Loading...

Loading...
বইসমূহ
২৮৫ হাদিসসমূহ
হাদ্দাব ইবনু খালিদ (রহঃ) ... আবূ সাঈদ আল খুদরী (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রমযানের ষোল দিন অতিবাহিত হবার পর আমরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলাম। এ সময় আমাদের কেউ সিয়াম (রোজা/রোযা) পালন করছিলেন, আবার কেউ তা ছেড়ে দিচ্ছিলেন। কিন্তু এতে সওম পালনকারী সওম ভঙ্গকারীকে কোন দোষারোপ করেনি এবং সওম ভঙ্গকারীও সওম পালনকারীকে কোন প্রকার দোষারোপ করেনি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৪৮২, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا هداب بن خالد، حدثنا همام بن يحيى، حدثنا قتادة، عن ابي نضرة، عن ابي سعيد الخدري، - رضى الله عنه - قال غزونا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم لست عشرة مضت من رمضان فمنا من صام ومنا من افطر فلم يعب الصايم على المفطر ولا المفطر على الصايم
মুহাম্মাদ ইবনু আবূ বাকর আল মুকুদ্দামী, মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না ও আবূ বকর ইবনু আবূ শায়বাহ্ (রহঃ) ... কাতাদাহ্ (রহঃ) থেকে এ সানাদে হাম্মামের হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। তবে আত তায়মী, উমার ইবনু আমির ও হিশামের বর্ণনায় রমযানের আঠার দিন অতিবাহিত হয়েছে কথাটি বর্ণিত আছে। সাঈদের বর্ণনায় বারোই রমযান এবং শু'বার বর্ণনায় সতের অথবা উনিশ রমাযানের কথা উল্লেখ রয়েছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৪৮৩, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا محمد بن ابي بكر المقدمي، حدثنا يحيى بن سعيد، عن التيمي، ح وحدثناه محمد بن المثنى، حدثنا ابن مهدي، حدثنا شعبة، وقال ابن المثنى، حدثنا ابو عامر، حدثنا هشام، وقال ابن المثنى، حدثنا سالم بن نوح، حدثنا عمر يعني ابن عامر، ح وحدثنا ابو بكر بن ابي شيبة حدثنا محمد بن بشر، عن سعيد، كلهم عن قتادة، بهذا الاسناد . نحو حديث همام غير ان في حديث التيمي وعمر بن عامر وهشام لثمان عشرة خلت وفي حديث سعيد في ثنتى عشرة . وشعبة لسبع عشرة او تسع عشرة
নাসর ইবনু আলী আল জাহযামী (রহঃ) ..... আবূ সাঈদ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে রমযান মাসে সফর করতাম কিন্তু সওম পালনকারীকে তার সওমের কারণে দোষারোপ করা হতো না এবং সওম ভঙ্গকারীকেও তার সওম ভঙ্গের কারণে দোষারোপ করা হতো না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৪৮৪, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا نصر بن علي الجهضمي، حدثنا بشر، - يعني ابن مفضل - عن ابي مسلمة، عن ابي نضرة، عن ابي سعيد، - رضى الله عنه - قال كنا نسافر مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في رمضان فما يعاب على الصايم صومه ولا على المفطر افطاره
আমর আন নাকিদ (রহঃ) ..... আবূ সাঈদ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রমাযান মাসে আমরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করতাম। এ সময় আমাদের কেউ সওম পালন করেছেন, আবার কেউ সওম ছেড়েও দিয়েছেন। কিন্তু সওম পালনকারী সওম ভঙ্গকারীকে খারাপ মনে করতেন না এবং সওম ভঙ্গকারীও সওম পালনকারীকে খারাপ মনে করতেন না। তারা মনে করতেন, যার সামথ্য আছে সে-ই সওম পালন করছে, এটাই তার জন্য উত্তম। আর যে দুর্বল সে সওম ছেড়ে দিয়েছে, এটাও তার জন্য উত্তম। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৪৮৫, ইসলামীক সেন্টার)
حدثني عمرو الناقد، حدثنا اسماعيل بن ابراهيم، عن الجريري، عن ابي نضرة، عن ابي سعيد الخدري، - رضى الله عنه - قال كنا نغزو مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في رمضان فمنا الصايم ومنا المفطر فلا يجد الصايم على المفطر ولا المفطر على الصايم يرون ان من وجد قوة فصام فان ذلك حسن ويرون ان من وجد ضعفا فافطر فان ذلك حسن
