Loading...

Loading...
বইসমূহ
৯৪ হাদিসসমূহ
মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার (রহ.) নাফি‘ (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ইবনু ‘উমার (রাঃ) ততক্ষণ পর্যন্ত আহার করতেন না যতক্ষণ না তাঁর সঙ্গে খাওয়ার জন্য একজন মিসকীনকে ডেকে আনা হতো। একদা আমি তাঁর সঙ্গে বসে খাওয়ার জন্য এক ব্যক্তিকে নিয়ে আসলাম। লোকটি খুব অধিক আহার করল। তিনি বললেনঃ নাফি‘! এমন মানুষকে আমার কাছে নিয়ে আসবে না। আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি, মু’মিন এক পেটে খায় আর কাফির সাত পেটে খায়। [৫৩৯৪; মুসলিম ৩৬/৩৪, হাঃ ২০৬০, আহমাদ ১৫২২০] (আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯৯২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا عبد الصمد، حدثنا شعبة، عن واقد بن محمد، عن نافع، قال كان ابن عمر لا ياكل حتى يوتى بمسكين ياكل معه، فادخلت رجلا ياكل معه فاكل كثيرا فقال يا نافع لا تدخل هذا على سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول " المومن ياكل في معى واحد والكافر ياكل في سبعة امعاء
ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মু’মিন এক পেটে খায় আর কাফির অথবা বলেছেন, মুনাফিক; রাবী বলেন, এ দু’টি শব্দের মধ্যে আমার সন্দেহ আছে যে, বর্ণনাকারী কোনটি বলেছেন- ‘উবাইদুল্লাহ বলেনঃ সাত পেটে খায়। [৫৩৯৩] ইবনু বুকাইর বলেন, মালিক (রহ.) নাফি‘ (রহ.)-এর সূত্রে ইবনু ‘উমার থেকে এবং তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে একই রকম হাদীস বর্ণনা করেছেন। [৫৩৯৫] (আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯৯৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا محمد بن سلام، اخبرنا عبدة، عن عبيد الله، عن نافع، عن ابن عمر رضى الله عنهما قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ان المومن ياكل في معى واحد، وان الكافر او المنافق فلا ادري ايهما قال عبيد الله ياكل في سبعة امعاء ". وقال ابن بكير حدثنا مالك، عن نافع، عن ابن عمر، عن النبي صلى الله عليه وسلم بمثله
‘আমর (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আবূ নাহীক খুব বেশী ভোজনকারী লোক ছিলেন। ইবনু ‘উমার তাঁকে বললেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কাফির সাত পেটে খায়। আবূ নাহীক বললেনঃ আমি তো আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের প্রতি ঈমান পোষণ করি। [৫৩৯৪; মুসলিম ৩৬/৩৪, হাঃ ২০৬০, ২০৬১, আহমাদ ১৫২২০] (আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯৯৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا علي بن عبد الله، حدثنا سفيان، عن عمرو، قال كان ابو نهيك رجلا اكولا فقال له ابن عمر ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " ان الكافر ياكل في سبعة امعاء ". فقال فانا اومن بالله ورسوله
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মু’মিন এক পেটে খায় আর কাফির সাত পেটে খায়।[1] [৫৩৯৭; মুসলিম ৩৬/৩৫, হাঃ ২০৬২, ২০৬৩, আহমাদ ৭৭৭৭] (আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯৯৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا اسماعيل، قال حدثني مالك، عن ابي الزناد، عن الاعرج، عن ابي هريرة رضى الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ياكل المسلم في معى واحد، والكافر ياكل في سبعة امعاء
