Loading...

Loading...
বইসমূহ
২৩২ হাদিসসমূহ
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ..... মুহাম্মাদ ইবনু আবীদাহ্ (রহঃ) বলেন, আমি জিজ্ঞেস করলাম, আপনি কি সরাসরি মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর মুখে এ কথা শুনেছেন? তিনি বলেন, হ্যাঁ, কা’বার প্রভুর শপথ! হ্যাঁ কা'বার প্রভুর শপথ হ্যাঁ, কা’বার প্রভুর শপথ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৩৩৪, ইসলামীক সেন্টার, নাই)
حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا ابن ابي عدي، عن ابن عون، عن محمد، عن عبيدة، قال لا احدثكم الا ما سمعت منه، . فذكر عن علي، نحو حديث ايوب مرفوعا
আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... যায়দ ইবনু ওয়াহব আল জুহানী থেকে বর্ণিত। যে সৈন্যদল আলী (রাযিঃ) এর সাথে খারিজীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়েছিল- তিনি তাদের সাথে উপস্থিত ছিলেন। আলী (রাযিঃ) বললেন, হে লোক সকল! আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছিঃ “আমার উম্মাতের মধ্যে এমন এক সম্প্রদায়ের আবির্ভাব ঘটবে যারা কুরআন পাঠ করবে। তোমাদের পাঠ তাদের পাঠের তুলনায় নিম্নমানের হবে। অনুরূপভবে তাদের সালাত ও সিয়ামের তুলনায় তোমাদের সালাত-সিয়াম (রোজা/রোযা) সামান্য বলে মনে হবে। কুরআন পাঠ করে তারা ধারণা করবে এতে তাদের খুব লাভ হচ্ছে। অথচ এটা তাদের জন্য ক্ষতির কারণই হবে। তাদের সালাত (সালাত/নামাজ/নামায) তাদের কণ্ঠনালী অতিক্রম করবে না। তারা ইসলাম থেকে এমনভাবে বেরিয়ে যাবে যেমনটি তীর বেরিয়ে যায় শিকার থেকে। আর যে সৈন্যদল তাদের বিরুদ্ধে অভিযান চালাবে তারা যদি তাদের নীরব মাধ্যমে কৃত ওয়াদা সম্পর্কে জানতে পারত তাহলে তারা এক কাজের (পুরস্কারের) উপরই ভরসা করে বসে থাকত। সে দলের চিহ্ন হলো- তাদের মধ্যে এমন এক লোক থাকবে যার বাহুর অগ্রভাবে স্ত্রী লোকের স্তনের বোটার ন্যায় একটি মাংসপেশী থাকবে। এর উপর সাদা পশম থাকবে। আলী (রাযিঃ) বলেন, অতএব তোমরা মু'আবিয়াহ ও সিরিয়ার অধিবাসীদের বিরুদ্ধে অভিযানে যাচ্ছো। অপরদিকে তোমরা নিজেদের সন্তান-সন্ততি ও ধন-সম্পদের পিছনে এদেরকে (খারিজী) রেখে যাচ্ছ। আল্লাহর শপথ! আমার বিশ্বাস এরাই হচ্ছে সেই সম্প্রদায় (যাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র ধারণ করার ব্যাপারে তোমাদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে)। কেননা এরা অবৈধভাবে রক্তপাত ঘটিয়েছে এবং মানুষের গবাদি পশু লুট করেছে। সুতরাং আল্লাহর নাম নিয়ে যাত্রা শুরু কর। সালামাহ্ ইবনু কুহায়ল বলেন, অতঃপর যায়দ ইবনু ওয়াহব (রাযিঃ) প্রতিটি মঞ্জিলের বর্ণনাই আমাকে দিয়েছেন। এমনকি তিনি বলেছেন, “আমরা একটি পুলের উপর দিয়ে অতিক্রম করে খারিজীদের মুখোমুখী হলাম। এ দিন আবদুল্লাহ ইবনু ওয়াহব আর রাসিবী খারিজীদের সেনাপতি ছিলেন। সে তাদেরকে বলল, তোমরা বল্লম ফেলে দিয়ে খাপ থেকে তরবারি বের কর। কেননা আমার আশঙ্কা হচ্ছে, তার হারূরার দিনের ন্যায় আজও তোমাদের উপর চরম আঘাত হানবে। সুতরাং তারা ফিরে গিয়ে বল্লম ফেলে দিয়ে তরবারি খাপ থেকে বের করে নিল। লোকজন বল্লম নিয়ে তাদের বিরুদ্ধে অবতীর্ণ হল। তারা একের পর এক নিহত হতে থাকল। সেদিন আলী (রাযিঃ) এর দল থেকে মাত্র দু'জন লোক নিহত হলো। অতঃপর ‘আলী (রাযিঃ) বললেন, তোমরা এদের মধ্যে থেকে সে বিকলাঙ্গ ব্যক্তিকে খুঁজে বের কর। অতঃপর তারা তাকে খুঁজে পেল না। তখন আলী (রাযিঃ) নিজেই দাঁড়ালেন এবং নিহতদের কাছে গিয়ে লাশগুলো সরাবার নির্দেশ দিলেন। তিনি তাকে জমিনের উপর পড়ে থাকা অবস্থায় দেখতে