Loading...

Loading...
বইসমূহ
১০৮ হাদিসসমূহ
وَقَوْلِ اللهِتَعَالٰى وَقَالَ رَبُّكُمُ ادْعُونِي أَسْتَجِبْ لَكُمْ ۚ إِنَّ الَّذِينَ يَسْتَكْبِرُونَ عَنْ عِبَادَتِي سَيَدْخُلُونَ جَهَنَّمَ دَاخِرِينَ وَقَالَ رَبُّكُمُ ادْعُونِي أَسْتَجِبْ لَكُمْ ۚ إِنَّ الَّذِينَ يَسْتَكْبِرُونَ عَنْ عِبَادَتِي سَيَدْخُلُونَ جَهَنَّمَ دَاخِرِينَ আল্লাহ তা‘আলার বাণীঃ ‘‘তোমার প্রতিপালক বলেন- তোমরা আমাকে ডাকো, আমি (তোমাদের ডাকে) সাড়া দেব। আরও তাঁর বাণীঃ যারা অহংকারবশতঃ আমার ‘ইবাদাত করে না, নিশ্চিতই তারা লাঞ্ছিত অবস্থায় জাহান্নামে প্রবেশ করবে।’’ (সূরা আল-মু’মিন ৪০/৬০) ৬৩০৪. আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ প্রত্যেক নবীর এমন একটি দু‘আ রয়েছে, যা (আল্লাহর নিকট) গৃহীত হয় আর নবী সে দু‘আ করে থাকেন। আমার ইচ্ছা, আমি আমার সে দু‘আর অধিকার আখিরাতে আমার উম্মাতের শাফায়াতের জন্য মুলতবি রাখি। [৭৪৭৪; মুসলিম ১/৮৬, হাঃ ১৯৮, ১৯৯, আহমাদ ৮৯৬৮] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৬০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا اسماعيل، قال حدثني مالك، عن ابي الزناد، عن الاعرج، عن ابي هريرة، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " لكل نبي دعوة مستجابة يدعو بها، واريد ان اختبي دعوتي شفاعة لامتي في الاخرة
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন যে, প্রত্যেক নবীই যা চাওয়ার চেয়ে নিয়েছেন। অথবা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ প্রত্যেক নবীকে যে দু‘আর অধিকার দেয়া হয়েছিল তিনি সে দু‘আ করে নিয়েছেন এবং তা কবূলও করা হয়েছে। কিন্তু আমি আমার দু‘আকে কিয়ামতের দিনে আমার উম্মাতের শাফায়াতের জন্য রেখে দিয়েছি। [মুসলিম ১/৮৬, হাঃ ২০০, আহমাদ ১৩৭০৭] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৬০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
وقال لي خليفة قال معتمر سمعت ابي، عن انس، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " كل نبي سال سولا او قال لكل نبي دعوة قد دعا بها فاستجيب، فجعلت دعوتي شفاعة لامتي يوم القيامة
وَقَوْلِهِ تَعَالَى: (اسْتَغْفِرُوا رَبَّكُمْ إِنَّهُ كَانَ غَفَّارًا يُرْسِلِ السَّمَاءَ عَلَيْكُمْ مِدْرَارًا وَيُمْدِدْكُمْ بِأَمْوَالٍ وَبَنِينَ وَيَجْعَلْ لَكُمْ جَنَّاتٍ وَيَجْعَلْ لَكُمْ أَنْهَارًا)، (وَالَّذِينَ إِذَا فَعَلُوا فَاحِشَةً أَوْ ظَلَمُوا أَنْفُسَهُمْ ذَكَرُوا اللَّهَ فَاسْتَغْفَرُوا لِذُنُوبِهِمْ وَمَنْ يَغْفِرُ الذُّنُوبَ إِلاَّ اللَّهُ وَلَمْ يُصِرُّوا عَلَى مَا فَعَلُوا وَهُمْ يَعْلَمُون ‘‘আমি বলেছি- ‘তোমরা তোমাদের রবেবর কাছে ক্ষমা চাও, তিনি বড়ই ক্ষমাশীল। (তোমরা তা করলে) তিনি অজস্র ধারায় তোমাদের উপর বৃষ্টি বর্ষণ করবেন, তোমাদের ধন সম্পদ ও সন্তানাদি বাড়িয়ে দেবেন, তোমাদের জন্য বাগান সৃষ্টি করবেন এবং তোমাদের জন্য নদ্বীনালা প্রবাহিত করবেন।।’’ (সূরা নূহ ৭১/১০-১২) ‘‘যারা কোন পাপ কাজ করে ফেললে কিংবা নিজেদের প্রতি যুল্ম করলে আল্লাহকে স্মরণ করে এবং নিজেদের পাপের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করে.....।’’ (সূরা আলে ‘ইমরান ৩/১৩৫) ৬৩০৬. শাদ্দাদ ইবনু আউস (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ সাইয়্যিদুল ইস্তিগফার হলো বান্দার এ দু‘আ পড়া- ‘‘হে আল্লাহ! তুমি আমার প্রতিপালক। তুমিই আমাকে সৃষ্টি করেছ। আমি তোমারই গোলাম। আমি যথাসাধ্য তোমার সঙ্গে কৃত প্রতিজ্ঞা ও অঙ্গীকারের উপর আছি। আমি আমার সব কৃতকর্মের কুফল থেকে তোমার কাছে আশ্রয় চাচ্ছি। তুমি আমার প্রতি তোমার যে নি‘য়ামত দিয়েছ তা স্বীকার করছি। আর আমার কৃত গুনাহের কথাও স্বীকার করছি। তুমি আমাকে ক্ষমা কর।’’ যে ব্যক্তি দিনে (সকালে) দৃঢ় বিশ্বাসের সঙ্গে এ ইসতিগফার পড়বে আর সন্ধ্যা হবার আগেই সে মারা যাবে, সে জান্নাতী হবে। আর যে ব্যক্তি রাতে (প্রথম ভাগে) দৃঢ় বিশ্বাসের সঙ্গে এ দু‘আ পড়ে নেবে আর সে ভোর হবার আগেই মারা যাবে সে জান্নাতী হবে। [৬৩২৩] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৬১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا ابو معمر، حدثنا عبد الوارث، حدثنا الحسين، حدثنا عبد الله بن بريدة، عن بشير بن كعب العدوي، قال حدثني شداد بن اوس رضى الله عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم " سيد الاستغفار ان تقول اللهم انت ربي، لا اله الا انت، خلقتني وانا عبدك، وانا على عهدك ووعدك ما استطعت، اعوذ بك من شر ما صنعت، ابوء لك بنعمتك على وابوء لك بذنبي، فاغفر لي، فانه لا يغفر الذنوب الا انت ". قال " ومن قالها من النهار موقنا بها، فمات من يومه قبل ان يمسي، فهو من اهل الجنة، ومن قالها من الليل وهو موقن بها، فمات قبل ان يصبح، فهو من اهل الجنة
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) বর্ণনা করেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছিঃ আল্লাহর শপথ! আমি প্রতিদিন আল্লাহর কাছে সত্তরবারেরও অধিক ইস্তিগফার ও তওবা করে থাকি। (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৬২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا ابو اليمان، اخبرنا شعيب، عن الزهري، قال اخبرني ابو سلمة بن عبد الرحمن، قال قال ابو هريرة سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " والله اني لاستغفر الله واتوب اليه في اليوم اكثر من سبعين مرة
قَالَ قَتَادَةُ: (تُوبُوا إِلَى اللَّهِ تَوْبَةً نَصُوحًا) الصَّادِقَةُ النَّاصِحَةُ. ক্বাতাদাহ (রহ.) বলেন, মহান আল্লাহর বাণীঃ ‘‘তোমরা সবাই আন্তরিকতার সঙ্গে আল্লাহর কাছে তওবা করো।’’ (সূরাহ আত্-তাহরীম ৬৬/৮) ৬৩০৮. ‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ) দু’টি হাদীস বর্ণনা করেছেন। একটি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে আর অন্যটি তাঁর নিজ থেকে। তিনি বলেন, ঈমানদার ব্যক্তি তার গুনাহগুলোকে এত বিরাট মনে করে, যেন সে একটা পর্বতের নীচে উপবিষ্ট আছে, আর সে আশঙ্কা করছে যে, সম্ভবত পর্বতটা তার উপর ধ্বসে পড়বে। আর পাপিষ্ঠ ব্যক্তি তার গুনাহগুলোকে মাছির মত মনে করে, যা তার নাকে বসে চলে যায়। এ কথাটি আবূ শিহাব নিজ নাকে হাত দিয়ে দেখিয়ে বলেন। তারপর [নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত হাদীসটি বর্ণনা করে বলেন] নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মনে কর কোন এক ব্যক্তি (সফরের) কোন এক স্থানে অবতরণ করলো, সেখানে প্রাণেরও ভয় ছিল। তার সঙ্গে তার সফরের বাহন ছিল। যার উপর তার খাদ্য ও পানীয় ছিল, সে মাথা রেখে ঘুমিয়ে পড়লো এবং জেগে দেখলো তার বাহন চলে গেছে। তখন সে গরমে ও পিপাসায় কাতর হয়ে পড়লো। রাবী বলেনঃ আল্লাহ যা চাইলেন তা হলো। তখন সে বললো যে, আমি যে স্থানে ছিলাম সেখানেই ফিরে যাই। এরপর সে নিজ স্থানে ফিরে এসে আবার ঘুমিয়ে পড়লো। তারপর জেগে দেখলো যে, তার বাহনটি তার পাশেই