Loading...

Loading...
বইসমূহ
৪৪১ হাদিসসমূহ
وحدثنيه احمد بن سعيد بن صخر الدارمي، حدثنا حبان، حدثنا سليمان بن المغيرة، عن ثابت، عن انس، قال لما نزلت { لا ترفعوا اصواتكم فوق صوت النبي} ولم يذكر سعد بن معاذ في الحديث
হুরায়ম ইবনু ‘আবদুল আ'লা আল আসাদী (রহঃ) ... আনাস (রাযিঃ) বলেন, যখন এ আয়াত নাযিল হলো .....। এতেও সা'দ ইবনু মু'আয এর উল্লেখ নেই। তবে শেষে আছে, আমরা তাকে ভাবতাম, একজন জান্নাতী লোক আমাদের মাঝে বিচরণ করছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২১৭, ইসলামিক সেন্টারঃ)
وحدثنا هريم بن عبد الاعلى الاسدي، حدثنا المعتمر بن سليمان، قال سمعت ابي يذكر، عن ثابت، عن انس، قال لما نزلت هذه الاية . واقتص الحديث . ولم يذكر سعد بن معاذ وزاد فكنا نراه يمشي بين اظهرنا رجل من اهل الجنة
উসমান ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) ..... 'আবদুল্লাহ (রাযিঃ) বলেন, কিছু সংখ্যক লোক রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর কাছে এসে বললেন, জাহিলী যুগে আমরা যা করেছি এর জন্যও কি আমাদের পাকড়াও করা হবে? তিনি বললেন, ইসলাম গ্রহণের পর যে ব্যক্তি ভাল কাজ করবে তাকে জাহিলী যুগের আমলের জন্য পাকড়াও করা হবে না। কিন্তু যে ব্যক্তি ইসলাম গ্রহণের পরও মন্দ করবে তাকে জাহিলী ও ইসলাম উভয় যুগের (মন্দ) কাজের জন্য পাকড়াও করা হবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২১৮, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثنا عثمان بن ابي شيبة، حدثنا جرير، عن منصور، عن ابي وايل، عن عبد الله، قال قال اناس لرسول الله صلى الله عليه وسلم يا رسول الله انواخذ بما عملنا في الجاهلية قال " اما من احسن منكم في الاسلام فلا يواخذ بها ومن اساء اخذ بعمله في الجاهلية والاسلام
মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র ও আবূ বকর ইবনু আবূ শাইবাহ (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ (রাযিঃ) বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর নিকট প্রশ্ন করলাম- হে আল্লাহর রাসূল! আমরা জাহিলী যুগে যা করেছি এর জন্যও কি আমাদের পাকড়াও করা হবে? তিনি বললেন, যে ব্যক্তি ইসলাম গ্রহণ করে ভাল কাজ করবে জাহিলী যুগে সে কি করেছে তার জন্য পাকড়াও করা হবে না। আর যে ব্যক্তি ইসলাম গ্রহণের পর মন্দ কাজ করে তাকে প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত পাকড়াও করা হবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২১৯, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا ابي ووكيع، ح وحدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، - واللفظ له - حدثنا وكيع، عن الاعمش، عن ابي وايل، عن عبد الله، قال قلنا يا رسول الله انواخذ بما عملنا في الجاهلية قال " من احسن في الاسلام لم يواخذ بما عمل في الجاهلية . ومن اساء في الاسلام اخذ بالاول والاخر
মিনজাব ইবনু হারিস আত তামীমী (রহঃ) ... আমাশ (রহঃ) থেকে উক্ত সনদে অনুরূপ বর্ণিত আছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২২০, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثنا منجاب بن الحارث التميمي، اخبرنا علي بن مسهر، عن الاعمش، بهذا الاسناد مثله