পেয়ে- “আল্লাহু আকবার" বলে উঠলেন। অতঃপর তিনি পুনরায় বললেন, “আল্লাহ তা'আলা সত্য কথাই বলেছেন এবং তাঁর রসূল সঠিক সংবাদই পৌছিয়েছেন।” রাবী বলেন, এরপর আবীদাহ আস্ সালমানী তার কাছে দাঁড়িয়ে বললেন, হে আমীরুল মুমিনীন সে মহান আল্লাহর শপথ যিনি ছাড়া অন্য কোন মা'বূদ নেই। আমিও এ হাদীসটি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে শুনেছি। এভাবে তিনি (‘আলী) তিনবার শপথ করে আবদাহ্ আস্ সালমানীকে একই কথার পুনরাবৃত্তি করলেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৩৩৫, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا عبد بن حميد، حدثنا عبد الرزاق بن همام، حدثنا عبد الملك بن ابي سليمان، حدثنا سلمة بن كهيل، حدثني زيد بن وهب الجهني، انه كان في الجيش الذين كانوا مع علي - رضى الله عنه - الذين ساروا الى الخوارج فقال علي رضى الله عنه ايها الناس اني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " يخرج قوم من امتي يقرءون القران ليس قراءتكم الى قراءتهم بشىء ولا صلاتكم الى صلاتهم بشىء ولا صيامكم الى صيامهم بشىء يقرءون القران يحسبون انه لهم وهو عليهم لا تجاوز صلاتهم تراقيهم يمرقون من الاسلام كما يمرق السهم من الرمية " . لو يعلم الجيش الذين يصيبونهم ما قضي لهم على لسان نبيهم صلى الله عليه وسلم لاتكلوا عن العمل واية ذلك ان فيهم رجلا له عضد وليس له ذراع على راس عضده مثل حلمة الثدى عليه شعرات بيض فتذهبون الى معاوية واهل الشام وتتركون هولاء يخلفونكم في ذراريكم واموالكم والله اني لارجو ان يكونوا هولاء القوم فانهم قد سفكوا الدم الحرام واغاروا في سرح الناس فسيروا على اسم الله . قال سلمة بن كهيل فنزلني زيد بن وهب منزلا حتى قال مررنا على قنطرة فلما التقينا وعلى الخوارج يوميذ عبد الله بن وهب الراسبي فقال لهم القوا الرماح وسلوا سيوفكم من جفونها فاني اخاف ان يناشدوكم كما ناشدوكم يوم حروراء . فرجعوا فوحشوا برماحهم وسلوا السيوف وشجرهم الناس برماحهم - قال - وقتل بعضهم على بعض وما اصيب من الناس يوميذ الا رجلان فقال علي رضى الله عنه التمسوا فيهم المخدج . فالتمسوه فلم يجدوه فقام علي - رضى الله عنه - بنفسه حتى اتى ناسا قد قتل بعضهم على بعض قال اخروهم . فوجدوه مما يلي الارض فكبر ثم قال صدق الله وبلغ رسوله - قال - فقام اليه عبيدة السلماني فقال يا امير المومنين الله الذي لا اله الا هو لسمعت هذا الحديث من رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال اي والله الذي لا اله الا هو . حتى استحلفه ثلاثا وهو يحلف له
আবূ তহির ও ইউনুস ইবনু আবদুল আ'লা (রহঃ) ..... রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর মুক্ত গোলাম উবায়দুল্লাহ ইবনু আবূ রাফি (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। যখন হারূরিয়াহ্ বের হলো এবং যখন সে আলী (রাযিঃ) এর সাথে ছিল তখন বলল, "আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো হুকুম দেয়ার অধিকার নেই।" আলী (রাযিঃ) বলেন, “এ কথাটি সত্য কিন্তু এর পিছনে তাদের হীন উদ্দেশ্য নিহিত রয়েছে।" রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক ব্যক্তি সম্পর্কে বর্ণনা দিয়েছিলেন, আমি তাদের মধ্যে সে চিহ্নগুলো ভালভাবেই লক্ষ্য করছি। তারা মুখে সত্য কথা বলে কিন্তু তা তাদের এটা থেকে অতিক্রম করে না। এ বলে তিনি (উবায়দুল্লাহ) তার কণ্ঠনালীর দিকে ইঙ্গিত করলেন। (অর্থাৎ সত্য কথা গলার নীচে যায় না)। আল্লাহর সৃষ্টিজগতে এরা তার চরম শত্রু। তাদের মধ্যে কালো বর্ণের এক ব্যক্তি রয়েছে