Loading...

Loading...
বইসমূহ
২৩২ হাদিসসমূহ
সুরায়জ ইবনু ইউনুস (রহঃ) ..... 'আবদুল্লাহ ইবনু যায়দ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। হুনায়নের যুদ্ধে জয়লাভ করার পর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম গনীমাতের মাল মুয়াল্লাফাতুল কুলুব-দের মধ্যে বন্টন করলেন। অতঃপর তিনি জানতে পারলেন যে, অন্যান্য লোকেরা যেভাবে গনীমাতের মাল পেয়েছে আনসারগণও অনুরূপ পেতে চায়। তাই রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাঁড়িয়ে তাদের উদ্দেশে খুতবাহ দান করলেন। খুতবার শুরুতে আল্লাহর প্রশংসা ও গুণগান করার পর বললেনঃ "হে আনসার সম্প্রদায়! আমি কি তোমাদের পথভ্রষ্ট, দারিদ্র্য ও পরস্পর বিচ্ছিন্ন পাইনি?" তারপর আমার মাধ্যমে আল্লাহ তা'আলা তোমাদের সঠিক পথের সন্ধান দিয়েছেন, দারিদ্র্যের অভিশাপ হতে মুক্ত করে ধনী করেছেন। আর তারা বলতেন, আল্লাহ ও তার রসূল অত্যন্ত আমানতদার। অতঃপর তিনি বললেন, তোমরা আমার কথার জবাব দিচ্ছ না কেন? তখন তারা বললেন, অত্যন্ত আমানতদার। (অর্থাৎ তিনি যা করেছেন ঠিক করেছেন এবং এতে আমরা রাযী আছি)। অতঃপর তিনি বললেন, যদি তোমরা এভাবে এভাবে বলতে চাও আর বাস্তবে কাজ এরূপ ও এরূপ হয়। 'আমর (রাযিঃ) বলেন, এই বলে তিনি কতগুলো জিনিসের কথা উল্লেখ করলেন যা আমি মনে রাখতে পারিনি। অতঃপর তিনি বললেন, তোমরা কি এতে সন্তুষ্ট নও যে, অন্যান্য লোকেরা ছাগল ও উট নিয়ে ঘরে ফিরে যাক আর তোমরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে নিয়ে ঘরে ফিরে যাও? তিনি আরো বললেনঃ আনসারগণ হচ্ছে আচ্ছাদন (শরীরের সাথে লেগে থাকা আবরণ) আর অন্য লোকেরা আমাদের থেকে দূরের। যদি হিজরাত না হতো তাহলে আমি আনসারদের মাঠ ও গিরিপথেই যাব। আমার পরে তোমাদেরকে (দেয়ার ব্যাপারে) পিছনে ফেলে রাখা হবে। তখন তোমরা আমার সাথে হাওজের কাছে সাক্ষাৎ করা পর্যন্ত ধৈর্য ধারণ করবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৩১৪, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا سريج بن يونس، حدثنا اسماعيل بن جعفر، عن عمرو بن يحيى بن عمارة، عن عباد بن تميم، عن عبد الله بن زيد، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم لما فتح حنينا قسم الغنايم فاعطى المولفة قلوبهم فبلغه ان الانصار يحبون ان يصيبوا ما اصاب الناس فقام رسول الله صلى الله عليه وسلم فخطبهم فحمد الله واثنى عليه ثم قال " يا معشر الانصار الم اجدكم ضلالا فهداكم الله بي وعالة فاغناكم الله بي ومتفرقين فجمعكم الله بي " . ويقولون الله ورسوله امن . فقال " الا تجيبوني " . فقالوا الله ورسوله امن . فقال " اما انكم لو شيتم ان تقولوا كذا وكذا وكان من الامر كذا وكذا " . لاشياء عددها . زعم عمرو ان لا يحفظها فقال " الا ترضون ان يذهب الناس بالشاء والابل وتذهبون برسول الله الى رحالكم الانصار شعار والناس دثار ولولا الهجرة لكنت امرا من الانصار ولو سلك الناس واديا وشعبا لسلكت وادي الانصار وشعبهم انكم ستلقون بعدي اثرة فاصبروا حتى تلقوني على الحوض
যুহায়র ইবনু হারব, উসমান ইবনু আবূ শায়বাহ ও ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ...... 'আবদুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, যখন হুনায়নের যুদ্ধ সংঘটিত হলো রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম গনীমতের মাল দেয়ার ব্যাপারে কতক লোককে প্রাধান্য দিলেন অর্থাৎ কতক লোককে বেশী দিলেন। সুতরাং তিনি আকরা ইবনু হাবিসকে একশ' উট দিলেন, উয়াইনাকেও অনুরূপ সংখ্যক উট দান করলেন এবং আরবের নেতৃস্থানীয় কিছু লোককেও অগ্রাধিকার দিলেন। এক ব্যক্তি বলল, আল্লাহর শপথ! এ বণ্টন ইনসাফ ভিত্তিক হয়নি এবং এর মাধ্যমে আল্লাহর সম্ভষ্টির দিকেও লক্ষ্য রাখা হয়নি। বর্ণনাকারী বলেন, আমি তখন মনে মনে বললাম, আল্লাহর শপথ আমি এ কথা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে পৌছাব। রাবী বলেন, আমি তার কাছে গিয়ে লোকটির উক্তি তাকে শুনালাম। ফলে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর মুখমণ্ডল রক্তিম বর্ণ ধারণ করল। তিনি বললেনঃ আল্লাহ এবং তাঁর রসূলই যদি সুবিচার না করেন তাহলে কে আর ইনসাফ করবে? তিনি পুনরায় বললেনঃ আল্লাহ তা'আলা মূসা (আঃ) কে