Loading...

Loading...
বইসমূহ
১৯৩ হাদিসসমূহ
‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, তোমাকে যে বলবে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (ওয়াহীর) কিছু বিষয় গোপন করেছেন। মুহাম্মাদ (রহ.) বলেন.....‘আয়িশাহ (রাঃ) বলেছেন, যে লোক তোমার কাছে বলে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ওয়াহীর কোন কিছু গোপন করেছেন, তাকে তুমি সত্যবাদী মনে করো না। আল্লাহ্ বলেনঃ হে রাসূল! তোমার প্রতিপালকের নিকট থেকে যা তোমার প্রতি অবতীর্ণ হয়েছে তা প্রচার কর- (সূরাহ আল-মায়িদাহ ৫/৬৭)। [৩১৫৯] (আধুনিক প্রকাশনী- ৭০১২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا محمد بن يوسف، حدثنا سفيان، عن اسماعيل، عن الشعبي، عن مسروق، عن عايشة رضى الله عنها قالت من حدثك ان محمدا صلى الله عليه وسلم كتم شييا وقال محمد حدثنا ابو عامر العقدي حدثنا شعبة عن اسماعيل بن ابي خالد عن الشعبي عن مسروق عن عايشة قالت من حدثك ان النبي صلى الله عليه وسلم كتم شييا من الوحى، فلا تصدقه، ان الله تعالى يقول {يا ايها الرسول بلغ ما انزل اليك من ربك وان لم تفعل فما بلغت رسالته}
‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক লোক বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আল্লাহর কাছে কোন্ গুনাহ্টি সব চেয়ে বড়? তিনি বললেনঃ আল্লাহর বিপরীতে কাউকে ডাকা অথচ তিনিই (আল্লাহ্) তোমাকে সৃষ্টি করেছেন। সে বলল, এরপর কোন্টি? তিনি বললেনঃ এরপর তোমার সঙ্গে আহার করবে এ ভয়ে (তোমার) সন্তানকে হত্যা করা। সে বলল, এরপর কোন্টি? তিনি বললেনঃ এরপর তোমাদের প্রতিবেশীর স্ত্রীর সঙ্গে যিনা করা। এরই সমর্থনে আল্লাহ্ নাযিল করলেনঃ তারা আল্লাহর সাথে অন্য কোন ইলাহ্কে ডাকে না। আর যথার্থতা ব্যতীত কোন প্রাণ হত্যা করে না যা আল্লাহ নিষিদ্ধ করেছেন আর তারা ব্যভিচার করে না। আর যে এগুলো করে সে শাস্তির সাক্ষাৎ লাভ করবে। তার শাস্তি দ্বিগুণ করা হবে..... (সূরাহ আল-ফুরক্বান ২৫/৬৮)। [৪৪৭৭] (আধুনিক প্রকাশনী- ৭০১৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا جرير، عن الاعمش، عن ابي وايل، عن عمرو بن شرحبيل، قال قال عبد الله قال رجل يا رسول الله اى الذنب اكبر عند الله قال " ان تدعو لله ندا، وهو خلقك ". قال ثم اى قال " ثم ان تقتل ولدك، ان يطعم معك ". قال ثم اى قال " ان تزاني حليلة جارك ". فانزل الله تصديقها {والذين لا يدعون مع الله الها اخر ولا يقتلون النفس التي حرم الله الا بالحق ولا يزنون ومن يفعل ذلك} الاية
وَقَوْلِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أُعْطِيَ أَهْلُ التَّوْرَاةِ التَّوْرَاةَ فَعَمِلُوا بِهَا وَأُعْطِيَ أَهْلُ الإِنْجِيلِ الإِنْجِيلَ فَعَمِلُوا بِهِ وَأُعْطِيتُمْ الْقُرْآنَ فَعَمِلْتُمْ بِهِ وَقَالَ أَبُو رَزِينٍ يَتْلُونَهُ حَقَّ تِلاَوَتِهِ يَتَّبِعُونَهُ وَيَعْمَلُونَ بِهِ حَقَّ عَمَلِهِ يُقَالُ يُتْلَى يُقْرَأُ حَسَنُ التِّلاَوَةِ حَسَنُ الْقِرَاءَةِ لِلْقُرْآنِ لاَ يَمَسُّهُ لاَ يَجِدُ طَعْمَهُ وَنَفْعَهُ إِلاَّ مَنْ آمَنَ بِالْقُرْآنِ وَلاَ يَحْمِلُهُ بِحَقِّهِ إِلاَّ الْمُوقِنُ لِقَوْلِهِ تَعَالَى (مَثَلُ الَّذِينَ حُمِّلُوا التَّوْرَاةَ ثُمَّ لَمْ يَحْمِلُوهَا كَمَثَلِ الْحِمَارِ يَحْمِلُ أَسْفَارًا بِئْسَ مَثَلُ الْقَوْمِ الَّذِينَ كَذَّبُوا بِآيَاتِ اللهِ وَاللهُ لاَ يَهْدِي الْقَوْمَ الظَّالِمِينَ) وَسَمَّى النَّبِيُّصَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الإِسْلاَمَ وَالإِيمَانَ وَالصَّلاَةَ عَمَلاً قَالَ أَبُو هُرَيْرَةَ قَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لِبِلاَلٍ أَخْبِرْنِي بِأَرْجَى عَمَلٍ عَمِلْتَهُ فِي الإِسْلاَمِ قَالَ مَا عَمِلْتُ عَمَلاً أَرْجَى عِنْدِي أَنِّي لَمْ أَتَطَهَّرْ إِلاَّ صَلَّيْتُ وَسُئِلَ أَيُّ الْعَمَلِ أَفْضَلُ قَالَ إِيمَانٌ بِاللهِ وَرَسُولِهِ ثُمَّ الْجِهَادُ ثُمَّ حَجٌّ مَبْرُورٌ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর বাণীঃ তাওরাত ওয়ালাদেরকে তাওরাত দেয়া হলে তারা সে মোতাবেক ‘আমল করল। ইঞ্জিল ওয়ালাদেরকে ইঞ্জিল দেয়া হলে তারাও সে মোতাবেক ‘আমল করল। তোমাদেরকে দেয়া হলো কুরআন, সুতরাং তোমরা এ মোতাবেক ‘আমল কর। আবূ রাযীন (রহ.) বলেন يَتْلُونَه -এর অর্থ তাঁর হুকুমকে যথাযথভাবে পালন করার মাধ্যমে অনুসরণ করা। আবূ ‘আবদুল্লাহ্ (রহ.) বলেন, يُتْلَى অর্থ। يُقْرَأُ পাঠ করা হয়। حَسَنُ التِّلاَوَةِ অর্থাৎ কুরআন সুন্দরভাবে পাঠ করা। لاَ يَمَسُّهُ এর অর্থ কুরআনের স্বাদ ও উপকারিতা কুরআনের বিশ্বাসীদের ছাড়া না পাওয়া। কুরআনের উপর সঠিক আস্থা স্থাপনকারী ছাড়া কেউই তা যথাযথভাবে বহন করতে পারবে না। কেননা, আল্লাহ্ বলেনঃ যাদের উপর তাওরাতের দায়িত্বভার দেয়া হয়েছিল, অতঃপর তা তারা বহন করেনি (অর্থাৎ তারা তাদের উপর ন্যস্ত দায়িত্ব পালন করেনি) তাদের দৃষ্টান্ত হল গাধার মত, যে বহু কিতাবের বোঝা বহন করে (কিন্তু তা বুঝে না)। যে সম্প্রদায় আল্লাহর আয়াতগুলোকে অস্বীকার করে, তাদের দৃষ্টান্ত কতইনা নিকৃষ্ট! যালিম সম্প্রদায়কে আল্লাহ সঠিক পথে পরিচালিত করেন না। (সূরাহ আল-জুমু‘আহ ৬২/৫) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইসলাম, ঈমান ও সালাতকে ‘আমল নামে আখ্যায়িত করেছেন। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিলাল (রাঃ)-কে বললেনঃ ইসলামে থাকা অবস্থায় যেটি দ্বারা তুমি মুক্তির বেশী আশাবাদী, আমাকে তুমি সে ‘আমলটি সম্পর্কে জানাও। বিলাল (রাঃ) বললেন, আমার মতে মুক্তির বেশী আশা রাখতে পারি যে ‘আমলটি দ্বারা, তা হচ্ছে আমি যখনই ওযু করেছি, তখন সালাত আদায় করেছি। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞেস করা হলো- কোন্ ‘আমলটি সবচেয়ে উত্তম? তিনি বললেনঃ আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূলের প্রতি ঈমান আনা, এরপর জিহাদ, এরপর কবূল হওয়া হাজ্জ। ৭৫৩৩. ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ পূর্বের উম্মাতদের তুলনায় তোমাদের অবস্থানকালের দৃষ্টান্ত হচ্ছে, ‘আসরের সালাত এবং সূর্যাস্তের মাঝের সময়টুকু। তাওরাতধারীদেরকে তাওরাত দেয়া হলে তারা সে মোতাবেক ‘আমল করল। এ ভাবে দুপুর হয়ে গেল এবং তারাও দুর্বল হয়ে পড়ল। তাদেরকে এক কীরাত করে মজুরী দেয়া হল। তারপর ইঞ্জিল ধারীদেরকে ইঞ্জিল দেয়া হলে তারা সে মোতাবেক ‘আমল করল। এ অবস্থায় ‘আসরের সালাত আদায় করা হল। তারাও ক্লান্ত হয়ে গেল। তারপর তাদেরকেও এক কীরাত করে দেয়া হল। শেষে তোমাদেরকে কুরআন দেয়া হয়। তোমরা সে মোতাবেক ‘আমল করেছ। এ অবস্থায় সূর্য ডুবে গেল। আর তোমাদেরকে দেয়া হল দু’কীরাত করে। ফলে কিতাবীগণ বলল, এরা তো আমাদের তুলনায় কাজ করল কম, অথচ মজুরী পেল বেশী। এতে আল্লাহ্ বললেন, তোমাদের হকের ব্যাপারে তোমাদের প্রতি কোন যুলুম করা হয়েছে কি? এরা বলবে, না। আল্লাহ্ বললেনঃ এটা আমার অনুগ্রহ, তা আমি যাকে চাই তাকে দিয়ে থাকি। [৫৫৭] (আধুনিক প্রকাশনী- ৭০১৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
