Loading...

Loading...
বইসমূহ
২৮৫ হাদিসসমূহ
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ (রহঃ) ..... উম্মুল মুমিনীন আয়িশাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদিন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার কাছে এসে বললেন, তোমাদের কাছে কিছু আছে কি? আমরা বললাম, না। তিনি বললেন, তাহলে আমি সিয়াম (রোজা/রোযা) পালন করলাম। আর একদিন তিনি আমাদের কাছে আসলেন। আমরা বললাম, হে আল্লাহর রসূল! আমাদেরকে ‘হায়স' (ঘি বা পনির মিশ্রিত খেজুর) হাদিয়াহ দেয়া হয়েছে। তিনি বললেন, আমাকে তা দেখাও; অবশ্য আমি সকালে সিয়ামের নিয়্যাত করেছি। অতঃপর তিনি তা খেলেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫৮২, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا وكيع، عن طلحة بن يحيى، عن عمته، عايشة بنت طلحة عن عايشة ام المومنين، قالت دخل على النبي صلى الله عليه وسلم ذات يوم فقال " هل عندكم شىء " . فقلنا لا . قال " فاني اذا صايم " . ثم اتانا يوما اخر فقلنا يا رسول الله اهدي لنا حيس . فقال " ارينيه فلقد اصبحت صايما " . فاكل
আমর ইবনু মুহাম্মাদ আন্ নাকিদ (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি সিয়াম (রোজা/রোযা) অবস্থায় ভুলে কিছু খেয়েছে বা পান করেছে সে যেন তার সিয়াম (রোজা/রোযা) পূর্ণ করে। কেননা আল্লাহই তাকে খাইয়েছেন ও পান করিয়েছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫৮৩, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثني عمرو بن محمد الناقد، حدثنا اسماعيل بن ابراهيم، عن هشام القردوسي، عن محمد بن سيرين، عن ابي هريرة، - رضى الله عنه - قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من نسي وهو صايم فاكل او شرب فليتم صومه فانما اطعمه الله وسقاه
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু শাকীক (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আয়িশাহ (রাযিঃ) কে বললাম, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কি রমযান মাস ছাড়া অন্য কোন সময় পূর্ণ মাস সিয়াম (রোজা/রোযা) পালন করতেন? তিনি বললেন, আল্লাহর শপথ তিনি আজীবন রমযান ছাড়া অন্য কোন সময় পূর্ণ এক মাস সিয়াম (রোজা/রোযা) পালন করেননি। আর এমন কোন মাসও অতিবাহিত হয়নি যাতে তিনি অন্তত কিছু সিয়াম (রোজা/রোযা) পালন করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫৮৪, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا يحيى بن يحيى، اخبرنا يزيد بن زريع، عن سعيد الجريري، عن عبد الله، بن شقيق قال قلت لعايشة رضى الله عنها هل كان النبي صلى الله عليه وسلم يصوم شهرا معلوما سوى رمضان قالت والله ان صام شهرا معلوما سوى رمضان حتى مضى لوجهه ولا افطره حتى يصيب منه
উবায়দুল্লাহ ইবনু মুআয (রহঃ) ..... 'আবদুল্লাহ ইবনু শাকীক (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আয়িশাহ (রাযিঃ) কে জিজ্ঞেস করলাম, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কি কখনও একটি পূর্ণ মাস (নাফল) সিয়াম (রোজা/রোযা) পালন করতেন? তিনি বললেন, আমার জানা মতে তার ইন্তিকালের পূর্ব পর্যন্ত তিনি রমযান মাস ছাড়া অন্য কোন সময়ে পূর্ণ মাস সিয়াম পালন করেননি। আর এমন কোন মাসও কাটেনি যে মাসে তিনি (দু’একটি) সিয়াম পালন করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫৮৫, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا عبيد الله بن معاذ، حدثنا ابي، حدثنا كهمس، عن عبد الله بن شقيق، قال قلت لعايشة - رضى الله عنها - اكان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصوم شهرا كله قالت ما علمته صام شهرا كله الا رمضان ولا افطره كله حتى يصوم منه حتى مضى لسبيله صلى الله عليه وسلم