মুহাম্মাদ ইবনু আল মুসান্না আল আনায়ী, আবূ মা'ন আর রাকাশী ও ইসহাক ইবনু মানসূর (রহঃ) ..... ইবনু শামাসাহ আল মাহরী (রহঃ) বলেন, আমরা 'আমর ইবনু আস (রাযিঃ) কে মুমূর্ষ অবস্থায় তাকে দেখতে উপস্থিত হলাম। তখন তিনি দেয়ালের দিকে মুখ করে অনেক্ষণ কাঁদছিলেন। তার পুত্র তাকে তার সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রদত্ত বিভিন্ন সুসংবাদের উল্লেখ পূর্বক সান্তুনা দিচ্ছে যে, আব্বা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কি আপনাকে অমুক সুসংবাদ দেননি? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কি আপনাকে অমুক সুসংবাদ দেননি? রাবী বলেন, তখন তিনি পুত্রের দিকে মুখ ফিরালেন এবং বললেন, আমার সর্বোৎকৃষ্ট পাথেয় হচ্ছে “লা-ইলা-হা ইল্লাল্ল-হু মুহাম্মাদুর রাসূলুল্ল-হ” এ কালিমার সাক্ষ্য দেয়া। আর আমি অতিক্রম করেছি আমার জীবনের তিনটি পর্যায়। এক সময় তো আমি এমন ছিলাম যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর বিরুদ্ধাচরণে আমার চেয়ে কঠোরতর আর কেউই ছিল না। সে সময়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কে কবজায় পেয়ে হত্যা করা ছিল আমার সবচাইতে প্রিয় ভাবনা। যদি সে অবস্থায় আমার মৃত্যু হত তবে নিশ্চিত আমাকে জাহান্নামে যেতে হত। এরপর আল্লাহ যখন আমার অন্তরে ইসলামের অনুরাগ সৃষ্টি করে দিলেন, তখন আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর দরবারে উপস্থিত হয়ে অনুরোধ জানালাম যে, আপনার ডান হাত বাড়িয়ে দিন, আমি বাই’আত করতে চাই। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তার ডান হাত বাড়িয়ে দিলেন, তখন আমি আমার হাত টেনে নিলাম। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, আমর, কি ব্যাপার? বললাম, পূর্বে আমি শর্ত করে নিতে চাই। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জিজ্ঞেস করলেন, কি শর্ত করবে? আমি উত্তর করলাম, আল্লাহ যেন আমার সব গুনাহ মাফ করে দেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, 'আমর! তুমি কি জান না যে, ইসলাম পূর্ববর্তী সকল অন্যায় মিটিয়ে দেয়। আর হিজরত পূর্ববর্তী সকল অন্যায় মিটিয়ে দেয়? আর হজ্জ পূর্ববর্তী সকল অন্যায় মিটিয়ে দেয়? আমর বলেন, এ পর্যায়ে আমার অন্তরে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অপেক্ষা বেশি প্রিয় আর কেউ ছিল না। আমার চোখে তিনি অপেক্ষা মহান আর কেউ নেই। অপরিসীম শ্রদ্ধার কারণে আমি তার প্রতি চোখভরে তাকাতেও পারতাম না। আজ যদি আমাকে তার দৈহিক আকৃতির বর্ণনা করতে বলা হয় তবে আমার পক্ষে তা সম্ভব নয়। কারণ চোখ ভরে আমি কখনোই তার প্রতি তাকাতে পারিনি। ঐ অবস্থায় যদি আমার মৃত্যু হত তবে অবশ্যই আমি জান্নাতী হওয়ার আশাবাদী থাকতাম। পরবর্তীকালে আমরা নানা বিষয়ের সাথে জড়িয়ে পড়েছি, তাই জানি না, এতে আমার অবস্থান কোথায়? সুতরাং আমি যখন মারা যাব, তখন যেন কোন বিলাপকারিণী অথবা আগুন সে জানাযার সাথে না থাকে। আমাকে যখন দাফন করবে তখন আমার উপর আস্তে আস্তে মাটি ফেলবে এবং দাফন সেরে একটি উট যাবাহ করে তার গোশত বণ্টন করতে যে সময় লাগে ততক্ষণ আমার কবরের পাশে অবস্থান করবে। যেন তোমাদের উপস্থিতির কারণে আমি আতঙ্ক মুক্ত অবস্থায় থাকি ও চিন্তা করতে পারি যে, আমার প্রতিপালকের দূতের কি জবাব দিব। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২২১, ইসলামিক সেন্টারঃ)
