Loading...

Loading...
বইসমূহ
২৮৫ হাদিসসমূহ
হারূন ইবনু সাঈদ আল আয়লী (রহঃ) ..... উম্মুল ফাযল (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কতিপয় সাহাবী আরাফার দিন তার সিয়াম (রোজা/রোযা) পালনের ব্যাপারে সন্দেহ প্রকাশ করলেন। [উম্মুল ফাযল (রাযিঃ) বলেন] আমরাও সেখানে রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে ছিলাম। এ সময়ে আমি তার নিকট এক পেয়ালা দুধ পাঠিয়ে দিলাম। তখন তিনি আরাফার ময়দানে ছিলেন। এরপর তিনি তা পান করে নিলেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫০২, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثني هارون بن سعيد الايلي، حدثنا ابن وهب، اخبرني عمرو، ان ابا النضر، حدثه ان عميرا مولى ابن عباس - رضى الله عنهما - حدثه انه، سمع ام الفضل، - رضى الله عنها - تقول شك ناس من اصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم في صيام يوم عرفة ونحن بها مع رسول الله صلى الله عليه وسلم فارسلت اليه بقعب فيه لبن وهو بعرفة فشربه
হারূন ইবনু সাঈদ আল আয়লী (রহঃ) ..... নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহধর্মিণী মায়মুনাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, লোকেরা আরাফার দিন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সওম পালন করার ব্যাপারে সন্দেহ প্রকাশ করলেন। এরপর মায়মূনাহ (রাযিঃ) তার নিকট এক পেয়ালা দুধ পাঠিয়ে দিলেন, এ সময় তিনি "মাওকাফ" এর মধ্যে অবস্থান করছিলেন। তখন তিনি তা পান করে নিলেন। আর লোকেরা তার দিকে তাকিয়ে রইল। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫০৩, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثني هارون بن سعيد الايلي، حدثنا ابن وهب، اخبرني عمرو، عن بكير بن، الاشج عن كريب، مولى ابن عباس - رضى الله عنهما - عن ميمونة، زوج النبي صلى الله عليه وسلم انها قالت ان الناس شكوا في صيام رسول الله صلى الله عليه وسلم يوم عرفة فارسلت اليه ميمونة بحلاب اللبن وهو واقف في الموقف فشرب منه والناس ينظرون اليه
যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... আয়িশাহ (রাযি.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, কুরায়শরা জাহিলী যুগে 'আশুরার দিন সিয়াম (রোজা/রোযা) পালন করত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-ও এ দিন সওম পালন করতেন। এরপর যখন তিনি মাদীনায় হিজরত করলেন, তখনও তিনি আশুরার সওম পালন করেছেন এবং লোকদেরকেও তা পালন করার নির্দেশ দিয়েছেন। এরপর যখন রমযানের সিয়াম (রোজা/রোযা) কে ফারয (ফরয) করা হলো, তখন যার ইচ্ছা, সে আশুরা সওম পালন করত আর যার ইচ্ছা, সে তা ছেড়ে দিত। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫০৪, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا زهير بن حرب، حدثنا جرير، عن هشام بن عروة، عن ابيه، عن عايشة، - رضى الله عنها - قالت كانت قريش تصوم عاشوراء في الجاهلية وكان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصومه فلما هاجر الى المدينة صامه وامر بصيامه فلما فرض شهر رمضان قال " من شاء صامه ومن شاء تركه