وَقَالَلاَ صَلاَةَ لِمَنْ لَمْ يَقْرَأْ بِفَاتِحَةِ الْكِتَابِ তিনি বলেছেনঃ যে ব্যক্তি নামাযে সূরা ফাতিহা পড়ল না, তার সালাত আদায় হল না। ৭৫৩৪. ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ) হতে বর্ণিত। এক লোক (সাহাবী) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞেস করলেন, কোন্ ‘আমলটি সবচেয়ে উত্তম? তিনি বললেনঃ যথা সময়ে সালাত আদায় করা, মাতা-পিতার সঙ্গে সদ্ব্যবহার করা, অতঃপর আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করা। [৫২৭] (আধুনিক প্রকাশনী- ৭০১৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثني سليمان، حدثنا شعبة، عن الوليد،. وحدثني عباد بن يعقوب الاسدي، اخبرنا عباد بن العوام، عن الشيباني، عن الوليد بن العيزار، عن ابي عمرو الشيباني، عن ابن مسعود رضى الله عنه ان رجلا، سال النبي صلى الله عليه وسلم اى الاعمال افضل قال " الصلاة لوقتها، وبر الوالدين، ثم الجهاد في سبيل الله
আমর ইবনু তাগলিব (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে কিছু মাল এল। এ থেকে তিনি এক দলকে দিলেন। অন্য দলটিকে দিলেন না। অতঃপর তাঁর কাছে এ খবর পৌঁছল যে, যারা পেলো না তারা অসন্তুষ্ট হয়েছে। এতে তিনি বললেনঃ আমি একজনকে দেই আবার অন্য জনকে দেই না। কিন্তু যাকে আমি দেই না, সে-ই আমার কাছে বেশী প্রিয় যাকে দেই তার থেকে। এমন কিছু কাওমকে আমি দেই, যাদের হৃদয়ে আছে অস্থিরতা ও দ্বনদ্ব। আর কিছু কাওমকে আমি মাল না দিয়ে তাদের হৃদয়ে আল্লাহ্ যে অমুখাপেক্ষিতা ও কল্যাণ রেখেছেন তার উপর সোপর্দ করি। এদেরই একজন হলেন, ‘আমর ইবনু তাগলিব (রাঃ)। ‘আমর (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর এ কথার বিনিময়ে আমি একপাল লাল রং এর উটের মালিক হওয়াও অধিক পছন্দ করি না। [৯২৩] (আধুনিক প্রকাশনী- ৭০১৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا ابو النعمان، حدثنا جرير بن حازم، عن الحسن، حدثنا عمرو بن تغلب، قال اتى النبي صلى الله عليه وسلم مال فاعطى قوما ومنع اخرين فبلغه انهم عتبوا فقال " اني اعطي الرجل وادع الرجل، والذي ادع احب الى من الذي اعطي، اعطي اقواما لما في قلوبهم من الجزع والهلع، واكل اقواما الى ما جعل الله في قلوبهم من الغنى والخير منهم عمرو بن تغلب ". فقال عمرو ما احب ان لي بكلمة رسول الله صلى الله عليه وسلم حمر النعم
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর প্রতিপালক থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেনঃ আমার বান্দা যখন আমার দিকে এক বিঘত নিকটবর্তী হয়, আমি তখন তার দিকে এক হাত নিকটবর্তী হই। আর সে যখন আমার দিকে এক হাত নিকটবর্তী হয়, আমি তখন তার দিকে দু’হাত নিকটবর্তী হই। সে যদি আমার দিকে হেঁটে আসে আমি তার দিকে দৌড়ে যাই। (আধুনিক প্রকাশনী- ৭০১৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثني محمد بن عبد الرحيم، حدثنا ابو زيد، سعيد بن الربيع الهروي حدثنا شعبة، عن قتادة، عن انس رضى الله عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم يرويه عن ربه، قال " اذا تقرب العبد الى شبرا تقربت اليه ذراعا، واذا تقرب مني ذراعا تقربت منه باعا، واذا اتاني مشيا اتيته هرولة
