Loading...

Loading...
বইসমূহ
৮৯ হাদিসসমূহ
بَابُ مَا يُحْذَرُ مِنَ الْحُدُودِ অধ্যায়: শারীয়াতের ব্যাপারে ভীতি প্রদর্শন وَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ يُنْزَعُ مِنْهُ نُورُ الإِيمَانِ فِي الزِّنَا ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেছেন, যিনার কারণে ঈমানের জ্যোতি দূর হয়ে যায়। ৬৭৭২. আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যিনাকার যখন যিনায় লিপ্ত হয় তখন সে মু’মিন থাকে না। কেউ যখন মদপান করে তখন সে মু’মিন থাকে না। যে চুরি করে চুরি করার সময় মু’মিন থাকে না এবং কোন ছিনতাইকারী এমনভাবে ছিনতাই করে যে, মানুষ তার দিকে অসহায় হয়ে তাকিয়ে থাকে; তখন সে মু’মিন থাকে না।[2] ইবনু শিহাব (রহ.) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এরকমই বর্ণনা করেন। কিন্তু তাতে النُّهْبَةَ এর উল্লেখ নেই। [২৪৭৫] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৩০৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثني يحيى بن بكير، حدثنا الليث، عن عقيل، عن ابن شهاب، عن ابي بكر بن عبد الرحمن، عن ابي هريرة، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " لا يزني الزاني حين يزني وهو مومن، ولا يشرب الخمر حين يشرب وهو مومن، ولا يسرق حين يسرق وهو مومن، ولا ينتهب نهبة يرفع الناس اليه فيها ابصارهم وهو مومن ". وعن ابن شهاب، عن سعيد بن المسيب، وابي، سلمة عن ابي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم بمثله، الا النهبة
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মদ পানের জন্য গাছের ডাল এবং জুতা দ্বারা মেরেছেন। আর আবূ বাকর (রাঃ) চল্লিশ চাবুক লাগিয়েছেন। [৬৭৭৬; মুসলিম ২৯/৮, হাঃ ১৭০৬, আহমাদ ১২৮০৫] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৩০৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا حفص بن عمر، حدثنا هشام، عن قتادة، عن انس، ان النبي صلى الله عليه وسلم ح حدثنا ادم حدثنا شعبة حدثنا قتادة عن انس بن مالك رضى الله عنه ان النبي صلى الله عليه وسلم ضرب في الخمر بالجريد والنعال، وجلد ابو بكر اربعين
‘উকবাহ ইবনু হারিস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নু‘আয়মান অথবা (রাবীর সন্দেহ) নু‘আয়মানের পুত্রকে মদ্যপায়ী অবস্থায় আনা হল। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ঘরে যারা ছিল তাদেরকে নির্দেশ দিলেন তাকে প্রহার করার জন্যে। রাবী বলেন, তারা তাকে প্রহার করল, যারা তাকে জুতা মেরেছিল তাদের মাঝে আমিও ছিলাম।[1] [২৩১৬] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৩০৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا قتيبة، حدثنا عبد الوهاب، عن ايوب، عن ابن ابي مليكة، عن عقبة بن الحارث، قال جيء بالنعيمان او بابن النعيمان شاربا، فامر النبي صلى الله عليه وسلم من كان بالبيت ان يضربوه. قال فضربوه، فكنت انا فيمن ضربه بالنعال
‘উকবাহ ইবনু হারিস (রাঃ) হতে বর্ণিত। একবার নু‘আয়মান অথবা (রাবীর সন্দেহ) নু‘আয়মানের পুত্রকে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে আনা হল। তার অবস্থা দেখে তিনি দুঃখিত হলেন। তখন ঘরের ভিতরে যারা ছিল তিনি তাদেরকে হুকুম করলেন তাকে মারার জন্যে। তাই তারা তাকে গাছের ডাল এবং জুতা দিয়ে মারল। রাবী বলেন, যারা তাকে মেরেছিল, আমিও তাদের মাঝে ছিলাম। [২৩১৬] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৩০৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا سليمان بن حرب، حدثنا وهيب بن خالد، عن ايوب، عن عبد الله بن ابي مليكة، عن عقبة بن الحارث، ان النبي صلى الله عليه وسلم اتي بنعيمان او بابن نعيمان وهو سكران فشق عليه، وامر من في البيت ان يضربوه، فضربوه بالجريد والنعال، وكنت فيمن ضربه