সাঈদ ইবনু আমর আশ'আসী, সাহল ইবনু উসমান, সুওয়াইদ ইবনু সাঈদ ও হুসায়ন ইবনু হুরায়স (রহঃ) ..... আবূ সাঈদ আল খুদরী (রাযিঃ) ও জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তারা উভয়ই বলেন, আমরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে সফর করেছি। এমতাবস্থায় সওম পালনকারী সওম পালন করেছেন এবং সওম যারা ছাড়তে চেয়েছেন, তারা ছেড়ে দিয়েছেন কিন্তু এতে কেউ একে অন্যের প্রতি দোষারোপ করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৪৮৬, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا سعيد بن عمرو الاشعثي، وسهل بن عثمان، وسويد بن سعيد، وحسين، بن حريث كلهم عن مروان، - قال سعيد اخبرنا مروان بن معاوية، - عن عاصم، قال سمعت ابا نضرة، يحدث عن ابي سعيد الخدري، وجابر بن عبد الله، - رضى الله عنهم - قالا سافرنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم فيصوم الصايم ويفطر المفطر فلا يعيب بعضهم على بعض
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... হুমায়দ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রমাযান মাসে সফরকালে সওমের বিধান কী? এ সম্বন্ধে আনাস (রাযিঃ) কে জিজ্ঞেস করার পর তিনি বললেন, রমযান মাসে আমরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে সফর করেছি। এ সময় সওম পালনকারী ব্যক্তি সওম ভঙ্গকারী ব্যক্তির কোন নিন্দা করেনি এবং সওম ভঙ্গকারী ব্যক্তিও সওম পালনকারীর কোন নিন্দা করেনি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৪৮৭, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا يحيى بن يحيى، اخبرنا ابو خيثمة، عن حميد، قال سيل انس - رضى الله عنه - عن صوم رمضان في السفر فقال سافرنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في رمضان فلم يعب الصايم على المفطر ولا المفطر على الصايم
আবূ বকর ইবনু আবূ শায়বাহ্ (রহঃ) ..... হুমায়দ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি সফরের উদ্দেশে বের হলাম এবং সিয়াম (রোজা/রোযা) পালন করলাম। লোকেরা আমাকে বলল, তুমি পুনরায় সওম পালন কর। তখন আমি বললাম, আনাস (রাযিঃ) আমাকে বলেছেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাহাবীগণ সফরকালে সওম পালনকারী সওম ভঙ্গকারীকে কোন দোষারোপ করেনি। অনুরূপভাবে সওম ভঙ্গকারীও সওম পালনকারীকে কোন প্রকার দোষারোপ করেনি। অতঃপর আমি ইবনু আবূ মুলায়কাহ্ (রহঃ) এর সাথে সাক্ষাৎ করলাম। তিনি আয়িশাহ্ (রাযিঃ) থেকে আমাকে অনুরূপ হাদীস শুনালেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৪৮৮, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا ابو خالد الاحمر، عن حميد، قال خرجت فصمت فقالوا لي اعد . قال فقلت ان انسا اخبرني ان اصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم كانوا يسافرون فلا يعيب الصايم على المفطر ولا المفطر على الصايم . فلقيت ابن ابي مليكة فاخبرني عن عايشة - رضى الله عنها - بمثله
আবূ বকর ইবনু আবূ শায়বাহ্ (রহঃ) ..... আনাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে আমরা সফরে ছিলাম। আমাদের কেউ সওম পালন করেছেন, আবার কেউ ছেড়ে দিয়েছেন। এরপর প্রচণ্ড গরমের সময় আমরা এক প্রান্তরে অবতরণ করলাম। চাঁদর বিশিষ্ট লোকেরাই আমাদের মধ্যে সর্বাধিক ছায়া লাভ করতে সক্ষম হয়েছে। আমাদের কেউ কেউ নিজ হাত দ্বারা সূর্যের কিরণ থেকে নিজেকে রক্ষা করছিলেন। অবশেষে সওম পালনকারীরা ক্লান্ত হয়ে পড়ল এবং সওম ত্যাগকারীরা সুস্থ থাকল। এরপর তারা তাঁবু খাটালো এবং উটকে পানি পান করালো তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আজ সওম পরিত্যাগকারীরা সাওয়াব অর্জন করে নিল। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৪৮৯, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، اخبرنا ابو معاوية، عن عاصم، عن مورق، عن انس، - رضى الله عنه - قال كنا مع النبي صلى الله عليه وسلم في السفر فمنا الصايم ومنا المفطر - قال - فنزلنا منزلا في يوم حار اكثرنا ظلا صاحب الكساء ومنا من يتقي الشمس بيده - قال - فسقط الصوام وقام المفطرون فضربوا الابنية وسقوا الركاب فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ذهب المفطرون اليوم بالاجر
