Loading...

Loading...
বইসমূহ
৩১ হাদিসসমূহ
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... ইবনু উমর (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি শরীক (যৌথ মালিকানাধীন) ক্রীতদাসের বেলায় তার নিজের অংশটুকু মুক্ত করে দেয় এবং তার (মুক্তিদাতার) কাছে এ পরিমাণ ধন-সম্পদ থাকে যা উক্ত ক্রীতদাসের মূল্য সমান হয়- তবে ন্যায় সঙ্গতভাবে মূল্য নিরূপণ করবে এবং বাকী অংশীদারদের অংশের মূল্যও তাকে পরিশোধ করতে হবে। আর ক্রীতদাসটি পুরোপুরিভাবে তার পক্ষ থেকেই মুক্ত করা হবে। তবে যদি সে (পুরো অংশের মূল্য পরিশোধে) সক্ষম না হয় তাহলে সে যতটুকু অংশ মুক্ত করেছে ততটুকু মুক্ত হয়ে যাবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৬২৮, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا يحيى بن يحيى، قال قلت لمالك حدثك نافع، عن ابن عمر، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من اعتق شركا له في عبد فكان له مال يبلغ ثمن العبد قوم عليه قيمة العدل فاعطي شركاوه حصصهم وعتق عليه العبد والا فقد عتق منه ما عتق
কুতাইবাহ্ ইবনু সাঈদ ও মুহাম্মাদ ইবনু রুমূহ, শাইবান ইবনু ফাররুখ, আবূ রাবী', আবূ কামিল, ইবনু নুমায়র, মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না, ইসহাক ইবনু মানসূর, হারূন ইবনু সাঈদ আইলী ও মুহাম্মাদ ইবনু রাফি' (রহঃ) ..... ইবনু উমর (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। মালিক (রহঃ) নাফি’ (রহঃ) হতে বর্ণিত হাদীসের অর্থের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৬২৯, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثناه قتيبة بن سعيد، ومحمد بن رمح، جميعا عن الليث بن سعد، ح وحدثنا شيبان بن فروخ، حدثنا جرير بن حازم، ح وحدثنا ابو الربيع، وابو كامل قالا حدثنا حماد، حدثنا ايوب، ح وحدثنا ابن نمير، حدثنا ابي، حدثنا عبيد الله، ح وحدثنا محمد بن، المثنى حدثنا عبد الوهاب، قال سمعت يحيى بن سعيد، ح وحدثني اسحاق بن منصور، اخبرنا عبد الرزاق، عن ابن جريج، اخبرني اسماعيل بن امية، ح وحدثنا هارون بن سعيد، الايلي حدثنا ابن وهب، اخبرني اسامة، ح وحدثنا محمد بن رافع، حدثنا ابن ابي فديك، عن ابن ابي ذيب، كل هولاء عن نافع، عن ابن عمر، بمعنى حديث مالك عن نافع
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না ও ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ক্রীতদাসটি দু'জনের মালিকানাধীন তার একজন নিজের অংশ মুক্ত করে দিলে অপরজনের অংশেরও সে যিম্মাদার হবে (যদি সে বিত্তবান হয়)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৬৩০, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار - واللفظ لابن المثنى - قالا حدثنا محمد، بن جعفر حدثنا شعبة، عن قتادة، عن النضر بن انس، عن بشير بن نهيك، عن ابي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال في المملوك بين الرجلين فيعتق احدهما قال " يضمن
আমর আন নাকিদ (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি যৌথ মালিকানাধীন ক্রীতদাসের বেলায় নিজের অংশ মুক্ত করে দিবে বাকী অংশ তার সম্পদ দ্বারাই মুক্ত করবে। আর যদি সে বিত্তশালী না হয় তাহলে সে ক্রীতদাসকে উপার্জনের মাধ্যমে মুক্ত হওয়ার চেষ্টায় নিযুক্ত করতে হবে। তবে তার উপর তার সামর্থ্যের বাইরে বোঝা চাপানো যাবে না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৬৩১, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثني عمرو الناقد، حدثنا اسماعيل بن ابراهيم، عن ابن ابي عروبة، عن قتادة، عن النضر بن انس، عن بشير بن نهيك، عن ابي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " من اعتق شقصا له في عبد فخلاصه في ماله ان كان له مال فان لم يكن له مال استسعي العبد غير مشقوق عليه
