Loading...

Loading...
বইসমূহ
৯১ হাদিসসমূহ
ইসহাক ইবনু মানসূর (রহঃ) ..... আবূ বাকর ইবনু আবূ জাহম (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ফাতিমাহ বিনতু কায়সকে বলতে শুনেছি যে, আমার স্বামী আবূ আমর হাফস্ ইবনু মুগীরাহ (রাযিঃ) আইয়্যাশ ইবনু আবূ রাবী'আহ-কে আমার নিকটে আমাকে ত্বলাক (তালাক) (তালাক) দেয়ার সংবাদ দিয়ে পাঠান। তিনি তার সাথে আমার খোরপোষের জন্য পাঁচ সা' (এক সা' সাড়ে তিন কেজির সমান) খেজুর এবং পাঁচ সা' যব পাঠিয়ে দেন। তখন আমি তাকে বললাম, আমার জন্য কি খোরপোষ এ পরিমাণ? আমি তোমাদের ঘরে ইদ্দাত করব না। তিনি (আইয়্যাশ) বললেন, না তা হতে পারে না। তিনি (ফাত্বিমাহ) বললেন, আমি তখন কাপড় চোপড় পরিধান করে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে গেলাম। তিনি আমাকে বললেন, সে তোমাকে কত ত্বলাক (তালাক) (তালাক) দিয়েছে? আমি বললাম, তিন ত্বলাক (তালাক) (তালাক)। তিনি বললেন, সে (আয়্যাশ) ঠিকই বলেছে। তোমার জন্য কোন খোরপোষ নেই। তুমি তোমার চাচাতো ভাই ইবনু উম্মু মাকতুমের ঘরে গিয়ে ইদ্দাত পালন কর। সে একজন অন্ধ মানুষ। তুমি প্রয়োজনবোধে সেখানে কাপড় চোপড় খুলে রাখতে পারবে। এরপর তোমার ইদ্দাত পূর্ণ হলে তুমি আমাকে জানাবে। তিনি (ফাত্বিমাহ বিনতু কায়স (রাযিঃ) বলেন, আমার ইদ্দাতকাল অতিবাহিত হলে বেশ কয়েকজন লোক আমার কাছে বিয়ের পায়গাম পাঠালেন। তার মধ্যে মু'আবিয়াহ ও আবূ জাহমও ছিলেন। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ মু'আবিয়াহ তো একজন গরীব মানুষ, নগণ্য সম্পদের অধিকারী আর আবূ জাহম তো নারীদের প্রতি কঠোর (অথবা বললেন) সে স্ত্রীদের লাঠিপেটা করে অথবা এরূপ কিছু বললেন। তবে উসামাহ ইবনু যায়দকেই গ্রহণ করা তোমার জন্য উচিত হবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৫৭৫, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثني اسحاق بن منصور، حدثنا عبد الرحمن، عن سفيان، عن ابي بكر بن، ابي الجهم قال سمعت فاطمة بنت قيس، تقول ارسل الى زوجي ابو عمرو بن حفص بن المغيرة عياش بن ابي ربيعة بطلاقي وارسل معه بخمسة اصع تمر وخمسة اصع شعير فقلت اما لي نفقة الا هذا ولا اعتد في منزلكم قال لا . قالت فشددت على ثيابي واتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال " كم طلقك " . قلت ثلاثا . قال " صدق ليس لك نفقة . اعتدي في بيت ابن عمك ابن ام مكتوم فانه ضرير البصر تلقي ثوبك عنده فاذا انقضت عدتك فاذنيني " . قالت فخطبني خطاب منهم معاوية وابو الجهم . فقال النبي صلى الله عليه وسلم " ان معاوية ترب خفيف الحال وابو الجهم منه شدة على النساء - او يضرب النساء او نحو هذا - ولكن عليك باسامة بن زيد
ইসহাক ইবনু মানসূর (রহঃ) ..... আবূ বাকর ইবনু আবূ জাহম (রাযিঃ) বলেন, আমি এবং আবূ সালামাহ ইবনু আবদুর রহমান ফাত্বিমাহ বিনতু কায়স এর কাছে গেলাম। এরপর আমরা তাকে (তার ত্বলাক (তালাক) (তালাক) সম্পর্কে) জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন, আমি আবূ আমর হাফস্ ইবনু মুগীরার স্ত্রী ছিলাম। একবার তিনি নাজরানের যুদ্ধে রওনা হয়ে গেলেন। এরপর আবূ বকর ইবনু আবূ জাহম (রাযিঃ) ইবনু মাহদী বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন। তবে তিনি তার