মুহাম্মাদ ইবনু হাতিম ইবনু মাইমুন ও ইবরাহীম ইবনু দীনার (রহঃ) ..... ইবনু আব্বাস হতে বর্ণনা করেন যে, মুশরিকদের কিছু লোক যারা ব্যাপকভাবে হত্যা ও ব্যভিচারে লিপ্ত ছিল, তারা মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর দরবারে এসে জিজ্ঞেস করল, আপনি যে দীনের প্রতি মানুষদের আহবান জানাচ্ছেন, এতো অনেক উত্তম বিষয়। তবে আমাদের পূর্বকৃত গুনাহসমূহের প্রায়শ্চিত্ত সম্পর্কে আপনি যদি আমাদের নিশ্চিতভাবে কিছু অবহিত করতেন। তখন এ আয়াত নাযিল হয়ঃ “এবং যারা আল্লাহর সঙ্গে কোন ইলাহকে ডাকে না, আল্লাহ যার হত্যা নিষেধ করেছেন যথার্থ কারণ ব্যতিরেকে তাকে হত্যা করে না এবং ব্যভিচার করে না; যে এগুলো করে সে শাস্তি ভোগ করবে"- (সূরাহ্ আল ফুরকান ২৫ঃ ৬৮)। আরো নাযিল করেনঃ "হে আমার বান্দাগণ! তোমরা যারা নিজেদের প্রতি অবিচার করেছ আল্লাহর রহমত হতে নিরাশ হয়ো না”— (সূরাহু আয যুমারঃ ৫৩)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২২২, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثني محمد بن حاتم بن ميمون، وابراهيم بن دينار، - واللفظ لابراهيم - قالا حدثنا حجاج، - وهو ابن محمد - عن ابن جريج، قال اخبرني يعلى بن مسلم، انه سمع سعيد بن جبير، يحدث عن ابن عباس، ان ناسا، من اهل الشرك قتلوا فاكثروا وزنوا فاكثروا ثم اتوا محمدا صلى الله عليه وسلم فقالوا ان الذي تقول وتدعو لحسن ولو تخبرنا ان لما عملنا كفارة فنزل { والذين لا يدعون مع الله الها اخر ولا يقتلون النفس التي حرم الله الا بالحق ولا يزنون ومن يفعل ذلك يلق اثاما} ونزل { يا عبادي الذين اسرفوا على انفسهم لا تقنطوا من رحمة الله}
হারমালাহ ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... হাকিম ইবনু হিযাম (রাযিঃ) বলেন যে, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-কে জিজ্ঞেস করলাম যে, জাহিলী যুগে আমি যে সব নেক কাজ করতাম, আমি কি তার কোন প্রতিদান পাব? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উত্তর করলেনঃ তোমার পূর্বকৃত সৎকর্মের বিনিময়ে তুমি ইসলাম গ্রহণের সৌভাগ্য লাভ করেছ। রাবী বলেন, হাদীসে উক্ত التَّحَنُّثُ শব্দটির অর্থ التَّعَبُّدُ নির্জনে ইবাদত করা। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২২৩, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثني حرملة بن يحيى، اخبرنا ابن وهب، قال اخبرني يونس، عن ابن شهاب، قال اخبرني عروة بن الزبير، ان حكيم بن حزام، اخبره انه، قال لرسول الله صلى الله عليه وسلم ارايت امورا كنت اتحنث بها في الجاهلية هل لي فيها من شىء فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم " اسلمت على ما اسلفت من خير " . والتحنث التعبد
হাসান আল হুলওয়ানী ও আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... হাকিম ইবনু হিযাম (রাযিঃ) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কে জিজ্ঞেস করলাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ! সদাকাহ, দাসমুক্তি ও আত্মীয়-স্বজনের সাথে সুসম্পর্ক রাখা ইত্যাদি যে সব নেক কাজ জাহিলী যুগে আমি করতাম তার কি কোন প্রতিদান পাব? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উত্তরে বললেন, তোমার পূর্বকৃত সৎকর্মের বিনিময়ে তুমি ইসলাম গ্রহণের সৌভাগ্য লাভ করেছ। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২২৪, ইসলামিক সেন্টারঃ)
وحدثنا حسن الحلواني، وعبد بن حميد، - قال الحلواني حدثنا وقال عبد، حدثني - يعقوب، - وهو ابن ابراهيم بن سعد - حدثنا ابي، عن صالح، عن ابن شهاب، قال اخبرني عروة بن الزبير، ان حكيم بن حزام، اخبره انه، قال لرسول الله صلى الله عليه وسلم اى رسول الله ارايت امورا كنت اتحنث بها في الجاهلية من صدقة او عتاقة او صلة رحم افيها اجر فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اسلمت على ما اسلفت من خير