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, এক লোক খুব বেশী পরিমাণে আহার করত। লোকটি মুসলিম হলে অল্প আহার করতে লাগল। ব্যাপারটি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে উল্লেখ করা হলে তিনি বললেনঃ মু’মিন এক পেটে খায়, আর কাফির খায় সাত পেটে। [৫৩৯৯; মুসলিম ৩৬/৩৫, হাঃ ৬০৬৩, ৬০৬৪, আহমাদ ৭৭৭৭] (আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯৯৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا سليمان بن حرب، حدثنا شعبة، عن عدي بن ثابت، عن ابي حازم، عن ابي هريرة، ان رجلا، كان ياكل اكلا كثيرا، فاسلم فكان ياكل اكلا قليلا، فذكر ذلك للنبي صلى الله عليه وسلم فقال " ان المومن ياكل في معى واحد، والكافر ياكل في سبعة امعاء
আবূ জুহাইফাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমি হেলান দিয়ে খাদ্য গ্রহণ করি না। [1] [৫৩৯৯] (আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯৯৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا ابو نعيم، حدثنا مسعر، عن علي بن الاقمر، سمعت ابا جحيفة، يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لا اكل متكيا
আবূ জুহাইফাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে ছিলাম। তিনি তাঁর নিকট উপবিষ্ট জনৈক ব্যক্তিকে বললেনঃ হেলান দেয়া অবস্থায় আমি খাবার খাই না। [৫৩৯৮] (আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯৯৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثني عثمان بن ابي شيبة، اخبرنا جرير، عن منصور، عن علي بن الاقمر، عن ابي جحيفة، قال كنت عند النبي صلى الله عليه وسلم فقال لرجل عنده " لا اكل وانا متكي
খালিদ ইবনু ওয়ালীদ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট ভুনা যবব আনা হলে তিনি তা খাওয়ার উদ্দেশে হাত বাড়ালেন। তখন তাঁকে বলা হলোঃ এটাতো যবব, এতে তিনি হাত গুটিয়ে নিলেন। খালিদ জিজ্ঞেস করলেনঃ এটা কি হারাম? তিনি বললেনঃ না। যেহেতু এটা আমাদের এলাকায় নেই তাই আমি এটা খাওয়া পছন্দ করি না। তারপর খালিদ তা খেতে থাকলেন, আর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দেখছিলেন। মালিক, ইবনু শিহাব হতে بِضَبٍّ مَشْوِيٍّ এর স্থলে بِضَبٍّ مَحْنُوذٍ বলেছেন। [৫৩৯১] আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯৯৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন
حدثنا علي بن عبد الله، حدثنا هشام بن يوسف، اخبرنا معمر، عن الزهري، عن ابي امامة بن سهل، عن ابن عباس، عن خالد بن الوليد، قال اتي النبي صلى الله عليه وسلم بضب مشوي، فاهوى اليه لياكل فقيل له انه ضب، فامسك يده، فقال خالد احرام هو قال " لا، ولكنه لا يكون بارض قومي، فاجدني اعافه ". فاكل خالد ورسول الله صلى الله عليه وسلم ينظر. قال مالك عن ابن شهاب بضب محنوذ
قَالَ النَّضْرُ الْخَزِيرَةُ مِنَ النُّخَالَةِ وَالْحَرِيرَةُ مِنَ اللَّبَنِ. নাযর বলেছেনঃ খাযীরা ময়দা দিয়ে এবং হারীরা দুধ দিয়ে প্রস্তুত করা হয়। ৫৪০১. ইয়াহ্ইয়া ইবনু বুকাইর (রহ.) ‘ইতবান ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি ছিলেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর বাদর যুদ্ধে অংশ গ্রহণকারী আনসার সাহাবীদের একজন। একবার তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে এসে বলেনঃ হে আল্লাহর রাসূল! আমার দৃষ্টিশক্তি দুর্বল হয়ে পড়েছে। আমি আমার গোত্রের লোকদের নিয়ে সালাত আদায় করি। কিন্তু বৃষ্টি হলে আমার ও তাদের মধ্যকার উপত্যকায় পানি প্রবাহিত হয়। তখন আমি তাদের মসজিদে আসতে পারি না যে, তাদের নিয়ে সালাত আদায় করব। তাই, হে আল্লাহর