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একাধিকবার বর্ণনা করেছেন যে, (আল্লাহ্ বলেন) : আমার বান্দা যদি আমার দিকে এক বিঘত নিকটবর্তী হয়, আমি তার দিকে এক হাত নিকটবর্তী হই। আর সে যদি আমার দিকে এক হাত নিকটবর্তী হয়, আমি তার দিকে দু হাত নিকটবর্তী হই। বর্ণনাকারী এখানে بَاعًا কিংবা بُوعًا বলেছেন। মুতামির (রহ.) বলেন, আমি আমার পিতা থেকে শুনেছি, তিনি আনাস (রাঃ) থেকে শুনেছেন, তিনি আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) কর্তৃক নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন। আর তিনি তাঁর প্রতিপালক থেকে বর্ণনা করেছেন। [৭৪০৫] (আধুনিক প্রকাশনী- ৭০১৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا مسدد، عن يحيى، عن التيمي، عن انس بن مالك، عن ابي هريرة، قال ربما ذكر النبي صلى الله عليه وسلم قال " اذا تقرب العبد مني شبرا تقربت منه ذراعا واذا تقرب مني ذراعا تقربت منه باعا او بوعا ". وقال معتمر سمعت ابي، سمعت انسا، {عن ابي هريرة،} عن النبي صلى الله عليه وسلم يرويه عن ربه، عز وجل
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তোমাদের প্রতিপালক থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেনঃ প্রতিটি আমলের কাফ্ফারা রয়েছে, সে সব আমলের ত্রুটি দূর করার জন্য। কিন্তু সওম আমার জন্যই, এতে লোক দেখানোর কিছু নেই, তাই আমি নিজেই এর প্রতিদান দেব। সওম পালনকারীর মুখের গন্ধ আল্লাহর কাছে মিস্কের চেয়েও বেশি সুগন্ধময়। [১৮৯৪] (আধুনিক প্রকাশনী- ৭০১৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا ادم، حدثنا شعبة، حدثنا محمد بن زياد، قال سمعت ابا هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم يرويه عن ربكم، قال " لكل عمل كفارة، والصوم لي وانا اجزي به، ولخلوف فم الصايم اطيب عند الله من ريح المسك
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর প্রতিপালকের নিকট হতে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহ বলেনঃ কোন বান্দার জন্য এ দাবী করা শোভনীয় নয় যে, সে ইউনুস ইবনু মাত্তার চেয়ে ভাল। এখানে ইউনুস (আঃ)-কে তাঁর পিতার দিকে সম্পর্কযুক্ত করা হয়েছে। [৩৩৯৫] (আধুনিক প্রকাশনী- ৭০২০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا حفص بن عمر، حدثنا شعبة، عن قتادة،. وقال لي خليفة حدثنا يزيد بن زريع، عن سعيد، عن قتادة، عن ابي العالية، عن ابن عباس رضى الله عنهما عن النبي صلى الله عليه وسلم فيما يرويه عن ربه قال " لا ينبغي لعبد ان يقول انه خير من يونس بن متى ". ونسبه الى ابيه
‘আবদুল্লাহ্ ইবনু মুগাফফাল আলমুযানী (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি মক্কা বিজয়ের দিন রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে তাঁর উটনীর উপর বসা অবস্থায় সূরাহ ফাত্হ কিংবা সূরা ফাতহের কিছু অংশ পড়তে দেখেছি। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি তারজীসহ তা পাঠ করলেন। বর্ণনাকারী বলেন, মু‘আবিয়া (রহ.) ইবনুল মুগাফ্ফালের কিরাআত নকল করে পড়ছিলেন। তিনি বললেন, যদি তোমাদের কাছে লোকের ভিড় করার ভয় না হত, তাহলে আমিও তারজী করে ঠিক ঐভাবে পাঠ করতাম, যেভাবে ইবনুল মুগাফফাল (রাঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কিরাআত নকল করে তারজীসহ পাঠ করেছিলেন। তারপর আমি মু‘আবীয়াহ (রাঃ)-কে বললাম, তাঁর তারজী কেমন ছিল? তিন বললেন, আ, আ, আ, তিনবার। [৪২৮১] (আধুনিক প্রকাশনী- ৭০২১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا احمد بن ابي سريج، اخبرنا شبابة، حدثنا شعبة، عن معاوية بن قرة، عن عبد الله بن مغفل المزني، قال رايت رسول الله صلى الله عليه وسلم يوم الفتح على ناقة له يقرا سورة الفتح، او من سورة الفتح قال فرجع فيها قال ثم قرا معاوية يحكي قراءة ابن مغفل وقال " لولا ان يجتمع الناس عليكم لرجعت كما رجع ابن مغفل ". يحكي النبي صلى الله عليه وسلم فقلت لمعاوية كيف كان ترجيعه قال ا ا ا ثلاث مرات
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, আবূ সুফ্ইয়ান ইবনু হারব (রাঃ) আমাকে এ খবর দিয়েছেন, হিরাক্লিয়াস তাঁর তর্জমাকারীকে ডাকলেন। তারপর তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর চিঠিখানা আনার জন্য হুকুম করলেন এবং তা পড়লেন। বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম- আল্লাহর বান্দা ও রাসূল মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পক্ষ থেকে হিরাক্লিয়াসের প্রতি এ চিঠি পাঠানো হল। তাতে আরও লেখা ছিল يَا أَهْلَ الْكِتَابِ تَعَالَوْا إِلَى كَلِمَةٍ سَوَاءٍ بَيْنَنَا وَبَيْنَكُمْ (হে আহলে কিতাব! এমন এক কথার দিকে আসো, যা আমাদের ও তোমাদের মধ্যে একই,)। [৭] (আধুনিক প্রকাশনী- অনুচ্ছেদ, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- অনুচ্ছেদ)
وقال ابن عباس اخبرني ابو سفيان بن حرب، ان هرقل، دعا ترجمانه، ثم دعا بكتاب النبي صلى الله عليه وسلم فقراه " بسم الله الرحمن الرحيم من محمد عبد الله ورسوله الى هرقل، و{يا اهل الكتاب تعالوا الى كلمة سواء بيننا وبينكم }" الاية
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আহলে কিতাব তাওরাত হিব্রু ভাষায় পাঠ করত, আর মুসলিমদের জন্য আরবী ভাষায় এর ব্যাখ্যা করত। এ প্রেক্ষিতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ কিতাবধারীদেরকে তোমার বিশ্বাস করো না আবার তাদেরকে মিথ্যেবাদী সাব্যস্তও করো না। বরং তোমরা আল্লাহর এ বাণীটি قُولُوا آمَنَّا بِاللهِ وَمَا أُنْزِلَ إِلَيْنَا (তোমরা বল, ‘আমরা আল্লাহর উপর ঈমান এনেছি এবং যা আমাদের প্রতি নাযিল করা হয়েছে) বল। (সূরাহ বাকারাহ ২/১৩৬) [৪৪৮৫] (আধুনিক প্রকাশনী- ৭০২২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا عثمان بن عمر، اخبرنا علي بن المبارك، عن يحيى بن ابي كثير، عن ابي سلمة، عن ابي هريرة، قال كان اهل الكتاب يقرءون التوراة بالعبرانية، ويفسرونها بالعربية لاهل الاسلام فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لا تصدقوا اهل الكتاب، ولا تكذبوهم و{قولوا امنا بالله وما انزل} الاية
ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, দু’জন ইয়াহূদী নারী-পুরুষকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে আনা হলো। তারা যিনা করেছিল। এরপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তোমরা ইয়াহূদীর এদের সাথে কী আচরণ করে থাক? তারা বলল, আমরা এদের মুখ কালো করি ও লাঞ্ছিত করি। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তোমরা তাওরাত নিয়ে এসো, এবং তা পাঠ কর, যদি তোমরা সত্যবাদী হও। তারা তাওরাত নিয়ে আসল এবং তাদেরই ইচ্ছেমত এক লোককে ডেকে বলল, হে আওয়ার! তুমি পাঠ কর। সে পাঠ করতে লাগল, শেষে এক স্থানে এসে সে তাতে আপন হাত রেখে দিল। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তোমার হাতটি উঠাও। সে হাত উঠাল। তখন যিনার শাস্তি পাথর নিক্ষেপ করে হত্যা করা আয়াতটি স্পষ্ট দেখা যাচ্ছিল। তিলাওয়াতকারী বলল, হে মুহাম্মাদ! এদের মাঝে শাস্তি আসলে রজমই, কিন্তু আমরা তা গোপন করছিলাম। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদেরকে রজম করার হুকুম দিলে তাদেরকে রজম করা হল। বর্ণনাকারী বলেন, যিনাকারী পুরুষটিকে স্ত্রী লোকটির উপর ঝুঁকে পড়ে তাকে পাথর থেকে রক্ষার চেষ্টা করতে দেখেছি। [১২৩৯] (আধুনিক প্রকাশনী- ৭০২৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا مسدد، حدثنا اسماعيل، عن ايوب، عن نافع، عن ابن عمر رضى الله عنهما قال اتي النبي صلى الله عليه وسلم برجل وامراة من اليهود قد زنيا فقال لليهود " ما تصنعون بهما ". قالوا نسخم وجوههما ونخزيهما. قال " {فاتوا بالتوراة فاتلوها ان كنتم صادقين} ". فجاءوا فقالوا لرجل ممن يرضون يا اعور اقرا. فقرا حتى انتهى على موضع منها فوضع يده عليه. قال " ارفع يدك ". فرفع يده فاذا فيه اية الرجم تلوح فقال يا محمد ان عليهما الرجم. ولكنا نكاتمه بيننا. فامر بهما فرجما، فرايته يجاني عليها الحجارة
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছেন। তিনি বলেছেনঃ আল্লাহ্ উচ্চস্বরে সুমধুর কন্ঠে কুরআন তিলাওয়াতকারী নবীর প্রতি যত সন্তোষ প্রকাশ করেন, অন্য কোন কিছুর প্রতি তত সন্তোষ প্রকাশ করেন না। [৫০২৩] (আধুনিক প্রকাশনী- ৭০২৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثني ابراهيم بن حمزة، حدثني ابن ابي حازم، عن يزيد، عن محمد بن ابراهيم، عن ابي سلمة، عن ابي هريرة، انه سمع النبي صلى الله عليه وسلم يقول " ما اذن الله لشىء ما اذن لنبي حسن الصوت بالقران يجهر به
ইবনু শিহাব (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমাকে ‘উরওয়াহ ইবনু যুবায়র, সা‘ঈদ ইবনু মুসাইয়্যাব, ‘আলক্বামাহ ইবনু ওয়াক্কাস, ‘উবাইদুল্লাহ্ ইবনু ‘আবদুল্লাহ্ (রহ.), ‘আয়িশাহ (রাঃ)-এর হাদীস সম্পর্কে বলেছেন। অপবাদকারীরা যখন তার উপর অপবাদ দিয়েছিল। ইবনু শিহাব (রহ.) বলেন, বর্ণনাকারীদের একেকজন সে সম্পর্কে আমার কাছে হাদীসের একেক অংশের বর্ণনা দিয়েছেন। ‘আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, এর ফলে আমি আমার বিছানায় শুয়ে পড়লাম। অথচ আমি তখন জানি, আমি নির্দোষ পবিত্র এবং আল্লাহ্ আমাকে নির্দোষ বলে প্রমাণ করবেন। আল্লাহর শপথ! কিন্তু আমার মর্যাদা আমার কাছে এমন যোগ্য ছিল না যে, এ ব্যাপারে ওয়াহীই অবতীর্ণ করবেন যা তিলাওয়াত করা হবে। আমার মর্যাদা আমার কাছে এর চেয়ে তুচ্ছ ছিল যে, আল্লাহ্ আমার সম্পর্কে এমন কোন কালাম করবেন যা তিলাওয়াত করা হবে। এ সম্পর্কে আল্লাহ্ নাযিল করলেনঃ যারা এমন জঘন্য অপবাদ এনেছে ..... পুরো দশটি আয়াত (সূরা আন্-নূর ২৪/১১-২০)। [২৫৯৩] (আধুনিক প্রকাশনী- ৭০২৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا يحيى بن بكير، حدثنا الليث، عن يونس، عن ابن شهاب، اخبرني عروة بن الزبير، وسعيد بن المسيب، وعلقمة بن وقاص، وعبيد الله بن عبد الله، عن حديث، عايشة حين قال لها اهل الافك ما قالوا وكل حدثني طايفة من الحديث قالت فاضطجعت على فراشي، وانا حينيذ اعلم اني بريية وان الله يبريني، ولكن والله ما كنت اظن ان الله ينزل في شاني وحيا يتلى، ولشاني في نفسي كان احقر من ان يتكلم الله في بامر يتلى، وانزل الله عز وجل {ان الذين جاءوا بالافك} العشر الايات كلها