আবূ কুরায়ব (রহঃ) ... আনাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোন এক সফরে ছিলেন। তখন কেউ কেউ সওম পালন করলেন, আবার কেউ কেউ সওম ছেড়ে দিলেন। এরপর যারা সওম ছেড়ে দিয়েছিলেন তারা শক্তিমত্তার সাথে কাজ করলেন এবং সওম পালনকারী ব্যক্তিগণ কাজে দুর্বল হয়ে পড়লেন। তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আজ সওম পরিত্যাগকারীরা নেকী অর্জন করে নিল। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৪৯০, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا ابو كريب، حدثنا حفص، عن عاصم الاحول، عن مورق، عن انس، - رضى الله عنه - قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم في سفر فصام بعض وافطر بعض فتحزم المفطرون وعملوا وضعف الصوام عن بعض العمل - قال - فقال في ذلك " ذهب المفطرون اليوم بالاجر
মুহাম্মাদ ইবনু হাতিম (রহঃ) ..... কাযা'আহ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমি আবূ সাঈদ আল খুদরী (রাযিঃ) এর নিকট গেলাম। তার নিকট মানুষের খুব ভীড় ছিল। যখন লোকজন পৃথক হয়ে এদিক ওদিক চলে গেল, তখন আমি বললাম, আমি আপনার নিকট ঐসব কথা জিজ্ঞেস করব না যা লোকেরা জিজ্ঞেস করেছে। আমি তাকে সফরের অবস্থায় সওম পালন করা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন, আমরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে সওমরত অবস্থায় মাক্কার (মক্কা) দিকে রওনা করলাম। এরপর একস্থানে আমরা অবতরণ করলাম। তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, এখন তোমরা শক্রদের নিকটবর্তী হয়ে গিয়েছে। এখন সওম ভঙ্গ করাই তোমাদের জন্য শক্তিশালী থাকার উপায় এবং এটা তোমাদের জন্য বিশেষ এক অবকাশ। তখন আমাদের কতক লোক সওম পালন করল, আবার কতক লোক ইফতার করল। এরপর আমরা অন্য এক স্থানে অবতরণ করলাম। তখন তিনি বললেন, ভোরেই তোমরা শক্রর মুকাবিলা করবে। সুতরাং ইফত্বারই তোমাদের জন্য শক্তি বর্ধক। তাই তোমরা ইফত্বার কর। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর এ নির্দেশ অবশ্য পালনীয় ছিল। তাই আমরা সকলেই সওম ভঙ্গ করলাম। এরপর আমরা দেখেছি, আমরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে সফরের অবস্থায় সওম পালন করতাম। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৪৯১, ইসলামীক সেন্টার)
حدثني محمد بن حاتم، حدثنا عبد الرحمن بن مهدي، عن معاوية بن صالح، عن ربيعة، قال حدثني قزعة، قال اتيت ابا سعيد الخدري - رضى الله عنه - وهو مكثور عليه فلما تفرق الناس عنه قلت اني لا اسالك عما يسالك هولاء عنه . سالته عن الصوم في السفر فقال سافرنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم الى مكة ونحن صيام قال فنزلنا منزلا فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " انكم قد دنوتم من عدوكم والفطر اقوى لكم " . فكانت رخصة فمنا من صام ومنا من افطر ثم نزلنا منزلا اخر فقال " انكم مصبحو عدوكم والفطر اقوى لكم فافطروا " . وكانت عزمة فافطرنا ثم قال لقد رايتنا نصوم مع رسول الله صلى الله عليه وسلم بعد ذلك في السفر
কুতায়বাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) .... আয়িশাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, হামযাহ ইবনু আমর আল আসলামী (রাযিঃ) রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে সফরের অবস্থায় সওম পালন করা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন, যদি তোমার ইচ্ছা হয় তবে সওম পালন কর, আর যদি ইচ্ছা হয় তবে সওম ছেড়ে দাও। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৪৯২, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، عن هشام بن عروة، عن ابيه، عن عايشة، - رضى الله عنها - انها قالت سال حمزة بن عمرو الاسلمي رسول الله صلى الله عليه وسلم عن الصيام في السفر فقال " ان شيت فصم وان شيت فافطر