ইসহাক ইবনু ইবরাহীম ও আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ... হাকীম ইবনু হিযাম (রাযিঃ) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কে বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ! জাহিলী যুগে যে সকল নেক কাজ করতাম আমি কি তার কোন প্রতিদান পাবো? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, তোমার সে সব নেক কাজের বিনিময়ে তুমি ইসলাম গ্রহণের সৌভাগ্য লাভ করেছ। আমি বললাম, আল্লাহর কসম! জাহিলী যুগে যে সব নেক কাজ আমি করেছি ইসলামী জিন্দেগীতেও আমি তা করে যাব। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২২৫, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثنا اسحاق بن ابراهيم، وعبد بن حميد، قالا اخبرنا عبد الرزاق، اخبرنا معمر، عن الزهري، بهذا الاسناد ح وحدثنا اسحاق بن ابراهيم، اخبرنا ابو معاوية، حدثنا هشام بن عروة، عن ابيه، عن حكيم بن حزام، قال قلت يا رسول الله اشياء كنت افعلها في الجاهلية - قال هشام يعني اتبرر بها - فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اسلمت على ما اسلفت لك من الخير " . قلت فوالله لا ادع شييا صنعته في الجاهلية الا فعلت في الاسلام مثله
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ (রাযিঃ) ..... উরওয়াহ ইবনু যুবায়র (রাযিঃ) বলেন, হাকীম ইবনু হিযাম (রাযিঃ) জাহিলী যুগে একশ' ক্রীতদাসকে মুক্তি দিয়ে দিলেন, মাল বোঝাই একশ' উট দান করেছিলেন, ইসলাম গ্রহণ করার পরেও তিনি একশ' ক্রীতদাস আযাদ করেন এবং মালামাল বোঝাই একশ' উট সদাকাহ করেন। পরে তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর দরবারে এসে প্রশ্ন করেন। এরপর বর্ণনাকারী উল্লেখিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২২৬, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا عبد الله بن نمير، عن هشام بن عروة، عن ابيه، ان حكيم بن حزام، اعتق في الجاهلية ماية رقبة وحمل على ماية بعير ثم اعتق في الاسلام ماية رقبة وحمل على ماية بعير ثم اتى النبي صلى الله عليه وسلم فذكر نحو حديثهم
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) ..... 'আবদুল্লাহ (রাযিঃ) বলেন, (আল্লাহ তা'আলার বাণীঃ) “যারা ঈমান এনেছে এবং তাদের ঈমানকে যুলম দ্বারা কলুষিত করেনি নিরাপত্তা তাদের জন্য, তারাই সৎপথপ্রাপ্ত"- (সূরাহ আল আন’আম ৬ঃ ৮২)। এ আয়াতটি অবতীর্ণ হলে তা সাহাবাদের কাছে খুবই কঠিন মনে হল। তারা বললেন, আমাদের মধ্যে এমন কে আছে যে নিজের উপর আদৌ অত্যাচার করেনি? তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, তোমরা যা মনে করেছ বিষয়টি তা নয়, বরং এর মর্মার্থ হচ্ছে লুকমান তার পুত্রকে সম্বোধন করে যা বলেছিলেন। তিনি বলেছিলেনঃ “হে বৎস! আল্লাহর সাথে কোন শারীক করো না, নিশ্চয়ই শিরক চরম যুলম"- (সূরাহ্ লুকমান ৩১ঃ ১৩)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২২৭, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا عبد الله بن ادريس، وابو معاوية ووكيع عن الاعمش، عن ابراهيم، عن علقمة، عن عبد الله، قال لما نزلت { الذين امنوا ولم يلبسوا ايمانهم بظلم} شق ذلك على اصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم وقالوا اينا لا يظلم نفسه فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ليس هو كما تظنون انما هو كما قال لقمان لابنه { يا بنى لا تشرك بالله ان الشرك لظلم عظيم}