বারাআ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে এশার সালাতে সূরা وَالتِّينِ وَالزَّيْتُونِ পড়তে শুনেছি। স্বর কিংবা কিরআতের দিক থেকে তার চেয়ে সুন্দর আমি আর কাউকে দেখিনি। [৭৬৭] (আধুনিক প্রকাশনী- ৭০২৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا ابو نعيم، حدثنا مسعر، عن عدي بن ثابت، اراه عن البراء، قال سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقرا في العشاء {والتين والزيتون} فما سمعت احدا احسن صوتا او قراءة منه
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মক্কায় লুকিয়ে থাকতেন। আর তিনি উচ্চস্বরে (তিলাওয়াত) করতেন। যখন তা মুশরিক্রা শুনল, তারা কুরআন ও তাঁর বাহককে গালমন্দ করল। এ অবস্থায় আল্লাহ্ তাঁর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে জানিয়ে দিলেন, আপনি আপনার সালাতে কুরআন উচ্চস্বরেও পড়বেন না এবং খুব চুপে চুপেও পড়বেন না। [৪৭২২] (আধুনিক প্রকাশনী- ৭০২৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا حجاج بن منهال، حدثنا هشيم، عن ابي بشر، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس رضى الله عنهما قال كان النبي صلى الله عليه وسلم متواريا بمكة، وكان يرفع صوته، فاذا سمع المشركون سبوا القران ومن جاء به، فقال الله عز وجل لنبيه صلى الله عليه وسلم {ولا تجهر بصلاتك ولا تخافت بها}
আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘আবদুর রহমান ইবনু আবূ স’স‘আহ (রহ.)-কে বললেন, আমি তোমাকে দেখেছি, তুমি বক্রীপাল ও ময়দানকে ভালবাস। সুতরাং তুমি যখন বক্রীর পাল কিংবা ময়দানে থাকবে, তখন সালাতের জন্য উচ্চস্বরে আযান দেবে। কারণ মুআয্যিনের আযানের স্বর যতদূর পৌঁছবে, তত দূরের জ্বিন, ইনসান, অন্যান্য জিনিস যারাই শুনবে, কিয়ামতের দিন তারা তার স্বপক্ষে সাক্ষ্য দেবে। আবূ সা‘ঈদ (রাঃ) বলেন, আমি এটি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে শুনেছি। [৬০৯] (আধুনিক প্রকাশনী- ৭০২৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا اسماعيل، حدثني مالك، عن عبد الرحمن بن عبد الله بن عبد الرحمن بن ابي صعصعة، عن ابيه، انه اخبره ان ابا سعيد الخدري رضى الله عنه قال له " اني اراك تحب الغنم والبادية، فاذا كنت في غنمك او باديتك فاذنت للصلاة فارفع صوتك بالنداء، فانه لا يسمع مدى صوت الموذن جن ولا انس ولا شىء، الا شهد له يوم القيامة ". قال ابو سعيد سمعته من رسول الله صلى الله عليه وسلم
‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন কুরআন পড়তেন তখন তাঁর মাথা থাকত আমার কোলে যদিও আমি থাকতাম ঋতুমতী। [২৯৭] (আধুনিক প্রকাশনী- ৭০২৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا قبيصة، حدثنا سفيان، عن منصور، عن امه، عن عايشة، قالت كان النبي صلى الله عليه وسلم يقرا القران وراسه في حجري وانا حايض