যার একটি হাত বকরীর স্তন বা স্তনের বোটার ন্যায়। অতঃপর ‘আলী (রাযিঃ) তাদেরকে হত্যা করার পর বললেন, তোমরা তাকে খুঁজে বের কর। কিন্তু তারা তাকে খুঁজে পেল না। তিনি পুনরায় বললেন, তোমরা গিয়ে আবার খোঁজ কর। আল্লাহর শপথ আমি মিথ্যা বলিনি এবং আমার কাছেও মিথ্যা বলা হয়নি। (অর্থাৎ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার কাছে মিথ্যা বলেননি এবং আমিও তোমাদের কাছে মিথ্যা বলছি না)। এ কথাটি তিনি দু' অথবা তিনবার বললেন। তারা তাকে ধ্বংস-স্তুপের মধ্যে পেয়ে গেল এবং নিয়ে এসে তার সামনে রাখল। উবায়দুল্লাহ (রাযিঃ) বলেন, তাদের এ তৎপরতার সময় এবং ‘আলী (রাযিঃ) খারিজীদের সম্বন্ধে এ উক্তিটি করার সময় আমি সেখানে উপস্থিত ছিলাম। ইউনুসের বর্ণনায় আরো আছে, বুকায়র বলেনঃ ‘আমার কাছে এক ব্যক্তি ইবনু হুনায়নের সূত্রে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন, “সে কালো লোকটিকে আমি দেখেছি।" (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৩৩৬, ইসলামীক সেন্টার)
حدثني ابو الطاهر، ويونس بن عبد الاعلى، قالا اخبرنا عبد الله بن وهب، اخبرني عمرو بن الحارث، عن بكير بن الاشج، عن بسر بن سعيد، عن عبيد الله بن ابي رافع، مولى رسول الله صلى الله عليه وسلم ان الحرورية لما خرجت وهو مع علي بن ابي طالب - رضى الله عنه - قالوا لا حكم الا لله . قال علي كلمة حق اريد بها باطل ان رسول الله صلى الله عليه وسلم وصف ناسا اني لاعرف صفتهم في هولاء " يقولون الحق بالسنتهم لا يجوز هذا منهم - واشار الى حلقه - من ابغض خلق الله اليه منهم اسود احدى يديه طبى شاة او حلمة ثدى " . فلما قتلهم علي بن ابي طالب - رضى الله عنه - قال انظروا . فنظروا فلم يجدوا شييا فقال ارجعوا فوالله ما كذبت ولا كذبت . مرتين او ثلاثا ثم وجدوه في خربة فاتوا به حتى وضعوه بين يديه . قال عبيد الله وانا حاضر ذلك من امرهم . وقول علي فيهم زاد يونس في روايته قال بكير وحدثني رجل عن ابن حنين انه قال رايت ذلك الاسود
শায়বান ইবনু ফাররুখ (রহঃ) ..... আবূ যার (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমার পরে আমার উম্মাতের মধ্যে বা অচিরেই আমার উম্মাতের মধ্যে এমন এক সম্প্রদায়ের আবির্ভাব হবে- তারা কুরআন পাঠ করবে কিন্তু তা তাদের কণ্ঠনালী অতিক্রম করবে না, তীর যেভাবে শিকার ভেদ করে চলে যায় তারাও তেমনিভাবে দীন থেকে বেরিয়ে যাবে, আর ফিরে আসবে না। সৃষ্টিকুলের মধ্যে তারা নিকৃষ্ট ও অধম। ইবনু সামিত (রাযিঃ) বলেন, আমি হাকাম আল গিফারীর ভাই রাফি ইবনু আমর আল গিফারীর সাথে সাক্ষাৎ করে বললাম, আমি আবূ যার (রাযিঃ) থেকে এ ধরনের যে হাদীস শুনেছি এ ব্যাপারে আপনার অভিমত কী? তার সামনে এ হাদীসটিও উল্লেখ করলাম। তিনি বললেন, আমিও এ হাদীসটি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে শুনেছি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৩৩৭, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا شيبان بن فروخ، حدثنا سليمان بن المغيرة، حدثنا حميد بن هلال، عن عبد الله بن الصامت، عن ابي ذر، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ان بعدي من امتي - او سيكون بعدي من امتي - قوم يقرءون القران لا يجاوز حلاقيمهم يخرجون من الدين كما يخرج السهم من الرمية ثم لا يعودون فيه هم شر الخلق والخليقة " . فقال ابن الصامت فلقيت رافع بن عمرو الغفاري اخا الحكم الغفاري قلت ما حديث سمعته من ابي ذر كذا وكذا فذكرت له هذا الحديث فقال وانا سمعته من رسول الله صلى الله عليه وسلم