ইসহাক ইবনু ইবরাহীম আলী ইবনু খাশরাম, মিনজাব ইবনু হারিস আত তামীমী এবং আবূ কুরায়ব (রহঃ) ..... আমাশ (রহঃ) থেকে উক্ত সনদে বর্ণনা করেছেন। আবূ কুরায়ব (রহঃ) বলেন, ইবনু ইদরীস (রহঃ) বলেছেন, প্রথমতঃ আমার পিতা আমাকে আ'বান ইবনু তাগলিব থেকে আমাশ এর সূত্রে বর্ণনা করেছেন, পরবর্তীকালে আমি নিজেই আমাশ থেকে সরাসরি এ হাদীস শুনেছি (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২২৮, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثنا اسحاق بن ابراهيم، وعلي بن خشرم، قالا اخبرنا عيسى، - وهو ابن يونس ح وحدثنا منجاب بن الحارث التميمي، اخبرنا ابن مسهر، ح وحدثنا ابو كريب، اخبرنا ابن ادريس، كلهم عن الاعمش، بهذا الاسناد قال ابو كريب قال ابن ادريس حدثنيه اولا ابي، عن ابان بن تغلب، عن الاعمش، ثم سمعته منه،
মুহাম্মাদ ইবনু মিনহাল আয যারীর ও উমাইয়্যাহ ইবনু বিসতাম আল ‘আইশী (রহঃ) ... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) বলেন, যখন এ আয়াত নাযিল হলোঃ "আসমান ও জমিনে যত কিছু আছে সমস্ত আল্লাহরই। তোমাদের মনের অভ্যন্তরে যা আছে তা প্রকাশ কর কিংবা গোপন রাখ, আল্লাহ তোমাদের নিকট থেকে তার হিসাব গ্রহণ করবেন এবং যাকে ইচ্ছা তিনি ক্ষমা করবেন, যাকে ইচ্ছা শাস্তি দিবেন। আল্লাহ সবকিছুর উপর সর্বশক্তিমান"- (সূরাহ আল বাকারাহ ২ঃ ২৮৪)। রাবী বলেন, তখন বিষয়টি সাহাবাদের কাছে খুবই কঠিন মনে হল। তাই সবাই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে আসলেন এবং হাঁটু গেড়ে বসে বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! সালাত, সিয়াম, জিহাদ, সদাকাহ প্রভৃতি যে সমস্ত আমল আমাদের সামর্থ্যানুযায়ী ছিল এ যাবৎ আমাদেরকে সেগুলোর নির্দেশ দেয়া হয়েছে। বর্তমানে এ আয়াত নাযিল হয়েছে। এ বিষয়টি তো আমাদের ক্ষমতার বাইরে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, আহলে কিতাব-ইয়াহুদী ও খৃষ্টানের ন্যায় তোমরাও কি এমন কথা বলবে যে, শুনলাম কিন্তু মানলাম না। বরং তোমরা বল; শুনলাম ও মানলাম। হে আমাদের প্রতিপালক! আমরা তোমার নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করি, আর তোমার কাছেই আমরা ফিরে যাব। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর এ নির্দেশ শুনে সাহাবায়ে কিরাম বললেন, আমরা শুনেছি ও মেনেছি, হে আমাদের প্রতিপালক! আমরা তোমার নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করছি, তুমিই আমাদের শেষ প্রত্যাবর্তনস্থল। রাবী বলেন, সাহাবাদের সকলে এ আয়াত পাঠ করলেন এবং মনেপ্রাণে তা গ্রহণ করে নিলেন। অতঃপর আল্লাহ তা'আলা এ আয়াত নাযিল করেন : “রাসূল ঈমান এনেছেন তার প্রতি তার প্রতিপালকের পক্ষ হতে যা অবতীর্ণ হয়েছে এবং মুমিনগণও তাদের সকলেই আল্লাহর, তার ফেরেশতাগণের, তার কিতাবসমূহের এবং তার রাসূলগণের ঈমান এনেছে। (তারা বলে) আমরা তার রাসূলগণের মধ্যে কোন তারতম্য করি না। আর তারা বলে, আমরা শুনলাম এবং মানলাম! হে আমাদের রব! আমরা তোমার নিকট ক্ষমা চাই আর তোমারই নিকট আমাদের প্রত্যাবর্তনস্থল- (সূরাহ আল বাকারাহ ২ঃ ২৮৫)। যখন তারা সর্বোতভাবে আনুগত্য প্রকাশ করলেন, তখন আল্লাহ তা'আলা উক্ত আয়াতের হুকুম রহিত করে নাযিল করলেনঃ "আল্লাহ কারো উপর এমন কোন কষ্টদায়ক দায়-দায়িত্ব অর্পণ করেন না যা তার পক্ষে করা অসম্ভব। সে ভাল যা উপার্জন করে তা তারই এবং মন্দ যা উপার্জন করে তাও তারই। হে আমাদের রব! যদি আমরা ভুলে যাই কিংবা ভুল করে ফেলি তবে তুমি আমাদেরকে পাকড়াও করো না।" আল্লাহ তা'আলা বললেন, হ্যাঁ, মেনে নিলাম। আরো ইরশাদ হলঃ "হে আমাদের প্রতিপালক