Loading...

Loading...
বইসমূহ
১৭২ হাদিসসমূহ
قَالَ أَبُو عَبْد اللهِ وَقَالَ لِي عَبْدُ اللهِ بْنُ مُحَمَّدٍ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ ابْنِ جُرَيْجٍ قَالَ قَالَ لِي ابْنُ أَبِي مُلَيْكَةَ يَا عَبْدَ الْمَلِكِ لَوْ رَأَيْتَ مَسَاجِدَ ابْنِ عَبَّاسٍ وَأَبْوَابَهَا. আবূ ‘আবদুল্লাহ [ইমাম বুখারী (রহ.)] বলেনঃ আমাকে ‘আবদুল্লাহ ইবনু মুহাম্মাদ (রহ.) বলেছেন যে, আমাকে সুফ্ইয়ান (রহ.) ইবনু জুরায়জ (রহ.) হতে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেনঃ আমাকে ইবনু আবী মুলাইকাহ (রহ.) বলেছেন, ‘‘হে ‘আবদুল মালিক! তুমি ইবনু ‘আব্বাস (রাযি.)-এর মাসজিদ ও তার দরজাগুলো যদি দেখতে’’। ৪৬৮. ইবনু ‘উমার হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন মক্কা্য় আসেন তখন ‘উসমান ইবনু তালহা (রাযি.)-কে ডাকলেন। তিনি দরজা খুলে দিলে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম , বিলাল, উসামাহ ইবনু যায়দ ও ‘উসমান ইবনু ত্বলহাহ (রাযি.) ভিতরে গেলেন। অতঃপর দরজা বন্ধ করে দেয়া হল। তিনি সেখানে কিছুক্ষণ অবস্থান করলেন। অতঃপর সকলেই বের হলেন। ইবনু ‘উমার (রাযি.) বলেনঃ আমি তাড়াতাড়ি গিয়ে বিলাল (রাযি.)-কে (সালাতের কথা) জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেনঃ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ভিতরে সালাত আদায় করেছেন। আমি জিজ্ঞেস করলামঃ কোন্ স্থানে? তিনি বললেন, দুই স্তম্ভের মাঝামাঝি। ইবনু ‘উমার (রাযি.) বলেনঃ কয় রাক‘আত আদায় করেছেন তা জিজ্ঞেস করতে আমি ভুলে গিয়েছিলাম। (৩৯৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৪৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ابو النعمان، وقتيبة، قالا حدثنا حماد، عن ايوب، عن نافع، عن ابن عمر، ان النبي صلى الله عليه وسلم قدم مكة، فدعا عثمان بن طلحة، ففتح الباب، فدخل النبي صلى الله عليه وسلم وبلال واسامة بن زيد وعثمان بن طلحة، ثم اغلق الباب، فلبث فيه ساعة ثم خرجوا. قال ابن عمر فبدرت فسالت بلالا فقال صلى فيه. فقلت في اى قال بين الاسطوانتين. قال ابن عمر فذهب على ان اساله كم صلى
আবূ হুরাইরাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কতিপয় অশ্বারোহী সৈন্য নজদ অভিমুখে পাঠালেন। তারা বানূ হানীফা গোত্রের সুমামা ইবনু উসাল নামক এক ব্যক্তিকে নিয়ে এলেন। অতঃপর তাকে মসজিদের একটি খুঁটির সাথে বেঁধে রাখলেন। (৪৬২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৪৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا قتيبة، قال حدثنا الليث، عن سعيد بن ابي سعيد، انه سمع ابا هريرة، يقول بعث رسول الله صلى الله عليه وسلم خيلا قبل نجد، فجاءت برجل من بني حنيفة يقال له ثمامة بن اثال، فربطوه بسارية من سواري المسجد
সায়িব ইবনু ইয়াযীদ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি মসজিদে নাববীতে দাঁড়িয়েছিলাম। এমন সময় একজন লোক আমার দিকে একটা কাঁকর নিক্ষেপ করলো। আমি তাঁর দিকে তাকিয়ে দেখলাম যে, তিনি ‘উমার ইবনুল খাত্তাব (রাযি.)