Loading...

Loading...
বইসমূহ
৪৯ হাদিসসমূহ
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একবার আমি অসুস্থ হলাম। তখন রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও আবূ বাকর (রাঃ) আমার সেবা করলেন। তাঁরা উভয়েই একবার পায়ে হেঁটে আমার কাছে উপস্থিত হলেন। আমি তখন জ্ঞানশূন্য ছিলাম। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অযূ করলেন এবং আমার উপর অযূর পানি ঢেলে দিলেন। আমার জ্ঞান ফিরলে বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমার সম্পদের ব্যাপারে কী করব। আমার সম্পদের ব্যাপারে কী ব্যবস্থা নেব? তিনি আমাকে কোন জওয়াব দিলেন না। অবশেষে উত্তরাধিকারের আয়াত অবতীর্ণ হল। [১৯৪] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২৫৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا سفيان، عن محمد بن المنكدر، سمع جابر بن عبد الله رضى الله عنهما يقول مرضت فعادني رسول الله صلى الله عليه وسلم وابو بكر وهما ماشيان، فاتاني وقد اغمي على فتوضا رسول الله صلى الله عليه وسلم فصب على وضوءه فافقت. فقلت يا رسول الله كيف اصنع في مالي، كيف اقضي في مالي فلم يجبني بشىء حتى نزلت اية المواريث
وَقَالَ عُقْبَةُ بْنُ عَامِرٍ تَعَلَّمُوا قَبْلَ الظَّانِّينَ يَعْنِي الَّذِينَ يَتَكَلَّمُونَ بِالظَّنِّ ‘উকবাহ ইবনু আমির (রাঃ) বলেন, যারা আন্দাজে অনুমানে কথা বলে তাদের এমন কথা বলার আগেই তোমরা (ফারায়েজ বিদ্যা) শিখে নাও। ৬৭২৪. আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা ধারণা করা হতে বেঁচে থাক, কারণ, ধারণা করা হচ্ছে সবচেয়ে বড় মিথ্যা। কারও দোষ অনুসন্ধান করো না, দোষ বের করার জন্য গুপ্তচরবৃত্তি করো না, একে অন্যের হিংসা করো না, পরস্পরে সম্পর্কচ্ছেদ করো না। ভ্রাতৃবন্ধনে আবদ্ধ আল্লাহর বান্দাহ হয়ে যাও।[1] [৫১৪৩] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২৫৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا موسى بن اسماعيل، حدثنا وهيب، حدثنا ابن طاوس، عن ابيه، عن ابي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اياكم والظن فان الظن اكذب الحديث، ولا تحسسوا، ولا تجسسوا، ولا تباغضوا، ولا تدابروا، وكونوا عباد الله اخوانا
তখন আবূ বাকর (রাঃ) তাঁদেরকে বললেন, আমি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে শুনেছি তিনি বলেছেনঃ আমরা যা কিছু (সম্পদ) ছেড়ে যাই কেউ তার ওয়ারিশ হবে না, সবই সদাকাহ্। এ মাল থেকে মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পরিবার ভোগ করবেন। আবূ বাকর (রাঃ) বলেন, আল্লাহর কসম! রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে আমি এতে যেভাবে করতে দেখেছি, তা সেভাবেই করব, কোন ব্যতিক্রম করব না। রাবী বলেন, অতঃপর থেকে ফাতিমাহ (রাঃ) তাঁকে ত্যাগ করেছিলেন, মৃত্যু পর্যন্ত তার সঙ্গে কথা বলেন নি। [৩০৯৩] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২৫৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا عبد الله بن محمد، حدثنا هشام، اخبرنا معمر، عن الزهري، عن عروة، عن عايشة، ان فاطمة، والعباس عليهما السلام اتيا ابا بكر يلتمسان ميراثهما من رسول الله صلى الله عليه وسلم وهما حينيذ يطلبان ارضيهما من فدك، وسهمهما من خيبر. فقال لهما ابو بكر سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " لا نورث، ما تركنا صدقة، انما ياكل ال محمد من هذا المال ". قال ابو بكر والله لا ادع امرا رايت رسول الله صلى الله عليه وسلم يصنعه فيه الا صنعته. قال فهجرته فاطمة، فلم تكلمه حتى ماتت