মিসওয়ার ইবনু মাখরামাহ (রহ.) ও ‘আবদুর রহমান ইবনু ‘আবদুল ক্বারী (রহ.) হতে বর্ণিত। তাঁরা উভয়ে ‘উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেন। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর জীবিত অবস্থায় আমি হিশাম ইবনু হাকীম (রাঃ)-কে (সালাতে) সূরায়ে ফুরকান তিলাওয়াত করতে শুনেছি। আমি একাগ্রমনে তাঁর তিলাওয়াত শুনছিলাম। তিনি এমন অনেকগুলো শব্দ তিলাওয়াত করছিলেন, যেগুলো রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে তিলাওয়াত করাননি। এতে আমি তাঁকে সালাতের অবস্থায় ধরে ফেলতে চেয়েছিলাম। কিন্তু সালাম ফেরানো অবধি আমি ধৈর্য ধরলাম। তারপর আমি তাঁর চাদর দিয়ে তাঁকে জড়িয়ে ধরলাম। আর বললাম, আমি তোমাকে যে সূরা পাঠ করতে শুনলাম, তা তোমাকে কে শিখিয়েছে? তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। আমি বললাম, তুমি মিথ্যে বলেছ, তিনি আমাকে শিখিয়েছেন, তবে তোমার কিরাআতের মত নয়। তারপর আমি তাঁকে টেনে টেনে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে নিয়ে চললাম। এরপর আমি বললাম, আমি শুনলাম একে ভিন্ন শব্দ দ্বারা সূরাহ ফুরকান পাঠ করতে, যা আপনি আমাকে শিখাননি। তিনি (নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] বললেনঃ আচ্ছা, তাকে ছেড়ে দাও। তুমি পড়, হে হিশাম! এরপর আমি যেমন কিরাআত শুনেছিলাম তিনি তেমন কিরাআত পড়লেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ কুরআন এভাবেই নাযিল হয়েছে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ হে ‘উমার! তুমি পড়। আমি সেভাবে পড়লাম যেভাবে আমাকে শিখানো হয়েছিল। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ এভাবেই নাযিল হয়েছে। এ কুরআন সাত হরফে (কিরাআতে) নাযিল করা হয়েছে। কাজেই যেভাবে সহজ হয়, সেভাবে তা পাঠ কর। [২৪১৯] (আধুনিক প্রকাশনী- ৭০৩০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا يحيى بن بكير، حدثنا الليث، عن عقيل، عن ابن شهاب، حدثني عروة، ان المسور بن مخرمة، وعبد الرحمن بن عبد القاري، حدثاه انهما، سمعا عمر بن الخطاب، يقول سمعت هشام بن حكيم، يقرا سورة الفرقان في حياة رسول الله صلى الله عليه وسلم فاستمعت لقراءته، فاذا هو يقرا على حروف كثيرة لم يقرينيها رسول الله صلى الله عليه وسلم، فكدت اساوره في الصلاة، فتصبرت حتى سلم، فلببته بردايه فقلت من اقراك هذه السورة التي سمعتك تقرا قال اقرانيها رسول الله صلى الله عليه وسلم فقلت كذبت، اقرانيها على غير ما قرات. فانطلقت به اقوده الى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقلت اني سمعت هذا يقرا سورة الفرقان على حروف لم تقرينيها. فقال " ارسله، اقرا يا هشام ". فقرا القراءة التي سمعته. فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " كذلك انزلت ". ثم قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اقرا يا عمر ". فقرات التي اقراني فقال " كذلك انزلت، ان هذا القران انزل على سبعة احرف فاقرءوا ما تيسر منه
حدثنا عبدان، اخبرنا عبد الله، اخبرنا يونس، عن الزهري، اخبرني سالم، عن ابن عمر رضى الله عنهما ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " انما بقاوكم فيمن سلف من الامم كما بين صلاة العصر الى غروب الشمس، اوتي اهل التوراة التوراة فعملوا بها حتى انتصف النهار، ثم عجزوا فاعطوا قيراطا قيراطا، ثم اوتي اهل الانجيل الانجيل فعملوا به حتى صليت العصر، ثم عجزوا فاعطوا قيراطا قيراطا، ثم اوتيتم القران فعملتم به حتى غربت الشمس، فاعطيتم قيراطين قيراطين، فقال اهل الكتاب هولاء اقل منا عملا واكثر اجرا. قال الله هل ظلمتكم من حقكم شييا قالوا لا. قال فهو فضلي اوتيه من اشاء