Loading...

Loading...
বইসমূহ
১০৮ হাদিসসমূহ
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমার মা বললেনঃ হে আল্লাহর রাসূল! আনাস আপনারই খাদিম। আপনি তার জন্য দু‘আ করুন। তিনি দু‘আ করলেনঃ হে আল্লাহ! আপনি তার সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি বৃদ্ধি করে দিন। আর তাকে আপনি যা কিছু দিয়েছেন তাতে বারাকাত দিন। [১৯৮২] (আধুনিক প্রকাশনী- ,৫৮৯৮ ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا عبد الله بن ابي الاسود، حدثنا حرمي، حدثنا شعبة، عن قتادة، عن انس رضى الله عنه قال قالت امي يا رسول الله خادمك انس ادع الله له. قال " اللهم اكثر ماله وولده، وبارك له فيما اعطيته
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিপদের সময় এ দু‘আ পড়তেনঃ আল্লাহ ব্যতীত কোন ইলাহ নেই। যিনি মহান ও ধৈর্যশীল। আল্লাহ ছাড়া আর কোন ইলাহ নেই। তিনিই আসমান যমীনের প্রতিপালক ও মহান আরশের প্রভু। [৬৩৪৬, ৭৪২৬, ৭৪৩১; মুসলিম ৪৮/২১, হাঃ ২৭৩০, আহমাদ ৩৩৫৪] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৯৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا مسلم بن ابراهيم، حدثنا هشام، حدثنا قتادة، عن ابي العالية، عن ابن عباس رضى الله عنهما قال كان النبي صلى الله عليه وسلم يدعو عند الكرب " لا اله الا الله العظيم الحليم، لا اله الا الله رب السموات والارض، رب العرش العظيم
মুসান্নাদ (রহ.) ... ইবনু ‘আব্বাস হতে বর্ণিত। বিপদের সময় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ দু‘আ পড়তেনঃ আল্লাহ ব্যতীত কোন ইলাহ নেই, যিনি অতি উচ্চ মর্যাদাপূর্ণ ও অশেষ ধৈর্যশীল, আরশে আযীমের প্রভু। আল্লাহ ব্যতীত কোন মাবূদ নেই। আসমান যমীনের প্রতিপালক ও সম্মানিত আরশের মালিক। আল্লাহ ব্যতীত আর কোন ইলাহ নেই। [৬৩৪৫; মুসলিম ৪৮/২১, হাঃ ২৭৩০, আহমাদ ৩৩৫৪] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৯০০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، عن هشام بن ابي عبد الله، عن قتادة، عن ابي العالية، عن ابن عباس، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يقول عند الكرب " لا اله الا الله العظيم الحليم، لا اله الا الله رب العرش العظيم، لا اله الا الله رب السموات، ورب الارض، ورب العرش الكريم ". وقال وهب حدثنا شعبة عن قتادة مثله
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বালা মুসীবতের কঠোরতা, দুর্ভাগ্যে পতিত হওয়া, ভাগ্যের অশুভ পরিণতি এবং দুশমনের আনন্দিত হওয়া থেকে আশ্রয় চাইলেন। সুফ্ইয়ান (রহ.)-এর হাদীসে তিনটি বিষয়ের উল্লেখ আছে। একটি আমি বৃদ্ধি করেছি। জানি না তা এগুলোর কোনটি।[৬৬১৬; মুসলিম ৪৮/১৬, হাঃ ২৭০৭] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৯০১ ,ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا علي بن عبد الله، حدثنا سفيان، حدثني سمى، عن ابي صالح، عن ابي هريرة، كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يتعوذ من جهد البلاء، ودرك الشقاء، وسوء القضاء، وشماتة الاعداء. قال سفيان الحديث ثلاث زدت انا واحدة، لا ادري ايتهن هي