আবূ রবী' আয্ যাহরানী (রহঃ) ..... আয়িশাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, হামযাহ ইবনু আমর আল আসলামী (রাযিঃ) রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে জিজ্ঞেস করলেন, ইয়া রসূলাল্লাহ! আমি তো অনবরত সওম পালন করি। সফরের অবস্থায়ও সওম পালন করব কি? তিনি বললেন, যদি তোমার ইচ্ছা হয়, তবে সওম পালন কর আর যদি ইচ্ছা হয়, তবে ছেড়ে দাও। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৪৯৩, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا ابو الربيع الزهراني، حدثنا حماد، - وهو ابن زيد - حدثنا هشام، عن ابيه، عن عايشة، - رضى الله عنها - ان حمزة بن عمرو الاسلمي، سال رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله اني رجل اسرد الصوم . افاصوم في السفر قال " صم ان شيت وا��طر ان شيت
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ... হিশাম (রহঃ) থেকে এ সানাদে হাম্মাদ ইবনু যায়দের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন, (তিনি বলেন) আমি সর্বদা সওম পালন করি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৪৯৪, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثناه يحيى بن يحيى، اخبرنا ابو معاوية، عن هشام، بهذا الاسناد . مثل حديث حماد بن زيد اني رجل اسرد الصوم
আবূ বকর ইবনু আবূ শায়বাহ ও আবূ কুরায়ব (রহঃ) ..... হিশাম (রহঃ) থেকে এ সানাদে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। হামযাহ (রাযি.) বলেন, আমি সর্বদা সওম পালন করি। সুতরাং সফরে আমি কি সওম পালন করব? (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৪৯৫, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، وابو كريب قالا حدثنا ابن نمير، وقال ابو بكر، حدثنا عبد الرحيم بن سليمان، كلاهما عن هشام، بهذا الاسناد ان حمزة، قال اني رجل اصوم افاصوم في السفر
আবূ ত্বহির ও হারূন ইবনু সাঈদ আল আয়লী (রহঃ) ... হামযাহ ইবনু আমর আল আসলামী (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বললেন, ইয়া রসূলাল্লাহ! সফরের অবস্থায় সিয়াম (রোজা/রোযা) পালনের ক্ষমতা আমার রয়েছে। এ সময় সিয়াম (রোজা/রোযা) পালন করলে আমার কোন গুনাহ হবে কি? তিনি বললেন, এটা আল্লাহর পক্ষ হতে এক বিশেষ অবকাশ, যে তা গ্রহণ করবে, তা তার জন্য উত্তম। আর যদি কেউ সিয়াম (রোজা/রোযা) পালন করতে চায়, তবে তার কোন গুনাহ হবে না। হারুন তার হাদীসের মধ্যে هِيَ رُخْصَةٌ (এটা ছাড়) কথাটি উল্লেখ করেছেন। কিন্তু। مِنَ اللَّهِ (আল্লাহর পক্ষ থেকে) কথাটি উল্লেখ করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৪৯৬, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثني ابو الطاهر، وهارون بن سعيد الايلي، - قال هارون حدثنا وقال ابو الطاهر اخبرنا ابن وهب، اخبرني عمرو بن الحارث، عن ابي الاسود، عن عروة بن الزبير، عن ابي مراوح، عن حمزة بن عمرو الاسلمي، - رضى الله عنه - انه قال يا رسول الله اجد بي قوة على الصيام في السفر فهل على جناح فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " هي رخصة من الله فمن اخذ بها فحسن ومن احب ان يصوم فلا جناح عليه " . قال هارون في حديثه " هي رخصة " . ولم يذكر من الله