আলী ইবনু খাশরাম (রহঃ) ..... সাঈদ ইবনু আবূ আরুবাহ্ (রহঃ) হতে এ সানাদে বর্ণিত। তবে তিনি তার বর্ণনায় এতটুকু বেশী উল্লেখ করেছেন যে, “যদি সে মুক্তিদাতা বিত্তবান না হয় তখন ঐ ক্রীতদাসের প্রচলিত মূল্য স্থির করতে হবে। এরপর সে (দাস) তার অবশিষ্টাংশ মুক্ত করার লক্ষ্যে উপার্জনে নিয়োজিত হবে। তবে এ ব্যাপারে তাকে (মুক্তিদাতাকে) সাধ্যাতীত কষ্টে ফেলা যাবে না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৬৩২, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثناه علي بن خشرم، اخبرنا عيسى، - يعني ابن يونس - عن سعيد بن، ابي عروبة بهذا الاسناد وزاد " ان لم يكن له مال قوم عليه العبد قيمة عدل ثم يستسعى في نصيب الذي لم يعتق غير مشقوق عليه
হারূন ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রহঃ) ..... ওয়াহব ইবনু জারীর (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি কাতাদাহ্ (রহঃ) কে এ সানাদে ইবনু আবূ আরুবাহ এর হাদীসের মর্মানুযায়ী হাদীস বর্ণনা করতে শুনেছি। তিনি তার বর্ণনায় উল্লেখ করেন, "ক্রীতদাসের ন্যায্য মূল্য নিরূপণ করতে হবে।" (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৬৩৩, ইসলামিক সেন্টার)
حدثني هارون بن عبد الله، حدثنا وهب بن جرير، حدثنا ابي قال، سمعت قتادة، يحدث بهذا الاسناد بمعنى حديث ابن ابي عروبة وذكر في الحديث قوم عليه قيمة عدل
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আয়িশাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি একবার একটি ক্রীতদাসী ক্রয় করে তাকে মুক্ত করে দিবেন বলে ইচ্ছা পোষণ করেছিলেন। তখন সে ক্রীতদাসীর মনিবেরা তাকে জানালেন যে, আমরা আপনার এ শর্তে ক্রীতদাসটি বিক্রয় করতে পারি যে, আমরাই হব তার ওয়ালা'র* অধিকারী। তিনি বলেন এরপর বিষয়টি আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে উপস্থিত করলাম। তিনি বললেনঃ এ শর্ত তোমাকে ওয়ালা থেকে বঞ্চিত করবে না। কেননা প্রকৃতপক্ষে মুক্তিদাতার জন্যই 'ওয়ালার হক্ নির্ধারিত। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৬৩৪, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثنا يحيى بن يحيى، قال قرات على مالك عن نافع، عن ابن عمر، عن عايشة، انها ارادت ان تشتري، جارية تعتقها فقال اهلها نبيعكها على ان ولاءها لنا . فذكرت ذلك لرسول الله صلى الله عليه وسلم فقال " لا يمنعك ذلك فانما الولاء لمن اعتق
কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ... আয়িশাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, বারীরাহ (রাযিঃ) তার লিখিত মুক্তিপণ পরিশোধের ব্যাপারে সাহায্যের জন্য আয়িশাহ (রাযিঃ) এর কাছে এল। সে তার লিখিত মুক্তিপণের কিছুই আদায় করেনি। তখন আয়িশাহ (রাযিঃ) তাকে বললেনঃ তুমি তোমার মুনিবের কাছে ফিরে যাও। যদি তারা এ শর্তে রাযি হয় যে, আমি তোমার লিখিত মুক্তিপণের যাবতীয় পাওনা আদায় করলে তোমার ওয়ালা আমার প্রাপ্য হবে, তবে তা আমি করতে পারি। বারীরা তার মনিবদের কাছে বিষয়টি উত্থাপন করল। কিন্তু তারা সে প্রস্তাব মেনে নিল না এবং বলে দিল, যদি তিনি সাওয়াবের আশায় তোমার লিখিত মুক্তিপণ আদায়ের দায়িত্ব নেন তাহলে নিতে পারেন, তবে তোমার 'ওয়ালা আমাদের জন্যই থাকবে। এরপর তিনি ["আয়িশাহ (রাযিঃ)] বিষয়টি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে উঠালেন। তখন তিনি তাকে বললেনঃ তাকে খরিদ করে মুক্ত করে দিতে পার, কেননা ওয়ালা মুক্তিদাতারই প্রাপ্য। এরপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাঁড়িয়ে গেলেন এবং বললেনঃ লোকদের কী হয়েছে তারা এমন কিছু শর্তারোপ করে যা আল্লাহর কিতাবে নেই। যে ব্যক্তি এমন শর্তারোপ করবে যা আল্লাহর কিতাবে নেই- সে শর্তের কোন মূল্য নেই যদিও সে একশো বার শর্তারোপ করে। আল্লাহর শর্তই কেবল সঠিক ও নির্ভরযোগ্য। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৬৩৫, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، عن ابن شهاب، عن عروة، ان عايشة، اخبرته ان بريرة جاءت عايشة تستعينها في كتابتها ولم تكن قضت من كتابتها شييا فقالت لها عايشة ارجعي الى اهلك فان احبوا ان اقضي عنك كتابتك ويكون ولاوك لي . فعلت فذكرت ذلك بريرة لاهلها فابوا وقالوا ان شاءت ان تحتسب عليك فلتفعل ويكون لنا ولاوك . فذكرت ذلك لرسول الله صلى الله عليه وسلم فقال لها رسول الله صلى الله عليه وسلم " ابتاعي فاعتقي . فانما الولاء لمن اعتق " . ثم قام رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال " ما بال اناس يشترطون شروطا ليست في كتاب الله من اشترط شرطا ليس في كتاب الله فليس له وان شرط ماية مرة شرط الله احق واوثق
আবূ তাহির (রহঃ) ... নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর স্ত্রী আয়িশাহ্ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ বারীরা (রাযিঃ) আমার কাছে এল। এরপর সে বলল, হে আয়িশাহ! আমি আমার মুনিবের কাছে লিখিত চুক্তি করেছি যে, বছরে এক উকিয়া (চল্লিশ দিরহামে এক উকিয়া) করে নয় বছরে সর্বমোট নয় উকিয়া পরিশোধ করব। এরপর লায়স (রহঃ) বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ। তবে এ বর্ণনায় এতটুকু বেশী উল্লেখ আছে: “তিনি (রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তাদের এ শর্ত করা তোমাকে 'ওয়ালা' প্রাপ্তি হতে বাধা দিবে না। তুমি তাকে খরিদ করে মুক্ত করে দিতে পার। উরওয়াহ ইবনু যুবায়র (রহঃ) এ হাদীসে উল্লেখ করেন, তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লোকদের সামনে দাঁড়িয়ে যান এবং আল্লাহর প্রশংসা ও তার মহিমা বর্ণনা করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৬৩৬, ইসলামিক সেন্টার)
حدثني ابو الطاهر، اخبرنا ابن وهب، اخبرني يونس، عن ابن شهاب، عن عروة، بن الزبير عن عايشة، زوج النبي صلى الله عليه وسلم انها قالت جاءت بريرة الى فقالت يا عايشة اني كاتبت اهلي على تسع اواق في كل عام اوقية . بمعنى حديث الليث وزاد فقال " لا يمنعك ذلك منها ابتاعي واعتقي " . وقال في الحديث ثم قام رسول الله صلى الله عليه وسلم في الناس فحمد الله واثنى عليه ثم قال " اما بعد
আবূ কুরায়ব মুহাম্মাদ ইবনু 'আলা আল-হামদানী (রহঃ) ..... ‘আয়িশাহ্ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদিন বারীরা (রাযিঃ) আমার কাছে এল। এরপর সে বলল, আমার মনিব আমাকে প্রতি বছর একটি করে নয় বছরে নয়টি উকীয়্যাহ্ (চল্লিশ দিরহামে এক উকীয়াহ্) আদায় করার শর্তে আমাকে মুক্তি দানের ব্যাপারে লিখিত চুক্তি করেছে। আপনি আমাকে সাহায্য করুন। আমি [আয়িশাহ (রাযিঃ)] তাকে বললাম, তোমার মনিব যদি এ শর্তে রাজী হয় যে তোমার মুক্তিপণ এক সঙ্গে আদায় করে দিলে তোমার 'ওয়ালা' আমি পাব তাহলে আমি তোমাকে মুক্তির ব্যাপারে সাহায্য করতে চাই। তখন বারীরাহ (রাযিঃ) এ বিষয়টি তার মুনিবের কাছে উঠালে তাদের জন্য 'ওয়ালা' ব্যতিরেকে তারা তার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করল। এরপর সে আমার [আয়িশাহ্ (রাযিঃ)] এর কাছে এসে তাদের কথা বলল। তিনি বলেন, আমি তাকে ধমক দিয়ে বললামঃ তাহলে আল্লাহর কসম! আমি রাজী নই। আয়িশাহ (রাযিঃ) বলেন। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিষয়টি শুনলেন এবং আমাকে জিজ্ঞেস করলেন। তার কাছে সমস্ত ঘটনা খুলে বললাম। এরপর তিনি বললেনঃ হে ‘আয়িশাহ! তুমি তাকে খরিদ করে মুক্ত করে দাও এবং তাদের জন্য ওয়ালা'র শর্ত করে দাও। তবে নিশ্চয়ই ওয়ালা সে পাবে যে মুক্তি দান করে। আমি (আয়িশাহ) তাই করলাম। রাবী বলেনঃ এরপর সন্ধ্যা বেলা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ভাষণ দিলেন। তিনি আল্লাহর যথাযথ প্রশংসা ও তার মহিমা ঘোষণা করলেন। এরপর বললেনঃ লোকের অবস্থা কেমন অবস্থায় পৌছেছে যে, তারা এমন সব শর্ত দেয় যা আল্লাহর কিতাবে নেই। স্মরণ রাখ, যে শর্ত আল্লাহর কিতাবে নেই, তা বাতিল বলে গণ্য, যদিও একশতবার শর্তারোপ করা হয়। আল্লাহর কিতাবের শর্তই যথার্থ সঠিক, আল্লাহর শর্তই সর্বাধিক সুদৃঢ়। তোমাদের মধ্যে কতক লোকের কী হয়েছে যে, তারা অপরকে বলে অমুককে মুক্ত করে দাও আর 'ওয়ালা গ্রহণ করব আমরা? অথচ ওয়ালা তো আসলে তারই পাওনা যে মুক্ত করে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৬৩৭, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثنا ابو كريب، محمد بن العلاء الهمداني حدثنا ابو اسامة، حدثنا هشام، بن عروة اخبرني ابي، عن عايشة، قالت دخلت على بريرة فقالت ان اهلي كاتبوني على تسع اواق في تسع سنين في كل سنة اوقية . فاعينيني . فقلت لها ان شاء اهلك ان اعدها لهم عدة واحدة واعتقك ويكون الولاء لي فعلت . فذكرت ذلك لاهلها فابوا الا ان يكون الولاء لهم فاتتني فذكرت ذلك قالت فانتهرتها فقالت لاها الله اذا قالت . فسمع رسول الله صلى الله عليه وسلم فسالني فاخبرته فقال " اشتريها واعتقيها واشترطي لهم الولاء فان الولاء لمن اعتق " . ففعلت - قالت - ثم خطب رسول الله صلى الله عليه وسلم عشية فحمد الله واثنى عليه بما هو اهله ثم قال " اما بعد فما بال اقوام يشترطون شروطا ليست في كتاب الله ما كان من شرط ليس في كتاب الله عز وجل فهو باطل وان كان ماية شرط كتاب الله احق وشرط الله اوثق ما بال رجال منكم يقول احدهم اعتق فلانا والولاء لي انما الولاء لمن اعتق
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ, আবূ কুরায়ব, যুহায়র ইবনু হারব ও ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ..... হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (রহঃ) বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ একই সানাদে বর্ণিত আছে। তবে জারীর বর্ণিত হাদীসে উল্লেখ আছে- "তিনি বলেন, তার (বারীরার) স্বামী ছিল ক্রীতদাস। সে কারণে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে ইচ্ছার স্বাধীনতা দান করেছিলেন। (যখন সে মুক্ত হবে তখন ক্রীতদাস স্বামীর সঙ্গে বৈবাহিক সম্পর্ক বহাল রাখতে কিংবা তা নাকচ করে দিতে পারবে- এ ইখতিয়ার তাকে দেয়া হয়েছিল)। সে নিজের স্বার্থটাকেই সমর্থন করল (ক্রীতদাস স্বামীকে পছন্দ করল না)। যদি সে স্বাধীন হত তাহলে তিনি (রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাকে (বারীরাকে) ইখতিয়ার দিতেন না।” আর তাদের বর্ণিত হাদীসে أَمَّا بَعْدُ (অতঃপর) শব্দটির উল্লেখ নেই। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৬৩৮, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، وابو كريب قالا حدثنا ابن نمير، ح وحدثنا ابو كريب حدثنا وكيع، ح وحدثنا زهير بن حرب، واسحاق بن ابراهيم، جميعا عن جرير، كلهم عن هشام بن عروة، بهذا الاسناد . نحو حديث ابي اسامة غير ان في، حديث جرير قال وكان زوجها عبدا فخيرها رسول الله صلى الله عليه وسلم فاختارت نفسها ولو كان حرا لم يخيرها . وليس في حديثهم " اما بعد