বর্ণনায় এতটুকু বেশি উল্লেখ করেছেন যে, “তিনি (ফাত্বিমাহ বিনতু কায়স) বলেন, আর আমি তাকে বিয়ে করলাম। এরপর আল্লাহ ইবনু যায়দের দ্বারা আমাকে সম্মানিত করলেন এবং আমাকে তার মাধ্যমে উচ্চ মর্যাদায় ভূষিত করলেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৫৭৬, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثني اسحاق بن منصور، اخبرنا ابو عاصم، حدثنا سفيان الثوري، حدثني ابو بكر بن ابي الجهم، قال دخلت انا وابو سلمة بن عبد الرحمن على فاطمة بنت قيس فسالناها فقالت كنت عند ابي عمرو بن حفص بن المغيرة فخرج في غزوة نجران . وساق الحديث بنحو حديث ابن مهدي وزاد قالت فتزوجته فشرفني الله بابن زيد وكرمني الله بابن زيد
উবায়দুল্লাহ ইবনু মু'আয আল আম্বারী (রহঃ) ..... আবূ বকর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আবদুল্লাহ ইবনু যুবায়র (রাযিঃ) এর শাসনামলে আমি এবং আবূ সালামাহ্ (রাযিঃ) ফাতিমাহ বিনতু কায়স (রাযিঃ) এর কাছে গেলাম। তখন তিনি আমাদেরকে সুফইয়ানের হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করে বললেন যে, তার স্বামী তাকে বায়িন ত্বলাক (তালাক) (তালাক) দিয়েছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৫৭৭, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا عبيد الله بن معاذ العنبري، حدثنا ابي، حدثنا شعبة، حدثني ابو بكر، قال دخلت انا وابو سلمة على فاطمة بنت قيس زمن ابن الزبير فحدثتنا ان زوجها طلقها طلاقا باتا . بنحو حديث سفيان
হাসান ইবনু আলী আল হুলওয়ানী (রহঃ) ..... ফাত্বিমাহ বিনতু কায়স (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমার স্বামী আমাকে তিন ত্বলাক (তালাক) (তালাক) দিলেন। এরপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার জন্য বাসস্থান এবং খোরপোষের ফায়সালা দেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৫৭৮, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثني حسن بن علي الحلواني، حدثنا يحيى بن ادم، حدثنا حسن بن صالح، عن السدي، عن البهي، عن فاطمة بنت قيس، قالت طلقني زوجي ثلاثا فلم يجعل لي رسول الله صلى الله عليه وسلم سكنى ولا نفقة
আবূ কুরায়ব (রহঃ) ..... হিশাম (রহঃ) থেকে তাঁর পিতার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ ইবনুল আস (রাযিঃ) আবদুর রহমান ইবনু হাকাম এর কন্যাকে বিয়ে করেন। এরপর তিনি তাকে তিন ত্বলাক (তালাক) (তালাক) দেন এবং তাকে তার থেকে বের করে দেন। উরওয়াহ (রহঃ) এতে তাদের ভৎসনা করেন। তারা বললেন, ফাত্বিমাহ বিনতু কায়স (রাযিঃ)ও তো ঘর থেকে বের হয়েছিলেন। উরওয়াহ বলেন, আমি আয়িশাহ্ (রাযিঃ) এর কাছে এলাম এবং তার কাছে এ ঘটনা উপস্থাপন করলাম। তিনি বললেন, ফাতিমাহ বিনতু কায়স এর জন্য কোন কল্যাণ নেই যে, সে এ হাদীস বর্ণনা করবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৫৭৯, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا ابو كريب، حدثنا ابو اسامة، عن هشام، حدثني ابي قال، تزوج يحيى بن سعيد بن العاص بنت عبد الرحمن بن الحكم فطلقها فاخرجها من عنده فعاب ذلك عليهم عروة فقالوا ان فاطمة قد خرجت . قال عروة فاتيت عايشة فاخبرتها بذلك فقالت ما لفاطمة بنت قيس خير في ان تذكر هذا الحديث