। তিনি বললেনঃ যাও, এ দু’জনকে আমার নিকট নিয়ে এস। আমি তাদের নিয়ে তাঁর নিকট এলাম। তিনি বললেনঃ তোমরা কারা? অথবা তিনি বললেনঃ তোমরা কোন্ স্থানের লোক? তারা বললোঃ আমরা তায়েফের অধিবাসী। তিনি বললেনঃ তোমরা যদি মদিনার লোক হতে, তবে আমি অবশ্যই তোমাদের কঠোর শাস্তি দিতাম। তোমরা দু’জনে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর মসজিদে উচ্চস্বরে কথা বলছো! (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৫০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا علي بن عبد الله، قال حدثنا يحيى بن سعيد، قال حدثنا الجعيد بن عبد الرحمن، قال حدثني يزيد بن خصيفة، عن السايب بن يزيد، قال كنت قايما في المسجد فحصبني رجل، فنظرت فاذا عمر بن الخطاب فقال اذهب فاتني بهذين. فجيته بهما. قال من انتما او من اين انتما قالا من اهل الطايف. قال لو كنتما من اهل البلد لاوجعتكما، ترفعان اصواتكما في مسجد رسول الله صلى الله عليه وسلم
কা‘ব ইবনু মালিক (রাযি.) হতে বর্ণিত। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর যুগে তিনি ইবনু আবূ হাদরাদের নিকট তাঁর প্রাপ্য সম্পর্কে মসজিদে নাববীতে তাগাদা করেন। এতে উভয়ের আওয়ায উঁচু হয়ে গেল। এমন কি সে আওয়ায আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর ঘর হতে শুনতে পেলেন। তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর ঘরের পর্দা সরিয়ে তাদের দিকে বের হয়ে এলেন এবং কা‘ব ইবনু মালিককে ডেকে বললেনঃ হে কা‘ব! উত্তরে কা‘ব বললেনঃ লাববায়কা ইয়া রাসূলাল্লাহ! তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাতে ইঙ্গিত করলেন যে, তোমার প্রাপ্য হতে অর্ধেক ছেড়ে দাও। কা‘ব (রাযি.) বললেনঃ হে আল্লাহর রাসূল! আমি তাই করলাম। তখন আল্লাহর রাসূল ইবনু আবূ হাদরাদ (রাযি.)-কে বললেনঃ উঠ এবার (বাকী) ঋণ পরিশোধ কর। (৪৫৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৫১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا احمد، قال حدثنا ابن وهب، قال اخبرني يونس بن يزيد، عن ابن شهاب، حدثني عبد الله بن كعب بن مالك، ان كعب بن مالك، اخبره انه، تقاضى ابن ابي حدرد دينا له عليه، في عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم في المسجد، فارتفعت اصواتهما حتى سمعها رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو في بيته، فخرج اليهما رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى كشف سجف حجرته ونادى " يا كعب بن مالك، يا كعب ". قال لبيك يا رسول الله. فاشار بيده ان ضع الشطر من دينك. قال كعب قد فعلت يا رسول الله. قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " قم فاقضه
ইবনু ‘উমার (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে প্রশ্ন করলেন, তখন তিনি মিম্বারে ছিলেন- আপনি রাতের সালাত কীভাবে আদায় করতে বলেন? তিনি বলেনঃ দু’রাক‘আত দু’রাক‘আত করে আদায় করবে। যখন তোমাদের কারো ভোর হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা হয় তখন সে আরো এক রাক‘আত আদায় করে নিবে। আর এটি তার পূর্ববর্তী সালাতকে বিত্র করে দেবে। [নাফি‘ (রহ.) বলেন] ইবনু ‘উমার (রাযি.) বলতেনঃ তোমরা বিতরকে রাতের শেষ সালাত হিসেবে আদায় কর। কেননা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ নির্দেশ দিয়েছেন। (৪৭৩, ৯৯০, ৯৯৩, ৯৯৫, ১১৩৭; মুসলিম ৬/২০, হাঃ ৭৪৯, ৭৫৩, আহমাদ ৬০১৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৫২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا مسدد، قال حدثنا بشر بن المفضل، عن عبيد الله، عن نافع، عن ابن عمر، قال سال رجل النبي صلى الله عليه وسلم وهو على المنبر ما ترى في صلاة الليل قال " مثنى مثنى، فاذا خشي الصبح صلى واحدة، فاوترت له ما صلى ". وانه كان يقول اجعلوا اخر صلاتكم وترا، فان النبي صلى الله عليه وسلم امر به
