Loading...

Loading...
বইসমূহ
৯১ হাদিসসমূহ
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া আত তামীমী (রহঃ) ..... নাফি (রহঃ) এর সূত্রে ইবনু উমার (রাযিঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সময়কালে তিনি (ইবনু উমার) তার স্ত্রীকে হায়য অবস্থায় তলাক (তালাক) দিলেন। তখন উমর (রাযিঃ) এ বিষয়ে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট জিজ্ঞেস করলেন। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেন, তাকে [(আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাযিঃ) কে] আদেশ কর, যেন সে তাকে (স্ত্রীকে) রাজ’আত করে (পুনঃ স্ত্রীরূপে গ্রহণ করে) নেয়। অতঃপর তার (হায়য হতে) পবিত্র হবার পরে পুনঃ হায়য এবং তার পরে পুনঃ পবিত্র (তুহর) হওয়া পর্যন্ত তাকে স্থিতাবস্থায় রেখে দেয়। এরপর পরবর্তী সময় তার ইচ্ছা হলে তাকে (স্ত্রী রূপে) রেখে দিবে। আর ইচ্ছা হলে সহবাসের পূর্বে তাকে ত্বলাক (তালাক) (তালাক) দিবে। এটা হল সে ইদ্দাত যার প্রতি লক্ষ্য রেখে স্ত্রীদের ত্বলাক (তালাক) (তালাক) দেয়ার জন্য মহান আল্লাহ আদেশ করেছেন।* (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৫১৬, ইসলামীক সেন্টার ৩৫১৫ [ক)
حدثنا يحيى بن يحيى التميمي، قال قرات على مالك بن انس عن نافع، عن ابن عمر، انه طلق امراته وهى حايض في عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم فسال عمر بن الخطاب رسول الله صلى الله عليه وسلم عن ذلك فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم " مره فليراجعها ثم ليتركها حتى تطهر ثم تحيض ثم تطهر ثم ان شاء امسك بعد وان شاء طلق قبل ان يمس فتلك العدة التي امر الله عز وجل ان يطلق لها النساء
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া, কুতায়বাহ ও ইবনু রুমহ (রহিমাহুমুল্লাহ) ..... নাফি' (রহঃ) সূত্রে আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, তিনি তার এক স্ত্রীকে হায়য অবস্থায় এক তলাক (তালাক) দিয়ে দেন। তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে হুকুম দিলেন যেন সে স্ত্রীকে রাজ’আত করে নেয়। অতঃপর পবিত্র হওয়ার পরে পুনঃরায় আর একটি হায়য হওয়া পর্যন্ত তাকে নিজের কাছে রেখে দিবে। এরপর তার (এ পরবর্তী) হায়য হতে পবিত্র হওয়া পর্যন্ত তাকে অবকাশ দিবে। তখন যদি তাকে ত্বলাক (তালাক) (তালাক) দেয়ার ইচ্ছা হয় তবে পবিত্র হবার সময় তার সঙ্গে যৌন সঙ্গম করার আগে তাকে ত্বলাক (তালাক) (তালাক) দিবে। এটাই হল সে ইদ্দাত যার প্রতি লক্ষ্য রেখে স্ত্রীদের ত্বলাক (তালাক) (তালাক) প্রদানের আদেশ আল্লাহ দিয়েছেন। ...... ইবনু রুমহ (রহঃ) তার রিওয়ায়াতে অধিক বলেছেন- এবং এ প্রসঙ্গে জিজ্ঞাসিত হলে আবদুল্লাহ (রাযিঃ) তাদের (প্রশ্নকর্তাদের) যে কাউকে বলতেনঃ দেখ, তুমি তোমার স্ত্রীকে (যতক্ষণ) একবার কিংবা দু’বার ত্বলাক (তালাক) (তালাক) দিলে তা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে এরূপ (রাজ'আত) করার নির্দেশ দিয়েছেন। আর তুমি তাকে তিন তলাক (তালাক) দিয়ে দিলে তবে সে (স্ত্রী) তোমার জন্য হারাম হয়ে যাবে- যতক্ষণ না তুমি ব্যতীত অন্য কাউকে সে বিয়ে করে। আর তোমার স্ত্রীকে ত্বলাক (তালাক) (তালাক) দেয়ার ব্যাপারে আল্লাহ তোমাকে বিধান দিয়েছিলেন তাতে তুমি তার প্রতি অবাধ্যতা দেখালে। ইমাম মুসলিম (রহঃ) বলেছেনঃ রাবী লায়স (রহঃ) (কুতায়বাহ প্রমুখের শায়খ) তার 'একটি ত্বলাক (তালাক) (তালাক)' কথাটি স্পষ্ট করে দিয়ে উত্তম কাজ করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৫১৭, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا يحيى بن يحيى، وقتيبة، وابن، رمح - واللفظ ليحيى - قال قتيبة حدثنا ليث، وقال الاخران، اخبرنا الليث بن سعد، - عن نافع، عن عبد الله، انه طلق امراة له وهى حايض تطليقة واحدة فامره رسول الله صلى الله عليه وسلم ان يراجعها ثم يمسكها حتى تطهر ثم تحيض عنده حيضة اخرى ثم يمهلها حتى تطهر من حيضتها فان اراد ان يطلقها فليطلقها حين تطهر من قبل ان يجامعها فتلك العدة التي امر الله ان يطلق لها النساء . وزاد ابن رمح في روايته وكان عبد الله اذا سيل عن ذلك قال لاحدهم اما انت طلقت امراتك مرة او مرتين فان رسول الله صلى الله عليه وسلم امرني بهذا وان كنت طلقتها ثلاثا فقد حرمت عليك حتى تنكح زوجا غيرك وعصيت الله فيما امرك من طلاق امراتك . قال مسلم جود الليث في قوله تطليقة واحدة
মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... নাফি (রহঃ) এর সূত্রে ইবনু উমার (রাযিঃ) থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর যুগে আমি আমার স্ত্রীকে ত্বলাক (তালাক) (তালাক) দিলাম, তখন সে ঋতুমতী ছিল। উমর (রাযিঃ) বিষয়টি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে আলোচনা করলে তিনি বললেন, তাকে আদেশ কর সে যেন তাকে রাজ'আত (পুনঃ গ্রহণ) করে। অতঃপর পবিত্র হয়ে পুনরায় আর একটি মাসিকে ঋতুমতী হওয়া পর্যন্ত তাকে স্থিতাবস্থায় রেখে দিবে। পরে যখন পবিত্র হবে তখন তার সঙ্গে যৌন সঙ্গম করার আগে (যৌন সঙ্গম মুক্ত তুহর কালে) তাকে ত্বলাক (তালাক) (তালাক) দিবে কিংবা তাকে (স্ত্রীরূপে) রেখে দিবে। কেননা, এটাই হল সে ইদ্দাত যার প্রতি লক্ষ্য রেখে স্ত্রীদের তলাক (তালাক) দেয়ার জন্য আল্লাহ তা'আলা আদেশ করেছেন। রাবী উবায়দুল্লাহ (রহঃ) বলেন, আমি শায়খ নাফি’ (রহঃ) কে বললাম, ধার্য করা হল। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৫১৮, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا ابي، حدثنا عبيد الله، عن نافع، عن ابن عمر، قال طلقت امراتي على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم وهى حايض فذكر ذلك عمر لرسول الله صلى الله عليه وسلم فقال " مره فليراجعها ثم ليدعها حتى تطهر ثم تحيض حيضة اخرى فاذا طهرت فليطلقها قبل ان يجامعها او يمسكها فانها العدة التي امر الله ان يطلق لها النساء " . قال عبيد الله قلت لنافع ما صنعت التطليقة قال واحدة اعتد بها
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ ও ইবনুল মুসান্না (রহিমাহুমাল্লাহ) ..... উবায়দুল্লাহ (রহঃ) সূত্রে এ সানাদে অনুরূপ রিওয়ায়াত করেছেন। তবে নাফি’ (রহঃ) এর উদ্দেশে, উবায়দুল্লাহ (রহঃ) এর বক্তব্যটি এতে উল্লিখিত হয়নি। এছাড়া ইবনুল মুসান্না (রহঃ) তার রিওয়ায়াতে বলেছেনفَلْيَرْجِعْهَا সে যেন প্রত্যাহার করে এবং আবূ বাকর (রহঃ) বলেছেনفَلْيُرَاجِعْهَا সে যেন ফিরিয়ে নেয়। ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৫১৯, ইসলামীক সেন্টার
وحدثناه ابو بكر بن ابي شيبة، وابن المثنى، قالا حدثنا عبد الله بن ادريس، عن عبيد الله، بهذا الاسناد . نحوه ولم يذكر قول عبيد الله لنافع . قال ابن المثنى في روايته فليرجعها . وقال ابو بكر فليراجعها
যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... নাফি (রহঃ) এর সূত্রে বর্ণনা করেন যে, ইবনু উমার (রাযিঃ) তাঁর স্ত্রীকে তার ঋতুকালীন অবস্থায় ত্বলাক (তালাক) (তালাক) দিলেন। তখন উমর (রাযিঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে (এ বিষয়ে) জিজ্ঞেস করলে তিনি তাকে (ইবনু উমারকে) হুকুম দিলেন যে, স্ত্রীকে সে রাজ'আত (পুনঃপ্রহণ) করে নিবে। এরপর তাকে অপর একটি ঋতুতে ঋতুমতী হওয়া পর্যন্ত অবকাশ দিবে। অতঃপর (ঋতু হতে) পবিত্র হওয়া পর্যন্ত তাকে অবকাশ দিবে। পরে তার সঙ্গে যৌন সঙ্গম করার আগেই তাকে ত্বলাক (তালাক) (তালাক) দিবে। এটাই হল সে ইদ্দাত যার প্রতি লক্ষ্য রেখে স্ত্রীদের ত্বলাক (তালাক) (তালাক) দেয়ার জন্য মহামহীয়ান আল্লাহ হুকুম করেছেন। রাবী (নাফি') বলেন, পরবর্তীতে স্ত্রীর হায়য অবস্থায় ত্বলাক (তালাক) (তালাক) প্রদানকারী পুরুষ (এর মাসআলা) সম্পর্কে তাকে জিজ্ঞেস করা হলে ইবনু উমার (রাযিঃ) বলতেন, যদি তুমি তাকে এক কিংবা দু'ত্বলাক (তালাক) (তালাক) দিয়ে থাক, নিশ্চয় রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে হুকুম দিয়েছেন যে, সে তাকে রাজ’আত করে নিবে। অতঃপর আর একটি হায়যে ঋতুমতী হওয়া পর্যন্ত তাকে অবকাশ দিবে, এরপর পবিত্রতা (তুহর) পর্যন্ত তাকে অবকাশ দিবে। অতঃপর স্পর্শ (যৌন সঙ্গম) করার আগেই ত্বলাক (তালাক) (তালাক) দিবে (যদি ইচ্ছা কর)। আর যদি তুমি তাকে তিন ত্বলাক (তালাক) (তালাক) দিয়ে থাক তবে তুমি তোমার প্রতিপালকের অবাধ্য হয়েছ তোমার স্ত্রীকে ত্বলাক (তালাক) (তালাক) দেয়ার ব্যাপারে তিনি তোমাকে যে আদেশ প্রদান করেছেন সে ব্যাপারে এবং সে স্ত্রী তোমার সঙ্গ হতে বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৫২০, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثني زهير بن حرب، حدثنا اسماعيل، عن ايوب، عن نافع، ان ابن عمر، طلق امراته وهى حايض فسال عمر النبي صلى الله عليه وسلم فامره ان يرجعها ثم يمهلها حتى تحيض حيضة اخرى ثم يمهلها حتى تطهر ثم يطلقها قبل ان يمسها فتلك العدة التي امر الله ان يطلق لها النساء . قال فكان ابن عمر اذا سيل عن الرجل يطلق امراته وهى حايض يقول اما انت طلقتها واحدة او اثنتين . ان رسول الله صلى الله عليه وسلم امره ان يرجعها ثم يمهلها حتى تحيض حيضة اخرى ثم يمهلها حتى تطهر ثم يطلقها قبل ان يمسها واما انت طلقتها ثلاثا فقد عصيت ربك فيما امرك به من طلاق امراتك . وبانت منك
আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... সালিম ইবনু আবদুল্লাহ (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত যে, ইবনু উমর (রাযিঃ) বলেছেন, আমি আমার স্ত্রীকে ত্বলাক (তালাক) (তালাক) দিলাম- তখন সে ঋতুমতী ছিল। উমর (রাযিঃ) তা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট উল্লেখ করলেন। ফলে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাগান্বিত হলেন। পরে বললেন, তাকে আদেশ কর সে যেন তাকে রাজ'আত করে নেয়- যতক্ষণ না যে হায়য কালে তাকে ত্বলাক (তালাক) (তালাক) দিয়েছে সেটি ব্যতীত আর একটি হায়যে সে ঋতুমতী হয়। তখন যদি তাকে ত্বলাক (তালাক) (তালাক) দেয়া তার মনঃপুত হয় তবে যেন তার হায়য থেকে পবিত্র হওয়া অবস্থায় তার সঙ্গে যৌন সঙ্গম করার আগে তাকে তলাক (তালাক) দেয়। তিনি আরো বললেন, এটিই হল ইদ্দাতের (সময় নির্ণয়ের) জন্য ত্বলাক (তালাক) (তালাক) প্রদান যেমন আল্লাহ হুকুম করেছেন। (সালিম বলেন) আবদুল্লাহ (রাযিঃ) তাকে এক ত্বলাক (তালাক) (তালাক) দিয়েছিলেন। সেটি তার ত্বলাক (তালাক) (তালাক) গণনা করা হল (অর্থাৎ এক ত্বলাক (তালাক) (তালাক) ধরা হল) এবং রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নির্দেশ অনুসারে আবদুল্লাহ (রাযিঃ) তাকে (স্ত্রীকে রাজ'আত করে নিয়েছিলেন)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৫২১, ইসলামীক সেন্টার)