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ..... ফাত্বিমাহ বিনতু কায়স (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! আমার স্বামী আমাকে তিন ত্বলাক (তালাক) (তালাক) দিয়েছেন, আমার আশংকা হয় যে, তিনি আমার উপর চড়াও হবেন। তখন তিনি তাকে অন্যত্র চলে যাবার নির্দেশ দিলেন এবং তিনি চলে গেলেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৫৮০, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا محمد بن المثنى، حدثنا حفص بن غياث، حدثنا هشام، عن ابيه، عن فاطمة، بنت قيس قالت قلت يا رسول الله زوجي طلقني ثلاثا واخاف ان يقتحم على . قال فامرها فتحولت
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ..... আয়িশাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, ফাতিমাহ বিনতু কায়স এর জন্য এ কথা বলায় কোন কল্যাণ নেই যে, তিন ত্বলাক (তালাক) (তালাক) প্রাপ্তা মহিলার জন্য বাসস্থান ও খোরপোষ নেই। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৫৮১, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا محمد بن المثنى، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن عبد الرحمن، بن القاسم عن ابيه، عن عايشة، انها قالت ما لفاطمة خير ان تذكر هذا . قال تعني قولها لا سكنى ولا نفقة
ইসহাক ইবনু মানসূর (রহঃ) ..... আবদুর রহমান ইবনু কাসিম (রহঃ) তার পিতার সূত্রে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, উরওয়াহ ইবনু যুবায়র (রহঃ) আয়িশাহ্ (রাযিঃ) কে বললেন, হাকামের অমুক মেয়েটির সম্পর্কে আপনি কি অবহিত নন যে, তার স্বামী তাকে বায়িন ত্বলাক (তালাক) (তালাক) দিয়েছেন? এরপর সে ঘর থেকে বের হয়েছে। তিনি বললেন, আপনি কি ফাতিমার উক্তি শুনেননি? তখন তিনি (উরওয়াহ্) বললেন, তার উক্তি বর্ণনার মধ্যে তার জন্য কোন কল্যাণ নেই। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৫৮২, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثني اسحاق بن منصور، اخبرنا عبد الرحمن، عن سفيان، عن عبد الرحمن، بن القاسم عن ابيه، قال قال عروة بن الزبير لعايشة الم ترى الى فلانة بنت الحكم طلقها زوجها البتة فخرجت فقالت بيسما صنعت . فقال الم تسمعي الى قول فاطمة فقالت اما انه لا خير لها في ذكر ذلك
মুহাম্মাদ ইবনু হাতিম ইবনু মায়মূন, মুহাম্মাদ ইবনু রাফি ও হারূন ইবনু আবদুল্লাহ (রহিমাহুমুল্লাহ) ..... জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমার খালা ত্বলাক (তালাক) (তালাক) প্রাপ্ত হন। এরপর তিনি তার (খেজুর বাগানের) খেজুর পাড়ার ইচ্ছা করলেন। এক ব্যক্তি তাকে বাইরে যেতে বাধা দিলেন। তখন তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এলেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, হ্যাঁ তুমি তোমার বাগানের খেজুর পাড়ার জন্য বাইরে যেতে পার। কারণ সম্ভবত তা থেকে অন্যদের সদাকাহ করবে অথবা অন্য কোন ভাল কাজ করবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৫৮৩, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثني محمد بن حاتم بن ميمون، حدثنا يحيى بن سعيد، عن ابن جريج، ح وحدثنا محمد بن رافع، حدثنا عبد الرزاق، اخبرنا ابن جريج، ح وحدثني هارون بن عبد الله، - واللفظ له - حدثنا حجاج بن محمد، قال قال ابن جريج اخبرني ابو الزبير، انه سمع جابر بن عبد الله، يقول طلقت خالتي فارادت ان تجد نخلها فزجرها رجل ان تخرج فاتت النبي صلى الله عليه وسلم فقال " بلى فجدي نخلك فانك عسى ان تصدقي او تفعلي معروفا