যুহায়র ইবনু হারব ও মুহাম্মাদ ইবনুল 'আলা (রহঃ) ..... আয়িশাহ্ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, বারীরার কল্যাণে তিনটি শরীআতী বিধান পাওয়া গিয়েছিল ১. তার মুনিবেরা তাকে বিক্রি করতে চেয়েছিল এবং তার 'ওয়ালা'র উপর তাদের অধিকার লাভের শর্তারোপ করেছিল। আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে বিষয়টি উঠালাম। তিনি আমাকে বললেন, তাকে ক্রয় করে মুক্ত করে দাও। কেননা "ওয়ালা" সেই পাবে যে আযাদ করে। ২. যখন তাকে (বারীরাকে) মুক্ত করে দেয়া হল তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে (তার ক্রীতদাস স্বামীকে রাখা, না রাখার) ইখতিয়ার দিয়েছিলেন। এরপর সে নিজের স্বার্থটাকেই সমর্থন করল। (তার ক্রীতদাস স্বামীকে প্রত্যাখ্যান করল।) ৩. তিনি [আয়িশাহ্ (রাযিঃ)] বলেন, লোকেরা বারীরাকে সদাকাহ্ খয়রাত করত এবং সে তা (সদাকাহকৃত জিনিস) থেকে আমাদেরকে কিছু হাদিয়া হিসেবে দিত। এরপর আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে বিযয়টি পেশ করলাম। তিনি বললেন, “তা তার জন্য সদাকাহ্ এবং তোমাদের জন্য হাদিয়া। সুতরাং তোমরা তা খাও।” (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৬৩৯, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا زهير بن حرب، ومحمد بن العلاء، - واللفظ لزهير - قالا حدثنا ابو معاوية، حدثنا هشام بن عروة، عن عبد الرحمن بن القاسم، عن ابيه، عن عايشة، قالت كان في بريرة ثلاث قضيات اراد اهلها ان يبيعوها ويشترطوا ولاءها فذكرت ذلك للنبي صلى الله عليه وسلم فقال " اشتريها واعتقيها فان الولاء لمن اعتق " . قالت وعتقت فخيرها رسول الله صلى الله عليه وسلم فاختارت نفسها . قالت وكان الناس يتصدقون عليها وتهدي لنا . فذكرت ذلك للنبي صلى الله عليه وسلم فقال " هو عليها صدقة وهو لكم هدية فكلوه
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) ..... আয়িশাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি কিছু সংখ্যক আনসার মনিবদের কাছে থেকে বারীরাকে খরিদ করলেন। তবে তারা (সে সময়) ওয়ালা'র শর্ত দিয়েছিল। তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ প্রকৃতপক্ষে ওয়ালা তারই প্রাপ্য যে নি’আমাতের অধিকারী (মুক্তিদাতা)। আর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে ইখতিয়ার প্রদান করেছিলেন। তার স্বামী ছিল ক্রীতদাস। একবার সে (বারীরাহ) আয়িশাহ (রাযিঃ) এর কাছে কিছু পরিমাণ গোশত হাদিয়া পাঠাল। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তোমরা যদি এ গোশত থেকে আমার জন্য কিছুটা রান্না করে আনতে.....। তখন আয়িশাহ (রাযিঃ) বললেনঃ এতো বারীরার জন্য সদাকাহ্ হিসেবে এসেছে (আর আপনার জন্য সদাকাহ হারাম)। তিনি বললেনঃ তা তার জন্য সদাকাহ এবং আমাদের জন্য হাদিয়া। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৬৪০, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا حسين بن علي، عن زايدة، عن سماك، عن عبد الرحمن بن القاسم، عن ابيه، عن عايشة، . انها اشترت بريرة من اناس من الانصار . واشترطوا الولاء فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " الولاء لمن ولي النعمة " . وخيرها رسول الله صلى الله عليه وسلم وكان زوجها عبدا واهدت لعايشة لحما فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لو صنعتم لنا من هذا اللحم " . قالت عايشة تصدق به على بريرة . فقال " هو لها صدقة ولنا هدية