حدثني عبد بن حميد، اخبرني يعقوب بن ابراهيم، حدثنا محمد، - وهو ابن اخي الزهري - عن عمه، اخبرنا سالم بن عبد الله، ان عبد الله بن عمر، قال طلقت امراتي وهى حايض فذكر ذلك عمر للنبي صلى الله عليه وسلم فتغيظ رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم قال " مره فليراجعها حتى تحيض حيضة اخرى مستقبلة سوى حيضتها التي طلقها فيها فان بدا له ان يطلقها فليطلقها طاهرا من حيضتها قبل ان يمسها فذلك الطلاق للعدة كما امر الله " . وكان عبد الله طلقها تطليقة واحدة فحسبت من طلاقها وراجعها عبد الله كما امره رسول الله صلى الله عليه وسلم
ইসহাক ইবনু মানসূর (রহঃ) ..... (পূর্বোক্ত সানাদের ন্যায়) যুহরী (রহঃ) সূত্রে ঐ সানাদে বর্ণিত। তবে এতে রাবী (সরাসরি ইবনু উমারের উক্তি উদ্ধৃত করে) বলেছেন যে, ইবনু উমর (রাযিঃ) বলেছেন, পরে আমি তাকে রাজ'আত করে নিলাম এবং তাকে যে ত্বলাক (তালাক) (তালাক) টি দিয়েছিলাম তা তার জন্য একটি ত্বলাক (তালাক) (তালাক) রূপে হিসাব করা হল। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৫২২, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنيه اسحاق بن منصور، اخبرنا يزيد بن عبد ربه، حدثنا محمد بن حرب، حدثني الزبيدي، عن الزهري، بهذا الاسناد غير انه قال قال ابن عمر فراجعتها وحسبت لها التطليقة التي طلقتها
আবূ বাকুর ইবনু আবূ শায়বাহ, যুহায়র ইবনু হারব ও ইবনু নুমায়র (রহিমাহুমুল্লাহ) ..... সালিম (রহঃ) সূত্রে ইবনু উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি নিজের স্ত্রীকে তার ঋতুবতী অবস্থায় ত্বলাক (তালাক) (তালাক) দিলেন। তখন উমর (রাযিঃ) বিষয়টি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সকাশে আলোচনা করলেন। তিনি বললেন, তাকে আদেশ কর যেন সে তাকে রাজ’আত করে নেয়। পরে যেন তাকে তুহর (পবিত্র) অবস্থায় কিংবা গর্ভাবস্থায় (অবস্থা সম্পর্কে নিশ্চিত হয়ে) ত্বলাক (তালাক) (তালাক) দেয়।* (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৫২৩, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، وزهير بن حرب، وابن، نمير - واللفظ لابي بكر - قالوا حدثنا وكيع، عن سفيان، عن محمد بن عبد الرحمن، مولى ال طلحة عن سالم، عن ابن عمر، انه طلق امراته وهى حايض فذكر ذلك عمر للنبي صلى الله عليه وسلم فقال " مره فليراجعها ثم ليطلقها طاهرا او حاملا
আহমাদ ইবনু উসমান ইবনু হাকীম আল আওদী (রহঃ) ..... 'আবদুল্লাহ ইবনু দীনার (রহঃ) এর সূত্রে ইবনু উমর (রাযিঃ) সম্পর্কে বর্ণনা করেন যে, তিনি নিজের স্ত্রীকে- যখন সে হায়য অবস্থায় ছিল- ত্বলাক (তালাক) (তালাক) দিলেন। তখন উমর (রাযিঃ) এ বিষয়ে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন, তাকে হুকুম কর যেন সে তাকে (স্ত্রীকে) রাজ’আত করে নেয়। অবশেষে সে আর একটি হায়যে ঋতুমতী হবার পরে আবার পবিত্র হলে, তখন তাকে ত্বলাক (তালাক) (তালাক) দিবে কিংবা (স্ত্রীরূপে) রেখে দিবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৫২৪, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثني احمد بن عثمان بن حكيم الاودي، حدثنا خالد بن مخلد، حدثني سليمان، - وهو ابن بلال - حدثني عبد الله بن دينار، عن ابن عمر، انه طلق امراته وهى حايض فسال عمر عن ذلك رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال " مره فليراجعها حتى تطهر ثم تحيض حيضة اخرى ثم تطهر ثم يطلق بعد او يمسك