আবূ তাহির ও হারমালাহ্ ইবনু ইয়াহইয়া (রহিমাহুমাল্লাহ) ..... উবায়দুল্লাহ ইবনু 'আবদুল্লাহ ইবনু আরকাম যুহরীকে নির্দেশ দিয়ে লিখলেন যে, তিনি যেন সুবায়'আহ বিনতু হারিস আসলামীর কাছে চলে যান। এরপর তাকে তার হাদীস সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেন। যখন তিনি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে ফাতাওয়া চাইছিলেন এবং তিনি তাকে যা বলেছিলেন তখন উমর ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু উতবাকে লিখে পাঠালেন যে, সুবায়'আহ তাকে জানিয়েছেন- তিনি বানু আমির ইবনু লুঈ গোত্রের সা'দ ইবনু খাওলার স্ত্রী ছিলেন। তিনি ছিলেন বাদরী সাহাবী এবং বিদায় হাজজের (হজ্জের/হজের) সময় ওফাত পান। সে সময়ে তিনি গর্ভবতী ছিলেন। তার স্বামীর ইন্তিকালের অব্যবহিত পরেই তিনি সন্তান প্রসব করেন। এরপর যখন তিনি নিফাস থেকে পবিত্র হলেন, তখন বিবাহের পয়গামদাতাদের জন্য সাজসজ্জা করতে লাগলেন। তখন বানু আবদুদ দার গোত্রের আবূ সানাবিল ইবনু বা'কাক নামক এক ব্যক্তি তার কাছে এলেন। তখন তিনি তাকে বললেন, মতলব কী? আমি তোমাকে সাজসজ্জা করতে দেখতে পাচ্ছি। সম্ভবত তুমি বিবাহ প্রত্যাশী? আল্লাহর কসম চার মাস দশদিন অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত তুমি বিয়ে করতে পারবে না। সুবায়'আহ বললেন, যখন সে লোকটি আমাকে এ কথা বলল, তখন কাপড়-চোপড় পরিধান করে সন্ধ্যাবেলা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে চলে এলাম। এরপর আমি তাকে সে বিষযে জানিয়ে দিলাম। তিনি আমাকে জানিয়ে দিলেন যে, সন্তান ভূমিষ্ট হওয়ার সাথে সাথেই আমার ইদ্দাত পূর্ণ হয়ে গিয়েছে। তিনি আমাকে আরও নির্দেশ দিলেন যে, আমি ইচ্ছা করলে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে পারি। ইবনু শিহাব (রহঃ) বলেন, সস্তান ভূমিষ্ট হওয়ার পরপরই প্রসূতির জন্য বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়াকে আমি দূষণীয় মনে করি না, যদিও সে তখন নিফাসের ইদ্দাত পালনরত থাকে। তবে নিফাস থেকে পবিত্র হওয়ার পূর্বে স্বামী যেন স্ত্রীর সাথে যৌন সঙ্গম না করে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৫৮৪, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثني ابو الطاهر، وحرملة بن يحيى، - وتقاربا في اللفظ - قال حرملة حدثنا وقال ابو الطاهر، اخبرنا ابن وهب، - حدثني يونس بن يزيد، عن ابن شهاب، حدثني عبيد الله بن عبد الله بن عتبة بن مسعود، ان اباه، كتب الى عمر بن عبد الله بن الارقم الزهري يامره ان يدخل، على سبيعة بنت الحارث الاسلمية فيسالها عن حديثها وعما قال لها رسول الله صلى الله عليه وسلم حين استفتته فكتب عمر بن عبد الله الى عبد الله بن عتبة يخبره ان سبيعة اخبرته انها كانت تحت سعد ابن خولة وهو في بني عامر بن لوى وكان ممن شهد بدرا فتوفي عنها في حجة الوداع وهى حامل فلم تنشب ان وضعت حملها بعد وفاته فلما تعلت