আমাদের পূর্ববর্তীগণের উপর যেমন গুরু দায়িত্ব অর্পণ করেছিলেন, আমাদের উপর তেমন দায়িত্ব অর্পণ করো না। আল্লাহ তা'আলা বললেনঃ হ্যাঁ, মেনে নিলাম। আরো ইরশাদ হলঃ "হে আমাদের রব! এমন ভার আমাদের উপর অর্পণ করো না, যা বহন করার শক্তি আমাদের নেই।" আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ হ্যাঁ, মেনে নিলাম। আরো ইরশাদ হল, "আমাদের পাপ মোচন কর, আমাদেরকে ক্ষমা করে দাও, আমাদের উপর দয়া কর, তুমিই আমাদের অভিভাবক। সুতরাং কাফির সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে আমাদেরকে বিজয় দান কর”— (সূরাহ আল বাকারাহ ২ঃ ২৮৬)। আল্লাহ তা'আলা বললেন, হ্যাঁ, মেনে নিলাম। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২২৯, ইসলামিক সেন্টারঃ)
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ, আবূ কুরায়ব ও ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ..... ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) বলেন যে, (মহান আল্লাহর বাণীঃ) "তোমাদের মনে যা আছে তা প্রকাশ কর কিংবা গোপন রাখ, আল্লাহ তোমাদের নিকট হতে তার হিসাব গ্রহণ করবেন"- (সূরাহ আল বাকারাহ ২ঃ ২৮৪)। এ আয়াতটি নাযিল হলে সাহাবাগণ খুবই উদ্বিগ্ন হলেন, আর কোন বিষয়ে তারা এতো উদ্বিগ্ন হননি। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, বরং তোমরা বল, শুনলাম, আনুগত্য স্বীকার করলাম এবং মেনে নিলাম। ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) বলেন, আল্লাহ তা'আলা তাদের অন্তরে ঈমান ঢেলে দিলেন। তিনি নাযিল করলেন, আল্লাহ তা'আলা কারোর উপর এমন কোন কষ্টদায়ক দায়িত্ব অর্পণ করেন না, যা তার সাধ্যাতীত। সে ভালো যা উপার্জন করে তা তারই, আর মন্দ যা উপার্জন করে তাও তারই। হে আমাদের রব। যদি আমরা ভুলে যাই অথবা ভুল করে ফেলি তবে আমাদের পাকড়াও করো না। তখন আল্লাহ তা'আলা বললেনঃ অবশ্যই মেনে নিলাম। আল্লাহ তা'আলা আরো ইরশাদ করলেনঃ হে আমাদের রব! আমাদের পূর্ববর্তীগণের উপর যেমন গুরু দায়িত্ব অর্পণ করেছিলে, আমাদের উপর তেমন দায়িত্ব অর্পণ করো না। আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ অবশ্যই মেনে নিলাম। আল্লাহ তা'আলা আরও ঘোষণা করলেনঃ "(বলুন) আমাদের পাপ মোচন কর, আমাদেরকে ক্ষমা কর এবং আমাদের প্রতি দয়া কর, তুমিই আমাদের রব।" আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ অবশ্যই মেনে নিলাম। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৩০, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، وابو كريب واسحاق بن ابراهيم - واللفظ لابي بكر قال اسحاق اخبرنا وقال الاخران، حدثنا - وكيع، عن سفيان، عن ادم بن سليمان، مولى خالد قال سمعت سعيد بن جبير، يحدث عن ابن عباس، قال لما نزلت هذه الاية { وان تبدوا ما في انفسكم او تخفوه يحاسبكم به الله} قال دخل قلوبهم منها شىء لم يدخل قلوبهم من شىء فقال النبي صلى الله عليه وسلم " قولوا سمعنا واطعنا وسلمنا " . قال فالقى الله الايمان في قلوبهم فانزل الله تعالى { لا يكلف الله نفسا الا وسعها لها ما كسبت وعليها ما اكتسبت ربنا لا تواخذنا ان نسينا او اخطانا} قال قد فعلت { ربنا ولا تحمل علينا اصرا كما حملته على الذين من قبلنا} - قال قد فعلت { واغفر لنا وارحمنا انت مولانا} قال قد فعلت