দাঁড়িয়ে আছে। তখন সে ব্যক্তি যতটা খুশী হলো, নিশ্চয়ই আল্লাহ তা‘আলা তাঁর বান্দার তওবা করার কারণে এর চেয়েও অনেক অধিক খুশী হন। আবূ আওয়ানাহ ও জারীর আ‘মাশ (রহ.) থেকে এ রকমই বর্ণনা করেছেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৬৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا احمد بن يونس، حدثنا ابو شهاب، عن الاعمش، عن عمارة بن عمير، عن الحارث بن سويد، حدثنا عبد الله، حديثين احدهما عن النبي صلى الله عليه وسلم والاخر عن نفسه، قال " ان المومن يرى ذنوبه كانه قاعد تحت جبل يخاف ان يقع عليه، وان الفاجر يرى ذنوبه كذباب مر على انفه ". فقال به هكذا قال ابو شهاب بيده فوق انفه. ثم قال " لله افرح بتوبة عبده من رجل نزل منزلا، وبه مهلكة، ومعه راحلته عليها طعامه وشرابه، فوضع راسه فنام نومة، فاستيقظ وقد ذهبت راحلته، حتى اشتد عليه الحر والعطش او ما شاء الله، قال ارجع الى مكاني. فرجع فنام نومة، ثم رفع راسه، فاذا راحلته عنده ". تابعه ابو عوانة وجرير عن الاعمش. وقال ابو اسامة حدثنا الاعمش حدثنا عمارة سمعت الحارث. وقال شعبة وابو مسلم عن الاعمش عن ابراهيم التيمي عن الحارث بن سويد. وقال ابو معاوية حدثنا الاعمش عن عمارة عن الاسود عن عبد الله وعن ابراهيم التيمي عن الحارث بن سويد عن عبد الله
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ তা‘আলা বান্দার তওবার কারণে সেই লোকটির চেয়েও অধিক খুশী হন, যে লোকটি মরুভূমিতে তাঁর উট হারিয়ে পরে তা পেয়ে যায়। [মুসলিম ৪৯/১, হাঃ ২৭৪৭] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৬৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا اسحاق، اخبرنا حبان، حدثنا همام، حدثنا قتادة، حدثنا انس بن مالك، عن النبي صلى الله عليه وسلم. وحدثنا هدبة، حدثنا همام، حدثنا قتادة، عن انس رضى الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " الله افرح بتوبة عبده من احدكم سقط على بعيره، وقد اضله في ارض فلاة
‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাতের শেষভাগে এগার রাক‘আত সালাত আদায় করতেন। তারপর যখন সুবহি সাদিক হতো, তখন তিনি হালকা দু’রাক‘আত সালাত আদায় করতেন। অতঃপর তিনি নিজের ডান পার্শ্বে কাত হয়ে বিশ্রাম নিতেন। যতক্ষণ না মুয়াযযিন এসে তাঁকে সালাতের খবর দিতেন। [৬২৬] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৬৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا عبد الله بن محمد، حدثنا هشام بن يوسف، اخبرنا معمر، عن الزهري، عن عروة، عن عايشة رضى الله عنها كان النبي صلى الله عليه وسلم يصلي من الليل احدى عشرة ركعة، فاذا طلع الفجر صلى ركعتين خفيفتين، ثم اضطجع على شقه الايمن، حتى يجيء الموذن فيوذنه
বারাআ ইবনু ‘আযিব (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বললেনঃ যখন তুমি শোয়ার বিছানায় যেতে চাও, তখন তুমি সালাতের অযূর মত অযূ করবে। এরপর ডান পাশের উপর কাত হয়ে শুয়ে পড়বে। আর এ দু‘আ পড়বে, হে আল্লাহ! আমি আমার চেহারাকে (অর্থাৎ যাবতীয় অঙ্গ-প্রত্যঙ্গকে) তোমার হস্তে সমর্পণ করলাম। আর আমার সকল বিষয় তোমারই নিকট সমর্পণ করলাম এবং আমার পৃষ্ঠদেশ তোমার আশ্রয়ে সোপর্দ করলাম। আমি তোমার গযবের ভয়ে ভীত ও তোমার রহমতের আশায় আশান্বিত। তোমার নিকট ব্যতীত কোন আশ্রয়স্থল নেই এবং নেই মুক্তি পাওয়ার স্থান। তুমি যে কিতাব অবতীর্ণ করেছ, আমি তার উপর ঈমান এনেছি এবং তুমি যে নবী পাঠিয়েছ আমি তাঁর উপর ঈমান এনেছি। যদি তুমি এ রাতেই মরে যাও, তোমার সে মৃত্যু স্বভাবধর্ম ইসলামের উপরই গণ্য হবে। অতএব তোমার এ দু‘আগুলো যেন তোমার এ রাতের সর্বশেষ কথা হয়। রাবী বারাআ বলেন, আমি বললামঃ আমি এ কথা মনে রাখবো। তবে بِرَسُوْلِكَ الَّذِي أَرْسَلْتَ সহ। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, না ওভাবে নয়, তুমি বলবে وَبِنَبِيِّكَ الَّذِي أَرْسَلْتَ। [২৪৭] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৬৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا مسدد، حدثنا معتمر، قال سمعت منصورا، عن سعد بن عبيدة، قال حدثني البراء بن عازب رضى الله عنهما قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اذا اتيت مضجعك فتوضا وضوءك للصلاة، ثم اضطجع على شقك الايمن، وقل اللهم اسلمت وجهي اليك، وفوضت امري اليك، والجات ظهري اليك، رغبة ورهبة اليك، لا ملجا ولا منجا منك الا اليك، امنت بكتابك الذي انزلت، وبنبيك الذي ارسلت. فان مت مت على الفطرة، فاجعلهن اخر ما تقول ". فقلت استذكرهن وبرسولك الذي ارسلت. قال " لا، وبنبيك الذي ارسلت
হুযাইফাহ ইবনু ইয়ামান (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন বিছানায় আশ্রয় গ্রহণ করতে যেতেন, তখন তিনি এ দু‘আ পড়তেনঃ হে আল্লাহ! আপনারই নাম নিয়ে মরি আর আপনার নাম নিয়েই বাঁচি। আর তিনি জেগে উঠতেন তখন পড়তেনঃ যাবতীয় প্রশংসা সেই আল্লাহর জন্য যিনি আমাদের মৃত্যুদানের পর আবার আমাদের পুনর্জীবিত করেছেন। আর প্রত্যাবর্তন তাঁর পানেই। [৬৩১৪, ৬৩২৪, ৭৩৯৪] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৬৭ ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا قبيصة، حدثنا سفيان، عن عبد الملك، عن ربعي بن حراش، عن حذيفة، قال كان النبي صلى الله عليه وسلم اذا اوى الى فراشه قال " باسمك اموت واحيا ". واذا قام قال " الحمد لله الذي احيانا بعد ما اماتنا واليه النشور ". تنشرها: تخرجها
বারাআ ইবনু ‘আযিব (রাঃ) বর্ণনা করেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক লোককে নির্দেশ দিলেন। অন্য সূত্রে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক ব্যক্তিকে অসিয়ত করলেন যে, যখন তুমি বিছানায় ঘুমাতে যাবে, তখন তুমি এ দু‘আ পড়বে ‘হে আল্লাহ! আমি আমার প্রাণকে আপনার কাছে সমর্পণ করলাম, আর আমার বিষয় ন্যস্ত করলাম আপনার দিকে এবং আমার চেহারা আপনার দিকে ফিরিয়ে দিলাম, আপনার রহমতের আশায় এবং আপনার গযবের ভয়ে। আপনার নিকট ব্যতীত আপনার গযব থেকে পালিয়ে যাবার এবং আপনার আযাব থেকে বাঁচার আর কোন স্থান নেই। আপনি যে কিতাব অবতীর্ণ করেছেন, আমি তার উপর দৃঢ় বিশ্বাস করছি এবং আপনি যে নবী পাঠিয়েছেন, আমি তাঁর উপর পূর্ণ বিশ্বাস স্থাপন করেছি। যদি তুমি এ অবস্থায়ই মরে যাও, তবে তুমি স্বভাবধর্ম ইসলামের উপর মৃত্যুবরণ করবে। [২৪৭] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৬৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا سعيد بن الربيع، ومحمد بن عرعرة، قالا حدثنا شعبة، عن ابي اسحاق، سمع البراء بن عازب، ان النبي صلى الله عليه وسلم امر رجلا. وحدثنا ادم حدثنا شعبة حدثنا ابو اسحاق الهمداني عن البراء بن عازب ان النبي صلى الله عليه وسلم اوصى رجلا فقال " اذا اردت مضجعك فقل اللهم اسلمت نفسي اليك، وفوضت امري اليك، ووجهت وجهي اليك، والجات ظهري اليك، رغبة ورهبة اليك، لا ملجا ولا منجا منك الا اليك، امنت بكتابك الذي انزلت، وبنبيك الذي ارسلت. فان مت مت على الفطرة
হুযাইফাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাতে নিজ বিছানায় শোয়ার সময় নিজ হাত গালের নীচে রাখতেন, তারপর বলতেনঃ হে আল্লাহ! আপনার নামেই মরি, আপনার নামেই জীবিত হই। আর যখন জাগতেন তখন বলতেনঃ সেআল্লাহর জন্য প্রশংসা, যিনি মৃত্যুর পর আমাদের জীবন দান করলেন এবং তাঁরই দিকে আমাদের পুনরুত্থান। [৬৩১২] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৬৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثني موسى بن اسماعيل، حدثنا ابو عوانة، عن عبد الملك، عن ربعي، عن حذيفة رضى الله عنه قال كان النبي صلى الله عليه وسلم اذا اخذ مضجعه من الليل وضع يده تحت خده ثم يقول " اللهم باسمك اموت واحيا ". واذا استيقظ قال " الحمد لله الذي احيانا بعد ما اماتنا واليه النشور
বারাআ ইবনু ‘আযিব (রাঃ) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন নিজ বিছানায় বিশ্রাম নিতে যেতেন, তখন তিনি ডান পাশের উপর নিদ্রা যেতেন এবং বলতেনঃ হে আল্লাহ! আমি আমার সত্তাকে আপনার কাছে সমর্পণ করলাম, আর আমার বিষয় ন্যস্ত করলাম আপনার দিকে এবং আমার চেহারা আপনারই দিকে ফিরিয়ে দিলাম, আপনার রহমতের আশায়। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, যে ব্যক্তি শয়নকালে এ দু‘আগুলো পড়বে, আর এ রাতেই তার মৃত্যু হবে সে স্বভাব ধর্ম ইসলামের উপরই মরবে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৭০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا مسدد، حدثنا عبد الواحد بن زياد، حدثنا العلاء بن المسيب، قال حدثني ابي، عن البراء بن عازب، قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم اذا اوى الى فراشه نام على شقه الايمن ثم قال " اللهم اسلمت نفسي اليك، ووجهت وجهي اليك، وفوضت امري اليك، والجات ظهري اليك، رغبة ورهبة اليك، لا ملجا ولا منجا منك الا اليك، امنت بكتابك الذي انزلت، ونبيك الذي ارسلت. وقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من قالهن ثم مات تحت ليلته مات على الفطرة ". {استرهبوهم} من الرهبة، ملكوت ملك مثل رهبوت خير من رحموت، تقول ترهب خير من ان ترحم
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একবার আমি মাইমূনাহ (রাঃ) এর ঘরে রাত্রি অতিবাহিত করলাম। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উঠে তাঁর প্রয়োজনাদি সেরে মুখ-হাত ধুয়ে শুয়ে পড়লেন। কিছুক্ষণ পরে আবার জাগ্রত হয়ে পানির মশকের নিকট গিয়ে এর মুখ খুললেন। এরপর মাঝারি রকমের এমন অযূ করলেন যে, তাতে অধিক পানি লাগালেন না। অথচ পুরা ‘উযূই করলেন। তারপর তিনি সালাত আদায় করতে লাগলেন। তখন আমিও জেগে উঠলাম। তবে আমি কিছু বিলম্বে উঠলাম। এজন্য যে, আমি এটা পছন্দ করলাম না যে, তিনি আমার অনুসরণকে দেখে ফেলেন। যা হোক, আমি অযূ করলাম। তখনও তিনি দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করছিলেন। সুতরাং আমি গিয়ে তাঁর বাম পার্শ্বে দাঁড়িয়ে গেলাম। তখন তিনি আমার কান ধরে তাঁর ডান দিকে আমাকে ঘুরিয়ে নিলেন। এরপর তাঁর তেরো রাক‘আত সালাত পূর্ণ হলো। তারপর তিনি আবার কাত হয়ে ঘুমিয়ে পড়লেন। এমনকি নাক ডাকাতেও লাগলেন। তাঁর অভ্যাস ছিল যে, তিনি ঘুমালে নাক ডাকাতেন। এরপর বিলাল (রাঃ) এসে তাঁকে জাগালেন। তখন তিনি নতুন অযূ না করেই সালাত আদায় করলেন। তাঁর দু‘আর মধ্যে এ দু‘আও ছিলঃ ‘‘হে আল্লাহ! আপনি আমার অন্তরে, আমার চোখে, আমার কানে, আমার ডানে-বামে, আমার উপর-নীচে, আমার সামনে-পেছনে, আমার জন্য নূর দান করুন।’’ কুরায়ব (রহ.) বলেন, এ সাতটি আমার তাবূতের মত। এরপর আমি ‘আব্বাসের জনৈক পুত্রের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলাম, তিনি আমাকে এ সাতটি অঙ্গের কথা বর্ণনা করলেন এবং রগ, গোশত, চুল ও চামড়ার উল্লেখ করলেন এবং আরো দু’টির কথা উল্লেখ করেন। [১১৭; মুসলিম ৬/২৬, হাঃ ৭৬৩, আহমাদ ২০৮৩] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৭১ , ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا علي بن عبد الله، حدثنا ابن مهدي، عن سفيان، عن سلمة، عن كريب، عن ابن عباس رضى الله عنهما قال بت عند ميمونة فقام النبي صلى الله عليه وسلم فاتى حاجته، غسل وجهه ويديه، ثم نام، ثم قام فاتى القربة فاطلق شناقها، ثم توضا وضوءا بين وضوءين لم يكثر، وقد ابلغ، فصلى، فقمت فتمطيت كراهية ان يرى اني كنت اتقيه، فتوضات، فقام يصلي، فقمت عن يساره، فاخذ باذني فادارني عن يمينه، فتتامت صلاته ثلاث عشرة ركعة ثم اضطجع فنام حتى نفخ وكان اذا نام نفخ فاذنه بلال بالصلاة، فصلى ولم يتوضا، وكان يقول في دعايه " اللهم اجعل في قلبي نورا، وفي بصري نورا، وفي سمعي نورا، وعن يميني نورا، وعن يساري نورا، وفوقي نورا، وتحتي نورا، وامامي نورا، وخلفي نورا، واجعل لي نورا ". قال كريب وسبع في التابوت. فلقيت رجلا من ولد العباس فحدثني بهن، فذكر عصبي ولحمي ودمي وشعري وبشري، وذكر خصلتين
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, যখনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাহাজ্জুদের সালাতে দাঁড়াতেন, তখন বলতেনঃ হে আল্লাহ! সমস্ত প্রশংসা আপনারই জন্য, আপনি রক্ষক আসমান ও যমীনের এবং যা কিছু এগুলোর মধ্যে আছে, আপনিই তাদের নূর। আর যাবতীয় প্রশংসা শুধু আপনারই। আসমান যমীন এবং এ দু‘এর মধ্যে যা আছে, এসব কিছুকে সুদৃঢ় ও কায়িম রাখার একমাত্র মালিক আপনিই। আর সমূহ প্রশংসা একমাত্র আপনারই। আপনিই সত্য, আপনার ওয়াদা সত্য, আখিরাতে আপনার সাক্ষাৎ লাভ করা সত্য, জান্নাত সত্য, জাহান্নাম সত্য, ক্বিয়ামাত (কিয়ামত) সত্য, পয়গাম্বরগণ সত্য এবং মুহাম্মাদ সত্য। হে আল্লাহ! আপনারই কাছে আত্মসমর্পণ করেছি। আমি একমাত্র আপনারই উপর ভরসা রাখি। একমাত্র আপনারই উপর ঈমান এনেছি। আপনারই দিকে ফিরে চলছি। শত্রুদের সঙ্গে আপনারই সন্তুষ্টির জন্য শত্রুতা করি। আপনারই নিকট বিচার চাই। অতএব আমার আগের পরের এবং লুক্কায়িত প্রকাশ্যগুনাহসমূহ আপনিক্ষমা করে দিন। আপনি কোন ব্যক্তিকে অগ্রসরমান করেন, আর কোন ব্যক্তিকে পশ্চাদপদ করেন, আপনি ব্যতীত সত্যিকারের কোন মাবূদ নেই। [১১২০] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৭২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا عبد الله بن محمد، حدثنا سفيان، سمعت سليمان بن ابي مسلم، عن طاوس، عن ابن عباس، كان النبي صلى الله عليه وسلم اذا قام من الليل يتهجد قال " اللهم لك الحمد، انت نور السموات والارض ومن فيهن، ولك الحمد انت قيم السموات والارض ومن فيهن، ولك الحمد، انت الحق ووعدك حق، وقولك حق، ولقاوك حق، والجنة حق، والنار حق، والساعة حق، والنبيون حق، ومحمد حق، اللهم لك اسلمت وعليك توكلت وبك امنت، واليك انبت، وبك خاصمت، واليك حاكمت، فاغفر لي ما قدمت وما اخرت، وما اسررت، وما اعلنت، انت المقدم وانت الموخر لا اله الا انت او لا اله غيرك