من نفاسها تجملت للخطاب فدخل عليها ابو السنابل بن بعكك - رجل من بني عبد الدار - فقال لها ما لي اراك متجملة لعلك ترجين النكاح انك والله ما انت بناكح حتى تمر عليك اربعة اشهر وعشر . قالت سبيعة فلما قال لي ذلك جمعت على ثيابي حين امسيت فاتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم فسالته عن ذلك فافتاني باني قد حللت حين وضعت حملي وامرني بالتزوج ان بدا لي . قال ابن شهاب فلا ارى باسا ان تتزوج حين وضعت وان كانت في دمها غير ان لا يقربها زوجها حتى تطهر
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না আল আনাযী (রহঃ) ..... সুলায়মান ইবনু ইয়াসার (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, আবূ সালামাহ্ ইবনু আবদুর রহমান (রাযিঃ) ও ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) এর কাছে সমবেত হলেন। তারা এমন একজন মহিলার কথা আলোচনা করছিলেন যিনি তার স্বামীর ইনতিকালের কয়েক দিন পরেই সন্তান প্রসব করেছেন। তখন ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) বললেন, তার ইদ্দাত হবে দু'টির মধ্যে দীর্ঘতরটি। আবূ সালামাহ (রাযিঃ) বললেন, তার ইদ্দাত পূর্ণ হয়ে গেছে। বিষয়টি নিয়ে তারা দু’জনে বিতর্ক শুরু করে দিলেন। বর্ণনাকারী বলেন, তখন আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) বললেন, আমি আমার ভাতিজা আবূ সালামার পক্ষে। এরপর তারা সবাই ইবনু আব্বাসের মুক্তদাস কুরায়বকে উম্মু সালামাহ্ (রাযিঃ) এর কাছে উক্ত বিষয়ে জিজ্ঞেস করার জন্য পাঠালেন। সে তাদের কাছে এসে বলল যে, উম্মু সালামাহ (রাযিঃ) বলেছেন, সুবায়'আহ আসলামিয়াহ তার স্বামীর ইনতিকালের কয়েক রাত পরই সন্তান প্রসব করেন এবং তিনি সে বিষয়টি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট উপস্থাপন করেন। তখন তিনি তাকে বিবাহ করার অনুমতি দেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৫৮৫, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا محمد بن المثنى العنزي، حدثنا عبد الوهاب، قال سمعت يحيى بن سعيد، اخبرني سليمان بن يسار، ان ابا سلمة بن عبد الرحمن، وابن، عباس اجتمعا عند ابي هريرة وهما يذكران المراة تنفس بعد وفاة زوجها بليال . فقال ابن عباس عدتها اخر الاجلين . وقال ابو سلمة قد حلت . فجعلا يتنازعان ذلك قال فقال ابو هريرة انا مع ابن اخي - يعني ابا سلمة - فبعثوا كريبا - مولى ابن عباس - الى ام سلمة يسالها عن ذلك فجاءهم فاخبرهم ان ام سلمة قالت ان سبيعة الاسلمية نفست بعد وفاة زوجها بليال وانها ذكرت ذلك لرسول الله صلى الله عليه وسلم فامرها ان تتزوج
মুহাম্মদ ইবনু রুমূহ, আবূ বাকর ইবনু শায়বাহ ও আমর আন নাদি (রহিমাহুমুল্লাহ) ..... ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (রহঃ) থেকে উক্ত সানাদে অনুরূপ বর্ণনা করেন। তবে লায়স (রহঃ) বর্ণিত হাদীসে উল্লেখ আছে "তারা সাবাই উম্মু সালামার কাছে সংবাদ পাঠালেন" এবং তিনি (লায়স) কুরায়বের নাম উল্লেখ করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৫৮৬, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثناه محمد بن رمح، اخبرنا الليث، ح وحدثناه ابو بكر بن ابي شيبة، وعمرو، الناقد قالا حدثنا يزيد بن هارون، كلاهما عن يحيى بن سعيد، بهذا الاسناد . غير انقال في حديثه فارسلوا الى ام سلمة ولم يسم كريبا