রহমত করুন, তাকে এর চেয়েও বেশী কষ্ট দেয়া হয়েছে। কিন্তু তিনি ধৈর্য ধারণ করেছেন। বর্ণনাকারী বলেন, আমি মনে মনে সিদ্ধান্ত নিলাম আজ থেকে আর কখনো এ ধরনের কোন ব্যাপার তাকে জানাব না। (কেননা এতে তার কষ্ট হয়)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৩১৫, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا زهير بن حرب، وعثمان بن ابي شيبة، واسحاق بن ابراهيم، قال اسحاق اخبرنا وقال الاخران، حدثنا جرير، عن منصور، عن ابي وايل، عن عبد الله، قال لما كان يوم حنين اثر رسول الله صلى الله عليه وسلم ناسا في القسمة فاعطى الاقرع بن حابس ماية من الابل واعطى عيينة مثل ذلك واعطى اناسا من اشراف العرب واثرهم يوميذ في القسمة فقال رجل والله ان هذه لقسمة ما عدل فيها وما اريد فيها وجه الله . قال فقلت والله لاخبرن رسول الله صلى الله عليه وسلم - قال - فاتيته فاخبرته بما قال - قال - فتغير وجهه حتى كان كالصرف ثم قال " فمن يعدل ان لم يعدل الله ورسوله " . قال ثم قال " يرحم الله موسى قد اوذي باكثر من هذا فصبر " . قال قلت لا جرم لا ارفع اليه بعدها حديثا
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ্ (রহঃ) ..... 'আবদুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম গনীমাতের কিছু মাল বণ্টন করলেন। এক ব্যক্তি বলল, এ বণ্টনে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের দিকে লক্ষ্য রাখা হয়নি। বর্ণনাকারী বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে গিয়ে এ কথা তাকে চুপে চুপে অবহিত করলাম, এতে তিনি অত্যন্ত রাগাম্বিত হলেন। ফলে সিদ্ধান্ত নিলাম এ ধরনের কথা তাকে আর কখনো বলব না। রাবী বলেন, অতঃপর তিনি বললেনঃ মূসা (আঃ) কে এর চেয়েও বেশী কষ্ট দেয়া হয়েছে এবং তিনি ধৈর্য ধারণ করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৩১৬, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا حفص بن غياث، عن الاعمش، عن شقيق، عن عبد الله، قال قسم رسول الله صلى الله عليه وسلم قسما فقال رجل انها لقسمة ما اريد بها وجه الله - قال - فاتيت النبي صلى الله عليه وسلم فساررته فغضب من ذلك غضبا شديدا واحمر وجهه حتى تمنيت اني لم اذكره له - قال - ثم قال " قد اوذي موسى باكثر من هذا فصبر
মুহাম্মাদ ইবনু রুমহ ইবনু মুহাজির (রহঃ) ..... জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, হুনায়নের যুদ্ধ থেকে প্রত্যাবর্তন করে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জিরানাহ্ নামক স্থানে অবস্থান করছিলেন। বিলাল (রাযিঃ) এর কাপড়ে কিছু রৌপ্য ছিল এবং রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুঠি ভরে তা লোকদেরকে দিচ্ছিলেন। এমন সময় এক ব্যক্তি এসে বলল- “হে মুহাম্মাদ! ইনসাফ কর।” তিনি বললেন, হতভাগা, আমিই যদি ইনসাফ না করি তাহলে কে ইনসাফ করবে? আর আমি যদি সুবিচার না করি তাহলে তুমি তো হতভাগ্য ও ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে যাবে। এ কথা শুনে উমর (রাযিঃ) বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আমাকে অনুমতি দিন আমি এ মুনাফিকটাকে হত্যা করি। তিনি বললেন, আমি আল্লাহর আশ্রয় কামনা করি। তাহলে লোকে বলবে, আমি আমার সঙ্গী-সাথীদের হত্যা করি। আর এ ব্যক্তি ও তার সাথীরা কুরআন পাঠ করবে- কিন্তু তাদের এ পাঠ তাদের কণ্ঠনালী অতিক্রম করবে না (অর্থাৎ অন্তরে কোন প্রকার আবেদন সৃষ্টি করবে না)। তারা কুরআন থেকে এমনভাবে বেরিয়ে যাবে যেমন তীর শিকার ভেদ করে বেরিয়ে যায়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৩১৭, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا محمد بن رمح بن المهاجر، اخبرنا الليث، عن يحيى بن سعيد، عن ابي، الزبير عن جابر بن عبد الله، قال اتى رجل رسول الله صلى الله عليه وسلم بالجعرانة منصرفه من حنين وفي ثوب بلال فضة ورسول الله صلى الله عليه وسلم يقبض منها يعطي الناس فقال يا محمد اعدل . قال " ويلك ومن يعدل اذا لم اكن اعدل لقد خبت وخسرت ان لم اكن اعدل " . فقال عمر بن الخطاب رضى الله عنه دعني يا رسول الله فاقتل هذا المنافق . فقال " معاذ الله ان يتحدث الناس اني اقتل اصحابي ان هذا واصحابه يقرءون القران لا يجاوز حناجرهم يمرقون منه كما يمرق السهم من الرمية