ইবনু ‘উমার (রাযি.) হতে বর্ণিত। এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট এমন সময় আসলেন যখন তিনি খুত্বাহ দিচ্ছিলেন। তিনি জিজ্ঞেস করলেনঃ রাতের সালাত কীভাবে আদায় করতে হয়? নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ দু’রাক‘আত দু’রাক‘আত করে আদায় করবে। আর যখন ভোর হবার আশঙ্কা করবে, তখন আরো এক রাক‘আত আদায় করে নিবে। সে রাক‘আত তোমার পূর্বের সালাতকে বিত্র করে দিবে। ওয়ালীদ ইব্ন কাসীর (রহ.) বলেনঃ ‘উবাইদুল্লাহ ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রহ.) আমার নিকট বলেছেন যে, ইবনু ‘উমার (রাযি.) তাঁদের বলেছেনঃ এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে সম্বোধন করে বললেন, তখন তিনি মসজিদে ছিলেন। (৪৭২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৫৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ابو النعمان، قال حدثنا حماد، عن ايوب، عن نافع، عن ابن عمر، ان رجلا، جاء الى النبي صلى الله عليه وسلم وهو يخطب فقال كيف صلاة الليل فقال " مثنى مثنى، فاذا خشيت الصبح فاوتر بواحدة، توتر لك ما قد صليت ". قال الوليد بن كثير حدثني عبيد الله بن عبد الله ان ابن عمر حدثهم ان رجلا نادى النبي صلى الله عليه وسلم وهو في المسجد
আবূ ওয়াক্বিদ লায়সী (রাযি.) হতে বর্ণিত। একদা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মসজিদে ছিলেন। এমতাবস্থায় তিনজন লোক এলেন। তাঁদের দু’জন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট এগিয়ে এলেন আর একজন চলে গেলেন। এ দু’জনের একজন হালকায় খালি স্থান পেয়ে সেখানে বসে পড়লেন। দ্বিতীয় ব্যক্তি তাদের পেছনে বসলেন। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কথাবার্তা হতে অবসর হয়ে বললেনঃ আমি কি তোমাদের ঐ তিন ব্যক্তি সম্পর্কে খবর দেব? এক ব্যক্তি তো আল্লাহর দিকে অগ্রসর হলো। আল্লাহও তাকে আশ্রয় দিলেন। দ্বিতীয় ব্যক্তি লজ্জা করলো, আর আল্লাহ তা‘আলাও তাকে (বঞ্চিত করতে) লজ্জাবোধ করলেন। তৃতীয় ব্যক্তি মুখ ফিরিয়ে নিল, কাজেই আল্লাহও তার হতে ফিরে থাকলেন। (৬৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৫৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبد الله بن يوسف، قال اخبرنا مالك، عن اسحاق بن عبد الله بن ابي طلحة، ان ابا مرة، مولى عقيل بن ابي طالب اخبره عن ابي واقد الليثي، قال بينما رسول الله صلى الله عليه وسلم في المسجد فاقبل ثلاثة نفر، فاقبل اثنان الى رسول الله صلى الله عليه وسلم وذهب واحد، فاما احدهما فراى فرجة فجلس، واما الاخر فجلس خلفهم، فلما فرغ رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " الا اخبركم عن الثلاثة اما احدهم فاوى الى الله، فاواه الله، واما الاخر فاستحيا، فاستحيا الله منه، واما الاخر فاعرض، فاعرض الله عنه