তখন আবূ বাকর (রাঃ) তাঁদেরকে বললেন, আমি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে শুনেছি তিনি বলেছেনঃ আমরা যা কিছু (সম্পদ) ছেড়ে যাই কেউ তার ওয়ারিশ হবে না, সবই সদাকাহ্। এ মাল থেকে মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পরিবার ভোগ করবেন। আবূ বাকর (রাঃ) বলেন, আল্লাহর কসম! রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে আমি এতে যেভাবে করতে দেখেছি, তা সেভাবেই করব, কোন ব্যতিক্রম করব না। রাবী বলেন, অতঃপর থেকে ফাতিমাহ (রাঃ) তাঁকে ত্যাগ করেছিলেন, মৃত্যু পর্যন্ত তার সঙ্গে কথা বলেন নি। [৩০৯৩] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২৫৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا عبد الله بن محمد، حدثنا هشام، اخبرنا معمر، عن الزهري، عن عروة، عن عايشة، ان فاطمة، والعباس عليهما السلام اتيا ابا بكر يلتمسان ميراثهما من رسول الله صلى الله عليه وسلم وهما حينيذ يطلبان ارضيهما من فدك، وسهمهما من خيبر. فقال لهما ابو بكر سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " لا نورث، ما تركنا صدقة، انما ياكل ال محمد من هذا المال ". قال ابو بكر والله لا ادع امرا رايت رسول الله صلى الله عليه وسلم يصنعه فيه الا صنعته. قال فهجرته فاطمة، فلم تكلمه حتى ماتت
‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমরা যা কিছু (সম্পদ) রেখে যাই, কেউ তার ওয়ারিশ হয় না, সব সদাকাহ। [৪০৩৪] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২৫৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا اسماعيل بن ابان، اخبرنا ابن المبارك، عن يونس، عن الزهري، عن عروة، عن عايشة، ان النبي صلى الله عليه وسلم قال " لا نورث ما تركنا صدقة
মালিক ইবনু আউস ইবনু হাদাসান (রাঃ) হতে বর্ণিত। মুহাম্মাদ ইবনু যুবায়র ইবনু মুতঈম আমার কাছে (মালিক ইবনু আউস ইবনু হাদাসান)-এর পক্ষ থেকে একটি ঘটনা বর্ণনা করলেন। তিনি বলেন, আমি মালিক ইবনু আউস (রাঃ)-এর কাছে গেলাম এবং ঘটনাটি সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। তখন তিনি বললেন, আমি ‘উমার (রাঃ)-এর নিকট গিয়েছিলাম। এমন সময় তাঁর দারোয়ান ইয়ারফা তাঁর কাছে গিয়ে বলল, আপনি ‘উসমান, ‘আবদুর রাহমান, যুবায়র ও সা‘দ (রাঃ)-কে ভিতরে আসার অনুমতি দিবেন কি? তিনি বললেন, হ্যাঁ। তিনি তাঁদেরকে অনুমতি দিলেন। এরপর সে ‘উমার (রাঃ)-এর নিকট এসে বলল, আপনি ‘আলী ও ‘আব্বাস (রাঃ)-কে ভিতরে আসার অনুমতি দিবেন কি? তিনি বললেন, হ্যাঁ। ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, হে আমীরুল মু’মিনীন! আমার এবং এর মাঝে মীমাংসা করে দিন। ‘উমার (রাঃ) বললেন, আপনাদেরকে আল্লাহর কসম দিয়ে বলি-যাঁর হুকুমে আকাশ ও যমীন প্রতিষ্ঠিত আছে- আপনারা কি জানেন যে, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছিলেন, আমরা কাউকে উত্তরাধিকারী করি না, আমরা যা কিছু রেখে যাই সবই সদাকাহ। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ দ্বারা নিজেকেই উদ্দেশ্য করেছিলেন। দলের লোকেরা বলল, তিনি তাই বলেছেন। এরপর তিনি ‘আলী ও ‘আব্বাস (রাঃ)-এর দিকে মুখ করে বললেন, আপনারা কি জানেন যে, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ কথা বলেছিলেন? তাঁরা উভয়ে জবাব দিলেন, তিনি তা বলেছেন। ‘উমার (রাঃ) বললেন, এখন আমি এ সম্পর্কে আপনাদের কাছে বর্ণনা করছি যে, এ ফায় (বিনা যুদ্ধে প্রাপ্ত ধনসম্পদ)-এর ব্যাপারে তাঁর রাসূলকে বিশেষত্ব প্রদান করেছেন, যা আর অন্য কাউকে করেননি। (আল্লাহ্) বলেনঃ (مَا أَفَاءَ اللهُ عَلٰى رَسُوْلِهِ) থেকে (قَدِيْرٌ) পর্যন্ত তিলাওয়াত করে শোনালেন। এবং বললেন, এটা তো ছিল বিশেষ করে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর জন্য। আল্লাহর কসম! তিনি আপনাদের ছাড়া অন্য কারও জন্য এ মাল সংরক্ষণ করেননি। আর আপনাদের ছাড়া অন্য কাউকে এতে প্রাধান্য দেননি। এ মাল তো আপনাদেরই তিনি দিয়ে গিয়েছেন এবং আপনাদের মাঝেই বণ্টন করেছেন। শেষে এ মালটুকু বাকী ছিল। তখন তিনি তাঁর পরিবার-পরিজনের বছরের ভরণ-পোষণের জন্য এ থেকে খরচ করতেন। এরপর যা অবশিষ্ট থাকত তা আল্লাহর মাল হিসেবে (তাঁর রাস্তায়) খরচ করতেন। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর পূর্ণ জীবনকালেই এমন করে গেছেন। আমি আপনাদের আল্লাহর কসম দিয়ে জিজ্ঞেস করছি, এটা কি আপনারা জানেন? তাঁরা বললেন, হ্যাঁ। অতঃপর তিনি ‘আলী (রাঃ) ও ‘আব্বাস (রাঃ)- কে বললেন, আমি আপনাদের দু’জনকে আল্লাহর কসম দিয়ে জিজ্ঞেস করছি, আপনারা কি এ কথাগুলো জানেন? তাঁরা উভয়েই বললেন, হ্যাঁ। এরপর আল্লাহ্ তাঁর নবীর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-মৃত্যু দিলেন তখন আবূ বাকর (রাঃ) বললেন, আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ওলী। অতঃপর তিনি উক্ত সম্পদ হস্তগত করলেন এবং রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যেভাবে তা কাজে লাগিয়েছিলেন তিনিও তা সেভাবে কাজে লাগালেন। এরপর আল্লাহ্ আবূ বাকর (রাঃ)-এর মৃত্যু দিলেন। তখন আমি বললাম, আমি আল্লাহর রাসূলের ওলীর ওলী। আমি এ সম্পদ হস্তগত করলাম এবং রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও আবূ বাকর (রাঃ) এ সম্পদ যেভাবে ব্যবহার করেছিলেন দু’বছর যাবত আমি এ সম্পদ সেভাবেই ব্যবহার করে আসছি। এরপর আপনারা দু’জন আমার কাছে আসলেন আর আপনাদের উভয়ের কথা এক এবং ব্যাপারটিও অনুরূপ। (হে ‘আব্বাস (রাঃ) আপনি আপনার ভাতিজার থেকে আপনার প্রাপ্য অংশ আমার কাছে চাচ্ছেন। আর ‘আলী (রাঃ) আমার কাছে তাঁর স্ত্রীর অংশ যা তাঁর পিতা থেকে তার প্রাপ্য আমার কাছে চাচ্ছেন। সুতরাং আমি বলছি, আপনারা ইচ্ছে করলে আমি আপনাদেরকে এটা দিয়ে দেব। এরপর কি আপনারা অন্য কোন ফায়সালা আমার কাছে চাইবেন? ঐ আল্লাহর কসম! যাঁর হুকুমে আকাশ ও যমীন প্রতিষ্ঠিত আছে, আমি এ ফায়সালা ছাড়া ক্বিয়ামাত (কিয়ামত) পর্যন্ত অন্য কোন ফায়সালা দিতে পারব না। আপনারা এ সম্পদের ব্যবস্থাপনায় অক্ষম হলে তা আমার কাছে ফিরিয়ে দিবেন, আপনাদের পক্ষ থেকে এ সম্পদের ব্যবস্থাপনায় আমিই যথেষ্ট। [২৯০৪] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২৬০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমার রেখে যাওয়া সম্পত্তির দ্বীনার বণ্টিত হবে না। আমার রেখে যাওয়া সম্পত্তি সবই সাদাকা- আমার স্ত্রীদের এবং আমার কর্মচারীদের খরচ বাদ দিয়ে। [২৭৭৬] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২৬১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا اسماعيل، قال حدثني مالك، عن ابي الزناد، عن الاعرج، عن ابي هريرة، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " لا يقتسم ورثتي دينارا، ما تركت بعد نفقة نسايي ومونة عاملي فهو صدقة
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সহধর্মিণী ‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর মৃত্যুর পর তাঁর স্ত্রীগণ আবূ বাকর সিদ্দীক (রাঃ)-এর কাছে নিজেদের প্রাপ্য উত্তরাধিকার চাওয়ার জন্য ‘উসমান (রাঃ)-কে পাঠানোর ইচ্ছা করলেন। তখন ‘আয়িশাহ (রাঃ) বললেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কি বলেননি যে, আমরা কাউকে ওয়ারিশ বানাই না, আমরা যা রেখে যাই সবই সাদাকাহ্। [৪০৩৪; মুসলিম ৩২/১৬, হাঃ ১৭৫৮, আহমাদ ২৫১৭৯] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২৬২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا عبد الله بن مسلمة، عن مالك، عن ابن شهاب، عن عروة، عن عايشة رضى الله عنها ان ازواج، النبي صلى الله عليه وسلم حين توفي رسول الله صلى الله عليه وسلم اردن ان يبعثن عثمان الى ابي بكر يسالنه ميراثهن. فقالت عايشة اليس قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لا نورث ما تركنا صدقة