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, মদপানের অপরাধে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম গাছের ডাল এবং জুতা দিয়ে পিটিয়েছেন। আবূ বাকর (রাঃ) চল্লিশটি চাবুক মেরেছেন। [৬৭৭৩] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৩০৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا مسلم، حدثنا هشام، حدثنا قتادة، عن انس، قال جلد النبي صلى الله عليه وسلم في الخمر بالجريد والنعال، وجلد ابو بكر اربعين
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এক লোককে আনা হল, সে মদ পান করেছিল। তিনি বললেনঃ তোমরা একে প্রহার কর। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) বলেন, তখন আমাদের মাঝে কেউ হাত দিয়ে প্রহার করল, কেউ জুতা দিয়ে মারল, আর কেউ কাপড় দিয়ে মারল। মার-ধোর যখন থামল তখন কেউ বলে উঠল, আল্লাহ্ তোমাকে লাঞ্ছিত করুন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ এমন বলো না, শয়তানকে এর বিরুদ্ধে সাহায্য করো না। [৬৭৮১] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৩০৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا قتيبة، حدثنا ابو ضمرة، انس عن يزيد بن الهاد، عن محمد بن ابراهيم، عن ابي سلمة، عن ابي هريرة رضى الله عنه اتي النبي صلى الله عليه وسلم برجل قد شرب قال " اضربوه ". قال ابو هريرة فمنا الضارب بيده، والضارب بنعله، والضارب بثوبه، فلما انصرف قال بعض القوم اخزاك الله. قال " لا تقولوا هكذا لا تعينوا عليه الشيطان
‘আলী ইবনু আবূ তালিব (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি কাউকে শরীয়াতের দন্ড দেয়ার সময় সে তাতে মরে গেলে আমার দুঃখ হয় না। কিন্তু মদ পানকারী ছাড়া। সে মারা গেলে আমি জরিমানা দিয়ে থাকি। কেননা রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ শাস্তির ব্যাপারে কোন সীমা নির্ধারণ করেননি। [মুসলিম ২৯/৮, হাঃ ১৭০৭] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৩০৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا عبد الله بن عبد الوهاب، حدثنا خالد بن الحارث، حدثنا سفيان، حدثنا ابو حصين، سمعت عمير بن سعيد النخعي، قال سمعت علي بن ابي طالب رضى الله عنه قال ما كنت لاقيم حدا على احد فيموت، فاجد في نفسي، الا صاحب الخمر، فانه لو مات وديته، وذلك ان رسول الله صلى الله عليه وسلم لم يسنه
সাইব ইবনু ইয়াযীদ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর যুগে ও আবূ বাকর (রাঃ)-এর খিলাফাত কালে এবং ‘উমার (রাঃ)-এর খিলাফাতের প্রথম দিকে আমাদের কাছে যখন কোন মদ্যপায়ীকে আনা হত তখন আমরা তাকে হাত দিয়ে, জুতা দিয়ে এবং আমাদের চাদর দিয়ে মারতাম। অতঃপর ‘উমার (রাঃ)-তাঁর খিলাফাতের শেষ সময়ে চল্লিশটি ক’রে চাবুক মেরেছেন। আর এ সব মদ্যপায়ী যখন বাড়াবাড়ি করেছে এবং পাপে লিপ্ত হয়েছে তখন আশিটি করে চাবুক লাগিয়েছেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৩১০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا مكي بن ابراهيم، عن الجعيد، عن يزيد بن خصيفة، عن السايب بن يزيد، قال كنا نوتى بالشارب على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم وامرة ابي بكر وصدرا من خلافة عمر، فنقوم اليه بايدينا ونعالنا وارديتنا، حتى كان اخر امرة عمر، فجلد اربعين، حتى اذا عتوا وفسقوا جلد ثمانين