‘আয়িশাহ (রাঃ) বর্ণনা করেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সুস্থাবস্থায় বলতেনঃ জান্নাতের জায়গা না দেখিয়ে কোন নবীর জান কবয করা হয় না, যতক্ষণ না তাঁকে তাঁর বাসস্থান দেখানো হয় এবং তাঁকে ইখ্তিয়ার দেয়া হয় (দুনিয়া বা আখিরাত গ্রহণ করার)। এরপর যখন তাঁর মৃত্যুর সময় উপস্থিত হলো, তখন তাঁর মাথাটা আমার উরুর উপর ছিল। কিছুক্ষণ অজ্ঞান থাকার পর তাঁর জ্ঞান ফিরে এলো। তখন তিনি ছাদের দিকে তাকিয়ে বললেনঃ ‘‘আল্লাহুম্মা রাফীকাল ‘আলা’’ হে আল্লাহ! আমি রাফীকে ‘আলা (শ্রেষ্ঠ বন্ধু)-কে গ্রহণ করলাম। আমি বললামঃ এখন থেকে তিনি আর আমাদের পছন্দ করবেন না। আর এটাও বুঝতে পারলাম যে, তিনি সুস্থ অবস্থায় আমাদের নিকট যা বলতেন এটি তাই। আর তা সঠিক। ‘আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, এটি ছিল তাঁর সর্বশেষ বাক্য যা তিনি বললেনঃ হে আল্লাহ! আমি শ্রেষ্ঠ বন্ধু গ্রহণ করলাম। [৪৪৩৫] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৯০২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا سعيد بن عفير، قال حدثني الليث، قال حدثني عقيل، عن ابن شهاب، اخبرني سعيد بن المسيب، وعروة بن الزبير، في رجال من اهل العلم ان عايشة رضى الله عنها قالت كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول وهو صحيح " لن يقبض نبي قط حتى يرى مقعده من الجنة ثم يخير ". فلما نزل به وراسه على فخذي، غشي عليه ساعة، ثم افاق فاشخص بصره الى السقف ثم قال " اللهم الرفيق الاعلى ". قلت اذا لا يختارنا، وعلمت انه الحديث الذي كان يحدثنا، وهو صحيح. قالت فكانت تلك اخر كلمة تكلم بها " اللهم الرفيق الاعلى
কায়স (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি খাব্বাব (রাঃ)-এর নিকট আসলাম। তিনি লোহা গরম করে শরীরে সাতবার দাগ দিয়েছিলেন। তিনি বললেনঃ যদি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে মৃত্যুর জন্য দু‘আ করতে নিষেধ না করতেন, তাহলে আমি এজন্য দু‘আ করতাম।[৫৬৭২; মুসলিম ৪৮/৪, হাঃ ২৬৮১, আহমাদ ৮১৯৬] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৯০৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، عن اسماعيل، عن قيس، قال اتيت خبابا وقد اكتوى سبعا قال لولا ان رسول الله صلى الله عليه وسلم نهانا ان ندعو بالموت لدعوت به
কায়স (রহ.) বলেন, আমি খাব্বাব (রাঃ)-এর নিকট গেলাম। তিনি তাঁর পেটে সাতবার দাগ দিয়েছিলেন। তখন আমি তাঁকে বলতে শুনলামঃ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যদি আমাদের মৃত্যুর জন্য দু‘আ করতে নিষেধ না করতেন, তবে আমি এজন্য দু‘আ করতাম।[৫৬৭২] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৯০৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا يحيى، عن اسماعيل، قال حدثني قيس، قال اتيت خبابا وقد اكتوى سبعا في بطنه فسمعته يقول لولا ان النبي صلى الله عليه وسلم نهانا ان ندعو بالموت لدعوت به