‘আলী ইবনু হুজর আস্ সাদী (রহঃ) ... ইবনু সীরীন (রহঃ) থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, বিশ বছর আমি এ অবস্থায় অবস্থান করলাম যে, আমি অবিশ্বস্ত মনে করি না এমন লোক আমাকে এ মর্মে হাদীস শোনাচ্ছিল যে, ইবনু উমর (রাযিঃ) তার স্ত্রীর ঋতুবতী অবস্থায় তাকে তিন ত্বলাক (তালাক) (তালাক) দেয়ার পরে তাকে রাজ’আত করে নেয়ার জন্য তিনি আদিষ্ট হয়েছিলেন। আমি এ বর্ণনাকারীদের প্রতি অনাস্থা ও সন্দেহ পোষণ করছিলাম না অথচ আমি ছিলাম প্রকৃত হাদীসের পরিচয় লাভে বঞ্চিত। অবশেষে আমি আবূ গাল্লাব ইউনুস ইবনু জুবায়র আল বাহিলী (রহঃ) এর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলাম। তিনি ছিলেন স্থিরমতি-আস্থাভাজন। তিনি আমাকে হাদীস বর্ণনা করলেন যে, তিনি (নিজে) ইবনু উমর (রাযিঃ) কে জিজ্ঞেস করলে তিনি (ইবনু উমর) তাঁকে হাদীস বর্ণনা করলেন যে, তিনি তার স্ত্রীকে তার হায়য চলাকালে এক ত্বলাক (তালাক) (তালাক) দিয়েছিলেন। তখন তাকে রাজ’আত করে নেয়ার জন্য তিনি আদিষ্ট হলেন। তিনি (আবূ গাল্লাব) বলেছেন, তবে আর কী! যদি নাকি তিনি (ইবনু উমার) অপারগ হয়ে থাকেন ও নির্বুদ্ধিতার পরিচয় দিয়ে থাকেন। (তাতে কার কী আসে যায়) (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৫২৫, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثني علي بن حجر السعدي، حدثنا اسماعيل بن ابراهيم، عن ايوب، عن ابن، سيرين قال مكثت عشرين سنة يحدثني من لا اتهم ان ابن عمر طلق امراته ثلاثا وهى حايض فامر ان يراجعها فجعلت لا اتهمهم ولا اعرف الحديث حتى لقيت ابا غلاب يونس بن جبير الباهلي . وكان ذا ثبت فحدثني انه سال ابن عمر فحدثه انه طلق امراته تطليقة وهى حايض فامر ان يرجعها - قال - قلت افحسبت عليه قال فمه . اوان عجز واستحمق
আবূ রবী ও কুতায়বাহ্ (রহিমাহুমাল্লাহ) ..... (পূর্বোক্ত সানাদের রাবী) আইয়্যুব (রহঃ) এর সূত্রে ঐ সানাদে অনুরূপ রিওয়ায়াত করেছেন। তবে তিনি বলেছেন .... উমর (রযিঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞেস করলে তিনি তাকে হুকুম করলেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৫২৬, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثناه ابو الربيع، وقتيبة، قالا حدثنا حماد، عن ايوب، بهذا الاسناد . نحوه غير انه قال فسال عمر النبي صلى الله عليه وسلم فامره
আবদুল ওয়ারিস ইবনু আবদুস সামাদ (রহঃ) ..... আইয়্যুব (রহঃ) এর সূত্রে এ সানাদে রিওয়ায়াত করেছেন। এ সানাদের হাদীসে রাবী বলেছেন, পরে উমার (রাযিঃ) এ বিষয়ে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞেস করলে তিনি তাকে পুনঃগ্রহণ করে নেয়ার জন্য তার (ইবনু উমারের) প্রতি আদেশ প্রদান করলেন। যাতে অবশেষে তাকে (স্ত্রীকে) যৌন সঙ্গমবিহীন তুহর (পবিত্র) অবস্থায় ত্বলাক (তালাক) (তালাক) দিতে পারে। তিনি (নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আরো বললেন, তার (স্ত্রীর) ইদ্দাত (ইদ্দত) (এর সময়) এর পূর্ব ভাগে (আগমন কালে) তাকে ত্বলাক (তালাক) (তালাক) দিবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৫২৭, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا عبد الوارث بن عبد الصمد، حدثني ابي، عن جدي، عن ايوب، بهذا الاسناد وقال في الحديث فسال عمر النبي صلى الله عليه وسلم عن ذلك فامره ان يراجعها حتى يطلقها طاهرا من غير جماع وقال " يطلقها في قبل عدتها
