، بهذا الاسناد وزاد ابن ابي عمر في روايته " مجري السحاب
হাজ্জাজ ইবনু শাইর (রহঃ) ..... আনাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উহুদের যুদ্ধের দিন বলেছিলেন, হে আল্লাহ! তুমি যদি চাও পৃথিবীতে তোমার ইবাদাত করা হবে না।* (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৩৯৬, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثني حجاج بن الشاعر، حدثنا عبد الصمد، حدثنا حماد، عن ثابت، عن انس، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يقول يوم احد " اللهم انك ان تشا لا تعبد في الارض
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া, মুহাম্মাদ ইবনু রুমূহ ও কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... 'আবদুল্লাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কোন এক যুদ্ধে একজন মহিলাকে মৃত অবস্থায় পাওয়া গেল। তিনি তখন নারী ও শিশুদের হত্যা করতে বারণ করেছিলেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৩৯৭, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا يحيى بن يحيى، ومحمد بن رمح، قالا اخبرنا الليث، ح وحدثنا قتيبة بن، سعيد حدثنا ليث، عن نافع، عن عبد الله، ان امراة، وجدت، في بعض مغازي رسول الله صلى الله عليه وسلم مقتولة فانكر رسول الله صلى الله عليه وسلم قتل النساء والصبيان
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) ..... ইবনু উমর (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, কোন এক মহিলাকে কোন এক যুদ্ধ ক্ষেত্রে মৃত অবস্থায় পাওয়া গেল। তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নারী ও শিশুদের হত্যা করতে নিষেধ করেছিলেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৩৯৮, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا محمد بن بشر، وابو اسامة قالا حدثنا عبيد، الله بن عمر عن نافع، عن ابن عمر، قال وجدت امراة مقتولة في بعض تلك المغازي فنهى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن قتل النساء والصبيان
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া, সাঈদ ইবনু মানসূর ও আমৃর আন নাকিদ (রহঃ) .... সা'ব ইবনু জাসসামাহ্ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে জিজ্ঞেস করা হলো, মুশরিকদের শিশু সন্তান সম্পর্কে যখন রাতের অন্ধকারে আকস্মিক হামলা করা হয়, তখন তাদের নারী ও শিশুরাও আক্রান্ত হয়। তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তারাও তাদের (মুশরিক যোদ্ধাদের) অন্তর্ভুক্ত * (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৩৯৯, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثنا يحيى بن يحيى، وسعيد بن منصور، وعمرو الناقد، جميعا عن ابن عيينة، قال يحيى اخبرنا سفيان بن عيينة، عن الزهري، عن عبيد الله، عن ابن عباس، عن الصعب، بن جثامة قال سيل النبي صلى الله عليه وسلم عن الذراري من المشركين يبيتون فيصيبون من نسايهم وذراريهم . فقال " هم منهم
আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... সা'ব ইবনু জাসসামাহ্ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে জিজ্ঞেস করলাম, হে আল্লাহর রসূল! আমরা রাতের অন্ধকারে আকস্মিক হামলায় মুশরিকদের শিশুদের উপরও আঘাত করে ফেলি। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তারাও তাদের (মুশরিক যোদ্ধাদের) মধ্যে গণ্য। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৪০০, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا عبد بن حميد، اخبرنا عبد الرزاق، اخبرنا معمر، عن الزهري، عن عبيد، الله بن عبد الله بن عتبة عن ابن عباس، عن الصعب بن جثامة، قال قلت يا رسول الله انا نصيب في البيات من ذراري المشركين قال " هم منهم