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের কেউ কোন বিপদের কারণে মৃত্যু কামনা করবে না। আর যদি কেউ এমন অবস্থায় পড়ে যে, তাকে মৃত্যু কামনা করতেই হয়, তবে সে দু‘আ করবেঃ হে আল্লাহ! যতদিন বেঁচে থাকা আমার জন্য কল্যাণকর হয়, ততদিন আমাকে জীবিত রাখো, আর যখন আমার জন্য মৃত্যুই কল্যাণকর হয় তখন আমার মৃত্যু দাও।[৫৬৭১; মুসলিম ৪৮/৪, হাঃ ২৬৮০, আহমাদ ১১৯৭৯] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৯০৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا ابن سلام، اخبرنا اسماعيل ابن علية، عن عبد العزيز بن صهيب، عن انس رضى الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لا يتمنين احد منكم الموت لضر نزل به، فان كان لا بد متمنيا للموت فليقل اللهم احيني ما كانت الحياة خيرا لي، وتوفني اذا كانت الوفاة خيرا لي
وَقَالَ أَبُو مُوسٰى وُلِدَ لِي غُلاَمٌ وَدَعَا لَهُ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم بِالْبَرَكَةِ আবূ মূসা (রাঃ) বলেন, আমার এক ছেলে হলে নবীসাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার জন্য বারাকাতের দু‘আ করলেন। ৬৩৫২. সায়িব ইবনু ইয়াযীদ (রাঃ) বর্ণনা করেন। আমার খালা আমাকে নিয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট গেলেন এবং বললেনঃ হে আল্লাহর রাসূল! আমার এ ভাগ্নেটি অসুস্থ। তিনি আমার মাথায় হাত বুলালেন এবং আমার জন্য বারাকাতের দু‘আ করলেন। এরপর তিনি অযূ করলে, আমি তার অযূর পানি থেকে কিছুটা পান করলাম। তারপর আমি তাঁর পিঠের দিকে দাঁড়ালাম। তখন আমি তাঁর দু’ কাঁধের মাঝে মোহরে নবূওয়াত দেখতে পেলাম। তা ছিল খাটের চাঁদোয়ার ঝালরের ন্যায়।[১৯০] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৯০৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا حاتم، عن الجعد بن عبد الرحمن، قال سمعت السايب بن يزيد، يقول ذهبت بي خالتي الى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالت يا رسول الله ان ابن اختي وجع. فمسح راسي، ودعا لي بالبركة، ثم توضا فشربت من وضويه، ثم قمت خلف ظهره، فنظرت الى خاتمه بين كتفيه مثل زر الحجلة
আবূ ‘আকীল বর্ণনা করেন। তাঁর দাদা ‘আবদুল্লাহ ইবনু হিশাম তাকে নিয়ে বাজারের দিকে বের হতেন। সেখানে তিনি খাদ্যদ্রব্য ক্রয় করতেন। তখন পথে ইবনু যুবায়র ও ইবনু ‘উমার (রাঃ) এর দেখা হলে, তাঁরা তাঁকে বলতেন যে, এতে আপনি আমাদেরও অংশীদার করে নিন। কারণ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আপনার জন্য বারাকাতের দু‘আ করেছেন। তখন তিনি তাঁদের অংশীদার করে নিতেন। তিনি বাহনের পৃষ্ঠে লাভের শস্যাদি পূর্ণরূপে পেতেন, আর তা ঘরে পাঠিয়ে দিতেন।[২৫০২] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৯০৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا عبد الله بن يوسف، حدثنا ابن وهب، حدثنا سعيد بن ابي ايوب، عن ابي عقيل، انه كان يخرج به جده عبد الله بن هشام من السوق او الى السوق فيشتري الطعام، فيلقاه ابن الزبير وابن عمر فيقولان اشركنا فان النبي صلى الله عليه وسلم قد دعا لك بالبركة. فربما اصاب الراحلة كما هي، فيبعث بها الى المنزل