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ ও আবূ কুরায়ব (রহঃ) ..... হিশাম (রহঃ) থেকে এ সানাদে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে এ হাদীসে প্রথমাংশে "রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-ও এ সওম পালন করতেন" এ কথাটির উল্লেখ করেন। অবশ্য এ হাদীসে শেষাংশে রয়েছে, “এরপর আশূরার দিন সওম পালন করা ছেড়ে দেয়া হল” সুতরাং যার ইচ্ছা সে এ দিন সওম পালন করত এবং যার ইচ্ছা সে তা ছেড়ে দিত এবং বর্ণনাকারী জারীরের বর্ণনামতে এ কথাটিকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর বাণীর অন্তর্ভুক্ত করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫০৫, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، وابو كريب قالا حدثنا ابن نمير، عن هشام، بهذا الاسناد ولم يذكر في اول الحديث وكان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصومه . وقال في اخر الحديث وترك عاشوراء فمن شاء صامه ومن شاء تركه . ولم يجعله من قول النبي صلى الله عليه وسلم كرواية جرير
আমর আন নাকিদ (রহঃ) ..... আয়িশাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, জাহিলী যুগে আশূরার দিন সওম পালন করা হত। এরপর যখন ইসলামের আবির্ভাব হল, তখন যার ইচ্ছা সে এদিন সওম পালন করত, আর যার ইচ্ছা সে তা ছেড়ে দিত। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫০৬, ইসলামীক সেন্টার)
حدثني عمرو الناقد، حدثنا سفيان، عن الزهري، عن عروة، عن عايشة، - رضى الله عنها - ان يوم، عاشوراء كان يصام في الجاهلية فلما جاء الاسلام من شاء صامه ومن شاء تركه
হারমালাহ্ ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আয়িশাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রমযানের সিয়াম (রোজা/রোযা) ফারয (ফরয) হওয়ার পূর্বে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আশুরার দিনে সিয়াম (রোজা/রোযা) পালন করার নির্দেশ দিতেন। যখন রমযানের সিয়াম (রোজা/রোযা) ফরয করা হল তখন যার ইচ্ছা সে আশূরার দিনে সওম পালন করত, আর যার ইচ্ছা সে তা ছেড়ে দিত। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫০৭, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا حرملة بن يحيى، اخبرنا ابن وهب، اخبرني يونس، عن ابن شهاب، اخبرني عروة بن الزبير، ان عايشة، - رضى الله عنها - قالت كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يامر بصيامه قبل ان يفرض رمضان فلما فرض رمضان كان من شاء صام يوم عاشوراء ومن شاء افطر
কুতায়বাহ্ ইবনু সাঈদ ও মুহাম্মাদ ইবনু রুমূহ (রহঃ) ..... আয়িশাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, কুরায়শরা জাহিলী যুগে 'আশুরার দিন সওম পালন করত। রমযানের সিয়াম (রোজা/রোযা) ফারয (ফরয) হওয়ার পূর্বে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, যার ইচ্ছা সে এদিন সওম পালন করবে, আর যার ইচ্ছা, সে তা ছেড়ে দিবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫০৮, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا قتيبة بن سعيد، ومحمد بن رمح، جميعا عن الليث بن سعد، - قال ابن رمح اخبرنا الليث، - عن يزيد بن ابي حبيب، ان عراكا، اخبره ان عروة اخبره ان عايشة اخبرته ان قريشا كانت تصوم عاشوراء في الجاهلية ثم امر رسول الله صلى الله عليه وسلم بصيامه حتى فرض رمضان فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من شاء فليصمه ومن شاء فليفطره
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ ও ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, জাহিলী যুগে লোকেরা আশূরার দিন সিয়াম (রোজা/রোযা) পালন করত। রমযানের সিয়াম (রোজা/রোযা) ফারয (ফরয) হওয়ার পূর্বে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামও এদিন সিয়াম (রোজা/রোযা) পালন করেছেন এবং মুসলিমগণও। যখন রমযানের সিয়াম (রোজা/রোযা) ফারয (ফরয) হল তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আশূরার দিন আল্লাহর দিনসমূহের একটি দিন। সুতরাং যার ইচ্ছা সে এ দিন সিয়াম (রোজা/রোযা) পালন করবে, আর যার ইচ্ছা