আবূ রবী' আয যাহরানী (রহঃ) ... আবদুল্লাহ ইবনু শাকীক (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আয়িশাহ (রাযিঃ) কে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সিয়াম (রোজা/রোযা) সম্বন্ধে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন, তিনি একাধারে সিয়াম পালন করে যেতেন যাতে আমরা বলাবলি করতাম, তিনি অনেক সিয়াম পালন করেছেন। আর কখনো তিনি একাধারে পানাহার (সিয়াম পালন না করে) কাটিয়ে দিতেন। যাতে আমরা বলাবলি করতাম, তিনি অনেক দিন যাবৎ সিয়াম পালন করেননি, তিনি অনেক দিন সিয়াম পালন করেননি। আয়িশাহ (রাযিঃ) আরো বলেন, তিনি মদীনায় আসার পর আমি তাকে রমযান মাস ছাড়া কখনো পূর্ণ একটি মাস সিয়াম পালন করতে দেখিনি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫৮৬, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثني ابو الربيع الزهراني، حدثنا حماد، عن ايوب، وهشام، عن محمد، عن عبد الله بن شقيق، - قال حماد واظن ايوب قد سمعه من عبد الله بن شقيق، - قال سالت عايشة - رضى الله عنها - عن صوم النبي صلى الله عليه وسلم فقالت كان يصوم حتى نقول قد صام قد صام . ويفطر حتى نقول قد افطر قد افطر - قالت - وما رايته صام شهرا كاملا منذ قدم المدينة الا ان يكون رمضان
কুতায়বাহ্ (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু শাকীক (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আয়িশাহ (রাযিঃ) কে জিজ্ঞেস করলাম ... উপরের হাদীসের অনুরূপ। তবে এ সানাদে অধঃস্তন রাবী হিশাম ও মুহাম্মাদের নাম উল্লেখ নেই। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫৮৭, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا قتيبة، حدثنا حماد، عن ايوب، عن عبد الله بن شقيق، قال سالت عايشة - رضى الله عنها - بمثله ولم يذكر في الاسناد هشاما ولا محمدا
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... উম্মুল মুমিনীন আয়িশাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একাধারে সিয়াম (রোজা/রোযা) পালন করতে থাকতেন। ফলে আমরা বলাবলি করতাম, তিনি আর সিয়াম ভঙ্গ করবেন না। আবার এমনভাবে তিনি ক্রমাগত সিয়াম ছাড়তে থাকতেন যাতে আমরা বলতাম, তিনি বুঝি আর (এ মাসে) সিয়াম পালন করবেন না। আমি তাকে কখনো রমযান মাস ছাড়া অন্য কোন মাসে অধিক সিয়াম পালন করতেও দেখিনি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫৮৮, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا يحيى بن يحيى، قال قرات على مالك عن ابي النضر، مولى عمر بن عبيد الله عن ابي سلمة بن عبد الرحمن، عن عايشة ام المومنين، - رضى الله عنها - انها قالت كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصوم حتى نقول لا يفطر . ويفطر حتى نقول لا يصوم . وما رايت رسول الله صلى الله عليه وسلم استكمل صيام شهر قط الا رمضان وما رايته في شهر اكثر منه صياما في شعبان