ইবনু শিহাব (রহ.) বর্ণনা করেন। মাহমূদ ইবনু রাবী বর্ণনা করেছেন যে, তিনিই ছিলেন সেই লোক, বাল্যাবস্থায় তাঁদেরই কূপ থেকে পানি মুখে নিয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যার চেহারার উপর ছিটিয়ে দিয়েছিলেন।[৭৭] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৯০৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا عبد العزيز بن عبد الله، حدثنا ابراهيم بن سعد، عن صالح بن كيسان، عن ابن شهاب، قال اخبرني محمود بن الربيع، وهو الذي مج رسول الله صلى الله عليه وسلم في وجهه وهو غلام من بيرهم
‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর খিদমতে শিশুদের নিয়ে আসা হতো। তিনি তাঁদের জন্য দু‘আ করতেন। একদা একটি শিশুকে আনা হলো। শিশুটি তাঁর কাপড়ে পেশাব করে দিল। তিনি কিছু পানি আনালেন এবং তা তিনি কাপড়ের উপর ছিটিয়ে দিলেন আর তা ধুলেন না।[২২২; মুসলিম ২/৩১, হাঃ ২৮৬, আহমাদ ২৫৮২৯] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৯০৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا عبدان، اخبرنا عبد الله، اخبرنا هشام بن عروة، عن ابيه، عن عايشة رضى الله عنها قالت كان النبي صلى الله عليه وسلم يوتى بالصبيان فيدعو لهم، فاتي بصبي فبال على ثوبه، فدعا بماء فاتبعه اياه، ولم يغسله
‘আবদুল্লাহ ইবনু সা‘আলাবাহ ইবনু সু‘আইর, যার মাথায় (শিশুকালে) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাত বুলিয়ে দিয়েছিলেন, তিনি বর্ণনা করেন যে, তিনি সা‘দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাসকে বিতরের সালাত এক রাক‘আত আদায় করতে দেখেছেন।[৪৩০০] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৯১০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا ابو اليمان، اخبرنا شعيب، عن الزهري، قال اخبرني عبد الله بن ثعلبة بن صعير وكان رسول الله صلى الله عليه وسلم قد مسح عنه انه راى سعد بن ابي وقاص يوتر بركعة
‘আবদুর রহমান ইবনু আবূ লাইলা (রহ.) বর্ণনা করেন, একবার আমার সঙ্গে কা‘ব ইবনু উজরাহ (রাঃ) এর দেখা হলো। তিনি বললেনঃ আমি কি তোমাকে একটি হাদিয়া দেবো না। তা হলো এইঃ একদিন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের নিকট বেরিয়ে আসলেন, তখন আমরা বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমরা আপনাকে কেমন করে সালাম দেব, আমরা আপনার উপর কীভাবে সালাত (দুরূদ) পাঠ করবো? তিনি বললেনঃ তোমরা বলবে, হে আল্লাহ! আপনি মুহাম্মাদের উপর ও তাঁর পরিবারবর্গের উপর রহমত নাযিল করুন, যেমন আপনি ইবরাহীম আঃ)-এর পরিবারের উপর রহমত বর্ষণ করেছেন। নিশ্চয়ই আপনি প্রশংসিত, উচ্চ মর্যাদাশীল। হে আল্লাহ! আপনি মুহাম্মাদের উপর ও তাঁর পরিবারবর্গের উপর বারাকাত অবতীর্ণ করুন, যেমন আপনি ইবরাহীম আঃ)-এর পরিবারবর্গের উপর বারাকাত অবতীর্ণ করেছেন নিশ্চয়ই আপনি প্রশংসিত উচ্চ মর্যাদাশীল।[৩৩৭০] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৯১১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا ادم، حدثنا شعبة، حدثنا الحكم، قال سمعت عبد الرحمن بن ابي ليلى، قال لقيني كعب بن عجرة فقال الا اهدي لك هدية، ان النبي صلى الله عليه وسلم خرج علينا فقلنا يا رسول الله قد علمنا كيف نسلم عليك، فكيف نصلي عليك قال " فقولوا اللهم صل على محمد، وعلى ال محمد، كما صليت على ال ابراهيم، انك حميد مجيد، اللهم بارك على محمد، وعلى ال محمد، كما باركت على ال ابراهيم، انك حميد مجيد
আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন। একবার আমরা বললামঃ হে আল্লাহর রাসূল! এই যে ‘আসসালামু ‘আলাইকা’ তা তো আমরা জেনে নিয়েছি। তবে আপনার উপর সালাত কীভাবে পাঠ করবো? তিনি বললেন, তোমরা পড়বেঃ হে আল্লাহ! আপনি আপনার বান্দা ও আপনার রাসূল মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর উপর রহমত বর্ষণ করুন। যেমন করে আপনি ইবরাহীম (আঃ)-এর উপর রহমত অবতীর্ণ করেছেন। আর আপনি মুহাম্মাদ ও তাঁর পরিবারবর্গের উপর বারাকাত নাযিল করুন, যে রকম আপনি ইবরাহীম (আঃ)-এর উপর এবং ইবরাহীম (আঃ)-এর পরিবারবর্গের উপর বারাকাত অবতীর্ণ করেছেন।[৪৭৯৮] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫১২৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا ابراهيم بن حمزة، حدثنا ابن ابي حازم، والدراوردي، عن يزيد، عن عبد الله بن خباب، عن ابي سعيد الخدري، قال قلنا يا رسول الله هذا السلام عليك، فكيف نصلي قال " قولوا اللهم صل على محمد عبدك ورسولك، كما صليت على ابراهيم، وبارك على محمد وعلى ال محمد، كما باركت على ابراهيم وال ابراهيم
وَقَوْلُ اللَّهِ تَعَالَى: (وَصَلِّ عَلَيْهِمْ إِنَّ صَلاَتَكَ سَكَنٌ لَهُمْ আল্লাহ তা‘আলার বাণীঃ আপনি তাদের জন্য দু‘আ করুন। নিশ্চয়ই আপনার দু‘আ তাদের জন্য শান্তিদায়ক। (সূরাহ আত্ তওবা ৯/১০৩) ৬৩৫৯. সুলাইমান ইবনু হারব (রহ.) ... আবূ আওফা (রাঃ) বর্ণনা করেন। যখন কেউ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট তার সদাকাহ নিয়ে আসতেন, তখন তিনি দু‘আ করতেনঃ হে আল্লাহ! আপনি তার উপর রহমত নাযিল করুন। আমার পিতা একদিন সদাকাহ নিয়ে তাঁর কাছে এলে তিনি দু‘আ করলেনঃ হে আল্লাহ! আপনি আবূ আওফার পরিবারবর্গের উপর রহমত বর্ষণ করুন। [১৪৯৭] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৯১৩,ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا سليمان بن حرب، حدثنا شعبة، عن عمرو بن مرة، عن ابن ابي اوفى، قال كان اذا اتى رجل النبي صلى الله عليه وسلم بصدقته قال " اللهم صل عليه" فاتاه ابي بصدقته فقال " اللهم صل على ال ابي اوفى
আবূ হুমায়দ সা‘ঈদ (রাঃ) বর্ণনা করেন। একবার লোকেরা বললঃ হে আল্লাহর রাসূল! আমরা আপনার উপর কীভাবে সালাত পাঠ করবো? তিনি বললেনঃ তোমরা পড়বে, হে আল্লাহ! আপনি মুহাম্মাদের ও তাঁর স্ত্রী এবং তাঁর সন্তান-সন্ততি উপর রহমত অবতীর্ণ করুন। যেমন করে আপনি ইবরাহীম (‘আ.)-এর পরিবারবর্গের উপর রহমত অবতীর্ণ করেছেন। আর আপনি মুহাম্মাদ, তাঁর স্ত্রী এবং তাঁর সন্তানদের উপর বারাকাত অবতীর্ণ করুন, যেমনিভাবে আপনি ইবরাহীম ‘আ.)