‘আব্বাদ ইবনু তামীম (রহ.) তাঁর চাচা হতে বর্ণনা করেন, তিনি (তাঁর চাচা) আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে মসজিদে চিত হয়ে এক পায়ের উপর আরেক পা রেখে শুয়ে থাকতে দেখেছেন। ইবনু শিহাব (রহ.) সা‘ঈদ ইবনু মুসায়্যাব (রহ.) হতে বর্ণনা করেন যে, ‘উমার ও ‘উসমান (রাযি... ‘আনহুমা) এমন করতেন। (৫৯৬৯, ৬২৮৭; মুসলিম ৩৭/২২, হাঃ ২১০০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৫৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبد الله بن مسلمة، عن مالك، عن ابن شهاب، عن عباد بن تميم، عن عمه، انه راى رسول الله صلى الله عليه وسلم مستلقيا في المسجد، واضعا احدى رجليه على الاخرى. وعن ابن شهاب عن سعيد بن المسيب قال كان عمر وعثمان يفعلان ذلك
قَالَ الْحَسَنُ وَأَيُّوبُ وَمَالِكٌ. হাসান বাসরী, আইয়ূব এবং মালিক (রহ.) এরূপ বলেছেন। ৪৭৬. ‘উরওয়াহ বিন যুবাইর সংবাদ দিয়েছেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহধর্মিণী ‘আয়িশাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেছেনঃ আমার জ্ঞানমতে আমি আমার মাতা-পিতাকে সব সময় দ্বীনের অনুসরণ করতে দেখেছি। আর আমাদের এমন কোন দিন যায়নি যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সে দিনের উভয় প্রান্তে সকাল-সন্ধ্যায় আমাদের নিকট আসেননি। অতঃপর আবূ বাকর (রাযি.)-এর মাসজিদ নির্মাণের প্রয়োজন দেখা দিল। তিনি তাঁর ঘরের আঙ্গিণায় একটি মাসজিদ তৈরি করলেন। তিনি এতে সালাত আদায় করতেন ও কুরআন তিলাওয়াত করতেন। মুশরিকদের মহিলা ও ছেলেমেয়েরা সেখানে দাঁড়াতো এবং এতে তারা বিস্মিত হয়ে তাঁর দিকে তাকিয়ে থাকতো। আবূ বাকর (রাযি.) ছিলেন একজন অধিক ক্রন্দনকারী ব্যক্তি। তিনি কুরআন পড়া শুরু করলে অশ্রু সংবরণ করতে পারতেন না। তাঁর এ অবস্থা নেতৃস্থানীয় মুশরিক কুরাইশদের নেতৃবৃন্দকে শঙ্কিত করে তুলল। (২১৩৮, ২২৬৩, ২২৬৪, ২২৯৭, ৩৯০৫, ৪০৯৩, ৫৮০৭, ৬০৭৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৫৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا يحيى بن بكير، قال حدثنا الليث، عن عقيل، عن ابن شهاب، قال اخبرني عروة بن الزبير، ان عايشة، زوج النبي صلى الله عليه وسلم قالت لم اعقل ابوى الا وهما يدينان الدين، ولم يمر علينا يوم الا ياتينا فيه رسول الله صلى الله عليه وسلم طرفى النهار بكرة وعشية، ثم بدا لابي بكر فابتنى مسجدا بفناء داره، فكان يصلي فيه ويقرا القران، فيقف عليه نساء المشركين، وابناوهم يعجبون منه وينظرون اليه، وكان ابو بكر رجلا بكاء لا يملك عينيه اذا قرا القران، فافزع ذلك اشراف قريش من المشركين
وَصَلَّى ابْنُ عَوْنٍ فِي مَسْجِدٍ فِي دَارٍ يُغْلَقُ عَلَيْهِمْ الْبَابُ ইবনু ‘আওন (রহ.) ঘরের মসজিদে সালাত আদায় করতেন যার দরজা বন্ধ করা হতো। ৪৭৭. আবূ হুরাইরাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ জামা‘আতের সাথে সালাত আদায় করলে ঘর বা বাজারে সালাত আদায় করার চেয়ে পঁচিশ গুণ সওয়াব বৃদ্ধি পায়। কেননা, তোমাদের কেউ যদি ভাল করে উযূ করে কেবল সালাতের উদ্দেশেই মসজিদে আসে, সে মসজিদে প্রবেশ করা পর্যন্ত যতবার কদম রাখে তার প্রতিটির বিনিময়ে আল্লাহ তা‘আলা তার মর্যাদা ক্রমান্বয়ে উন্নীত করবেন এবং তার এক-একটি করে গুনাহ মাফ করবেন। আর মসজিদে প্রবেশ করে যতক্ষণ পর্যন্ত সালাতের অপেক্ষায় থাকে, ততক্ষণ তাকে সালাতেই গণ্য করা হয়। আর সালাত শেষে সে যতক্ষণ ঐ স্থানে থাকে ততক্ষণ মালাকগণ তার জন্যে এ বলে দু’আ করেনঃ হে আল্লাহ! তাকে ক্ষমা করুন, হে আল্লাহ! তাকে