রাসূল! আমার আকাঙ্ক্ষা, আপনি এসে যদি আমার ঘরে সালাত আদায় করতেন, তাহলে আমি সে স্থান সালাতের জন্য নির্ধারণ করে নিতাম। তিনি বললেনঃ ইনশাআল্লাহ আমি শীঘ্রই তা করব। ‘ইতবান বলেনঃ পূর্ণরূপে সূর্য কিছু উপরে উঠলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও আবূ বাকর (রাঃ) আসলেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অনুমতি চাইলেন। আমি তাকে অনুমতি দিলাম। তিনি না বসেই সঙ্গে সঙ্গেই ঘরে প্রবেশ করে আমাকে বললেনঃ তোমার ঘরের কোন্ স্থানে আমার সালাত আদায় করা তোমার পছন্দ? আমি ঘরের এক দিকে ইশারা করলাম। তিনি সেখানে দাঁড়িয়ে তাকবীর বললেন। আমরা কাতার বাঁধলাম। তিনি দু’রাক‘আত সালাত আদায় করে সালাম ফিরালেন। আমরা যে হাযীরা প্রস্তুত করেছিলাম তা খাওয়ার জন্য তাঁকে বসালাম। তাঁর মহল্লার বহু সংখ্যক লোক ঘরে প্রবেশ করতে লাগল। তারপর তারা সমবেত হলে তাদের একজন বলল, মালিক ইবনু দুখশান কোথায়? আরেকজন বললঃ সে মুনাফিক? অন্য একজন বললঃ সে মুনাফিক, সে আল্লাহ ও তাঁর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে ভালবাসে না। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ এমন কথা বলো না। তুমি কি জান না, সে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য ‘লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ পড়েছে? লোকটি বললঃ আল্লাহ ও তাঁর রাসূল-ই ভাল জানেন। সে আবার বললঃ কিন্তু আমরা যে মুনাফিকদের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক ও তাদের প্রতি শুভ কামনা দেখতে পাই? তিনি বললেনঃ আল্লাহ তো জাহান্নামকে ঐলোকের জন্য হারাম করে দিয়েছেন যে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের আশায় ‘লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ পাঠ করবে। ইবনু শিহাব বলেনঃ এরপর আমি হুসাইন ইবনু মুহাম্মাদ আনসারী, যিনি ছিলেন বানূ সালিমের একজন নেতৃস্থানীয় লোক, তাকে মাহমূদের এ হাদীসের ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি এর সত্যতা স্বীকার করলেন। [৪২৪] আধুনিক প্রকাশনী- ৫০০০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন
حدثني يحيى بن بكير، حدثنا الليث، عن عقيل، عن ابن شهاب، قال اخبرني محمود بن الربيع الانصاري، ان عتبان بن مالك وكان من اصحاب النبي صلى الله عليه وسلم ممن شهد بدرا من الانصار انه اتى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله اني انكرت بصري وانا اصلي لقومي، فاذا كانت الامطار سال الوادي الذي بيني وبينهم، لم استطع ان اتي مسجدهم فاصلي لهم، فوددت يا رسول الله انك تاتي فتصلي في بيتي، فاتخذه مصلى. فقال " سافعل ان شاء الله ". قال عتبان فغدا رسول الله صلى الله عليه وسلم وابو بكر حين ارتفع النهار، فاستاذن النبي صلى الله عليه وسلم فاذنت له فلم يجلس حتى دخل البيت، ثم قال لي " اين تحب ان اصلي من بيتك ". فاشرت الى ناحية من البيت فقام النبي صلى الله عليه وسلم فكبر، فصففنا، فصلى ركعتين، ثم سلم وحبسناه على خزير صنعناه، فثاب في البيت رجال من اهل الدار ذوو عدد فاجتمعوا، فقال قايل منهم اين مالك بن الدخشن فقال بعضهم ذلك منافق لا يحب الله ورسوله. قال النبي صلى الله عليه وسلم " لا تقل، الا تراه قال لا اله الا الله. يريد بذلك وجه الله ". قال الله ورسوله اعلم. قال قلنا فانا نرى وجهه ونصيحته الى المنافقين. فقال " فان الله حرم على النار من قال لا اله الا الله. يبتغي بذلك وجه الله ". قال ابن شهاب ثم سالت الحصين بن محمد الانصاري احد بني سالم وكان من سراتهم عن حديث محمود فصدقه