সে তা ছেড়ে দিবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫০৯, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا عبد الله بن نمير، ح وحدثنا ابن نمير، - واللفظ له - حدثنا ابي، حدثنا عبيد الله، عن نافع، اخبرني عبد الله بن عمر، رضى الله عنهما ان اهل، الجاهلية كانوا يصومون يوم عاشوراء وان رسول الله صلى الله عليه وسلم صامه والمسلمون قبل ان يفترض رمضان فلما افترض رمضان قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ان عاشوراء يوم من ايام الله فمن شاء صامه ومن شاء تركه
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না, যুহায়র ইবনু হারব ও আবূ বকর ইবনু আবূ শায়বাহ (রহঃ) ..... উবায়দুল্লাহ থেকে এ সানাদে হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫১০, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثناه محمد بن المثنى، وزهير بن حرب، قالا حدثنا يحيى، وهو القطان ح وحدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا ابو اسامة، كلاهما عن عبيد الله، . بمثله في هذا الاسناد
কুতায়বাহ ইবনু সাঈদ ও ইবনু রুমূহ (রহঃ) ..... ইবনু উমার (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, আশুরার দিন সম্পর্কে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট আলোচনা করা হলে তিনি বললেন, এ দিনে জাহিলী যুগে লোকেরা সিয়াম (রোজা/রোযা) পালন করত। তোমাদের মধ্যে যে এ দিনে সিয়াম (রোজা/রোযা) পালন করতে আগ্রহী, সে এ দিনে সিয়াম (রোজা/রোযা) পালন করতে পারে। আর যে অপছন্দ করে, সে ছেড়ে দিতে পারে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫১১, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، ح وحدثنا ابن رمح، اخبرنا الليث، عن نافع، عن ابن عمر، رضى الله عنهما انه ذكر عند رسول الله صلى الله عليه وسلم يوم عاشوراء فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " كان يوما يصومه اهل الجاهلية فمن احب منكم ان يصومه فليصمه ومن كره فليدعه
আবূ কুরায়ব (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি আশুরার দিন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে এ কথা বলতে শুনেছেন যে, জাহিলী যুগে এ দিনে লোকেরা সিয়াম (রোজা/রোযা) সাধনা করত। যদি কেউ এদিনে সওম পালন করতে চায়, সে এ দিনে সিয়াম (রোজা/রোযা) পালন করবে। আর কেউ যদি এদিনে সওম পালন করতে না চায়, সে সওম পালন করবে না। আবদুল্লাহ (রাযিঃ) তার অভ্যস্ত দিনে না হলে আশূরার সওম পালন করতেন না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫১২, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا ابو كريب، حدثنا ابو اسامة، عن الوليد، - يعني ابن كثير - حدثني نافع، ان عبد الله بن عمر، - رضى الله عنهما - حدثه انه، سمع رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول في يوم عاشوراء " ان هذا يوم كان يصومه اهل الجاهلية فمن احب ان يصومه فليصمه ومن احب ان يتركه فليتركه " . وكان عبد الله - رضى الله عنه - لا يصومه الا ان يوافق صيامه
মুহাম্মাদ ইবনু আহমাদ ইবনু আবূ খালাফ (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট আশূরার দিনের সিয়াম (রোজা/রোযা) সম্পর্কে কথা তোলা হল। তারপর তিনি লায়স ইবনু সা'দ (রহঃ) এর অনুরূপই বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫১৩, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثني محمد بن احمد بن ابي خلف، حدثنا روح، حدثنا ابو مالك، عبيد الله بن الاخنس اخبرني نافع، عن عبد الله بن عمر، - رضى الله عنهما - قال ذكر عند النبي صلى الله عليه وسلم صوم يوم عاشوراء . فذكر مثل حديث الليث بن سعد سواء