রহম করুন- যতক্ষণ সে কাউকে কষ্ট না দেয়, উযূ ভেঙ্গে যাওয়ার কোন কাজ সেখানে না করে। (১৭৬; মুসলিম ৫/৪২, হাঃ ৭৬৪৯, আহমাদ ৫৩৩২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৫৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا مسدد، قال حدثنا ابو معاوية، عن الاعمش، عن ابي صالح، عن ابي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " صلاة الجميع تزيد على صلاته في بيته، وصلاته في سوقه خمسا وعشرين درجة، فان احدكم اذا توضا فاحسن واتى المسجد، لا يريد الا الصلاة، لم يخط خطوة الا رفعه الله بها درجة، وحط عنه خطيية، حتى يدخل المسجد، واذا دخل المسجد كان في صلاة ما كانت تحبسه، وتصلي يعني عليه الملايكة ما دام في مجلسه الذي يصلي فيه اللهم اغفر له، اللهم ارحمه، ما لم يحدث فيه
ইবনু ‘উমার বা ইবনু ‘আমর (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক হাতের আঙ্গুল আর এক হাতের আঙুলে প্রবেশ করান। (৪৮০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৫৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا حامد بن عمر، عن بشر، حدثنا عاصم، حدثنا واقد، عن ابيه، عن ابن عمر، او ابن عمرو شبك النبي صلى الله عليه وسلم اصابعه
ইবনু ‘উমার বা ইবনু ‘আমর (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক হাতের আঙ্গুল আর এক হাতের আঙুলে প্রবেশ করান। (৪৮০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৫৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا حامد بن عمر، عن بشر، حدثنا عاصم، حدثنا واقد، عن ابيه، عن ابن عمر، او ابن عمرو شبك النبي صلى الله عليه وسلم اصابعه
‘আসিম ইবনু ‘আলী (রহ.) হতে বর্ণিত। ‘আসিম ইবনু মুহাম্মাদ (রহ.) বলেনঃ আমি এ হাদীস আমার পিতা হতে শুনেছিলাম, কিন্তু আমি তা স্মরণ রাখতে পারিনি। পরে এ হাদীসটি আমাকে ঠিকভাবে বর্ণনা করেন ওয়াকিদ (রহ.) তাঁর পিতা হতে। তিনি বলেনঃ আমার পিতাকে বলতে শুনেছি যে, ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর (রাযি.) বলেছেন যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেনঃ হে ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর! যখন তুমি নিকৃষ্ট লোকদের সাথে অবস্থান করবে, তখন তোমার কী অবস্থা হবে? (৪৭৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৫৮ শেষাংশ, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৪৬৪ শেষাংশ)
وقال عاصم بن علي حدثنا عاصم بن محمد، سمعت هذا الحديث، من ابي فلم احفظه، فقومه لي واقد عن ابيه، قال سمعت ابي وهو، يقول قال عبد الله قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " يا عبد الله بن عمرو، كيف بك اذا بقيت في حثالة من الناس بهذا
আবূ মূসা (রাযি.) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ একজন মু’মিন আরেকজন মু‘মিনের জন্যে ইমারতস্বরূপ, যার এক অংশ অপর অংশকে শক্তিশালী করে থাকে। এ ব’লে তিনি তার হাতের আঙুলগুলো একটার মধ্যে আরেকটা প্রবেশ করালেন। (২৪৪৬, ৬০২৬; মুসলিম ৫৪/১৭, হাঃ ২৫৮৫, আহমাদ ১৯৬৪৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৫৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا خلاد بن يحيى، قال حدثنا سفيان، عن ابي بردة بن عبد الله بن ابي بردة، عن جده، عن ابي موسى، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " ان المومن للمومن كالبنيان، يشد بعضه بعضا ". وشبك اصابعه