‘উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর যুগে এক লোক যার নাম ছিল ‘আবদুল্লাহ্ আর ডাকনাম ছিল হিমার। এ লোকটি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে হাসাত। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শরাব পান করার অপরাধে তাকে বেত্রাঘাত করেছিলেন। একদিন তাকে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় আনা হল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে চাবুক মারার আদেশ দিলেন। তাকে চাবুক মারা হল। তখন দলের মাঝ থেকে এক লোক বলল, হে আল্লাহ্! তার উপর লা‘নত বর্ষণ করুন! নেশাগ্রস্ত অবস্থায় তাকে কতবার যে আনা হল! তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তাকে লা‘নত করো না। আল্লাহর কসম! আমি জানি যে, সে আল্লাহ্ এবং তাঁর রাসূলকে ভালবাসে।[1] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৩১১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا يحيى بن بكير، حدثني الليث، قال حدثني خالد بن يزيد، عن سعيد بن ابي هلال، عن زيد بن اسلم، عن ابيه، عن عمر بن الخطاب، ان رجلا، على عهد النبي صلى الله عليه وسلم كان اسمه عبد الله، وكان يلقب حمارا، وكان يضحك رسول الله صلى الله عليه وسلم، وكان النبي صلى الله عليه وسلم قد جلده في الشراب، فاتي به يوما فامر به فجلد، فقال رجل من القوم اللهم العنه ما اكثر ما يوتى به. فقال النبي صلى الله عليه وسلم " لا تلعنوه، فوالله ما علمت انه يحب الله ورسوله
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একবার নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট একটি নেশাগ্রস্ত লোককে আনা হল। তিনি তাকে মারার জন্য দাঁড়ালেন। তখন আমাদের কেউ তাকে হাত দিয়ে, কেউ জুতা দিয়ে আর কেউ বা কাপড় দিয়ে মারল। লোকটি চলে গেলে, এক লোক বলল, এর কী হল, আল্লাহ্ তাকে অপমানিত করলেন। তখন রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ আপন ভাইয়ের বিরুদ্ধে শয়তানের সাহায্যকারী হয়ো না। [৬৭৭৭] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৩১২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا علي بن عبد الله بن جعفر، حدثنا انس بن عياض، حدثنا ابن الهاد، عن محمد بن ابراهيم، عن ابي سلمة، عن ابي هريرة، قال اتي النبي صلى الله عليه وسلم بسكران، فامر بضربه، فمنا من يضربه بيده، ومنا من يضربه بنعله، ومنا من يضربه بثوبه، فلما انصرف قال رجل ماله اخزاه الله. فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لا تكونوا عون الشيطان على اخيكم
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ব্যভিচারী যখন ব্যভিচার করে, তখন সে মু’মিন থাকে না। এবং চোর যখন চুরি করে তখন সে মু’মিন থাকে না।[1] [৬৮০৯] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৩১৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثني عمرو بن علي، حدثنا عبد الله بن داود، حدثنا فضيل بن غزوان، عن عكرمة، عن ابن عباس رضى الله عنهما عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " لا يزني الزاني حين يزني وهو مومن، ولا يسرق حين يسرق وهو مومن