আবূ বকর ইবনু শায়বাহ ও আমর আন নাকিদ (রহিমাহুমাল্লাহ) ..... হুমায়দ ইবনু নাফি (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি যায়নাব বিনতু আবূ সালামাকে উম্মু সালামাহ্ ও উম্মু হাবীবাহ (রাযিঃ) থেকে হাদীস বর্ণনা করতে শুনেছেন। তারা উল্লেখ করেন যে, জনৈকা মহিলা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এলো। তিনি তার (রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর) কাছে উত্থাপন করলেন যে, আমার মেয়ের স্বামী মারা গিয়েছে। (তার শোক পালন করতে গিয়ে) তার চোখে অসুখ হয়েছে। সে এখন তার চোখে সুরমা ব্যবহার করতে চায়। তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ (জাহিলিয়াত যুগে স্বামীর মৃত্যুতে) তোমাদের কেউ এক বছর পূর্তি পর্যন্ত উটের বিষ্ঠা নিক্ষেপ করত। আর এখন তো মাত্র চারমাস দশদিন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৫৯১, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا يحيى بن يحيى، قال قرات على مالك عن عبد الله بن ابي بكر، عن حميد بن نافع، عن زينب بنت ابي سلمة، انها اخبرته هذه الاحاديث الثلاثة، قال قالت زينب دخلت على ام حبيبة زوج النبي صلى الله عليه وسلم حين توفي ابوها ابو سفيان فدعت ام حبيبة بطيب فيه صفرة خلوق او غيره فدهنت منه جارية ثم مست بعارضيها ثم قالت والله ما لي بالطيب من حاجة غير اني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول على المنبر " لا يحل لامراة تومن بالله واليوم الاخر تحد على ميت فوق ثلاث الا على زوج اربعة اشهر وعشرا " . قالت زينب ثم دخلت على زينب بنت جحش حين توفي اخوها فدعت بطيب فمست منه ثم قالت والله ما لي بالطيب من حاجة غير اني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول على المنبر " لا يحل لامراة تومن بالله واليوم الاخر تحد على ميت فوق ثلاث الا على زوج اربعة اشهر وعشرا " . قالت زينب سمعت امي ام سلمة، تقول جاءت امراة الى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالت يا رسول الله ان ابنتي توفي عنها زوجها وقد اشتكت عينها افنكحلها فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لا " . مرتين او ثلاثا كل ذلك يقول لا ثم قال " انما هي اربعة اشهر وعشر وقد كانت احداكن في الجاهلية ترمي بالبعرة على راس الحول " . قال حميد قلت لزينب وما ترمي بالبعرة على راس الحول فقالت زينب كانت المراة اذا توفي عنها زوجها دخلت حفشا ولبست شر ثيابها ولم تمس طيبا ولا شييا حتى تمر بها سنة ثم توتى بدابة حمار او شاة او طير فتفتض به فقلما تفتض بشىء الا مات ثم تخرج فتعطى بعرة فترمي بها ثم تراجع بعد ما شاءت من طيب او غيره