মুহাম্মাদ ইবনু রাফি' (রহঃ) ..... সা'ব ইবনু জাস্সামাহ্ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে জিজ্ঞেস করা হলো, যদি অশ্বারোহীগণ রাতের অন্ধকারে হামলা চালায় এবং তাতে মুশরিকদের শিশু সন্তান নিহত হয়, (তবে এর হুকুম কী)? তিনি বললেন তারাও তাদের পিতা ও দাদার মধ্যে গণ্য। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৪০১, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثني محمد بن رافع، حدثنا عبد الرزاق، اخبرنا ابن جريج، اخبرني عمرو، بن دينار ان ابن شهاب، اخبره عن عبيد الله بن عبد الله بن عتبة، عن ابن عباس، عن الصعب بن جثامة، ان النبي صلى الله عليه وسلم قيل له لو ان خيلا اغارت من الليل فاصابت من ابناء المشركين قال " هم من ابايهم
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া, মুহাম্মাদ ইবনু রুমূহ ও কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... 'আবদুল্লাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নাযীর গোত্রের খেজুর বাগান জ্বালিয়ে দিলেন এবং কেটে দিলেন। বুওয়াইরাহ ছিল সে বাগানের নাম। কুতাইবাহ এবং ইবনু রুমূহ (রহঃ) উভয়েই তাদের হাদীসে অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন। এরপর মহান আল্লাহ এ আয়াত নাযিল করেনঃ "তোমরা যেসব খেজুর বৃক্ষ কেটে ফেলেছে কিংবা তার কাণ্ডের উপর খাড়া রেখেছ, সবই ছিল আল্লাহর নির্দেশে, যাতে তিনি পাপাচারীদের অপদস্থ করেন।" (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৪০২, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا يحيى بن يحيى، ومحمد بن رمح، قالا اخبرنا الليث، ح وحدثنا قتيبة بن، سعيد حدثنا ليث، عن نافع، عن عبد الله، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم حرق نخل بني النضير وقطع وهي البويرة . زاد قتيبة وابن رمح في حديثهما فانزل الله عز وجل { ما قطعتم من لينة او تركتموها قايمة على اصولها فباذن الله وليخزي الفاسقين}
সাঈদ ইবনু মানসূর ... ইবনু উমর (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নাযীর গোত্রের খেজুর বাগান কেটেছিলেন এবং জ্বলিয়ে দিয়েছিলেন। এ সম্পর্কে কবি হাস্সান (রাযিঃ) বলেন, "বনী লুওয়াই (অর্থাৎ- কুরায়শ) এর নেতাদের কাছে বুওয়াইরায় আগুনের লেলিহান শিখা খুব সহজ হয়ে গেছে।" আর এ সম্পর্কেই নাযিল হয়েছে এ আয়াতঃ (অর্থ) "তোমরা যেসব খেজুর গাছ কেটেছে অথবা তা কাণ্ডের উপর রেখে দিয়েছ" আয়াতটির শেষ পর্যন্ত। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৪০৩, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا سعيد بن منصور، وهناد بن السري، قالا حدثنا ابن المبارك، عن موسى، بن عقبة عن نافع، عن ابن عمر، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قطع نخل بني النضير وحرق ولها يقول حسان وهان على سراة بني لوى حريق بالبويرة مستطير وفي ذلك نزلت { ما قطعتم من لينة او تركتموها قايمة على اصولها} الاية
সাহল ইবনু উসমান (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নাযীর গোত্রের খেজুর বাগান জ্বালিয়ে দিয়েছিলেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৪০৪, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثنا سهل بن عثمان، اخبرني عقبة بن خالد السكوني، عن عبيد الله، عن نافع، عن عبد الله بن عمر، قال حرق رسول الله صلى الله عليه وسلم نخل بني النضير
আবূ কুরায়ব মুহাম্মাদ ইবনু 'আলা ও মুহাম্মাদ ইবনু রাফি (রহঃ) ..... হাম্মাম ইবনু মুনব্বিহ (রহঃ) হতে বর্ণিত যে, আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে যে সকল হাদীস আমাদেরকে বর্ণনা করেছেন, এর মধ্যে এটিও যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ নবীগণের মধ্যে কোন এক নবী [ইউশা' ইবনু নূন (আঃ) যিনি লাম (বাহরাইন) দেশে মূসা (আঃ)-এর প্রতিনিধি ছিলেন] জিহাদে রওনা দিলেন। তিনি তার লোকদের বললেন, এমন লোক যেন আমার সাথে অভিযানে না আসে, যে ব্যক্তি সদ্য বিবাহ করেছে এবং বাসর যাপনে ইচ্ছুক, কিন্তু এখনো তা সম্পন্ন হয়নি। সে ব্যক্তি যেন না আসে যে গৃহ নিৰ্মাণ করেছে এবং এখনো তার ছাদ দেয়নি এবং সে ব্যক্তি যেন না আসে যে গর্ভবতী ছাগল বা উটিনী ক্রয় করেছে এবং সেগুলোর বাচ্চা প্রসবের অপেক্ষায় আছে। রাবী বলেন, তারপর তিনি জিহাদে গমন করেন এবং আসরের সালাতের সময় যুদ্ধ ক্ষেত্রে নিকটবর্তী এক গ্রামে পৌছেন। তখন তিনি সূর্যকে লক্ষ্য করে বললেন, তুমিও আদিষ্ট এবং আমিও আদিষ্ট। ইয়া আল্লাহ! তুমি একে আমার জন্য কিছুক্ষণ থামিয়ে রাখো (সূর্যাস্তের পূর্বেই বিজয় পাওয়ার জন্য)। সূর্যকে থামিয়ে দেয়া হলো। অবশেষে আল্লাহ তা'আলা তাকে বিজয় প্রদান করলেন। রাবী বলেন, তারা গনীমাতের মাল একত্রিত করল। তখন তা খাওয়ার জন্য আগুন এগিয়ে এলো। কিন্তু অগ্নি তা খেতে অস্বীকার করল।