وَقَالَ حُمَيْدٌ سَمِعْتُ أَنَسًا بَنٰى النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم بِصَفِيَّةَ فَأَلْقٰى التَّمْرَ وَالأَقِطَ وَالسَّمْنَ وَقَالَ عَمْرُو بْنُ أَبِي عَمْرٍو عَنْ أَنَسٍ صَنَعَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم حَيْسًا. হুমায়দ (রহ.) বলেন, আমি আনাস (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সফীয়্যাহর সঙ্গে বাসর যাপন করলেন। তারপর তিনি (দস্তরখানে) খেজুর, পনির এবং ঘি রাখলেন। ‘আমর ইবনু ‘আমর আনাস থেকে বর্ণনা করেনঃ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (সেগুলোর মিশ্রণ করে) ‘হায়স’ তৈরী করেন। ৫৪০২. ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমার খালা কয়েকটি যব্ব, কিছু পনির এবং দুধ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে হাদিয়া দিলেন এবং দস্তরখানে ‘যব্ব’ রাখা হয়। যদি তা হারাম হতো তার দস্তরখানে রাখা হতো না। তিনি (শুধু) দুধ পান করলেন এবং পনির খেলেন। [২৫৭৫; মুসলিম ৩৪০/৭, হাঃ ১৯৪৭] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫০০১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا مسلم بن ابراهيم، حدثنا شعبة، عن ابي بشر، عن سعيد، عن ابن عباس رضى الله عنهما قال اهدت خالتي الى النبي صلى الله عليه وسلم ضبابا واقطا ولبنا، فوضع الضب على مايدته، فلو كان حراما لم يوضع وشرب اللبن، واكل الاقط
সাহল ইবনু সা’দ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, জুমু‘আর দিন আসলে আমরা খুবই খুশী হতাম। এক বৃদ্ধা আমাদের জন্য সিলক্ (শালগম জাতীয় এক প্রকার সুস্বাদু সবজি)-এর মূল তুলে তা তাঁর হাঁড়িতে চড়িয়ে দিতেন। তারপর এতে অল্প কিছু যব ছেড়ে দিতেন।[1] সালাতের পর আমরা তাঁর সঙ্গে দেখা করতে গেলে তিনি এ খাবার আমাদের সম্মুখে হাজির করতেন। এ কারণেই জুমু‘আহর দিন আসলে আমরা খুব খুশী হতাম। আমরা সকালের আহার এবং বিশ্রাম গ্রহণ করতাম না জুমু‘আহর পর ব্যতীত। আল্লাহর কসম! সে খাদ্যে কোন চর্বি থাকত না। [৯৩৮] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫০০৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا يحيى بن بكير، حدثنا يعقوب بن عبد الرحمن، عن ابي حازم، عن سهل بن سعد، قال ان كنا لنفرح بيوم الجمعة، كانت لنا عجوز تاخذ اصول السلق، فتجعله في قدر لها، فتجعل فيه حبات من شعير، اذا صلينا زرناها فقربته الينا، وكنا نفرح بيوم الجمعة من اجل ذلك، وما كنا نتغدى ولا نقيل الا بعد الجمعة، والله ما فيه شحم ولا ودك
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি স্কন্ধের গোশত দাঁত দিয়ে ছিঁড়ে খেলেন।[1] তারপর তিনি উঠে গিয়ে (নতুনভাবে) অযূ না করেই সালাত আদায় করলেন। [২০৭] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫০০৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا عبد الله بن عبد الوهاب، حدثنا حماد، حدثنا ايوب، عن محمد، عن ابن عباس رضى الله عنهما قال تعرق رسول الله صلى الله عليه وسلم كتفا، ثم قام فصلى، ولم يتوضا
অন্য সনদে আইয়ুব ও আসিম (রহ.) ইকরামাহর সূত্রে ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেছেনঃ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাঁড়ি থেকে একটি গোশত যুক্ত হাড় বের করে তা খেলেন। তারপর (নতুন) অযূ না করেই সালাত আদায় করলেন। [২০৭] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫০০৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