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ ও আমর আন্ নাকিদ (রহঃ) ..... আবূ সালামাহ্ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আয়িশাহ্ (রাযিঃ) কে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সিয়াম (রোজা/রোযা) সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বলেন, কখনো কখনো একাধারে সিয়াম পালন করে যেতেন যে, আমরা বলতাম, তিনি সিয়াম পালন করে যাচ্ছেন (হয়ত আর বিরত হবেন না)। আবার তিনি কখনো কখনো একাধারে সিয়াম পালন না করে অতিবাহিত করতেন যে, আমরা বলতাম, হয়ত তিনি আর সিয়াম (রোজা/রোযা) পালন করবেন না। আমি তাকে শা'বান মাসের চেয়ে অন্য কোন মাসে এত অধিক (নাফল) সিয়াম পালন করতে দেখিনি। তিনি পুরো শাবান মাসেই সিয়াম পালন করতেন (অর্থাৎ কয়েক দিন ছাড়া পূর্ণ শাবান মাস সিয়াম পালন করতেন)। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ২৫৮৯, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، وعمرو الناقد، جميعا عن ابن عيينة، - قال ابو بكر حدثنا سفيان بن عيينة، - عن ابن ابي لبيد، عن ابي سلمة، قال سالت عايشة - رضى الله عنها - عن صيام رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالت كان يصوم حتى نقول قد صام . ويفطر حتى نقول قد افطر . ولم اره صايما من شهر قط اكثر من صيامه من شعبان كان يصوم شعبان كله كان يصوم شعبان الا قليلا
ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ..... আয়িশাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শা'বান মাসে যত সিয়াম (রোজা/রোযা) পালন করতেন সারা বছরে অন্য কোন মাসে তিনি এত অধিক সিয়াম (রোজা/রোযা) পালন করতেন না। আর তিনি (লোকদের উদ্দেশে) বলতেন, "তোমরা নিজ নিজ সামর্থ্য অনুযায়ী যত বেশী পার আমল কর। কেননা, আল্লাহ তা'আলা (তোমাদেরকে সাওয়াব দানে) ক্লান্ত বা বিরক্ত হবেন না যতক্ষণ তোমরা অক্ষম হয়ে না পড়বে। তিনি আরো বলেন, আল্লাহ তা'আলার কাছে সবচেয়ে প্রিয় ‘আমল হচ্ছে যা কোন বান্দা অব্যাহতভাবে করে থাকে- যদিও তা পরিমাণে কম হয়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫৯০, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا اسحاق بن ابراهيم، اخبرنا معاذ بن هشام، حدثني ابي، عن يحيى بن، ابي كثير حدثنا ابو سلمة، عن عايشة، - رضى الله عنها - قالت لم يكن رسول الله صلى الله عليه وسلم في الشهر من السنة اكثر صياما منه في شعبان وكان يقول " خذوا من الاعمال ما تطيقون فان الله لن يمل حتى تملوا " . وكان يقول " احب العمل الى الله ما داوم عليه صاحبه وان قل
আবূ রবী যাহরানী (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমযান মাস ছাড়া আর কখনো পূর্ণ মাস সিয়াম (রোজা/রোযা) পালন করতেন না। তিনি যখন সিয়াম (রোজা/রোযা) পালন করতেন তখন ক্রমাগত সিয়াম পালন করে যেতেন। ফলে লোকেরা বলত, আল্লাহর কসম! হয়ত তিনি আর সিয়াম ভঙ্গ করবেন না। আবার যখন তিনি সিয়াম ছেড়ে দিতেন একাধারেই বিরতি দিতে থাকতেন। এমনকি লোকেরা বলত আল্লাহর কসম! তিনি হয়ত আর সিয়াম পালন করবেন না।*(ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫৯১, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا ابو الربيع الزهراني، حدثنا ابو عوانة، عن ابي بشر، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس، - رضى الله عنهما - قال ما صام رسول الله صلى الله عليه وسلم شهرا كاملا قط غير رمضان . وكان يصوم اذا صام حتى يقول القايل لا والله لا يفطر . ويفطر اذا افطر حتى يقول القايل لا والله لا يصوم