* তখন সে নবী বললেন, তোমাদের মধ্যে আত্মসাৎকারী রয়েছে। কাজেই তোমাদের প্রত্যেক গোত্র থেকে একজন করে আমার কাছে বাই’আত করবে। সুতরাং তারা তার কাছে বাই’আত করল। এতে এক ব্যক্তির হাত নবীর হাতের সাথে লেগে গেল। তখন তিনি বললেন, তোমাদের মধ্যে আত্মসাৎকারী রয়েছে। কাজেই তোমাদের গোত্রের লোকেরা আমার কাছে বাই’আত করুক। অতঃপর তার ঐ গোত্রের লোকেরা বাই’আত করল। রাবী বলেন, তখন নবীর হাত দু' বা তিন ব্যক্তির হাতের সাথে লেগে গেল। তখন তিনি বললেন, তোমাদের মধ্যে আত্মসাৎকারী রয়েছে। তোমরা আত্মসাৎ করেছ। রাবী বলেন, তারপর তারা নবীর কাছে একটি গাভীর মাথার পরিমাণ স্বর্ণখণ্ড বের করে দিলো। আর তারা সেটিও ঐ সম্পদের সাথে রাখল। তারপর আগুন এগিয়ে এসে তা খেয়ে ফেলল। আমাদের পূর্বে কারো জন্য গনীমাতের মাল হালাল ছিল না। আল্লাহ তা'আলা আমাদের দুর্বলতা ও অক্ষমতা দেখে আমাদের জন্য গনীমাতের মাল হালাল করে দিলেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৪০৫, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثنا ابو كريب، محمد بن العلاء حدثنا ابن المبارك، عن معمر، ح وحدثنا محمد، بن رافع - واللفظ له - حدثنا عبد الرزاق، اخبرنا معمر، عن همام بن منبه، قال هذا ما حدثنا ابو هريرة، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم فذكر احاديث منها وقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " غزا نبي من الانبياء فقال لقومه لا يتبعني رجل قد ملك بضع امراة وهو يريد ان يبني بها ولما يبن ولا اخر قد بنى بنيانا ولما يرفع سقفها ولا اخر قد اشترى غنما او خلفات وهو منتظر ولادها . قال فغزا فادنى للقرية حين صلاة العصر او قريبا من ذلك فقال للشمس انت مامورة وانا مامور اللهم احبسها على شييا . فحبست عليه حتى فتح الله عليه - قال - فجمعوا ما غنموا فاقبلت النار لتاكله فابت ان تطعمه فقال فيكم غلول فليبايعني من كل قبيلة رجل . فبايعوه فلصقت يد رجل بيده فقال فيكم الغلول فلتبايعني قبيلتك . فبايعته - قال - فلصقت بيد رجلين او ثلاثة فقال فيكم الغلول انتم غللتم - قال - فاخرجوا له مثل راس بقرة من ذهب - قال - فوضعوه في المال وهو بالصعيد فاقبلت النار فاكلته . فلم تحل الغنايم لاحد من قبلنا ذلك بان الله تبارك وتعالى راى ضعفنا وعجزنا فطيبها لنا
কুতাইবাহ্ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... মুসআব ইবনু সা'দ (রহঃ) তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন যে, আমার পিতা যুদ্ধলব্ধ সম্পদের এক পঞ্চমাংশ হতে কিছু বস্তু নিয়ে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এসে বলেন, এটি আমাকে উপটৌকন প্রদান করুন। তিনি অস্বীকার করেন। তখন আল্লাহ তা'আলা এ আয়াত নাযিল করেনঃ "তারা আপনার কাছে যুদ্ধলব্ধ দ্রব্য সম্ভার সম্বন্ধে জিজ্ঞেস করে, আপনি বলে দিন, যুদ্ধলব্ধ দ্রব্য সম্ভার আল্লাহ ও রসূলের" আয়াতটি শেষ পর্যন্ত নাযিল হলো। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৪০৬, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ابو عوانة، عن سماك، عن مصعب بن سعد، عن ابيه، قال اخذ ابي من الخمس سيفا فاتى به النبي صلى الله عليه وسلم فقال هب لي هذا . فابى فانزل الله عز وجل { يسالونك عن الانفال قل الانفال لله والرسول}