ইয়াকুব ইবনু ইবরাহীম আদ দাওরাকী (রহঃ) ..... (মুহাম্মাদ ইবনু সীরীন সূত্রে) ইউনুস ইবনু জুবায়র (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ইবনু উমর (রাযিঃ) কে বললামঃ এক ব্যক্তি তার স্ত্রীর হায়য অবস্থায় তাকে ত্বলাক (তালাক) (তালাক) দিল (এর হকুম কি?)। তিনি বললেন, তুমি আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাযিঃ) কে জান কি সে তার স্ত্রীকে হায়য অবস্থায় ত্বলাক (তালাক) (তালাক) দিয়েছিল? তখন উমর (রাযিঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে জিজ্ঞেস করলে তিনি তাকে হুকুম করলেন যে, সে (ইবনু উমার) তাকে (স্ত্রী) রাজ’আত করে নিবে। এরপর তার ইদ্দাতের (নিশ্চয়তাযুক্ত সময়ের) প্রতীক্ষায় থাকবে। ইউনুস (রহঃ) বলেন, তখন আমি তাকে (ইবনু উমারকে) বললাম, কোন পুরুষ যখন তার স্ত্রীকে হায়য অবস্থায় ত্বলাক (তালাক) (তালাক) দিবে তখন ঐ ত্বলাক (তালাক) (তালাক) টি হিসাবে গণনা করা হবে কি? তিনি বললেন, তবে আর কি যদি নাকি সে অক্ষম হয়ে গিয়ে থাকে কিংবা বোকামি করে থাকে (তাহলে কি তার এ কাজের পরিণতি দেখা দিবে না?) (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৫২৮, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثني يعقوب بن ابراهيم الدورقي، عن ابن علية، عن يونس، عن محمد بن، سيرين عن يونس بن جبير، قال قلت لابن عمر رجل طلق امراته وهى حايض فقال اتعرف عبد الله بن عمر فانه طلق امراته وهى حايض فاتى عمر النبي صلى الله عليه وسلم فساله فامره ان يرجعها ثم تستقبل عدتها . قال فقلت له اذا طلق الرجل امراته وهى حايض اتعتد بتلك التطليقة فقال فمه اوان عجز واستحمق
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না ও ইবনু বাশশার (রহিমাহুমাল্লাহ) ..... ইবনু উমর (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি আমার স্ত্রীকে ত্বলাক (তালাক) (তালাক) দিলাম- তখন সে হায়য অবস্থায় ছিল। তখন উমর (রাযিঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট গিয়ে তার কাছে বিষয়টি আলোচনা করলেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ সে যেন তাকে রাজ'আত করে নেয়। পরে যখন সে (হায়য হতে) পবিত্র হবে তখন ইচ্ছা করলে তাকে ত্বলাক (তালাক) (তালাক) দিবে। রাবী ইউনুস (রহঃ) বলেন, আমি ইবনু উমর (রাযিঃ) কে বললাম, সেটি (ত্বলাক (তালাক)) কি হিসাবে করা হবে? তিনি বললেন, কোন বিষয় তাকে বাধা দিবে- বলত যদি সে অপরাগ হয়ে থাকে এবং আহম্মকি করে থাকে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৫২৯, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار قال ابن المثنى حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن قتادة، قال سمعت يونس بن جبير، قال سمعت ابن عمر، يقول طلقت امراتي وهى حايض فاتى عمر النبي صلى الله عليه وسلم فذكر ذلك له فقال النبي صلى الله عليه وسلم " ليراجعها . فاذا طهرت فان شاء فليطلقها " . قال فقلت لابن عمر افاحتسبت بها قال ما يمنعه . ارايت ان عجز واستحمق
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আনাস ইবনু সীরীন (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি 'উমার (রাযিঃ) কে তার সে স্ত্রী সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম যাকে তিনি ত্বলাক (তালাক) (তালাক) দিয়েছিলেন। তিনি বললেন, তাকে আমি ত্বলাক (তালাক) (তালাক) দিয়েছিলাম- যখন সে হায়য অবস্থায় ছিল। আমি বিষয়টি উমর (রাযিঃ) এর কাছে উল্লেখ করলে তিনি তা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট আলোচনা করলেন। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তাকে আদেশ কর সে যেন তার স্ত্রীকে পুনঃগ্রহণ করে নেয়। পরে যখন সে পাক হবে তখন যেন সে (ইচ্ছা করলে) তার পাক অবস্থায় তাকে ত্বলাক (তালাক) (তালাক) দেয়। ইবনু উমর (রাযিঃ) বলেন, আমি তাকে বললাম, তবে কি হায়য অবস্থায় প্রদত্ত ত্বলাক (তালাক) (তালাক) টি কি আপনি হিসাবে ধরবেন? তিনি বললেন, আমি কেন সেটা গণনায় ধরবো না? যদি আমি অক্ষম হই অথবা নির্বুদ্ধিতা প্রকাশ করি (তাহলে কি আমার এ কাজ গণনায় আসবে না)? (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৫৩০, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا يحيى بن يحيى، اخبرنا خالد بن عبد الله، عن عبد الملك، عن انس بن، سيرين قال سالت ابن عمر عن امراته التي، طلق فقال طلقتها وهى حايض فذكر ذلك لعمر فذكره للنبي صلى الله عليه وسلم فقال " مره فليراجعها فاذا طهرت فليطلقها لطهرها " . قال فراجعتها ثم طلقتها لطهرها . قلت فاعتددت بتلك التطليقة التي طلقت وهى حايض قال ما لي لا اعتد بها وان كنت عجزت واستحمقت
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না ও ইবনু বাশশার (রহিমাহুমাল্লাহ) ..... ইবনু উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আমার স্ত্রীকে হায়য অবস্থায় ত্বলাক (তালাক) (তালাক) দেই। উমার (রাযিঃ) বিষয়টি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে উল্লেখ করলে তিনি বললেন, তাকে আদেশ কর সে যেন তার স্ত্রীকে রাজ’আত করে। পরে যখন সে পবিত্র হবে তখন যেন সে (ইচ্ছা করলে) তাকে পবিত্র অবস্থায় ত্বলাক (তালাক) (তালাক) দেয়। আমি ইবনু উমর (রাযিঃ) কে বললাম, তবে কি হায়য অবস্থায় প্রদত্ত ত্বলাক (তালাক) (তালাক) টি কি আপনি হিসাবে ধরবেন? তিনি বললেন, তবে কী করব। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৫৩১, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار قال ابن المثنى حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن انس بن سيرين، انه سمع ابن عمر، قال طلقت امراتي وهى حايض فاتى عمر النبي صلى الله عليه وسلم فاخبره فقال " مره فليراجعها ثم اذا طهرت فليطلقها " . قلت لابن عمر افاحتسبت بتلك التطليقة قال فمه
ইয়াহইয়া ইবনু হাবীব ও আবদুর রহমান ইবনু বিশর (রহিমাহুমাল্লাহ) ..... (পূর্বোক্ত সানদের ন্যায়) শু'বাহ (রহঃ) সূত্রে এ সনদে রিওয়ায়াত করেছেন। তবে এ দু'জনের হাদীসেيراجعها এর স্থলেلِيَرْجِعْهَا (তাকে ফিরিয়ে আনে) রয়েছে এবং এদের হাদীসে আরো রয়েছে যে, আনাস (রহঃ) বলেন, আমি বললাম, আপনি কি সেটি হিসাবে ধরবেন? তিনি বললেন, তবে আর কী হবে? (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৫৩২, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنيه يحيى بن حبيب، حدثنا خالد بن الحارث، ح وحدثنيه عبد الرحمن بن، بشر حدثنا بهز، قالا حدثنا شعبة، بهذا الاسناد غير ان في، حديثهما " ليرجعها " . وفي حديثهما قال قلت له اتحتسب بها قال فمه
ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ..... ইবনু ত্বাউস (রহঃ) এর পিতা (তাউস) সূত্রে বর্ণিত যে, তিনি স্ত্রীকে হায়য অবস্থায় ত্বলাক (তালাক) (তালাক) প্রদানকারী পুরুষ (এর মাসআলা) সম্পর্কে ইবনু উমর (রাযিঃ) কে জিজ্ঞাসিত হতে শুনলেন। তখন ইবনু উমর (রাযিঃ) বললেন, তুমি আবদুল্লাহ ইবনু উমার কে জান কি? লোকটি বলল, হ্যাঁ। ইবনু উমর (রাযিঃ) বললেন, তিনি তো তার স্ত্রীকে হায়য অবস্থায় ত্বলাক (তালাক) (তালাক) দিয়েছিলেন। তখন উমার (রাযিঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট গিয়ে তাকে সংবাদ অবহিত করলে তিনি তাকে (স্ত্রীকে) পুনঃগ্রহণ করে নেয়ার জন্য তাকে আদেশ প্রদান করলেন। ইবনু তাউস (রহঃ) বলেন, আমি তাকে (পিতাকে) এর অধিক বলতে শুনিনি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৫৩৩, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا اسحاق بن ابراهيم، اخبرنا عبد الرزاق، اخبرنا ابن جريج، اخبرني ابن طاوس، عن ابيه، انه سمع ابن عمر، يسال عن رجل، طلق امراته حايضا فقال اتعرف عبد الله بن عمر قال نعم . قال فانه طلق امراته حايضا فذهب عمر الى النبي صلى الله عليه وسلم فاخبره الخبر فامره ان يراجعها قال لم اسمعه يزيد على ذلك لابيه
হারূন ইবনু আবদুল্লাহ (রহঃ) ..... আবূ যুবায়র (রহঃ) সূত্রে বর্ণনা করেন যে, তিনি ‘আযযাহ এর মাওলা (আযাদকৃত গোলাম) আবদুর রহমান ইবনু আয়মান (রহঃ) কে ইবনু উমর (রাযিঃ) এর কাছে প্রশ্ন করতে শুনলেন, আবূ যুবায়র (রহঃ) তখন শুনছিলেন- “যে ব্যক্তি তার স্ত্রীকে তার হায়য অবস্থায় ত্বলাক (তালাক) (তালাক) দিল তার সম্পর্কে আপনার অভিমত কী?” ইবনু উমর (রাযিঃ) বললেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর যুগে ইবনু উমার (রাযিঃ) তার স্ত্রীকে ত্বলাক (তালাক) (তালাক) দিল যখন সে ঋতুমতী ছিল। উমর (রাযিঃ) এ বিষয়ে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট জিজ্ঞেস করলেন। তিনি বললেন, 'আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাযিঃ) তার স্ত্রীর হায়য অবস্থায় তাকে ত্বলাক (তালাক) (তালাক) দিয়েছে। "নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেন, সে যেন তাকে পুনঃগ্রহণ করে নেয়। সুতরাং (এভাবে) তিনি তাকে (স্ত্রীকে) ফিরিয়ে নিলেন। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আরো বললেন, যখন (হায়য হতে) পবিত্র হয়ে যাবে তখন (ইচ্ছে করলে) যেন ত্বলাক (তালাক) (তালাক) দেয় কিংবা রেখে দেয়। ইবনু উমর (রাযিঃ) বলেন, এবং (এ সময়) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিলাওয়াত করলেনঃ (অর্থ) "হে নবী! তোমরা যখন তোমাদের স্ত্রীদের ত্বলাক (তালাক) (তালাক) দিতে ইচ্ছা কর তখন তাদের ত্বলাক (তালাক) (তালাক) দিও তাদের ইদ্দাতের (সময় আগমনের) অগ্রভাগে"- (সূরা আত ত্বলাক (তালাক) ৬৫ঃ ১)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৫৩৪, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثني هارون بن عبد الله، حدثنا حجاج بن محمد، قال قال ابن جريج اخبرني ابو الزبير، انه سمع عبد الرحمن بن ايمن، مولى عزة يسال ابن عمر وابو الزبير يسمع ذلك كيف ترى في رجل طلق امراته حايضا فقال طلق ابن عمر امراته وهى حايض على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم فسال عمر رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال ان عبد الله بن عمر طلق امراته وهى حايض . فقال له النبي صلى الله عليه وسلم " ليراجعها " . فردها وقال " اذا طهرت فليطلق او ليمسك " . قال ابن عمر وقرا النبي صلى الله عليه وسلم يا ايها النبي اذا طلقتم النساء فطلقوهن في قبل عدتهن
হারূন ইবনু আবদুল্লাহ (রহঃ) ..... আবূ যুবায়র (রহঃ) এর সূত্রে ইবনু উমর (রাযিঃ) থেকে পূর্বোক্ত বর্ণনার ন্যায় রিওয়ায়াত করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৫৩৫, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثني هارون بن عبد الله، حدثنا ابو عاصم، عن ابن جريج، عن ابي الزبير، عن ابن عمر، . نحو هذه القصة