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, চোরের উপর আল্লাহর লা‘নত হোক, যখন সে একটি হেলমেট চুরি করে এবং এ জন্য তার হাত কাটা হয় এবং সে একটি রশি চুরি করে এ জন্য তার হাত কাটা হয়। আ’মাশ (রহ.) বলেন, তারা মনে করত যে, হেলমেট লোহার হতে হবে আর রশির ব্যাপারে তারা ধারণা করত তা কয়েক দিরহামের সমমূল্যের হবে। [৬৭৯৯; মুসলিম ২৯/১, হাঃ ১৬৮৭, আহমাদ ৭৪৪০] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৩১৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا عمر بن حفص بن غياث، حدثني ابي، حدثنا الاعمش، قال سمعت ابا صالح، عن ابي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " لعن الله السارق، يسرق البيضة فتقطع يده، ويسرق الحبل فتقطع يده ". قال الاعمش كانوا يرون انه بيض الحديد، والحبل كانوا يرون انه منها ما يسوى دراهم
‘উবাদাহ ইবনু সামিত (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা একবার নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এক মজলিসে ছিলাম। তখন তিনি বললেনঃ তোমরা আমার কাছে এ বায়‘আত কর যে, আল্লাহর সঙ্গে কোন কিছু শরীক করবে না, চুরি করবে না এবং ব্যভিচার করবে না। এরপর তিনি এ আয়াত পুরো তিলাওয়াত করলেনঃ ‘‘তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি (বায়‘আতের শর্তসমূহ) পুরো করে তার বিনিময় আল্লাহর কাছে। আর যে ব্যক্তি এত্থেকে কিছু ক’রে বসে আর তার জন্য শাস্তি দেয়া হয়, তবে এটা তার জন্য কাফ্ফারা হয়ে যায়। আর যদি কেউ এত্থেকে কিছু করে বসে আর আল্লাহ্ তা গোপন রাখেন তবে এটা তাঁর ইচ্ছেধীন। তিনি ইচ্ছে করলে তাকে ক্ষমা করবেন, ইচ্ছে করলে শাস্তি দিবেন।’’ [৮১] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৩১৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا محمد بن يوسف، حدثنا ابن عيينة، عن الزهري، عن ابي ادريس الخولاني، عن عبادة بن الصامت رضى الله عنه قال كنا عند النبي صلى الله عليه وسلم في مجلس فقال " بايعوني على ان لا تشركوا بالله شييا ولا تسرقوا، ولا تزنوا ". وقرا هذه الاية كلها " فمن وفى منكم فاجره على الله ومن اصاب من ذلك شييا فعوقب به، فهو كفارته، ومن اصاب من ذلك شييا، فستره الله عليه، ان شاء غفر له، وان شاء عذبه
‘আবদুল্লাহ্ ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিদায় হাজ্জে বললেনঃ আচ্ছা বলতো কোন্ মাসকে তোমরা সবচেয়ে সম্মানিত বলে জান? তাঁরা বললেন, আমাদের এ মাস নয় কি? তিনি আবার বললেনঃ তোমরা কোন্ শহরকে সর্বাধিক সম্মানিত বলে জান? তাঁরা বললেন, আমাদের এ শহর নয় কি? তিনি বললেনঃ বলতো! কোন্ দিনকে তোমরা সর্বাধিক সম্মানিত বলে জান? তাঁরা বললেন, আমাদের এ দিন নয় কি? তখন রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ আল্লাহ্ তোমাদের রক্ত, ধন-সম্পদ ও সম্মানকে শারী‘আতের হক ব্যতীত এমন পবিত্র করে দিয়েছেন, যেমন পবিত্র তোমাদের এ মাসে এ শহরের মাঝে আজকের এ দিনটি। ওহে! আমি কি পৌঁছে দিয়েছি? এ কথাটি তিনি তিনবার বললেন। প্রত্যেকবারেই তারা উত্তর দিলেন, হ্যাঁ। তিনি বললেনঃ তোমাদের জন্য আফসোস অথবা ধ্বংস! তোমরা আমার পরে একে অপরের গর্দান মেরে কাফির হয়ে পেছনের দিকে ফিরে যেও না।