-এর পরিবারবর্গের উপর বারাকাত অবতীর্ণ করেছেন। আপনি অতি প্রশংসিত এবং উচ্চ মর্যাদাশীল। [৩৩৬৯] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৯১৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا عبد الله بن مسلمة، عن مالك، عن عبد الله بن ابي بكر، عن ابيه، عن عمرو بن سليم الزرقي، قال اخبرني ابو حميد الساعدي، انهم قالوا يا رسول الله كيف نصلي عليك قال " قولوا اللهم صل على محمد وازواجه وذريته، كما صليت على ال ابراهيم، وبارك على محمد وازواجه وذريته، كما باركت على ال ابراهيم، انك حميد مجيد
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে এ দু‘আ করতে শুনেছেনঃ হে আল্লাহ! যদি আমি কোন মু’মিন লোককে খারাপ বলে থাকি, তবে আপনি সেটাকে কিয়ামতের দিন তার জন্য আপনার নৈকট্য অর্জনের উপায় বানিয়ে দিন। [মুসলিম ৪৫/২৫, হাঃ ২৬০১] (আধুনিক প্রকাশনী-৫৯১৫ , ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا احمد بن صالح، حدثنا ابن وهب، قال اخبرني يونس، عن ابن شهاب، قال اخبرني سعيد بن المسيب، عن ابي هريرة رضى الله عنه انه سمع النبي صلى الله عليه وسلم يقول " اللهم فايما مومن سببته فاجعل ذلك له قربة اليك يوم القيامة
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। একবার লোকেরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বিভিন্ন প্রশ্ন করতে লাগল, এমনকি প্রশ্ন করে তাঁকে বিরক্ত করে ফেললো। এতে তিনি রাগান্বিত হলেন এবং মিম্বারে আরোহণ করে বললেনঃ আজ তোমরা যত প্রশ্ন করবে আমি তোমাদের সকল প্রশ্নেরই ব্যাখ্যা সহকারে জবাব দিব। এ সময় আমি ডানে ও বামে তাকাতে লাগলাম এবং দেখলাম যে, প্রতিটি লোকই নিজের কাপড় দিয়ে মাথা পেচিয়ে কাঁদছেন। এমন সময় একজন লোক, যাকে লোকের সঙ্গে বিবাদের সময় তার বাপের নাম নিয়ে ডাকা হতো না, সে প্রশ্ন করলোঃ হে আল্লাহর রাসূল! আমার পিতা কে? তিনি বললেনঃ হুযাইফাহ। তখন ‘উমার বলতে লাগলেনঃ আমরা আল্লাহর রব হিসেবে, ইসলামকে দ্বীন হিসেবে এবং মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে রাসূল হিসেবে গ্রহণ করেই সন্তুষ্ট। আমরা ফিতনা থেকে আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ আমি ভাল মন্দের যে দৃশ্য আজ দেখলাম, তা আর কখনও দেখিনি। জান্নাত ও জাহান্নামের দৃশ্য আমাকে এত পরিষ্কারভাবে দেখানো হয়েছে যে, যেন এ দু’টি এ দেয়ালের পশ্চাতেই অবস্থিত। রাবী ক্বাতাদাহ (রহ.) এ হাদীস উল্লেখ করার সময় এ আয়াতটি পড়তেন- (অর্থ) হে মু’মিনগণ! তোমরা সে সব বিষয়ে প্রশ্ন করো না, যা প্রকাশিত হলে তোমরা দুঃখিত হবে। [৯৩; মুসলিম ৪৩/৩৭, হাঃ ২৩৫৯] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৯১৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا حفص بن عمر، حدثنا هشام، عن قتادة، عن انس رضى الله عنه سالوا رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى احفوه المسالة فغضب فصعد المنبر فقال " لا تسالوني اليوم عن شىء الا بينته لكم ". فجعلت انظر يمينا وشمالا، فاذا كل رجل لاف راسه في ثوبه يبكي، فاذا رجل كان اذا لاحى الرجال يدعى لغير ابيه فقال يا رسول الله من ابي قال " حذافة "، ثم انشا عمر فقال رضينا بالله ربا، وبالاسلام دينا، وبمحمد صلى الله عليه وسلم رسولا، نعوذ بالله من الفتن. فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ما رايت في الخير والشر كاليوم قط، انه صورت لي الجنة والنار حتى رايتهما وراء الحايط ". وكان قتادة يذكر عند الحديث هذه الاية {يا ايها الذين امنوا لا تسالوا عن اشياء ان تبد لكم تسوكم}