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না ও ইবনু আবূ শায়বাহ্ (রহঃ) ..... জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম গনীমাতের মাল বণ্টন করছিলেন ..... পূর্বের হাদীসের অনুরূপ। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৩১৮, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا عبد الوهاب الثقفي، قال سمعت يحيى بن سعيد، يقول اخبرني ابو الزبير، انه سمع جابر بن عبد الله، ح. وحدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا زيد بن الحباب، حدثني قرة بن خالد، حدثني ابو الزبير، عن جابر بن عبد الله، ان النبي صلى الله عليه وسلم كان يقسم مغانم . وساق الحديث
হান্নাদ ইবনু আস্ সারী (রহঃ) ..... আবূ সাঈদ আল খুদরী (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একবার আলী (রাযিঃ) ইয়ামান থেকে কিছু অপরিশোধিত স্বর্ণ রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে পাঠালেন। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা চার ব্যক্তি যথা- (১) আকরা ইবনু হাবিস আল হানযালী, (২) উয়াইনাহ্ ইবনু বাদর আল ফাযারী, (৩) আলকামাহ্ ইবনু উলাসাহ্ আল আমির ও (৪) বানী কিলাব গোত্রীয় এক ব্যক্তির মধ্যে বণ্টন করলেন এবং এরপর তায়ী গোত্রীয় যায়দ আল খায়র ও বানী নাহান গোত্রের এক ব্যক্তিকে এ থেকে দান করলেন। এতে কুরায়শ গোত্রের লোকেরা ক্ষেপে গিয়ে বললেন, "আপনি কেবল নাজদের নেতৃস্থানীয় লোকদের দান করছেন আর আমাদের বাদ দিচ্ছেন, এটা কেমন ব্যাপার?” এ কথা শুনে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ আমি তাদের শুধু চিত্তাকর্ষণ অর্থাৎ তাদের অন্তরে ইসলামের প্রতি ভালবাসা ও অনুরাগ সৃষ্টির জন্য দিচ্ছি। এমন সময় ঘন দাড়ি, স্ফীত গাল, গর্তে ঢোকা চোখ, উঁচু ললাট ও নেড়া মাথা বিশিষ্ট এক ব্যক্তি এসে বললঃ হে মুহাম্মাদ! আল্লাহকে ভয় কর। তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ আমিই যদি আল্লাহর অবাধ্য হই, তাহলে কে তার অনুগত হবে? আল্লাহ আমাকে দুনিয়াবাসীদের জন্য আমানাতদার হিসেবে পাঠিয়েছেন আর তুমি আমাকে আমানাতদার মনে করছো না। এরপর লোকটি ফিরে চলে গেল। উপস্থিত লোকদের মধ্যে এক ব্যক্তি তাকে হত্যা করার অনুমতি চাইল। লোকদের ধারণা, হত্যার অনুমতি প্রার্থী ছিলেন খালিদ ইবনু ওয়ালীদ। অতঃপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ এর মূলে এমন একটি সম্প্রদায় রয়েছে যারা কুরআন পাঠ করে অথচ তাদের এ পাঠ কণ্ঠনালী অতিক্রম করে না (অর্থাৎ হৃদয়ে আবেদন সৃষ্টি করে না)। এরা ইসলামের অনুসারীদের হত্যা করে এবং মূর্তিপূজারীদের ছেড়ে দেয়। তীর যেভাবে শিকার ভেদ করে বেরিয়ে যায় তারাও অনুরূপভাবে ইসলাম থেকে বেরিয়ে যায়। যদি আমি তাদেরকে পেতাম তাহলে তাদেরকে এমনভাবে হত্যা করতাম যেভাবে আদ সম্প্রদায়ের লোকদেরকে হত্যা করা হয়েছে (অর্থাৎ সমূলে নিপাত করতাম)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৩১৯, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا هناد بن السري، حدثنا ابو الاحوص، عن سعيد بن مسروق، عن عبد الرحمن، بن ابي نعم عن ابي سعيد الخدري، قال بعث علي - رضى الله عنه - وهو باليمن بذهبة في تربتها الى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقسمها رسول الله صلى الله عليه وسلم بين اربعة نفر الاقرع بن حابس الحنظلي وعيينة بن بدر الفزاري وعلقمة بن علاثة العامري ثم احد بني كلاب وزيد الخير الطايي ثم احد بني نبهان - قال - فغضبت قريش فقالوا اتعطي صناديد نجد وتدعنا فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اني انما فعلت ذلك لاتالفهم " فجاء رجل كث اللحية مشرف الوجنتين غاير العينين ناتي الجبين محلوق الراس فقال اتق الله يا محمد . - قال - فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " فمن يطع الله ان عصيته ايامنني على اهل الارض ولا تامنوني " قال ثم ادبر الرجل فاستاذن رجل من القوم في قتله - يرون انه خالد بن الوليد - فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ان من ضيضي هذا قوما يقرءون القران لا يجاوز حناجرهم يقتلون اهل الاسلام ويدعون اهل الاوثان يمرقون من الاسلام كما يمرق السهم من الرمية لين ادركتهم لاقتلنهم قتل عاد