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ্ (রহঃ) ..... ইউসায়র ইবনু আমর (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি সাহল ইবনু হুনায়ফ (রাযিঃ) কে জিজ্ঞেস করলাম যে, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে খারিজীদের সম্পর্কে আলোচনা করতে গিয়ে হাত দিয়ে পূর্ব দিকে ইঙ্গিত করে বলতে শুনেছিঃ এরা এমন এক সম্প্রদায়, তারা কুরআন পড়ে কিন্তু তা তাদের কণ্ঠনালী অতিক্রম করে না। তারা দীন থেকে এমনভাবে বেরিয়ে যাবে যেমন তীর শিকার থেকে বেরিয়ে যায়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৩৩৮, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا علي بن مسهر، عن الشيباني، عن يسير بن، عمرو قال سالت سهل بن حنيف هل سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يذكر الخوارج فقال سمعته - واشار بيده نحو المشرق " قوم يقرءون القران بالسنتهم لا يعدو تراقيهم يمرقون من الدين كما يمرق السهم من الرمية
আবূ কামিল (রহঃ) ..... সুলায়মান আশ শায়বানী (রহঃ) এর সূত্রে এ সানাদে হাদীস বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, এ উম্মাতের থেকে কতিপয় সম্প্রদায় আবির্ভূত হবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৩৩৯, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثناه ابو كامل، حدثنا عبد الواحد، حدثنا سليمان الشيباني، بهذا الاسناد وقال يخرج منه اقوام
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ ও ইসহাক (রহঃ) ..... সাহল ইবনু হুনায়ফ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “মাথা নেড়া এক সম্প্রদায় (খারিজী) পূর্ব দিক থেকে বেরুবে।" (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৩৪০, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، واسحاق، جميعا عن يزيد، - قال ابو بكر حدثنا يزيد بن هارون، - عن العوام بن حوشب، حدثنا ابو اسحاق الشيباني، عن اسير بن عمرو، عن سهل بن حنيف، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " يتيه قوم قبل المشرق محلقة رءوسهم
উবায়দুল্লাহ ইবনু মুআয আল আম্বারী (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, হাসান ইবনু ‘আলী (রাযিঃ) যাকাতের খেজুর থেকে একটি খেজুর তুলে মুখে দিলে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তুমি থুথু করে ফেলে দাও। তুমি কি জান না আমরা সদাকাহ বা যাকাত খাই না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৩৪১, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا عبيد الله بن معاذ العنبري، حدثنا ابي، حدثنا شعبة، عن محمد، - وهو ابن زياد - سمع ابا هريرة، يقول اخذ الحسن بن علي تمرة من تمر الصدقة فجعلها في فيه فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " كخ كخ ارم بها اما علمت انا لا ناكل الصدقة
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... শুবাহ (রহঃ) থেকে এ সানাদে উপরের হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। তবে এতে আছে, “আমাদের জন্য সদাকাহ-যাকাতের মাল হালাল নয়।” (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৩৪২, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا يحيى بن يحيى، وابو بكر بن ابي شيبة وزهير بن حرب جميعا عن وكيع، عن شعبة، بهذا الاسناد وقال " انا لا، تحل لنا الصدقة
মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার ও ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ..... শুবাহ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। এ সূত্রেও ইবনু মুআয বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছেঃ “আমরা যাকাত-সদাকাহ ইত্যাদি খাই না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৩৪৩, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا محمد بن جعفر، ح وحدثنا ابن المثنى، حدثنا ابن، ابي عدي كلاهما عن شعبة، في هذا الاسناد كما قال ابن معاذ " انا لا، ناكل الصدقة
হারূন ইবনু সাঈদ আল আয়লী (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ আমি ঘরে ফিরে গিয়ে (কোন কোন সময়) আমার বিছানার উপর খেজুর পড়ে থাকতে দেখি। আমি তা খাওয়ার জন্য তুলে নেই। কিন্তু পরক্ষণেই সদাকার খেজুর হতে পারে এ আশঙ্কায় তা ফেলে দেই (এবং খাওয়া থেকে বিরত থাকি)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৩৪৪, ইসলামীক সেন্টার)
حدثني هارون بن سعيد الايلي، حدثنا ابن وهب، اخبرني عمرو، ان ابا يونس، مولى ابي هريرة حدثه عن ابي هريرة، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم انه قال " اني لانقلب الى اهلي فاجد التمرة ساقطة على فراشي ثم ارفعها لاكلها ثم اخشى ان تكون صدقة فالقيها
মুহাম্মাদ ইবনু রাফি (রহঃ) ..... হাম্মাম ইবনু মুনব্বিহ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) আল্লাহর রসূল মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কিছু সংখ্যক হাদীস বর্ণনা করেন। তার মধ্যে একটি হাদীস নিম্নরূপঃ রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ “আল্লাহর শপথ আমি ঘরে ফিরে আমার বিছানায় অথবা (তিনি বলেছেন) আমার ঘরের মধ্যে খেজুর পড়ে থাকতে দেখতে পাই। আমি তা খাওয়ার জন্য হাতে তুলে নেই। পরক্ষণেই আমার সন্দেহ হয়, এটা সদাকার খেজুর হতে পারে। তাই আমি তা ফেলে দেই। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৩৪৫, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا محمد بن رافع، حدثنا عبد الرزاق بن همام، حدثنا معمر، عن همام بن، منبه قال هذا ما حدثنا ابو هريرة، عن محمد، رسول الله صلى الله عليه وسلم فذكر احاديث منها وقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " والله اني لانقلب الى اهلي فاجد التمرة ساقطة على فراشي - او في بيتي - فارفعها لاكلها ثم اخشى ان تكون صدقة - او من الصدقة - فالقيها
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাস্তায় একটি খেজুর পেয়ে বললেন, যদি এটা সদাকার খেজুর হওয়ার সম্ভাবনা না থাকত তাহলে আমি এটা খেয়ে নিতাম। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৩৪৬, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا يحيى بن يحيى، اخبرنا وكيع، عن سفيان، عن منصور، عن طلحة بن مصرف، عن انس بن مالك، ان النبي صلى الله عليه وسلم وجد تمرة فقال " لولا ان تكون من الصدقة لاكلتها
আবূ কুরায়ব (রহঃ) ..... আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাস্তায় একটি খেজুর দেখতে পেলেন। তিনি বলেন, এটি যদি সদাকার খেজুর হওয়ার সম্ভাবনা না থাকত তাহলে আমি এটা তুলে খেয়ে নিতাম (নষ্ট হতে দিতাম না)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৩৪৭, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا ابو كريب، حدثنا ابو اسامة، عن زايدة، عن منصور، عن طلحة بن مصرف، حدثنا انس بن مالك، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم مر بتمرة بالطريق فقال " لولا ان تكون من الصدقة لاكلتها