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ..... হুমায়দ ইবনু নাফি’ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি যায়নাব বিনত উম্মু সালামাকে বলতে শুনেছি যে, উম্মু হাবীবাহ (রাযিঃ) এর একজন নিকট আত্মীয় ইনতিকাল করেন। এরপর তিনি হলুদ বর্ণের সুগন্ধি চেয়ে পাঠান এবং তার দু' বাহুতে মেখে নিলেন। এরপর তিনি বললেন, আমি তা এজন্য করলাম যে, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি, যে মহিলা আল্লাহ ও আখিরাতের প্রতি ঈমান রাখে তার পক্ষে কারো মৃত্যুতে তিনদিনের বেশি শোক পালন করা হালাল নয়। তবে স্বামীর মৃত্যুতে চারমাস দশদিন শোক পালন করা যাবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৫৮৮, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا محمد بن المثنى، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن حميد بن نافع، قال سمعت زينب بنت ام سلمة، قالت توفي حميم لام حبيبة فدعت بصفرة فمسحته بذراعيها وقالت انما اصنع هذا لاني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " لا يحل لامراة تومن بالله واليوم الاخر ان تحد فوق ثلاث الا على زوج اربعة اشهر وعشرا
আর যায়নাব (রাযিঃ) এ হাদীসখানা তার মা উম্মু সালামাহ্ (রাযিঃ) এবং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহধর্মিণী যায়নাব (রাযিঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৫৮৮, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثته زينب، عن امها، وعن زينب، زوج النبي صلى الله عليه وسلم او عن امراة من بعض ازواج النبي صلى الله عليه وسلم
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ..... হুমায়দ ইবনু নাফি' (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি যায়নাব বিনতু উম্মু সালামাকে তার মায়ের সূত্রে বলতে শুনেছি যে, এক মহিলার স্বামী মারা গেল। লোকেরা তার চোখের ব্যাপারে আশংকাবোধ করল। তখন তারা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এলেন। তারা তার কাছে মহিলার চোখে সুরমা ব্যবহারের অনুমতি চাইল। তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ জাহিলিয়্যাত যুগে স্বামীর মৃত্যুতে তোমাদের কেউ কেউ সাদা-মাটা কাপড়-চোপড় কিংবা ছিড়ে-ফাড়া বস্ত্র পরিধান করে একটি সংকীর্ণ কক্ষে পুরো এক বছর (ইদ্দাত পালনের জন্য) অতিবাহিত করত। এরপর কোন কুকুর তার নিকট দিয়ে অতিক্রম করলে সে উটের বিষ্ঠা নিক্ষেপ করে বাইরে বের হয়ে পড়ত। এ কুসংস্কারের পরিবর্তে চারমাস দশদিন পর্যন্ত প্রতীক্ষা করতে তোমরা কি সক্ষম হবে না? (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৫৮৯, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا محمد بن المثنى، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن حميد بن نافع، قال سمعت زينب بنت ام سلمة، تحدث عن امها، ان امراة، توفي زوجها فخافوا على عينها فاتوا النبي صلى الله عليه وسلم فاستاذنوه في الكحل فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " قد كانت احداكن تكون في شر بيتها في احلاسها - او في شر احلاسها في بيتها - حولا فاذا مر كلب رمت ببعرة فخرجت افلا اربعة اشهر وعشرا
উবায়দুল্লাহ ইবনু মুআয (রহঃ) ..... হুমায়দ ইবনু নাফি (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি চোখে সুরমা ব্যবহার সংক্রান্ত উম্মু সালামাহ্ (রাযিঃ) বর্ণিত হাদীস এবং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহধর্মিণীগণের মধ্যে থেকে কোন একজনের বর্ণিত হাদীস উল্লেখ করেছেন। তবে তিনি তার বর্ণনায় এতটুকু বেশি উল্লেখ করেছেন “মুহাম্মাদ ইবনু জাফার (রহঃ) বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ। যায়নাব তার নাম উল্লেখ করেননি।” - (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৫৯০, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا عبيد الله بن معاذ، حدثنا ابي، حدثنا شعبة، عن حميد بن نافع، بالحديثين جميعا حديث ام سلمة في الكحل وحديث ام سلمة واخرى من ازواج النبي صلى الله عليه وسلم غير انه لم تسمها زينب نحو حديث محمد بن جعفر