আবূ হুরাইরাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদা আমাদের বিকালের এক সালাতে ইমামত করলেন। ইবনু সীরীন (রহ.) বলেনঃ আবূ হুরাইরাহ্ (রাযি.) সালাতের নাম বলেছিলেন, কিন্তু আমি তা ভুলে গেছে। আবূ হুরাইরাহ্ (রাযি.) বলেনঃ তিনি আমাদের নিয়ে দু’রাক‘আত সালাত আদায় করে সালাম ফিরালেন। অতঃপর মসজিদে রাখা এক টুকরা কাঠের উপর ভর দিয়ে দাঁড়ালেন। তাঁকে রাগান্বিত মনে হচ্ছিল। তিনি তাঁর ডান হাত বাঁ হাতের উপর রেখে এক হাতের আঙুল অপর হাতের আঙুলের মধ্যে প্রবেশ করালেন। আর তাঁর ডান গাল বাম হাতের পিঠের উপর রাখলেন। যাঁদের তাড়া ছিল তাঁরা মসজিদের দরজা দিয়ে বাইরে চলে গেলেন। সাহাবীগণ বললেনঃ সালাত কি সংক্ষিপ্ত হয়ে গেছে? উপস্থিত লোকজনের মধ্যে আবূ বাকর (রাযি.) এবং ‘উমার (রাযি.)-ও ছিলেন। কিন্তু তাঁরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সঙ্গে কথা বলতে ভয় পেলেন। আর লোকজনের মধ্যে লম্বা হাত বিশিষ্ট এক ব্যক্তি ছিলেন, যাঁকে ‘যুল-ইয়াদাইন’ বলা হতো, তিনি বললেনঃ হে আল্লাহর রাসূল! আপনি কি ভুলে গেছেন, নাকি সালাত সংক্ষেপ করা হয়েছে? তিনি বললেনঃ আমি ভুলিনি এবং সালাত সংক্ষেপও করা হয়নি। অতঃপর (অন্যদের) জিজ্ঞেস করলেনঃ যুল-ইয়াদাইনের কথা কি ঠিক? তাঁরা বললেনঃ হাঁ। অতঃপর তিনি এগিয়ে এলেন এবং সালাতের বাদপড়া অংশটুকু আদায় করলেন। অতঃপর সালাম ফিরালেন ও তাকবীর বললেন এবং স্বাভাবিকভাবে সিজদা’র মতো বা একটু দীর্ঘ সিজদা করলেন। অতঃপর তাকবীর বলে তাঁর মাথা উঠালেন। পরে পুনরায় তাকবীর বললেন এবং স্বাভাবিকভাবে সিজদা’র মত বা একটু দীর্ঘ সিজদা করলেন। অতঃপর তাকবীর বলে তাঁর মাথা উঠালেন। লোকেরা প্রায়ই ইবনু সীরীন (রহ.)-কে জিজ্ঞেস করতো, ‘‘পরে কি তিনি সালাম ফিরিয়েছিলেন?’’ তখন ইবনু সীরীন (রহ.) বলতেনঃ আমার নিকট বর্ণনা করা হয়েছে যে, ‘ইমরান ইবনু হুসাইন (রাযি.) আমাকে খবর দিয়েছেন যে,ঃ অতঃপর তিনি সালাম ফিরিয়েছিলেন। (৭১৪, ৭১৫, ১২২৭, ১২২৯, ৬০৫১, ৭২৫০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا اسحاق، قال حدثنا ابن شميل، اخبرنا ابن عون، عن ابن سيرين، عن ابي هريرة، قال صلى بنا رسول الله صلى الله عليه وسلم احدى صلاتى العشي قال ابن سيرين سماها ابو هريرة ولكن نسيت انا قال فصلى بنا ركعتين ثم سلم، فقام الى خشبة معروضة في المسجد فاتكا عليها، كانه غضبان، ووضع يده اليمنى على اليسرى، وشبك بين اصابعه، ووضع خده الايمن على ظهر كفه اليسرى، وخرجت السرعان من ابواب المسجد فقالوا قصرت الصلاة. وفي القوم ابو بكر وعمر، فهابا ان يكلماه، وفي القوم رجل في يديه طول يقال له ذو اليدين قال يا رسول الله، انسيت ام قصرت الصلاة قال " لم انس، ولم تقصر ". فقال " اكما يقول ذو اليدين ". فقالوا نعم. فتقدم فصلى ما ترك، ثم سلم، ثم كبر وسجد مثل سجوده او اطول، ثم رفع راسه وكبر، ثم كبر وسجد مثل سجوده او اطول، ثم رفع راسه وكبر. فربما سالوه ثم سلم فيقول نبيت ان عمران بن حصين قال ثم سلم