আহমাদ ইবনু উসমান আন্ নাওফালী (রহঃ) ..... 'আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট আশূরার দিবস সম্পর্কে কথা তোলা হলে তিনি বললেন, এ দিনে জাহিলী যুগে লোকেরা সিয়াম (রোজা/রোযা) পালন করত। যার ইচ্ছা সে এ দিন সওম পালন করবে, আর যার ইচ্ছা সে এ দিনে সওম পালন করবে না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫১৪, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا احمد بن عثمان النوفلي، حدثنا ابو عاصم، حدثنا عمر بن محمد بن، زيد العسقلاني حدثنا سالم بن عبد الله، حدثني عبد الله بن عمر، - رضى الله عنهما - قال ذكر عند رسول الله صلى الله عليه وسلم يوم عاشوراء فقال " ذاك يوم كان يصومه اهل الجاهلية فمن شاء صامه ومن شاء تركه
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ ও আবূ কুরায়ব (রহঃ) ..... আবদুর রহমান ইবনু ইয়াযীদ থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আশ'আস ইবনু কায়স আবদুল্লাহ (রাযিঃ) এর নিকট গেলেন। তখন তিনি দুপুরের খাবার খাচ্ছিলেন। তিনি বললেন, হে আবূ মুহাম্মাদ! তুমি খাওয়ার জন্য কাছে এসো। তিনি বললেন, আজ কি আশূরার দিন নয়? তিনি বললেন, তুমি কি জান আশুরা দিন কী? আশ'আস বললেন, সে আবার কী? তিনি বললেন, রমযানের সিয়াম (রোজা/রোযা) ফারয (ফরয) হওয়ার পূর্বে এ দিন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সিয়াম (রোজা/রোযা) পালন করতেন। যখন রমযানের সিয়াম (রোজা/রোযা) ফারয (ফরয) হল তখন তা ছেড়ে দেয়া হল। রাবী আবূ কুরায়ব (রহঃ) تُرِكَ এর স্থলে تَرَكَهُ বলেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫১৫, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، وابو كريب جميعا عن ابي معاوية، قال ابو بكر حدثنا ابو معاوية، عن الاعمش، عن عمارة، عن عبد الرحمن بن يزيد، قال دخل الاشعث بن قيس على عبد الله وهو يتغدى فقال يا ابا محمد ادن الى الغداء . فقال اوليس اليوم يوم عاشوراء قال وهل تدري ما يوم عاشوراء قال وما هو قال انما هو يوم كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصومه قبل ان ينزل شهر رمضان فلما نزل شهر رمضان ترك . وقال ابو كريب تركه
যুহায়র ইবনু হারব ও উসমান ইবনু আবূ শয়বাহ (রহঃ) ... আ'মাশ (রহঃ) থেকে এ সানাদে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। তবে তারা বলেছেন, فَلَمَّا نَزَلَ رَمَضَانُ تَرَكَهُ “যখন রমাযানের বিধান নাযিল হল তখন তা ছেড়ে দেয়া হয়।" (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫১৬, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا زهير بن حرب، وعثمان بن ابي شيبة، قالا حدثنا جرير، عن الاعمش، بهذا الاسناد وقالا فلما نزل رمضان تركه
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ ও মুহাম্মাদ ইবনু হাতিম (রহঃ) ..... কায়স ইবনু সাকান থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আশুরার দিন আশ'আস ইবনু কায়স (রহঃ) আবদুল্লাহ (রাযিঃ) এর কাছে এলেন। এ সময় তিনি আহার করছিলেন। তিনি আশ'আসকে লক্ষ্য করে বললেন, হে আবূ মুহাম্মাদ নিকটে এসো, খানা খাও। তিনি বললেন, আমি তো সওম পালন করছি। এ কথা শুনে আবদুল্লাহ (রাযিঃ) বললেন, আমরা এ সওম পালন করতাম। পরে তা ছেড়ে দেয়া হয়েছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫১৭, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا وكيع، ويحيى بن سعيد القطان، عن سفيان، ح وحدثني محمد بن حاتم، - واللفظ له - حدثنا يحيى بن سعيد، حدثنا سفيان، حدثني زبيد اليامي، عن عمارة بن عمير، عن قيس بن سكن، ان الاشعث بن قيس، دخل على عبد الله يوم عاشوراء وهو ياكل فقال يا ابا محمد ادن فكل . قال اني صايم . قال كنا نصومه ثم ترك