[1] ১৭৪২] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৩১৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثني محمد بن عبد الله، حدثنا عاصم بن علي، حدثنا عاصم بن محمد، عن واقد بن محمد، سمعت ابي قال عبد الله، قال رسول الله صلى الله عليه وسلم في حجة الوداع " الا اى شهر تعلمونه اعظم حرمة ". قالوا الا شهرنا هذا. قال " الا اى بلد تعلمونه اعظم حرمة ". قالوا الا بلدنا هذا. قال " الا اى يوم تعلمونه اعظم حرمة ". قالوا الا يومنا هذا. قال " فان الله تبارك وتعالى قد حرم دماءكم واموالكم واعراضكم، الا بحقها، كحرمة يومكم هذا، في بلدكم هذا، في شهركم هذا، الا هل بلغت ". ثلاثا كل ذلك يجيبونه الا نعم قال " ويحكم او ويلكم لا ترجعن بعدي كفارا، يضرب بعضكم رقاب بعض
‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে যখনই (আল্লাহর নিকট থেকে) দু’টো কাজের মধ্যে একটিকে বেছে নেয়ার সুযোগ দেয়া হত, তখন তিনি দু’টোর সহজটি বেছে নিতেন, যতক্ষণ না সেটা গুনাহর কাজ হত। যদি সেটা গুনাহর কাজ হত তাহলে তিনি তাত্থেকে বহু দূরে থাকতেন। আল্লাহর কসম! তিনি কখনও তাঁর ব্যক্তিগত কারণে কোন কিছুর প্রতিশোধ গ্রহণ করেননি, যতক্ষণ না আল্লাহর হারামসমূহকে ছিন্ন করা হত। সেক্ষেত্রে আল্লাহর জন্য তিনি প্রতিশোধ নিতেন।[1] [৩৫৬০] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৩১৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا يحيى بن بكير، حدثنا الليث، عن عقيل، عن ابن شهاب، عن عروة، عن عايشة رضى الله عنها قالت ما خير النبي صلى الله عليه وسلم بين امرين الا اختار ايسرهما، ما لم ياثم، فاذا كان الاثم كان ابعدهما منه، والله ما انتقم لنفسه في شىء يوتى اليه قط، حتى تنتهك حرمات الله، فينتقم لله
‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, উসামাহ (রাঃ) এক মহিলার ব্যাপারে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে সুপারিশ করলেন। তখন তিনি বললেনঃ তোমাদের আগেকার সম্প্রদায়সমূহ ধ্বংস হয়ে গেছে। কারণ তারা নিম্নশ্রেণীর লোকদের উপর শারী‘আতের শাস্তি কায়িম করত। আর শরীফ লোকদের অব্যাহতি দিত। ঐ সত্তার কসম, যাঁর হাতে আমার জান, ফাতিমাও যদি এমন কাজ করত, তাহলে অবশ্যই আমি তার হাত কেটে দিতাম।[1] [২৬৪৮] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৩১৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا ابو الوليد، حدثنا الليث، عن ابن شهاب، عن عروة، عن عايشة، ان اسامة، كلم النبي صلى الله عليه وسلم في امراة فقال " انما هلك من كان قبلكم انهم كانوا يقيمون الحد على الوضيع، ويتركون الشريف، والذي نفسي بيده لو فاطمة فعلت ذلك لقطعت يدها
‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। মাখযুমী গোত্রের এক মহিলার ব্যাপারে কুরাইশ বংশের লোকদের খুব দুশ্চিন্তায় ফেলে দিয়েছিল যে চুরি করেছিল। সহাবাগণ বললেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে কে কথা বলতে পারবে? আর রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর প্রিয় জন উসামাহ (রাঃ) ছাড়া এটা কেউ করতে পারবে না। তখন উসামাহ (রাঃ) রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে কথা বললেন। এতে তিনি বললেনঃ তুমি আল্লাহর শাস্তির বিধানের ব্যাপারে সুপারিশ করছ? এরপর তিনি দাঁড়িয়ে খুৎবাহ দিলেন এবং বললেনঃ হে মানবমন্ডলী! নিশ্চয়ই তোমাদের আগের লোকেরা গুমরাহ হয়ে গিয়েছে। কারণ, কোন সম্মানী ব্যক্তি যখন চুরি করত তখন তারা তাকে ছেড়ে দিত। আর যখন কোন দুর্বল লোক চুরি করত তখন তার উপর শরীয়াতের শাস্তি কায়েম করত। আল্লাহর কসম! মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কন্যা ফাতিমাও যদি চুরি করে তবে অবশ্যই মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর হাত কেটে দেবে।