আমর আন নাকিদ ও ইবনু আবূ উমর (রহিমাহুমাল্লাহ) ..... যায়নাব বিনতু আবূ সালামাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, যখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহধর্মিণী হাবীবাহ (রাযিঃ) এর কাছে তার পিতা আবূ সুফইয়ানের ইনতিকালের খবর পৌঁছল তখন তৃতীয় দিনে তিনি হলুদ বর্ণের সুগন্ধি চেয়ে পাঠালেন এবং তার দু'হাতে গায়ে ভাল করে তা মেখে নিলেন। আর বললেন, আমার এর কোন প্রয়োজন ছিল না। তবে আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি যে, যে মহিলা আল্লাহ ও আখিরাতে বিশ্বাস রাখে তার পক্ষে কারো মৃত্যুতে তিন দিনের বেশি শোক পালন করা হালাল নয়। তবে স্বামীর মৃত্যুর ব্যাপারটি স্বতন্ত্র। কেননা সে তার স্বামীর মৃত্যুতে চারমাস দশদিন শোক পালন করবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৫৯২, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا عمرو الناقد، وابن ابي عمر، - واللفظ لعمرو - حدثنا سفيان بن عيينة، عن ايوب بن موسى، عن حميد بن نافع، عن زينب بنت ابي سلمة، قالت لما اتى ام حبيبة نعي ابي سفيان دعت في اليوم الثالث بصفرة فمسحت به ذراعيها وعارضيها وقالت كنت عن هذا غنية سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول " لا يحل لامراة تومن بالله واليوم الاخر ان تحد فوق ثلاث الا على زوج فانها تحد عليه اربعة اشهر وعشرا
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া, কুতায়বাহ ও ইবনু রুমূহ (রহিমাহুমুল্লাহ) ..... হাফসাহ (রাযিঃ) কিংবা আয়িশাহ্ (রাযিঃ) থেকে পৃথকভাবে অথবা তাদের দু'জন থেকে যৌথভাবে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে মহিলা আল্লাহ ও শেষ বিচার দিবসের প্রতি ঈমান রাখে কিংবা যে মহিলা আল্লাহ ও তার রসূলের প্রতি ঈমান রাখে তার পক্ষে কোন মৃতের জন্য তিন দিনের অধিক শোক পালন করা হালাল নয়। তবে তার স্বামীর মৃত্যুতে শোক পালন করবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৫৯৩, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا يحيى بن يحيى، وقتيبة، وابن، رمح عن الليث بن سعد، عن نافع، ان صفية، بنت ابي عبيد حدثته عن حفصة، او عن عايشة، او عن كلتيهما، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " لا يحل لامراة تومن بالله واليوم الاخر - او تومن بالله ورسوله - ان تحد على ميت فوق ثلاثة ايام الا على زوجها
শায়বান ইবনু ফাররূখ (রহঃ) ..... নাফি (রহঃ) থেকে লায়স বর্ণিত হাদীসে অনুরূপ বর্ণিত আছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৫৯৪, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثناه شيبان بن فروخ، حدثنا عبد العزيز، - يعني ابن مسلم - حدثنا عبد، الله بن دينار عن نافع، باسناد حديث الليث . مثل روايته