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না ও ইবনুল বাশশার (রহঃ) ..... আনাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি খেজুর দেখতে পেয়ে বললেন, এটা যদি সদাকার খেজুর হওয়ার সম্ভাবনা না থাকত তাহলে আমি এটা তুলে খেয়ে নিতাম (এভাবে নষ্ট হতে দিতাম না)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৩৪৮, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار قالا حدثنا معاذ بن هشام، حدثني ابي، عن قتادة، عن انس، ان النبي صلى الله عليه وسلم وجد تمرة فقال " لولا ان تكون صدقة لاكلتها
‘আবদুল্লাহ ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু আসমা আয যুবাঈ (রহঃ) ..... আবদুল মুত্ত্বালিব ইবনু রবী'আহ ইবনু হারিস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা রবী'আহ ইবনু হারিস ও আব্বাস ইবনু 'আবদুল মুত্ত্বালিব (রাযিঃ) সম্মিলিতভাবে বললেন, আল্লাহর শপথ! আমরা এ ছেলে দু'টিকে অর্থাৎ আমি ও ফাযল ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) কে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে যদি পাঠিয়ে দিতাম এবং তারা উভয়ে তার কাছে গিয়ে তাদেরকে যাকাত আদায়কারী হিসেবে নিয়োগের জন্য আবেদন করত। অতঃপর তারা অন্যান্য আদায়কারীদের ন্যায় যাকাত আদায় করে এনে দিতে এবং অন্যান্যরা যেভাবে পারিশ্রমিক পায় তারাও সেভাবে পারিশ্রমিক পেত। রাবী বলেন, তারা এ ব্যাপার নিয়ে আলাপ করছিলেন, এমন সময় আলী ইবনু আবূ তলিব (রাযিঃ) এসে তাদের মাঝে দাঁড়ালেন। তারা এ প্রস্তাবটি তার কাছে উত্থাপন করলেন। আলী (রাযিঃ) বললেন, তোমরা এ কাজ করো না। আল্লাহর শপথ তিনি এটা করবেন না (কারণ আমাদের জন্য যাকাত হারাম)। তখন রবী'আহ ইবনু হারিস (রাযিঃ) তার প্রতি অসন্তুষ্ট হয়ে বললেন, আল্লাহর শপথ “তুমি শুধু বিদ্বেষের বশীভূত হয়েই আমাদের সাথে এরূপ করছো। অথচ তুমি যে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর জামাতা হওয়ার সৌভাগ্য লাভ করেছো এজন্যে তো তোমার প্রতি আমরা কোন প্রকার বিদ্বেষ পোষণ করছি না। তখন আলী (রাযিঃ) বললেন, এদের দু’জনকে পাঠিয়ে দাও। অতঃপর তারা উভয়ে চলে গেল এবং ‘আলী (রাযিঃ) বিছানায় শুয়ে থাকলেন। আবদুল মুত্ত্বলিব ইবনু রাবী'আহ বলেন,রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যুহরের সালাত আদায় করলেন। আমরা তাড়াতাড়ি করে তাঁর প্রত্যাবর্তন করার পূর্বেই তাঁর কামরার কাছে গিয়ে তার অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে থাকলাম। তিনি এসে আমাদের দু'জনের কান ধরে (স্নেহসিক্ত কণ্ঠে) বললেন, “কোন মতলবে এসেছে, আসল কথাটা সাহস করে বলে ফেলো।” তারপর তিনি ও আমরা হুজরার মধ্যে প্রবেশ করলাম। এ সময় তিনি যায়নাব বিনতু জাহশ (রাযিঃ) এর ঘরে অবস্থান করছিলেন। রাবী বলেন, এবার আমরা পরস্পরকে কথাটি তোলার জন্য বলছিলাম। অবশেষে আমাদের একজনে বললাম, হে আল্লাহর রসূল! "আপনি সর্বশ্রেষ্ঠ অনুগ্রহকারী এবং আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষাকারী। আমাদের এখন বিয়ের বয়স হয়েছে, অথচ আমরা বেকার। তাই আপনার শরণাপন্ন হয়েছি, অন্যান্য যাকাত আদায়কারীদের মত আপনি আমাদেরকেও যাকাত আদায়কারী হিসেবে নিয়োগ করুন; অন্যান্যরা যেভাবে যাকাত আদায় করে এনে দেয় আমরা তাই করব এবং তাতে আমরাও কিছু পারিশ্রমিক পাব।” এ কথার পর তিনি দীর্ঘ সময় ধরে চুপ করে থাকলেন। এমনকি আমরা পুনর্বার আমাদের কথা বলার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম। পর্দার আড়াল থেকে যায়নাব (রাযিঃ) কথা না বলার জন্য আমাদেরকে ইঙ্গিত করলেন। অতঃপর তিনি বললেন, মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর পরিবার-পরিজন