وعن ايوب، وعاصم، عن عكرمة، عن ابن عباس، قال انتشل النبي صلى الله عليه وسلم عرقا من قدر فاكل، ثم صلى، ولم يتوضا
আবূ ক্বাতাদাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে মক্কা অভিমুখে রওয়ানা হলাম। [১৮২১] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫০০৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثني محمد بن المثنى، قال حدثني عثمان بن عمر، حدثنا فليح، حدثنا ابو حازم المدني، حدثنا عبد الله بن ابي قتادة، عن ابيه، قال خرجنا مع النبي صلى الله عليه وسلم نحو مكة
আবূ ক্বাতাদাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ একবার আমি মক্কার পথে কোন এক মনযিলে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কিছু সংখ্যক সাহাবীর সঙ্গে উপবিষ্ট ছিলাম। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের সামনেই অবস্থান করছিলেন। আমি ব্যতীত দলের সকলেই ছিলেন ইহরাম অবস্থায়। আমি আমার জুতা সেলাই করতে ব্যস্ত ছিলাম। এমন সময় তারা একটি বন্য গাধা দেখতে পেল। কিন্তু আমাকে জানাল না। তবে তারা আশা করছিল, যদি আমি ওটা দেখতাম! তারপর আমি চোখ ফেরাতেই ওটা দেখে ফেললাম। এরপর আমি ঘোড়ার কাছে গিয়ে তার পিঠে জিন লাগিয়ে তার উপর আরোহণ করলাম। কিন্তু চাবুক ও বর্শার কথা ভুলে গেলাম। কাজেই আমি তাদের বললাম, চাবুক ও বর্শাটি আমাকে তুলে দাও! তারা বললঃ না, আল্লাহর কসম! এ কাজে তোমাকে আমরা কিছুই সাহায্য করব না। এতে আমি রাগাম্বিত হলাম এবং নীচে নেমে ওদু’টি নিয়ে পুনরায় সাওয়ার হলাম। তারপর আমি গাধাটির পেছনে দ্রুত তাড়া করে তাকে ঘায়েল করে ফেললাম। তখন সেটি মরে গেল এবং আমি তা নিয়ে এলাম। পাকানোর পর) তারা সকলে এটা খাওয়া শুরু করল। তারপর ইহরাম অবস্থায় এটা খাওয়া নিয়ে তারা সন্দেহে পড়ল। আমি সন্ধ্যার দিকে রওনা হলাম এবং এর একটি বাহু লুকিয়ে রাখলাম। এরপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে গেলাম এবং তাঁকে এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেনঃ তোমাদের কাছে এর কিছু আছে? এ কথা শুনে আমি বাহুটি তাঁর সামনে পেশ করলাম। তিনি মুহরিম অবস্থায় তা খেলেন, এমন কি এর হাড়ের সঙ্গে সংলগ্ন গোশতও দাঁত দিয়ে ছিঁড়ে ছিঁড়ে খেলেন। ইবনু জা‘ফর বলেছেনঃ যায়দ ইবনু আসলাম (রহ.) ‘আত্বা ইবনু ইয়াসার-এর সূত্রে আবূ ক্বাতাদাহ থেকে এরকম হাদীস বর্ণনা করেছেন। [১৮২১] আধুনিক প্রকাশনী- ৫০০৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন
حدثنا عبد العزيز بن عبد الله، حدثنا محمد بن جعفر، عن ابي حازم، عن عبد الله بن ابي قتادة السلمي، عن ابيه، انه قال كنت يوما جالسا مع رجال من اصحاب النبي صلى الله عليه وسلم في منزل في طريق مكة، ورسول الله صلى الله عليه وسلم نازل امامنا، والقوم محرمون وانا غير محرم، فابصروا حمارا وحشيا وانا مشغول اخصف نعلي، فلم يوذنوني له، واحبوا لو اني ابصرته، فالتفت فابصرته فقمت الى الفرس فاسرجته. ثم ركبت ونسيت السوط والرمح فقلت لهم ناولوني السوط والرمح. فقالوا لا والله لا نعينك عليه بشىء. فغضبت فنزلت فاخذتهما، ثم ركبت فشددت على الحمار فعقرته، ثم جيت به وقد مات فوقعوا فيه ياكلونه، ثم انهم شكوا في اكلهم اياه وهم حرم، فرحنا وخبات العضد معي، فادركنا رسول الله صلى الله عليه وسلم فسالناه عن ذلك فقال " معكم منه شىء ". فناولته العضد فاكلها حتى تعرقها، وهو محرم. قال ابن جعفر وحدثني زيد بن اسلم عن عطاء بن يسار عن ابي قتادة مثله