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ..... আয়িশাহ্ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি মুক্ত করে দেয়ার উদ্দেশে বারীরাকে খরিদ করার ইচ্ছা প্রকাশ করলেন। কিন্তু তারা (বারীরার মুনিবেরা) তার "ওয়ালা' পাওয়ার শর্তারোপ করে বসল। তখন তিনি বিযয়টি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে উঠালেন। তিনি বললেনঃ তুমি তাকে খরিদ করে মুক্ত করে দাও। মূলত 'ওয়ালা' সে পাবে যে মুক্ত করে দেয়। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর জন্য কিছু গোশত হাদিয়া রূপে পেশ করা হল। তখন তারা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বললেনঃ এ গোশত বারীরাকে সদাকাহ্ হিসেবে দেয়া হয়েছে। তিনি বললেনঃ এতো তার জন্য সদাকাহ এবং আমাদের জন্য হাদিয়া। তাকে (বারীরাকে) তার (ক্রীতদাস) স্বামীর বিষয়ে স্বাধীনতা দেয়া হয়েছিল। আবদুর রহমান বললেন, তার স্বামী স্বাধীন ছিল। শু'বাহ (রহঃ) বলেনঃ আমি পুনরায় তাকে (আবদুর রহমানকে) তার (বারীরার) স্বামী সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন, আমার জানা নেই। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৬৪১, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، قال سمعت عبد، الرحمن بن القاسم قال سمعت القاسم، يحدث عن عايشة، انها ارادت ان تشتري، بريرة للعتق فاشترطوا ولاءها فذكرت ذلك لرسول الله صلى الله عليه وسلم فقال " اشتريها واعتقيها فان الولاء لمن اعتق " . واهدي لرسول الله صلى الله عليه وسلم لحم فقالوا للنبي صلى الله عليه وسلم هذا تصدق به على بريرة . فقال " هو لها صدقة وهو لنا هدية " . وخيرت . فقال عبد الرحمن وكان زوجها حرا . قال شعبة ثم سالته عن زوجها فقال لا ادري
আহমাদ ইবনু উসমান নাওফালী (রহঃ) ..... শু'বাহ্ (রহঃ) এর সূত্রে এ সানাদে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৬৪২, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثناه احمد بن عثمان النوفلي، حدثنا ابو داود، حدثنا شعبة، بهذا الاسناد نحوه
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না ও ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... আয়িশাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন যে, বারীরার স্বামী ক্রীতদাস ছিল। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৬৪৩, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار جميعا عن ابي هشام، قال ابن المثنى حدثنا مغيرة بن سلمة المخزومي، وابو هشام حدثنا وهيب، حدثنا عبيد الله، عن يزيد بن رومان، عن عروة، عن عايشة، قالت كان زوج بريرة عبدا
আবূ তাহির (রহঃ) ..... নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহধর্মিণী আয়িশাহ্ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ বারীরার ঘটনায় তিনটি বিধান জারী হয়েছেঃ ১. যখন সে মুক্তি লাভ করেছিল তখন স্বামীর (বৈবাহিক সূত্র বহাল রাখা, না রাখার) ব্যাপারে তাকে ইখতিয়ার প্রদান করা হয়েছিল। ২. তাকে গোশত সদাকাহ করা হয়েছিল। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের (আয়িশাহর) কাছে এলেন। তখন গোশতের হাড়ি চুলার উপর টগবগ করছিল। তিনি খাবার চাইলেন। তখন তার সামনে রুটি এবং ঘর থেকে তরকারী পরিবেশন করা হল। তিনি বললেনঃ আমি কি লক্ষ্য করিনি যে, চুলার উপর হাড়ি আছে যার মধ্যে গোশত রয়েছে। তারা বললেনঃ জি হ্যাঁ, হে আল্লাহর রসূল! ওটা তো বারীরাকে সদাকাহ দেয়া গোশত। আমরা তা থেকে আপনাকে খাওয়ানো পছন্দ করিনা। তখন তিনি বললেনঃ এতো তার জন্য সদাকাহ এবং তার পক্ষ থেকে তা আমাদের জন্য হাদিয়া। ৩. নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার (বারীরার) মুক্তির ব্যাপারে বললেনঃ আসলে ওয়ালা সে-ই পাবে যে আযাদ করে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৬৪৪, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثني ابو الطاهر، حدثنا ابن وهب، اخبرني مالك بن انس، عن ربيعة بن ابي، عبد الرحمن عن القاسم بن محمد، عن عايشة، زوج النبي صلى الله عليه وسلم انها قالت كان في بريرة ثلاث سنن خيرت على زوجها حين عتقت واهدي لها لحم فدخل على رسول الله صلى الله عليه وسلم والبرمة على النار فدعا بطعام فاتي بخبز وادم من ادم البيت فقال " الم ار برمة على النار فيها لحم " . فقالوا بلى يا رسول الله ذلك لحم تصدق به على بريرة فكرهنا ان نطعمك منه . فقال " هو عليها صدقة وهو منها لنا هدية " . وقال النبي صلى الله عليه وسلم فيها " انما الولاء لمن اعتق
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একবার আয়িশাহ (রাযিঃ) একটি ক্রীতদাসী খরিদ করে আযাদ করে দেয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করলেন। তার মুনিবেরা তাদের জন্য তার 'ওয়ালা' ব্যতিরেকে প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করল। তিনি এ বিষয়টি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে উঠালেন। তখন তিনি বললেনঃ তুমি তাকে খরিদ করে মুক্তি দিয়ে দাও। তার (মুক্তি দেয়া) তোমাকে ওয়ালা থেকে বাধাপ্রাপ্ত করবে না। কেননা 'ওয়ালা' তারই প্রাপ্য যে মুক্তি দান করে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৬৪৫, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا خالد بن مخلد، عن سليمان بن بلال، حدثني سهيل بن ابي صالح، عن ابيه، عن ابي هريرة، قال ارادت عايشة ان تشتري، جارية تعتقها فابى اهلها الا ان يكون لهم الولاء فذكرت ذلك لرسول الله صلى الله عليه وسلم فقال " لا يمنعك ذلك فانما الولاء لمن اعتق
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া তামীমী (রহ) ...... ইবনু উমর (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম 'ওয়ালা' বিক্রি করা এবং তা হেবা (দান বা will) করা নিষিদ্ধ করেছেন। ইবরাহীম (রহঃ) বলেছেন, আমি মুসলিম ইবনুল হাজ্জাজ (রহঃ) কে বলতে শুনেছি যে, এ হাদীসের ব্যাপারে সকল মানুষ আবদুল্লাহ ইবনু দীনারের পৌষ্য।" (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৬৪৬, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا يحيى بن يحيى التميمي، اخبرنا سليمان بن بلال، عن عبد الله بن دينار، عن ابن عمر، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن بيع الولاء وعن هبته . قال مسلم الناس كلهم عيال على عبد الله بن دينار في هذا الحديث
আবূ বকর ইবনু আবূ শাইবাহ্, যুহায়র ইবনু হারব, ইয়াহইয়া ইবনু আইয়ুব, কুতাইবাহ ইবনু হুজুর, ইবনু নুমায়র, ইবনু মুসান্না ও ইবনু রাফি' ..... ইবনু উমর (রাযিঃ) এর সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুরূপ বর্ণিত আছে। তবে সাকাফী (রহঃ) বর্ণিত হাদীসে উবাইদুল্লাহ সূত্রে উল্লেখ নেই। এ বর্ণনায় বিক্রির কথা রয়েছে। তবে তিনি হেবার কথা উল্লেখ করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৬৪৭, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، وزهير بن حرب، قالا حدثنا ابن عيينة، ح وحدثنا يحيى بن ايوب، وقتيبة، وابن، حجر قالوا حدثنا اسماعيل بن جعفر، ح وحدثنا ابن نمير، حدثنا ابي، حدثنا سفيان بن سعيد، ح وحدثنا ابن المثنى، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، ح وحدثنا ابن المثنى، قال حدثنا عبد الوهاب، حدثنا عبيد الله، ح وحدثنا ابن رافع، حدثنا ابن ابي فديك، اخبرنا الضحاك، - يعني ابن عثمان - كل هولاء عن عبد الله بن، دينار عن ابن عمر، عن النبي صلى الله عليه وسلم . بمثله غير ان الثقفي ليس في حديثه عن عبيد الله الا البيع ولم يذكر الهبة