সাঈদ ইবনু মানসূর, কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ ও মুহাম্মাদ ইবনু উবায়দ আল গুবারী (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ কথা বা কাজে পরিণত না করা পর্যন্ত আল্লাহ তা'আলা আমার উম্মতের জন্য তাদের মনে কল্পনাগুলোকে মাফ করে দিয়েছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৩১, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثنا سعيد بن منصور، وقتيبة بن سعيد، ومحمد بن عبيد الغبري، - واللفظ لسعيد - قالوا حدثنا ابو عوانة، عن قتادة، عن زرارة بن اوفى، عن ابي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ان الله تجاوز لامتي ما حدثت به انفسها ما لم يتكلموا او يعملوا به
আমর আন নাকিদ ও যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেনঃ আল্লাহ তা'আলা আমার উম্মতের জন্য কথা কাজে পরিণত না করা পর্যন্ত তাদের মনের কল্পনাগুলো ক্ষমা করে দিয়েছেন। যুহায়র ইবনু হারব, ইসহাক ইবনু মানসূর (রহঃ) ..... কাতাদাহ্ (রহঃ) এর সূত্রেও হাদীসটি অনুরূপভাবে বর্ণিত আছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৩২, ২৩৩; ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثنا عمرو الناقد، وزهير بن حرب، قالا حدثنا اسماعيل بن ابراهيم، ح وحدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا علي بن مسهر، وعبدة بن سليمان، ح وحدثنا ابن المثنى، وابن، بشار قالا حدثنا ابن ابي عدي، كلهم عن سعيد بن ابي عروبة، عن قتادة، عن زرارة، عن ابي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ان الله عز وجل تجاوز لامتي عما حدثت به انفسها ما لم تعمل او تكلم به
وحدثني زهير بن حرب، حدثنا وكيع، حدثنا مسعر، وهشام، ح وحدثني اسحاق بن منصور، اخبرنا الحسين بن علي، عن زايدة، عن شيبان، جميعا عن قتادة، بهذا الاسناد مثله
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ, যুহায়র ইবনু হারব ও ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ তা'আলা (ফেরেশতাদেরকে) বলেন, আমার বান্দা কোন পাপ কর্মের কথা ভাবলেই তা লিখবে না বরং সে যদি তা করে তবে একটি পাপ লিখবে। আর যদি সে কোন নেক কাজের নিয়্যাত করে কিন্তু সে যদি তা না করে, তাহলেও এর প্রতিদানে তার জন্য একটি সাওয়াব লিখবে। আর তা সম্পাদন করলে লিখবে দশটি সাওয়াব। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৩৪, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، وزهير بن حرب، واسحاق بن ابراهيم، - واللفظ لابي بكر قال اسحاق اخبرنا سفيان، وقال الاخران، حدثنا - ابن عيينة، عن ابي الزناد، عن الاعرج، عن ابي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " قال الله عز وجل اذا هم عبدي بسيية فلا تكتبوها عليه فان عملها فاكتبوها سيية واذا هم بحسنة فلم يعملها فاكتبوها حسنة فان عملها فاكتبوها عشرا
ইয়াহইয়া ইবনু আইয়ুব, কুতাইবাহ ও ইবনু হুজর (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ তা'আলা ইরশাদ করেন, আমার বান্দা যখন কোন ভাল কাজের নিয়্যাত করে অথচ এখনো তা করেনি, তখন আমি তার জন্য একটি সাওয়াব লিখি; আর যদি তা কাজে পরিণত করে তবে দশ থেকে সাতশ' গুণ পর্যন্ত সাওয়াব লিখি। পক্ষান্তরে যদি মন্দ কাজের নিয়্যাত করে অথচ এখনো তা কাজে পরিণত করেনি তবে এর জন্য কিছুই লিখি না। আর তা কাজে পরিণত করলে একটি মাত্র পাপ লিখি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৩৫, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثنا يحيى بن ايوب، وقتيبة، وابن، حجر قالوا حدثنا اسماعيل، - وهو ابن جعفر - عن العلاء، عن ابيه، عن ابي هريرة، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " قال الله عز وجل اذا هم عبدي بحسنة ولم يعملها كتبتها له حسنة فان عملها كتبتها عشر حسنات الى سبعماية ضعف واذا هم بسيية ولم يعملها لم اكتبها عليه فان عملها كتبتها سيية واحدة