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি মু’মিনদের নিকট তাদের প্রাণের চেয়েও অধিক প্রিয়। যে ব্যক্তি ঋণের বোঝা নিয়ে মারা যায় আর ঋণ পরিশোধ করার মত সম্পদ রেখে না যায়, তাহলে তা পরিশোধ করার দায়িত্ব আমার। আর যে ব্যক্তি সম্পদ রেখে যায়, তা তার উত্তরাধিকারীদের জন্য।[1] [২২৯৮] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২৬৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا عبدان، اخبرنا عبد الله، اخبرنا يونس، عن ابن شهاب، حدثني ابو سلمة، عن ابي هريرة رضى الله عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " انا اولى، بالمومنين من انفسهم، فمن مات وعليه دين، ولم يترك وفاء، فعلينا قضاوه، ومن ترك مالا فلورثته
وَقَالَ زَيْدُ بْنُ ثَابِتٍ إِذَا تَرَكَ رَجُلٌ أَوْ امْرَأَةٌ بِنْتًا فَلَهَا النِّصْفُ وَإِنْ كَانَتَا اثْنَتَيْنِ أَوْ أَكْثَرَ فَلَهُنَّ الثُّلُثَانِ وَإِنْ كَانَ مَعَهُنَّ ذَكَرٌ بُدِئَ بِمَنْ شَرِكَهُمْ فَيُؤْتَى فَرِيضَتَهُ فَمَا بَقِيَ (فَلِلذَّكَرِ مِثْلُ حَظِّ الْأُنْثَيَيْنِ) যায়দ ইবনু সাবিত (রাঃ) বলেন, কোন পুরুষ বা নারী কন্যা রেখে গেলে সে অর্ধাংশ পাবে। যদি তারা সংখ্যায় দুই বা তার অধিক হয় তারা পাবে দুই-তৃতীয়াংশ। আর তাদের সাথে যদি পুরুষ অংশীদার থাকে তাহলে প্রথমে যাদের অংশ সুনির্দিষ্ট আছে তাদের থেকে শুরু করতে হবে; আর যা অবশিষ্ট থাকবে তা এক পুরুষ দু’ নারীর সমান পাবে ভিত্তিতে বণ্টন করতে হবে। ৬৭৩২. ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) সূত্রে সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ সুনির্দিষ্ট অংশের হকদারদের মীরাস পৌঁছে দাও। অতঃপর যা বাকী থাকবে তা (মৃতের) নিকটতম পুরুষের জন্য। [৬৭৩৫, ৬৭৩৭, ৬৭৪৬; মুসলিম ২৩/১, হাঃ ১৬১৫, আহমাদ ২৮৬২] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২৬৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا موسى بن اسماعيل، حدثنا وهيب، حدثنا ابن طاوس، عن ابيه، عن ابن عباس رضى الله عنهما عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " الحقوا الفرايض باهلها، فما بقي فهو لاولى رجل ذكر
সা‘দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একবার আমি মক্কা্য় এমন অসুস্থ হয়ে পড়লাম যে মরণের দ্বারপ্রান্তে উপনীত হলাম। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার সেবা শুশ্রূষা করার জন্য আমার কাছে আসলেন। তখন আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমার অনেক ধন-সম্পদ আছে। আর আমার এক মেয়ে ব্যতীত আর কোন উত্তরাধিকারী নেই। আমি কি আমার মালের দু’তৃতীয়াংশ দান করে দেব? তিনি বললেন, না। আমি বললাম, তাহলে কি অর্ধেক দান করব? তিনি বললেন, না। আমি বললাম, এক-তৃতীয়াংশ কি দান করব? তিনি বললেনঃ এক-তৃতীয়াংশ তো অনেক। তুমি তোমার সন্তানকে সচ্ছল অবস্থায় রেখে যাবে সেটাই উত্তম তাকে এমন অভাবগ্রস্ত রেখে যাওয়ার চেয়ে যে অবস্থায় সে মানুষের কাছে হাত পেতে ভিক্ষে করবে। তুমি (পরিবার-পরিজনের জন্য) যা খরচ করবে তার বিনিময় তোমাকে দেয়া হবে। এমন কি যে লোকমাটি তুমি তোমার স্ত্রীর মুখে তুলে