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবূ ত্বলহা (রাঃ)-কে বললেনঃ তুমি তোমাদের ছেলেদের ভিতর থেকে আমার খিদমাত করার উদ্দেশে একটি ছেলে খুঁজে নিয়ে এসো। আবূ ত্বলহা গিয়ে আমাকে তাঁর সাওয়ারীর পিছনে বসিয়ে নিয়ে এলেন। তখন থেকে আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর খিদমাত করে আসছি। যখনই কোন বিপদ দেখা দিত, তখন আমি তাঁকে অধিক করে এ দু‘আ পড়তে শুনতামঃ হে আল্লাহ! আমি দুশ্চিন্তা, পেরেশানী, অপারগতা, অলসতা, কৃপণতা, কাপুরুষতা, ঋণের বোঝা এবং মানুষের আধিপত্য থেকে আপনার আশ্রয় প্রার্থনা করছি। আমি সর্বদা তাঁর খিদমাত করে আসছি, এমনকি যখন আমরা খাইবার থেকে প্রত্যাবর্তন করছিলাম, তখন তিনি সফীয়্যাহ বিনতু হুয়াইকে সঙ্গে নিয়ে আসলেন। তিনি তাঁকে গনীমতের সম্পদ থেকে নিজের জন্য বেছে নিয়েছিলেন। তখন আমি তাঁকে দেখছিলাম যে, তিনি তাঁকে একখানা চাদর অথবা একখানা কম্বল দিয়ে ঢেকে নিজের পেছনে বসিয়েছিলেন। যখন আমরা সবাই সাহ্বা নামক স্থানে পৌঁছলাম, তখন আমরা ‘হাইস’ নামীয় খাবার তৈরী করে একটি চর্মের দস্তরখানে রাখলাম। তিনি আমাকে পাঠালে আমি গিয়ে কয়েকজনকে দা’ওয়াত করলাম। তাঁরা এসে আহার করে গেলেন। এটি ছিল সফীয়্যাহর সঙ্গে তাঁর বাসর যাপন। অতঃপর তিনি রওয়ানা হলে উহুদ পর্বত তাঁর সামনে দেখা গেল। তখন তিনি বললেনঃ এ এমন একটি পর্বত যা আমাদের ভালবাসে এবং আমরাও তাকে ভালবাসি। তারপর যখন মদিনার কাছে পৌঁছলেন, তখন তিনি বললেনঃ হে আল্লাহ! আমি মদিনার দু’টি পর্বতের মধ্যবর্তী জায়গাকে হারাম (ঘোষণা) করছি, যে রকম ইবরাহীম (আঃ) মক্কাকে হারাম (ঘোষণা) করেছিলেন। হে আল্লাহ! আপনি তাদের মুদ্দ ও সা‘তে বারাকাত দান করুন।[৩৭১] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৯১৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا اسماعيل بن جعفر، عن عمرو بن ابي عمرو، مولى المطلب بن عبد الله بن حنطب انه سمع انس بن مالك، يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لابي طلحة " التمس لنا غلاما من غلمانكم يخدمني ". فخرج بي ابو طلحة يردفني وراءه، فكنت اخدم رسول الله صلى الله عليه وسلم كلما نزل، فكنت اسمعه يكثر ان يقول " اللهم اني اعوذ بك من الهم والحزن، والعجز والكسل، والبخل والجبن، وضلع الدين، وغلبة الرجال ". فلم ازل اخدمه حتى اقبلنا من خيبر، واقبل بصفية بنت حيى قد حازها، فكنت اراه يحوي وراءه بعباءة او كساء ثم يردفها وراءه حتى اذا كنا بالصهباء صنع حيسا في نطع، ثم ارسلني فدعوت رجالا فاكلوا، وكان ذلك بناءه بها، ثم اقبل حتى بدا له احد قال " هذا جبيل يحبنا ونحبه ". فلما اشرف على المدينة قال " اللهم اني احرم ما بين جبليها مثل ما حرم به ابراهيم مكة، اللهم بارك لهم في مدهم وصاعهم