মুহাম্মদ ইবনু বাশশার ও আবূ বাকর ইবনু নাফি (রহঃ) ..... আবূ বিশর (রহঃ) এর সূত্রে এ সানাদে উপরের হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। তবে এতে আছে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মাদীনাতে আসার পর কখনো একাধারে এক মাস (নাফল) সিয়াম (রোজা/রোযা) পালন করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫৯২, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا محمد بن بشار وابو بكر بن نافع عن غندر عن شعبة عن ابي بشر بهذا الاسناد وقال شهرا متتابعا منذ قدم المدينة
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ ও ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... উসমান ইবনু হাকীম আল আনসারী (রহঃ) বলেন, আমি রজব মাসের সিয়াম (রোজা/রোযা) সম্পর্কে সাঈদ ইবনু জুবায়র কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন, আমি ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) কে বলতে শুনেছি, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একাধারে সিয়াম (রোজা/রোযা) পালন করতে থাকতেন যাতে আমরা বলতাম, তিনি হয়ত আর সিয়াম (রোজা/রোযা) ছাড়বেন না। আবার তিনি এমনভাবে ক্রমাগত সিয়াম (রোজা/রোযা) না রেখে থাকতেন যাতে আমরা বলতাম, তিনি বুঝি আর (এ মাসে) সিয়াম (রোজা/রোযা) পালন করবেন না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫৯৩, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا عبد الله بن نمير، ح وحدثنا ابن نمير، حدثنا ابي، حدثنا عثمان بن حكيم الانصاري، قال سالت سعيد بن جبير عن صوم، رجب - ونحن يوميذ في رجب - فقال سمعت ابن عباس - رضى الله عنهما - يقول كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصوم حتى نقول لا يفطر . ويفطر حتى نقول لا يصوم
‘আলী ইবনু হুজর ও ইবরাহীম ইবনু মূসা (রহঃ) ..... উসমান ইবনু হাকীম (রহঃ) থেকে এ সূত্রেও উপরের হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫৯৪, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنيه علي بن حجر، حدثنا علي بن مسهر، ح وحدثني ابراهيم بن موسى، اخبرنا عيسى بن يونس، كلاهما عن عثمان بن حكيم، في هذا الاسناد . بمثله
যুহায়র ইবনু হারব, ইবনু আবূ খালাফ ও আবূ বাকর ইবনু নাফি (রহিমাহুমুল্লাহ) ..... আনাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সিয়াম (রোজা/রোযা) পালন করে যেতেন, এমনকি বলা হত তিনি অনেক সিয়াম পালন করেছেন,তিনি অনেক সিয়াম পালন করেছেন। আবার তিনি সিয়াম থেকে এমনভাবে বিরত থাকতেন যে, বলা হত তিনি অনেক দিন সিয়াম (রোজা/রোযা) থেকে বিরত রয়েছেন, অনেক দিন বিরত রয়েছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫৯৫, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثني زهير بن حرب، وابن ابي خلف، قالا حدثنا روح بن عبادة، حدثنا حماد، عن ثابت، عن انس، رضى الله عنه ح. وحدثني ابو بكر بن نافع، - واللفظ له - حدثنا بهز، حدثنا حماد، حدثنا ثابت، عن انس، رضى الله عنه ان رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يصوم حتى يقال قد صام قد صام . ويفطر حتى يقال قد افطر قد افطر