দাও তারও বিনিময় দেয়া হবে। আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমি কি আমার হিজরাত (এর পুণ্য) থেকে পেছনে পড়ে যাব? তিনি বললেনঃ তুমি কক্ষনো আমার পেছনে পড়ে থাকবে না, তুমি আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য যে ‘আমলই করবে তাতে তোমার মর্যাদা ও সম্মান বৃদ্ধি হবে। সম্ভবত তুমি আমার পরেও জীবিত থাকবে। এমন কি তোমার দ্বারা অনেক গোত্র উপকৃত হবে এবং অন্যেরা হবে ক্ষতিগ্রস্ত। কিন্তু সা‘দ ইবনু খাওলা (রাঃ)-এর জন্য আফসোস! মক্কা্তেই তাঁর মৃত্যু হয়েছিল। সে কারণে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন। সুফ্ইয়ান (রহ.) বলেন, সা‘দ ইবনু খাওলা (রাঃ) বনূ আমির ইবনু লুআই সম্প্রদায়ের লোক ছিলেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২৬৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا الحميدي، حدثنا سفيان، حدثنا الزهري، قال اخبرني عامر بن سعد بن ابي وقاص، عن ابيه، قال مرضت بمكة مرضا، فاشفيت منه على الموت، فاتاني النبي صلى الله عليه وسلم يعودني فقلت يا رسول الله ان لي مالا كثيرا، وليس يرثني الا ابنتي، افاتصدق بثلثى مالي قال " لا ". قال قلت فالشطر قال " لا ". قلت الثلث قال " الثلث كبير انك ان تركت ولدك اغنياء خير من ان تتركهم عالة يتكففون الناس، وانك لن تنفق نفقة الا اجرت عليها، حتى اللقمة ترفعها الى في امراتك ". فقلت يا رسول الله ااخلف عن هجرتي فقال " لن تخلف بعدي فتعمل عملا تريد به وجه الله، الا ازددت به رفعة ودرجة، ولعل ان تخلف بعدي حتى ينتفع بك اقوام ويضر بك اخرون، لكن البايس سعد ابن خولة يرثي له رسول الله صلى الله عليه وسلم ان مات بمكة ". قال سفيان وسعد بن خولة رجل من بني عامر بن لوى
আস্ওয়াদ ইবনু ইয়াযীদ (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, মু‘আয ইবনু জাবাল (রাঃ) আমাদের নিকট শিক্ষক অথবা আমীর হিসেবে ইয়ামানে আসলে আমরা তাঁর কাছে এমন এক ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম, যে এক কন্যা ও এক বোন রেখে মারা গেছে। তিনি কন্যাটিকে অর্ধেক ও বোনটিকে অর্ধেক দিলেন। [৬৭৪১] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২৬৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثني محمود، حدثنا ابو النضر، حدثنا ابو معاوية، شيبان عن اشعث، عن الاسود بن يزيد، قال اتانا معاذ بن جبل باليمن معلما واميرا، فسالناه عن رجل، توفي وترك ابنته واخته، فاعطى الابنة النصف والاخت النصف
وَقَالَ زَيْدٌ وَلَدُ الأَبْنَاءِ بِمَنْزِلَةِ الْوَلَدِ إِذَا لَمْ يَكُنْ دُونَهُمْ وَلَدٌ ذَكَرُهُمْ كَذَكَرِهِمْ وَأُنْثَاهُمْ كَأُنْثَاهُمْ يَرِثُونَ كَمَا يَرِثُونَ وَيَحْجُبُونَ كَمَا يَحْجُبُوْنَ وَلاَ يَرِثُ وَلَدُ الِابْنِ مَعَ الِابْنِ যায়দ (রাঃ) বলেন, পুত্রের সন্তানাদি পুত্রের স্থলবর্তী, যখন তাকে ব্যতীত আর কোন সন্তান না থাকে। পৌত্ররা পুত্রদের মত, আর পৌত্রীরা কন্যাদের মত। পুত্রদের মত পৌত্ররাও ওয়ারিশ হয়, আবার পুত্ররা যেমন অন্যদেরকে বঞ্চিত করে, পৌত্ররাও তেমনি অন্যদেরকে বঞ্চিত করে। আর পৌত্ররা পুত্রদের বর্তমানে ওয়ারিশ হয় না। ৬৭৩৫. ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ সুনির্দিষ্ট অংশের হকদারদের ওয়ারিশ পৌঁছে দাও। অতঃপর যা বাকী থাকবে তা (মৃতের) নিকটতম পুরুষের জন্য। [৬৭৩২] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২৬৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا مسلم بن ابراهيم، حدثنا وهيب، حدثنا ابن طاوس، عن ابيه، عن ابن عباس، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " الحقوا الفرايض باهلها فما بقي فهو لاولى رجل ذكر