মূসা ইবনু ‘উকবাহ (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি সালিম ইবনু ‘আবদুল্লাহ্ (রাযি.)-কে রাস্তার বিশেষ বিশেষ স্থান অনুসন্ধান করে সে সব স্থানে সালাত আদায় করতে দেখেছি এবং তিনি বর্ণনা করতেন যে, তাঁর পিতাও এসব স্থানে সালাত আদায় করতেন। আর তিনিও আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে এসব স্থানে সালাত আদায় করতে দেখেছেন। মূসা ইবনু ‘উকবাহ (রহ.) বলেনঃ নাফি‘ (রহ.)-ও আমার নিকট ইবনু ‘উমার (রাযি.) হতে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি সেসব স্থানে সালাত আদায় করতেন। অতঃপর আমি সালিম (রহ.)-কে জিজ্ঞেস করি। আমার জানামতে তিনিও সেসব স্থানে সালাত আদায়ের ব্যাপারে নাফি’ (রহ.)-এর সাথে ঐকমত্য পোষণ করেছেন; তবে ‘শারাফুর-রাওহা’ নামক স্থানের মাসজিদটির ব্যাপারে মতভেদ রয়েছে। (১৫৩৫, ২৩৩, ৭৩৪৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا محمد بن ابي بكر المقدمي، قال حدثنا فضيل بن سليمان، قال حدثنا موسى بن عقبة، قال رايت سالم بن عبد الله يتحرى اماكن من الطريق فيصلي فيها، ويحدث ان اباه كان يصلي فيها، وانه راى النبي صلى الله عليه وسلم يصلي في تلك الامكنة. وحدثني نافع عن ابن عمر انه كان يصلي في تلك الامكنة. وسالت سالما، فلا اعلمه الا وافق نافعا في الامكنة كلها الا انهما اختلفا في مسجد بشرف الروحاء
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাযি.) হতে বর্ণিত। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ‘উমারাহ ও হাজ্জের জন্যে রওয়ানা হলে ‘যুল-হুলায়ফা’য় অবতরণ করতেন, বাবলা গাছের নীচে ‘যুল হুলায়ফা’র মসজিদের স্থান। আর যখন কোন যুদ্ধ হতে অথবা হাজ্জ বা ‘উমারাহ করে সেই পথে ফিরতেন, তখন উপত্যকার মাঝখানে অবতরণ করতেন। যখন উপত্যকার মাঝখান হতে উপরের দিকে আসতেন, তখন উপত্যকার তীরে অবস্থিত পূর্ব নিম্নভূমিতে উট বসাতেন। সেখানে তিনি শেষ রাত হতে ভোর পর্যন্ত বিশ্রাম করতেন। এ স্থানটি পাথরের উপর নির্মিত মসজিদের নিকট নয় এবং যে মাসজিদ টিলার উপর, তার নিকটেও নয়। এখানে ছিল একটি ঝিল, যার পাশে ‘আবদুল্লাহ (রাযি.) সালাত আদায় করতেন। এর ভিতরে কতগুলো বালির স্তূপ ছিল। আর আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এখানেই সালাত আদায় করতেন। অতঃপর নিম্নভূমিতে পানির প্রবাহ হয়ে ‘আবদুল্লাহ (রাযি.) যে স্থানে সালাত আদায় করতেন তা সমান করে দিয়েছে। (১৫৩২, ১৫৩৩, ১৭৯৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬২ প্রথমাংশ, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ابراهيم بن المنذر، قال حدثنا انس بن عياض، قال حدثنا موسى بن عقبة، عن نافع، ان عبد الله، اخبره ان رسول الله صلى الله عليه وسلم كان ينزل بذي الحليفة حين يعتمر، وفي حجته حين حج، تحت سمرة في موضع المسجد الذي بذي الحليفة، وكان اذا رجع من غزو كان في تلك الطريق او حج او عمرة هبط من بطن واد، فاذا ظهر من بطن واد اناخ بالبطحاء التي على شفير الوادي الشرقية، فعرس ثم حتى يصبح، ليس عند المسجد الذي بحجارة، ولا على الاكمة التي عليها المسجد، كان ثم خليج يصلي عبد الله عنده، في بطنه كثب كان رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم يصلي، فدحا السيل فيه بالبطحاء حتى دفن ذلك المكان الذي كان عبد الله يصلي فيه