আবূ ত্বহির ও হারমালাহ্ ইবনু ইয়াহইয়া (রহিমাহুমাল্লাহ) ..... 'আবদুল্লাহ ইবনু আমর ইবনুল আস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে অবহিত করা হলো যে, আমি বলছি, আমি যতদিন বেঁচে থাকব সারা রাতে সালাত (সালাত/নামাজ/নামায) আদায় করব এবং সর্বদা দিনের বেলা সিয়াম (রোজা/রোযা) পালন করব। অতঃপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (আমাকে) জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কি এ কথা বলেছ? আমি তাকে বললাম, হে আল্লাহর রসূল! আমি এ কথা বলেছি। তিনি বললেন, তুমি এ কাজ করতে পারবে না, কারণ তোমার সে সামর্থ্য নেই। পড়, নিদ্রাও যাও। আর প্রতি মাসে তিনদিন করে সিয়াম পালন কর। কেননা প্রত্যেক নেক কাজের জন্য দশগুণ সাওয়াব পাওয়া যায়। এতেই সারা জীবন সিয়াম পালন করার সাওয়াব পাওয়া যাবে। রাবী বলেন, আমি আরয করলাম, আমি এর চেয়েও বেশী করার সামর্থ্য রাখি। তিনি বললেন, তবে একদিন সিয়াম (রোজা/রোযা) পালন কর এবং অতঃপর দুদিন সিয়াম পালন থেকে বিরত থাক। বর্ণনাকারী বলেন, আমি বললাম, "হে আল্লাহর রসূল! আমি এর চেয়েও বেশী করতে সক্ষম। তিনি বললেন, তাহলে তুমি একদিন সিয়াম পালন কর এবং একদিন বিরত থাক। এটাই দাউদ (আঃ)-এর সিয়াম। আর এর চেয়ে উত্তম আর কিছু নেই। 'আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাযিঃ) বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নির্দেশ মত তিন দিনের সিয়াম পালন করাকে যদি আমি গ্রহণ করে নিতাম তাহলে এটা আমার কাছে আমার পরিবার-পরিজন ও ধন-সম্পদের চেয়েও পছন্দনীয় হত। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫৯৬, ইসলামীক সেন্টার)
حدثني ابو الطاهر، قال سمعت عبد الله بن وهب، يحدث عن يونس، عن ابن، شهاب ح وحدثني حرملة بن يحيى، اخبرنا ابن وهب، اخبرني يونس، عن ابن شهاب، اخبرني سعيد بن المسيب، وابو سلمة بن عبد الرحمن ان عبد الله بن عمرو بن العاص، قال اخبر رسول الله صلى الله عليه وسلم انه يقول لاقومن الليل ولاصومن النهار ما عشت . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " انت الذي تقول ذلك " . فقلت له قد قلته يا رسول الله . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " فانك لا تستطيع ذلك فصم وافطر ونم وقم وصم من الشهر ثلاثة ايام فان الحسنة بعشر امثالها وذلك مثل صيام الدهر " . قال قلت فاني اطيق افضل من ذلك . قال " صم يوما وافطر يومين " . قال قلت فاني اطيق افضل من ذلك يا رسول الله قال " صم يوما وافطر يوما وذلك صيام داود - عليه السلام - وهو اعدل الصيام " . قال قلت فاني اطيق افضل من ذلك . قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لا افضل من ذلك " . قال عبد الله بن عمرو رضى الله عنهما لان اكون قبلت الثلاثة الايام التي قال رسول الله صلى الله عليه وسلم احب الى من اهلي ومالي
আবদুল্লাহ ইবনু মুহাম্মাদ আর রূমী (রহঃ) ..... ইয়াহইয়া (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ও আবদুল্লাহ ইবনু ইয়াযীদ আবূ সালামার সাথে সাক্ষাতের উদ্দেশে রওনা হলাম। অবশেষে আমরা তার বাড়িতে গিয়ে পৌছলাম। তার বাড়ির সামনেই ছিল একটি মসজিদ। আমরা সেখানে গিয়ে বসলাম এবং তাকে খবর দেয়ার জন্য একটি লোক পাঠালাম। তিনি বাড়ির ভিতর থেকে বের হয়ে আমাদের কাছে এসে বললেন, তোমরা ইচ্ছে করলে ঘরে গিয়েও বসতে পার অথবা এখানেও বসতে পার। আমরা বললাম, অবশ্যই আমরা এখানে বসব। অতঃপর তিনি আমাদের কাছে হাদীস বর্ণনা করতে শুরু করলেন। তিনি বললেন, 'আবদুল্লাহ ইবনু আমর ইবনুল আস (রাযিঃ) আমার কাছে বলেছেন, আমি সর্বদা সিয়াম (রোজা/রোযা) পালন করতাম এবং প্রতি রাতেই (রাত ভর) কুরআন তিলাওয়াত করতাম। পরে হয়ত বা আমার ব্যাপারে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে আলোচনা করা