‘আলী (রাঃ) হতে বর্ণিত। একবার গম পেষার যাঁতা ঘুরানোর কারণে ফাতেমাহ ’র হাতে ফোস্কা পড়ে গেল। তখন তিনি একটি খাদিম চেয়ে নেয়ার উদ্দেশে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এলেন। কিন্তু তিনি তাঁকে পেলেন না। তখন তিনি আসার উদ্দেশ্যটি ‘আয়িশাহ (রাঃ) এর নিকট ব্যক্ত করে গেলেন। এরপর তিনি যখন গৃহে ফিরলেন তখন ‘আয়িশাহ (রাঃ) এ বিষয়টি তাঁকে জানালেন। তারপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের কাছে এমন সময় আগমন করলেন যখন আমরা বিছানায় বিশ্রাম গ্রহণ করেছি। তখন আমি উঠতে চাইলে তিনি বললেনঃ নিজ স্থানেই অবস্থান কর। তারপর আমাদের মাঝখানেই তিনি এমনিভাবে বসে গেলেন যে, আমি তার দু’পায়ের শীতল স্পর্শ আমার বুকে অনুভব করলাম। তিনি বললেনঃ আমি কি তোমাদের এমন একটি ‘আমল বলে দেব না, যা তোমাদের জন্য একটি খাদিমের চেয়েও অনেক অধিক উত্তম। যখন তোমরা শয্যা গ্রহণ করতে যাবে, তখন তোমরা আল্লাহু আকবার ৩৩ বার, সুবহানাল্লাহ ৩৩ বার, আল্হামদু লিল্লাহ ৩৩ বার পড়বে। এটা তোমাদের জন্য একটি খাদিমের চেয়েও অনেক অধিক কল্যাণকর। ইবনু সীরীন (রহ.) বলেনঃ তাসবীহ হলো ৩৪ বার। [৩১১৩] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৭৩,ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا سليمان بن حرب، حدثنا شعبة، عن الحكم، عن ابن ابي ليلى، عن علي، ان فاطمة عليهما السلام شكت ما تلقى في يدها من الرحى، فاتت النبي صلى الله عليه وسلم تساله خادما، فلم تجده، فذكرت ذلك لعايشة، فلما جاء اخبرته. قال فجاءنا وقد اخذنا مضاجعنا، فذهبت اقوم فقال " مكانك ". فجلس بيننا حتى وجدت برد قدميه على صدري فقال " الا ادلكما على ما هو خير لكما من خادم، اذا اويتما الى فراشكما، او اخذتما مضاجعكما، فكبرا ثلاثا وثلاثين، وسبحا ثلاثا وثلاثين، واحمدا ثلاثا وثلاثين، فهذا خير لكما من خادم ". وعن شعبة عن خالد عن ابن سيرين قال التسبيح اربع وثلاثون
‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন বিছানায় যেতেন, তখন মুয়াওব্বিত (সূরা ফালাক ও নাস) পাঠ করতঃ তাঁর দু’ হাতে ফুঁক দিয়ে তা শরীরে মাসহ(মাসেহ) করতেন। [৫০১৭] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৭৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا عبد الله بن يوسف، حدثنا الليث، قال حدثني عقيل، عن ابن شهاب، اخبرني عروة، عن عايشة رضى الله عنها ان رسول الله صلى الله عليه وسلم كان اذا اخذ مضجعه نفث في يديه، وقرا بالمعوذات، ومسح بهما جسده
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যদি তোমাদের কোন ব্যক্তি শয্যা গ্রহণ করতে যায়, তখন সে যেন তার লুঙ্গির ভেতর দিক দিয়ে নিজ বিছানাটা ঝেড়ে নেয়। কারণ, সে জানে না যে, বিছানার উপর তার অনুপস্থিতিতে পীড়াদায়ক কোন কিছু আছে কিনা। তারপর পড়বেঃ হে আমার রবব! আপনারই নামে আমার শরীরটা বিছানায় রাখলাম এবং আপনারই নামে আবার উঠবো। যদি আপনি ইতোমধ্যে আমার জান কবয করে নেন তা হলে, তার উপর রহম করবেন। আর যদি তা আমাকে ফিরিয়ে দেন, তবে তাকে এমনভাবে হিফাযত করবেন, যেভাবে আপনি আপনার নেক বান্দাদের হিফাযাত করে থাকেন। [৭৩৯৩; মুসলিম ৪৮/১৭, হাঃ ২৭১৪, আহমাদ ৯৫৯৫] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৭৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا احمد بن يونس، حدثنا زهير، حدثنا عبيد الله بن عمر، حدثني سعيد بن ابي سعيد المقبري، عن ابيه، عن ابي هريرة، قال قال النبي صلى الله عليه وسلم " اذا اوى احدكم الى فراشه فلينفض فراشه بداخلة ازاره، فانه لا يدري ما خلفه عليه، ثم يقول باسمك رب وضعت جنبي، وبك