কুতায়বাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... আবূ সাঈদ আল খুদরী (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একবার আলী (রাযিঃ) ইয়ামান থেকে বাবুল গাছের ডাল দিয়ে রঙিন করা একটি চামড়ার থলিতে করে কিছু অপরিশোধিত স্বর্ণ রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে পাঠালেন। তিনি তা চার ব্যক্তির মধ্যে বণ্টন করলেন। তারা হলোঃ উয়াইনাহ ইবনু বাদর, আকরা ইবনু হাবিস, যায়দ আল খায়ল এবং চতুর্থ ব্যক্তি হয় আলকামাহ ইবনু উলাসাহ অথবা আমির ইবনু তুফায়ল। তার সাহাবীগণের মধ্যে এক ব্যক্তি বলল, তাদের তুলনায় আমরা এর হকদার ছিলাম। বর্ণনাকারী বলেন, এ খবর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে পৌছলে তিনি বললেনঃ “আসমানের অধিবাসীদের কাছে আমি আমানাতদার বলে গণ্য অথচ তোমরা কি আমাকে আমানাতদার মনে করছ না? আমার কাছে সকাল-সন্ধ্যায় আসমানের খবর আসছে। অতঃপর গর্তে ঢোকা চোখ, ফোলা গাল বা স্ফীত গাল, উঁচু কপাল ঘন দাড়ি নেড়া মাথা বিশিষ্ট এক ব্যক্তি নিজের পরনের কাপড় সাপটে ধরে অপবাদের সুরে দাঁড়িয়ে বলল, হে আল্লাহর রসূল! আমি কি তার ঘাড়ে আঘাত হানব না, হত্যা করব না? তিনি বললেনঃ না, কারণ হয়তো সে সালাত (সালাত/নামাজ/নামায) আদায়কারী হতে পারে। খালিদ (রাযিঃ) বললেন, অনেক নামাযী আছে যে মুখে এমন কথা বলে যা তার অন্তরের বিপরীত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ মানুষের অন্তর বা পেট চিরে দেখার জন্য আমাকে নির্দেশ দেয়া হয়নি। রাবী বলেন, অতঃপর তিনি বললেন, এর মূল থেকে এমন সব লোকের আবির্ভাব হবে যারা সহজেই আল্লাহর কিতাব (কুরআন) পড়তে পারবে, কিন্তু এ পাঠ তাদের কণ্ঠনালী অতিক্রম করবে না। তারা দীন থেকে এমনভাবে বেরিয়ে যাবে যেমন তীর শিকার ভেদ করে বেরিয়ে যায়। রাবী বলেন, আমার মনে হয়, তিনি বলেছেনঃ যদি আমি তাদেরকে পাই, তাহলে সামূদ জাতির ন্যায় তাদেরকে হত্যা করব। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৩২০, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا عبد الواحد، عن عمارة بن القعقاع، حدثنا عبد، الرحمن بن ابي نعم قال سمعت ابا سعيد الخدري، يقول بعث علي بن ابي طالب الى رسول الله صلى الله عليه وسلم من اليمن بذهبة في اديم مقروظ لم تحصل من ترابها - قال - فقسمها بين اربعة نفر بين عيينة بن حصن والاقرع بن حابس وزيد الخيل والرابع اما علقمة بن علاثة واما عامر بن الطفيل فقال رجل من اصحابه كنا نحن احق بهذا من هولاء - قال - فبلغ ذلك النبي صلى الله عليه وسلم . فقال " الا تامنوني وانا امين من في السماء ياتيني خبر السماء صباحا ومساء " . قال فقام رجل غاير العينين مشرف الوجنتين ناشز الجبهة كث اللحية محلوق الراس مشمر الازار فقال يا رسول الله اتق الله . فقال " ويلك اولست احق اهل الارض ان يتقي الله " . قال ثم ولى الرجل فقال خالد بن الوليد يا رسول الله الا اضرب عنقه فقال " لا لعله ان يكون يصلي " . قال خالد وكم من مصل يقول بلسانه ما ليس في قلبه . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اني لم اومر ان انقب عن قلوب الناس ولا اشق بطونهم " . قال ثم نظر اليه وهو مقف فقال " انه يخرج من ضيضي هذا قوم يتلون كتاب الله رطبا لا يجاوز حناجرهم يمرقون من الدين كما يمرق السهم من الرمية - قال اظنه قال - لين ادركتهم لاقتلنهم قتل ثمود
উসমান ইবনু আবূ শায়বাহ্ (রহঃ) ....... উমারা ইবনুল ক্বা-ক্বা (রহঃ) থেকে বর্ণিত। এ সূত্রেও উপরের হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণিত হয়েছে। এ সূত্রে "আলকামাহ ইবনু উলাসার নাম উল্লেখ আছে, আমির ইবনু তুফায়লের নাম উল্লেখ নেই। এ বর্ণনায় "স্ফীত কপাল' উল্লেখ আছে এবং 'নাশিযু' শব্দের উল্লেখ নেই। এতে আরো আছে, উমর ইবনুল খাত্ত্বাব (রাযিঃ) তার সামনে দাঁড়িয়ে বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আমি কি তার ঘাড়ে আঘাত হানব না? তিনি বললেন, না। তিনি আরো বললেন, অচিরেই এদের বংশ থেকে এমন একটি দলের আবির্ভাব হবে যারা সুমিষ্ট সুরে সহজে কুরআন পাঠ করবে। উমার (রাযিঃ) বলেন, আমার মনে হয় তিনি বলেছেন, আমি যদি তাদের সাক্ষাৎ পেতাম তাহলে সামূদ জাতির মতো হত্যা করতাম। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৩২১, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا عثمان بن ابي شيبة، حدثنا جرير، عن عمارة بن القعقاع، بهذا الاسناد قال وعلقمة بن علاثة ولم يذكر عامر بن الطفيل وقال ناتي الجبهة ولم يقل ناشز . وزاد فقام اليه عمر بن الخطاب - رضى الله عنه - فقال يا رسول الله الا اضرب عنقه قال " لا " . قال ثم ادبر فقام اليه خالد سيف الله فقال يا رسول الله الا اضرب عنقه قال " لا " . فقال " انه سيخرج من ضيضي هذا قوم يتلون كتاب الله لينا رطبا - وقال قال عمارة حسبته قال " لين ادركتهم لاقتلنهم قتل ثمود
ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... উমারা ইবনুল ক্বা-ক্বা (রহঃ) থেকে বর্ণিত। কিছুটা শাব্দিক পার্থক্য সহকারে এ সূত্রে উপরের হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৩২৩, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا ابن نمير، حدثنا ابن فضيل، عن عمارة بن القعقاع، بهذا الاسناد وقال بين اربعة نفر زيد الخير والاقرع بن حابس وعيينة بن حصن وعلقمة بن علاثة او عامر بن الطفيل . وقال ناشز الجبهة . كرواية عبد الواحد . وقال انه سيخرج من ضيضي هذا قوم ولم يذكر " لين ادركتهم لاقتلنهم قتل ثمود
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ..... আবূ সালামাহ্ ও আতা ইবনু ইয়াসার (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তারা উভয়ে আবূ সাঈদ আল খুদরী (রাযিঃ) এর কাছে এসে জিজ্ঞেস করলেন, “আপনি কি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে হারুরিয়াহ (খারিজী জাতি) সম্পর্কে কোন মন্তব্য করতে শুনেছেন? তিনি বলেন, ‘হারুরিয়াহ কে তা আমি জানি না, তবে আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছিঃ “এ উম্মাতের মধ্যে এমন এক সম্প্রদায়ের আবির্ভাব হবে (কিন্তু তিনি তখনকার উম্মাতকে নির্দিষ্ট করে বলেননি) যাদের সালাতের তুলনায় তোমরা নিজেদের সালাত (সালাত/নামাজ/নামায)কে নিম্নমানের মনে করবে। তারা কুরআন পাঠ করবে, অথচ এ পাঠ তাদের কণ্ঠনালী অতিক্রম করবে না। তারা দীন থেকে এমনভাবে বেরিয়ে যাবে- তীর ছুড়লে যেভাবে বেরিয়ে যায়। অতঃপর শিকারী তার ধনুক, তীরের ফলা এবং এর পালকের দিকে লক্ষ্য করে। সে এর লক্ষ্য বস্তুর দিকে দৃষ্টি প্রসারিত করে চিন্তা করে তীরের কোন অংশ রক্তে রঞ্জিত হয়েছে কিনা (অর্থাৎ তাদের মধ্যে ইসলামের নামগন্ধ এবং সামান্যতম চিহ্নও থাকবে না)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৩২৩, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا محمد بن المثنى، حدثنا عبد الوهاب، قال سمعت يحيى بن سعيد، يقول اخبرني محمد بن ابراهيم، عن ابي سلمة، وعطاء بن يسار، انهما اتيا ابا سعيد الخدري فسالاه عن الحرورية، هل سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يذكرها قال لا ادري من الحرورية ولكني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " يخرج في هذه الامة - ولم يقل منها - قوم تحقرون صلاتكم مع صلاتهم فيقرءون القران . لا يجاوز حلوقهم - او حناجرهم - يمرقون من الدين مروق السهم من الرمية فينظر الرامي الى سهمه الى نصله الى رصافه فيتمارى في الفوقة هل علق بها من الدم شىء
–(১৪৮/...) আবূ ত্বহির, হারমালাহ ইবনু ইয়াহইয়া ও আহমাদ ইবনু আবদুর রহমান আল ফিহরী (রহঃ) ..... আবূ সাঈদ আল খুদরী (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে উপস্থিত ছিলাম এবং তিনি কিছু জিনিস বণ্টন করছিলেন। এমন সময় বানী তামীম গোত্রের যুল-খুওয়াই সিরাও নামক এক ব্যক্তি এসে বলল, হে আল্লাহর রসূল! ইনসাফ করুন। তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ হতভাগ্য, তোমার জন্য আফসোস! আমি যদি ইনসাফ না করি, তাহলে কে ইনসাফ করবে? আমি যদি ইনসাফ না করি তাহলে তুমি তো ক্ষতিগ্রস্ত ও বিফল হয়ে যাবে। অতঃপর উমর ইবনুল খাত্ত্বাব (রাযিঃ) বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আমাকে তার শিরোশ্ছেদ করার অনুমতি দিন। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তাকে ছেড়ে দাও, কেননা তার এমন কিছু সঙ্গী সাথি রয়েছে যাদের সালাত (সালাত/নামাজ/নামায) সিয়ামের তুলনায় তোমাদের সালাত (সালাত/নামাজ/নামায) সিয়াম (রোজা/রোযা) নিম্নমানের বলে মনে হয়। তারা কুরআন পাঠ করবে অথচ তা তাদের কণ্ঠনালী অতিক্রম করবে না। তীর যেভাবে শিকার ভেদ করে বেরিয়ে যায়। তারাও সেভাবে ইসলাম থেকে বেরিয়ে যাবে। অতঃপর সে (ধনুকধারী) তীরের ফলার মূলভাগ পরীক্ষা করে দেখে। এতেও সে কিছুই দেখতে পায় না, তারপর সে তীর পরীক্ষা করে দেখে এতেও সে দেখে না। অবশেষে সে তীরের পালক পরীক্ষা করে দেখে এতেও সে কিছু পায় না, তীর এত দ্রুত গতিতে বেরিয়ে যায় যে, রক্ত বা মলের দাগ এতে লাগতে পারে না। এ সম্প্রদায়কে চেনার উপায় হলো, এদের মধ্যে এমন এক ব্যক্তির আবির্ভাব হবে যার এক বাহুতে মহিলাদের স্তনের ন্যায় একটি অতিরিক্ত মাংসপেশী থাকবে এবং তা থলথল করতে থাকবে। এদের আবির্ভাব এমন সময় হবে যখন মানুষের মধ্যে বিরোধ দেখা দেবে। আবূ সাঈদ (রাযিঃ) বলেন, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, এ কথা আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে শুনেছি এবং আমি আরো সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আলী ইবনু আবূ তলিব (রাযিঃ) তাদের সাথে যখন যুদ্ধ করেছিলেন, আমি স্বয়ং তার সাথে ছিলাম। অতঃপর তিনি উল্লেখিত ব্যক্তিকে খুঁজে বের করে আনার জন্য নির্দেশ দিলেন। তাকে খুঁজে পাওয়া গেল এবং ‘আলীর সামনে উপস্থিত করা হলো। আমি তাকে প্রত্যক্ষ করে দেখলাম তার মধ্যে সব চিহ্ন ও বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান রয়েছে যা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার সম্বন্ধে বলেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৩২৪, ইসলামীক সেন্টার)
حدثني ابو الطاهر، اخبرنا عبد الله بن وهب، اخبرني يونس، عن ابن شهاب، اخبرني ابو سلمة بن عبد الرحمن، عن ابي سعيد الخدري، ح . وحدثني حرملة بن يحيى، واحمد بن عبد الرحمن الفهري، قالا اخبرنا ابن وهب، اخبرني يونس، عن ابن شهاب، اخبرني ابو سلمة بن عبد الرحمن، والضحاك الهمداني، ان ابا سعيد الخدري، قال بينا نحن عند رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو يقسم قسما اتاه ذو الخويصرة وهو رجل من بني تميم فقال يا رسول الله اعدل . قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ويلك ومن يعدل ان لم اعدل قد خبت وخسرت ان لم اعدل " . فقال عمر بن الخطاب رضى الله عنه يا رسول الله ايذن لي فيه اضرب عنقه . قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " دعه فان له اصحابا يحقر احدكم صلاته مع صلاتهم وصيامه مع صيامهم يقرءون القران لا يجاوز تراقيهم يمرقون من الاسلام كما يمرق السهم من الرمية ينظر الى نصله فلا يوجد فيه شىء ثم ينظر الى رصافه فلا يوجد فيه شىء ثم ينظر الى نضيه فلا يوجد فيه شىء - وهو القدح - ثم ينظر الى قذذه فلا يوجد فيه شىء سبق الفرث والدم . ايتهم رجل اسود احدى عضديه مثل ثدى المراة او مثل البضعة تدردر يخرجون على حين فرقة من الناس " . قال ابو سعيد فاشهد اني سمعت هذا من رسول الله صلى الله عليه وسلم واشهد ان علي بن ابي طالب - رضى الله عنه - قاتلهم وانا معه فامر بذلك الرجل فالتمس فوجد فاتي به حتى نظرت اليه على نعت رسول الله صلى الله عليه وسلم الذي نعت
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ..... আবূ সাঈদ আল খুদরী (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এমন এক সম্প্রদায়ের কথা উল্লেখ করলেন যারা তার কওমের মধ্যে আবির্ভাব হবে। সমাজে যখন বিভেদ বিশৃঙ্খলা ছড়িয়ে পড়বে এ সময় আত্মপ্রকাশ করবে। আর তাদেরকে চিনার উপায় হলো- তারা নেড়া মাথা বিশিষ্ট হবে। তিনি আরো বলেছেন, এরা হবে নিকৃষ্টতম সৃষ্টির নিকৃষ্ট লোক তাদেরকে দু' দলের মধ্যে এমন দলটি হত্যা করবে যারা হবে হকের নিকটতর। বর্ণনাকারী বলেন, এরপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের জন্য একটি উদাহরণ অথবা একটি কথা বলেন। তা হলো- কোন ব্যক্তি শিকারের দিকে অথবা লক্ষ্যবস্তুর দিকে তীর নিক্ষেপ করল। অতঃপর সে তীরের ফলার দিকে লক্ষ্য করল। কিন্তু কোন চিহ্ন দেখতে পায় না, সে তীরের দিকে তাকিয়ে দেখে- তাতেও কোন চিহ্ন দেখতে পায় না। আবূ সাঈদ (রাযিঃ) বলেন, হে ইরাকের অধিবাসীগণ! তোমরাই তাদেরকে আলী (রাযিঃ) এর সাথে মিলে হত্যা করেছো। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৩২৫, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثني محمد بن المثنى، حدثنا ابن ابي عدي، عن سليمان، عن ابي نضرة، عن ابي سعيد، ان النبي صلى الله عليه وسلم ذكر قوما يكونون في امته يخرجون في فرقة من الناس سيماهم التحالق قال " هم شر الخلق - او من اشر الخلق - يقتلهم ادنى الطايفتين الى الحق " . قال فضرب النبي صلى الله عليه وسلم لهم مثلا او قال قولا " الرجل يرمي الرمية - او قال الغرض - فينظر في النصل فلا يرى بصيرة وينظر في النضي فلا يرى بصيرة وينظر في الفوق فلا يرى بصيرة " . قال قال ابو سعيد وانتم قتلتموهم يا اهل العراق
শায়বান ইবনু ফাররুখ (রহঃ) ..... আবূ সাঈদ আল খুদরী (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যখন মুসলিমের মধ্যে কলহ ও মতভেদ সৃষ্টি হবে তখন একদল লোক বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে এবং এ দু' দলের মধ্যে যেটি হকের অধিকতর নিকটবর্তী হবে সেটিই ঐ সম্প্রদায়কে হত্যা করবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৩২৬, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا شيبان بن فروخ، حدثنا القاسم، - وهو ابن الفضل الحداني - حدثنا ابو نضرة، عن ابي سعيد الخدري، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " تمرق مارقة عند فرقة من المسلمين يقتلها اولى الطايفتين بالحق
আবূ রবী' আয যাহরানী ও কুতায়বাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... আবূ সাঈদ আল খুদরী (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমার উম্মত দু'দলে বিভক্ত হয়ে পরস্পর বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে। এর মধ্যে যে দলটি হকের অধিকতর নিকটবর্তী হবে সেটিই ঐ সম্প্রদায়কে হত্যা করবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৩২৭, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا ابو الربيع الزهراني، وقتيبة بن سعيد، قال قتيبة حدثنا ابو عوانة، عن قتادة، عن ابي نضرة، عن ابي سعيد الخدري، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " تكون في امتي فرقتان فتخرج من بينهما مارقة يلي قتلهم اولاهم بالحق
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ..... আবূ সাঈদ আল খুদরী (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ লোকদের মাঝে যখন কলহ ও বিবাদের সৃষ্টি হবে তখন একদল লোক বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে। এর মধ্যে যে দলটি হকের অধিক নিকটতর হবে সেটিই অপরটিকে হত্যা করবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৩২৮, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا عبد الاعلى، حدثنا داود، عن ابي نضرة، عن ابي، سعيد الخدري ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " تمرق مارقة في فرقة من الناس فيلي قتلهم اولى الطايفتين بالحق
উবায়দুল্লাহ আল কাওয়ারীরী (রহঃ) ..... আবূ সাঈদ আল খুদরী (রাযিঃ) অপর এক হাদীসে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেনঃ যখন বিভিন্ন প্রকার কলহের আবির্ভাব হবে তখন একটি দল বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে এবং দু'দলের মধ্যে যেটি সত্যের অধিক নিকটতর সেটি তাদেরকে হত্যা করবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৩২৯, ইসলামীক সেন্টার)
حدثني عبيد الله القواريري، حدثنا محمد بن عبد الله بن الزبير، حدثنا سفيان، عن حبيب بن ابي ثابت، عن الضحاك المشرقي، عن ابي سعيد الخدري، عن النبي صلى الله عليه وسلم في حديث ذكر فيه قوما يخرجون على فرقة مختلفة يقتلهم اقرب الطايفتين من الحق
মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র ও আবদুল্লাহ ইবনু সাঈদ আল আশাজ্জ (রহঃ) ... সুওয়াইদ ইবনু গাফালাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, ‘আলী (রাযিঃ) বলেছেনঃ আমি কোন কথা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর পক্ষ থেকে বানিয়ে বলার চেয়ে- আমার আকাশ থেকে পড়ে যাওয়াকে শ্রেয় মনে করি। আর যখন আমি আমার ও তোমাদের মধ্যকার ব্যাপার নিয়ে কথা বলি তখন মনে রাখবে যে, যুদ্ধে কৌশল ও চাতুরতার আশ্রয় নেয়া বৈধ। আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনিঃ সে যুগে (অর্থাৎ কিয়ামতের পূর্বে) এমন এক সম্প্রদায়ের আবির্ভাব ঘটবে যারা অল্প বয়স্ক ও স্বল্প বুদ্ধি-সম্পন্ন হবে। তারা সৃষ্টি জগতের চেয়ে ভাল ভাল কথা বলবে, তারা কুরআন মাজীদ পাঠ করবে কিন্তু তা তাদের গলার নীচে যাবে না। তীর যেভাবে শিকার থেকে বেরিয়ে যায় তারাও অনুরূপভাবে বেরিয়ে যাবে। অতএব, তোমরা তাদের সাথে মুখোমুখী হলে তাদের হত্যা করে ফেলবে। কেননা তাদেরকে যারা হত্যা করবে তারা কিয়ামতের দিন আল্লাহর কাছে সাওয়াব পাবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৩৩০, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، وعبد الله بن سعيد الاشج، جميعا عن وكيع، - قال الاشج حدثنا وكيع، - حدثنا الاعمش، عن خيثمة، عن سويد بن غفلة، قال قال علي اذا حدثتكم عن رسول الله صلى الله عليه وسلم فلان اخر من السماء احب الى من ان اقول عليه ما لم يقل واذا حدثتكم فيما بيني وبينكم فان الحرب خدعة . سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " سيخرج في اخر الزمان قوم احداث الاسنان سفهاء الاحلام يقولون من خير قول البرية يقرءون القران لا يجاوز حناجرهم يمرقون من الدين كما يمرق السهم من الرمية فاذا لقيتموهم فاقتلوهم فان في قتلهم اجرا لمن قتلهم عند الله يوم القيامة
ইসহাক ইবনু ইব্রাহীম, মুহাম্মাদ ইবনু আবূ বাকর আল মুকদ্দামী, আবূ বাকর ইবনু নাফি (রহঃ) ..... আ'মাশ (রহঃ) এর সূত্রেও উপরের হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৩৩১, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا اسحاق بن ابراهيم، اخبرنا عيسى بن يونس، ح وحدثنا محمد بن ابي، بكر المقدمي وابو بكر بن نافع قالا حدثنا عبد الرحمن بن مهدي، حدثنا سفيان، كلاهما عن الاعمش، بهذا الاسناد . مثله
উসমান ইবনু আবূ শায়বাহ, আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ, আবূ কুরায়ব ও যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ... আ'মাশ (রহঃ) থেকে অপর এক সানাদে উপরে বর্ণিত হাদীসটির অনুরূপ একটি হাদীস বর্ণিত হয়েছে। তবে এখানে- “তীর যেভাবে শিকার থেকে বেরিয়ে যায় তারা অনুরূপভাবে দীন থেকে বেরিয়ে যাবে" কথাটির উল্লেখ নেই। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৩৩২, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا عثمان بن ابي شيبة، حدثنا جرير، ح وحدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، وابو كريب وزهير بن حرب قالوا حدثنا ابو معاوية، كلاهما عن الاعمش، بهذا الاسناد . وليس في حديثهما " يمرقون من الدين كما يمرق السهم من الرمية
মুহাম্মাদ ইবনু আবূ বাকর আল মুকদ্দামী, কুতায়বাহ্ ইবনু সাঈদ, আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ ও যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... ‘আলী (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি খারিজীদের সম্পর্কে আলোচনা প্রসঙ্গে বলেন, তাদের মধ্যে এমন এক ব্যক্তি থাকবে যার হাত খাটো বা মহিলাদের স্তনের ন্যায় হবে। তোমরা যদি অহংকারে লিপ্ত না হওয়ার প্রতিশ্রুতি দিতে পার তাহলে আমি তোমাদেরকে মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর যবানে আল্লাহ প্রদত্ত প্রতিশ্রুতি সম্বন্ধে আলাপ করব যা তিনি তাদের হত্যাকারীদের সম্পর্কে করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৩৩৩, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا محمد بن ابي بكر المقدمي، حدثنا ابن علية، وحماد بن زيد، ح وحدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا حماد بن زيد، ح وحدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، وزهير بن حرب، - واللفظ لهما - قالا حدثنا اسماعيل ابن علية، عن ايوب، عن محمد، عن عبيدة، عن علي، قال ذكر الخوارج فقال فيهم رجل مخدج اليد - او مودن اليد او مثدون اليد - لولا ان تبطروا لحدثتكم بما وعد الله الذين يقتلونهم على لسان محمد صلى الله عليه وسلم - قال - قلت انت سمعته من محمد صلى الله عليه وسلم قال اي ورب الكعبة اي ورب الكعبة اي ورب الكعبة