হয়েছে অথবা (রাবীর সন্দেহ) তিনি নিজেই আমাকে ডেকে পাঠিয়েছেন। আমি গিয়ে তার কাছে হাজির হলাম। তিনি বললেন, আমি জানতে পারলাম, তুমি নাকি সর্বদা সিয়াম পালন কর এবং প্রতি রাতেই (সারা রাত) কুরআন তিলাওয়াত কর? আমি বললাম, হ্যাঁ, হে আল্লাহর নবী! আমি কল্যাণ লাভ করার উদেশেই তা করে থাকি। তিনি বললেন, প্রতি মাসে তিনটি করে সিয়াম (রোজা/রোযা) পালন করাই তোমার জন্য যথেষ্ট। তখন আমি বললাম, আমি এর চেয়েও বেশী করতে সক্ষম। তিনি বললেন, (এরূপ করো না)। কেননা তোমার উপর তোমার স্ত্রীর অধিকার রয়েছে, যারা তোমার সাথে সাক্ষাৎ করতে আসে তাদেরও তোমার উপর অধিকার রয়েছে। আর তোমার উপর তোমার দেহেরও হাক্ব (হক) আছে। তাই তুমি আল্লাহর নবী দাউদ (আঃ) এর সিয়াম অনুসরণ কর। কেননা তিনি মানুষের মধ্যে সবচেয়ে বেশী ইবাদাত করতেন। আবদুল্লাহ ইবনু 'আমর (রাযিঃ) বলেন, আমি রললাম, হে আল্লাহর নবী দাউদ (আঃ) এর সিয়াম কী? তিনি বললেন, দাউদ (আঃ) একদিন সিয়াম পালন করতেন এবং একদিন পালন করতেন না (অর্থাৎ একদিন পরপর সিয়াম পালন করতেন)। তিনি (আরো) বললেন, তুমি প্রতি মাসে একবার কুরআন খতম কর। আমি বললাম, হে আল্লাহর নবী! আমি এর চেয়েও বেশী পড়ার সামর্থ রাখি। তিনি বললেন, তাহলে তুমি প্রতি বিশ দিনে একবার কুরআন খতম কর। আমি আরয করলাম, হে আল্লাহর নবী! আমি এর চেয়েও বেশী করতে সক্ষম। তিনি বললেন, তাহলে তুমি প্রতি দশ দিনে একবার কুরআন খতম কর। আমি আবার বললাম, হে আল্লাহর নবী এর চেয়েও বেশী পারি। তিনি বললেন, তুমি সাতদিন অন্তর কুরআন খতম কর, তবে এর চেয়ে বেশী পড়ো না। কেননা তোমার উপর তোমার স্ত্রীর হাক্ব (হক) আছে, তোমার সাক্ষাতপ্রার্থীদেরও তোমার উপর হাক্ব (হক) আছে, আর তোমার শরীরেরও তোমার উপর হাক্ব (হক) আছে। আবদুল্লাহ (রাযিঃ) বলেন, আমি (সর্বদা সিয়াম পালন করে) নিজের উপর কঠোরতা করেছি। ফলে (আমার উপরও) কঠোরতা চেপে বসেছে। তিনি আরো বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বলেছিলেন, তোমার জানা নেই হয়ত বা তুমি দীর্ঘায়ু লাভ করবে (তখন তোমার পক্ষে এত বেশী 'আমল করা অসম্ভব হয়ে পড়বে)। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যা বলেছিলেন বাস্তবে তাই হলো। আমি যখন বয়োবৃদ্ধ হয়ে পড়লাম তখন অনুশোচনা করে বলতাম, "হায়! আমি যদি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর দেয়া অবকাশটুকু গ্রহণ করতাম! (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫৯৭, ইসলামীক সেন্টার)
যুহায়র ইবনু হাব (রহঃ) ..... ইয়াহইয়া ইবনু আবূ কাসীর (রহঃ) কর্তৃক এ সানাদে উপরের হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। তবে এ সূত্রে প্রতি মাসে তিনদিন করে সিয়াম (রোজা/রোযা) পালন করাই যথেষ্ট'- এ কথার পরে আরো আছে, “কেননা প্রত্যেক নেক কাজের বিনিময়ে তার দশগুণ সাওয়াব পাওয়া যায়, আর এভাবে তা সারা বছরের সিয়ামের সমতুল্য গণ্য হয়”। তিনি তার বর্ণিত হাদীসে আরো উল্লেখ করেছেন, “আমি বললাম, আল্লাহর নবী দাউদ (আঃ) এর সিয়াম কী (ছিল)? তিনি বললেন, বছরের অর্ধেক (অর্থাৎ একদিন সিয়াম পালন করা ও একদিন সিয়াম ভাঙ্গা)। তিনি (এ হাদীসে) কুরআন তিলাওয়াতের প্রসঙ্গে কিছুই উল্লেখ করেননি। এ বর্ণনায় তিনি “তোমার সাক্ষাত-প্রার্থীদেরও তোমার উপর হাক্ব (হক) আছে"- এ কথাটি উল্লেখ করেননি। বরং এতে আছেঃ তোমার সন্তানেরও তোমার উপর হাক্ব (হক) আছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫৯৮, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنيه زهير بن حرب، حدثنا روح بن عبادة، حدثنا حسين المعلم، عن يحيى، بن ابي كثير بهذا الاسناد وزاد فيه بعد قوله " من كل شهر ثلاثة ايام " " فان لك بكل حسنة عشر امثالها فذلك الدهر كله " . وقال في الحديث قلت وما صوم نبي الله داود قال " نصف الدهر " . ولم يذكر في الحديث من قراءة القران شييا ولم يقل " وان لزورك عليك حقا " . ولكن قال " وان لولدك عليك حقا