তথা বংশধরদের জন্য 'যাকাত' গ্রহণ করা সমীচীন নয়। কেননা যাকাত হলো মানুষের (সম্পদের) ময়লা। বরং তোমরা গিয়ে খুমুসের কোষাধ্যক্ষ মাহমিয়্যাহ এবং নাওফাল ইবনু হারিস ইবনু আবদুল মুত্ত্বালিবকে আমার কাছে ডেকে আনো। রাবী বলেন, তারা দু'জনে উপস্থিত হলে প্রথমে তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মাহমিয়াকে বললেনঃ "তুমি তোমার কন্যাকে এ ছেলে অর্থাৎ ফাযল ইবনু আব্বাসের সাথে বিয়ে দাও। তিনি তাই করলেন। অতঃপর তিনি নাওফাল ইবনু হারিসকে বললেনঃ তুমি এ ছেলের (অর্থাৎ আমার) সাথে তোমার কন্যার বিয়ে দাও। তিনি আমাকে বিয়ে করিয়ে দিলেন। অতঃপর তিনি মাহমিয়্যাকে বললেন, এ দু'জনের পক্ষ থেকে এত এত পরিমাণ মহরানা খুমুসের তহবিল থেকে আদায় করে দাও। যুহরী বলেন, আমার শায়খ আবদুল্লাহ ইবনু আবদুল্লাহ আমার কাছে মহরের নির্দিষ্ট কোন পরিমাণ উল্লেখ করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৩৪৯, ইসলামীক সেন্টার)
হারূন ইবনু মা’রূফ (রহঃ) ..... আবদুল মুত্ত্বালিব ইবনু রবীআহ্ ইবনু হারিস ইবনু 'আবদুল মুত্ত্বলিব (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, ‘আবদুল মুত্ত্বলিব ইবনু রাবী'আহ ইবনু হারিস ও আব্বাস ইবনু আবদুল মুত্ত্বলিব উভয়ে নিজ নিজ পুত্র আবদুল মুত্ত্বলিব ইবনু রবীআহ ও ফাযল ইবনু আব্বাসকে বললেন, তোমরা দু'জন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে যাও। হাদীসের বাকী অংশ মালিক কর্তৃক বর্ণিত উপরের হাদীসের অনুরূপ। এ বর্ণনায় উল্লেখ করা হয়েছে- তারপর ‘আলী (রাযিঃ) নিজের চাঁদর বিছিয়ে শুয়ে পড়লেন এবং বললেন, “আমি হাসানের পিতা এবং সাইয়্যিদ। আল্লাহর শপথ! তোমরা যে কথা বলে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে তোমার ছেলেদের পাঠিয়েছো তারা তার জবাব নিয়ে না আসা পর্যন্ত আমি এখান থেকে নড়ব না। এ হাদীসে আরো আছে, তিনি আমাদের উদ্দেশে বললেনঃ “যাকাতের এ অর্থ হলো মানুষের (সম্পদের) আবর্জনা। তাই এ অর্থ রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও তার বংশধরদের জন্য হালাল নয়।" অতঃপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ মাহমিয়্যাহ ইবনু জায-কে আমার কাছে ডেকে আনো। তিনি বানী আসাদ গোত্রের লোক ছিলেন। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে খুমুসের (গনীমাতের মালের) কোষাধ্যক্ষ নিয়োগ করেছিলেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৩৫০, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا هارون بن معروف، حدثنا ابن وهب، اخبرني يونس بن يزيد، عن ابن، شهاب عن عبد الله بن الحارث بن نوفل الهاشمي، ان عبد المطلب بن ربيعة بن الحارث، بن عبد المطلب اخبره ان اباه ربيعة بن الحارث بن عبد المطلب والعباس بن عبد المطلب قالا لعبد المطلب بن ربيعة وللفضل بن عباس ايتيا رسول الله صلى الله عليه وسلم وساق الحديث بنحو حديث مالك وقال فيه فالقى علي رداءه ثم اضطجع عليه وقال انا ابو حسن القرم والله لا اريم مكاني حتى يرجع اليكما ابناكما بحور ما بعثتما به الى رسول الله صلى الله عليه وسلم . وقال في الحديث ثم قال لنا " ان هذه الصدقات انما هي اوساخ الناس وانها لا تحل لمحمد ولا لال محمد " . وقال ايضا ثم قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ادعوا لي محمية بن جزء " . وهو رجل من بني اسد كان رسول الله صلى الله عليه وسلم استعمله على الاخماس