[1] [২৬৪৮] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৩১৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا سعيد بن سليمان، حدثنا الليث، عن ابن شهاب، عن عروة، عن عايشة رضى الله عنها ان قريشا، اهمتهم المراة المخزومية التي سرقت فقالوا من يكلم رسول الله صلى الله عليه وسلم ومن يجتري عليه الا اسامة حب رسول الله صلى الله عليه وسلم. فكلم رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال " اتشفع في حد من حدود الله ". ثم قام فخطب قال " يا ايها الناس انما ضل من قبلكم انهم كانوا اذا سرق الشريف تركوه، واذا سرق الضعيف فيهم اقاموا عليه الحد، وايم الله لو ان فاطمة بنت محمد سرقت لقطع محمد يدها
وَفِي كَمْ يُقْطَعُ وَقَطَعَ عَلِيٌّ مِنْ الْكَفِّ وَقَالَ قَتَادَةُ فِي امْرَأَةٍ سَرَقَتْ فَقُطِعَتْ شِمَالُهَا لَيْسَ إِلاَّ ذَلِكَ কী পরিমাণ মাল চুরি করলে হাত কাটা যাবে। ‘আলী (রাঃ) কব্জি পর্যন্ত কেটেছিলেন। আর ক্বাতাদাহ (রাঃ) এক মহিলা সম্পর্কে বলেছেন যে চুরি করেছিল, এতে তার বাম হাত কাটা হয়েছিল। এ ব্যতীত আর কোন শাস্তি দেয়া হয়নি। ৬৭৮৯. ‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ দ্বীনারের চার ভাগের এক ভাগ বা এর বেশি বা ততোধিক চুরি করলে হাত কাটা যাবে। ‘আবদুর রহমান ইবনু খালিদ (রহ.) ইবনু ‘আখী যুহরী (রহ.) ও মা‘মার (রহ.).....যুহরী (রহ.) থেকে ইবরাহীম ইবনু সা‘দ (রহ.) এর অনুসরণে বর্ণনা করেছেন। [৬৭৯০, ৬৭৯১; মুসলিম ২৯/১, হাঃ ১৬৮৪, আহমাদ ২৪৭৭৯] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৩২০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا عبد الله بن مسلمة، حدثنا ابراهيم بن سعد، عن ابن شهاب، عن عمرة، عن عايشة، قال النبي صلى الله عليه وسلم " تقطع اليد في ربع دينار فصاعدا ". تابعه عبد الرحمن بن خالد وابن اخي الزهري ومعمر عن الزهري
‘আয়িশাহ (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ এক দ্বীনারের চার ভাগের এক ভাগ চুরি করলে হাত কাটা হবে। [৬৭৮৯] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৩২১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا اسماعيل بن ابي اويس، عن ابن وهب، عن يونس، عن ابن شهاب، عن عروة بن الزبير، وعمرة، عن عايشة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " تقطع يد السارق في ربع دينار
‘আয়িশাহ (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত। তিনি বলেছেনঃ এক দ্বীনারের চার ভাগের এক ভাগ (মূল্যের দ্রব্য) চুরি করলে হাত কাটা যাবে। [৬৭৮৯; মুসলিম ২৯/১, হাঃ ১৬৮৪, আহমাদ ২৪৭৭৯] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৩২২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا عمران بن ميسرة، حدثنا عبد الوارث، حدثنا الحسين، عن يحيى، عن محمد بن عبد الرحمن الانصاري، عن عمرة بنت عبد الرحمن، حدثته ان عايشة رضى الله عنها حدثتهم عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " يقطع في ربع دينار