‘আমর ইবনু উমাইয়্যাহ (রাঃ) থেকে বণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে রান্না করা বকরীর কাঁধের গোশত নিজ হাতে খেতে দেখেছেন। সালাতের জন্য তাঁকে ডাকা হলে তিনি তা এবং যে চাকু দিয়ে কাটছিলেন সেটিও রেখে দেন। অতঃপর উঠে গিয়ে সালাত আদায় করেন। অথচ তিনি নতুনভাবে অযূ করেননি। [২০৮] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫০০৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا ابو اليمان، اخبرنا شعيب، عن الزهري، قال اخبرني جعفر بن عمرو بن امية، ان اباه، عمرو بن امية اخبره انه، راى النبي صلى الله عليه وسلم يحتز من كتف شاة في يده، فدعي الى الصلاة فالقاها والسكين التي يحتز بها، ثم قام فصلى، ولم يتوضا
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কখনো কোন খাবারের দোষ-ত্রুটি প্রকাশ করেননি। ভাল লাগলে তিনি খেতেন এবং খারাপ লাগলে রেখে দিতেন। [৩৫৬৩] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫০০৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا محمد بن كثير، اخبرنا سفيان، عن الاعمش، عن ابي حازم، عن ابي هريرة، قال ما عاب النبي صلى الله عليه وسلم طعاما قط، ان اشتهاه اكله، وان كرهه تركه
আবূ হাযিম (রহ.) হতে বর্ণিত আছে যে, তিনি সাহল (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলেনঃ আপনারা কি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর যুগে ময়দা দেখেছেন? তিনি বললেনঃ না। আমি বললামঃ আপনারা কি যবের আটা চালুনিতে চালতেন? তিনি বললেনঃ না। আমরা ওতে ফুঁক দিতাম। [৫৪১৩] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫০০৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا سعيد بن ابي مريم، حدثنا ابو غسان، قال حدثني ابو حازم، انه سال سهلا هل رايتم في زمان النبي صلى الله عليه وسلم النقي قال لا. فقلت فهل كنتم تنخلون الشعير قال لا ولكن كنا ننفخه
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদিন তাঁর সাহাবীদের মধ্যে কিছু বন্টন করে দিলেন। তিনি প্রত্যেককে সাতটি করে খেজুর দিলেন। আমাকেও সাতটি খেজুর দিলেন। তার মধ্যে একটি খেজুর ছিল খারাপ। তবে সাতটি খেজুরের মধ্যে এটিই ছিল আমার কাছে সবচেয়ে প্রিয়। কারণ, এটি চিবাতে আমার কাছে খুব শক্ত লাগছিল। তাই এটি বেশি সময় ধরে আমার মুখে ছিল।) [৫৪৪১, ৫৪৪১মিম] আধুনিক প্রকাশনী- ৫০০৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন
حدثنا ابو النعمان، حدثنا حماد بن زيد، عن عباس الجريري، عن ابي عثمان النهدي، عن ابي هريرة، قال قسم النبي صلى الله عليه وسلم يوما بين اصحابه تمرا، فاعطى كل انسان سبع تمرات، فاعطاني سبع تمرات احداهن حشفة، فلم يكن فيهن تمرة اعجب الى منها، شدت في مضاغي
সা‘দ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ছিলাম নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাহাবীদের মধ্যে ইসলাম গ্রহণের ক্ষেত্রে সপ্তম। হুবলা কাঁটা যুক্ত গাছ বা হাবলা এক জাতীয় গাছ) ব্যতীত আমাদের খাওয়ার আর কিছুই ছিল না। এমনকি আমাদের কেউ কেউ বকরীর মত মলত্যাগ করত। এরপরও বনূ আসাদ আমাকে ইসলামের ব্যাপারে তিরস্কার করছে? তাহলে তো আমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে গেছি আর আমি পন্ডশ্রম। (আধুনিক প্রকাশনী- ৫০০৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا عبد الله بن محمد، حدثنا وهب بن جرير، حدثنا شعبة، عن اسماعيل، عن قيس، عن سعد، قال رايتني سابع سبعة مع النبي صلى الله عليه وسلم ما لنا طعام الا ورق الحبلة او الحبلة حتى يضع احدنا ما تضع الشاة، ثم اصبحت بنو اسد تعزرني على الاسلام، خسرت اذا وضل سعيي