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، ح وحدثنا محمد بن رمح، اخبرنا الليث، عن ابن شهاب، ان عبيد بن السباق، قال ان جويرية زوج النبي صلى الله عليه وسلم اخبرته ان رسول الله صلى الله عليه وسلم دخل عليها فقال " هل من طعام " . قالت لا والله يا رسول الله ما عندنا طعام الا عظم من شاة اعطيته مولاتي من الصدقة . فقال " قربيه فقد بلغت محلها
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ, আমর আন নাকিদ ও ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ..... যুহরী (রহঃ) থেকে বর্ণিত। এ সূত্রেও উপরের হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৩৫২, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، وعمرو الناقد، واسحاق بن ابراهيم، جميعا عن ابن عيينة، عن الزهري، بهذا الاسناد نحوه
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ, আবূ কুরায়ব, মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না, ইবনু বাশশার ও উবায়দুল্লাহ ইবনু মুআয (রহঃ) ... আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, বারীরাহ (রাযিঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে কিছু গোশত উপহার দিলেন। এটা তাকে সদাকাহ হিসেবে দেয়া হয়েছিল। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ এ গোশত তার (বারীরার) জন্য সদাকাহ কিন্তু আমাদের জন্য হাদিয়্যাহ্ বা উপটৌকন হিসেবে গণ্য। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৩৫৩, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، وابو كريب قالا حدثنا وكيع، ح وحدثنا محمد بن، المثنى وابن بشار قال حدثنا محمد بن جعفر، كلاهما عن شعبة، عن قتادة، عن انس، ح وحدثنا عبيد الله بن معاذ، - واللفظ له - حدثنا ابي، حدثنا شعبة، عن قتادة، سمع انس بن مالك، قال اهدت بريرة الى النبي صلى الله عليه وسلم لحما تصدق به عليها فقال " هو لها صدقة ولنا هدية
حدثني عبد الله بن محمد بن اسماء الضبعي، حدثنا جويرية، عن مالك، عن الزهري، ان عبد الله بن عبد الله بن نوفل بن الحارث بن عبد المطلب، حدثه ان عبد المطلب بن ربيعة بن الحارث حدثه قال اجتمع ربيعة بن الحارث والعباس بن عبد المطلب فقالا والله لو بعثنا هذين الغلامين - قالا لي وللفضل بن عباس - الى رسول الله صلى الله عليه وسلم فكلماه فامرهما على هذه الصدقات فاديا ما يودي الناس واصابا مما يصيب الناس - قال - فبينما هما في ذلك جاء علي بن ابي طالب فوقف عليهما فذكرا له ذلك فقال علي بن ابي طالب لا تفعلا فوالله ما هو بفاعل . فانتحاه ربيعة بن الحارث فقال والله ما تصنع هذا الا نفاسة منك علينا فوالله لقد نلت صهر رسول الله صلى الله عليه وسلم فما نفسناه عليك . قال علي ارسلوهما . فانطلقا واضطجع علي - قال - فلما صلى رسول الله صلى الله عليه وسلم الظهر سبقناه الى الحجرة فقمنا عندها حتى جاء فاخذ باذاننا . ثم قال " اخرجا ما تصرران " ثم دخل ودخلنا عليه وهو يوميذ عند زينب بنت جحش - قال - فتواكلنا الكلام ثم تكلم احدنا فقال يا رسول الله انت ابر الناس واوصل الناس وقد بلغنا النكاح فجينا لتومرنا على بعض هذه الصدقات فنودي اليك كما يودي الناس ونصيب كما يصيبون - قال - فسكت طويلا حتى اردنا ان نكلمه - قال - وجعلت زينب تلمع علينا من وراء الحجاب ان لا تكلماه - قال - ثم قال " ان الصدقة لا تنبغي لال محمد . انما هي اوساخ الناس ادعوا لي محمية - وكان على الخمس - ونوفل بن الحارث بن عبد المطلب " . قال فجاءاه فقال لمحمية " انكح هذا الغلام ابنتك " . للفضل بن عباس فانكحه وقال لنوفل بن الحارث " انكح هذا الغلام ابنتك " . لي فانكحني وقال لمحمية " اصدق عنهما من الخمس كذا وكذا " . قال الزهري ولم يسمه لي