দাউদ ইবনু রুশায়দ (রহঃ) ..... আবূ দারদা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক প্রচণ্ড গরমের দিনে রমযান মাসে আমরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে সফরে বের হলাম। গরম এত প্রচণ্ড ছিল যে, আমাদের প্রত্যেকেই নিজ নিজ হাত মাথার উপর তুলে ধরেছিল। আর মাত্র রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও আবদুল্লাহ ইবনু রওয়াহাহ্ (রাযিঃ) ব্যতীত আমাদের মাঝে কেউই সওম পালনকারী ছিল না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৪৯৭, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا داود بن رشيد، حدثنا الوليد بن مسلم، عن سعيد بن عبد العزيز، عن اسماعيل، بن عبيد الله عن ام الدرداء، عن ابي الدرداء، - رضى الله عنه - قال خرجنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في شهر رمضان في حر شديد حتى ان كان احدنا ليضع يده على راسه من شدة الحر وما فينا صايم الا رسول الله صلى الله عليه وسلم وعبد الله بن رواحة
আবদুল্লাহ ইবনু মাসলামাহ আল কা'নবী (রহঃ) ... উম্মু দারদা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। আবূ দারদা (রাযিঃ) বলেছেন যে, প্রচণ্ড গরমের দিনে কোন এক সফরে আমরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে ছিলাম। গরম এতো প্রচণ্ড ছিল যে, লোকেরা নিজ নিজ হাত মাথার উপরে রেখে দিয়েছিল। আর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও 'আবদুল্লাহ ইবনু রওয়াহাহ (রাযিঃ) ব্যতীত আমাদের মাঝে কেউই সওম পালনকারী ছিল না। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ২৪৯৮, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا عبد الله بن مسلمة القعنبي، حدثنا هشام بن سعد، عن عثمان بن حيان، الدمشقي عن ام الدرداء، قالت قال ابو الدرداء لقد رايتنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في بعض اسفاره في يوم شديد الحر حتى ان الرجل ليضع يده على راسه من شدة الحر وما منا احد صايم الا رسول الله صلى الله عليه وسلم وعبد الله بن رواحة
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... উম্মুল ফাযল বিনতু হারিস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, লোকেরা আরাফার দিন তার নিকট রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সিয়াম (রোজা/রোযা) পালন (করা না করা) সম্পর্কে আলোচনা করছিল। তাদের কেউ কেউ বলল, তিনি সওমরত নন। এরপর আমি তার নিকট এক পেয়ালা দুধ পাঠালাম, তিনি আরাফাতে উটের উপর বসা অবস্থায় ছিলেন। দুধটুকু তিনি তখনি পান করে নিলেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৪৯৯, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا يحيى بن يحيى، قال قرات على مالك عن ابي النضر، عن عمير، مولى عبد الله بن عباس عن ام الفضل بنت الحارث، ان ناسا، تماروا عندها يوم عرفة في صيام رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال بعضهم هو صايم وقال بعضهم ليس بصايم . فارسلت اليه بقدح لبن وهو واقف على بعيره بعرفة فشربه
ইসহাক ইবনু ইবরাহীম ও ইবনু আবূ উমার (রহঃ) ..... আবূ নাযর থেকে এ সানাদে বর্ণনা করেছেন। তবে তিনি وَهُوَ وَاقِفٌ عَلَى بَعِيرِهِ (অর্থাৎ তিনি উটের উপর বসা অবস্থায় ছিলেন) বাক্যটি উল্লেখ করেননি। অধিকন্তু এতে তিনি উম্মুল ফাযলের আযাদকৃত গোলাম উমায়র থেকে বর্ণিত বলে উল্লেখ করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫০০, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا اسحاق بن ابراهيم، وابن ابي عمر، عن سفيان، عن ابي النضر، بهذا الاسناد . ولم يذكر وهو واقف على بعيره . وقال عن عمير مولى ام الفضل
যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ... সলিম আবূ আন নাযর থেকে এ সানাদে ইবনু উয়ায়নার অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। এখানেও উম্মুল ফাযুলের আযাদকৃত গোলাম 'উমায়র থেকে বর্ণিত। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ২৫০১, ইসলামীক সেন্টার)
حدثني زهير بن حرب، حدثنا عبد الرحمن بن مهدي، عن سفيان، عن سالم ابي، النضر بهذا الاسناد نحو حديث ابن عيينة وقال عن عمير، مولى ام الفضل