ارفعه، ان امسكت نفسي فارحمها، وان ارسلتها فاحفظها بما تحفظ به عبادك الصالحين ". تابعه ابو ضمرة واسماعيل بن زكرياء عن عبيد الله. وقال يحيى وبشر عن عبيد الله عن سعيد عن ابي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم. ورواه مالك وابن عجلان عن سعيد عن ابي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ প্রতি রাতের শেষ তৃতীয়াংশ অবশিষ্ট থাকতে আমাদের পরওয়ারদেগার আমাদের নিকটবর্তী আসমানে অবতরণ করে ঘোষণা করতে থাকেনঃ আমার নিকট দু‘আ করবে কে? আমি তার দু‘আ কবূল করবো। আমার নিকট কে চাবে? আমি তাকে দান করবো। আমার কাছে কে তার গুনাহ ক্ষমা চাবে? আমি তাকে ক্ষমা করে দেবো। [১১৪৫] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৭৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا عبد العزيز بن عبد الله، حدثنا مالك، عن ابن شهاب، عن ابي عبد الله الاغر، وابي، سلمة بن عبد الرحمن عن ابي هريرة رضى الله عنه ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " يتنزل ربنا تبارك وتعالى كل ليلة الى السماء الدنيا حين يبقى ثلث الليل الاخر يقول من يدعوني فاستجيب له، من يسالني فاعطيه، ومن يستغفرني فاغفر له?
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) বর্ণনা করেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন পায়খানায় প্রবেশ করতেন, তখন তিনি বলতেনঃ হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে যাবতীয় পুরুষ ও স্ত্রী শয়তানদের থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করছি। [১৪২] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৭৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا محمد بن عرعرة، حدثنا شعبة، عن عبد العزيز بن صهيب، عن انس بن مالك رضى الله عنه قال كان النبي صلى الله عليه وسلم اذا دخل الخلاء قال " اللهم اني اعوذ بك من الخبث والخبايث
শাদ্দাদ ইবনু আওস (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, সাইয়্যিদুল ইস্তিগফার হলোঃ ‘‘হে আল্লাহ! আপনিই আমার রব্ব। আপনি ব্যতীত আর কোন মাবূদ নেই। আপনিই আমাকে সৃষ্টি করেছেন, আর আমি আপনারই গোলাম। আর আমি আমার সাধ্য মত আপনার সঙ্গে কৃত প্রতিজ্ঞা ও অঙ্গীকারের উপর সুদৃঢ়ভাবে কায়িম আছি। আমি আমার প্রতি আপনার নি‘য়ামত স্বীকার করছি এবং কৃতগুনাহসমূহকে স্বীকার করছি। সুতরাং আমাকে মাফ করে দিন। কারণ আপনি ব্যতীত মাফ করার আর কেউ নেই। আমি আমার কৃতগুনাহের মন্দ ফলাফল থেকে আপনার কাছে আশ্রয় চাচ্ছি।’’ যে লোক সন্ধ্যা বেলায় এ দু‘আ পড়বে, আর এ রাতেই মারা যাবে, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। রাবী বলেন, অথবা তিনি বলেছেনঃ সে হবে জান্নাতী। আর যে লোক সকালে এ দু‘আ পড়বে, আর এ দিনেই মারা যাবে সেও তেমনি জান্নাতী হবে। [৬৩০৬] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৭৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا مسدد، حدثنا يزيد بن زريع، حدثنا حسين، حدثنا عبد الله بن بريدة، عن بشير بن كعب، عن شداد بن اوس، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " سيد الاستغفار اللهم انت ربي لا اله الا انت، خلقتني وانا عبدك، وانا على عهدك ووعدك ما استطعت، ابوء لك بنعمتك، وابوء لك بذنبي، فاغفر لي، فانه لا يغفر الذنوب الا انت، اعوذ بك من شر ما صنعت. اذا قال حين يمسي فمات دخل الجنة او كان من اهل الجنة واذا قال حين يصبح فمات من يومه ". مثله