মুহাম্মাদ ইবনু মুসান্না ও ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... মুসআব বিন সা'দ (রহঃ) হতে বর্ণিত যে, তিনি তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, আমার সম্বন্ধে চারটি আয়াত নাযিল হয়েছে। আমি একটি তলোয়ার পেলাম। এরপর সেটি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে নিয়ে এসে বললাম, হে আল্লাহর রসূল! আপনি এটি আমাকে দান করুন। তিনি বললেনঃ তুমি এটি রেখে দাও। তারপর আবার দাঁড়িয়ে বললেন, হে আল্লাহর রসূল! এটি আমাকে প্রদান করুন। তখনও তিনি বললেন, এটি যেখান থেকে নিয়েছে সেখানে রেখে দাও। তারপর তিনি আবার দাঁড়িয়ে বললেন, হে আল্লাহর রসূল! এটি আমাকে দিয়ে দিন। আমাকে কি সে ব্যক্তির মতো গণ্য করা হলো যার এটার দরকার নেই? নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তুমি এটি যেখান থেকে নিয়েছ সেখানে রেখে দাও। এরপর এ আয়াত নাযিল হয়ঃ (অর্থ) "তারা আপনাকে যুদ্ধলব্ধ দ্রব্যসম্ভার সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে। আপনি বলুন, যুদ্ধলব্ধ সম্পদ আল্লাহ ও রসূলের জন্য".....। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৪০৭, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار - واللفظ لابن المثنى - قالا حدثنا محمد، بن جعفر حدثنا شعبة، عن سماك بن حرب، عن مصعب بن سعد، عن ابيه، قال نزلت في اربع ايات اصبت سيفا فاتى به النبي صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله نفلنيه . فقال " ضعه " . ثم قام فقال له النبي صلى الله عليه وسلم " ضعه من حيث اخذته " . ثم قام فقال نفلنيه يا رسول الله . فقال " ضعه " . فقام فقال يا رسول الله نفلنيه ااجعل كمن لا غناء له فقال له النبي صلى الله عليه وسلم " ضعه من حيث اخذته " . قال فنزلت هذه الاية { يسالونك عن الانفال قل الانفال لله والرسول}
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... ইবনু উমার (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদা একটি সেনাদল নাজদের দিকে পাঠান। আমিও তার মধ্যে ছিলাম। তারা সেখানে অনেক উট গনীমাত হিসেবে লাভ করলেন। প্রত্যেকের অংশে বারটি করে অথবা এগারটি করে উট পড়ল এবং প্রত্যেককেই একটি করে বাড়তি উট প্রদান করা হলো। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৪০৮, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا يحيى بن يحيى، قال قرات على مالك عن نافع، عن ابن عمر، قال بعث النبي صلى الله عليه وسلم سرية وانا فيهم قبل نجد فغنموا ابلا كثيرة فكانت سهمانهم اثنى عشر بعيرا او احد عشر بعيرا ونفلوا بعيرا بعيرا
কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... ইবনু উমার (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নাজদের দিকে একটি সেনাদল পাঠান এবং তাদের মধ্যে ইবনু উমার (রাযিঃ)-ও ছিলেন। যুদ্ধলব্ধ সম্পদের বন্টনে তাদের ভাগে পড়ল বারটি করে উট। আর তা ছাড়া বাড়তিও একটি করে উট দেয়া হলো। আর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরূপ বণ্টন সমর্থন করলো পরিবর্তন করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৪০৯, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، ح وحدثنا محمد بن رمح، اخبرنا الليث، عن نافع، عن ابن عمر، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم بعث سرية قبل نجد وفيهم ابن عمر وان سهمانهم بلغت اثنى عشر بعيرا ونفلوا سوى ذلك بعيرا فلم يغيره رسول الله صلى الله عليه وسلم
আবূ বাকর ইবনু আবূ শইবাহ্ (রহঃ) ..... ইবনু উমর (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নাজদের দিকে একটি সেনাদল প্রেরণ করেন। আর আমিও এতে গিয়েছিলাম। আমরা বহু উট এবং ছাগল পেলাম। আমাদের প্রত্যেক জনের ভাগে বারটি করে উট পড়ল এবং রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রত্যেককে আরো একটি করে অতিরিক্ত উট প্রদান করলেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৪১০, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا علي بن مسهر، وعبد الرحيم بن سليمان، عن عبيد الله بن عمر، عن نافع، عن ابن عمر، قال بعث رسول الله صلى الله عليه وسلم سرية الى نجد فخرجت فيها فاصبنا ابلا وغنما فبلغت سهماننا اثنى عشر بعيرا ونفلنا رسول الله صلى الله عليه وسلم بعيرا بعيرا