হুযায়ল ইবনু শুরাহবীল (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একবার আবূ মূসা (রাঃ)-কে কন্যা, পুত্রের কন্যা এবং ভগ্নির (মীরাস) সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হল। তখন তিনি বললেন, কন্যার জন্য অর্ধেক আর ভগ্নির জন্য অর্ধেক। (তিনি বললেন) তোমরা ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ)-এর কাছে যাও, তিনিও হয়ত আমার মতই বলবেন। অতঃপর ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করা হল এবং আবূ মূসা (রাঃ) যা বলেছেন সে সম্পর্কে তাঁকে জানানো হল। তিনি বললেন, (ও রকম সিদ্ধান্ত দিলে) আমি তো পথভ্রষ্ট হয়ে যাব, হেদায়েতপ্রাপ্তদের অন্তর্ভুক্ত থাকব না। আমি এ ব্যাপারে ঐ ফায়সালাই দিচ্ছি, যে ফায়সালা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রদান করেছিলেন। কন্যা পাবে অর্ধাংশ আর পৌত্রী পাবে ষষ্ঠাংশ। এভাবে দু’তৃতীয়াংশ পূর্ণ হবে। বাকী এক তৃতীয়াংশ পাবে বোন। এরপর আমরা আবূ মূসা (রাঃ)-এর কাছে আসলাম এবং ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ) যা বললেন, তা তাকে জানালাম। তখন তিনি বললেনঃ এ অভিজ্ঞ মনীষী যতদিন তোমাদের মাঝে থাকবে ততদিন আমার কাছে কিছু জিজ্ঞেস করো না। [৬৭৪২] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২৬৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا ادم، حدثنا شعبة، حدثنا ابو قيس، سمعت هزيل بن شرحبيل، قال سيل ابو موسى عن ابنة وابنة ابن واخت، فقال للابنة النصف وللاخت النصف، وات ابن مسعود فسيتابعني. فسيل ابن مسعود واخبر بقول ابي موسى، فقال لقد ضللت اذا وما انا من المهتدين،، اقضي فيها بما قضى النبي صلى الله عليه وسلم " للابنة النصف، ولابنة ابن السدس تكملة الثلثين، وما بقي فللاخت ". فاتينا ابا موسى فاخبرناه بقول ابن مسعود، فقال لا تسالوني ما دام هذا الحبر فيكم
وَقَالَ أَبُو بَكْرٍ وَابْنُ عَبَّاسٍ وَابْنُ الزُّبَيْرِ الْجَدُّ أَبٌ وَقَرَأَ ابْنُ عَبَّاسٍ (يَا بَنِي آدَمَ وَاتَّبَعْتُ مِلَّةَ آبَائِي إِبْرَاهِيمَ وَإِسْحَاقَ وَيَعْقُوبَ) وَلَمْ يُذْكَرْ أَنَّ أَحَدًا خَالَفَ أَبَا بَكْرٍ فِي زَمَانِهِ وَأَصْحَابُ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مُتَوَافِرُونَ وَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ يَرِثُنِي ابْنُ ابْنِي دُونَ إِخْوَتِي وَلاَ أَرِثُ أَنَا ابْنَ ابْنِي وَيُذْكَرُ عَنْ عُمَرَ وَعَلِيٍّ وَابْنِ مَسْعُودٍ وَزَيْدٍ أَقَاوِيلُ مُخْتَلِفَةٌ আবূ বাকর সিদ্দীক (রাঃ), ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) এবং ইবনু যুবায়র (রাঃ) বলেন যে, দাদা পিতার মতই। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) এরূপ পড়েছেন (يَا بَنِي آدَمَ وَاتَّبَعْتُ مِلَّةَ آبَائِي إِبْرَاهِيمَ وَإِسْحَاقَ وَيَعْقُوبَ) কেউ উল্লেখ করেন নি যে, আবূ বাকর (রাঃ) এর যুগে কেউ তার পড়ার বিরোধিতা করেছে। অথচ সে সময়ে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর অনেক সাহাবী বর্তমান ছিল। আর ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, আমার পৌত্র আমার উত্তরাধিকারী হবে, আমার ভাই নয়। তবে আমি আমার পৌত্রের উত্তরাধিকারী হব না। তবে উমর, ‘আলী, ইবনু মাস‘ঊদ এবং যায়দ (রাঃ) থেকে এ সম্পর্কে বিভিন্ন মতের উল্লেখ আছে। ৬৭৩৭. ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত। তিনি বলেছেনঃ সুনির্দিষ্ট অংশের হকদারদের মীরাস পৌঁছে দাও। অতঃপর যা বাকী থাকবে তা (মৃতের) নিকটতম পুরুষের জন্য। [৬৭৩২] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২৬৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا سليمان بن حرب، حدثنا وهيب، عن ابن طاوس، عن ابيه، عن ابن عباس رضى الله عنهما عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " الحقوا الفرايض باهلها فما بقي فلاولى رجل ذكر