কাসিম ইবনু যাকারিয়্যা (রহঃ) ..... 'আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তুমি প্রতি মাসে একবার করে সম্পূর্ণ কুরআন পাঠ কর। আবদুল্লাহ (রাযিঃ) বলেন, আমি বললাম, আরো বেশী পড়ার সামর্থ রাখি। তিনি বললেন, তাহলে তুমি বিশ দিন অন্তর একবার কুরআন খতম কর। রাবী বলেন, আমি আবার আরয করলাম, আমার আরো (বেশী পাঠ করার) শক্তি আছে। তিনি বললেন, তাহলে তুমি সাত দিন অন্তর একবার সম্পূর্ণ কুরআন পাঠ কর। তবে এর চেয়ে বেশী (তিলাওয়াত) করো না। (কারণ এর চেয়ে কম সময়ের মধ্যে কুরআন খতম করলে কুরআন নিয়ে চিন্তা-ভাবনা করা এবং এর মর্ম উপলব্ধি করার সুযোগ হয় না)।* (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫৯৯, ইসলামীক সেন্টার)
حدثني القاسم بن زكرياء، حدثنا عبيد الله بن موسى، عن شيبان، عن يحيى، عن محمد بن عبد الرحمن، مولى بني زهرة عن ابي سلمة، قال - واحسبني قد سمعته انا من ابي سلمة، - عن عبد الله بن عمرو، - رضى الله عنهما - قال قال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم " اقرا القران في كل شهر " . قال قلت اني اجد قوة . قال " فاقراه في عشرين ليلة " . قال قلت اني اجد قوة . قال " فاقراه في سبع ولا تزد على ذلك
আহমাদ ইবনু ইউসুফ আল আযদী (রহঃ) ..... 'আবদুল্লাহ ইবনু আমর ইবনুল আস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ হে আবদুল্লাহ! (বেশী বেশী রাত জেগে) তুমিও অমুক ব্যক্তির মতো হয়ে যেও না। সে রাত জেগে জেগে সালাত (সালাত/নামাজ/নামায) আদায় করত, অতঃপর রাত জেগে ইবাদাত করা ছেড়ে দিয়েছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৬০০, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثني احمد بن يوسف الازدي، حدثنا عمرو بن ابي سلمة، عن الاوزاعي، قراءة قال حدثني يحيى بن ابي كثير، عن ابن الحكم بن ثوبان، حدثني ابو سلمة بن عبد الرحمن، عن عبد الله بن عمرو بن العاص، - رضى الله عنهما - قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " يا عبد الله لا تكن بمثل فلان كان يقوم الليل فترك قيام الليل
মুহাম্মাদ ইবনু রাফি' (রহঃ) ..... 'আবদুল্লাহ ইবনু আমর ইবনুল আস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জানতে পারলেন, আমি অনবরত সিয়াম (রোজা/রোযা) পালন করি এবং রাত ভর সালাত (সালাত/নামাজ/নামায) আদায় করি। তিনি আমাকে ডেকে পাঠালেন অথবা (রাবীর সন্দেহ) আমি তার সাথে দেখা করি। তিনি বললেন, আমি খবর পেয়েছি, তুমি অনবরত সিয়াম পালন কর, বিরতি দাও না, আর রাত ভর সালাত আদায় কর। এরপর আর এরূপ করবে না। কেননা তোমার উপর তোমার চোখের অংশ (হাক্ব (হক)) আছে, তোমার দেহ ও আত্মার অংশ আছে এবং তোমার পরিবার-পরিজনেরও অংশ আছে। কাজেই তুমি সিয়ামও পালন কর, বিরতিও দাও, সালাতও আদায় কর, ঘুমও যাও। তুমি দশ দিনে একদিন সিয়াম পালন কর, তাহলে বাকি নয়টি দিনেরও সাওয়াব পাবে। তিনি বললেন, হে আল্লাহর নবী! আমি নিজের মধ্যে এর চেয়েও অধিক সিয়াম পালন করার শক্তি রাখি। তিনি বললেন, তাহলে তুমি দাউদ (আঃ)-এর মত সিয়াম পালন কর। তিনি (আবদুল্লাহ) বললেন, হে আল্লাহর নবী দাউদ (আঃ) কিভাবে সিয়াম পালন করতেন? তিনি (নবী) বললেন, দাউদ (আঃ) একদিন সিয়াম পালন করতেন এবং একদিন বিরতি দিতেন। এ জন্যেই (দুর্বল হতেন না এবং) দুশমনের সম্মুখীন হলে (ময়দান ছেড়ে) পালাতেন না। আবদুল্লাহ (রাযিঃ) বললেন, হে আল্লাহর নবী! এ ব্যাপারে কে আমার দায়িত্ব নিবে? আতা বলেন, আমি জানি না, অনবরত সিয়াম পালন করার বিষয়টি কিভাবে আলোচনায় আসল। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, যে ব্যক্তি অনবরত সিয়াম পালন করল সে যেন কোন সিয়ামই পালন করেনি। যে ব্যক্তি সব সময় সিয়াম পালন করল সে যেন সিয়ামই পালন করেনি, যে ব্যক্তি সদাসর্বদা সিয়াম পালন করল সে যেন সিয়ামই পালন করেনি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৬০১, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثني محمد بن رافع، حدثنا عبد الرزاق، اخبرنا ابن جريج، قال سمعت عطاء، يزعم ان ابا العباس، اخبره انه، سمع عبد الله بن عمرو بن العاص، - رضى الله عنهما - يقول بلغ النبي صلى الله عليه وسلم اني اصوم اسرد واصلي الليل فاما ارسل الى واما لقيته فقال " الم اخبر انك تصوم ولا تفطر وتصلي الليل فلا تفعل فان لعينك حظا ولنفسك حظا ولاهلك حظا . فصم وافطر وصل ونم وصم من كل عشرة ايام يوما ولك اجر تسعة " . قال اني اجدني اقوى من ذلك يا نبي الله . قال " فصم صيام داود عليه السلام " . قال وكيف كان داود يصوم يا نبي الله قال " كان يصوم يوما ويفطر يوما ولا يفر اذا لاقى " . قال من لي بهذه يا نبي الله قال عطاء فلا ادري كيف ذكر صيام الابد . فقال النبي صلى الله عليه وسلم " لا صام من صام الابد لا صام من صام الابد لا صام من صام الابد
وحدثنا عبد الله بن محمد الرومي، حدثنا النضر بن محمد، حدثنا عكرمة، - وهو ابن عمار - حدثنا يحيى، قال انطلقت انا وعبد الله بن يزيد، حتى ناتي ابا سلمة فارسلنا اليه رسولا فخرج علينا واذا عند باب داره مسجد - قال - فكنا في المسجد حتى خرج الينا . فقال ان تشاءوا ان تدخلوا وان تشاءوا ان تقعدوا ها هنا . - قال - فقلنا لا بل نقعد ها هنا فحدثنا . قال حدثني عبد الله بن عمرو بن العاص - رضى الله عنهما - قال كنت اصوم الدهر واقرا القران كل ليلة - قال - فاما ذكرت للنبي صلى الله عليه وسلم واما ارسل الى فاتيته فقال لي " الم اخبر انك تصوم الدهر وتقرا القران كل ليلة " . قلت بلى يا نبي الله ولم ارد بذلك الا الخير . قال " فان بحسبك ان تصوم من كل شهر ثلاثة ايام " . قلت يا نبي الله اني اطيق افضل من ذلك . قال " فان لزوجك عليك حقا ولزورك عليك حقا ولجسدك عليك حقا - قال - فصم صوم داود نبي الله صلى الله عليه وسلم فانه كان اعبد الناس " . قال قلت يا نبي الله وما صوم داود قال " كان يصوم يوما ويفطر يوما " . قال " واقرا القران في كل شهر " . قال قلت يا نبي الله اني اطيق افضل من ذلك قال " فاقراه في كل عشرين " . قال قلت يا نبي الله اني اطيق افضل من ذلك قال " فاقراه في كل عشر " . قال قلت يا نبي الله اني اطيق افضل من ذلك . قال " فاقراه في كل سبع ولا تزد على ذلك . فان لزوجك عليك حقا ولزورك عليك حقا ولجسدك عليك حقا " . قال فشددت فشدد على . قال وقال لي النبي صلى الله عليه وسلم " انك لا تدري لعلك يطول بك عمر " . قال فصرت الى الذي قال لي النبي صلى الله عليه وسلم فلما كبرت وددت اني كنت قبلت رخصة نبي الله صلى الله عليه وسلم