حدثنا محمد بن المثنى العنزي، وابو معن الرقاشي واسحاق بن منصور كلهم عن ابي عاصم، - واللفظ لابن المثنى - حدثنا الضحاك، - يعني ابا عاصم - قال اخبرنا حيوة بن شريح، قال حدثني يزيد بن ابي حبيب، عن ابن شماسة المهري، قال حضرنا عمرو بن العاص وهو في سياقة الموت . فبكى طويلا وحول وجهه الى الجدار فجعل ابنه يقول يا ابتاه اما بشرك رسول الله صلى الله عليه وسلم بكذا اما بشرك رسول الله صلى الله عليه وسلم بكذا قال فاقبل بوجهه . فقال ان افضل ما نعد شهادة ان لا اله الا الله وان محمدا رسول الله اني قد كنت على اطباق ثلاث لقد رايتني وما احد اشد بغضا لرسول الله صلى الله عليه وسلم مني ولا احب الى ان اكون قد استمكنت منه فقتلته فلو مت على تلك الحال لكنت من اهل النار فلما جعل الله الاسلام في قلبي اتيت النبي صلى الله عليه وسلم فقلت ابسط يمينك فلابايعك . فبسط يمينه - قال - فقبضت يدي . قال " ما لك يا عمرو " . قال قلت اردت ان اشترط . قال " تشترط بماذا " . قلت ان يغفر لي . قال " اما علمت ان الاسلام يهدم ما كان قبله وان الهجرة تهدم ما كان قبلها وان الحج يهدم ما كان قبله " . وما كان احد احب الى من رسول الله صلى الله عليه وسلم ولا اجل في عيني منه وما كنت اطيق ان املا عينى منه اجلالا له ولو سيلت ان اصفه ما اطقت لاني لم اكن املا عينى منه ولو مت على تلك الحال لرجوت ان اكون من اهل الجنة ثم ولينا اشياء ما ادري ما حالي فيها فاذا انا مت فلا تصحبني نايحة ولا نار فاذا دفنتموني فشنوا على التراب شنا ثم اقيموا حول قبري قدر ما تنحر جزور ويقسم لحمها حتى استانس بكم وانظر ماذا اراجع به رسل ربي
حدثني محمد بن منهال الضرير، وامية بن بسطام العيشي، - واللفظ لامية - قالا حدثنا يزيد بن زريع، حدثنا روح، - وهو ابن القاسم - عن العلاء، عن ابيه، عن ابي هريرة، قال لما نزلت على رسول الله صلى الله عليه وسلم { لله ما في السموات وما في الارض وان تبدوا ما في انفسكم او تخفوه يحاسبكم به الله فيغفر لمن يشاء ويعذب من يشاء والله على كل شىء قدير} قال فاشتد ذلك على اصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم فاتوا رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم بركوا على الركب فقالوا اى رسول الله كلفنا من الاعمال ما نطيق الصلاة والصيام والجهاد والصدقة وقد انزلت عليك هذه الاية ولا نطيقها . قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اتريدون ان تقولوا كما قال اهل الكتابين من قبلكم سمعنا وعصينا بل قولوا سمعنا واطعنا غفرانك ربنا واليك المصير " . قالوا سمعنا واطعنا غفرانك ربنا واليك المصير . فلما اقتراها القوم ذلت بها السنتهم فانزل الله في اثرها { امن الرسول بما انزل اليه من ربه والمومنون كل امن بالله وملايكته وكتبه ورسله لا نفرق بين احد من رسله وقالوا سمعنا واطعنا غفرانك ربنا واليك المصير} فلما فعلوا ذلك نسخها الله تعالى فانزل الله عز وجل { لا يكلف الله نفسا الا وسعها لها ما كسبت وعليها ما اكتسبت ربنا لا تواخذنا ان نسينا او اخطانا} قال نعم { ربنا ولا تحمل علينا اصرا كما حملته على الذين من قبلنا} قال نعم { ربنا ولا تحملنا ما لا طاقة لنا به} قال نعم { واعف عنا واغفر لنا وارحمنا انت مولانا فانصرنا على القوم الكافرين} قال نعم