মুহাম্মাদ ইবনু হাতিম (রহঃ)..... আলকামাহ্ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আশ'আস ইবনু কায়স (রহঃ) ইবনু মাসউদ (রাযিঃ) এর নিকট গেলেন। সেটা আশূরার দিন ছিল। তখন তিনি খানা খাচ্ছিলেন। এ দেখে আশ'আস (রহঃ) বললেন, হে আবদুর রহমানের পিতা! আজ তো আশূরার দিন। তিনি বললেন, রমাযানের সিয়াম (রোজা/রোযা) ফারয (ফরয) হওয়ার পূর্বে এ দিনে সিয়াম পালন করা হতো। কিন্তু রমযানের সিয়াম ফারয (ফরয) হলে এ দিনের সিয়াম পালন ছেড়ে দেয়া হয়। এখন তুমি যদি সওম না রেখে থাক তবে খাও। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫১৮, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثني محمد بن حاتم، حدثنا اسحاق بن منصور، حدثنا اسراييل، عن منصور، عن ابراهيم، عن علقمة، قال دخل الاشعث بن قيس على ابن مسعود وهو ياكل يوم عاشوراء فقال يا ابا عبد الرحمن ان اليوم يوم عاشوراء . فقال قد كان يصام قبل ان ينزل رمضان فلما نزل رمضان ترك فان كنت مفطرا فاطعم
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ (রহঃ) ..... জাবির ইবনু সামুরাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আশূরার দিন আমাদেরকে সিয়াম (রোজা/রোযা) পালনের নির্দেশ দিতেন। তিনি এ ব্যাপারে আমাদেরকে অনুপ্রাণিত করতেন এবং এ বিষয়ে তিনি আমাদের খোজ-খবর নিতেন। কিন্তু যখন রমযানের সিয়াম ফারয (ফরয) হল তখন তিনি আমাদেরকে আদেশও করেননি, বাধাও করেননি এবং কোন খোঁজ-খবর আর নেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫১৯, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا عبيد الله بن موسى، اخبرنا شيبان، عن اشعث، بن ابي الشعثاء عن جعفر بن ابي ثور، عن جابر بن سمرة، - رضى الله عنه - قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يامرنا بصيام يوم عاشوراء ويحثنا عليه ويتعاهدنا عنده فلما فرض رمضان لم يامرنا ولم ينهنا ولم يتعاهدنا عنده
হারমালাহ ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) .... হুমায়দ ইবনু আবদুর রহমান (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি একদিন মুআবিয়াহ ইবনু আবূ সুফইয়ান (রাযিঃ) কে মদীনায় খুতবায় বলতে শুনলেন অর্থাৎ যখন তিনি মদীনায় এসেছিলেন, তখন আশুরার দিবসে তিনি তাদের উদ্দেশে খুতবাহ দিয়েছিলেন। তাতে তিনি বলেছিলন, হে মাদীনাবাসী! তোমাদের আলিমগণ কোথায়? আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে এ দিন সম্পর্কে বলতে শুনেছি যে, এ হল আশুরা দিবস। আল্লাহ তোমাদের উপর এ দিনের সওম ফারয (ফরয) করেননি। তবে আমি সওম পালন করছি। তাই তোমাদের মধ্যে যে সওম পালন করতে পছন্দ করে, সে পালন করবে আর যে পছন্দ করেনি, সে করবে না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫২০, ইসলামীক সেন্টার)
حدثني حرملة بن يحيى، اخبرنا ابن وهب، اخبرني يونس، عن ابن شهاب، اخبرني حميد بن عبد الرحمن، انه سمع معاوية بن ابي سفيان، خطيبا بالمدينة - يعني في قدمة قدمها - خطبهم يوم عاشوراء فقال اين علماوكم يا اهل المدينة سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول لهذا اليوم " هذا يوم عاشوراء ولم يكتب الله عليكم صيامه وانا صايم فمن احب منكم ان يصوم فليصم ومن احب ان يفطر فليفطر
আবূ তাহির (রহঃ) .... ইবনু শিহাব (রহঃ) থেকে এ সানাদে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫২১, ইসলামীক সেন্টার)
حدثني ابو الطاهر، حدثنا عبد الله بن وهب، اخبرني مالك بن انس، عن ابن، شهاب في هذا الاسناد بمثله