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ‘‘আমি এ উম্মাতের কাউকে অন্তরঙ্গ হিসেবে গ্রহণ করলে তাকে [আবূ বাকর (রাঃ)]-কে গ্রহণ করতাম। কিন্তু ইসলামী বন্ধুত্বই সবচেয়ে উত্তম।’’ أَفْضَلُ শব্দ বলেছেন না কি خَيْرٌ এ ব্যাপারে রাবীর সন্দেহ আছে। তিনি (রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] তাঁকে (ইবরাহীম আ. কে) পিতৃ মর্যাদা দিয়েছেন অথবা তাঁকে পিতার আসনে বসিয়েছেন। [৪৬৭] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২৭০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا ابو معمر، حدثنا عبد الوارث، حدثنا ايوب، عن عكرمة، عن ابن عباس، قال اما الذي قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لو كنت متخذا من هذه الامة خليلا لاتخذته، ولكن خلة الاسلام افضل ". او قال " خير ". فانه انزله ابا. او قال قضاه ابا
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, (প্রাথমিক অবস্থায় মৃতের ছেড়ে যাওয়া) মাল ছিল সন্তানাদির জন্য আর ওসিয়াত ছিল পিতামাতার জন্য। অতঃপর আল্লাহ্ তাত্থেকে কিছু রহিত করে দিয়ে অধিকতর পছন্দনীয়টি প্রবর্তন করেছেন। পুরুষের জন্য দু’জন নারীর অংশের সমান নির্ধারণ করেছেন। আর পিতা-মাতার প্রত্যেকের জন্য এক-ষষ্ঠাংশ নির্ধারণ করেছেন। স্ত্রীর জন্য নির্ধারণ করেছেন (সন্তানের বর্তমানে) এক-অষ্টমাংশ এবং (সন্তানের অবর্তমানে) এক-চতুর্থাংশ। আর স্বামীর জন্য (সন্তানের অবর্তমানে-) অর্ধেক আর (সন্তানের বর্তমানে) চার ভাগের একভাগ। [২৭৪৭] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২৭১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا محمد بن يوسف، عن ورقاء، عن ابن ابي نجيح، عن عطاء، عن ابن عباس رضى الله عنهما قال كان المال للولد، وكانت الوصية للوالدين، فنسخ الله من ذلك ما احب، فجعل للذكر مثل حظ الانثيين، وجعل للابوين لكل واحد منهما السدس، وجعل للمراة الثمن والربع، وللزوج الشطر والربع
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, বনী লিহ্য়ান গোত্রের এক মহিলার গর্ভটি পতিত হয়েছিল মৃত অবস্থায়। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি গোলাম বা দাসী প্রদানের নির্দেশ দিলেন। এরপর তিনি যে মহিলাটিকে নির্দেশ দিয়েছিলেন সে মারা গেল। তখন রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফায়সালা দিলেন, তার রেখে যাওয়া সম্পদ তার পুত্রগণ ও স্বামীর জন্য। আর দিয়াত পাবে তার নিকটতম আত্মীয়গণ [৫৭৫৮] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২৭২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا قتيبة، حدثنا الليث، عن ابن شهاب، عن ابن المسيب، عن ابي هريرة، انه قال قضى رسول الله صلى الله عليه وسلم في جنين امراة من بني لحيان سقط ميتا بغرة عبد او امة. ثم ان المراة التي قضى عليها بالغرة توفيت، فقضى رسول الله صلى الله عليه وسلم " بان ميراثها لبنيها وزوجها، وان العقل على عصبتها