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাযি.) [নাফি’ (রহ.)-কে] বলেছেনঃ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ‘শারাফুর-রাওহা’র মসজিদের নিকট ছোট মসজিদের স্থানে সালাত আদায় করেছিলেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যেখানে সালাত আদায় করেছিলেন, ‘আবদুল্লাহ (রাযি.) সে স্থানের পরিচয় দিতেন এই বলে যে, যখন তুমি মসজিদে সালাতে দাঁড়াবে তখন তা তোমার ডানদিকে। আর সেই মাসজিদটি হলো যখন তুমি (মদ্বীনা হতে) মক্কা্ যাবে তখন তা ডানদিকের রাস্তার এক পাশে থাকবে। সে স্থান ও বড় মসজিদের মাঝখানে ব্যবধান হলো একটি ঢিল নিক্ষেপ পরিমাণ অথবা তার কাছাকাছি। (আধুনিক প্রকাশনীঃ৪৬২ দ্বিতীয় অংশ, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৪৬৮ দ্বিতীয় অংশ)
وان عبد الله بن عمر حدثه ان النبي صلى الله عليه وسلم صلى حيث المسجد الصغير الذي دون المسجد الذي بشرف الروحاء، وقد كان عبد الله يعلم المكان الذي كان صلى فيه النبي صلى الله عليه وسلم يقول ثم عن يمينك حين تقوم في المسجد تصلي، وذلك المسجد على حافة الطريق اليمنى، وانت ذاهب الى مكة، بينه وبين المسجد الاكبر رمية بحجر او نحو ذلك
আর ইবনু ‘উমার (রাযি.) ‘রাওহা’র শেষ মাথায় ‘ইরক’ (ছোট পাহাড়)-এর নিকট সালাত আদায় করতেন। সেই ‘ইরক’-এর শেষ প্রান্ত হলো রাস্তার পাশে মসজিদের কাছাকাছি মক্কা যাওয়ার পথে রাওহা ও মক্কার মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত। এখানে একটি মাসজিদ নির্মিত হয়েছে। ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাযি.) এই মসজিদে সালাত আদায় করতেন না, বরং সেটাকে তিনি বামদিকে ও পেছনে ফেলে অগ্রসর হয়ে ‘ইরক’-এর নিকটে সালাত আদায় করতেন। আর ‘আবদুল্লাহ (রাযি.) রাওহা হতে বেরিয়ে ঐ স্থানে পৌঁছার পূর্বে যুহরের সালাত আদায় করতেন না। সেখানে পৌঁছে যোহর আদায় করতেন। আর মক্কা্ হতে আসার সময় এ পথে ভোরের এক ঘণ্টা পূর্বে বা শেষ রাতে আসলে সেখানে অবস্থান করে ফজরের সালাত আদায় করতেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬২ তৃতীয় অংশ, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৪৬৮ তৃতীয় অংশ)
وان ابن عمر كان يصلي الى العرق الذي عند منصرف الروحاء، وذلك العرق انتهاء طرفه على حافة الطريق، دون المسجد الذي بينه وبين المنصرف، وانت ذاهب الى مكة. وقد ابتني ثم مسجد، فلم يكن عبد الله يصلي في ذلك المسجد، كان يتركه عن يساره ووراءه، ويصلي امامه الى العرق نفسه، وكان عبد الله يروح من الروحاء، فلا يصلي الظهر حتى ياتي ذلك المكان فيصلي فيه الظهر، واذا اقبل من مكة فان مر به قبل الصبح بساعة او من اخر السحر عرس حتى يصلي بها الصبح
‘আবদুল্লাহ (রাযি.) আরো বর্ণনা করেনঃ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ‘রুওয়ায়ছা’র নিকটে রাস্তার ডানদিকে রাস্তা সংলগ্ন প্রশস্ত সমতল ভূমিতে একটা বিরাট গাছের নীচে অবস্থান করতেন। অতঃপর তিনি ‘রুওয়ায়ছা’র ডাকঘরের দু’মাইল দূরে ঢিলার পাশ দিয়ে রওয়ানা হতেন। বর্তমানে গাছটির উপরের অংশ ভেঙে গিয়ে মাঝখানে ঝুঁকে গেছে। গাছের কান্ড এখনো দাঁড়িয়ে আছে। আর তার আশেপাশে অনেকগুলো বালির স্তূপ বিস্তৃত রয়েছে। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬২ চতুর্থ অংশ, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৪৬৮ চতুর্থ অংশ)
وان عبد الله حدثه ان النبي صلى الله عليه وسلم كان ينزل تحت سرحة ضخمة دون الرويثة عن يمين الطريق، ووجاه الطريق في مكان بطح سهل، حتى يفضي من اكمة دوين بريد الرويثة بميلين، وقد انكسر اعلاها، فانثنى في جوفها، وهي قايمة على ساق، وفي ساقها كثب كثيرة