আল আসওয়াদ (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, মুআয ইবনু জাবাল (রাঃ) রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর যুগে আমাদের মাঝে সিদ্ধান্ত দিয়েছিলেন যে, কন্যার জন্য অর্ধেক আর ভগ্নির জন্য অর্ধেক [1]। অতঃপর (রাবী) সুলায়মান বলেন, তিনি (আল আসওয়াদ) আমাদের এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত দিয়েছিলেন। তবে ‘রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর যুগে’ কথাটি উল্লেখ করেননি। [৬৭৩৬] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২৭৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا بشر بن خالد، حدثنا محمد بن جعفر، عن شعبة، عن سليمان، عن ابراهيم، عن الاسود، قال قضى فينا معاذ بن جبل على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم النصف للابنة والنصف للاخت. ثم قال سليمان قضى فينا. ولم يذكر على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم
হুযায়ল (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ) বলেছেন, আমি এতে সেই ফায়সালাই দেব যা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দিয়েছিলেন। অথবা তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, কন্যার জন্য অর্ধেক আর পৌত্রীর জন্য ষষ্ঠাংশ। অতঃপর যা বাকী থাকবে তা বোনের জন্য। [৬৭৩৬] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২৭৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثني عمرو بن عباس، حدثنا عبد الرحمن، حدثنا سفيان، عن ابي قيس، عن هزيل، قال قال عبد الله لاقضين فيها بقضاء النبي صلى الله عليه وسلم للابنة النصف، ولابنة الابن السدس، وما بقي فللاخت
حدثنا يحيى بن بكير، حدثنا الليث، عن عقيل، عن ابن شهاب، قال اخبرني مالك بن اوس بن الحدثان،، وكان، محمد بن جبير بن مطعم ذكر لي من حديثه ذلك، فانطلقت حتى دخلت عليه فسالته فقال انطلقت حتى ادخل على عمر فاتاه حاجبه يرفا فقال هل لك في عثمان وعبد الرحمن والزبير وسعد قال نعم. فاذن لهم، ثم قال هل لك في علي وعباس قال نعم. قال عباس يا امير المومنين اقض بيني وبين هذا. قال انشدكم بالله الذي باذنه تقوم السماء والارض هل تعلمون ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " لا نورث ما تركنا صدقة ". يريد رسول الله صلى الله عليه وسلم نفسه. فقال الرهط قد قال ذلك. فاقبل على علي وعباس فقال هل تعلمان ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ذلك قالا قد قال ذلك. قال عمر فاني احدثكم عن هذا الامر، ان الله قد كان خص رسوله صلى الله عليه وسلم في هذا الفىء بشىء لم يعطه احدا غيره، فقال عز وجل {ما افاء الله على رسوله} الى قوله {قدير} فكانت خالصة لرسول الله صلى الله عليه وسلم والله ما احتازها دونكم، ولا استاثر بها عليكم، لقد اعطاكموه وبثها فيكم، حتى بقي منها هذا المال، فكان النبي صلى الله عليه وسلم ينفق على اهله من هذا المال نفقة سنته، ثم ياخذ ما بقي فيجعله مجعل مال الله، فعمل بذلك رسول الله صلى الله عليه وسلم حياته، انشدكم بالله هل تعلمون ذلك قالوا نعم. ثم قال لعلي وعباس انشدكما بالله هل تعلمان ذلك قالا نعم. فتوفى الله نبيه صلى الله عليه وسلم فقال ابو بكر انا ولي رسول الله صلى الله عليه وسلم فقبضها فعمل بما عمل به رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم توفى الله ابا بكر فقلت انا ولي ولي رسول الله صلى الله عليه وسلم فقبضتها سنتين اعمل فيها ما عمل رسول الله صلى الله عليه وسلم وابو بكر، ثم جيتماني وكلمتكما واحدة، وامركما جميع، جيتني تسالني نصيبك من ابن اخيك، واتاني هذا يسالني نصيب امراته من ابيها فقلت ان شيتما دفعتها اليكما بذلك، فتلتمسان مني قضاء غير ذلك، فوالله الذي باذنه تقوم السماء والارض، لا اقضي فيها قضاء غير ذلك حتى تقوم الساعة، فان عجزتما فادفعاها الى، فانا اكفيكماها